আমার প্রিয় পোস্ট

ঈদুল আজহার ত্যাগ ও কোরবানির মহিমা

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫০

শেয়ারঃ
0 1 0

প্রথমেই, সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা।
(ঈদের শুভেচ্ছা এ কারণে যে, আমাদের দেশের মানুষের হাতে-গোনা ক'টি উৎসবের মধ্যে ঈদকে প্রধান বলতেই হবে।)

এবারে এই ঈদুল আজহার বিশেষ ঘটনা পশু কোরবানী নিয়ে কিছু আলোচনা করি। ...................

মূলত 'কুরব' শব্দমূল থেকে 'কোরবানি' শব্বটির উৎপত্তি, যার অর্থ ত্যাগ, উৎসর্গ, সান্নিধ্য ও নৈকট্য লাভ প্রভৃতি।

ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম রোকন হজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুশাসন কোরবানি। ১০-১২ জিলহজ্ব এ বিধানটি পালিত হয় এবং সেই সংগে মুসলিম জাহানে পালিত হয় কোরবানীর ঈদ। ইসলামী শরিয়তে সমর্থবানদের জন্য পশু কোরবানী করা ওয়াজিব। গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ, উট, দুম্বা এসব গৃহপালিত চতুস্পদ প্রাণীর যেকোন একটি দিয়ে কোরবানি দেয়া হয়। সুরা আল কাওসারের আয়াত ২ এ বলা হয়েছে,"সুতরাং তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো"। অন্যত্র সুরা আল-আনআমের আয়াত ১৬২ এ বলা হয়েছে,"আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন, ও আমার মরণ জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর উদ্দেশ্যে"।

অন্যদিকে, হাদীসে বলা হয়েছে, "নবী করিম সা. বলেছেন, কোরবানির দিনে মানবসন্তানের কোন নেক কাজই আল্লাহর কাছে তত প্রিয় নয়, যত প্রিয় রক্ত প্রবাহিত করা, অর্থাত কোরবানি করা। কোরবানির পশু এবং এর শিং, পশু ও ক্ষুরসহ কিয়ামতের দিন(কোরবানিদাতার পাল্লায়) এনে দেওয়া হবে। কোরবানির পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই আল্লাহর কাছে সম্মানিত স্থানে পৌঁছে যায়। সুতরাং তোমরা আনন্দচিত্তে কোরবানি করবে"।(তিরমিজি ও ইবনে মাজা)

সুতরাং, দেখা যাচ্ছে- সকল সমর্থবান মুসলমানের জন্যই কোরবানির একটা বিশেষ গুরুত্ব আছে।

ইসলামীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে কোরবানির ইতিহাসটি বলে- কোরবানির তাত্পর্যের উপরে আলোকপাত করছি।

ইতিহাসঃ
প্রায় ৫ হাজার বছর আগে হজরত ইব্রাহীম আ. একদা স্বপ্নযোগে আল্লাহর নির্দেশে প্রাণপ্রিয় পুত্র ইসমাইলকে কোরবানি দিতে উদ্যত হয়েছিলেন। আল্লাহর মেহেরবানিতে শিশুপুত্রের পরিবর্তে দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়। সৃষ্টিকর্তার দরবারে মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইব্রাহীম আ. এর ঈমানের অগ্নিপরীক্ষা হয়ে গেল। মিনায় ইসমাইলকে কোরবানি দিতে গেলে, পুত্র ইসমাইল বা পত্নী বিবি হাজেরা কোনরকম বাঁধা প্রদান করেননি। তাঁরা আল্লাহর নির্দেশে আত্মোত্সর্গ করতে প্রস্তুত ছিলেন।

কোরবানির তাৎপর্যঃ
১। আল্লাহর সন্তুষ্টিকল্পে নিজের জানমালকে কোরবানি করতে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। এটাকে বলা হচ্ছে ত্যাগ-তিতিক্ষার শিক্ষা। আল্লাহ তা'আলা বান্দার প্রিয় বস্তু, মনের স্বচ্ছতা, আন্তরিকতা ও খোদাভীতি তথা তাকওয়ার চিহ্নস্বরূপ সম্পদের ব্যয়কে দেখতে ভালোবাসেন।
২। কোরবানির মাধ্যমে সমস্ত পশুত্বকেও কোরবানি করা হয়। মনের মধ্যকার যত কালো দিক আছে- তার অবসান ঘটে।
৩। কোরবানির গোশতের তিনভাগের দুইভাগ গরীবদের মাঝে বিলিয়ে দেয়ার মাঝে- গরীব- দুঃখীদের প্রতি মহান কর্তব্য পালিত হয়।

ভিন্ন ধরণের কিছু আলোচনা ও প্রশ্নঃ
১। ইতিহাসবিদ ও নৃতাত্বিক গণের আলোচনায় আমরা দেখি, প্রাচীণ আমলে মানুষ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে পশুবলী এমনকি নরবলী দিত। সবই তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী তাদের ঈশ্বর ও দেবতাদের উদ্দেশ্যে ঐ সব পশু বা নর বলী দিত বা উতসর্গ করতো। যেমন কোন সময় খরায় বা অন্য কোন কারণে ফলন না হলে- অধিক ফলনের আশায় জমিতে পশু/নর বলী করতো। বা বৃষ্টির আশায় বৃষ্টির দেবী বা দেবতার উদ্দেশ্যে বলী দিত।
ইসলামের কোরবানির সাথে তার সম্পর্ক বা পার্থক্য কি?
২। এই ২/৩ দিনে গোটা দুনিয়ায় একসাথে কতটি পশু মারা যায়? উৎসব হিসাবে লাখে লাখে পশু হত্যা, প্রথা হিসাবে কেমন?
৩। শুধু একধরণের বিশ্বাসের জায়গা থেকে যে ত্যাগ, তাতে ত্যাগের মহিমা আসলেই কতখানি থাকে?
৪। গরীবের যেখানে চাল/আটা কেনার পয়সা নেই, সেখানে তাদের গোশত দেয়া কি একধরণের মশকরা নয়?
৫। মনের পশুত্ব কোরবানি দেয়ার জন্য কি পশু কোরবানি আবশ্যক?

উৎসবের লক্ষে পশুহত্যা আর ভোজনের উদ্দেশ্যে পশুহত্যা কি এক?
ঈদুল আজহার এই পশুবলী নিয়ে কথা বললেই প্রশ্ন চলে আসে- "এই প্রথাটি নিয়ে যারা কথা বলছেন তারা কি নিরামিষভোজী?" বা অনেকে নৈতিকতার প্রশ্নও তুলেন- "কোরবানীর মাংস-পোলাও-কোরমা-কালিয়া খেয়ে দেয়ে কোরবানী উৎসব বা প্রথাটি নিয়ে কথা বলে না-কি প্রগতিশীল সাজাটা কেমন?"

এ ব্যাপারে আমি আমার নিজের জবাবটি এখানে দিয়ে আলোচনা শেষ করছি। আমি যখন এই উৎসব বা প্রথাটি নিয়ে কথা বলি, তখন পশুহত্যা নিয়ে আমার আপত্তির কথা কখনো তুলিনা, দুনিয়া জুড়ে লাখে লাখে- কোটিতে কোটিতে পশু প্রকাশ্যভাবে হত্যা করে, সেই হত্যা-যজ্ঞকে কেন্দ্র করে একটি উৎসব বা প্রথা গড়ে উঠলে সেটিকে মধ্যযুগীয় বর্বর মনে না করার কারণ দেখিনা। এই প্রথাটির ব্যাপারে আমার এলার্জী আছে, কিন্তু আমার খাবারে মেনুতে গরু-ছাগল-মাছ এসব পশুর উপস্থিতিতে আমার কোনদিনই কোন এলার্জী ছিল না।

এক কালে ঈদের নামাজ পড়ে এসে বাবা ও বড় ভাইয়ের পাশে হুজুরের জবাই করা থেকে শুরু করে মাংস ছিলা, মাংস কাটা, ভাগ-বাটোয়ারা, চামড়া বিক্রি... ইতয়াদি সব ভালো উপভোগ করলেও (অবশ্য কয়েকবার ছাগল কিছু আগে কেনার কারণে ছাগলের প্রতি মায়া পড়ায় কষ্টও তৈরী হয়েছিল!)- আজ ঐধরণের নৃশংস কাজগুলো থেকে নিজেকে দূরেই রাখার চেষ্টা করি, তবে আগেও মাংস খাওয়ায় কোন সমস্যা দেখিনি- এখনও দেখিনা (মুটিয়ে যাওয়ার ভয়ে যা একটু কম খাওয়ার চেষ্টা বাদে!!)......


সবাইকে ধন্যবাদ ও
আবারো ঈদের শুভেচ্ছা।

(ঈষদ পরিবর্তিত আকারে রিপোস্ট)

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬
এক্স ফাইলস্‌ বলেছেন: আল্লাহর নির্দেশে স্বপ্নযোগে হযরত ইব্রাহীম যে কুরবানী দিতে রাজী হলেন.... এটাকে কি আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা বলবেন? যদি বলেন সেই ভালোবাসায় কি অন্ধত্ব দেখতে পান।

মানে আমি যেটা বলতে চাই.... তবে কি ইসলাম ধর্মান্ধতা সমর্থন করে।

অন্যভাবে বললে, আমি যদি একজনের প্রতি অন্ধ হই তবেই তাকে নিয়ে কোন জিজ্ঞাসা আমি মনে আনবোনা। কোন বিবাদে জড়াবোনা।

এ বিষয়টিকে কিভাবে দেখেন?
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪

লেখক বলেছেন:
শুধু ইসলাম নয়- প্রায় সব ধর্মই তো অন্ধতাকে সমর্থন করে। আজ যদি কোন মুসলিম বান্দা স্বপ্নে আদিষ্ট হন যে- তার সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় কোরবানী দিতে হবে- এবং সে অনুযায়ী সেই মুমিন বান্দা যদি তার বাচ্চাকে উৎসর্গ করতে যায় তবে কি ঘটবে? সবাই সেই বান্দাকে আটকানোর চেস্টা করবে, তাকে উন্মাদই বলবে। তাই নয় কি?

তবে, ইব্রাহীম বা আব্রাহামকে আমার সেরকম উন্মাদ মনে হয় না। এবং এই ইব্রাহীম কিন্তু ইসলামের আবিষ্কার নয়- এই ইব্রাহীম/আব্রাহামকে খৃস্টান-ইহুদী সহ আরব অঞ্চলের বিভিন্ন মিথেই যুগে যুগে স্মরণ করা হয়েছে। ইতিহাস/নৃতাত্তিক বিভিন্ন পাঠ থেকে এটুকু মনে হয় যে- কেবল উন্মাদ একজন মানুষকে লোকে যুগে যুগে এমন মনে রাখার কথা নয়। তাহলে কি হতে পারে? ঐ অঞ্চলে খরা-অনাবৃষ্টি প্রভৃতি প্রাকৃতিক কারণে কৃষিজ জীবন ব্যাপক ব্যহত হত এবং সেখানে দেবতা/ঈশ্বেরের উদ্দেশ্যে নরবলীর প্রথা চালু ছিল এমনটাও জানা যায়। এসব মিলিয়ে মনে হয়- এমনটা হতে পারে যে, এই আব্রাহাম/ইব্রাহীমই সম্ভবত নরবলীর মত একটা বর্বর প্রথাকে পশুবলী দিয়ে প্রতিস্থাপন করেন। এই কাজটিতে ইব্রাহীমের সাথে সাথে পুত্র ইসমাইলের ভূমিকাও উল্লেখযোগ্য হওয়ার কথা। হতে পারে, এই নরবলীর প্রথা উচ্ছেদ কল্পে ইসমাইল তার প্রাণটাও প্রায় খোয়াতে বসেছিল।

এসব কিছুই লোকের লোকের মুখে মুখে বিবর্তিত হয়ে এমন একটা মিথে পরিণত হয়েছে। আর সেটিই ইসলাম এডোপ্ট করে নিয়েছে।

২. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: বস আপনি আমার ফেভারিট,


আপনার ইমেইল আ্যাড্রেস দেয়া যাবে?

আগের পোস্টে একটা কোয়েশ্চেন করেছিলাম,ইবন ইসহাকের লাইফ অফ প্রফেট নিয়ে, জানামতে বইটা কই পাবো জানেন?

প্লাস।

পিএস ইমেইল আ্যাড্রেসটা প্লীজ দিয়েন।


আমার ইমেইল আ্যাড্রেস
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন:
nastikerdharmakathaএটজিমেইলডটকম


এই মুহুর্তে বলতে পারছি না, জানতে পারলে অবশ্যই জানাবো....

৩. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
এক্স ফাইলস্‌ বলেছেন: পজিটিভলি ভাবলে অনেক কিছুই মেনে নেয়া যায়।

কিন্তু আমার পয়েন্ট হলো...... ধর্মের মূলনীতি তে অন্ধত্ব কতখানি অবদান রাখে? যুক্তিবিচার করতে গেলে ধর্ম কতটা নড়বড়ে হয়ে যেতে পারে।

শুধু ইসলাম নয়- প্রায় সব ধর্মই তো অন্ধতাকে সমর্থন করে----- আপনার এই বাক্যটি অনেক আলোচনার উদ্রেক করতে পারে
৬. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৯
আমিই রূপক বলেছেন: আল্লাহ্‌ পশু কোরবানী দিতে বলেছেন। সুতরাং কোরবানী দিতে হবে। আল্লাহ্‌ যা যা করতে বলেছেন এবং যা যা করতে নিষেধ করেছেন তা পালন করতে হবে। এই হুকুম শুধু বিশ্বাসীদের জন্য।

বিশ্বাসী হতে হলে যুক্তিপ্রমাণের প্রশ্ন আসে। বিশ্বাস স্থাপন করার পর অন্ধত্ব দোষের নয়। যদি কেউ বিশ্বাস করে আল্লাহ্‌ আছেন তবে তার কাছে আল্লাহ্‌র হুকুম মানতে মনের দিক থেকে কোন বাধা আসবেনা। কারণ সে জানে আল্লাহ্‌ই সব কিছুর স্রষ্টা এবং মালিক।

আর যে অবিশ্বাসী সে অন্ধের মত হাতড়ে বেড়ায় আর যুক্তি খোঁজে।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন:
হুমমম..... আপনার সাথে সম্পূর্ণটাই একমত।

৭. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪১
সত্যান্বেষী বলেছেন:
@ লেখক:

খুবই সংক্ষিপ্ত মনে হলো।
৮. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭
এক্স ফাইলস্‌ বলেছেন: @ আমিই রূপক

বিশ্বাসী হতে হলে যুক্তিপ্রমাণের প্রশ্ন আসে। বিশ্বাস স্থাপন করার পর অন্ধত্ব দোষের নয়।

খুব একটা জোরালো লাগলোনা আপনার এই কথাটি....
৯. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭
পাপী বলেছেন: আপনি যেভাবে নর-বলি হত্যা যজ্ঞার লিঙ্ক দেখালেন তা চমকপ্রদ। আপনার গল্প যে বিশ্বাস করবো তার বেজ কি? যাই হোক যার যার বিশ্বাস তার তার কাছে। ঈদ মোবারক।
১০. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৫
আমিই রূপক বলেছেন: ধর্ম কারও কোন ক্ষতি করেনা। যে সঠিকভাবে ধর্ম পালন করবে সে অবশ্যই কোন প্রকার পার্থিব কিংবা আধ্যাতিক অপরাধে লিপ্ত হবেনা। যে অবিশ্বাসী তার ক্ষেত্রে এই সম্ভাবনা প্রচুর।

আর আল্লাহ্‌ আছেন কি নেই তা প্রমাণ করতে মানুষকেই আল্লাহ,হতে হবে। কারণ আল্লাহ্‌ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ। তিনি তার কোন জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে মানুষের সম্পুর্ণ আগোচরে রেখেছেন তা কেউ বলতে পারেনা। কোন নবীও না।

আর আল্লাহ্‌ আছেন এই বিশ্বাস যে করে সেও 'দিব্যজ্ঞান' থেকে করে আর যে অবিশ্বাস করে সেও তাই করে।

আর এ কারণেই আস্তিক এবং নাস্তিকদের মধ্যে এত দ্বন্দ। তারা উভয়েই জ্ঞানী এবং উভয়েই মূর্খ। আল্লাহ্‌র প্রতি বিশ্বাস যারা করে তাদের বেশিরভাগই বোঝে না তারা আসলে কি বিশ্বাস করেছে।

আর আল্লাহ্‌কে যারা অবিশ্বাস করে তারাও বোঝেনা তারা কি অবিশ্বাস করেছে।

যারা যুক্তিপ্রমাণ ছাড়া আল্লাহ্‌কে বিশ্বাস করে তারা যেমন মূর্খ তেমনই যারা যুক্তিসহ এবং যুক্তিছাড়া আল্লাহ্‌কে অবিশ্বাস করে তারাও একই শ্রেনীর মুর্খ।


যারা যুক্তি নিয়ে আল্লাহ্‌কে বিশ্বাস করে তাদের বিষয়টি চিন্তা করার মত কারণ তারা না দেখে কোন যুক্তিতে আল্লাহ্‌র অস্তিত্বে বিশ্বাস এনেছে তা অবশ্যই গবেষণার দাবী রাখে।

ইসলাম, ইহূদী, খ্রিষ্টান ইত্যাদি ধর্ম যে সকল নবীগণ পৃথিবীতে এনেছেন তারা নিজেদের সুখের জন্য এ কাজ করেননি তা ইতিহাস পড়লেই জানা যায়।

তাদেরকে ভন্ড মিথ্যাবাদী বলার আগে নিজেদের জ্ঞানের মাত্রা যাচাই করা আবশ্যক।
১২. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮
চিকনমিয়া বলেছেন: ঈদ মোবারোক, কুরবানীর ঈদ কেমন করচেন?
১৩. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০
চাণক্য বলেছেন: ধর্ম বেচিয়া ভালই চলিতেছ দেখা যায়।
১৪. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩
মাহিরাহি বলেছেন: ভাই, মানলাম মুসমানেরা খুবই খারাপ কাজ করে।

কিন্তু আপনি যদি পরিসংখ্যান দেখেন তবে দেখা যাবে,
শুধুমাত্র আমেরিকার খৃষ্টানেরাই বছরে যে মাংস খায়, সারা পৃথিবীর মুসলমানেরাও তার অর্ধেকও খায় কিনা আমার সন্দেহ আছে।
তারা নিশ্চয় জ্যান্ত পশু খায় না কোন কোন ভাবে পশুগুলোকে হত্যা করতে হয়।

এই ব্যপারে আমেরিকানদের নিষ্পৃহতার কারন কি।
তারা এই আকামটি মেনে নিচ্ছে কেন?
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন:
পরিসংখ্যানটি তথ্যসূত্র সহকারে দেখতে পারলে মন্দ হতো না। যাহোক, ধরে নিলাম আপনার তথ্যটিই সঠিক। তো? মাংস খাওয়া নিয়ে কি আমি কোন কথা বলেছি? মানুষের যে ক্যালরির প্রয়োজন- তার একটা বড় অংশই সে প্রাণিজ প্রোটিন দিয়ে পূরণ করে- এটাই স্বাভাবিক। প্রাণিজ আমিষ খেতে গেলে সেই প্রাণিকে মারতে হবে এটাও স্বাভাবিক। আমি শুধু বলছি- একটা দিনে দুনিয়া জুড়ে একটা নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সব মানুষ এই প্রাণী মারায় লিপ্ত থাকে, সেটাই হলো একটা বিশেষ উৎসব ও প্রথা। প্রথা হিসাবে এটা কেমন? সারাবছরে কতখানি মাংস খায় সেটা যদি আমেরিকান-খৃস্টানদের চেয়ে হাজার গুণ হলেও সমস্যা নেই- কিন্তু মুসলমানেরা তার সারাবছরের খাওয়ার উদ্দেশ্যে পশুমারার কত অংশ একটি দিনেই মারে- সেই পরিসংখ্যানটি দেখুন। বাংলাদেশেই সারাবছরের জবাইকৃত গরু-ছাগলের ৪০ শতাংশের বেশী এই কোরবানীর এক দিনেই করে থাকে। তারচেয়েও ভয়ংকর বিষয় হলো- সারাবছরের বাকি সময় ধরে যে গরু ছাগল মারা হয়- সেগুলোর প্রায় ১০০ শতাংশই প্রকাশ্যে যত্র-তত্র হয় না- মানে নির্দিষ্ট স্থানে মাংস বিক্রেতারা বা কসাইরা এ কাজে লিপ্ত থাকে। অধিকাংশ সমর্থ পরিবারই সারাবছর নিজেরা একাজে লিপ্ত থাকে না; অথচ ঈদুল আজহার একদিনে একাজটি সকল সমর্থ মুসলিম পরিবার একাজে সরাসরি যুক্ত থাকে। আপনি দশটি গরু একাই খেলেও আপত্তি নেই যদি তা বছরের অন্য সময়ের মত মাংস বিক্রেতার কাছ থেকে কিনে আনেন- কিন্তু ঈদুল আজহার দিনে তো হয়না। মাংস কিনে আনলে হবে না- আপনাকে চারপেয়ে প্রাণী কিনতে হবে এবং কোরবানী দিতে হবে। বিষয়টি ভাবুন তো- চারদিকে রক্ত, মাংস কাটাকাটি- গোবর-লাদি, চামড়া এসবের ছড়াছড়ি ....... এসবের বীভৎসতা কি এতটুকু নাড়া দিবে না?

১৫. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫
মাহমুদ৬৯ বলেছেন: ধর্ম পালন করতে হলে ধর্মান্ধ হতেই হয়। কুরবাণী নৃশংস পশু হত্যা উৎসব ছাড়া আর কিছু নয়।
১৬. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
মাহমুদ৬৯ বলেছেন: @মাহিরাহি,কে কি করছে সেটা বিষয় নয়, আমি কি করছি সেটাই বিষয়। কুরবাণী আসলেই একটি নৃশংস পশু হত্যা। কতোটা নৃশংস হলে একজন মানুষ তার প্রিয় সন্তানকে কুরবাণী করতে চায়। উন্মাদ ছাড়া এই কাজ কেউ করতে পারেনা, পারে কি? পারে যে ধর্মান্ধ।
১৭. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: আহসানুল কবীর তুহিন বলেছেন: নাস্তিক বেটা কয় কি
১৮. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৩
কেমিকেল আলী বলেছেন: অনেক সুন্দর পোষ্ট।

নিচের প্যারার সাথে ১০০ % একমত
১৯. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: মাহবুব সুমন বলেছেন: ঈদ মোবারক ;)
২০. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৭
ভালো-মানুষ বলেছেন: অনেক অনেক আগের কথা, মানুষ তখন সবে বনে-জণ্ন্গল-গুহা ছেড়ে বসতি গড়তে শিখেছে, ভাব প্রকাশের জন্য কিছু ইশারা-ইংগিতকে সংহত করে নিয়েছে। কিন্তু প্রকৃতি বড় নির্মম - কখনো আকাশ এফোঁড়-ওফোঁড় করে বিদ্যুত চমকায় ঝড় আসে। কখনো দাবানল পুড়িয়ে দেয় বনানী, কখনোবা খরতাপে পুড়তে থাকে ধরণী, আবার কখনো রোগ-বালাই মহামারীর আকারে এসে উজার করে দেয় গোত্রের পর গোত্র। মানুষ ভীতি থেকে বাঁচতে আশ্রয় পেতে চায় মহাশক্তিশালী কোন 'শক্তির' কাছে। ধীরে ধীরে আবিষ্কার করে সূর্য-চন্দ্র-বৃক্ষ-পর্বত-সাপ-বাঘ-কুমীর প্রভৃতি শত শত দেব-দেবী। এ অনেকটা মনকলা খাওয়ার মতই - তারপরেও বিপদ কি যায়! আর মানুষ ভাবে প্রভূর মন ভরেনি - কল্পনা করে নিতে শুরু করে প্রভু বলি চান। শুরু হয় বলি দেয়া, ভোগ দেয়া। মানুষের চোখে সেটা সবচেয়ে আকর্ষনীয় সবচেয়ে দামী সেটাকেই মানুষ দেবতার কাম্য বলে ধরে নিত। চালু হয় নর-নারী বলির সংস্কৃতি।

ধীরে ধীরে মানুষ সভ্য হতে থাকে, কমতে থাকে এই বলির সংস্কৃতির প্রভাব, বদল হতে থাকে বলির ধরন - মানুষের বদলে পশু-পাখী, কোথাওবা মানুষ একেবারেই উঠিয়ে দেয় বলির পাশবিকতা। যেখানেই রয়ে গেল এই ট্র্যাডিশান সেখানেই দেখা যাচ্ছে ধর্মের মোড়কে চলছে এই প্রাগৈতিহাসিক নিষ্ঠুরতার চর্চা।

কুরবানী এর থেকে আলাদা কিছু নয়
২১. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৪
মাহিরাহি বলেছেন: থ্যাংকস গিভিংডের ম্যানুর প্রধান আইটেম হল টারকি।
শ্রষ্টাকে ধন্যবাদ জানাতেই এই আয়োজন।
তাহলে সারা আমেরিকা আর কানাডাতে একই দিনে একসাথে কত টারকি মারা হয়।
কয়েক কোটি।


আর কোরবানির মাংসের তিনভাগের দুই ভাগই নির্দিষ্ট করা হয় গরীবদের জন্য।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন:
হুম ঐটাও একধরণের বর্বর প্রথা। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেয়ার এক আজব ও নৃশংস প্রথা। এবং আগেই বলেছি- ধর্মীয় তাবৎ ঈশ্বর বিশ্বাস মানুষকে অন্ধ বানায়, অন্ধভাবেই তার বিভিন্ন অনুশাসন পালন করে যায়- এসব অনুশাসনের একটা বড় অংশ অতীতের যুগের বিভিন্ন বর্বর প্রথা; কিন্তু অন্ধত্বের কারণে সেটা বিশ্বাসীদের কাছে বর্বর না হয়ে হয় খুব পবিত্র গোছের কিছু......

পাঠাবলী-নরবলী এই সবের কথা তো আগেই বলেছি, এবার নাহয় পোস্টে আপনার এই থ্যাংকস গিভিং গড প্রথার কথাও যুক্ত করে দিবো।

২২. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৫
মাহিরাহি বলেছেন: কোরবানীর চামড়ার বড় একটি অবদান রয়েছে আমাদের চামড়া শিল্পে।
যেই শিল্পে প্রতিবছর কয়েকশ কোটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন:
হিন্দুরা গরুকে দেবতা জ্ঞান করে এবং গো-নিধন/ভক্ষণকে মহাপাপ মনে করে। ভারতের হিন্দুরা গরু খায় না জন্য নাকি বাংলাদেশের মুসলামানেরা গরুর মাংস কিছুটা সস্তায় পায়। এই সুবিধাটুকুতে কি প্রমাণ হয় যে, গরুর দেবতা হওয়া বিষয়ক হিন্দুদের গাঁজাখুরী গল্পই সত্য?

২৩. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৭
আমিই রূপক বলেছেন:
@মাহ্‌মুদ৬৯


যেখানে স্রষ্টার আদেশ হয়েছে একজন নবীর উপরে (বিশেষ জ্ঞাতব্যঃ আল্লাহ্‌ নবী এবং রাসূল ছাড়া আর কাঊকে সরাসরি কোন আদেশ করেননা-যা একজন আহাম্মকও জানে) সেক্ষেত্রে তাকে নৃশংস বলার পিছনে আপনার যুক্তি কি?
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন:
আল্লাহ্‌ নবী এবং রাসূল ছাড়া আর কাঊকে সরাসরি কোন আদেশ করেননা-যা একজন আহাম্মকও জানে

==============>>>>>>>>>>

হুম যারা আহাম্মক তারাই কেবল এই বিষয়টি জানতে পারে, কিন্তু অন্য কেউ তা জানবে কেমনে??

২৪. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০১
আমিই রূপক বলেছেন: যুক্তি ও যাচাইয়ের মাধ্যমে।@লেখক
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন:
যুক্তি ও যাচাই যারা করতে পারে না- তারাই আহাম্মক, ফলে তারাই এ ধরণের গালগল্প বিশ্বাস করে (তাদের ভাষায় জানে); কিন্তু যুক্তি ও যাচাই যাদের আছে অর্থাৎ যারা আহাম্মক নয় তাদের পক্ষে এই রকম জিনিস কেমনে জানা সম্ভব?

২৫. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০১
ভালো-মানুষ বলেছেন: রুপুক বাই, কপালে ইটা কি লাইচু, তীল্লুক?
২৬. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯
আমিই রূপক বলেছেন: কিছু মানুষ আছে যারা কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। এমন মানুষ দেখেছি যে আল্লাহ্‌র অস্তিত্বেও বিশ্বাস করে আবার কালীর অস্তিত্বেও বিশ্বাস করে। এমন মানুষ আছে যে ধর্ম নিয়ে কোন যাচাই বাছাইয়ের মধ্যে যায়না। পিতামাতার ধর্মকেই পরম ধর্ম মেনে নিয়ে মন প্রাণ দিয়ে তাই পালন করে। এইসকল মানুষকে আহাম্মক বলা যায়। কারণ তারা চিন্তা করে না। তারা চিন্তা করার প্রয়োজন বোধও করেনা

আবার কিছু মানুষ আছে যারা যুক্তি খোঁজে। ‘কেন? কিসের ভিত্তিতে আমি বিশ্বাস করব যে জগতের একজন স্রষ্টা আছ?’ অথবা, ‘কেন আমি বিশ্বাস করবনা যে জগতের সবকিছু আপনা আপনি সৃষ্টি হয়ে যায়নি?’

আল্লাহ্‌ নামের এই কথিত পরম সত্যকে মানুষ খুঁজে বেড়ায়। চিন্তা করতে থাকে। তারপর একসময় সিদ্ধান্তে আসে আল্লাহ্‌ বলে কেউ সত্যিই আছে কি নেই। যে এই সিদ্ধান্তে আসে যে আল্লাহ্‌ বলে কেউ আছে সে তখন যেদিকে তাকায় সেদিকেই আল্লাহ্‌র মহিমা দেখতে পায়। সে তখন ভাবে কি পরম জ্ঞান আমি লাভ করেছি।

আবার যে এই সিদ্ধান্তে আসে যে আল্লাহ্‌ বলে কেউ নেই সে যেদিকে তাকায় সেদিকে শুধু বস্তু ও শক্তি তথা সৃষ্টি দেখতে পায় কিন্তু সৃষ্টির মাঝে নিহিত আল্লাহ্‌কে দেখতে পায়না। সে ভাবে আমি যা দেখছি তাই পরম সত্য এর বাইরে কিছুই নেই। সেও ভাবে কি পরম জ্ঞান আমি লাভ করেছি।


আসলে আল্লাহ্‌ অনেক বড় ব্যাপার। যারা নিজস্ব যুক্তির মাধ্যমে একে বিশ্বাস করে তাকে চট করে আহাম্মক বলা ঠিক না। জ্ঞানের অনেক শাখা আছে। যে সর্বজ্ঞ সেই বলতে পারে যে কে আহাম্মক আর কে নয়। আবার যে আল্লহ্‌র অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনা তাকেও আহাম্মক বলা যায়না। কারণ মানুষের জ্ঞান অনেক বাড়তে পারে, যদিওতা কখনওই পূর্ণতা পায়না তবুও সে যেহেতু চিন্তা করে এই সিদ্ধান্তে এসেছে সেহেতু তার চিন্তার, জ্ঞানের মুল্যায়ণ করতে হবে বৈকি।

বিশ্বে যত নবী ও রাসূল এসেছেন তাঁরা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে হলেও আল্লাহ্‌র মহিমা ঘোষনা করে গেছেন। কারণ তারা জানতেন তাঁরা যে জ্ঞান লাভ করেছেন, যা স্বচক্ষে দেখেছেন বা শুনেছেন তা মানুষকে জানানো আবশ্যক। তাঁদের অনেকেই নিহত হয়েছেন তবু তাঁরা যা সত্য বলে জেনেছেন তা জনসাধারণের মধ্যে প্রচার করতে পিছুপা হননি। নবীজী (সঃ) বলেছিলেন, “আমার এক হাতে চাঁদ ও আর এক হাতে সূর্য এনে দিলেও আমি সত্য প্রচারে পিছুপা হবনা।”
কারণ কি জানেন? তিনি জানতেন এবং বিশ্বাস করতেন যে, এতে যদি আমার মৃত্যুও হয় তবু আমার জন্য পুরষ্কার থাকবে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে। এই বিশ্বাস তাদেরকে বীর করে তুলেছে।

কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, যারা অবিশ্বাসী, তারা যে সত্য জেনেছে তা প্রকাশ্যে জনসম্মুখে প্রচার করতে ভয় পায়। কারণ, তাদের ধারনা, এতে যদি আমার মৃত্যু হয় তবে তাতেই আমার পরম ‘বিলোপ সাধন’ হবে। এই জন্য তারা ছদ্মনামে মুখোশ এঁটে জনগণের বিশ্বাসে আঘাত করে চলে। তাদের পরম জ্ঞান তাদের সাহসী হতে দেয়না।

আশা করি বোঝাতে পেরেছি।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন:
যুক্তির মাধ্যমে বিশ্বাস হয় না, যেটা হয় সেটা হলো বিশ্বাসকে যুক্তির লেবাসে পাকাপোক্ত করার চেষ্টা। এ হলো কোন কিছুকে ঠিক ধরে নিয়ে তার পরে সেটাকে প্রমাণ করার চেস্টা- আসলে এটা কোন যুক্তিই নয়, অন্ধদের স্মার্ট হওয়ার প্রচেষ্টা। এরাও কম আহাম্মক নয়।

২৭. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
আমিই রূপক বলেছেন: @ ভালো মানুষ, আপনাকে তৌরাত, যবুর, ইঞ্জিল ও কোরআন আরও একবার ভালো করে করে পড়ে দেখার অনুরোধ করছি।
২৮. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৫
আমিই রূপক বলেছেন: আপনার কথা এই অর্থে ঠিক। আগে সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখে তারপর তার স্বপক্ষে যুক্তি দাঁড় করানো আহাম্মকেরই কাজ। তবে, আমি এরকম করার কথা বলিনি। আমি বলেছি, চিন্তাভাবনা করে তারপর সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা। ধর্মবিশ্বাস কেবলমাত্র অন্ধবিশ্বাস নয়। তার পিছনে যুক্তি থাকা আবশ্যক। তা যদি না থাকত তাহলে ধর্ম আহাম্মকদের হাতে পড়ে অনেক গেই ধ্বংস হয়ে যেত। আর যুক্তির মাধ্যমে বিশ্বাস হয়না-এই কথাটা মানতে পারলামনা। অনেককেই অনেককিছু যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে তারপর বিশ্বাস করাতে হয়। মহানবী (সঃ) তাই করতেন। জোর খাটিয়ে কাউকে কোন কিছু বিশ্বাস করানো যায়না।
আপনি কি জন্মের পর থেকেই বিশ্বাস করতেন যে ঈশ্বর বলে কেউ নেই? নাকি যুক্তির মাপকাঠিতে যাচাই করে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন? আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনিই আগে ‘আল্লাহ্‌ নেই’ সিদ্ধান্ত নিয়ে তার স্বপক্ষে যুক্তি দাঁড় করেছেন।

আপনার প্রতি আমার দুইটি প্রশ্ন আছে।
১। আপনি কি আল্লাহ্‌র অস্তিত্বে অবিশ্বাসী নাকি ইসলাম বা অন্যান্য ধর্মের প্রতি নাকি দুটোই?
২। নবীগণ ‘মিথ্যা’ প্রচারের জন্য নিজের জীবন বিপন্ন করে কেন আল্লাহ্‌র কথা প্রচার করেছেন আর নাস্তিকেরা কেন ‘সত্য’ প্রচার করতে গিয়েও ছদ্মনামে নিজেকে আড়াল করে রাখে?
২৯. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
আসিফ ইশতিয়াক বলেছেন: রুপক কে অন্তরের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই।
৩০. ০৪ ঠা মে, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: পড়লাম।
এই লিখাটার লিংক আমার পোস্টে দিলাম। কিছু বিষয় জেনে নিয়ে আলোচনা করবো। এখানেও আলোচনাটা রেখে যাবো।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪৫২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই