আমার প্রিয় পোস্ট

যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০০

শেয়ারঃ
0 4 0

[বিষয়টি নিয়ে কচলাকচলি বাদ দেয়ার আহবান অনেকে জানিয়েছেন, তারপরেও এ পোস্টখানি দিচ্ছি, আমার অবস্থানের কিছু পরিবর্তন আছে বিধায়। এ শুধু নিজের অবস্থানটিকে পরিষ্কার করার চেষ্টা।]
প্রথমেই স্বীকার করে নিচ্ছি যে, আমার আগের অবস্থান ভুল ছিল। এই ইস্যুতে পক্ষ-বিপক্ষের বিভাজনে প্রথমে এমন ক'জনের পোস্টে ঢু মেরেছিলাম- তাতে মনে হয়েছিল, সংষ্কারের জায়গা থেকেই বিষয়টিকে এরা গ্রহণ করতে পারছে না। ফলে- আমি পিয়ালের পক্ষে দাঁড়িয়ে যাই এবং বলতে থাকি যেকোন জায়গা থেকেই তো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি উঠতে পারে, বেশ্যা পাড়া- পর্ণো সাইট প্রভৃতি থেকে উঠলে সমস্যা কি, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি এতই ঠুনকো যে এর জাত চলে যাবে..... ইত্যাদি। যুক্তি করেছিলাম-
"পর্ণোগ্রাফি- পতিতাবৃত্তি- মিডিয়ায় নারীকে পণ্য হিসাবে উপস্থাপন সমস্তই আমার কাছে একই রকম মনে হয়, এসব পেট্রোন করা সাইটকে আমার ময়লা বলতে কোন আপত্তিও নেই; তবে তার মানে এরকম কখনো মনে করিনা যে, এসবের সাথে যারা যুক্ত তাদের কোন সামাজিক-নাগরিক-রাজনৈতিক জীবন থাকতে পারবে না, অধিকার থাকতে পারবে না; তারা দেশকে ভালোবাসতে পারবে না, রাজাকারদের ঘৃণা করতে পারবে না। এমনটি আসলেই মনে করিনা।" ...... বাঙলার একটা কুত্তাও যদি গোলাম আজমদের মত ছাগলদের পাছায় কামড় দেয়, সেটাই আমাদের লাভ- অন্তত এতে তো কোন ক্ষতি দেখি না।"

কিন্তু এভাবে যুক্তি করতে গিয়ে আসল যে সত্য, সবচেয়ে বড় যুক্তি সেটিই আমি ধরতে পারিনি (আমি দুঃখিত, লজ্জিত ও ক্ষমাপ্রার্থী)। পর্ণো-সাইট কি এমন দাবি উচ্চারণের কোন প্লাটফর্ম হতে পারে আদৌ? এ প্রশ্নটি আমি বলতে গেলে এর আগে পাশ কাটিয়ে গিয়েছি- ভেবেছি সেখানে যারা ভিজিটর তাদেরো তো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়ার অধিকার আছে। অথচ, ভাবিনি- একটি প্লাটফর্মের বিরোধিতা মানেই সেই প্লাটফর্মের সাথে যুক্ত মানুষদের বিরোধিতা নয়। যৌবনযাত্রার ব্যানারে সিগনেচার ক্যাম্পেইনকে অসমর্থন করা মানে যৌবনযাত্রার আশ্রম মামা, থেকে শুরু করে হাজার হাজার মামার ব্যক্তি পর্যায়ে দেশপ্রেম- নাগরিক- সামাজিক- নাগরিক অধিকারের বিরুদ্ধে বলা নয়। এ জায়গাটি আমি আসলেই ধরতে পারিনি আগে। আমি এখন মনে করি- অবশ্যই পর্ণো সাইট এই দাবী উত্থাপনের কোন প্লাটফর্ম হতে পারে না। কারণ অমলকান্তি ও মুনীর উদ্দিন শামীমের ভাষাতেই বলিঃ
অমলকান্তিঃ একটা পর্নোগ্রাফি জিনিসটা আদতে নারীর প্রতি সহিংসতারই প্রকাশ। সেক্ষেত্রে একটা সহিংসতার পাদানিতে দাঁড়িয়ে অন্য একটি সহিংসতার বিচার চাওয়া স্ববিরোধী শুধু নয়, সহিংসতাকে চলমান রাখতেও প্রকারান্তরে মদদ দেয়।
মুনীর উদ্দিন শামিমঃ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিটি মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাগুলোর সাথে সম্পর্কিত। একটি নিপীড়নমুক্ত রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণ নিঃসন্দেহে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চেতনা। আমি মনে করি এ চেতনাটি যেকোন পর্ণো সাইটের দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান লক্ষ্যের সাথে বিরোধমূলক। কারণ পর্ণোগ্রাফির ভাষা ও পরিবেশন শতভাগ পুরুষতান্ত্রিক। নারী এখানে মুনাফার উপায়। আর মুনাফা যেখানে দেবতা সেখানে নারী বিষয় নয়, কেবল বস্তু। বস্তু বলে নারীর মর্যাদা, সম্মান এখানে বিবেচ্য বিষয় নয়। নারীকে অযাচিতভাবে উপস্থাপনা করে বেশি বেশি মুনাফা লাভ। সব চেয়ে বড় কথা যে কথিত সাইটের/সাইটগুলোর কারণে ব্যক্তিগত সম্পর্কে প্রতারিত হয়ে সে প্রতারণা পুনর্বাজারজাত হয়ে একজন নারীর নিপড়ীক হওয়ার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়াগুলো উন্মুক্ত থাকে,....... নারীর নিপীড়িত হওয়ার পথগুলো খোলা রেখে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অর্জনও কোনভাবেই সম্ভব নয়। এমনকি সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়ে গেলেও। সুতরাং সে নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াও জরুরি। যেমনটি জরুরি যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে।

অমলকান্তির একটি দৃশ্যকল্প দিয়ে বিষয়টি বুঝার চেষ্টা করা যেতে পারেঃ
আসেন একটা দৃশ্য কল্পনা করি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে অনেক বড় একটা মিছিল হইতাছে, সেইখানে সমাজের সকল শ্রেনী পেশার ব্যক্তি ও সংগঠন সামিল আছে। সেই মিছিলে 'যৌবনযাত্রা'র নামে একটা সংগঠন (এই যায়গা টা খিয়াল কৈরা) বিশাল একটা ব্যানার নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে লেখা "একাত্তরে ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমহানির বিচার চাই, যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই" এবং আপনি জানতে পারলেন (দেখলেন) সেই ব্যনারটির একপ্রান্ত ধরে আছে 'সুমন' আর আরেক প্রান্ত 'পিন্টু'। এখন আমার প্রশ্ন আপনে কি যৌবনযাত্রার সেই মিছিলে যোগ দেবেন ? আরেকজন কে যোগ দিতে উৎসাহিত করবেন?

এখানে সুমন-পিন্টু অনেকটা প্রতিষ্ঠানের মত হয়ে গিয়েছে। আমি এটিকে অন্যভাবে উপস্থাপন করছি:
ধরেন, কোন এলাকায় "ধিকিধিকি" নামে একটি ব্রোথেল গড়ে উঠলো- একটি চক্রের হাত ধরে, যারা দূর-দূরান্ত থেকে নারীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে মেয়েদের যোগাড় করতো, এবং এই ব্রোথেলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ব্যবসায়িক লেনদেনের বিষয়ও যুক্ত ছিল। তো ঘটনা ঘটলো- সে এলাকায় কিছু উদ্যোগী সমাজ সচেতন মানুষ নারী নির্যাতনের (যেমন এসিড সন্ত্রাস- ইভ টিজিং ....) বিরুদ্ধে একটি আন্দোলন গড়ে তুললো। এখন ঐ "ধিকিধিকি" এর পক্ষ থেকেও যদি নারী নির্যাতন বিরোধী আন্দোলনে অংশ নেয়া হয়- তবে সেটি কি সমর্থন যোগ্য হবে? সেটা কি স্যালুট যোগ্য হবে? ধরে নিলাম- ঐ ব্রোথেলে অনেক লোক যায়, যারা ইভ টিজিং বা এসিড সন্ত্রাসের মত নির্যাতনের বিরুদ্ধে মত ধারণ করে; এই মানুষদেরও এই আন্দোলনে অংশ নেয়ার অধিকার আছে- এ যুক্তিতে কি ঐ প্রতিষ্ঠানের প্লাটফর্মে আন্দোলনকে সমর্থন জানাবো? বা ধরলাম, ঐ ব্রোথেল কর্তৃপক্ষ সোশাল নেটওয়ার্ক তৈরীর উদ্দেশ্যে নয়- আসলেই কর্তৃপক্ষের কিছু লোক খুব ভালো মানুষ- এবং তারা এমন নির্যাতনের অবসান চায়, তদুপরি কি তাদের উদ্যোগেই "ধিকিধিকি"র সে আন্দোলনে সামিল হওয়াকে সমর্থন করা কি যাবে?

আমাদের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি কেবল দু-একজনের ফাসীর দাবী নয়, এটি খুব বেশী করে আদর্শিক দাবী- এবং আরেকটি আদর্শিক অবস্থানের মৃত্যুর দাবী। গোলাম আযমদের ফাসী চাই বটে, কিন্তু এসবের সাথে উচ্চারিত-অনুচ্চারিত মূল চাওয়া হচ্ছে- যে রাজনীতি, যে মতবাদিক অবস্থান গোলাম আযমদের যুদ্ধপরাধ সংগঠিত করিয়েছিল তারও কবর চাই। অন্যতম প্রধান যুদ্ধাপরাধ হলো আমাদের নারীর প্রতি সহিংসতা, ফলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়া মানে নারীর প্রতি সহিংস হওয়ার সমস্ত আয়োজনেরও বিরোধিতা করা। ফলে- এ কারণেই কোন পর্ণো সাইটের ব্যানারে এবং উদ্যোগে এমন দাবী উত্থাপন অসমর্থন যোগ্য। পর্ণো সাইটের ভিজিটরেরা নিজস্ব উদ্যোগে এ দাবি করতেই পারে, কিন্তু যখন এমন উদ্যোগ নিয়ে সাইট কর্তৃপক্ষ ভিজিটরদের মাঝে যায়- বা সিগনেচার বা বিভিন্ন রকম উদ্যোগ নিতে থাকে- তখন সেটাকে সমর্থন করার মতো কিছুই থাকে না।

আমি আগের পোস্টে একটি কথা বলেছিলাম। সেটা হচ্ছে- লাভের কথা। এক কুত্তাও যদি গোলাম আযমের পাছায় কামড়ায় তাতেও তো লাভ!- আসলে কথাটি ঠিক বলিনি। আমি অবশ্যই চাই- গোলাম আযমদের পাছায় কামড় বসুক- খুব করেই চাই, কিন্তু অবশ্যই আদর্শকে বিসর্জন দিয়ে নয়। জামাত-শিবির এদেশ থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাক চাই, কিন্তু তাকে নিশ্চিহ্ন করতে গিয়ে আওয়ামী পন্থায় খেলাফত মজলিস টাইপের অন্য কোন ইসলামী দলকে চরম শক্তিশালী বানানোকে যেমন সমর্থন করতে পারিনা- এটি তেমন। দরকার হলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আরো দশটা বছর পরে হবে, কিন্তু আদর্শকে-মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে জলাঞ্জলী দিয়ে নয়....... (জামাত নিশ্চিহ্ন হোক এটা আওয়ামী লীগ মোটেও চায়না, এবং আমি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধের দাবিকে একসূত্রে গাঁথা মনে করি)।

---------------------

এবারে দু একটি পোস্টের যুক্তিগুলো সম্পর্কে কিছু বলা যাকঃ
সামী মিয়াদাদ বলেছেনঃ একিলিস দুই মাইয়ার মাঝখান থাইকা উইঠা যুদ্ধে গিয়া বিরুদ্ধপক্ষের সবচেয়ে মস্তান যোদ্ধারে এক কোপে ঘায়েল কইরা ফালাইলো। দুই মাইয়ার লগে যৌনকর্মও তার যুদ্ধের স্পৃহারে দমাইতে পারেনাই। একিলিস গ্রীক ইতিহাসের বীরদের আসনে বিরাট আসন নিয়া এখনও বাইচা আছে। সে কয়টা মাইয়ার লগে কয়বার সেক্স করলো এইগুলা কোন বিষয় না। যুদ্ধের ময়দানে কি করলো সেটাই বিবেচ্য।
==>>আগেই বলেছি- যৌবনযাত্রার অমুক মামা- তমুক মামা যৌবনযাত্রায় যাই করুক না কেন, বাস্তব জীবনেও যতজনের সাথে সেক্স করুক না কেন- সে অজুহাতে তার কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণের বিরোধিতা করা হচ্ছে না এখানে। বরং বলা হচ্ছে প্লাটফর্মের অংশগ্রহণের বিরোধিতার কথা। মাগুড়ছড়ার ক্ষতিপূরণের দাবিতে অক্সিডেন্টালের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা হচ্ছে। এটাতে কেয়ার্নের যেকোন চাকুরীরত লোক অংশ নিতেই পারে, কিন্তু খোদ কেয়ার্নও যদি এ আন্দোলনে সামিল হতে চায়, তবে কি সেটাকে সমর্থন করা হবে?

যৌনতা মানুষের জীবনে কতখানি স্বাভাবিক একটি বিষয় তার এক লম্বা ফিরিস্তি তুলে ধরে আরাশি বলেছেন, "প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রাপ্তবয়স্ক সাইটে যাওয়া যদি ঠিক থাকে, প্রাপ্তবয়স্কদের একটি আন্দোলন, প্রাপ্তবয়স্কদের একটি সাইট থেকে শুরু হলে ক্ষতি কি? জাত যায় যায় বলে এই কলরোলে মুখোশের আড়ালে মুখ লুকিয়ে রাখার স্ববিরোধীতা কেন ?"
একই ধরণের যুক্তিই অনেকেই করেছেন। প্রশ্ন এসেছে "আপনি কি মাস্টারবেশন করেন না?"... ইত্যাদি।
==>>এ ঘরানার যুক্তি সবচেয়ে বিরক্তিকর। যৌবনযাত্রার ব্যানারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী উত্থাপনকে অসমর্থন করার সমার্থক যেন যৌনতাকেই অস্বীকার করা- এই হলো এ ঘরানার যুক্তির ধরণ। এবং শেষে আবার যৌনতাকে পর্ণোকেন্দ্রিক যৌনতারও সমার্থক বানিয়ে দেয়া হলো! এবং অবাক ব্যাপার হচ্ছে- অনেকে যায়, প্রচুর ভিজিটর পর্ণো ভিজিট করে, এটাকে খুব স্বাভাবিক- এবং "ঠিক" ব্যাপার বলে এনারা রায় দিয়ে দিচ্ছেন! "প্রাপ্তবয়স্ক"দের একটি আন্দোলন "প্রাপ্তবয়স্ক"দের একটি সাইট থেকে শুরু হলে ক্ষতি কি- কথাটিই আপত্তিকর। কেননা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলন মোটেই ২য় "প্রাপ্তবয়স্ক" অর্থে প্রাপ্তবয়স্কদের আন্দোলন নয়।

সচলায়তনের অচ্ছুত বলাইয়ের কমেন্টও এখানে এক পোস্টে কপি পেস্ট করা হয়েছে দেখলাম, সেখানে বলা হয়েছেঃ"যৌবনজ্বালা একটি প্রাপ্তবয়স্ক সাইট এখানে আপত্তি? ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিন্তু পর্ন দেখে না, এরকম কতভাগ মানুষ আছে? যারা পর্ন দেখে, তারা গণহারে খারাপ লোক? যারা মদ খায়, তারা গণহারে খারাপ লোক? যারা চটি পড়ে, তারা গণহারে খারাপ লোক? যদি তা-ই হয়, তাহলে আমার কিছু বলার নেই। এবং এই মন্তব্যের পরের কথাগুলো পড়ার দরকার নেই। যদি না হয়, তাহলে যে লোকগুলো একটা সাইটে, একটা ফোরামে সময় কাটায়, তা প্রাপ্তবয়স্ক বিষয় নিয়ে আলাপ করে হোক আর রাজনীতি নিয়ে হোক আর দেশের অর্থনীতি নিয়ে হোক, তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইতে গেলে আমার খারাপ লাগবে কেন?"
==>>যারা পর্ণো দেখে তারা খারাপ কি ভালো এটা প্রশ্ন নয়, তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইতে পারবে না এমনটিও বলা হচ্ছে না- শুধু আপত্তি প্লাটফর্ম কি হবে সেটা নিয়ে। মদ বিরোধী কোন র‌্যালিতে গ্যালাক্সি বা শাকুরায় যায় এমন লোক অংশগ্রহণ করলে কেউই আপত্তি করবে না, কিন্তু শাকুরা বা গ্যালাক্সি নিজেই যদি এমন মদ বিরোধি র‌্যালি নামায় তবে সেটার সিরিয়াসনেস কি থাকবে? (অনেকে সেটাকে কমেডি ভাববে, কেউ ভাববে ব্যাটাদের আসল উদ্দেশ্য কি?), বিষয়টা অনেকটা এরকম।
সে লোকগুলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইলে আমার খারাপ লাগে না, বরং ভালোই লাগবে- তবে তাদের ঐ ফোরাম থেকে এ দাবি উচ্চারিত হলে অবশ্যই ভালো লাগবে না।

প্রিয় ব্লগার অপ বাকও তার পোস্টে পর্ণোকে খুব স্বাভাবিক হিসাবে দেখিয়েছেন, জানিয়েছেন বাস্তবতা হচ্ছে আমাদের দেশে দুধ বেচে মদ খাওয়া লোক আছে, কিন্তু মদ বেচে দুধ খাওয়া লোকের অভাব। হ্যা মানছি এটাই বাস্তবতা, মানছি যে ইন্টারনেট ইউজারদের অধিকাংশই পর্ণো সাইটে ঢু মারে এটাই বাস্তবতা; কিন্তু বাস্তবতার অজুহাতে সেটাকে সমর্থন জানিয়ে যেতে হবে? যৌনতা কি পণ্য হবে? যৌনতা নামক পণ্যটি নিয়ে ব্যবসাকে সহজ-স্বাভাবিক ভাবে গ্রহণ করে যাবো? অপ বাক এক জায়গায় এইডস নিয়ে সচেতনতা মূলক বিজ্ঞাপন, ন্যাপকিন- কনডম- জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল এসবের বিজ্ঞাপনের সাথেও তুলনা টেনেছেন। তিনি কি বুঝে শুনে এই তুলনা টেনেছেন? অপ বাক বলেছেন, "এডাল্ট সাইট মানেই নাকি নারীর প্রতি সহিংসতা প্রকাশের একটা ধরণ। অসংখ্য সমকামী সাইটে পুরুষদের ছবি দেওয়া আছে, মেয়েরাও ন্যাংটা ছেলে দেখছে এডাল্ট সাইটে গিয়ে, এমন কি সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে পর্ণোগ্রাফিক মুভি দেখা মেয়েরও দেখা পাওয়া যায় বাংলাদেশে। পূর্বে যখন ভিডিও সিডির যুগ ছিলো তখনও সেইসব ভিডিওক্যাসেট আর ভিডিও সিডির কাস্টমার হিসেবে মেয়েরাও ছিলো। তারা সবাই সমকামী বলেই নারীদের প্রতি সহিংস আচরণ করতো এমন সরল সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া অসম্ভব। মূলত প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ যেমন নিজের যৌন সঙ্গী বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা রাখে তেমনই সে কিভাবে নিজেকে বিনোদিত করবে সেটা বাছাই করে নেওয়ার অধিকারও সে সংরক্ষণ করে। কেউ যদি পর্ণোগ্রাফিক ছবি দেখে বিনোদিত হতে চায় এবং সে যদি প্রাপ্ত বয়স্ক হয় তবে তাতে কোনো বাধা নেই।"
==>> হুম, কোন কোন নারীও এডাল্ট সাইটে ঢু মারে- এতে কি প্রমাণ হয়? পর্ণো সাইটে যারা ঢু মারে তাদের কত অংশ নারী? গে সমকামীদের পর্ণো কত পার্সেন্ট এবং সেটার ভিজিটর প্রধানত কারা? টোটাল পর্ণো ইণ্ডাস্ট্রিতে একটর আর একট্রেসের পার্সেন্টেস কত? সাইটগুলোতে নারী আর পুরুষ মডেলের ছবি-ভিডিও এর অনুপাত কত? বুবস, পুসি, এস, টিন সেক্স, টিন বুবস, রেপ, ভাবী (পাকি-দেশী-....), আন্টি.... এসবের তুলনায় পুরুষ মডেলের কিছু সার্চ কি ওয়ার্ড কয়টা বলতে পারবেন? এমনকি সমকামী সেক্স এর মধ্যেও লেসবিয়ান ছবি/ভিডিও লাখ লাখ গুন বেশী। আর, সোসাইটা যে মেল ডমিনেন্ট এটা মনে হয় স্বীকার করবেন? বিজ্ঞাপন চিত্র নারী-পুরুষ উভয়েই দেখে, মডেল নারী/পুরুষ উভয়েই হয়- তারপরেও আমরা বলি বিজ্ঞাপনে নারীদেহ পণ্য হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কেন?

যৌবনযাত্রার ব্যাপারে কথা বললে, আরো বেশী করে একথা বলা যাবে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেট ইউজারদের মধ্যে পুরুষদের হার অনেক বেশী, আবার পুরুষদের মধ্যে পর্ণোতে ঢুকার হার মহিলাদের মধ্যে পর্ণোতে ঢুকার হারের চেয়ে কয়েকগুণ বেশী। যৌবনযাত্রা সকল ইউজারের নিক মামা। মামি নয়। সেখানকার পোস্টগুলোর শিরোনাম- অমুক ভাবী, তমুক আন্টি, হোস্টেলের মেয়েরা কি মজা করে রে, মেইড সার্ভেন্ট, ...... ইত্যাদিকে কি বলা যেতে পারে?

আর, কোন প্রাপ্তবয়স্ক যদি পর্ণোগ্রাফিক ছবি দেখে বিনোদিত হতে চায়, তবে বাঁধা নেই- এটার মানে যদি বলেন কোন সমস্যা নেই- তবে আমি আপনার সাথে দ্বিমত করি। মানুষের জন্য আমি মানবিক সম্পর্কেই অনেক গুরুত্ব দিতে চাই, এবং যৌনতাকেও মানবিক সম্পর্কের আবর্তে রাখতে আগ্রহী। অন্তত- কোনভাবেই যৌনতা ও মানবিক সম্পর্কগুলোকে পণ্য বানানো সমর্থন করতে পারিনা।

যৌবনযাত্রা সাইটখানির কিছু মিথ্যাচার বা ট্রিকসঃ
সামহোয়ারে মূলত অমি রহমান পিয়াল কিছু তথ্য প্রচার করেছে (আমি বিভ্রান্তও হয়েছিলাম)। তবে পরে দেখি এসব তথ্য যৌবনযাত্রা নিজেও তাদের সাইটে প্রচার করে। পিয়াল যেহেতু সেই সাইটের একজন মডারেটর- ফলে পিয়ালের মিথ্যাচার বা ট্রিকস না বলে সাইটখানার ট্রিকস বলাটাই শ্রেয় মনে হচ্ছেঃ
প্রথমত, এটাকে ফ্যামিলি ফোরাম হিসাবে উপস্থাপনের চেস্টাটি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেস্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।
দ্বিতীয়ত জানান দেয়া হচ্ছে যে, এখানে হিডেন ক্যামেরা, টিন সেক্স এবং রেপ সেক্স নেই। এটা ডাহা মিথ্যা। আমি এমন অনেক ক্লিপ পেয়েছি। পোস্ট এন্ট্রির শিরোনামে "টিন" শব্দ আছে- এমন পোস্ট কম পাওয়া যায় না।

সবশেষে কিছু পর্ণো-পরিসংখ্যানঃ
# ৯৬.৭ বিলিয়ন ডলার বাৎসরিক আয় আসে পর্ণো ইণ্ডাস্ট্রি থেকে।
# যুক্তরাষ্ট্রের বাৎসরিক আয় ১৩.৩৩ বিললিয়ন ডলার।
# বাৎসরিক আয়ের দিক থেকে মিলিতভাবে Microsoft, Google, Amazon, eBay, Yahoo!, Apple, Netflix এবং EarthLink এর চেয়েও পর্ণো ইণ্ডাস্ট্রি বড়।
# যুক্তরাষ্ট্রের বাৎসরিক খাত ওয়ারি পর্ণো আয়ঃ
মুভি বিক্রি ও ভাড়া => $৩.৬২
ইন্টারনেট => $২.৮৪
ক্যাবল (ডিশ) / PPV / মোবাইল / ফোন সেক্স => $২.১৯
এক্সোটিক ড্যান্স ক্লাব => $২.০০
চটি সাহিত্য =>$১.৭৩
ম্যাগাজিন => $০.৯৫
# ৮৯% পর্ণ যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত হয়।
# প্রতি সেকেণ্ডে ৮৯ ডলার ব্যয় করা হয়ে পর্ণে।
# পর্ণো দর্শকদের ৭২% ই পুরুষ।
# প্রতিদিন গড়ে ২৬০ টি নতুন পর্ণো-সাইট তৈরী হয়
# যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ৩৯ মিনিটে একটি পর্ণো-ভিডিও তৈরী হয়।
# ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিনের ২৫% সার্চ রিকোয়েস্ট-ই হলো পর্ণো-কেন্দ্রিক
# সবচেয়ে বেশী সার্চ রিকোয়েস্ট sex, এরপরে mp3 এবং তারপরে hotmail
# ইন্টারনেটের যাবতীয় সাইটের ১২% ই হলো পর্ণোগ্রাফিক।
# অবৈধ চাইল্ড পর্ণো সমৃদ্ধ সাইটের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ
# চাইল্ড/টিন পর্ণো থেকে বছরে ৩ বিলিয়ন ডলার আয় হয়
# প্রথম ইন্টারনেট পর্ণোর সাথে পরিচিত হওয়ার গড় বয়স ১১ বছর।
# ইন্টারনেটে পর্ণোর সর্বাধিক ভোক্তা ১২-১৭ বছর বয়সী গ্রুপ
# সর্বাধিক পর্ণো সার্চ রিকোয়েস্টগুলো হচ্ছেঃ sex, adult dating, adult dvd, sex toys, teen sex, porn, xxx, free porn, anal sex, sex chat, teen porn.........
# প্রতি সেকেণ্ডে ২৮,২৫৮ জন ইউজার পর্ণোগ্রাফি দেখে

 

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০৪
নুশেরা বলেছেন: আপনার উপলব্ধিকে শ্রদ্ধা।
২. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:১৪
নিবিড় বলেছেন: নুশেরা বলেছেন: আপনার উপলব্ধিকে শ্রদ্ধা।
৩. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:১৬
মনজুরুল হক বলেছেন:

আমি তাজ্জব,বিস্মিত,হতভম্ভ হয়েছিলাম।"জাতেমাতাল" এর পোস্টে মনে হয় আপনার উপলব্ধিকে স্বাগতও জানিয়েছিলাম। আমি এই কদাকার বিষয়টিতে নিতান্ত ক্ষোভে দু'একটি পোস্টে মন্তব্য করেছি। আমার বক্তব্যের পক্ষে ভল্যুম মাপের ক্ষোভ লেখার ইচ্ছা হয়েছিল,কিন্তু কেন যেন মনে হলো ইহোজাগতিকতাবাদীদের আর একটি প্রশংশনীয় ম্যানার হচ্ছে,তারা আত্মসমালোচনা করতে জানেন। করেন। আপনার এই পোস্টকে সে কারণে সাধুবাদ জানাচ্ছি।

এখন মনে হচ্ছে, এ বিষয়ে আর লম্বা করে কিছু ব্যাখ্যার দাবী রাখে না। শুভেচ্ছা।
৪. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:১৬
মিছে মন্ডল বলেছেন: নিবিড় বলেছেন: নুশেরা বলেছেন: আপনার উপলব্ধিকে শ্রদ্ধা।
৫. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২২
হাসান মাহবুব বলেছেন: ভুল স্বীকার করার সৎসাহসের জন্যে আপনাকে অভিনন্দন।শোকেস এ রাখলাম,চমৎকার পোস্ট।
৬. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৭
মিরাজ বলেছেন: আপনার উপলদ্ধির পরিবর্তনকে সাধুবাদ এবং শ্রদ্ধা ।

নিজের ভুল স্বীকার করার মত মানসিকতা ও সাহস সবার থাকেনা । আপনার ভিতর এ ব্যাপারে সংকীর্ণতা নেই দেখে ভালো লাগলো ।
৭. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৩
ইরতেজা বলেছেন: আমি আর আগে এই নিয়ে কোন মন্তব্য করি নাই এই বিষয়ে। আমি প্রথম আরিফ জেবতিক ভাইয়ের পোষ্টের মাধ্যমে জানি অমি পিয়াল ভাই একটা পর্ন সাইটে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়ার দাবি করেছে। ব্যাপারটা শুনে শিহরিত হয়েছি। অমি পিয়াল ভাইয়ের পক্ষে আরিফ ভাইয়ের সাফাই গাওয়া ভালো লাগে নি। উনারা দুই জনি আমার শ্রদ্ধার পাত্র। অসাধারন ব্লগ ব্যত্বিতের অধিকারি। তারা একটা নোংরা বিষয়ে তর্ক করছেন দেখে অবাক হলাম।

৮. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৫
বান্দা বলেছেন:

----------অমলকান্তিঃ একটা পর্নোগ্রাফি জিনিসটা আদতে নারীর প্রতি সহিংসতারই প্রকাশ। সেক্ষেত্রে একটা সহিংসতার পাদানিতে দাঁড়িয়ে অন্য একটি সহিংসতার বিচার চাওয়া স্ববিরোধী শুধু নয়, সহিংসতাকে চলমান রাখতেও প্রকারান্তরে মদদ দেয়।-----------

এটা সম্ভবত সুমন রহমানের করা কমেন্ট। অমলকান্তি বোধহয় কপি-পেস্ট করেছিল। একটু চেক করে নিতে পারেন।
৯. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৭
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: যুক্তিগুলো পাল্টা যুক্তি দিয়ে হয়তো খন্ডন করা হবে । এই টা মনে হয় থামতে সময় লাগবে অনেকদিন ।
তবে আপনার লেখায় ব্যাক্তি কারোর চাইতে আদর্শিক অবস্থানের বিষয়টা প্রাধান্য পেয়েছে দেখে ভালো লাগলো ।
১০. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪০
ইরতেজা বলেছেন: আর একটা কথা অমি পিয়াল ভাই সম্ভবত বিডিনিউজে জব করেন। তাছাড়া ইন্টারনেটের অনেক সাইট, ফোরাম, ব্লগ সাইট, ফেসবুক সহ অনেক সোশাল নেটওয়ার্ক এ তার সরব পদচারনা। উনি সে খানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়ার জন্য প্রচারনা করতে পারতেন। তা না করে এমন একটা জায়গায় উনি কেম্পপেইন করলেন যেখানে গোপনে চোরের মত লুকিয়ে হিডেন ক্যাম দিয়ে রেকর্ড করে নোংরামী দেখানো হয়। সেই সব দেখে সবাই বাহাবা দেয়।
১১. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৩
রাজর্ষী বলেছেন: এই পরিশ্রমী পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। আপনার সাথে আমিও একমত।
১২. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৩
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আমার উপলব্ধির পরিবর্তনে যাদের ভূমিকা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। আহসান হাবিব শিমুল (আমার পোস্টে তার কথায় কনভিনসড হইনি কিন্তু পুরো বিষয়টি আবার ভাবা শুরু করি), জাতেমাতাল (তার পোস্ট থেকে পিয়াল সম্পর্কে জানতে পারি- এবং মোহ ভঙ্গ ঘটে), অমলকান্তি (তিন লাইনের যুক্তিকে ফেলে দিতে পারিনি মানে খণ্ডাতে পারিনি) এবং আরো কয়েকজন বন্ধু (যাদের সাথে সামনাসামনি তর্ক-বিতর্ক হয়েছে)। মনজুরুল হক ও কৌশিক আমার আগের পোস্টে এসে হতাশা জানালে বেশী উপকৃত হতাম। জাতেমাতালের পোস্টে মনজুরুল হকের কমেন্টে উৎসাহ পেয়েছি।

তাছাড়া, এখানে যারাই সমর্থন যোগাচ্ছেন- সকলকেই ধন্যবাদ।
১৩. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৬
ইরতেজা বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথা আপনি অমলকান্তি এবং মুনীর উদ্দিন শামিম যাদের মন্তব্য কোট করেছেন সেই ব্লগের লিঙ্ক দিন প্লিজ। আমি নিয়মিত আসি না তাই সেগুলো কোন প্রসংগে বলা হয়েছে দেখতে চাই। ধন্যবাদ
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫২

লেখক বলেছেন:
অমলকান্তির প্রথম অংশটুকু সম্ভবত সুমন রহমানের কমেন্ট- সেই কমেন্ট আমার আগের পোস্টে ( Click This Link) কপি করে- সে বিষয়ে আমার মত জানতে চেয়েছিল।

অমলকান্তির পরের কমেন্ট (সুমন-পিন্টুর দৃশ্যকল্প) আহসান হাবিব শিমুলের পোস্টে ( Click This Link)করা, আরিফ জেবতিকের উদ্দেশ্যে।

মুনির উদ্দিন শামিমের কমেন্ট জাতেমাতালের পোস্টে ( Click This Link) করা।

১৪. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:১১
রাফা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ; আমিও আরিফ জেবতিকের পোষ্টে অমি রহমান পিয়ালকে সমর্থন করেছিলাম। কারন তখন মনে করেছিলাম যে কোন প্লাটফর্ম থেকেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়ার অধিকার রয়েছে।কিন্তু পরে উপলব্দী করলাম যে সাইটে মা ,বোনদের পন্য হিসাবে দেখা হয় তাদের কোন অধিকারই নেই এরকম একটি স্পর্শকাতর ইস্যুতে যুক্ত হওয়ার।আমার ভুলের জন্য আমি অনুতপ্ত।
১৫. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৪৮
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: গুড স্টাফ... অনেক সময় লাগলো সব গুলা পুস্ট ঘুরতে.. তাও সবগুলা ঘুরতে পারিনি..।

ফ্যাক্ট-
১. আমি নিজে যৌবন জ্বালার মেম্বার ছিলাম... প্রায় প্রতিতিদিন যেতাম (যৌবন যাত্রায় গেছি খুব কমই কারন এর অনেক আগেই সামোয়ারের খোজ পেয়ে এখানেই বেশী সময় দেয়া শুরু করি)

অনুমান-
১. যৌবনযাত্রা ফ্যমিলি সাইট এই কথা শুনলে বিড়ালও হাসবে (তারা চেষ্টা করছে এটাকে ফ্যামিলি সাইট বানানোর; এটা ধন্যবাদার্হ)

মতামত-
(আমার মতামতের কবেই বা বেইল ছিল; তারপরো) এর থেকে আরও ভালো সাইট ছিলো এমন চমতকার উদ্যোগ শুরু করার জন্য; কেন জেজে তেকে শুরু হল তা ই ভেবে পাচ্ছিনা।

২. যুদ্বাপরাধীদের বিচার তো চাই চাই... এখনো চাই
১৬. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:১২
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: পোষ্টটা পড়ে ভাললাগল এই কারণে যে মুদ্রার উল্টো পিঠ সম্পর্কেও ধারণা পেলাম কিছুটা।
১৭. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩১
অমলকান্তি বলেছেন: মন্তব্য টা সুমন রহমানের।
১৮. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২২
তেপান্তের মাঠ পেরিয়ে বলেছেন: আপনার ভুল স্বীকার করার সৎ সাহস দেখে মুগ্ধ হলাম। ব্লগে এই ধরনের মানুষের বড়ই অভাব, সবাই গালাগালি আর কুযুক্তি দেখিয়ে নিজের মতামত প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
১৯. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯
সত্যান্বেষী বলেছেন: @ লেখক: আত্ম-উপলব্ধিকে শ্রদ্ধা।
২০. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৪
এম্নিতেই বলেছেন: আপনার উপলব্ধিকে শ্রদ্ধা.... এবং সাহসী পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

প্রিয়তে নিলাম।
২১. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬
মদন বলেছেন: বড় বড় লেখকদের মতের বিরুদ্ধে কিভাবে, কোন যুক্তি দিয়ে লিখবো বুঝতে পারছিলাম না। তাদের বড় বড় যুক্তির কাছে আমাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যুক্তি বানের পানির মতোই ভেসে যায়। যুক্তি যেখানে অসহায় বিবেক সেখানে বড় বিচারক। আমার বিবেক মেনে নিতে পারেনি "অন্যায় দিয়ে অন্যায় রোধ করা যায়"। যে ফোরাম নিজেই অন্যায়ের সাথে জড়িত সে ফোরাম কিভাবে আরো বড় অন্যায় রোধ করবে? এ যেন "এরশাদের পিঠে লেখা স্বৈরাচার নিপাত যাক"।

পোষ্টটি সোজা প্রিয়তে...
২৩. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অসাধারণ , যুক্তির কাছে আবেগের পরাজয় ..ব্যাপারটা আমাদের মাঝে বিরল । সেই বৃত্ত থেকে বের হতে পারাটাকে শ্রদ্ধা জানাই
২৪. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৪
রবিনহুড বলেছেন: (বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ...তবে আপনার লেখায় ব্যাক্তি কারোর চাইতে আদর্শিক অবস্থানের বিষয়টা প্রাধান্য পেয়েছে দেখে ভালো লাগলো । )

এটাই সবচে বড় কথা, আর কিছুই বলার নেই।
২৫. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: আমাকে কোট করেছেন দেখে সম্মানিত বোধ করছি। লেখাটি পড়ে ভাল লাগলো। আরও একটি সুযোগ নেই। আশা করি বিরক্ত হবেন না।
আমার কাছে মনে হয় এবং আমি বিশ্বাস করি মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল একটি ক্ষমতার সম্পর্কের বিরুদ্ধে । যে সম্পর্কটি অন্যায্য ছিল। পর্ণোগ্রাফীও সে একই রকম অন্যায্য ক্ষমতার সম্পর্করই প্রতিনিধিত্ব করে, শুধু প্রতিনিধিত্ব করে না। তার পুনসৃজন ও পুনপৌনিক পরিবেশনও করে। পর্ণোগ্রাফির উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ ক্রমাগ্রত ভূমিকা রাখে পুঁজির একুমুলেশনে। আপনার দেয়া শেষের তথ্যও তার প্রমাণ। যেটি সামাজিক শ্রেণী মেরুকরণেও ভূমিকা রাখে। সে রকম একটি প্লাট ফরম সামাজিক মোবিলাইজেশনের জায়গা হতে পারে না।
তবে সে সাইটের ভিজিটরদের মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রীক আবেগ অনুভূতিকে আমি খাটো করি না। সেটি অভিনন্দনযোগ্য। একই সাথে এটিও বলি যে, তাদের সে সাইটের নিয়মিত ভিজিটর করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে বিরাজমান পুরুষতান্ত্রিক সামাজিকায়ন প্রক্রিয়া। পুঁজির বিকাশ ও উৎবৃত্তমূল্য তৈরির জন্য এ প্রক্রিয়াটিও জরুরি। যৌনতাকে বাজারের পন্য করার এ পুজিবাদী প্রক্রিয়া আমাদের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের সাথে পুরোপুরিই সাংঘর্ষিক। সে প্রক্রিয়াকে ফ্যাসিলিটেট করাও মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। হয়তো সেটি সচেতনভাবে নয়। কারণ আমাদের সামাজিকায়ন প্রক্রিয়ার কারণে পুঁজিবাদের এ ব্যকারণ আমরা ধরতে পারি না। অথবা ধরতে চাই না।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২০

লেখক বলেছেন:
বিরক্ত হওয়ার প্রশ্নই ওঠেনি- আপনার এই সংযোজন পুরো পোস্টের বক্তব্যেকে আরো সমৃদ্ধই করেছে বলে মনে করি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

২৭. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
মনির হাসান বলেছেন: উপলব্ধিটা আমার দুই নৌকায় পাদিয়ে'ই সমান জাগ্রত ... আমি উদার ... বিস্তৃত । সামর্থ্যে যতক্ষন, যতটুকু কুলোয় ... দুই নৌকার গন্তব্য'দিক যেন একই ঘাট হয় সেজন্য চেষ্টা করবো, পা ছিড়ে নিজে দুভাগ হয়ে যাবো সে ভয় আপাতত পাচ্ছিনা ...

ভয় পাচ্ছি, শালীন নৌকার মানুষ না আবার আমাকে অশালীন নৌকার মাঝি বা যাত্রী মনে করে বসে ... কারন তাই হচ্ছে ।

প্রিয় ওস্তাদ,
সহজভাবে আমি এখন'ও পিয়াল ভাইয়ের পক্ষে ... এটা আমার ঘাড় ত্যাড়ামী না ... বোধের চুড়ান্ত অবস্থান ।
তাই বলে কি আমি পিয়াল ভাইয়ের বিপক্ষের প্রিয় ব্লগারদের বিপক্ষে।

না ... আমি তাদের'ও পক্ষে ... তাদের মনন, যুক্তি অসাধারন রকমের স্পষ্ট ... যা স্রেফ সুশীলতার এককে না থেকে দায়িত্ব, চেতনার পবিত্রতা, সবকিছুই ছুয়েছে ... এর বাইরে আর আমার আর কোন'ও আপোষ করা যুক্তি থাকতে পারেনা ।


তারপর'ও আমি আপোষ করি .. নৌকাগুলো যেনো ঠিকমত ঘাটে ভিরে। কারন এই জন্য যেঃ

- কেউ আমাকে এই আশ্বাস দিতে পারবেনা ... আজ রাতে কোন মেয়ে ধর্ষিত হবেনা ।
- কেউ আমাকে নিশ্চয়তা দিতে পারবেননা ... সেই ধর্ষন দৃশ্য কোন কুলাঙ্গার শূয়োড় তার ড্যাডির পাঠানো ক্যানাদিয়ান ডিভি'ক্যাম দিয়ে রেকর্ড করবেনা ...

- কিন্তু আমি আপনাকে এবং আপনাদের এই আশ্বাস দিতে পারিঃ সেই কুলাঙ্গার শুয়োড়টা সেই ভিডিওটা ইয়ুটিউব আর রেডটিউব'এ আপ'লোড শেষে যখন যৌবন'যাত্রায় আপলোড করতে ঢুকবে ... তখন তার মাথায় খুব সামান্য সময়, এক সেকেন্ডের জন্য হলেও একটা দায়িত্বের চিন্তা আসবে, চেতনার চিন্তা আসবে।

অতি অল্প সময়ের জন্য হলেও নিজেকে পুনঃবিবেচনার করবে, এ চিন্তাটা'ও আশা করা অস্বাভাবিক নয় যদি নুন্যতম মানুষের জন্ম হয় ...

এভাবে এক সেকেন্ড, দুই সেকেন্ড করে ঐ সব কুলাঙ্গার শুয়োড়দের যদি হোচট দিয়ে মনুষত্বের রুপ, দায়িত্ব, চেতনা, মনন শব্দগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া যায় ... তো বাড়তি আরেকটা বাই প্রোডাক্ট বিজয় আমাদের জন্য অপেক্ষা করে আছে ...

আমি সেই সুযোগটা নিতে চাই ... সবাইকে তার জন্য প্রস্তুত থাকতে আহবান করবো ...

এবং অবশ্যই তা বিপক্ষীয় চিন্তাগুলোকে মাথায় রেখেই।
২৮. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৭
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: হুমমমম.........ধন্যবাদ পরিশ্রমী পোষ্টের জন্য।আমার পোষ্টে যুক্তির সাথে এক ধরনের ক্ষোভমিশ্রিত ছিলো।এই পোষ্টে নিখাঁদ যুক্তির উপস্থাপন দেখে ভালো লাগলো।

প্রথমদিকে বিষয়টিকে সমর্থনদানকারী( মুলত: ব্যাক্তি ইমেজের কাছে
আত্মসমর্পনকারী) অনেক ব্লগার পুনরায় বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন, দেখে ভরসা পেলাম।

আর রাসেল ভাইয়ের পোষ্টে আরো কিছু বলার ছিলো বা তর্ক চালিয়ে যেতে পারতাম কিন্তু আর ইচ্ছা করতেছে না।
২৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৩
সাইফুর বলেছেন: ভালোই বলছেন
৩০. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬
মাহমুদ রহমান বলেছেন: থ্যাংকস

আপনার মত লোকের প্রয়োজন আছে সমাজে। শেষে যে পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন তা সত্যিই আতঙ্কজনক।

৩২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:০১
কথেবিডি বলেছেন: ``দুঃখিত, লজ্জিত ও....... ''
আমরা সবাই কাজ করতে গেলে কোন কোন সময় হয়তো কিছু মিসটেকও করে ফেলি, আর যখনই ভূলটা ধরতে পারে তখন অনেকেই ভূল সংশোধন না করে বরং ঢেকে রাখার চেষ্টা করে ( বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে সফলও হয়), আপনি সেরকমের না। ধন্যবাদ সে জন্য।


হ্যাপি নিউ ইয়ার, ২০০৯

কথেবিডি টিম।
৩৩. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: কি বলবো.. নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছুতে আজকাল আমাদের বেশ্যাপাড়ায় ঢুঁ মারতে হয়। বেশ্যা পাড়া খারাপ বলছি না, তবে বক্তব্য প্রচার করতে তরুন প্রজন্মের জনসভাটা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে হলে বেশি স্বস্তি পেতাম।

নতুন প্রজন্ম বন্ধুর মায়ের প্রতি যৌনতা বোধ করে, সেটা শেয়ার করে যে সাইটে, সেটার ভিজিটর সর্ব্বোচ্চ!

এটাই আমাদের আরো বেশি করে ভাবার বিষয়।

সমাজটা যে বিকৃত হয়ে গেছে, তার একটা বড় প্রমাণ পিয়ালের ডেসপ‌ারেট আচরনে দেখলাম।
৩৪. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৪
অবাঞ্ছিত বলেছেন: ১) যৌবনযাত্রার ব্যানারে আমি মিছিলে যাবো না.. কিন্তু কেউ গেলে আমি তাকে অসম্মান করব না দুইটা কারনে -

ক) মিছিলে গিয়ে সে অন্যায় কিছু করছে না
খ) তার অধিকার আছে প্রতিবাদ জানানোর যেমন আমার অধিকার আছে তার কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানানোর।


২) আপনার কথা মতন পর্ণ সাইটের সবচেয়ে বড় ইউজার ১২-১৭ বছর বয়সীরা। তো আপনিই বলুন এদের কাছে পৌঁছানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় কি? যে কাজ আমি/ আপনি করতাম না লোকলজ্জার ভয়ে সেই কাজ উনি করে দেখিয়েছেন সার্থকভাবে.... কোন ব্যক্তিস্বার্থের কথা চিন্তা করে নয় বরং এক মহত আদর্শ প্রচারের জন্য। আনা ও তার জীবন কাটিয়েছিলেন পতিতাদের মাঝে... তাঁর অবদান আজও মনোবিজ্ঞানে স্বীকৃত... উনি নিজে স্বীকার না করলে বোধহয় আপনি/ আমি কোনোদিনই জানতাম না যে আশ্রমই হল অমি রহমান পিয়াল... এবং তাতে আমরা খুশি থাকতাম....


৩) এডাল্ট সাইটে জীবনে যায়নায় এমন কয়জন নেট ইউজার আছেন? (পরিসংখ্যান উপরে)

মানলাম যে আমাদের মা-বোনদের গায়ের চামড়া সাদা নয়, তবু এডাল্ট সাইটের ইউজার হয়ে তাকে ধিক্কার জানানোও কি এক বিরাট হঠকারীতা নয়? আমি শালা জেজে এর ইউজার হয়ে বলতেসি "ছি: ওরা মা বোনদের বেপর্দা করে" ... এই ভন্ডামিই বা কোথায় রাখি? যতই শাক দিয়ে মাছ ঢাকিনা কেন, একথা অস্বীকারের উপায় নেই যে নর্দমায় নেমে নর্দমাবাসীদের কাছে এ দাবী নিয়ে যেত না আপনি/ আমি কেউই...

আদর্শগতভাবে আমার অবস্থান যাই হোক (আমি কি করতাম/ না করতাম) , উনার উদ্যোগের প্রশংসা করতেই হয়।
৩৬. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩২
টানিম বলেছেন: favorite kore nilam.
r kono comment sunr ase?
৩৭. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন: যৌবনজ্বালা মিটেছে বুয়া??? ছি: ছি: ছি: বিকৃত মন-মানসিকতা, রুচি সম্পন্ন... আবার এদের মুখে চেতনা...ধিক।
৩৮. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
মুক্ত বয়ান বলেছেন: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: যুক্তিগুলো পাল্টা যুক্তি দিয়ে হয়তো খন্ডন করা হবে । এই টা মনে হয় থামতে সময় লাগবে অনেকদিন ।
তবে আপনার লেখায় ব্যাক্তি কারোর চাইতে আদর্শিক অবস্থানের বিষয়টা প্রাধান্য পেয়েছে দেখে ভালো লাগলো ।
৩৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
তরু বলেছেন: খুব ভালো লাগলো।
৪১. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২৪
অন্য কেউ বলেছেন: অবাঞ্ছিত বলেছেন: ১) যৌবনযাত্রার ব্যানারে আমি মিছিলে যাবো না.. কিন্তু কেউ গেলে আমি তাকে অসম্মান করব না দুইটা কারনে -

ক) মিছিলে গিয়ে সে অন্যায় কিছু করছে না
খ) তার অধিকার আছে প্রতিবাদ জানানোর যেমন আমার অধিকার আছে তার কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানানোর।

সহমত।

কিন্তু, নাস্তিকের ধর্মকথার, প্লাটফর্ম নিয়া অংশটারে সাপোর্ট করতাসি। জেজে কিসু অসুস্থতা প্রচার করে। সেক্সরে অসুস্থতা কই না। হিডেন ক্যামে সেইটা দ্যাহারে অসুস্থতা কই। শিল্পিত কোন ন্যুডিটি অর সেক্স সিন(বহুত দেখসি বহুত মুভিতে) স্বাভাবিক। কিন্তু ন্যুড মানুষটা যহন তার লগে ফিজিক্যাল কন্ট্যাক্টবিহীন দর্শকরে সেক্সুয়াল ফিলিং দিতে চায়, সেইটা অপ্রাকৃতিক, অস্বাভাবিক। অস্বাভাবিকতারে জেজে প্রচার করে; এইল্লিগা তাগো প্লাটফর্মের মিছিল সমর্থন করি না। তারপরেও ইনডিভিজুয়াল যে লোকটা (যার অন্তরের একটা জাগারে অসুস্থ কই)
হ্যার ভালো কাজরে অতিঅবশ্যই সাপোর্ট করুম। অপোজ করুম অসুস্হতার প্রচাররে।
৪২. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৪
গোলন্দাজ বলেছেন: আমি বুক ফুলিয়ে বলতে পারি আমি জেজে তে যাই, জেজে তে আগে হিডেন ক্যাম ছিল কিন্তু যৌবনজ্বাল থেকে যৌবনযাত্রা রুপান্তর হয়ে যাবার পর এই সাইটে এই গুলান নেই। জেজের মালিকানা পরিবর্তনের সাথে সাথে এর আচরন এবং কন্টেন্ট এ পরিবর্তন এসেছে। নাংগা পাঙ্গা দেখতে ঢূ মারে নাই জীবনে কয় জন মানুষ , নিজের প্রতি সৎ থেকে এই কথাটা বলতে পারে। আমি তাদের খারাপ কাজের প্রশংসা করেছি খারাপ কাজের ও নিন্দা করেছি। জেজের কিছু সদস্যের আপ্রান প্রয়াসে এই কাজটা সম্ভব হয়েছে। আমি তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

দয়া করে খারাপ কাজকে নিন্দা করুক, ভাল কাজের প্রশংসা করুন। নিজের চোখে না দেখে দয়া করে স্রোতে গা ভাসাবেন না।
৪৩. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৩
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আপনি বস।
এতদিন পরে ঢুকলাম আর এককথায় অবাক হলাম।

আসলে এভাবে এক পক্ষে থেকেও অন্য পক্ষের যুক্তিগুলি ভাবার মত মানুষ আছে খুব কম।

আপনি ভেবেছেন, আর সেটা মেনেও নিয়েছেন।
ভাল লাগল।
৪৪. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০২
স্বাধীনতা৭১ বলেছেন: আপনার লেখায় আদর্শিক অবস্থানের বিষয়টা ভালো লাগলো । আমিও আপনার সাথে একমত ।
আপনি বলেছেন "আমি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধের দাবিকে একসূত্রে গাঁথা মনে করি" ।
আমিও যুদ্ধাপরাধ এবং আমদের দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধের দাবিকে সমর্থন করি ।কিন্তু তাই বলে দুটিকে এক করে দেখার অবকাশ পাইনা । একসুত্রে গাথাঁ মানে কি? যুদ্ধাপরাধ মানেই কি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি মানেই কি যুদ্ধাপরাধ ?
বুজলাম না ।
৪৫. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৪৮
জিউস বলেছেন: তেপান্তের মাঠ পেরিয়ে বলেছেন:
"আপনার ভুল স্বীকার করার সৎ সাহস দেখে মুগ্ধ হলাম। ব্লগে এই ধরনের মানুষের বড়ই অভাব, সবাই গালাগালি আর কুযুক্তি দেখিয়ে নিজের মতামত প্রতিষ্ঠা করতে চায়।"

৪৬. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
মনুমনু বলেছেন: এখন যৌবন যার যূদ্ধে যাবার শ্রেষ্ঠ সময়
৪৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৬
এরশাদ বাদশা বলেছেন: ঠিক আপনার মতো আমিও প্রথমে চোখ বুঁজে সমর্থন দিয়েছিলাম। কিন্তু পরে রাহী ভাইয়ের সাথে আলোচনায় ভুল ভাঙ্গে। গড়গড় করে পড়ে গেছি এই লেখাটা। মনে হচ্ছিলো ঠিক এ কথাগুলোই বলতে চাচ্ছিলাম। অনেক ধন্যবাদ।
৪৮. ২৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৩:০০
অবাঞ্চিত বলেছেন: আপনার উপলব্ধিকে শ্রদ্ধা
৪৯. ০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৫২
সাদা ছায়া বলেছেন: চমতকার লেখা দিয়েছেন । ধন্যবাদ
৫০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯
র হাসান বলেছেন: ভালো পোষ্ট! প্লাস++++++

Bangladesh travel information

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৪৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই