আমার প্রিয় পোস্ট

কোরআন ও নারী বিষয়ক জাকির নায়েকদের গালগল্পের জবাবে -১

২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫

শেয়ারঃ
0 27 0

মাঝে মধ্যেই "কোরআন ও নারী", "ইসলামে নারী" বা "কোরআনের আলোকে নারী" প্রভৃতি শিরোনামের নানা পোস্ট দেখা যায়- যেখানে বিভিন্নভাবে প্রমান করার চেস্টা করা হয় যে, ইসলাম নারীকে ব্যাপক মর্যাদা দেয়, কোরআনে নারীর মর্যাদা অনেক উচ্চে- যেনবা ইসলামের মাধ্যমেই নারীর সমস্ত অধিকার আদায় সম্ভব। বলাই বাহুল্য এগুলোর সবই নানাবিধ মিথ্যায় সাজানো। সবচেয়ে বেশী আপত্তিকর হচ্ছে- মাঝে মধ্যে এমনসব বিষয়ের পক্ষে যুক্তি হাজির করা হয় যেগুলো ইতিমধ্যেই আমাদের সমাজব্যবস্থায়- আমাদের সংস্কৃতিতে পরিত্যজ্য বলে পরিগনিত। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পোস্টের কমেন্টে কথা বলেছি- ব্লগারদের অনেকেই (রাগ ইমন, নিরুদ্দেশ নীহারিকা, খালদুন, আমি এবং আঁধার, মনির হাসান, বৃত্তবন্দী প্রমুখ) অনেক কিছু বলেছেন, চমৎকার সব যুক্তি করেছেন- কিন্তু জাকের নায়েকদের শিষ্যদের কোন লাজ-লজ্জার বালাই নেই, একই কাসুন্দি তারা বারেবারে ঘুরেফিরে বাজাতেই থাকে, বাজাতেই থাকে। আজকের পোস্টে সেগুলো নিয়েই কথা বলবো- এবং আশা করবো জাকের নায়েকদের শিষ্যরা (তৌসিক আহম্মেদ, মোহাম্মদ লোমান, এস.এম. রায়হান, নাজনীন১ এবং পুরান শিষ্য (যদি ব্লগে থেকে থাকেন) উম্মু আব্দুল্লাহ, মাহমুদ রহমান, মাহিরাহি, বিবেক সত্যি, আস্তমেয়ে, চতুর্ভুজ, ফারজানা প্রমুখ) এখানে আলোচনা করবেন- যুক্তি খন্ডন করবেন।

জাকির নায়েকরা কি বলছেন?
আজ সুস্থ বুদ্ধি ও বিবেক সম্পন্ন ব্যক্তিমাত্রই ইসলামের যে বিষয়গুলো নিয়ে দ্বন্দ্বে থাকে, প্রশ্ন উত্থাপন করে- আপত্তি করে, সেগুলো নিয়ে জাকির নায়েকরা এক ধরণের যুক্তি করার চেস্টা করছে, আর জাকির নায়েকদের এই ব্যাখ্যায় বুঝে হোক আর না বুঝেই হোক- কাঠ মোল্লারা দারুন উচ্ছসিত, পায়ের নীচে মাটি পাওয়ার মতই তাদের অবস্থা। আর, তাই জাকির নায়েকরা খুব শোরে "ইসলাম নিয়ে অমুসলিমদের জিজ্ঞাসার জবাবে", বা "কোরআন নিয়ে বিভ্রান্তির জবাবে" বা "কোরআন ও বিজ্ঞান" - এমন নানা শিরোনামে তারা বক্তব্য হাজির করছে। অন্য বিষয়গুলো আজ আপাতত আনছি না- শুরুতে ইসলাম ও নারী বিষয়ক আলোচনায় দৃষ্টি দেয়া যাক। এই লেখাটিতে মুহম্মদ সা কে কেন্দ্র করে কোন আলোচনা করছি না কারণ আগেই সেটা যথেস্ট করেছি- যারা এখনও পড়েননি তারা এখানেএখানে ক্লিক করতে পারেন।

প্রথমে জাকের নায়েকদের দ্বারা জবাব দেয়া ইসলাম সম্পর্কিত 'অমুসলিম'দের (মানে যারাই প্রশ্ন তুলবে- তারাই অমুসলিম!) তিনটি প্রশ্ন দেখা যাক:
১। "মুসলমান পুরুষদের একাধিক বিবাহের অনুমতি দেয়া হয়েছে কেন?"
২।"পুরুষদের একাধিক বিয়ের অনুমতি থাকলেও নারীদের নেই কেন?"
৩। "নারীদের বোরকার আড়ালে রেখে অবমাননা করা হয় কেন?"

প্রশ্ন তিনটিই খুবই যৌক্তিক এবং প্রত্যাশিত। এগুলো নিয়ে জাকের নায়েক গং রা কি বলছে সেটা দেখি। এর বাইরেও আরো কিছু প্রশ্নকে মোল্লারা "কাফিরদের অভিযোগ" হিসাবে উত্থাপন করে কিভাবে জবাব দেয়ার চেস্টা করে সেগুলোও একে একে আলোচনা করবো। সাথে সাথে এদের করা যুক্তিগুলোও খণ্ডন করার চেস্টা করবো।

১। "মুসলমান পুরুষদের একাধিক বিবাহের অনুমতি দেয়া হয়েছে কেন?"

জাকির নায়েকের "Answers to the Non-Muslims Common Questions about Islam" গ্রন্থ অবলম্বনে ব্লগার তৌসিক আহম্মেদের ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর নং: ১ শীর্ষক পোস্টে মজার মজার জবাব পাবেন। সরাসরি জাকির নায়েকের মুখ থেকে এগুলো শুনতে ও দেখতে ইউটিউবে যেতে পারেন।


কি সেই জবাব- কি সেই যুক্তি? এবারে সেটাই তাহলে সংক্ষেপে দেখা যাক:
"পৃথিবীতে কোরআনই একমাত্র ধর্মগ্রন্থ যেখানে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র একটি বিয়েই করা উচিত"- ঠিক এমনটি বলেই জাকির নায়েকদের যুক্তির শুরু। যেন বা নৈতিকতার বিচার অন্যসব ধর্মের সাথে তুলনা করেই হয়! মোল্লাদের খুব গর্বের সাথে গল্প করতে শুনা যায়- "বাকী সকল ধর্মগ্রন্থে (রামায়ন, গীতা, বাইবেল...) ইচ্ছেমত বিয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে। পরবর্তীকালে, পুরোহিতরা মিলে একবিবাহ নিয়ম চালু করেন। কিন্তু তাদের ধর্মগ্রন্থতে এব্যাপারে কোন নির্দেশনা নেই। .. ১৯৫০ সালেও ইহুদীদের মধ্যে বহুবিবাহের প্রথা চালু ছিল। তারপর ইহুদী নেতারা এই প্রথা বন্ধ করেন।.... ১৯৫৪ সালে হিন্দু বিবাহ আইনে একবিবাহ প্রথা চালু হয়"। কথায় আছে- ভেড়ার পালে বাছুর পরমানিক, এ যেন গোবরের সাথে তুলনা করে হাঁস-মুরগীর বিষ্ঠাকে কম দুর্গন্ধময় বলে ঘোষণা দেয়া! কিন্তু এরা যে বুঝতেও পারে না -ধর্মগ্রন্থে না থাকার পরেও যুগপ্রয়োজনে- সময়ের পরিবর্তনে ধর্মীয় প্রথাকে পাল্টিয়ে দেয়া যে কত মহৎ, কত বৈপ্লবিক!

যাহোক- একদম শুরুর যে দাবি- সেটা জাকির নায়েকরা কিসের ভিত্তিতে বলছে?
কোরআনে বলা হয়েছে:
"মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও, দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। তবে যদি আশঙ্কা হয় যে, তাদের সাথে ন্যায়সঙ্গত আচরন করতে পারবে না তবে শুধুমাত্র একটি।" আল কোরআন (৪:৩)।

এবং:
"তোমরা চাইলেও নারীদের মাঝে ন্যায়বিচার করতে পারবে না...।" আল কোরআন (৪:১২৯)।

সুরা নিসার ৩ নং আয়াত এবং ১২৯ নং আয়াতের প্রথম বাক্যকে পাশাপাশি রেখে এরা এমনই ধারণা তৈরি করতে চায় যে- কোরআন অনুযায়ি- চারটি পর্যন্ত বিয়ার অনুমতি থাকলেও তার ক্ষেত্রে শর্ত প্রযোজ্য এবং মূল শর্তটি হচ্ছে স্ত্রীদের সাথে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করতে হবে এবং ন্যায়বিচার করতে না পারার আশংকামাত্র থাকলেই শুধুমাত্র একটা বিয়ে করতে হবে (৪:৩) এবং স্পষ্টতই আল্লাহ জানিয়ে দিচ্ছেন- চাইলেও নারীদের মধ্যে ন্যায়বিচার করা সম্ভব না (৪:১২৯)- সেহেতু চুড়ান্ত বিচারে দাঁড়াচ্ছে- কোরআনে একটি বিয়ের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। জাকির নায়েকের এই যুক্তিটুকু পড়লে বা শুনলে মনে হয় বাহ কি সুন্দর, ভালোই তো! কিন্তু জাকির নায়েক সম্পর্কে পূর্ব ধারণা থাকায় জানি যে, এই লোক নিজের যুক্তি সাজাতে মিথ্যাচার করতে, কোরআনের আয়াত নিজের ইচ্ছামত ব্যবহার করে সুকৌশলে নতুন ব্যাখ্যা হাজির করতে- এমনকি মাঝে মধ্যে কোরআনের আয়াত-শব্দের প্রচলিত অর্থ পাল্টে ফেলতে সিদ্ধহস্ত। তাই সুরা নিসার ৩ নং ও ১২৯ নং আয়াত দুটি একটু যাচাই করার চেস্টা করি। ১২৯ নং আয়াতটি পুরো পড়লেই বুঝা যাবে:
And you will never be able to be equal [in feeling] between wives, even if you should strive [to do so]. So do not incline completely [toward one] and leave another hanging. And if you amend [your affairs] and fear Allah – then indeed, Allah is ever Forgiving and Merciful.

অর্থাৎ, "তোমরা চাইলেও নারীদের মাঝে ন্যায়বিচার করতে পারবে না"- এটা বলার পরপরেই যখন আল্লাহ মুমিন বান্দাদের উদ্দেশ্যে আহবান জানায়- "সুতরাং তোমরা কোন একজনের প্রতি সম্পূর্ণ ঝুঁকে পড়ো না ও অন্যজনকে ত্যাগ করো না"- তখন কি বলা যায়, জাকির নায়েক এর টানা সিদ্ধান্তটা খোদ আল্লাহর টানা সিদ্ধান্তর অনুরূপ? একটা ফিল্ম এপ্রিসিয়েশন কোর্স করেছিলাম- সেখানে আইজেনস্টাইনের মনতাজ সম্পর্কে কিছু লেকচার দেয়া হয়েছিল। বিষয়টা অনেকটা এরকম। (আমার উদাহরণে বলছি)- ধরেন বারাক ওবামার একটা ৫ সেকেন্ডের শট - যেখানে ওবামা খুব উৎফুল্ল- দারুন হাসিখুশী- হাত তালি দিচ্ছেন। এডিটিং প্যানেলে এই শটের আগে আরেকটি শট যেখানে দেখা যায় ইরাকে বোমা ফেলা হচ্ছে- সেটা যুক্ত করে দিলে একরকম অর্থ তৈরি হয়, আবার পূর্ববর্তী শটে যদি নির্বাচনে জেতার নিউজ দেখানো হয় তবে আরেক অর্থ, পূর্ববর্তী শটে মিশেল ওবামাকে দেখালে একরকম অর্থ- আর হিলারি ক্লিনটনকে দেখালে আরেক রকম ইমপ্রেশন তৈরি হয়। সুরা নিসার দুই জায়গার দুটি আয়াতকে পাশাপাশি বসিয়ে একরকমের ইমপ্রেশন তৈরি চেস্টা দেখে মনে হলো- জাকির নায়েক ফিল্ম ডিরেকটর হলে খুব ভালো করতেন।

যাহোক, মোল্লাদের আরেকটি যুক্তি খুব জোরের সাথে করতে দেখা যায়- সেটা হলো: একের অধিক বিয়ে (চারটি পর্যন্ত) বিয়ে তো ফরজ না, সুন্নতও না, ওয়াজিব না, মুস্তাহাবও না। এটা কেবলমাত্র মুবাহ, মানে করলেও হয়- না করলেও হয়, একে কখনো উৎসাহিত করা হয়নি। অনেকে রেগে গিয়ে বলেই বসে- "আপনাকে তো বহুবিবাহ করতে বাধ্য করছে না- আপনার করতে ইচ্ছা না হলে করবেন না"। অবাক হয়ে ভাবি- এরা কি আপত্তির জায়গাটাই ধরতে পারছে না? বহুবিবাহ কেন নিষিদ্ধ নয়? কেন এটা একজন পুরুষের মর্জির উপর ছেড়ে দেয়া হলো? যে বহুবিবাহ করতে চায় না তাকে বাধ্য করা হচ্ছে না ঠিকই, কিন্তু মূল প্রশ্নতো- যে কামুক ব্যক্তি একের পর এক বিয়ে করে যেতে চায়- তার জন্য কি কোন বাধ্যবাধকতা রাখতে পেরেছে কোরআন?

না পারেনি। তবে কেন বাধ্যবাধকতা রাখেনি সেটার একটা বৈজ্ঞানিক কারণ হাজির করেছে জাকির নায়েকরা। বড়ই অভিনব সে কারণ। সেটাই তাহলে শুনি:
"সাধারনত নারীশিশু ও পুরুষশিশু সমান অনুপাতে জন্মায়। তবে নারীশিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি বিধায়, তুলনামূলক নারীশিশু বেশি বাঁচে। এছাড়াও যুদ্ধ-বিগ্রহে, নারীর তুলনায় পুরুষের মৃত্যুর হার বেশি। দুর্ঘটনা ও রোগে, পুরুষদের মৃত্যুর হার বেশি। এটা স্বীকৃত যে, পুরুষদের চেয়ে নারীরা বেশিদিন বাঁচে। এসব কারনে, যেকোন নির্দিষ্ট সময়ে জরিপ করলে দেখা যায়, বিপত্নীকদের চেয়ে বিধবার সংখ্যা বেশি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা ৭৮ লক্ষ বেশি। শুধুমাত্র নিউইয়র্কে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা ১০ লক্ষ বেশি। নিউইয়র্কে মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ নারী। যুক্তরাষ্ট্রে ২ কোটি ৫০ লক্ষ পুরুষ সমকামী (নারীদের বিয়ে করতে উৎসাহী নয়)। কাজেই, যদি একজন পুরুষ একজন নারীকে বিয়ে করে তাহলে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই ৩ কোটি নারী সঙ্গীহীন থেকে যাবে। একইভাবে যুক্তরাজ্যে ৪০ লক্ষাধিক, জার্মানীতে ৫০ লক্ষাধিক, রাশিয়ায় ৯০ লক্ষাধিক নারী সঙ্গীহীন থাকবে। ধরা যাক, আমার বোন যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গীহীন অবস্থায় আছে অথবা ধরুন আপনার বোন যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গীহীন রয়েছে। তাহলে, তার সামনে ২টি পথ খোলা আছে। ১. বিবাহিত কোন পুরুষকে সঙ্গী হিসেবে মেনে নিতে হবে। ২. 'জনগণের সম্পত্তি (public property) হতে হবে।"

এই যুক্তি অভিনব তো বটেই, তারচেয়ে বেশি এটা অশ্লীল। সঙ্গীহীন থাকলে আমার বোনের সামনে দুটো পথই খোলা থাকবে? বিবাহিত পুরুষকে বিয়ে করতেই হবে, নচেত প্রোস্টিটিউশনে নামতে হবে? এই যুক্তির পক্ষে বলতে গিয়ে এক পর্যায়ে বলা হচ্ছে: "এটা ঠিক যে, অধিকাংশ নারীই স্বামীকে শুধু নিজের বলেই প্রত্যাশা করেন। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থে এই ক্ষুদ্র প্রত্যাশা ত্যাগ করা শ্রেয়"। অবাক লাগে- কতখানি পারভার্ট হলে এমন কথা লোকে বলতে পারে! নারীদের এরা কি চোখে দেখে?
আর জাকির নায়েক যে তথ্য-উপাত্ত দিয়েছে সেখানেও একটা বড় রকমের ফাঁক আছে। সেটাই এবারে দেখি:

জাকির নায়েকের তথ্যমতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানী, রাশিয়ায় পুরুষের চেয়ে নারীর মোট সংখ্যা বেশি হলেও গোটা দুনিয়ায় নারী-পুরুষ অনুপাত- ১:১.০৫, মানে পুরুষের সংখ্যাই বেশী।
এবারে আসুন বয়সের হিসেবে দেখি-
নারী:পুরুষ-
জন্মের সময়- ১:১.০৫
১৫ বছরের নিচে- ১:১.০৫
১৫-৬৪ বছর- ১:১.০২
৬৫ কিংবা তদুর্ধ- ১:০.৭৮

কাজেই দেখা যাচ্ছে এই যুক্তি তখনই খাটে যখন নবীন পুরুষ অতি প্রবীণ নারীদের বহুবিবাহ করে!!!!

এবার, জাকির নায়েকদের উল্লেখ করা যুক্তরাষ্ট্রের পরিসংখ্যানের দিকে তাকানো যাক।
যুক্তরাষ্ট্রে ১৩৪,৭৭৪,৮৯৪ জন পুরুষ এবং ১৪০,৭৮৭,৭৭৯ জন নারী।
অর্থাৎ ৬ মিলিয়নের মত নারী বেশি। এদের মধ্যে ৫.৯ মিলিয়নই কিন্তু ৬৫ বছরের উর্ধে!!
সেখান থেকে দেখা যাচ্ছে যে, ১৮ থেকে ৬৪ বছর পর্যন্ত নারী পুরুষের অনুপাত প্রায় সমান। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নারী-পুরুষেরা মোটামুটি ১৮-৪০/৪৫ বছর বয়সে তাদের প্রথম বিয়ে করে থাকে বলেই জানি। সেক্ষেত্রে এক পুরুষ এক নারী বিয়ে করলে অনেক নারীকে বিয়ে করার মত পুরুষ পাওয়া যাবে না বলে যে দাবী করা হচ্ছে তা অবান্তর।

আর, ৬৫ উর্ধ নারীদের সংখ্যা বেশী। সেক্ষেত্রে দুটো বিষয় হতে পারে। এক: এরা বিবাহিত কিন্তু স্বামী মারা গিয়েছে অর্থাৎ এরা বিধবা; অথবা এরা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত কোন কোন কারণে বিয়ে করেনি।

এই অংশটুকু যদি স্বামীর ঘর করতে চায় তবে পুরুষ পেতে সমস্যা হতে পারে। বিধবাদের ক্ষেত্রে বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় সন্তান-সন্ততি, নাতিপুতি নিয়েই এমন ব্যস্ত এবং সামাজিক অবস্থা এমনই যে বিয়ে করা হয় না, বা বিয়ে করার চিন্তাই মাথাতে আসে না। কেননা, মেনোপেজের পরে শারীরিক চাহিদাটাও সেরকম থাকে না, ফলে সঙ্গী শুধু মানসিক সঙ্গের জন্যই প্রয়োজন হতে পারে, সেটা সামাজিক পরিমণ্ডলই পূরণ করতে পারে। আর যাই হোক পোস্টদাতার কথা মত অন্য বউ আছে এমন লোককে ৬৫ বছরের এক বুড়ি বিয়ে করতে না যাওয়ারই কথা, আর পাবলিক সম্পত্তিতে পরিণত হওয়াটা তো শুধুই পাগলের প্রলাপ।
আর ৬৫ বছর পর্যন্ত বিয়ে না করে থাকলে, ৬৫ বছর পার হওয়ার পরে বিয়ে করার জন্য উতলা হবে এমন সম্ভাবনাও কম দেখি। আর যদি ৬৫ বছরে এসে বিয়ে করতে মনস্থির করে শেষে পাত্র যদি নাই পাওয়া যায়, তবে সেটাও মনে হয় সেই নারী মেনেই নিবেন। পাবলিক সম্পত্তিতে পরিণত হওয়া বা সতীনের ঘরে প্রবেশ করার সম্ভাবনা পোস্টদাতার মত কিছু ধর্মান্ধের প্রভাবপুষ্ট নারী আত্মীয় স্বজনেরা ব্যতিত কমই দেখি।

এবারে আসুন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যেখানে বহুবিবাহের হার অন্যান্য দেশের চেয়ে অনেক বেশি সেগুলোর নারী-পুরুষের অনুপাত দেখি-
নারী : পুরুষ-
বাহরাইন- ১ : ১.৩
জর্দান- ১ : ১.১
কুয়েত- ১ : ১.৫
ওমান- ১ : ১.৩১
কাতার- ১ : ১.৯৩
সৌদি আরব- ১ : ১.২৪
আরব আমিরাত- ১ : ১.৫১
(২০০০ সাল পর্যন্ত)
উপর থেকে নিঃসন্দেহে বলা যায় যে এরা কেউই নারীর আধিক্যের কারণে বহুবিবাহ করেনা। এটাও খেয়াল রাখতে হবে যে এই নারীদের অনেকেই ৬৫ বছরের উর্ধে, কাজেই বিবাহযোগ্য নারীর সংখ্যা কিন্তু আরো কমে যাচ্ছে!!

মোহাম্মদ লোমান এর পোস্টে জানানো হয়েছে- "বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে বহু বিবাহ প্রয়োজন হয়ে পড়ে। সে প্রয়োজনকে সামনে রেখেই ইসলাম বহু বিবাহের অনুমোদন দান করেছে। এখন আসুন আমরা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করি বহু বিবাহের সেই বিশেষ প্রয়োজনীয় দিক গুলি কি কি? (১) কেউ তার বংশের ধারা অব্যাহত রাখতে ইচ্ছুক; কিন্তু তার বর্তমান স্ত্রী সন্তান ধারণে অক্ষম। এ ক্ষেত্রে পুরুষ বর্তমান স্ত্রীকে সাথে রেখে আরেকটি বিয়ে করতে পারেন। (২) বর্তমান স্ত্রী স্বামীর যৌন চাহিদা মিটাতে অক্ষম হলে (৩) কোন কোন মানুষের যৌন শক্তি খুব প্রবল ও প্রচন্ড হতে পারে। এ ক্ষেত্রে তার একাধিক বিয়ের প্রয়োজন হতে পারে। (৪) যুদ্ধ বিগ্রহ-মহামারী- ‍দুর্ঘটনা ইত্যাদির কারণে কোন দেশে পুরুষের সংখ্যা সাংঘাতিক ভাবে হ্রাস পেলে মহিলাদের সার্থেই বহু বিবাহ প্রয়োজন হতে পারে। উপরোক্ত ক্ষেত্রে সমাজ এবং মহিলাদের উচিৎ সহেযোগীতা করা"।

এই সমস্ত যুক্তিকে মানতে হলে- আরো কিছু প্রশ্ন চলে আসে- জাকির নায়েকরা সেসবের জবাব কেমন করে দিবেন?
# এই সমস্ত ঘটনা কোন নারীর সাথে হলে , মানে ১) কেউ তার বংশের ধারা অব্যাহত রাখতে ইচ্ছুক; কিন্তু তার বর্তমান স্বামী সন্তান উৎপাদনে অক্ষম হলে, (২) বর্তমান স্বামী স্ত্রীর যৌন চাহিদা মিটাতে অক্ষম হলে (৩) কোন কোন স্ত্রীর যৌন শক্তি খুব প্রবল ও প্রচন্ড হলে (৪) কোন কারণে কোন দেশে নারীর সংখ্যা সাংঘাতিক ভাবে হ্রাস পেলে ------ তখন কি নারীর বহু স্বামী জায়েজ হবে?
# যদি লিঙ্গনির্দিষ্ট গর্ভপাত নাও করা হয়, জীববৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুসারেই একটি জনগোষ্ঠীতে জন্মগ্রহণের ক্ষেত্রে মেয়ে শিশুর অনুপাতের থেকে ছেলে শিশুর অনুপাত বেশি থাকে (জার্মানিতে ৯৪:১০০)। কিন্তু সমান সুযোগ-সুবিধা পেলে বিভিন্ন বয়স-বর্গে মেয়েদের থেকে ছেলেদের মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি হওয়ার ফলে মোট জনসংখ্যায় নারীর আধিক্য দেখা যায়। বাংলাদেশে লিঙ্গনির্দিষ্ট গর্ভপাত ধর্তব্যের মধ্যে না হলেও, খাদ্য, পুষ্টি, চিকিৎসা পরিষেবা ও পরিচর্যার ক্ষেত্রে বৈষম্য থাকায় পুরুষের আধিক্য (১০৬:১০০) রয়েছে। আপনাদের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা (!) অনুযায়ী এখানে প্রায় ৩০ লক্ষ পুরুষ অবিবাহিত থেকে যাবে। তাদের জন্য সমাধান কি?
# যুক্তরাষ্ট্রের সমকামী পুরুষদের হিসাবের পাশে সমকামী নারীর হিসাবকে কেনো গোপন রাখা হলো?
# পাশ্চাত্যে যেমন অনেক পুরুষ বিবাহের বাইরে সম্পর্ক বজায় রাখে, অনেক নারীও নিশ্চয়ই রাখে। এই প্রসঙ্গ কতটা প্রাসঙ্গিক?

পরবর্তী বা শেষ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন

 

সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭
লুথা বলেছেন:
তোমার মত নাস্তিকদের জন্য আসলেই করুণা হয়...আল্লাহ তোদের হেদায়েত দান করু
৩. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
কালীদাস বলেছেন: ইসলাম নারীকে ব্যাপক মর্যাদা দেয়, কোরআনে নারীর মর্যাদা অনেক উচ্চে - এর বিরূদ্ধে বলতে যেয়ে বেশিরভাগ উত্তর পাচ্ছেন ইসলামের পক্ষে, আপনি নিজেই লিখছেন তা পোস্টে, কিন্তু কেন আপনি বুঝছেন না, তা বুঝলাম না।

যাই হোক, আপনার বুঝায় সমস্যা থাকুক, সেটা হয়তো কোনদিন সারবে, আমার ভাল লাগলো অন্তত ভদ্র ভাষায় ব্যাখ্যার চেস্টা করছেন বলে, অপদার্থ নাস্তিকদের মত যুক্তিবিহীন খিস্তিখেউর করেননি বলে।

তবে পোস্টে মাইনাস দিয়ে গেলাম।
৪. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫
ক-খ-গ বলেছেন:
এই না হইলে না. ধ. !!! :)

মনতাজের উদাহরনটা জোস লাগছে। জোকার নায়েক ঠিক এই কাজটাই করে থাকে। তবে ইদানিং মনে হয় মানুষ জোকার নায়েকরে নয়া নবি ভাবা একটু কমাইছে।
৫. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬
প্রচ্ছদ বলেছেন: চলুক...

পর্যবেক্ষনে থাকলো
৬. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭
ক-খ-গ বলেছেন: পর্যবেক্ষনে থাকলো মানে কি?? কমেন্ট কই @প্র
৮. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: দারুন +
পর্ব শেষ না কইরা গায়েব হইয়া যাইয়েন না
৯. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১০
অন্যরকম বলেছেন: পুরা পোস্ট পড়ি নাই! তবে ২ নং প্রশ্নের উত্তর হইল: এক মেয়ে একাধিক বিয়া করতেই পারে। কোন বাধা নাই, তবে আগের স্বামীকে ডিভোর্স দিতে হবে! এইরকম অসংখ্য ঘটনা আছে ইসলামের ইতিহাসে।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২২

লেখক বলেছেন:
পুরুষের বহুবিবাহ বা চারটা পর্যন্ত বিবাহ কি তালাক দিয়ে না কি তালাক না দিয়েই??

আপনারা কি একটু বুঝে জবাব দিতে পারেন না? যে বিষয়টা নিয়ে কারোরই কোন দ্বিমত নেই- কোন কথা নেই- সে বিষয়ে হুদাই কথা বলে লাভ কি?

১০. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৩
অন্যরকম বলেছেন: ৩ নং এ, বোরকার আড়ালে থাকতে বলে নাই! বলছে পর্দা বা হিজাব করতে। এর মানে এই না যে তাকে বোরকা পড়তে হবে। সে যদি বোরকা না পড়ে পর্দা করতে পারে, তাহলে ক্ষতি নেই।
এইটা আসলে ইসলামের একটা ড্রেসকোড।
যুগে যুগে এইরকম ড্রেসকোড বিভিন্ন জাতি বা সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান তৈরী করেছে এবং মেনে আসছে, তাদের ক্ষেত্রে কোন বাধা বা সমালোচনা না হলে ইসলামের ক্ষেত্রে এত সমালোচনা হয় কেনো বুঝরাম না!
২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন:
ড্রেস কোড এ আপত্তি না (আমাদের এখানে লোকজন ঈদের নামাজ পড়ার সময় পানজাবি টুপি পরে, সুরামা আতর দেয়), আপত্তি হচ্ছে- সার্বক্ষণিক পোষাক হিসাবে ধর্ম যখন কোন কিছু চাপিয়ে দেয়। পোষাকের ধরণ কি হবে তা একটা অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অভ্যাস-সংস্কৃতির ভিতর দিয়ে নির্ধারিত হওয়া দরকার- কেননা এটা সে অঞ্চলের জলবায়ু, সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অনেক কিছুর মধ্য দিয়েই গড়ে উঠে। ফলে- যখন সেটার উপর এসে কোন কিছু চাপিয়ে দেয়ার চেস্টা চলে- সেটা আপত্তিকর। রাজস্থানের অমুসলিম মেয়েরাও বোরখা জাতীয় পোশাক পরে- কারণ সেখান মরু অঞ্চলের আবহাওয়া তাদের সংস্কৃতি এমন পোশাক তৈরি করেছে। কিন্তু- ঐ পোশাক নিয়ে যদি আপনি যারা সাতারু বা জিমনাস্ট- তাদের কাছে যান- তাহলে সেটা কেমন হবে?

আর, এই পোস্টে হিজাব নিয়ে আলোচনার মূল জায়গাটা হচ্ছে- দৃষ্টিভঙ্গীগত জায়গা। আটশাট পোষাক থাকলেই যে- পুরুষের কাম জাগ্রত হয়ে যাবে- তাকে ধর্ষণের জন্য চেস্টা চালাবে- এমন চিন্তা আসলে একজন মনবিকারগ্রস্ত মানুষের, এদের আসলে চিকিৎসা দরকার- সেটাই বলতে চেয়েছি।

১১. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৬
অন্যরকম বলেছেন: ১ নং এ, পুরুষদেরও ডিভোর্সের পথ উন্মুক্ত। তারা ডিভোর্স কইরা আবারও বিয়া করতে পারে। এখন একটা মেয়ে যদি একজনকে ডিভোর্স করে আরেকজনকে বিয়া করতে পারে, তাহলে একজন পুরুষ সেই কাজটা করলে ক্ষতি কি?

আমি সব কিছু সহজ সরলভাবে চিন্তা করতে এবং মানতে পছন্দ করি। ইসলাম খুবই সহজ একটি সিস্টেম। সহজভাবে চিন্তা করলে সব কিছুই সহজ মনে হয়!
২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন:
ধুর......
ইসলাম কি বলে- জাকির নায়েকরা কি বলছেন সেগুলো পড়ে কমেন্ট করলে বেশি ভালো হয়....

১২. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২২
রুপকার বলেছেন: আমার এ ভেবে ভাল লাগছে যে অন্তত আলোচনা এখন ইসলাম এর টেবিলে। মানুষ এখন ইসলাম নিয়ে যথেষ্ট ভাবতে শুরু করেছে, আর এটা সম্ভব হয়েছে ড. জাকির নায়েকের মহতি উদ্যোগ ও চেষ্টার ফলে। আল্লাহ তাদেরকে এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার তৌফিক দিন,আমিন।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৫

লেখক বলেছেন:
আমিন, ছুম্মা আমিন......

১৪. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
অন্যরকম বলেছেন: আপনি যেই তিনটা প্রশ্ন করছেন, সেই তিনটা উল্লেখ করলাম!

প্রথমে জাকের নায়েকদের দ্বারা জবাব দেয়া ইসলাম সম্পর্কিত 'অমুসলিম'দের (মানে যারাই প্রশ্ন তুলবে- তারাই অমুসলিম!) তিনটি প্রশ্ন দেখা যাক: ১। "মুসলমান পুরুষদের একাধিক বিবাহের অনুমতি দেয়া হয়েছে কেন?" ২।"পুরুষদের একাধিক বিয়ের অনুমতি থাকলেও নারীদের নেই কেন?" ৩। "নারীদের বোরকার আড়ালে রেখে অবমাননা করা হয় কেন?"

একাধিক বিয়া আর বহু বিবাহ এক নাকি? যে ডিভোর্স দিয়া বার বার বিয়া করে, সেইটাতো একাধিক বিয়া! আপনি তো এইখানে সেইটার কথাই বললেন!


৪ টা বিয়া করা যায় তালাক না দেওন পর্যন্ত! তবে সেইটা আদৌ করা যাবে কিনা সন্দেহ আছে। কারণ এখন ২য় বিয়া করতে গেলেই যেই প্যাজগি বাধবে, সেইখান থেকে ঐ ব্যাটা আর কখনওই বের হয়ে আসতে পারবে না! /:)

কাজেই যেইটা ইম্পলিমেন্ট করা যাইবো না, সেইটা নিয়া আর এত চিন্তা কইরা লাভ কি? :)
১৫. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯
শেরজা তপন বলেছেন: আপনি কি জাকির নায়েকের ভুল ধরছেন নাকি কোরআনের
সেটা আগে খোলসা করুন?
যেই আয়াতের বঙ্গানুবাদ করেছেন সেটা কি আপনার করা নাকি অন্যকারো?
জাকির নায়েকের কথা কতভাগ মুসলিম বিশ্বাস করে তার কি কোন ডাটা আপনার কাছে আছে?
আম আস্তিক হতে বিশেষ বুদ্ধি লাগে না নাস্তিক হতে লাগে-আপনি বুদ্ধিমান। কিন্তু শত কোটি আস্তিকের বিশ্বাস আর আস্থায় আঘাত করে নিজেকে কিছু লোকের বাহবা আর বিতর্কিত করা বুদ্ধিমানের কাজ না
বলে আমার মত অতি নিন্মবুদ্ধির লোক মনে করে
১৬. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯
শুন্য মানব বলেছেন: লুথা বলেছেন:
তোমার মত নাস্তিকদের জন্য আসলেই করুণা হয়...আল্লাহ তোদের হেদায়েত দান করুক
১৭. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯
কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন: আপনাকে ভালা পাই ক্যান জানেন? আপনে অন্যদের মত গালাগালি করেন না। যুক্তি ছাড়া কথা বলেন না।

আমি আস্তিক তাই কিছু অপ্রিয় কথা বলি।
বস, জাকির নায়েকের খুব বেশি ভিডিও দেখি নাই, একটা কিংবা দুইটা হবে। তয় আপনের এই পোস্ট পইড়া জাকির নায়েকের ভক্ত হয়া গেলাম। তয়, জাকির নায়েক পয়গম্বর না। ওই ব্যাটাও ভুল করতে পারে। এর জন্য ধর্মব্যবসায়ীগুলা থেকে সাবধান থাকা উচিত।

পোস্টে প্লাস।

কেন যেন এইরকম পোস্ট পড়লে ঈমান হারানোর ভয় আরো বেড়ে যায় বলে আরো শক্ত করে আঁকড়ে ধরি।
ভাল থাইকেন।
১৮. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: বি প্রাকটিক্যাল:

১) পতিতাবৃত্তি থামাতে হবে। শোনা যায় কোন এক সময় সমাজ নাকি নারীতান্ত্রিক ছিল। তখন কি নারীদের জন্য কোন পতিতালয় ছিল? থাকলে পরিসংখ্যানটা দয়া করে জানাবেন বৈকি।

২) অমুসলিম নারীরা একই সাথে একাধিক স্বামী রেখে সংসার করছে, এরকম কোন পরিসংখ্যান আপনার কাছে আছে কি?

৩) ১ টি বউ সেই সাথে ১০ জন গার্ল ফ্রেন্ড রাখা আপনি সাপোর্ট করেন কি?
১৯. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০০
নাজনীন১ বলেছেন: আপনি জাকির নায়েকের গালগল্পের সমালোচনা করতে চেয়েছেন পোস্টে, কিন্তু পোস্টে আমার নামও উল্লেখ আছে বিধায় আলোচনা করতে আসতে হলো, যদিও সাধারণতঃ আমি নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশেষ করে ইসলামের সমালোচনামূলক পোস্টে অংশগ্রহণ করি না, পছন্দ করি না। কারণ, এসব পোস্টেও এক ধরণের অন্ধত্ব থাকে , এক্সট্রিমিজম থাকে, তা হলো নিজের যুক্তির উপর অগাধ আস্থা আর জোর করে সে মতবাদগুলো অন্যের উপর চাপিয়ে দেবার চেষ্টা । আর যারা দ্বিমত করছেন তারা অবশ্যই কিছু বিশেষণের অধিকারী, এই যেমন লাজ-লজ্জা বিহীন, ............।


প্রথমেই বলে রাখি আমি কোন ব্যক্তির (কোন আলেমের) শিষ্য না, শধু রাসূল(সাঃ)-এর অনুসারী। আর বিশ্বের যত ইসলামী চিন্তাবিদ আছেন, আদের লেখাগুলো আমার কাছে সহজলভ্য, ইন্টারনেটে আছে বা বাজারে বইগুলো পাওয়া যায় -- সেগুলো আমি সাধ্যমত, সময়-সুযোগ মতো পড়ার চেষ্টা করি।

বহুবিবাহের ব্যাপারেও আমি মূলত পড়েছি কোরআনের আয়াত, বহুবিবাহ সংক্রান্ত হাদীসসমূহ, ডঃ জামাল-আল-বাদাবীর ইসলামিক টিচিং কোর্স, খন্ড-৩ (জি-৩১-৩৫), ডঃ ইউসুফ আল-কারযাভীর "ইসলামে হালাল-হারামের বিধান", অনলাইনে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ইসলামী ফতোয়ার ওয়েবসাইটগুলো, ......... ডঃ জাকের নায়েকেরটাও অনলাইনে পড়েছি। তবে একজন নারী হিসেবে সবার সব মত যে আমার ভাল লাগে তা নয়, আবার যেটা কোরআনে অকাট্য বলা আছে সেটাও তো অস্বীকার করতে পারি না মুসলিম হিসেবে। এটা আমার ধর্মীয় সীমারেখা, আলেমদেরও একটা সীমারেখা আছে, কোরআনের স্পষ্ট কোন কিছুকে তারা অস্বীকার করতে পারে না নাস্তিকদেরকে সন্তুষ্ট করার জন্য।

বহুবিবাহের ব্যাপারে এ ব্লগে মোহাম্মদ লোকমান এবং আমি ও আঁধারের পোস্টে আমার পক্ষে যা যা বলার বলেছি। নতুন করে আর কিছু বলার দরকার দেখি না। তবে আপনিও যেহেতু আবার নতুন করে আলোচনা করছেন, আর বহুবিবাহ সংক্রান্ত কোরআনের আয়াত পোস্টে উদ্ধৃত করেছেন তাই আমি সে আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপটও এখানে তুলে দিতে চাই,
কারণ কোরআন সামাজিক বিধান সম্পর্কিত আয়াতগুলো বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে এসেছে, এটা আপনি ভাল করেই জানেন (মানতে চান বা না চান, পছন্দ করেন আর নাই করেন)

The verse which allows polygamy “was revealed after the battle of Uhud in which many Muslims were killed, leaving widows and orphans for whom due care was incumbent upon the Muslim survivors.(Abd Al-Ati, Hammuda, Islam in Focus, The Canadian Islamic center, Edmonton Alberta, Canada, 1963, p.103.)

The translation of the verse is as follows:

If you fear that you shall not be able to deal justly with the orphans, marry women of your choice, two, or three, or four; but if you fear that you shall not be able to deal justly with them), then (marry) only one…. (Qur’an 4:3)


এ পোস্টে যেহেতু জাকির নায়েকের কথা উল্লেখ আছে , তাই তার কথার প্রেক্ষিতেই দুই-একটা কথা বলি,

কোন দেশে নারীর সংখ্যা বেশী হলে তারা "পাবলিক প্রপার্টি হবে" --- আমার প্রশ্ন কেমন করে???? পুরুষেরা যদি ধর্মীয় বিধান মেনে চলেন, তাহলে অবিবাহিত নারীরা পাবলিক প্রপার্টি কেমন করে হয়, সে পাবলিকরা কারা, বিবাহিতরা? ইসলাম কি এটা সমর্থন করে? নিশ্চয়ই নয়। এক্ষেত্রে নারীরা শুধু সঙ্গীহীন হতে পারে।

আরেকটি যুক্তি যেটা নারীদের বহুবিবাহ হলে যৌনরৌগ বেশী ছড়াবে --- খুবই দুর্বল যুক্তি, এ কথা বলার মাধ্যমে পুরুষদের যে চারিত্রিক দুর্বলতা আছে সেটাই পক্ষান্তরে স্বীকার করে নেয়া।

আমার নিজের সহজ বুদ্ধিতে যেটা বুঝি যেহেতু ইসলামী সমাজে একজন মানুষের পারিবারিক বা সামাজিক পরিচয় হচ্ছে পিতার পরিচয়ে, যেমন আমরা স্থায়ী ঠিকানা লেখার সময় দাদার বা বাবার বাড়ির পরিচয় দেই, নিজের জেলা বলতে বাবার বা দাদার জেলা বুঝি, তাই বহুবিবাহর অনুমতি শুধু পুরুষদের দেয়া আছে। আবার পরিবারের অর্থনৈতিক দায়িত্বও পুরুষদেরকে দেয়া আছে। এক্ষেত্রে ৩/৪ জন পুরুষ মিলে একজন নারীর ভরণপোষণ করবেন, ব্যাপারটা কতটা বাস্তবসম্মত, তার চেয়ে একজন পুরুষ ৩/৪ জন নারীর ভরণপোষণ করবেন -- এটা ইকোনমিকেলী যুক্তিসম্মত। ইসলামের কোন আইন বিচ্ছিন্ন নয়, একটা আরেকটার সাথে সম্পর্কযুক্ত।

আর যে সমাজে মায়ের পরিচয়ে পরিচিত হয়, তার জন্য তো ইসলামের কোন বিধান নেই, কারণ সেটা ইসলামী সমাজের আদল নয়, তাই এক্ষেত্রে ইসলামে সমাধান খুঁজতে আসা অনর্থক। তারা তাদের মতো করে কিছু একটা করে নিক, তাতে ইসলামের কি? ইসলাম শুধু তাদের অনুসারীদের নিয়েই মূলত মাথা ঘামাবে, বাকীরা তাদের নিজের মতো চলবে।

আর আর্থিক দায়িত্ব পুরুষদের দেয়া মানে তাদেরকে প্রথম শ্রেণীর নাগরিক আর নারীদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক বানানো হয়েছে -- এটা একটা পুঁজিবাদী প্রচারণা। ইসলামে অর্থের মালিকানা দিয়ে মানুষের মর্যাদা নির্ধারণের কোন ধারণা নেই। নারীর ঘরের কাজকে ইসলাম কোন ভাবেই পুরুষের বাইরের কাজের চেয়ে কমভাবে মূল্যায়ন করে না।





এই পোস্টে আপনি প্রথমবার আরো কিছু কথা বলেছেন (এখন দেখতে পাচ্ছি না)। প্রাচীন নারীতান্ত্রিক সমাজে বা আদিবাসী নারীপ্রধান সমাজে নারীরা বহুগামী ছিল কি? আপনি কিন্তু আপনার এর আগের পতিতাবৃত্তি সংক্রান্ত পোস্টে বলেছিলেন, সেসব সমাজে পতিতাবৃত্তি ছিল না বা নেই। কোন তথ্যটা সঠিক? যাক্‌, আপনার আগের পোস্টে আরো আলোচনা আশা করেছিলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোন একক সমাধান কি খুঁজে পাওয়া যাবে?


আপনি আরো বলেছেন, প্রাচীন সমাজে মায়ের পরিচয়েই মানুষ পরিচিত হতো। যদিও এটা ইসলামে সমর্থিত নয়। তবুও এ লাইন পড়ে আমারো একটা কথা মনে পড়ে গেল, একমাত্র মরিয়ম (আঃ)ই কুমারী মা, কোন কুমার পিতার উদাহরণ আমার জানা নেই, আপনি জানেন কি? যাই হোক, এটা শুধু আমার কৌতুহল, এ পোস্টের জন্য বিশেষ কিছু না।


এবার আপনাকে একটা প্রশ্ন। ধর্মে বহুবিবাহকে অনুমতি দেয়া আছে, কিন্তু আপনারা মানবাধিকারের (বিশেষত নারী অধিকার) কথা বলে সেটা পছন্দ করেন না। আবার আপনারা সমকামীকাতে অনেকেই পছন্দ করেন। বা বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ককে (পরকীয়া) সমস্যা মনে করেন না। আবার কেউ কেউ এক ধাপ এগিয়ে "বিয়ে" নামক সামাজিক ব্যবস্থাকেও সমর্থন করেন না। তারা বলেন একজন নারী, একজন পুরুষের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক থাকাই যথেষ্ট, কাগুজে বন্ধনের দরকার কি? যতদিন বোঝাপড়া থাকবে , ততদিনই সম্পর্ক থাকবে, ভাল লাগা শেষ তো দুইজন দুইদিকে চলে যাও, কোন দায়িত্ববোধ নেই!!!??? কোন ধর্মই মূলত এ ব্যাপারগুলো সমর্থন করে না। ইসলাম তো প্রাক-বিবাহপূর্বক নারী-পুরুষ সম্পর্ককেও সমর্থন করে না, কঠোরভাবে নিষেধ করে। এ পৃথিবীতে ধার্মিক লোকের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়।

এখন কিছু ব্যবস্থা নাস্তিক বা উদার আস্তিকদের পছন্দ নয়, কিছু ব্যবস্থা আস্তিকদের পছন্দ নয়। তাহলে উপায় কি? বহুবিবাহ থাকবে না, পতিতাবৃত্তি থাকবে না, পরকীয়া থাকবে না, সমকামীতা থাকবে না, বিবাহপূর্বক প্রেম থাকবে না ------ মানে একেবারে নিরপেক্ষ সমাজ যে কোন দলই কোন আপত্তি তুলতে পারবে না, পৃথিবীর তাবৎ মানুষের সবার কাছে সমানভাবে গ্রহণযোগ্য একটি সমাজ ব্যবস্থা কেমন হতে পারে, কিরূপে সেটা গঠন করা যেতে পারে --------------------এ ব্যাপারে আপনি কিছু ভেবেছেন কি? আপনার কাছ থেকে একটি ভাল সমাজের গঠন ব্যবস্থা কেমন হবে, কিভাবে সেটা গঠন করা যাবে -- এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট আশা করছি।


ভাল থাকুন। দুঃখিত অনেক বড় কমেন্ট হলো বলে। শুভ ব্লগিং।

২০. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৫
নাজনীন১ বলেছেন: ও আরেকটা ব্যাপার। সারা বিশ্বে বহুবিবাহের শতকরা হার কত, নারীদের বহুবিবাহের হার কত, পুরুষদের কত? এ ব্যাপারে আপনার কাছে কোন পরিসংখ্যান আছে? মানে এটা কি সামাজিক নৈতিকতার ক্ষেত্রে বা নারীদের দুর্ভোগের ক্ষেত্রে অন্যান্য বিষয়ের মতো কতটা সমস্যা সৃষ্টি করছে, এ ব্যাপারে বাস্তব চিত্রটা দেখতে চাচ্ছি। আর অন্য কারোও যদি জানা থাকে দয়া করে এখানে জানাবেন।
২১. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: এ লেখা বুঝলেই হয়।
২২. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৪
সবাক বলেছেন:
নাজিম উদদীন বলেছেন: এ লেখা বুঝলেই হয়।


সম্ভাবনা নাই।


লুথা বলেছেন:
তোমার মত নাস্তিকদের জন্য আসলেই করুণা হয়...আল্লাহ তোদের হেদায়েত দান করুক ( পোস্ট দেয়ার ১২ মিনিটের মাথায়)
২৩. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
ঘাতক বলেছেন: সোমালিয়ায় এক নারীকে পাথর মেরে হত্যা
তারিখ: ২০-১১-২০০৯

সোমালিয়ায় ব্যাভিচারের দায়ে এক নারীকে পাথর মেরে হত্যা করা হয়েছে। শত শত লোকের সামনে কট্টরপন্থী মুসলিম নেতারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটান। জঙ্গি মুসলিম গোষ্ঠী আল-সাহাবের পক্ষের একজন বিচারক বলেছেন, অবিবাহিত এক যুবকের সঙ্গে ওই তালাকপ্রাপ্তা নারীর অবৈধ সম্পর্ক ছিল। তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিলেন এবং পরে একটি মৃত সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন।
সোমালিয়ায় মুসলিম চরমপন্থী গোষ্ঠী আল-সাহাবের বিচারে ব্যাভিচারের দায়ে এই নিয়ে দুজন নারীকে পাথর মেরে হত্যা করা হলো। সোমালিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের অনেকটাই এই গোষ্ঠীটির নিয়ন্ত্রণে। সেখানে তারা নিজেদের মতো করে ‘ইসলামি শাসন’ জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে।
বিভিন্ন খবরে বলা হয়েছে, রাজধানী মোগাদিসুর ৪০০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ওয়াজিদ শহরের একটি ছোট্ট গ্রামে গত মঙ্গলবার বিকেলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। অভিযুক্ত নারীকে একটি উন্মুক্ত ময়দানে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে পাথর মেরে হত্যা করা হয়।
আল-সাহাবের বিচারক শেখ ইব্রাহিম আব্দি রহমান বলেন, একই ময়দানে তাঁর অবিবাহিত প্রেমিককেও ১০০টি বেত্রাঘাত করা হয়।
আল-সাহাবের শরিয়া আইন অনুযায়ী কোনো বিবাহিত অথবা তালাকপ্রাপ্তা নারী ব্যাভিচার করলে তাঁকে পাথর মেরে হত্যা করার বিধান রয়েছে। আর কেউ বিয়ের আগে অবৈধ সম্পর্ক করলে তাঁকে ১০০টি বেত্রাঘাত করা হয়। বিবিসি।
২৪. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫
নাজনীন১ বলেছেন: মুহম্মদ আসাদের তাফসীর থেকে সূরা নিসা, আয়াত ২-৩ঃ এ দুটো আয়াত লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে ঐ সময়ে এতীমদের এবং দাসীদের অধিকার সংরক্ষণ করার জন্যই মূলত নাজিল হয়েছে।

4:2
Hence, render unto the orphans their possessions, and do not substitute bad things [of your own] for the good things [that belong to them], and do not consume their possessions together with your own: 2 this, verily, is a great crime.

4:3
And if you have reason to fear that you might not act equitably towards orphans, then marry from among [other] women such as are lawful to you 3 - [even] two, or three, or four: but if you have reason to fear that you might not be able to treat them with equal fairness, then [only] one - or [from among] those whom you rightfully possess. 4 This will make it more likely that you will not deviate from the right course.




আয়াতগুলোর ব্যাখ্যাঃ

2 This relates to the legal guardians of orphans during the latter's minority.


3 Lit., "such as are good for you" - i.e., women outside the prohibited degrees enumerated in verses 22-23 of this surah (Zamakhshari, Razi). According to an interpretation suggested by A'ishah, the Prophet's widow, this refers to the (hypothetical) case of orphan girls whom their guardians might wish to marry without, however, being prepared or able to give them an appropriate marriage-portion - the implication being that they should avoid the temptation of committing such an injustice and should marry other women instead (cf. Bukhari, Kitab at-Tafsir, as well as Muslim and Nasai). However, not all of A'ishah's contemporaries subscribed to her explanation of this verse. Thus, according to Said ibn Jubayr, Qatadah, and other successors of the Companions, the purport of the above passage is this: "Just as you are, rightly, fearful of offending against the interests of orphans, you must apply the same careful consideration to the interests and rights of the women whom you intend to marry."

In his commentary on this passage, Tabari quotes several variants of the above interpretation
and gives it his unequivocal approval.


4 Lit., "whom your right hands possess" - i.e., from among the captives taken in a war in God's cause (regarding which see notes on surah 2, notes 167 and 168, and surah 8, note 72). It is obvious that the phrase "two, or three, or four: but if you have reason to fear...", etc. is a parenthetic clause relating to both the free women mentioned in the first part of the sentence and to female slaves - for both these nouns are governed by the imperative verb "marry".

Thus, the whole sentence has this meaning: "Marry from among [other] women such as are lawful to you, or [from among] those whom you rightfully possess - [even] two, or three, or four: but if you have reason to fear that you might not be able to treat them with equal fairness, then [only] one" - implying that, irrespective of whether they are free women or, originally, slaves, the number of wives must not exceed four. It was in this sense that
Muhammad 'Abduh understood the above verse (see Manar IV, 350). This view is, moreover, supported by verse 25 of this surah as well as by 24:32, where marriage with female slaves is spoken of.




Contrary to the popular view and the practice of many Muslims in the past centuries, neither the Qur'an nor the life-example of the Prophet provides any sanction for sexual intercourse without marriage.




As regards the permission to marry more than one wife (up to the maximum of four), it is so restricted by the condition, "if you have reason to fear that you might not be able to treat them with equal fairness, then [marry only] one", as to make such plural marriages possible
only in quite exceptional cases and under exceptional circumstances (see also the first clause of 24:32 and the corresponding note).


এখানে মুহম্মদ আসাদ নারীদের কেন বহুবিবাহের অনুমতি নেই সে ব্যাপারে উনার নিজস্ব ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তারপরও সবশেষ কথা আল্লাহ্‌ই ভাল জানেন মূল কারণ কি,

Still, one might ask why the same latitude has not been given to women as well; but the answer is simple. Notwithstanding the spiritual factor of love which influences the relations between man and woman, the determinant biological reason for the sexual urge is, in both sexes, procreation: and whereas a woman can, at one time, conceive a child from one man only and has to carry it for nine months before she can conceive another, a man can beget a child every time he cohabits with a woman. Thus, while nature would have been merely wasteful if it had produced a polygamous instinct in woman, man's polygamous inclination is biologically justified.

It is, of course, obvious that the biological factor is only one - and by no means always the most important - of the aspects of marital love: none the less, it is a basic factor and, therefore, decisive in the institution of marriage as such.

With the wisdom that always takes human nature fully into account, Islamic Law undertakes no more than the safeguarding of the socio-biological function of marriage (which includes also care of the progeny), allowing a man to have more than one wife and not allowing a woman to have more than one husband at one time; while the spiritual problem of marriage, being imponderable and therefore outside the scope of law, is left to the discretion of the partners.


In any event - since marriage in Islam is a purely civil contract - recourse to divorce is always open to either of the two partners. (Regarding the dissolution of a marriage at the wife's instance, see note on surah 2, verse 229.


২৫. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
শয়তান বলেছেন: নবী জোকারের শিবিরে আগুন লাগানোর দায়ে আপনার ফাসি চাঈ :)
২৬. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯
দন্ডিত বলেছেন: শয়তান বলেছেন: নবী জোকারের শিবিরে আগুন লাগানোর দায়ে আপনার ফাসি চাঈ :)
২৭. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯
প্রচ্ছদ বলেছেন: ভাইরে, উয়াচে আছি:(@ক-খ-গ
২৮. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১১
লুকার বলেছেন:

একটা বিয়াই করতে পারি না, আর চারটা!
২৯. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮
নাজনীন১ বলেছেন: 4:129
And it will not be within your power to treat your wives with equal fairness, however much you may desire it;147 and so, do not allow yourselves to incline towards one to the exclusion of the other, leaving her in a state, as it were, of having and not having a husband.148 But if you
put things to rights and are conscious of Him - behold, God is indeed much-forgiving, a dispenser of grace.


4:130
And if husband and wife149 do separate, God shall provide for each of them out of His abundance: for God is indeed infinite, wise, (4:131) and unto God belongs all that is in the heavens and all that is on earth.


আপনি কি ১২৯ নং আয়াত দিয়ে বহুবিবাহকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে যুক্তি দেখাচ্ছেন? সে আয়াতে দুইজন স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসার অনুভূতি কখনো সমান হবে না একজনের প্রতি বেশী থাকবে --- এই স্বাভাবিক কথাটাই বলা হয়েছে। আর এটা কে না বোঝে যে প্রথম স্ত্রীর প্রতি যদি খুব ভালোবাসাই থাকবে তবে আর দ্বিতীয় বিয়ের কথা আসবে কেন? আর যদি একজনের প্রতি খুব অবিচার করার ভয় থাকে (স্বামী থাকা না থাকা সমান ব্যাপার হয়ে যাবার মতো), তখন কিন্তু ডিভোর্সের কথাই বলা আছে (১৩০ নং আয়াত)। কিন্তু ১২৯ নং আয়াত যে ২-৩ নং আয়াতকে বাতিল করছে, এমন কোন ব্যাখ্যা কি রাসূল(সাঃ) দিয়েছেন? কোন হাদীস আছে এ ব্যাপারে? রাসূল (সাঃ) যুগে কি বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছিল? নাকি রাসূল(সাঃ) কোরআনের আয়াত বোঝেননি? কি বলতে চান?

অবশ্য আপনি যদি বলেন ঐ কোরআন রাসূল(সাঃ)-এরই লেখা , তাহলে আসলে আর কোন আলোচনাই চলে না।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৬

লেখক বলেছেন:
আমি শুধু এটাই দেখাতে চেয়েছি- জাকির নায়েক ১২৯ নং আয়াতের একটি বাক্য ব্যবহার যে ইমপ্রেশন তৈরি করতে চেয়েছে- তা আসলে সঠিক নয়।

৩০. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩
সত্যান্বেষী বলেছেন: বিশাল বড় আকারের ঠুলি চোখে না পড়ে কেউ ধার্মিক হতে পারে না। জ্বীন পরী বেহেস্ত দোযখ ফেরেস্তা ইত্যাদি অজানা অদেখা অব্যাখ্যাত বিষয়ের উপর যেভাবে তারা ঈমান এনেছে ঠিক একই ভাবে পুরুষ চার কি নবীর ১৩ বিবাহকে তারা বিনা প্রশ্নে মেনে নিয়েছে। সুতরাং হে না.ধ. তুমি এদের বুঝাও আর না বুঝাও উভয়ই সমান। ধর্ম তাদের যুক্তিবোধের উপর মোহর মারিয়া দিয়াছে।
৩১. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: জাকির নায়েকের ভুল যুক্তি(?) আর ধর্মীয় মিথ্যাচারের মুখোশ উন্মোচন করার জন্য অভিনন্দন।
৩৩. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫১
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: সুরা নিসার দুই জায়গার দুটি আয়াতকে পাশাপাশি বসিয়ে একরকমের ইমপ্রেশন তৈরি চেস্টা দেখে মনে হলো- জাকির নায়েক ফিল্ম ডিরেকটর হলে খুব ভালো করতেন।

এই যুক্তি অভিনব তো বটেই, তারচেয়ে বেশি এটা অশ্লীল। সঙ্গীহীন থাকলে আমার বোনের সামনে দুটো পথই খোলা থাকবে? বিবাহিত পুরুষকে বিয়ে করতেই হবে, নচেত প্রোস্টিটিউশনে নামতে হবে?

আমি বলি নারীদের এত নিচ শাস্তিযোগ্য অপরাধ, এবং অনেকেই তো একা থাকে...

কাজেই দেখা যাচ্ছে এই যুক্তি তখনই খাটে যখন নবীন পুরুষ অতি প্রবীণ নারীদের বহুবিবাহ করে!!!!

দারুন গবেষণা...

-ভাই এবার খুব মনে দিয়ে পড়লাম। আপনি এত জ্ঞান কোথা হতে পেলেন! ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখার মত পোস্ট। একসময় আমিও জা.না.র বক্তব্য চোখ বুজে মেনে নিতাম। এখন দেখি সবই অন্তঃসার শূণ্য।

আপনার গবেষণা চালিয়ে যান...

পুনশ্চঃ জাকির নায়েকের উদ্দেশ্য যদি ভালো হয় কিংবা যদি কেবল সবাইকে এক করা হয়, সেক্ষেত্রে আপনার মন্তব্য কি?
৩৪. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২২
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: জাকির নায়েকের ভালো উদ্দেশ্যটা কী?
৩৫. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৮
শয়তান বলেছেন: জোকারে ফান্ড টোকাইতেসে ইচ্ছামতন । মনে হয় যুদ্ধ তুদ্ধ করবো B-)
৩৬. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৮
মনির হাসান বলেছেন: "এ যেন গোবরের সাথে তুলনা করে হাঁস-মুরগীর বিষ্ঠাকে কম দুর্গন্ধময় বলে ঘোষণা দেয়া!" ... চরম ঝাঝা ।।


৩৭. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৬
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন: জোকার নায়েক শিবসেনার কাছ থেকে টাকা খায়।
৩৮. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৪
মদনদেব বলেছেন: ভন্ড নাস্তিকদের ফাঁকা বুলীতে মাইনাস
৩৯. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫২
নিকো৮১২৩ বলেছেন: darun akta post. This is really good. Those who r opposing u ....just do it for they have to...... plus....up to infinity...
৪০. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৫
রুপকার বলেছেন: আমেরিকায় পুরুষের চেয়ে সাত কোটি আশি লাখ্ নারীকে নাস্তিকের ধর্মকথার গলাবাজি বিয়ে করতে প্রস্তুত আছে। নাকি রক্ষিতা হিসেবে রাখতে চায়?
৪২. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
শুভ রহমান বলেছেন: জাকির নায়েকদের ভোগাস কথাবার্তা নিয়ে আরো লিখেন।
৪৩. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯
অচেনা সৈকত বলেছেন: জাকির নায়েকের পিছনে সময় নষ্ট করার কোন মানে হয় না। তবে পোস্ট ভাল লেগেছে।
৪৪. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
সাপ্নিক বলেছেন: বরাবরের মত এবারেও আপনার যুক্তি অসাধারণ কিন্তু আপনার কথা এবং যুক্তি এসব তথাকথিত আস্তিক বেকুবদের বোধগম্য হবে কিনা এই নিয়ে আমার সন্দেহ হয়।

৪৫. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৯
আউটসাইডার_আউটসাইডার বলেছেন: +।মনতাজের উদাহরনটা অসাধারন হইছে।
৪৬. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩১
আউটসাইডার_আউটসাইডার বলেছেন: "লুথা বলেছেন:
তোমার মত নাস্তিকদের জন্য আসলেই করুণা হয়...আল্লাহ তোদের হেদায়েত দান করুক"

পারলে যুক্তি খন্ডন করেন।তা হলে কষ্ট করে করুণা করতে হবে না।
৪৭. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
আউটসাইডার_আউটসাইডার বলেছেন: "মদনদেব বলেছেন: ভন্ড নাস্তিকদের ফাঁকা বুলীতে মাইনাস।"

বেহুদা প্যাচাল না পাইড়া পারলে যুক্তি খন্ডন করেন
৪৮. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৬
শয়তান বলেছেন: দ্বিতীয়পর্বের হাইপারলিংকটা এডিট করে ঠিক করে দেন
৪৯. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
নাজনীন১ বলেছেন: বাংলাদেশের ব্যাপারে ২০০৯ সালের পরিসংখ্যান দেখুনঃ

Gender ratio

At birth: 1.04 male(s)/female
Under 15 years: 1.01 male(s)/female
15–64 years: 0.9 male(s)/female
65 years and over: 0.94 male(s)/female
Total population: 0.93 male(s)/female (2009 est.)

Infant mortality rate

Total: 59.02 deaths/1,000 live births
county comparison to the world: 39
Male: 66.12 deaths/1,000 live births
Female: 51.64 deaths/1,000 live births (2009 est.)

Life expectancy at birth

Total population: 60.25 years
county comparison to the world: 183
Male: 57.57 years
Female: 63.03 years (2009 est.)


Click This Link


আপনার মনে হয় আর ৩০ লাখ বাড়তি পুরুষের চিন্তা করা লাগবে না। :)
৫০. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪১
আ শী ষ বলেছেন: আমার কাছে ধর্ম একটা আভ্যন্তরীণ বিষয়। কারো ইচ্ছে হলে পালন করবে, না হলে করবে না। যেহেতু ভিত্তি টা আসে বিশ্বাস থেকে তাই এটার সাথে কম্প্রোমাইজ করা কঠিন। কেউ চায় না তার বিশ্বাস নষ্ট হোক। হয়তো বিশ্বাস টাই তাদের কাছে ধর্ম। তাই যে করেই হোক এটা ধরে রাখতে চায়। আর তাই এটাকে বেশি ঘাটায় না।

আমি সব ধর্মে সংস্কারের পক্ষে।
৫১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৫
মিনরুল বলেছেন: ইসলাম পছন্দ না হইলে আপনার মা বোনের চারটা বিয়া দিয়া দেন কে নিষেধ করছে আপনারে?????????????
৫২. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৮
তাজ উদ্দীন সুমন বলেছেন: ভাই আজ প্রথম জাকের সাহেবের ক্লিপ দেখলাম আমি দেশের বাহিরে থাকায়। উনার কথা শুনে আমি মুগ্ধ। এখন থেকে উনার সিডি কালেকশনে লেগে গেলাম। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ
৫৩. ১৮ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:৫৪
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: অসম্ভব ভালো লিখেছেন। এক কথায় অনবদ্য।
বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম।
শামসুর রাহমান/হুমায়ূন আজাদ পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি।
অনবদ্য...
অসাধারণ...
পড়তে পড়তে চোখে পানি এসে গেল।
শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে
ছুরিকাঘাত/বেত্রাঘাত/চপেটাঘাত/কুত্তার কামড় ঠিকমতৈ দিয়াছেন..
লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত।
লেখাটিকে স্টিকি করা হোক....




একটি আবালীয় পোষ্ট


৫৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:১২
মারুফ৫৭১ বলেছেন: কেন যেন এইরকম পোস্ট পড়লে ঈমান হারানোর ভয় আরো বেড়ে যায় বলে আরো শক্ত করে আঁকড়ে ধরি।
ভাল থাইকেন
৫৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:১১
পজিটিভ২৯ বলেছেন: আমার ধর্মকথা....
তোমরা একটা বউ আর বিশটা গার্লফ্রেন্ড রাখবা.....

একটা জামাই আর বিশটা বয়ফ্রেন্ড রাখবা.....

বিয়ে কিন্তু একটা করবা....
৫৭. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:১৬
মুক্ত আকাশ বলেছেন: "আজ সুস্থ বুদ্ধি ও বিবেক সম্পন্ন ব্যক্তিমাত্রই ইসলামের যে বিষয়গুলো নিয়ে দ্বন্দ্বে থাকে, প্রশ্ন উত্থাপন করে- আপত্তি করে, সেগুলো নিয়ে জাকির নায়েকরা এক ধরণের যুক্তি করার চেস্টা করছে, আর জাকির নায়েকদের এই ব্যাখ্যায় বুঝে হোক আর না বুঝেই হোক- কাঠ মোল্লারা দারুন উচ্ছসিত, পায়ের নীচে মাটি পাওয়ার মতই তাদের অবস্থা"

B-) ১।ইসলাম বিষয়ে দ্বন্দ্ব থাকাই সুস্থ বুদ্ধির লক্ষন?এর বিপরিত মতের সবাই কাটমোল্লা?আমার মতের বাইরে গেলে তারা সব পস্চাত মুখি?সুস্থ বিবেকবান হতে গেলে ইসলামকে কষে গালি দিতে হবে?এর অন্যথা হলে,ইসলামের পক্ষে যুক্তি দিলে সে অসুস্থ বুদ্ধির?


"অবাক হয়ে ভাবি- এরা কি আপত্তির জায়গাটাই ধরতে পারছে না? বহুবিবাহ কেন নিষিদ্ধ নয়? কেন এটা একজন পুরুষের মর্জির উপর ছেড়ে দেয়া হলো? যে বহুবিবাহ করতে চায় না তাকে বাধ্য করা হচ্ছে না ঠিকই, কিন্তু মূল প্রশ্নতো- যে কামুক ব্যক্তি একের পর এক বিয়ে করে যেতে চায়- তার জন্য কি কোন বাধ্যবাধকতা রাখতে পেরেছে কোরআন?"

B-) ১। ইসলামিক সিস্টেম অনুযায়ি নারী পর্দা করে তার সৌন্দর্য ঢেকে রাখে।এখানে নারীর নগ্নতার,নারীর সৌন্দর্যকে তুলে ধরে পৌরুষের কামনা বাসনাকে উসকে দেয়ার সুযোগ নেই।তাই কামুক লোকের সংখ্যা এই ব্যবস্থায় এমনিতেই কম।

২।বিয়ে করার অনেক শর্ত আছে।মোহরানা দিতে হয়,নারীর ভরনপোষন দিতে হয়,কম পক্ষে দুই জন লোকের উপস্থিতিতে বিয়ে করতে হয়,সন্তানদের খরচ চালাতে হয়।একজন কামুক লোক কি এত দায় দায়িত্ব মাথায় নিয়ে বিয়ে করতে চাইবে?তার জন্য তো সহজ টানবাজার বা সোনাগাছির মত জায়গায় কিছু পয়সা দিয়ে ফুর্তি করে আসা।

৩।বিয়ের জন্য আরেকটি শর্ত দুজনের স্বাধীন মত।মেয়েটি যদি সতীনের ঘর করতে না চায়,না চায় একজন কামুকের সাথে ঘর না বাধতে,তবে বিয়েটা হচ্ছে কি করে?আর যদি জেনেশুনে বিয়ে করেই,তবে মুক্ত চিন্তার মানুষদের কোন চিন্তিত হবার কথা নয়।
৫৮. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৪১
মুক্ত আকাশ বলেছেন: "(৪) যুদ্ধ বিগ্রহ-মহামারী- ‍দুর্ঘটনা ইত্যাদির কারণে কোন দেশে পুরুষের সংখ্যা সাংঘাতিক ভাবে হ্রাস পেলে মহিলাদের সার্থেই বহু বিবাহ প্রয়োজন হতে পারে।"

B-) এই ধরনের পরিস্থিতে সমাধান কি হতে পারে বহু বিবাহ ছাড়া?


"জাকির নায়েকের তথ্যমতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানী, রাশিয়ায় পুরুষের চেয়ে নারীর মোট সংখ্যা বেশি হলেও গোটা দুনিয়ায় নারী-পুরুষ অনুপাত- ১:১.০৫, মানে পুরুষের সংখ্যাই বেশী।"

B-) এই তথ্য জানতামনা।নতুন তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।তথ্যসুত্র দিলে ভালো হয়।
৫৯. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১০
মুক্ত আকাশ বলেছেন: এই সমস্ত যুক্তিকে মানতে হলে- আরো কিছু প্রশ্ন চলে আসে- জাকির নায়েকরা সেসবের জবাব কেমন করে দিবেন?
# এই সমস্ত ঘটনা কোন নারীর সাথে হলে , মানে ১) কেউ তার বংশের ধারা অব্যাহত রাখতে ইচ্ছুক; কিন্তু তার বর্তমান স্বামী সন্তান উৎপাদনে অক্ষম হলে, (২) বর্তমান স্বামী স্ত্রীর যৌন চাহিদা মিটাতে অক্ষম হলে (৩) কোন কোন স্ত্রীর যৌন শক্তি খুব প্রবল ও প্রচন্ড হলে (৪) কোন কারণে কোন দেশে নারীর সংখ্যা সাংঘাতিক ভাবে হ্রাস পেলে ------ তখন কি নারীর বহু স্বামী জায়েজ হবে

B-) না, হবেনা।(১) ও (২) নং ক্ষেত্রে।স্ত্রী এ ক্ষেত্রে আদালতের মাধ্যমে তালাক নিতে পারেন।(৩)যদি কোন স্বামী স্ত্রীর স্বাভাবিক যৌন চাহিদা পুরন করতে না পারে, স্ত্রী এ ক্ষেত্রেও আদালতের মাধ্যমে তালাক নিতে পারেন।

(৪)আজ পর্যন্ত এমন কোন পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে কি?(আমার জানা নেই।জানা থাকলে জানাবেন।)যদি সত্ট্য কোন দিন এমন কোন পরিস্থিতির উদ্ভব হয় হলে সমসাময়িক আলেমরা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিবেন।
৬০. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৩১
মুক্ত আকাশ বলেছেন: এখন প্রশ্ন হল কেন নারীর প্রতি এই বৈষম্য?আসুন একটু বিশ্লেষন করা যাক।

আমরা যদি আমাদের হাতের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাই,হাতের আংগুলগুলো অসমান।কোনটা ছোট কোনটা বড়।আমাদের কারো মনে কি প্রশ্ন যাগে কেন বিধাতা এমন করে বানালেন?(যারা স্রষ্টায় বিশ্বাস করেন।আর যারা বিবর্তনবাদী তারা ভাবতে পারেন কেন এমন হলো)কেন সব সমান নয়?একটু খেয়াল করলেই বুঝবেন,হাতের পাচ আংগুল সমান হলে হাত দিয়ে কিছু করাই কঠিন হত।

প্রকৃতিতে আছে দিন-রাত,আলো-অন্ধকার,সাদা-কালো,ভালো- মন্দ..কেন এই বৈষম্য?কারন গোটা বিশ্বব্যবস্থাপনার জন্য তা প্রয়োজন।

একটা স্কুলের প্রিন্সিপাল আর অন্য সবার ক্ষমতা কি এক?কেন ?আমাদের দেশে সংবিধান অনুযায়ি রাষ্ট্রপতির কিছু exclusive power আছে,যেটি আন্য কারো নেই।কেন এই বৈষম্য?সেনাবাহিনী,বিডিআর..এদের কেন সাধারন আদালতে বিচার হয়না?কারন আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনার জন্য এই পাথর্ক্যটুকু দরকার
৬১. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৩
মুক্ত আকাশ বলেছেন: ইসলামি বিধান মতে পরিবার হলো মানুষের প্রথম প্রতিষ্ঠান।এখানে নারী পুরুষ দুজনের কর্মক্ষেত্র আলাদা।নারী সন্তান জন্ম দেয়,লালন পালন করে।পুরুষের দায়িত্ব তাকে নিরাপত্তা দেয়া,উপার্জন করা,নারীর ভরনপোষনের নিরাপত্তা বিধান করা।আর তাই পুরুষকে করা হলো,পরিবারের কর্তা। আর একটি প্রতিষ্ঠান তখনই ভাল হয় যখন তার কর্তা,অন্যান্য সদস্যদের মতামত নিয়ে তার কাজ চালায়।তাই পুরুষকে এখানে কিছু দায়িত্ব,বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে।

এখন নারী যদি একাধিক বিয়ে করে,তাহলে
১।একাধিক কর্তা সংঘাত বাধাবে
২।পুরুষ সব সময় যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে,নারী মাসের কিছু সময় , গর্ভাবস্থায় ও এর পরে শারিরীক সম্পর্কে জড়াতে পারেনা।এ দীর্ঘকালীন সময়ে একাধিক পুরুষের পক্ষে যৌনতা থেকে দুরে থাকা কষ্টকর।কিন্তু একজন পুরুষ একাধিক বিয়ে করলে এই সমস্যায় পড়তে হয়না।
৩।যে নারীর একাধিক পুরুসের সাথে যৌন সম্পড়্ক আছে তার সাথে মিলনে পুরুষের যৌন রোগ ছড়াবার সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু এক পুরুষের একাধিক স্ত্রীর ক্ষেত্রে সে সম্ভাবনা কম।
৬২. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৪:০১
নিকো৮১২৩ বলেছেন: বাপরে!!! মুক্ত আকাশের কি যুক্তি ..... টাসকি খায়া গেলাম ....

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৯৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই