আমার প্রিয় পোস্ট

কু্ম্ভকর্ণের "কোরআনের সংরক্ষণ।-১" শিরোনামে পোস্ট নিয়ে কিছু প্রশ্ন

০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮

শেয়ারঃ
0 3 0

কুম্ভকর্ণ,

"....আধাশিক্ষিত নাস্তিকদের ছাগলামি-মার্কা পোস্ট "
আপনার এই পোস্টের শুরুর দিকে এ লাইনটি দেখে মনে হলো, আপনার এই সিরিজের পোস্টগুলো অন্তত ছাগলামি মার্কা হবে না এবং আধা শিক্ষিত আস্তিকের পোস্ট হবে না- মানে যথেস্ট পড়াশুনা-অনুসন্ধান- বলতে গেলে গবেষণা করেই এই সিরিজটি লিখিত হবে। সেই প্রত্যাশা থেকে আপনার ঘোষণাকৃত পরবর্তী আরো ডিটেলসে, আরো ভাল রেফারেন্সসহ লেখা পোস্টে কিছু বিষয়ে আলোচনার দাবি রাখছিঃ

এক
আপনি জানিয়েছেন: "মুশাফটা যাতে কোনরকম ভুলভ্রান্তি না থাকে সেজন্য যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) এর কমিটি লেখা গ্রহণ করার জন্য দু'টা শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন(৬)। i) শুধুমাত্র সেসব কপিই গ্রহণ করা হবে যা হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর উপস্থিতিতেই সংরক্ষণ করা হয়েছিল। (এবং) ii) কমপক্ষে দুজন বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষী এই মর্মে ঘোষণা দিবেন যে তারা রাসুল (সাঃ) কে এই আয়াত আবৃত্তি করতে নিজের কানে শুনেছেন।"

অথচ, ৯:১২৮ এবং ৯:১২৯ আয়াত দুটোর দুজন সাক্ষী পাওয়া যায়নি বলে হাদীসে (সহীহ বুখারী, Volume 6, Book 61, Number 509) জানা যায়। হাদীসটির অংশ বিশেষ ( Click This Link) তুলে দিচ্ছিঃ
"..... So I started looking for the Qur'an and collecting it from (what was written on) palmed stalks, thin white stones and also from the men who knew it by heart, till I found the last Verse of Surat At-Tauba (Repentance) with Abi Khuzaima Al-Ansari, and I did not find it with anybody other than him. The Verse is:

'Verily there has come unto you an Apostle (Muhammad) from amongst yourselves. It grieves him that you should receive any injury or difficulty..(till the end of Surat-Baraa' (At-Tauba) (9.128-129)....."
তারপরেও এই আয়াত দুটো এখানে আসলো কি করে? রাশাদ খলীফার কোরআনে এযুক্তিতেই এই আয়াত দুটো বাদ দেয়া হয়েছে, সেই সাথে আরো কিছু যুক্তি ছিল, যেমনঃ ৯ নং সুরাটি মাদানী কিন্তু তার শেষ দুটো আয়াত (১২৮ ও ১২৯) মাক্কী। Abi Khuzaima Al-Ansari ছিলেন মদীনায় শেষের দিকে ইসলাম গ্রহণকারী আনসারী। তিনি কি করে মাক্কী আয়াত পেলেন- যেটি অন্য কেউ পেল না?

দুই
Abi Khuzaima Al-Ansari এর মত আর যেসব আয়াত সংগৃহীত হয়েছিল, যেগুলোর মাত্র একজন সাক্ষীই মিলেছিল, সেগুলো যে নবীজীর কোরআনের আয়াত নয় সে ব্যাপারে কি করে নিশ্চিৎ হওয়া সম্ভব? (যেখানে অনেকে কোরআন এ হাফেজ সাহাবী মারা গিয়েছিলেন!)

তিন
খোলাফায়ে রাশেদীন এর শেষ খলীফা, নবীজীর চাচাতো ভাই ও জামাতা আলী রা এর কোরআন সংকলন সম্পর্কিত আপত্তিসমূহ সম্পর্কে আপনার বক্তব্য কি? Jalaluddin Al-Suyuty এর AL ITQAAN FEE 'ULUM AL QURAN এ উল্লেখ আছেঃ "`Ali was asked: "Why are you staying home?" He said, "Something has been added to the Quran, and I have pledged never to put on my street clothes, except for the prayer, until the Quran is restored." এই ঘটনাটি উসমানের সময়কার। একই ধরণের বিবরণ আরো অনেক ইসলামী স্কলার ও ইতিহাসবিদের আলোচনায় পাওয়া যায়। এবিষয়ে ব্যাখ্যা কি রকম হতে পারে?

চার
কোরআন ৭টি ভাষারীতিতে বা উচ্চারণ রীতিতে অবতীর্ণ হয়েছিলো- কিন্তু আজকে আমরা একটি রীতির কোরআনই পাই। বাকি ৬ রীতির কোরআন ধ্বংস করা হয়েছে কোন সময়ে? আবু বকরের সংকলন, যা শেষ পর্যন্ত হাফসার কাছে সংরক্ষিত ছিল- সেখানে কি বাকি ভাষারীতিও ছিল? উসমানের কপিতেই কি প্রথম একটি ভাষারীতি অনুসৃত হয়?
তা যদি হয়, তবে এটুকু বলা যেতে কি পারে যে, উসমানের কপিকৃত কোরআন আর হাফসার কাছে সংরক্ষিত কোরআন অবিকল এক নয়? হাফসা কাছে যে কোরআন ছিল সেটিও কেন ধ্বংস করা হলো (Marwan b. Hakam কর্তৃক)?

পাঁচ
উসমানের কপিকৃত কোরআন (৫ কপি মতান্তরে ৭ কপি) ৫ টি বা ৭ টি অঞ্চলে পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তীতে আমরা যে কোরআন পাই- সেগুলো বিভিন্ন রীতিতে লেখা। যেমনঃ
১। মদীনা থেকে (Nafi, d. 169 A.H.);
২। মক্কা থেকে (ibn Kathir, d.120 A.H.);
৩। দামেস্ক থেকে (ibn ‘Amir, d. 118 A.H.);
৪। বসরা থেকে (Abu ‘Amr, d. 148 A.H.);
৫। কুফা থেকে (‘Asim, d.127 A.H.);
৬। কুফা থেকে (Hamza, d. 156 A.H.);
৭। কুফা থেকে (al-Kisai, d. 189 A.H.).

এছাড়াও পাওয়া যায়ঃ
৮। মদীনা থেকে (Abu Ja’far, d. 130 A.H.);
৯। বসরা থেকে (Ya’qub, d.205 A.H.);
১০। কুফা থেকে (Khalaf, d. 229 A.H.).

১১। বসরা থেকে (Hasan al-Basri, d. 110 A.H.);
১২। বসরা থেকে (Yahya al-Yazidi, d.202 A.H.),
১৩। মক্কা থেকে (ibn Muhaisin, d. 123 A.H.);
১৪। কুফা থেকে (al-’Amash, d. 148 A.H.).

এসব কোরআনের মধ্যেও পারষ্পরিক অমিল পাওয়া যায়। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় Warsh ‘an (according to) Nafi (d. 169 A.H.) এবং Hafs ‘an ‘Asim (d. 127 A.H.) এর কথা। Warsh এবং Hafs এর কোরআনের মাঝে অসংখ্য জায়গায় অমিল পাওয়া যায়। আজকে আমরা যে কোরআন পাই তা মূলত Hafs (কুফা) এর কোরআন এর অনুরূপ।

কেন এরূপ হলো?

ছয়
আপনার এই পোস্টের শেষ লাইন কটি এমনঃ " উল্লেখ্য হযরত ওসমান (রাঃ) এর করা কপি এখনও উযবেকিস্তানের তাশকেন্ত মিউজিয়ামে আছে(৯)। UNESCO-র Memory of the World Program মতে "it is the definitive version, known as the Mushaf of Uthman."

আজকে আমরা দুনিয়া জুড়ে কোরআনের যে রীতি পাই- সেটির সাথে মিলিয়ে দেখলে দেখা যায় যে, তাশকেন্ত মিউজিয়ামে উসমানের কোরআনের সাথে অনেক জায়গাতেই অমিল আছে। কিছু উদাহরণ নীচে দিচ্ছি। (প্রতিক্ষেত্রেই উপরের মোটা হরফে আয়াত উসমানের কপিকৃত তাশকেন্ত মিউজিয়ামে রাখা কোরআন থেকে নেয়া এবং নীচের আয়াত বর্তমানে প্রচলিত কোরআন থেকে নেয়া। আপনারা যেকেউ মিলিয়ে দেখতে পারেন।)

ক) নুন যুক্তকরণঃ


খ) আলাইকুম শব্দটি যুক্তকরণঃ


গ) আলিফের জায়গায় ইয়াঃ


ঘ) মিম নুন অপসারণঃ


ঙ) হুয়া র জায়গায় আল্লাহঃ


এই তাশকেন্তের কোরআনের বাইরেও আরেকটি কপি পাওয়া যায় যা । সেটির সাথেও বর্তমানে প্রচলিত কোরআনের অমিল পাওয়া যায়। (সেরকম একটি কপি এই এড্রেসে পাওয়া যাবেঃ Click This Link)। এই অমিলের কারণ কি? ব্যাখ্যা কি?

সাত
সাহোশি৬ উল্লেখিত বিষয়াদির ব্যাখ্যা। জ্বিনের বাদশার ব্যাখ্যাই যদি আপনার মত হয়- তবে সেক্ষেত্রে এ দুটো বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করছিঃ
ক) হাদীসের অথেনটিসিটি নিয়ে কথা বলার গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি কি? কোন হাদীসকে নন অথেনটিক বলার ক্ষেত্রে কি দেখা উচিৎ নয় যে- সেই হাদীস সম্পর্কে বিভিন্ন ইসলামী স্কলারেরা কি বক্তব্য পেশ করছেন, বা সেই হাদীসকে স্কলারেরা অথেনটিক নয় বলে ঘোষণা দিয়েছেন কিনা। কোরআন সংকলন কেন্দ্রিক সাহোশি৬ কর্তৃক উল্লেখিত হাদীস সমূহ কোন মুসলিম স্কলার অথেনটিক নয় বলেছেন সেটির উল্লেখ কি বাঞ্ছনীয় নয়? সাথে কি কারণে সেই হাদীসগুলোকে অথেনটিক নয় বলেছেন, সে আলোচনাও এখানে উপস্থাপনীয়। কিন্তু সেসব না করে হাদীসকে উড়িয়ে দেয়াটা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়, কেননা কোরআনের তাফসীর-ব্যাখ্যা- শানেনুযুল, ইসলামের আহকামের বিভিন্ন খুটিনাটি বিষয় হাদীস থেকেই পাওয়া যায়। কোরআনের কোন আয়াত নিয়ে ব্যাখ্যা সংক্রান্ত মতভেদ দূর করতেও স্কলারদের হাদীসের শরনাপন্ন হতে দেখা যায়। ফলে- কোরআন সংক্রান্ত আলোচনায় হাদীসই সবচেয়ে বড় দলিল হিসাবে স্বীকৃত।

খ) ইবনে মাসুদের কোরআনের সাথে উসমানের সংকলিত কোরআনের অবশ্যই অমিল ছিল- সেটাকে ভাষারীতি বা উচ্চারণ রীতির পার্থক্য যাই বলেন না কেন। ফুটনোট থাকার কারণে সেটা পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ এসেছিল- এটা কি গ্রহণযোগ্য? ফুটনোট বাদ দিয়ে সেই ভাষারীতিতে আরেকটি কপি কি বানানো যেত না?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০২
রাস্তার ছেলে বলেছেন: ধন্যবাদ! তবে পোস্টটা অসময়ে দিলেন বলেই মনে হচ্ছে। ঈদের কারণে অনেকেই ব্লগে নেই। দরকারি ব্লগাররা উত্তর দিলে অবশ্য সমস্যা নেই।
৩. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:২৪
বেয়াকুফ বলেছেন: ধন্যবাদ। আশাকরি কুম্ভকর্ন (নরাধম) আপনার প্রতিটা প্রশ্নের/যুক্তির পয়েন্ট বাই পয়েন্ট উত্তর দিবে, লজিক্যালি। আবেগপ্রবন হয়ে সে আরিফুর রহমান সহ অনেককে যে 'আধা শিক্ষিত নাস্তিক' বলে গালাগালি দিয়েছে, সেটা গ্রহনযোগ্য না। 'আধা শিক্ষিত' বলার সাথেসাথে এটা পরিস্কার ভাবে উল্লেখ করা উচিত ছিল, শিক্ষার মাপকাঠি তার কাছে কি, এবং সে এই মূহুর্তে কোন শিক্ষাস্তরে আছে বা আরিফুর রহমান (বা অন্যরা) শিক্ষার কোন স্তরে আছে, যাতে সবার কাছে প্রতীয়মান হয় যে তার সাপেক্ষে অন্যদের শিক্ষার স্তরটা আসলেই 'আধা'। পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। ++
৪. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮
বেয়াকুফ বলেছেন: যদি প্রয়োজন পড়ে, এটার রিপোস্ট দেওয়ার অনুরোধ থাকল, সময়মত।
৫. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
ধর্ম হৈলো গিয়া বিশ্বাসের বিষয় । সিস্টেমটা এরকম যে আগে বিশ্বাস স্থাপন তারপর যুক্তি দাড় করানো ।

অথচ হওয়া উচিত উল্টোটা । আগে যুক্তি দাড় করানো । তারপর সেইমতে বিশ্বাস স্থাপন ।

দু:খের কথা হৈলো ধর্ম নিয়ে যারা যুক্তিতর্ক করতে চান তারা প্রথম সিস্টেমটা অনুসরন করেন । তারপর চান নিজের ঐ বিশ্বাসটারে একটা স্টান্ডার্ড হিসেবে দাড় করায় সেইটা অন্যের উপর চাপায় দিতে ।
০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: বিশ্বাস আর অন্ধ বিশ্বাসের মধ্যে একটা পার্থক্য আছে। যুক্তি-প্রমাণকে কেন্দ্র করে একধরণের বিশ্বাস আর যুক্তি-প্রমান বাদ দিয়েই বিশ্বাস। পরের টিকে বলা যায় অন্ধ বিশ্বাস। প্রথমটি হলো গতিশীল বিশ্বাস (বিপরীত যুক্তিতে আগের বিশ্বাস পাল্টিয়ে ফেলাও সম্ভব) আর পরেরটি হলো স্থির বিশ্বাস।

যেমন, পানিচক্রে বিশ্বাস- অণু-পরমাণুতে বিশ্বাস- বৈজ্ঞানিক সূত্র সমূহে বিশ্বাস আর ভূত-প্রেতে বিশ্বাস, তাক তুকে বিশ্বাস।


ধর্ম হলো পরের ধরণের বিশ্বাস। মানে অন্ধ বিশ্বাস। ফলে, এখানে স্থির বিশ্বাসটাকে স্ট্যাণ্ডার্ড ধরে যুক্তি করার চেস্টাই স্বাভাবিক। এটা না করলে যে, সেই অন্ধত্বটুকু যে বাদ দিতে হয়!!!

০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন: তবে, আমার বিশ্বাস শব্দটি নিয়েই এক ধরণের এলার্জী আছে। ভাষায় যদি- অন্ধ বিশ্বাসের বিপরীতটিকে প্রকাশের অন্য ভালো কোন শব্দ থাকতো- ভালো হতো।

৬. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬
রাস্তার ছেলে বলেছেন: @বেয়াকুফের সাথে সহমত।
৭. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০০
রাস্তার ছেলে বলেছেন: @ হাসিব মাহমুদ: আপনার সাথেও সহমত। আসলে 'বস্তুথেকে চিন্তা নাকি চিন্তাথেকে বস্তু', বস্তুবাদ আর ভাববাদের এই লড়াই শুরুথেকেই ছিল এবং এখনও আছে। ভাববাদথেকে উদ্গত/ভাববাদ নির্ভর বলে প্রতিটি ধর্মই চিন্তাথেকে বস্তু তৈরী করে।
৮. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৫
আমার জন্য লেখা বলেছেন: আহা, মাইনষের কামের কত অভাব। এইদিকে কামলার অভাবে মিল-ফেকটরি সব বন্ধ হই যাইতেছে।
৯. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১০
বেয়াকুফ বলেছেন: কেন, আপনারা থাকতে কামলার অভাব পড়তেসে কি ভাবে দেশে? @আমার জন্য লেখা।
১০. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১৮
সুশীল সমাজ বলেছেন: ধন্যবাদ। আশাকরি কুম্ভকর্ন (নরাধম) আপনার প্রতিটা প্রশ্নের/যুক্তির পয়েন্ট বাই পয়েন্ট উত্তর দিবে, লজিক্যালি।
১১. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১৯
আমার জন্য লেখা বলেছেন: আরে বেয়াকুফ কমলার বাচ্চা কথা বাদ দিয়া কাজ কর
১২. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২৮
রাস্তার ছেলে বলেছেন: @লেখক: ইংরেজিতে আছে:
Faith
Believe
Trust.....etc.
প্রতিটার আলাদা আলাদা মর্মার্থ আছে। যদিও বাঙলায় সবগুলোরই অর্থ বিশ্বাস।
১৩. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২৮
রাসেল ( ........) বলেছেন: প্রথম যে প্রশ্নটা আসে সেটা হলো এই বর্ণ কিংবা শব্দ যোগ করা, মুছে দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠাপন করা এতে মূল অর্থ পরিবর্তিত হয়েছে কি না।

মুলত ওসমানের সংকলিত কোরানে যেসব সংশোধন করা হয়েছিলো তার অধিকাংশই মদীনার প্রচলিত ভাষিক উচ্চারণকে সংশোধন করে কুরাঈশ উচ্চারণরীতির প্রকাশ করা।

তবে মদীনায় যেসব শব্দ এবং প্রবাদ ছিলো যা কুরাইশ ভাষায় অনুপস্থিত সেগুলোকে অবিকৃত রাখা হয়েছিলো।

প্রশ্নটা অবিকল সংরক্ষণের ছেলেমি থেকে মুক্ত করে আর্থিক পরিবর্তনে গিয়ে ন্যস্ত করলে অধিকতর সুবিধা হয়। অন্তত রাজনৈতিক প্রয়োজনেই সম্পাদনার ছুড়ি-কাঁচি চালানোর বিষয়টা পরিস্কার করা যায়।

কোরাণের যেকোনো পাঠই সঠিক, যদি না সেটা অর্থকে আমূল বদলে দেয়।

আমার যতটুকু মনে হয়, নিজস্ব অনুভবে, মূলত উপদেশবানীগুলো অনুধাবণ এবং পালন করানোর উদ্দেশ্যেই এইসব আয়াতের আবির্ভাব। সেখানে যদি অর্থবিপর্জয় না ঘটে এবং মানুষ সঠিক অনুভবটা উপলব্ধি করে তাহলেই কোরাণের অক্ষর বদলালো না শব্দ বদলালো এটা নিয়ে বিতর্ক অর্থহীন হয়ে যায়।

তবে মানুষের "বিশ্বাস" এবং মানুষের "অবিশ্বাস" দুটোই কোনো কার্যকারণ মেনে চলে না। একদল বিশ্বাস করছে কোরান নাজিল হওয়ার পর থেকেই এটা আল্লাহর কুদরতে অবিকৃত অবস্থায় আছে। সেটা সঠিক নয়, এমন কি নরাধম, হ্যারি কিংবা কুম্ভকর্ণ যখন এটাকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তখনও সে যে বক্তব্যটা দিচ্ছে- নোক্তা সংযোজন তেমন বড় মাপের বিষয় না এটাও বিব্রতকর।

মূলত কোরান যখন নাজিল হয়েছে তখনও আরবি ব্যকরণ ছিলো না। কাউকে না কাউকে যের, যবর পেশ এইসব উপস্থাপন করতে হয়েছে। এমন কি আবরি বর্ণমালায় কিছু কিছু অক্ষরের নানাবিধ উচ্চারণ রীতি ছিলো। মূল উচ্চারণ ৩০টির বেশী থাকলেও সেগুলোকে উপস্থাপনের ২৬টি বর্ণ ছিলো[ সম্ভবত বলছি, কারণ যে উৎস থেকে পড়েছিলাম সেটা খুঁজে বের করা হয়তো সম্ভব তবে এই মুহূর্তে রেফারেন্স দিতে পারবো না]

কিছু যোজন কিছু বিয়োজন, কিছু মানুষের উচ্চারনগত বিভ্রাট, সব মিলিয়ে পরিবর্তন এসেছে। প্রশ্ন হলো সেই পরিবর্তন কতটুকু? সেটা কি কোরানের আয়াতের মুল অর্থকে একেবারে বদলে ফেলে বিপরীত কিছু উপদেশ এবং অনুশাসন পালনের নির্দশ হয়েছে?

০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন:
আপনার আলোচনাটি চমৎকার।
তবে, সম্ভবত ইসলামে শুধু অর্থগতভাবে ঠিক আছে কি না- এটুকুতেই সন্তুষ্ট থাকার উপায় নেই। কোরআনের আয়াত অবিকৃত ভাবে না পড়তে বা না লিখতে পারলে গুনাহ হয় বলে শুনেছিলাম। নামাজে সুরা এখলাস যখন পড়বেন তখন কুলহু আল্লাহু আহাদ আল্লাহু সামাদ....." ই পড়তে হবে, তা না পড়ে ২য় বাক্যে আল্লাহুর পরিবর্তে সর্বনাম ব্যবহার করা (হুয়া সামাদ) মুমিনরা অনুমোদন করবেন না বলেই জানি। আলিফ লাম মিম- ইয়া সিন এ ধরণের অনেক অর্থহীন অক্ষরসমষ্টি কোরআনে পাওয়া যায়, সেগুলো বাদ দিয়ে পড়তেও আপনি পারবেন- যদি সেগুলো বাদ দিলে আপনার কোন অর্থগত হেরফের হওয়ার কথা নয়।

এখন ইসলামের অবস্থানটি যদি এরকম হয়, তবে অবিকল অবিকৃত কোরআনের প্রমাণের বিষয়টি বিশ্বাসীদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

দ্বিতীয়ত, অনেকে না জেনেই দাবী করছেন যে, কোরআনের পরিবর্তন শুধু যবর-যের-পেশ মানে হরকত যুক্ত করা কেন্দ্রিক এবং বলছেন এটা আসলে কোন পরিবর্তনই নয়। কিন্তু এই হরকত যুক্ত করাকে কেউ কোরআন পরিবর্তন বলে উল্লেখ করছে না (কুম্ভকর্ণের পোস্টে জ্বিনের বাদশার আলোচনা দ্রষ্টব্য)। স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে- বিভিন্ন হরফ-শব্দ এমনকি বাক্য নিয়ে কথা উঠছে। সেগুলোর বিষয়ে কথা না বলে হরকত প্রসঙ্গ টেনে আনা বিভ্রান্তিকর।

আর, আপনার শেষের প্রশ্ন হচ্ছে- আয়াতের মূল অর্থকে একেবারে বদলে ফেলে বিপরীত উপদেশ-অনুশাসন পালনের নির্দেশ হয়েছে কিনা, সে ব্যাপারে বলা যায়- এরকম সম্ভাবনাও অমূলক নয়। কুম্ভকর্ণের পোস্টে সাহোশি৬ এর উল্লেখকৃত হাদীস দেখা যেতে পারে।

মূল বিষয় হলো- নবীজী তার জীবদ্দশায় সমস্ত কোরআনকে এক করে একটি নির্দিষ্ট কপি হিসাবে উপস্থাপন করে যান নি। তার মৃত্যুর পরে বিভিন্ন পর্যায়ে কোরআন সংকলিত হয়েছে। ফলে, সেক্ষেত্রে বিচ্যুতি-পার্থক্য ঘটাটাই স্বাভাবিক। ঘটেছেও তাই। কোরআনের বিভিন্ন ইস্যুতে সাহাবীদের মধ্যে মতভেদ সেকারণেই ঘটেছে। আর এই মতভেদের প্রেক্ষিতে এবং হাফেজ সাহাবী মারা যাওয়ার প্রেক্ষাপটে যখন কোরআনের সংকলনের উদ্যোগ নেয়া হয়, তখন তৎকালীন শাসক গোষ্ঠীর ইচ্ছা-অভিরুচির প্রাধান্য পাওয়াটাই স্বাভাবিক। সেটাই হয়েছে। ফলে, কোন আয়াত বিকৃত ভাবে এসেছে, কোন আয়াত নতুন তৈরী করে ঢুকানো হয়েছে, আবার অসংখ্য আয়াত বাদ পড়েছে- এমনটি ঘটার সম্ভাবনাই বেশী।


আপনাকে ধন্যবাদ।

১৪. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৩২
বেয়াকুফ বলেছেন: আপনে ভুল করতেসেন। আমি আপনার ভাই বেয়াকুফ না, অন্য বেয়াকুফ। আপনার আম্মা 'কমলা' রে আমি চিনিনা @আমার জন্য লেখা।
১৫. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫০
পাপী বলেছেন: পোস্ট ভালো হইসে। আরেকটু ঠান্ডা মাথায় পড়তে হইবো।
@বেয়াকুফ, অনেকদিন ধইরা দেক্তাসি তুমি আরিফুর রহমানের পা চাটতেসো। এইসব বিরক্তিকর মোসাহেবি বন্ধ কর।
১৬. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬
বেয়াকুফ বলেছেন: পোস্ট ভালো হইসে কয়া তিন লাম্বার ছাগোল নরকের পাপী কিন্তু মাইনাস দিসে। ছাগোলের বাচ্চা।
১৭. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫
মুকুল বলেছেন: নাস্তিক ভাইকে অনেকদিন পর দেখলাম। অনেক কিছু জানা গেলো। নিয়মিত লিখছেন না কেন?
১৮. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৫
সুশীল সমাজ বলেছেন: বেয়াকুফ , আপনিই বাদ দেন। পোস্ট টা কিন্তু নষ্ট করে দিছে। এই সব পোস্ট মুমিন মুসল্মানের ইমান নষ্ট করে দেয় , তাই পোস্ট নষ্ট করে তারা।
১৯. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬
শয়তান বলেছেন: নরাধম কি আসবে ?
২০. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৭
বেয়াকুফ বলেছেন: রিকোয়েস্ট @ নাস্তিকের ধর্মকথা। আমার আর ঐ বাস্টর্ডের সব কমেন্ট মুছে দিন।
২১. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮
বেয়াকুফ বলেছেন: আমিও সেটাই চাই @সুশীল সমাজ।
২২. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
রাস্তার ছেলে বলেছেন: @লেখক: উদ্ধার করেন ব্রাদার! কিছু একটা করেন! :(
২৩. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫২
রাসেল ( ........) বলেছেন: প্রশ্নটা এক্সেপটেন্স ওফ ভ্যারিয়েন্সের। ইবনে মাসাউদের কোরান পোড়ানো, কিংবা উবাইয়া ইবনে ক্বাবের কোরাণের সাথে উসমানের কোরানের পার্থক্য, বসরা কুফা ইয়ামেন সিরিয়া বিভিন্ন অঞ্চলের সাহাবাবাহিত ইসলামের বানী এবং সেসবের সংকলিত রুপের সাথে কোরাঈশ উচ্চারণে সংকলিত কোরানের পার্থক্যের কারণে।

স্থানীয় ভাষা, উচ্চারণ রীতি, কোনো প্রমিত আরবি ভাষার অনুপস্থিতি মুল সমস্যা। তথ্য বলছে অর্থপ্রমাদের কারণে আঞ্চলিক সংঘাত তৈরি হচ্ছিল বলেই নতুন করে কোরাণকে সংকলিত করবার প্রয়োজন বোধ করে উসমান।

প্রয়োজনটা রাজনৈতিক। ইসলামি সালতানতে ঐক্যবদ্ধতা এবং ইসলামী আইনের কাঠামো হিসেবে একটা নির্দিষ্ট গ্রন্থকে নির্ধারণ করে দিয়ে সমস্ত সাম্রাজ্যব্যাপী এটার অভিন্ন পাঠ প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা।

এইসব আলোচনা হাদিস কোরান ঘেঁটে প্রমাণের চেষ্টায় ব্যর্থ হচ্ছে কোরানকে বিকৃত করা হয়েছিলো কি না এই প্রশ্নে- হাদিসের বয়ান দিয়ে আমি দেখাতে পারি মুহাম্মদ এইসব সংকট উচ্চারণবিভ্রাটকে দোষণীয় মনে না করে বলছেন যদি সেটা অর্থকে সম্পূর্ণ উল্টে না দেয় তবে সেটা বৈধ।
এখলাসের উদাহরণ পড়লাম, আল্লাহর পরিবর্তে তিনি কিংবা তিনির পরিবর্তে আল্লাহ লিখে কোরানের অর্থ বিকৃত হয়েছে এমন না। প্রথমেই যা বলেছিলাম এখনও তাই বলছি, শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের বাঞ্ছায় মানুষ অনেক কিছুই প্রতিষ্ঠিত করবার চেষ্টা করে এবং সেইগুলো প্রতিষ্ঠিত করবার চেষ্টা এবং সেইগুলোকে নাকচ করবার চেষ্টায় তেমন কিছুই অর্জিত হয় না।

কোরানের বিকৃতির মূল নায়ক হয়তো উসমান না, অভিযোগটা মূলত মুবাইয়ার দিকেই যায়, তবে এই বিষয়ে তেমন তথ্যপ্রমাণ নেই, কিন্তু অভিযোগ আছে মুবাইয়া নিজস্ব প্রয়োজনেই কোরানের রাজনৈতিক সংস্কার করেছে।
২৪. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩
কঁাকন বলেছেন: ঈদের শুভেচ্ছা
আপনার লিখা আমার অনেক ভালো লাগে
এটা পরে পড়বো এখন ঈদ মোবারক মুডে আছি
ভালো থাকুন
২৫. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫১
এক্সবিজনেস বলেছেন: অনেকদিন পর আপনাকে দেখে ভাল লাগছে । ধন্যবাদ ।
২৭. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৪০
সাহোশি৬ বলেছেন: @ রাসেল আপনি বলেছেন:

"স্থানীয় ভাষা, উচ্চারণ রীতি, কোনো প্রমিত আরবি ভাষার অনুপস্থিতি মুল সমস্যা। তথ্য বলছে অর্থপ্রমাদের কারণে আঞ্চলিক সংঘাত তৈরি হচ্ছিল বলেই নতুন করে কোরাণকে সংকলিত করবার প্রয়োজন বোধ করে উসমান। প্রশ্নটা অবিকল সংরক্ষণের ছেলেমি থেকে মুক্ত করে আর্থিক পরিবর্তনে গিয়ে ন্যস্ত করলে অধিকতর সুবিধা হয়। অন্তত রাজনৈতিক প্রয়োজনেই সম্পাদনার ছুড়ি-কাঁচি চালানোর বিষয়টা পরিস্কার করা যায়।"

আপনার কথা অনুসারে এটা বোঝা যাচ্ছে যে কোরান অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত হয় নি। যদি কোরানে সম্পাদনা করা হয়েই থাকে তাহলে এটার গ্যারেন্টি কি যে কোরানে বাক্যের অর্থ পরিবর্তন না করে সম্পাদনা করে হয়েছে? বিভিন্ন হাদীস উল্লেখ করে ইদানিং প্রমান করা হচ্ছে যে শুধু একটি বাক্যের অর্থ নয় বরং কোরান থেকে কিছু কিছু বাক্যই মুছে ফেলা হয়েছে (কুম্ভকর্নের পোস্টে আমার মন্তব্যগুলো দ্রষ্টব্য) আবার কোন কোন ক্ষেত্রে কোরানে অতিরিক্ত কিছু বাক্যের সংযোজন ঘটেছে। সুতরাং আপনার দাবী কোরান সম্পাদিত হয়েছে অথচ অর্থের কোন পরিবর্তন হয় নি, এটাকে সাপোর্ট করার মতো খুব বেশী কারন আছে বলে মনে হয় না। আপনার যুক্তির স্বপক্ষে কোন হাদীস উল্লেখ করে দেখালে বোধ হয় ভালো হতো।

কোরানে যদি সম্পাদনা হয়েই থাকে তাহলে মোহাম্মদের উপর যে কোরান নাজিল হয়েছিল তার সাথে বর্তমান কোরানের পার্থক্য থাকা বান্ছনীয়। সেক্ষেত্রে কোরান মনুষ্য রচিত গ্রন্থ হয়ে গেল। মানুষ রচিত যে কোন গ্রন্থ নির্ভুল হবে এটা বিশ্বাসযোগ্য কোন কথা হতে পারে না।

কোরানে যদি ভুল থেকেই তাহলে ইসলামের ভিত্তিটাই দূর্বল হয়ে যাচ্ছে কারন ইসলামের ভিত্তিটাই হচ্ছে আল্লাহ প্রেরিত কোরান নির্ভুল আর তাই সংশয়হীনভাবে কোরানে বিশ্বাস স্থাপন করা যায়। যুক্তি দিয়ে দেখতে গেলে, মানুষ সম্পাদিত কোন গ্রন্থের উপর সংশয়হীনভাবে বিশ্বাস স্থাপনের কোন অর্থ খুজে পাওয়া মুশকিল।
২৮. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০৭
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: নারু কই? ঈদে ব্যস্ত?
২৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: আপনি কি জিটক বা ইয়াহুতে আসতে পারবেন?



(এই কমেন্টটা মুছে দিন দয়া করে)
৩০. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৬
আজমান আন্দালিব বলেছেন: পবিত্র কোরআনে বর্ণিত ১৯ সংখ্যাটি নিয়ে ত্রিভুজ- এর ব্লগে এবং আমার ব্লগে পাঠানো আপনার তথ্যবহুল লেখা/মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

আমি একটি বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চাচ্ছি, ড. রাশাদ খালীফ পুরো কোরআনকেই যে ১৯ এর ছকে আবদ্ধ করতে চেয়েছিলেন- এর কতটুকু গ্রহণযোগ্য এবং কতটুকু পরিত্যাজ্য।
আপডেটের অপেক্ষায় রইলাম।
ধন্যবাদ আপনাকে।
৩১. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৯
মৈথুনানন্দ বলেছেন: জুয়েল অব মেদিনা'র সফ্ট-হার্ড কোনো কপিই এখনো জোগাড় করে উঠতে পারিনি :(
৩২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০৮
রণদীপম বসু বলেছেন: সবকিছু বোঝা হয়তো আমার দ্বারা সম্ভব নয়, তবে খুব কৌতূহলজনক পোস্ট। ভালো লাগছে পড়ে। ধন্যবাদ নাস্তিকের ধর্মকথা'কে।
৩৩. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৫
পাপী বলেছেন: যে কোন বিশ্বাস যখন উগ্রতায় রুপ নেয়, তখনই একটা দ্বন্দের সৃস্টি হয়। তাই উগ্রতা পরিহার করাই শ্রেয়।

একটি প্রশ্ন করতে চাই। নাস্তিক মানেই ধর্মে এবং সৃস্টিকর্তায় অবিশ্বাসি। অথচ দেখা যাচ্ছে, নব্য রক্ষণশীল, জিওনিস্ট এবং ব্রাম্মণবাদিদের যোগ্য সহযোগি হিসেবে নাস্তিকরা শুধুমাত্র ইসলামকেই আক্রমন করছে। তাহলে কি নাস্তিককের সংজ্ঞা বদলে যাচ্ছে?

অনেকেই আবার ইসলামের সাথে জামাতকে জুড়ে দিয়ে এক ঢিলে দুই পাখি মারতে ব্যাস্ত। তাদের লেখা পড়ে মনে হয়, মুসলমান অর্থই জামাতে ইসলামের সদস্য/সমর্থক। তাদের এই ভ্রান্তির আদৌ অবসান হোক, এই কামনাই করি।

আস্তিক বা নাস্তিক যেই হোক না কেন, লেখায় শালিনতা বা শ্রদ্ধাবোধ থাকতেই হবে। বাকস্বাধীনতার ধুয়া তুলে গালাগালিকে প্রশ্রয় দেয়া ঠিক নয় সেক্ষেত্রে সেরকম লেখা ব্যান করাটাই যুক্তিযুক্ত। কিন্তু একটি বিষয় নিয়ে এন্তার আলোচনা সমালোচনা হলেই সে বিষয়টিকেই একেবারে বাদ দিতে হবে, এটি সমর্থন করতে পারছি না।
(ব্লগের কিছু নাস্তিকের খোলধারীদের উদ্দেশ্যে, এইখান থেকে কপি করা Click This Link)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৬২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই