আমার প্রিয় পোস্ট

কোরআন ও নারী এবং জাকির নায়েকদের গালগল্পের জবাবে- ২

২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৫

শেয়ারঃ
0 6 0

কোরআন ও নারী বিষয়ক জাকির নায়েকদের গালগল্পের জবাবে -১ এর পর থেকে.....
২। পুরুষদের একাধিক বিয়ের অনুমতি থাকলেও নারীদের নেই কেন?
জাকির নায়েকের কাছ থেকে শুনতে ইউটিউবে যান। এছাড়া ব্লগার তৌসিক আহম্মেদের ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর নং: ২ শীর্ষক পোস্টেও জাকির নায়েকদের জবাব পাবেন। প্রথমে সেটাই দেখি।

সুরা নিসায় (৪:২২-২৪) এমন নারীদের তালিকা দেয়া আছে যাদের মুসলমান পুরুষ বিয়ে করতে পারে না। সেখানে বিবাহিত নারীদের কথাও বলা আছে। অর্থ্যাৎ, বিবাহিত নারীদের বিয়ে করা মুসলমান পুরুষদের জন্য নিষিদ্ধ। নারীদের বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করার জন্য কারণ হিসাবে জাকির নায়েকরা যেসব যুক্তি হাজির করেছেন সেগুলো হচ্ছেঃ

১) একজন পুরুষ যদি একাধিক বিয়ে করে তাহলে সহজেই তার সন্তানের পরিচয় পাওয়া যায়। অর্থ্যাৎ, আলাদাভাবে সেই সন্তানের পিতা-মাতা সনাক্ত করা সম্ভব। কিন্তু যদি একজন নারী যদি একাধিক বিয়ে করে তাহলে জাত সন্তানের পিতার পরিচয় নিয়ে সংশয় হতে পারে। ইসলামে মাতা-পিতা উভয়েরই সণাক্তকরণের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, যে সন্তান তার মাতা-পিতা এবং বিশেষত পিতার পরিচয় জানে না তারা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। জীবনের প্রতি পদক্ষেপেই সন্তানের তার পিতার নামের প্রয়োজন হবে। সেক্ষেত্রে সেই সন্তানের পিতার নাম কি একাধিক হবে? যদিও আমরা জানি যে, বর্তমানে বিজ্ঞান যথেষ্টই উন্নতি সাধন করেছে এবং আজকাল নিভূলভাবে পিতা-মাতার সণাক্তকরন সম্ভব। সেক্ষেত্রে হয়তো বিষয়টি বর্তমানের জন্য প্রযোজ্য নয়। কিন্তু এই প্রযুক্তি এই তো সেদিনের, আর ইসলাম সবসময়ের ধর্ম- কিছুদিন আগেও এতা সনাক্ত করা সম্ভব ছিল না। ২) প্রকৃতিগতভাবেই বহুবিবাহের ক্ষেত্রে নারীদের চেয়ে পুরুষেরা বেশি আগ্রহী। পুরুষ স্বভাবতই বহুগামী। একইকারনে, একজন পুরুষ একের অধিক স্ত্রীর প্রয়োজন পূরণে সক্ষম। কিন্তু একজন নারী সাধারনত এই সক্ষমতার অধিকারী নয়। ৩) আলাদা আলাদা পুরুষের প্রয়োজন পূরণ করতে গিয়ে একজন নারী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে পারে। শারীরিক প্রয়োজন পূরণের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। শারীরিক প্রয়োজন মেটানোর তাগিদ নারীর চেয়ে পুরুষের বেশি। ৪) যদি নারীর একাধিক স্বামী থাকে তবে দেখা যাবে, একই সময়ে তাকে একাধিক পুরুষের প্রয়োজন পূরণ করতে হতে পারে। আর এভাবে যৌনবাহিত বিভিন্ন রোগের ছড়িয়ে পড়ার সম্ভবণা অত্যধিক। কিন্তু বিপরীতক্রমে, একজন পুরুষের একাধিক স্ত্রী থাকার ক্ষেত্রে এই সমস্যার উদ্ভব হয় না।
জাকির নায়েকদের করা উপরের যুক্তিগুলো একাধারে মিথ্যাচার ও ভুলে ভরপুর, অশ্লীল, উদ্ভট এবং বিকৃত মস্তিস্কজাত। সেগুলো নিয়ে ধরে ধরে কথা বলার আগে- মানব ইতিহাসের দিকে একটু দৃষ্টি দেই। আমরা জানি যে- একসময় মানুষের সমাজব্যবস্থা ছিল মাতৃতান্ত্রিক এবং তখন নারীদের বহুগামিতা সামাজিকভাবে সমর্থনযোগ্য ছিল। সে সময়ে সন্তানেরা কেবল মায়ের পরিচয়েই বেড়ে উঠতো। বলা হয়ে থাকে- দুনিয়ার প্রথম ডিফাইনড সম্পর্ক হচ্ছে "মা"। আজকের যুগেও তিব্বত- নেপাল সহ অনেক জায়গাতেই নারীর বহুবিবাহের চল আছে। এই ভিডিওতে নেপালের এমনই একটি পরিবারকে দেখা যাচ্ছে (রাগ ইমনের কাছ থেকে প্রাপ্ত)।

এবারে জাকির নায়েকদের করা (কু)যুক্তিগুলো একে একে দেখা যাক:
১) নারীর একাধিক স্বামী থাকলে, সন্তানের বাবাকে নির্দিষ্ট করণ আজ সম্ভব। সবসময়ের ধর্ম বলে যে দাবী সেটা খাটে না কারণ- কোন নিয়ম-কানুনই সবসময়ের জন্য একই থাকতে পারে না, যেহেতু মানুষ-মানুষের সমাজ- তার জানা বুঝা- আহরিত জ্ঞান, বিজ্ঞান-প্রযুক্ত সবই পরিবর্তনশীল। আর, বাবা কে না জানলে সন্তান খুব কষ্টে থাকে - এটাও যে মিথ্যা সেটা উপরের ভিডিওতে নেপালের সন্তানদের দেখেই বুঝতে পারছেন। জাকির নায়েক সোসাল সাইকোলজির এই দিকটা বেমালুম চেপে গেছেন । আমাদের এই সমাজে কয়েক জন বাবা থাকাটাকে আমরা "খারাপ" বলি বলেই সন্তান নির্দিষ্ট বাবার পরিচয়ের অভাবে মানসিকভাবে সমস্যায় ভোগে- কিন্তু বুঝতে হবে সেটা এই সমাজই সন্তানকে অমন করতে বাধ্য করে। যে সমাজে কোন সন্তানের একাধিক বাবা থাকাটা খুব স্বাভাবিক, সেখানে সন্তান একাধিক বাবা দেখেই অভ্যস্ত এবং এটাতে সে মানসিকভাবে কোন সমস্যায় না ভুগারই কথা।

২। পুরুষ স্বভাবতই বহুগামী - কথাটাই আপত্তিকর। পুরুষরা কি সারাক্ষণ বহুনারীতে উপগত হইবার চিন্তায় ব্যস্ত থাকে? আর যদি থাকেই , তাহলে নিজের চারটা স্ত্রী থাকলেও তারা ৫ম, ৬ষ্ঠ কোন নারির প্রতি আকর্ষিত হতে পারে?

৩। মানসিক ও বায়োলজিকাল কারনে নারী বহু স্বামীর সাথে ঘর করতে পারে না - এটাও নেপালের ভিডিও দেখে বুঝবেন যে মিথ্যা । শিডুল মেনে সব কয়জন স্বামীর সাথেই সুখে দাম্পত্য করতে দেখা যাচ্ছে নেপালী বউদের ।

৪। বহু স্বামী থাকলে যৌন রোগের সম্ভাবনা আছে, বহু স্ত্রী থাকলে নাই- এমন কথা একজন মূর্খের পক্ষেই বলা সম্ভব। জাকির নায়েকদের মুখ থেকে এই ধরনের "জেন্ডার বেসড" রোগের নাম শুনতে পারলে ভালো হতো। আর, রোগ ছড়ানোর ব্যাপারে- নারীর বহুগামিতা নয়, একগামি পুরুষ থেকে নারীতে বা নারী থেকে পুরুষে যৌনবাহিত রোগ ছড়াতে পারে। ফলে- এক পুরুষের একাধিক স্ত্রী থাকলে কোন একজনের যৌনবাহিত রোগ হলে সেটা অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে- সেক্ষেত্রে রোগের বাহক হিসাবে স্বামী ব্যবহৃত হবে, অপরদিকে এক নারীর একাধিক স্বামী থাকলে- কারো কোন যৌনবাহিত রোগ হলে- ঐ নারী বাহক হিসাবে কাজ করবে।

৩। নারীদের বোরকার আড়ালে রেখে অবমাননা করা হয় কেন?
এবারেও তৌসিক আহম্মেদের পোস্ট পড়ে আসুন ও জাকির নায়েকের বক্তৃতা শুনে আসুন।
জাকির নায়েকরা এই প্রশ্নের জবাবের শুরুতেই - আগের সমাজগুলোতে নারীর অবস্থা কেমন ছিল সে সম্পর্কে একটা লম্বা ফিরিস্তি দেয়। ব্যবিলীয়নীয় যুগে, গ্রীক সভ্যতায়, রোমান সভ্যতায়, মিশরীয় সভ্যতায় এবং ইসলাম পূর্ব আরবে নারীদের খুব খারাপ অবস্থা ছিল- নারীদের জ্যান্ত পুড়ানো হতো- মেরে ফেলা হতো, নগ্নতা - পতিতাবৃত্তি খুব সাধারণ ছিল, নারীরা সব ধরণের অধিকার ও সুবিধা বঞ্চিত ছিল.. ইত্যাদি। এমন ঢালাও আলাপ যে প্রলাপমাত্র তা বলাই বাহুল্য, ইতিহাস নিয়ে যাদের নাড়াচাড়া আছে- তারা এটা জানে। যাহোক, জাকির নায়েকদের আলোচনায় ফিরে যাই। তাদের এই ফিরিস্তি হাজির করার উদ্দেশ্য ভালোই বুঝা যায়। তারা এই ফিরিস্তি দেয়ার মাধ্যমে এটাই প্রতিষ্ঠিত করতে চায় যে- ইসলামই প্রথম নারীদের তাদের সুষম মর্যাদায় অধিষ্টিত করেছে এবং এই মর্যাদা যেন বলবৎ থাকে তার ব্যবস্থাও ইসলাম করেছে, অর্থাৎ ইসলাম যেসমস্ত ব্যবস্থা নিয়েছে তা এই মর্যাদা বলবৎ রাখার জন্য। কি সেই ব্যবস্থা? নারীদের হিজাব।

কোরআনে বলা হয়েছে: "মুমিন নারীদের বলুন, তারা যেন দৃষ্টি নত রাখে এবং যৌনাঙ্গের হেফাজত করে। যা সাধারণত প্রকাশমান, তা ছাড়া তারা যেন সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে, তারা যেন মাথার ওড়না বক্ষদেশে ফেলে রাখে। তারা যেন স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাদী, যৌণকামনামুক্ত পুরুষ বা বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতিত কারও কাছে সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। গোপন সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য তারা যেন জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগন, তোমরা আল্লাহর সামনে তওবা কর যেন সফলকাম হতে পার।" [সুরা আন-নূর (২৪:৩১)]

হিজাবের অত্যাবশ্যকীয়তা নিয়ে কোরআনে বলা হয়েছে:
"হে নবী, আপনি আপনার পত্নীগণ, কন্যাগণ, ও মুমিন স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের অংশ নিজেদের ওপর টেনে নেয়, এতে তাদের চেনা সহজ হবে এবং তারা উত্যক্ত হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালূ।" [সুরা আল-আহযাব (৩৩:৫৯)]।

নানা কথার ভিতর দিয়ে আসলে এই হিজাবের পেছনে একটি যুক্তিই পেলাম। তা হলো মোদ্দা কথায়- নারীরা হিজাব না পরলে- পুরুষদের কাম জাগ্রত হতে পারে। জাকির নায়েকরা একটা চমৎকার(!) উদাহরণ দিয়ে বিষয়টা বুঝিয়ে দেয়: "দুজন যমজ বোনের কথা ধরা যাক। তারা দুজনই সমান সুন্দরী। রাস্তায় হেটে যাবার সময় তাদের একজন ইসলামী হিজাব পরিধান করেছে অর্থ্যাৎ সম্পূর্ণ দেহ কাপড়ে আবৃত শুধু মুখ ও হাতের কব্জি বাদে। এবং অন্যজন পাশ্চাত্যের মিনি স্কাট ও শটস পরেছে। রাস্তার পাশে কিছু বখাটে ছেলে বসে আছে। আপনার কী মনে হয়, তারা এই দুই বোনের মধ্যে কাকে উত্যক্ত করবে? যে ইসলামী হিজাব পরিধান করেছে তাকে নাকি যে পাশ্চাত্যের পোশাক করেছে তাকে। নিঃসন্দেহে যে পাশ্চাত্যের পোশাক পরেছে তাকে। আসলে এই ধরনের পোশাক বিপরীত লিঙ্গকে আগ্রাসী হবার পরোক্ষ আমণ্ত্রণ জানায়"

বখাটে ছেলেরা তো হিজাব পরিরহিত একজনকেও উত্যক্ত করতে পারে, আমার প্রশ্ন হলো- ঐ জায়গায় জাকির নায়েক থাকলে কাকে করতো? কোনজনকে দেখে উত্যক্ত করতেন বা তার কামের উদ্রেক ঘটতো? যাহোক, নায়েকদের কথা আরেকটু শুনি। পাশ্চাত্যের তথা যুক্তরাষ্ট্রের নারীদের নগ্নতা জাকির নায়েকদের মোক্ষম যুক্তি, সর্বশেষ অস্ত্র। জাকির নায়েকরা যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথিবীর সর্বাধিক উন্নত দেশ হিসাবে অভিহিত করে জানান দেয় যে- যুক্তরাষ্ট্রে ধর্ষণের সংখ্যাও সর্বাধিক। শেষে চমৎকার একটা সমাধানও দেয়া হলো, "কোন নারীকে দেখামাত্র পুরুষ তার দৃষ্টি নত করবে, নারীরা ইসলামী হিজাব পরিধান করবে এবং এরপরও যদি কোন ব্যক্তি ধর্ষণ করে তবে তাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে"। জাকির নায়েকরা নিশ্চিত, এতে করেই যুক্তরাষ্ট্রে ধর্ষণ একদম না-ই হয়ে যাবে। যেনবা, যুক্তরাষ্ট্রের মত দেশগুলোতে ধর্ষণের মূল কারণ নারীদের বেপর্দা থাকা বা হিজাব না পরা!
যুক্তরাষ্ট্রের গল্প শোনানো হচ্ছে- কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য বা আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে নারীর সেক্সুয়াল এবিউজমেন্টের হার কি কম? এইসব অঞ্চলে- বেশীরভাগ ঘটনাই প্রকাশ পায় না- আড়ালে থেকে যায়। সেদিন একটি রিপোর্টে পড়ছিলাম- শিশুকন্যার সেক্সুয়াল হ্যারাজমেন্ট নিয়ে- আমাদের মতো দেশগুলোতে ৬০ ভাগেরও বেশী শিশুকন্যা সেক্সুয়ালি কোন না কোন ভাবে হ্যারাজড হয় (শিশুকন্যা বলতে ১২/১৪ বছর বয়সের পূর্বে বাচ্চাদের বুঝিয়েছে)। আরো মজার কাহিনী হচ্ছে- এদের ৯০ ভাগেরও বেশী হ্যারাজড হয় না কি ফ্যামিলি মেম্বারদের দ্বারা- কাজিন, চাচা-মামা-দাদা কেউ সেই লিস্ট থেকে বাদ নেই! ঐ বাচ্চাগুলোকে বোরখা দিয়ে ঢেকে রাখলেই এসব বন্ধ হবে?

আর, উত্যক্ত করার যে উদাহরণটা জাকির নায়েক দিয়েছে- সেটা তার সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলকে তুল্যজ্ঞান করেই দিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, উত্যক্ত করাটা সংস্কৃতি ভেদে ভিন্ন হবে। যে সমাজে মিনি স্কার্ট ও শর্টস একটি স্বাভাবিক পোষাক হিসেবে ব্যবহৃত ও স্বীকৃত কিন্তু হিজাব নয়, সেখানে হিজাবধারীকে উত্যক্ত করা হতে পারে। আর যে সমাজে হিজাব স্বাভাবিক, শর্টস ও মিনি অব্যবহৃত সেখানে উল্টো ঘটনা ঘটবে।

নীচের ভিডিওগুলো একটু দেখেন,- দেখে আমাকে বলেন- এই সব ন্যাংটো-আধা ন্যাংটো ট্রাইবাল নারীদের বুক পাছা দেখে জাকির নায়েকদের যেমন অনুভূতি হয়- তা কি ওদের পুরুষদেরও হয়?






শুধু একটা তথ্য আপনাকে দিতে পারি- এইসব ন্যাংটো মেয়েদের দিনে রাতে দেখেও ওদের পুরুষেরা উত্যক্ত করার কথা কল্পনাও করতে পারেনা, এরা হয়তো- অন্য সমাজের পুরুষদের (যারা নিজেদের সমাজে লজ্জা নিবারনের পোষাকে অভ্যস্ত) হাতে রেপড হতে পারে- কিন্তু এখানকার পুরুষদের তাদের নারীদের রেপ করার কোন নজির নেই।
======================
এস এম রায়হানের কোরআণের আলোকে নারী শীর্ষক পোস্টেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব দেয়ার চেস্টা করা হয়েছে। কিন্তু সেগুলো এমনই যে- তা পড়লে কেবল কৌতুকই বোধ হবে। সন্ধাবাতি, ফারজানা, মাসুদুল হক এমনকি জ্বিনের বাদশা (ইনি মোটেও মোল্লা শ্রেণীর নন- তবে মাঝে মধ্যে ইসলাম নিয়ে আলোচনা করেন এবং তার আলোচনা এক পলক দেখলেই বুঝা যায়- যেকোন ব্লগ মোল্লার চেয়ে এনার জানা-বুঝাটা কম নয়) বা নরাধম (মডারেট মোল্লা হিসাবে নিজেকে পরিচয় দিতে ভালোবাসেন- ইনিও ভালোই পড়াশুনা করেন)- প্রমুখের ইসলাম নিয়ে আলোচনায় যে বিশ্লেষণ থাকে- ইসলামকে আরো গভীরে দেখার যে চেস্টা থাকে- তার ছিটেফোটাও কপি-পেস্টার এসএমরায়হান, হিমু রুদ্র, জেমস বন্ডের পোস্টে থাকে না। শেষোক্তদের পোস্টগুলো আসলে নিখাদ কৌতুক হিসাবে গণ্য হতে পারে, এবং আমি নিশ্চিত এদের ইসলামের আহবান সম্বলিত পোস্ট পড়লেই বরং ইসলাম নিয়েই প্রশ্ন তৈরি হয়, একজনকে অবিশ্বাসী হতে সাহায্য করে (আমার বাল্যকালে পাড়ার কিছু মোল্লা-ইমামদের আলোচনা-খুতবা যেমন আমার বিশ্বাস ত্যাগে ভূমিকা রেখেছে)। সুতরাং এসএমরায়হানের উক্ত পোস্টের আলোচনাকে খণ্ডন করার তেমন কিছুই দেখছি না- সেই পোস্ট পড়লেই বরং ইসলামের স্বরূপটা কেমন তা পরিস্কার হবে। ইসলামের এইসব অনুসারীরা যে কেমন পারভার্ট তা বুঝার জন্য এস এম রায়হানের ঐ পোস্ট থেকে দু একটি লাইন তুলে দিচ্ছি:

স্ত্রীকে প্রহার করা সম্পর্কিত:
"ধর্ম-বর্ণ-আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে সকল সমাজেই নারীদেরকে কম-বেশী প্রহার করা হয়। এই কমন একটি ফিনমিন্যানকে কোরআনে পজেটিভ থেরাপি হিসেবে ব্যবহার করে পরিবারের অভ্যন্তরীণ সমস্যার সম্ভাব্য একটি সমাধান দেয়া হয়েছে।" বা, "নারীদেরকেও এই অধিকার দেয়া হলে তারা সেটা পুরুষের উপর প্রয়োগ করতে পারতেন কি-না। কোন নারী এই অধিকার চাইবেন বলেও মনে হয় না! নারীদেরকে আসলে এই অধিকার দেয়া বা না দেয়া একই কথা"।
শস্যক্ষেত্র সম্পর্কিত:
"আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে সবায় কিন্তু স্ত্রীকে "শষ্যক্ষেত্র" হিসেবে ব্যবহার করে ঠিকই ফসল ফলাচ্ছেন। অথচ কোরআনের ক্ষেত্রে কারো কারো যেন লজ্জার সীমা নেই! এই ন্যাচারাল সিস্টেমকে এড়াতে হলে অবাস্তবধর্মী তথা সাধু-সন্ন্যাসী জীবন যাপন ছাড়া অন্য কোন পথ কিন্তু খোলা নেই!"
সম্পত্তির ভাগাভাগি সম্পর্কিত:
"ভাইয়ের পরিবারের এতগুলো সম্পত্তি কীভাবে স্বামীর বাড়িতে নিয়ে যাবে, এ নিয়ে সমস্যা হতো। প্রকৃতপক্ষে স্বামীর অর্থনৈতিক অবস্থা খুব খারাপ না হলে অনেক নারীই তাদের পিতার পরিবার থেকে কোন সম্পত্তি নেয় না। "
একজন পুরুষ=দুই জন নারী সম্পর্কিত:
"সাক্ষী সব সময় একজন নারীই দেবে। তবে অতিরিক্ত একজন নারীকে পাশে থাকতে বলা হয়েছে এ কারণে যে, আসল সাক্ষী কোন কারণে ভুল করলে অপরজন স্মরণ করিয়ে দেবেন। এর পেছনে যুক্তি হচ্ছে, কোরআনে যেহেতু পুরুষকে অর্থনৈতিক বিষয়ে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেহেতু ধরে নেয়া হয়েছে যে তারা এ বিষয়ে পারদর্শী হবে। ....... তাছাড়াও নারীদের কিছু সমস্যা যেমন গর্ভাবস্থা, রজঃস্রাব, শিশু বাচা লালন-পালন, ইত্যাদিও তো মাথায় রাখতে হবে। গর্ভাবস্থায় ও রজঃস্রাব কালে নারীদের যে কিছু কিছু সমস্যা হয় সেটা তো প্রমাণিত সত্য, যে সমস্যাগুলো পুরুষদের নেই।"

যাহোক, এস এম রায়হানের প্রলাপ বা কৌতুকের জবাব দেয়ার কোন প্রয়োজন না দেখলেও যেসব প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে রায়হান সাহেব এসব প্রলাপ বকেছেন সেগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিধায় সেগুলো উল্লেখ করছি। যারা জানেন তারা এসবের জবাব দেয়ার চেস্টা করবেন আশা করি।
১) কোরআনে যেহেতু একজন পুরুষের স্থলে দু'জন নারী সাক্ষীর কথা বলা আছে কেন? এর মধ্য দিয়ে দুইজন পুরুষকে একজন নারীর সমকক্ষ হিসাবে কি গণ্য করা হলো না? ২) কোরআনে স্ত্রীকে বেধরক প্রহারের অধিকার স্বামীকে দেয়া হয়েছে। এটা কি অমানবিক নয়? একই অধিকার স্ত্রীকে দেয়া হয়নি কেন? এটা কি সম অধিকার বা ন্যায়পরায়নতা প্রকাশ করে? ৩) কোরআনে নারীদের মাসিক রজঃস্রাবকে অশুচি হিসাবে গণ্য করা হয়েছে কেন? এসময়ে নারী কেন ধর্মীয় কাজকর্মের (নামাজ-রোযা প্রভৃতি) পর্যন্ত অধিকার পাবে না? ৪) কোরআনে স্ত্রীকে শষ্যক্ষেত্রের সাথে তুলনা করে হেয় করা হয়নি কি? ৫) কোরআনে যেহেতু নারীকে পুরুষের অর্ধেক সম্পত্তি দেয়া হয়েছে। কেন? এর মধ্য দিয়ে কি প্রমাণ হয় না যে নারী-পুরুষকে সমান অধিকার দেয়া হয়নি? ৬) কোরআনে অপ্রাপ্তবয়স্ক বালিকাদের বিয়ে করাকে নিষিদ্ধ করা হয় নি কেন? ৭) কোরআনে অমানবিক হিলা বিয়ের কথা লিখা আছে কেন? ৮) কোরআনে যুদ্ধবন্দী/ক্রীতদাসীদের সাথে সেক্স করার কথা লিখা আছে- এটা অমানবিক নয় কি? (এ প্রসঙ্গে মাহমুদ রহমানের এই পোস্টও দেখেতে পারেন।)

পরিশেষে, এসবের সাথে প্রাসঙ্গিক কিছু কোরআনের আয়াত উল্লেখ করাও হচ্ছে:

তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর। আর নিজেদের জন্য আগামী দিনের ব্যবস্খা কর এবং আল্লাহ্কে ভয় করতে থাক। আর নিশ্চিতভাবে জেনে রাখ যে, আল্লাহর সাথে তোমাদেরকে সাক্ষাত করতেই হবে। আর যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও। ২-২২৩

আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন হায়েয পর্যন্ত। আর যদি সে আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাত দিবসের উপর ঈমানদার হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহ্ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা জায়েজ নয়। আর যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায়, তাহলে তাদেরকে ফিরিয়ে নেবার অধিকার তাদের স্বামীরা সংরক্ষণ করে। আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের উপর অধিকার রয়েছে, তেমনি ভাবে স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের উপর নিয়ম অনুযায়ী। আর নারীরদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আর আল্লাহ্ হচ্ছে পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ। ২-২২৮

আল্লাহ্ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেন: একজন পুরুষের অংশ দু’জন নারীর অংশের সমান। অত:পর যদি শুধু নারীই হয় দু-এর অধিক, তবে তাদের জন্যে ঐ মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ করে মরে এবং যদি একজনই হয়, তবে তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের পুত্র থাকে। যদি পুত্র না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়, তবে মাতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। অত:পর যদি মৃতের কয়েকজন ভাই থাকে, তবে তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যেতর পর, যা করে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না। এটা আল্লাহ্ কর্তৃক নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ। ৪-১১

হে মুমিনগণ! যখন তোমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে ঋনের আদান-প্রদান কর, তখন তা লিপিবদ্ধ করে নাও এবং তোমাদের মধ্যে কোন লেখক ন্যায়সঙ্গতভাবে তা লিখে দেবে; লেখক লিখতে অস্বীকার করবে না। আল্লাহ্ তাকে যেমন শিক্ষা দিয়েছেন, তার উচিত তা লিখে দেয়া। এবং ঋন গ্রহীতা যেন লেখার বিষয় বলে দেয় এবং সে যেন স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহ্কে ভয় করে এবং লেখার মধ্যে বিন্দুমাত্রও বেশ কম না করে। অত:পর ঋণগ্রহীতা যদি নির্বোধ হয় কিংবা দূর্বল হয় অথবা নিজে লেখার বিষয়বস্তু বলে দিতে অক্ষম হয়, তবে তার অভিভাবক ন্যায়সঙ্গতভাবে লিখাবে। দুজন সাক্ষী কর, তোমাদের পুরুষদের মধ্যে থেকে। যদি দুজন পুরুষ না হয়, তবে একজন পুরুষ ও দুজন মহিলা। ঐ সাক্ষীদের মধ্য থেকে যাদেরকে তোমরা পছন্দ কর যাতে একজন যদি ভুলে যায়, তবে একজন অন্যজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। যখন ডাকা হয়, তখন সাক্ষীদের অস্বীকার করা উচিত নয়। তোমরা এটা লিখতে অলসতা করোনা, তা ছোট হোক কিংবা বড়, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। এ লিপিবদ্ধ করণ আল্লাহ্র কাছে সুবিচারকে অধিক কায়েম রাখে, সাক্ষ্যকে অধিক সুসংহত রাখে এবং তোমাদের সন্দেহে পতিত না হওয়ার পক্ষে অধিক উপযুক্ত। কিন্তু যদি কারবার নগদ হয়, পরপর হাতে হাতে আদান-প্রদান কর, তবে তা না লিখলে তোমাদের প্রতি কোন অভিযোগ নেই। তোমরা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় সাক্ষী রাখ। কোন লেখক ও সাক্ষীকে ক্ষতিগ্রস্ত করো না। যদি তোমরা এরূপ কর, তবে তা তোমাদের পক্ষে পাপের বিষয়। আল্লাহ্কে ভয় কর তিনি তোমাদেরকে শিক্ষা দেন। আল্লাহ্ সব কিছু জানেন। ২-২৮২

তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অত:পর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ্ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। ২-২৩০

তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের ঋতুবর্তী হওয়ার আশা নেই, তাদের ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস। আর যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি, তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে। গর্ভবর্তী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তানপ্রসব পর্যন্ত। যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ্ তার কাজ সহজ করে দেন। ৬৫-৪

পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ্ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ্ সবার উপর শ্রেষ্ঠ। ৪-৩৪

সকল সধবা নারীদের তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে, কিন্তু তোমাদের স্বত্বাধীন যেসব দাসী রয়েছে তাদের হারাম করা হয়নি। এ হল তোমাদের জন্য আল্লাহর বিধান। এদের ছাড়া অন্য সব নারীকে তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে এ শর্তে যে, তোমরা তাদের কামনা করবে অর্থের বিনিময়ে বিয়ে করার জন্য, ব্যভিচারের জন্য নয়। বিয়ের মাধ্যমে যে নারীদের তোমরা সম্ভোগ করেছ তাদের দিয়ে দিবে তাদের নির্ধারিত মহর। আর তোমাদের কোন গুনাহ হবে না যদি মহর নির্ধারণের পর তোমরা কোন বিষয়ে পরষ্পর সম্মত হও। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, হেকমতওয়ালা। ৪-২৪ (শানে নুযুল সহ পড়তে চাইলে এই পোস্টে ঢু মারুন)

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৩
সাম্যবাদী বলেছেন: অসাধারন পোষ্ট...... সংগ্রহে রাখলাম।
+
২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন:
হা হা হা হা .....

৪. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

না.ধ. পোস্ট এমতিই অনেক বড় হয়ে গেছে, তার উপর ভিডিওগুলো বাড়তি ঝামেলা পাকাচ্ছে। ভিডিওগুলো ডিলিট করে দিলে মনে হয় ভাল হয়।

লেখা নিয়ে কিছু বলার নেই, সিম্পলি গ্রেট!
৬. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১১
দন্ডিত বলেছেন: হয়রান সাব কৈ?

চরম পোস্ট!!


আপনাকে ফর্মে দেখে ভালো লাগছে।

অনেকদিন যাবৎ হয়রান সাবের অত্যাচারে বারোটা বেজে গেছে। হয়রান সাবের রিসেন্ট পোস্টগুলোতে একটার থেকে একটা বেশী হাস্যকর।
৭. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৭
শয়তান বলেছেন: দন্ডিত বলেছেন: হয়রান সাব কৈ?
৮. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৩
লাল সাগর বলেছেন: "A Brahmana who takes a Sudra wife to his bed, will (after death) sink into hell; if he begets a child by her, he will lose the rank of a Brahmana." [হিন্দু মনুস্মৃতিঃ ৩-১৭]

"By a girl, by a young woman, or even by an aged one, nothing must be done independently, even in her own house." [হিন্দু মনুস্মৃতিঃ ৫-১৪৭]
১০. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৬
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: সবাই ক্যান হয়রান, হয়রান কইরা পেরিশান হইতাছে। ওনার তো ব্রেন, Qalb দুইটাই সীল মারা। ঐ সব কিছুই ঢুকবো না।
১১. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৭
মেহেদী_হাসান বলেছেন: কেউ কি বলতে পারেন জনাব নাস্তিকেরধর্মকথা বিবাহিত কিনা?
২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন:
বিবাহিত।
কেন কি হয়েছে?

১২. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৮
লাল সাগর বলেছেন: Unto the woman GOD said, I will greatly multiply your pain and your conception; in pain you shall bring birth children; and your desire shall be to your husband, and he shall rule over you. [Bible: Book of Genesis: 3:16 ]
১৩. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৯
মনির হাসান বলেছেন: বস্‌ ... আপনারে ফুল ফর্মে দেইখা চরম আনন্দ পাইলাম ।


আলোচ্য বিষয়ে আর কোন আলোচনা করার সুযোগ রাখেন নাই।

পোস্ট সোজা সংগ্রহে ।
১৫. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৩
হোরাস্‌ বলেছেন: জোকারের এই বিষয়ের উপর একটা ভিডিও দেখছিলাম। আপনারটাই কিনা পরে দেখে শিউর হব। তার আসল প্রশ্ন রেখে ত্যানা প্যাচানি দেখতে দেখতে মেজাজ এমনই খারাপ হইছিলো যে হাতের কাছে পাইলে খবর ছিলো। আস্ত একটা আহাম্মক । পোস্টে +
১৬. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৪
মেহেদী_হাসান বলেছেন: আপনি বিবাহ কিভাবে করেছেন জানতে পারি? মুস্লিম মতে না অন্য কোন ভাবে?
১৭. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১০
হরিসূধন বলেছেন:
আপনার বউ কি কয়েকটা স্বামী রাখতে পারবো? তাইলে..... আবেদন করতাম।


বিঃদ্র--- খারাপ ভাবে নিবেন না প্লীজ। অনেকই অনেক বক্তব্য গবেষনা চালায় কিন্তু তাদের ব্যক্তি জীবনে তারা সেটা করে না।

২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪০

লেখক বলেছেন:
আমার বউ এর একটা স্বামি যথেস্ট, যেমন আমার জন্য একটা বউই।

বিঃদ্রঃ দিয়ে জানালেন খারাপ ভাবে নিবেন না- তার মানে কি এটা বুঝাতে চেয়েছেন যে- বউ একাধিক বিয়ে করলে খুব খারাপ লাগতে পারে? পুরুষ হিসাবে এই ফিলিংসটা আপনার থাকতে পারে, তাহলে একজন নারীর একই রকম ফিলিংসটা কি থাকা স্বাভাবিক নয়?

আমার বউ এর অপর কোন পুরুষের সাথে বিয়ের কথা (ডিভোর্সের আগে) যেমন ভাবতেই পারিনা, তেমনি একজন নারীও তো তার স্বামীর অপর কোন নারীর সাথে বিয়ের কথা ভাবতে নাও পারে। ইসলাম বা কোরআন- নারীকে কি সেজায়গায় কোন নিরাপত্তা দিতে পারে?

নারীর বহুগামিতা নিয়ে আমার যুক্তিখণ্ডনের উদ্দেশ্য একে প্রতিষ্ঠিত করা নয়- জাকির নায়েকদের কিছু মিথ্যাচারের জবাব দেয়া। আমি যেকোন বহুগামিতার বিরোধি। কিন্তু এখানকার আলোচনার প্রেক্ষাপট - কোরআন কি নর-নারীকে সমান মর্যাদা দেয়? তারই একটা আলোচনা হচ্ছে- পুরুষের বহুগামিতা এলাউড কিন্তু নারীরটা এলাউড না কেন? এর জবাবে নায়েক উল্টাপাল্টা অনেক কথা বলেছে- সেগুলো একটু খন্ডাইলাম আর কি...।

পরিশেষে, আপনার আবেদন করা দেখে তেমন টাশকি খাইনি। কেননা, তথাকথিত ইসলামের ধ্বজাধারীরাই যে এইরকম কামসর্বস্ব বিকৃত- তা তো আপনাদের গুরু জাকির নায়েকদের আলোচনা পড়লেই পরিস্কার হয়।

১৮. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২৩
নয়ন বলেছেন: লেখাট খুবই ভালো হয়েছে।

জাকির নায়েকের অনেক কথারই যুক্তি নেই। তার একটা আপনি খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। লোকটা অনেক যুক্তিই দেখান কিন্তু যুক্তির চেয়ে বেশীরভাগই কুযুক্তি তুলে ধরেন। :-&
২০. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:০৮
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: অট: যারা রায়হান ভাইরে খুঁজতেছেন, তাদের জন্য----উনি হয়ত বিলাত গেছেন।
চমকায়েননা, উনার দেশ ভ্রমণের লিস্টি দেখেন: চীন, হংকং, মালয়েশিয়া, সিংগাপুর, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবুর্গ, জার্মানি, ফ্র্যান্স, ও ক্যানাডা।

এই ব্লগের ১০ নম্বর কমেন্ট দেখেন
Click This Link
২১. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২১
নাজিম উদদীন বলেছেন: অসাধারণ কাজ, ব্লগের আর কারোই এসব নিয়ে লেখার দরকার নাই। আপনার এ লেখাই রেফারেন্স হিসেবে চলবে।
২২. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২১
শয়তান বলেছেন: হয়রানবাঈ এখন ব্লগেই আচেন :)
২৩. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬
সবাক বলেছেন:
পীর বুজুর্গানদের কেউ নাই।

আসলে এ পোস্টের ভার দেইখ্যাই কাপড় নষ্ট করছে মনৈ।
২৪. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৫
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: এনথ্রপলজি সম্পর্কে জানি না, কিন্তু বিবর্তনবাদে পুরুষদের বহুগামী ধরা হয়। এটার কারণ হিসেবে দেখানো হয়, একটা ডিম্বক তৈরি করা শুক্রানু তৈরির চেয়ে অনেক বেশি এক্সপেনসিভ (ফিজিওলজিক্যাল এনার্জি লাগে প্রচুর), মাসে মাত্র ২/১টা তৈরি হয়... একটা নারী শরীর সারা জীবনে যতগুলো ডিম্বক তৈরি হবে, একটা পুরুষ শরীর এক মাসেই ততগুলো শুক্রানু তৈরি করতে পারে। তাছাড়া গর্ভধারণের সময়, মাসিকের সময়, ল্যাক্টেশনের সময়ের একটা বড় অংশে সঙ্গী পুরুষকে রোজা রাখতে হয়। ওদের কোন শারিরীক বাঁধা থাকে না, তারপরেও। এসব কিছু মিলিয়ে বলা হয় বায়োলজিক্যালি পুরুষদের বহুগামী হওয়ার পটেনশিয়ালিটি বেশি।

নারীদের বহুগামী হওয়ার সায়েন্টিফিক ব্যাখ্যাটা এরকম:
মাসের সবচেয়ে উর্বর সময়ে নারীরা আকর্ষন বোধ করে ধারালো পুরুষালী চেহারার পুরুষদের প্রতি। কারণ, পুরুষালী চেহারার পুরুষদের সন্তানদেরও সবল হওয়ার সম্ভবনা বেশি। এই সময়টা পার হয়ে গেলেই নারীরা আকর্ষিত হয় কোমল চেহারার পুরুষদের প্রতি, কারণ কোমল চেহারার পুরুষেরা সাধারনত বহুগামী হয় না (টেস্টসটরিন কম থাকে, তাই শারিরীক ভাবেও বহুগামীতার পটেনশিয়ালিটি কম), মায়া বেশি হয়, তাই সন্তান হলে নিজের দরকার না থাকলেও সেই সন্তানের দেখাশোনা করবে, বহুগামীতার জন্য অন্য নারীর কাছে যাবে না।

নারীদের বহুগামীতাটা ঠিক বহু'গামিতা' না, বরং নিজের এবং পরবর্তী জেনারেশনের নিরাপত্তার স্বার্থে শেপারন নির্ধারন! পুরুষদের কিন্তু সেরকম না।

নেপালে মাতৃপ্রধান সমাজ আছে, কিন্তু বিশ্বে যত জায়গায় ঐতিহাসিক ভাবে বহুগামিতা ছিল, আছে, সে সব জায়গায় পুরুষদের বহুগামিতা বেশি কমন, নারীদের না।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮

লেখক বলেছেন:
বিবর্তনবাদে পুরুষকে বহুগামী ধরা হয়- এটা আপনি কোথায় পেলেন? কষ্ট করে একটু তথ্যসূত্র দিয়েন। শুক্রাণু-ডিম্বাণু কি সেক্সের কারণ? আমি যতটুকু জানি হরমোনের নিঃসরণকেই কিন্তু যৌনতার কারণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়। আপনি কি দেখাতে পারবেন যে- প্রাকৃতিকভাবেই নারীর তুলনায় পুরুষের হরমোনের নিঃসরণ বেশি হয়?

দ্বিতী্য়ত, যদি তর্কের খাতিরে ধরে নেয়াও হয় যে- হরমোনের নিঃসরণও কম-বেশি হয়ে থাকে- তারপরেও কি বলা যাবে যে, পুরুষের একাধিক নারীর সংস্পর্শে হরমোনের নিঃসরণ ঘটে কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে একাধিক পুরুষের সংস্পর্ষে হরমোনের নিঃসরণ ঘটে না, কেবলমাত্র এক পুরুষের সংস্পর্শে ঘটে- এমন?

আসলে- এই সেক্সুয়াল হরমোনের নিঃসরণটাও অনেকটা মন-মানসিকতার উপর নির্ভরশীল (লিঙ্গও মাথা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত)। নরমালি অপোজিট সেক্সের পরষ্পরের সংস্পর্শে হরমোন নিঃসরণ করার কথা- কিন্তু চিন্তা-চেতনা, সংস্কৃতি, সামাজিক রুচি এসব দ্বারা এই হরমোনের নিঃসরণের মাত্রাগত পার্থক্য ঘটে। আজকের সমাজে মা-ছেলে, বাবা-মেয়ে, ভাই-বোন প্রভৃতি অপোজিট সেক্সের হলেও একে অপরের সংস্পর্শে হরমোনের নিঃসরণের পরিমাণ নেগলিজিবল- কিন্তু এককালে যখন কোন সম্পর্কই ডিফাইনড ছিল না- অবাধ যৌনাচার স্বাভাবিক হিসাবে পরিগণিত ছিল- তখন হয়তো এমত সম্পর্কের অপোজিট সেক্স পারষ্পরিক সংস্পর্ষে কখনো কখনো হরমোনের নিঃসরণ নিশ্চিত ঘটতো।

আজ একজন নারী রাস্তা-ঘাটে পর-পুরুষের অযাচিত স্পর্শগুলোতে চমকে ওঠে- তার হরমোন নিঃসরণ তো দূরের কথা- সে শিউরে উঠে- তার গা ঘিন ঘিন করে, উল্টোদিকে যেসব পুরুষ-হস্ত এসব স্পর্শের জন্য ঘাপটি মেরে অপেক্ষায় থাকে- তাদের নিশ্চয়ই ঐ ছোয়ায় যৌনানুভূতি হয় বা হরমোনের নিঃসরণ ঘটে। কিন্তু একজন প্রচণ্ড সংস্কৃতিবান, উচ্চ রুচি ও আদর্শের পুরুষের ক্ষেত্রেও কি রাস্তাঘাটে ভীড়ে-ভাট্টায় পর নারীর স্পর্শে একই রকম অনুভূতি হবে- হরমোনের নিঃসরণ ঘটবে?

আমার মনে হয়- পুরোটাই সামাজিক পরিমণ্ডল- সংস্কৃতি ও রুচির ব্যাপার। একজন পুরুষ যদি কোন একজন নারীকে প্রচণ্ডরকম ভালোবাসতে পারে- তবে তার সমস্ত যৌনানুভূতি সেই নারীতেই সীমাবদ্ধতা রাখতে পারে আজীবন। (নতুন প্রেমে পড়া ছেলেদের দেইখেন- কি সুন্দর অন্য মেয়েদের দিকে কেমন ফিরেও তাকায় না!!)

কালচারাল মানটা আপনি যদি আপনি নামিয়ে দেন- সামাজিক টাবুগুলোও যদি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তুলে দেন- তাহলে দেখবেন, একজন নারীও একাধিক পুরুষের সাথে সহজ ভাবেই সেক্স করতে পারবে- তার মাত্র এক/দুই ডিম্বাণু দিয়েই সে কিছুদিন এক পুরুষ পরে আরেক পুরুষ- তারপরে আরেক... এমন বহুগামিতায় ইনভলভড হওয়ায় তার শারীরবৃত্তীয় কোন প্রতিবন্ধকতাই তৈরি হবে না, যেমনটা এককালে করতো না।

*********************
নেপালে মাতৃপ্রধান সমাজ আছে, কিন্তু বিশ্বে যত জায়গায় ঐতিহাসিক ভাবে বহুগামিতা ছিল, আছে, সে সব জায়গায় পুরুষদের বহুগামিতা বেশি কমন, নারীদের না
=======>>>> 'ঐতিহাসিকভাবে' বলে যা বললেন- তা মোটেও ঐতিহাসিকভাবে সঠিক না, বড়জোর আজকের পুরুষতান্ত্রিক সোসাইটিতে তা সঠিক হতে পারে। ইতিহাসের দিকে যদি তাকাই- এককালে নারী ও পুরুষ উভয়েই বহুগামী ছিল। আলাদা কোন পরিবার ছিল না- পুরো গোষ্ঠী মিলেই একটা পরিবার, কেবল সন্তান প্রসব করতে হতো বলে- মা ছিল ডিফাইনড। (যারই প্রতিফলন পাওয়া যায়- আজকের মাতৃতান্ত্রিক সোসাইটি গুলোতে)

আমাদের দেশেও কিছুদিন আগ পর্যন্ত গারো আদিবাসীদের মধ্যে রেওয়াজ ছিল- বাচ্চা মেয়েকে বিয়ের পরে জামাই যখন শ্বশুড় বাড়িতে আসে (এখনও পুরুষ নিজের বাপের বাড়ি ছেড়ে কনের বাপরে বাড়িতে গিয়ে উঠে)- তখন যতদিন মেয়ে এডাল্ট না হচ্ছে ততদিন জামাই চাইলে মাঝে মধ্যে শাশুড়ির সাথে রাত্রি যাপন করতে পারত- এবং শ্বশুড় এটাতে মাইণ্ড করা বা আপত্তির কিছুই দেখত না, খুব স্বাভাবিক হিসাবে শাশুড়ি-শ্বশুড়-কনে-জামাই সবাই মেনে নিত।

লক্ষণীয় যে- এটা মাতৃতান্ত্রিক সোসাইটিতে খুব ক্ষীণ ধারা হিসাবে বহুগামিতা এলাউ করে এমন একটা উদাহরণ এবং এটা কিন্তু কেবল নারীর (শাশুড়ি) পলিগামি না- পুরুষেরও (জামাই)। অর্থাৎ, মাতৃতান্ত্রিক সোসাইটিতে পলিগামিটা ছিল উভয়েরই, এবং এটা একতরফা নারীর পলিগামি এলাউ করে- পুরুষকে মনোগামিতে বাধ্য করে- এমনটা নয়। তাই এটা মাতৃতান্ত্রিক হয়েই ছিল- নারীতান্ত্রিক হয় নি।

কিন্তু আজকের এই পুরুষতান্ত্রিক সোসাইটিতে- পুরুষের পলিগামিকে এলাউ করে- বিপরীতে নারীকে মনোগামিতে বাধ্য করেছে; তাই এটা কেবল পিতৃতান্ত্রিক নয়- পুরুষতান্ত্রিকও।

মাতৃতান্ত্রিক সমাজে নারী ও পুরুষ উভয়ের পলিগামি এলাউড ছিল, ফলে কেউ কারও উপর ডমিনেট করেনি, কিন্তু আজ পুরুষের পলিগামি আর নারীর মনোগামি-ই ইন্ডিকেট করে নারীর উপর পুরুষের ডমিনেন্স। আর এ কারণে আজকের যুগের দাবি একটি নির্দিষ্ট পারিবারিক পরিমন্ডলে নারী ও পুরুষ উভয়েরই মনোগামি।

২৫. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২৯
অচেনা সৈকত বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষণ। প্রিয়তে গেল।
২৬. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩০
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: @সন্ধ্যাবাতি: সমস্যা হইল, মানুষের আইন কানুন শুধুমাত্র শরীর/প্রবৃত্তি দেখে তৈরী করা হয়না, আইন তৈরীতে আরেকটা বিশাল ভূমিকা রাখে পারিপার্শ্বক বিদ্যমান সমাজ ব্যবস্থা।

শরীরের দিক থেকে একটা ছেলে প্রজননক্ষম হয় ১৪/১৫ বছর বয়সে, মেয়েটা আরো তাড়াতাড়ি। কিন্তু কোন দেশেই তাদের বিয়ের বয়স ১৮/২১ এর কম না। কারণ বিয়ে করতে গেলে সামাজিক পরিপক্বতাও দরকার, যেটার একটা খুব কমন মাপকাঠি হল বয়স।

ইসলাম অত্যন্ত সমাজমুখী ধর্ম, এখানে পুরুষদের বহুবিবাহের অনুমতির পক্ষে শরীর-প্রবৃত্তিই মুখ্য ভূমিকা রেখেছে, মানতে কষ্ট হয়।
২৭. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৬
রুপকার বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথারা নারীদের সম্মানজনক মর্যাদা না দিয়ে রক্ষিতা হিসেবে রাখতে চাই। কোরআন বিশ্লেষণে কুয়োর বাং এর পরিচয় দিয়েছে। এ লিটল্ নলেজ ইজ ডেন্জারাস থিং
২৮. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬
বৃত্তবন্দী বলেছেন: কারে কোনো রকম স্পেস আর রাখেন নাই... জাস্ট ব্লোওন এ্যওয়ে...




@রুপকার- কাইন্ডিলি আপনার সামু্দ্রিক ব্যাঙ এর মত ব্যখ্যা দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
২৯. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: রাতে কমেন্ট করে গেলাম। এখন দেখি নাই!
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: আসলে এর আগেরবার একই পোস্ট যখন প্রথমবার দেই- তখন তা প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছিল (পাশাপাশি ১ম ও ২য় পর্ব ছিল বিধায় ১ম পর্ব রেখে ২য়টি সরানো হয়েছিল)। তাই ঐ পোস্ট ড্রাফট করে নিয়ে রাতে এই পোস্ট আবার দেই। আপনার করা কমেন্ট ছিল ড্রাফট করা পোস্টে। ঐ পোস্টের ৭টি কমেন্ট কপি-পেস্ট করছি:


১. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯ ক-খ-গ বলেছেন: পড়ার পর কমেন্ট করতেছি।

২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৪ লেখক বলেছেন: এই পোস্ট প্রথম পাতায় আইলো না ক্যান?????

ঠিক আছে- ঘন্টাখানেক পরে আবার রিপোস্ট করুম....

২. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৬ কায়েস_ বলেছেন:

দুষ্টলোকের ধর্মকথা একেবারে পারফেক্ট

৩. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৮ রাগিব বলেছেন: ব্লগার রায়হানের পোস্ট পড়ে দুই একবার জবাব দিলেও এখন তা বাদ দিয়েছি, কারণ কপিপেস্ট করে ভুলভাল বটতলীয় লেকচার এতো বেশি থাকে সেখানে, তার জবাব দেয়া বৃথা। ("বিজ্ঞান বলেছে পাখি থেকে স্তন্যপায়ী প্রাণী এসেছে" এই টাইপের গাঁজাখুরি কথা বার বার বলে চলেন, কথাটা মিথ্যা তা দেখালে স্বীকার করেন, কিন্তু পরের পোস্টেই আবার একই গৎবাঁধা কপিপেস্ট। ) কাজেই এসব পোস্টের জবাবে সময় নষ্ট না করাই উত্তম।

৪. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২ সুদীপ্ত শর্মা বলেছেন: +++

৫. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩ শয়তান বলেছেন: রিপোস্ট করেন প্রথমপাতায় ।

৬. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৯ তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখার মত পোস্ট! আপনি খুবই পরিশ্রমী গবেষক। কেবল আস্তিকতাবাদের দোহাই দিয়ে আপনাকে মাইনাস দেয়া চরম বোকামি। বরং সবারই চোখ কান খুলে বোঝা উচিৎ।
****************************************

মজার ব্যাপার হচ্ছে- আপনার "কমেন্ট এখন নেই" এই কমেন্টের উপর ভিত্তি করে মোল্লারা নানা কথা বলার চেস্টা করছে।নীচে মেহেদী_হাসান বলেছে "কমেন্ট হাওয়া", আর এস এম রায়হানও দেখলাম আমার দিকে অভিযোগের আঙ্গুলি দেখিয়ে বলেছে- নাস্তিক হয়ে কিসের ভয় পাই যে কমেন্ট মুছে দিলাম.. এই টাইপের কিছু কথা। ওদেরকে আপনার উপরের কমেন্ট যেটা আমি খুব ভয় পেয়ে মুছেছি- সেটা দেখাতে ইচ্ছে করছে......

৩০. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২০
অরণ্যচারী বলেছেন: পোস্ট পর্যবেক্ষণে।
৩২. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫১
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: আফ্রিকার জুলুদের উদাহরণ আনলেন!!! কোনটা exception আর কোন্তা example সেটা নিশ্চয় আপনাকে বুঝাতে হবে না??!!!

এনিওয়ে আমি সাধারণ আস্তিক। ধর্ম নিয়ে বেশি কপকপানি ভাল লাগে না । তবে আপনার বেশ কিছু লেখা পড়েছি। আপনার লেখা ভাল হয় ।
ভাল থাকুন ।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১২

লেখক বলেছেন:
exception আর example এর আলোচনাটা পরিস্কার হলো না। জুলুদের ঐ আলোচনা টানার উদ্দেশ্য এটাই দেখানো যে, সব কিছুর সাথেই মানুষের বেড়ে উঠার পরিবেশ, তার সংস্কৃতির একটা যোগাযোগ আছে। জাকির নায়েক যদি ঐ জুলু পরিবারে জন্মাইতো তবে সে কিন্তু ঐ ন্যাংটো আধো ন্যাংটো হয়ে শিকার করতেই দৌড়াইতো, দিনরাত মেয়েদের বুক আর পাছা দেখেও ধর্ষণের চিন্তা তার মাথায় আসতো না সেটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

আজ আমাদের এখানে মেয়েরা জামার উপরে ওড়না পরে, বাইরে বেরুলে এক মিনিটে দশবার ওড়না ঠিক করে, কারণ এখানকার পুরুষদের চোখ নিয়ত ওড়নার ফাকে, গলার কাছে জামার ফাক গলে মেয়ের বুককে ফলো করে; কিন্তু শ্রীলংকার মেয়েরা সালোয়ার-কামিজে ওড়নাই পরে না। ওখানকার ওড়নাহীন বুকের ভাজ দেখতে অভ্যস্ত পুরুষ চোখ কি তেমন ফাক ফোকর খুজে? আমি মিউনিখে গিয়ে একটা পার্কে নদীর তীরে নারী-পুরুষকে সান বাথ করতে দেখেছি। পুরুষেরা জাঙ্গিয়া- নারীরা ব্রা-পেন্ট পরা। কেউ কেউ হয়তো ওপেনলি কাপড় পাল্টাচ্ছে। কোন নারী হয়তো ব্রা-টা খুলে উপুড় হয়ে শুয়ে আছে। সেখানে বাচ্চাকাচ্চারাও আছে, হয়তো পুরা ফ্যামিলিই এসেছে- কোন কিশোরের পাশেই হয়তো তার মা ব্রা-পেন্টি পরে রোদ পোহাচ্ছে- কোন কিশোরীর পাশে তার বাবা জাঙ্গিয়া পরে সান বাথ করছে। ভাবছিলাম- আমরা বাঙালি যারা ঐসব দেখে লজ্জা পাচ্ছিলমা, নিজেদের মধ্যে দুষ্টামি ফাজলামি করছিলাম, কেউ কেউ হা করে নারীদের বুক-পাছা খুজে বেড়াচ্ছিলাম- তেমনটি কি ওখানকার ঐ পরিবেশে বেড়ে ওঠা কেউ করে? ঐ কিশোর যে তার মা বোন প্রতিবেশী আন্টির অমন প্রায় উলঙ্গ শরীর দেখে অভ্যস্ত- সে ইংল্যান্ডের সি বিচে গিয়ে অপরিচিত নারীদের যখন ব্রা-পেন্টি পরা অবস্থায় দেখবে- তখন কি তার চোখে সাথে সাথেই কাম খেলা করবে?

৩৩. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩১
জামাল ভাস্কর বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি আপনের মন্তব্য আমি বুঝলাম না। শুরু করলেন একটা ঘোষণা দিয়া, য্যান আপনে নিশ্চিত কইরা জানেন বিবর্তনবাদে পুরুষরে বহুগামী ধরা হয়

এনথ্রপলজি সম্পর্কে জানি না, কিন্তু বিবর্তনবাদে পুরুষদের বহুগামী ধরা হয়।

আর শেষ করলেন একটা সম্ভাবনাসূচক বাক্যে।

এসব কিছু মিলিয়ে বলা হয় বায়োলজিক্যালি পুরুষদের বহুগামী হওয়ার পটেনশিয়ালিটি বেশি।

দুইটা যে এক বাক্য না সেইটা আপনে নিশ্চয়ই নিজেও জানেন। আমি মনে করি বিদ্যমান সমাজের সকল পুরুষ পোটেনশিয়াল ধর্ষক...তারমানে কি আমি সকলের বিচার চাইয়া বসুম? নাকি ঐটারে একটা নিরাপত্তামূলক বাক্য হিসাবে ধরুম?

যাইহোক এইটারে আপনের ফ্যালাসী করার চেষ্টা মনে হইলো।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫১

লেখক বলেছেন: কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

সন্ধাবাতির ঐ কমেন্টরে প্রলাপ মনে করে ইগনোর কথা ভেবেছিলাম- আপনার এই কমেন্ট দেখে আবার ঐ কমেন্ট পড়লাম, এবার মনে হচ্ছে কিছু কথা বলা দরকার। আশা করি- জবাবের কমন্টটাও আপনি পড়বেন।

৩৫. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২২
সায়েম হক বলেছেন: খুব গিয়ানী মনে হচ্ছে ভাইডি ;) নাস্তিকতা বলতে কি বুঝেন একটু বোঝায়ে কবেন ?
৩৭. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
সত্যান্বেষী বলেছেন: ভিডিওগুলি একটাও আসে না। পোস্ট বরাবরের মতোই সুতীক্ষ্ণ।
৩৮. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০১
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: View this link


হরমোন নি:সরন সাময়িক ব্যাপার। অপ্রাসঙ্গিক। আমি বলছিলাম এভুল্যুশুনারি থিওরি অফ সেকচুয়াল বিহেভিয়ার নিয়ে। এই থিওরীটা মোটামোটি গ্রহনযোগ্য পর্যায়ের টেক্সবুক থিওরী, তাই জার্নাল আর্টিকেলে পাবো বলে মনে হয় না। একটা লেকচার স্লাইড খুঁজে পেলাmম। দিলাম। mn
৩৯. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩
নাজনীন১ বলেছেন: মাতৃতান্ত্রিক সমাজে নারী ও পুরুষ উভয়ের পলিগামি এলাউড ছিল, ফলে কেউ কারও উপর ডমিনেট করেনি, কিন্তু আজ পুরুষের পলিগামি আর নারীর মনোগামি-ই ইন্ডিকেট করে নারীর উপর পুরুষের ডমিনেন্স। আর এ কারণে আজকের যুগের দাবি একটি নির্দিষ্ট পারিবারিক পরিমন্ডলে নারী ও পুরুষ উভয়েরই মনোগামি।

----- আপনার এই কথাটা নিয়ে আমি নিজের মধ্যে ভেবেছি। আপনি যে কিছুদিন আগের গারো সমাজের উদাহরণ দিলেন সেটা আবারো পড়ে দেখলাম, নেপালের ভিডিওটা আবারো দেখলাম। দুটো ঘটনাতেই আমার মনে হয়েছে সেই মাতৃতান্ত্রিক সমাজেও মূলত পুরুষের ইচ্ছা প্রাধান্য পেয়েছে। আমি এখানে একেবারে সুদূর অতীতের মানুষের কথা উদাহরণ হিসেবে আনতে চাই না, কারণ তখন সমাজ বা পরিবার বলেই কোন ধারণা ছিল না, স্বামী-স্ত্রী বলে কোন সম্পর্কই ডিফাইন ছিল না।

দেখুন আপনি লিখেছেন "মেয়ে জামাই চাইলে"----- তার মানে শ্বাশুড়ীর আগ্রহ আগে তৈরী হয়নি, সে হয়তো সায় দিয়েছে। এখন কথা হলো কেন শ্বাশুরী রাজি হয়েছে? সেখানেও আমি নারীদের এক ধরণের অসহায়ত্বকেই দেখতে পাচ্ছি। কারণ, মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক বলে শ্বাশুরী যদি রাজী না হতো তাহলে জামাই হয়তো পরিবারের বাইরের কোন মেয়ের প্রতি আসক্ত হতো, এতে করে মেয়ের সংসার হয়তো টিকতো না। আবার শ্বশুর কেন আপত্তি করেনি? কারণ, সে যখন জামাই ছিল বা আছে তার চাহিদা যদি তাআর স্ত্রী পূরণ করতে না পারতো তাকেও নিশ্চয়ই একই পথ অবলম্বন করতে হতো, তাই তার স্ত্রীকে জামাই কতৃক ব্যবহৃত হতে আপত্তি করেনি। আবার মেয়ের সংসার টিকিয়ে রাখাও একটা কারণ।


আবার আরেকটি কথা হতে পারে কেন অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দেয়া হলো? সেখানেও ঐ সমাজের পুরুষের পছন্দের প্রাধান্য, বুড়ো মেয়ে বিয়ে করবে না? আগে তো বাঙ্গালী সমাজেও মেয়েদের কুড়িতে বুড়ি - এ ব্যাপার ছিল।

নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত বহুগামীর কথা তখনি বলা যেত যদি শ্বাশুরী নিজে আগে জামাই-এর প্রতি আগ্রহ দেখাতো, বা সে নিজে থেকে স্বামী ছাড়া দেবর, তার শ্বশুর বা অন্য কোন পুরুষের সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী হতো।

নেপালের ভিডিওতেও একই কথা বলা হচ্ছে স্ত্রীটি স্বামীদের মন-মানসিকতা বোঝেন, বড় ভাইয়ের প্রকৃতি কেমন, ছোট ভাইয়ের কেমন, সে অনুযায়ী সিডিউল ঠিক করা হয়। তার মানে এখানেও পুরুষের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। এভাবে বলা নেই স্ত্রী এখন কাকে চাচ্ছে, সে অনুযায়ী সিডিউল। ভিডিওটিতে এ আশংকাও প্রকাশ করা হচ্ছে যে এরকম ব্যবস্থা চলতে থাকলে আর ২/৩ প্রজন্ম পরে এ গোত্রটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার খুব কম, যেহেতু কয়েকজন বাবার বিপরীতে মা একজন আর তারা পরিবার পরিকল্পনাও গ্রহণ করছে। এজন্যই মনে হয় আদিবাসী পরিবারগুলোতেও জনসংখ্যার বিস্তার অনেক কম।


বর্তমান যুগের চাহিদা অনুযায়ী মনোগামীই বেশীরভাগের কাম্য, সেটা আপনারও যেমন, মুসলিম ভাইদেরও তেমন। আমাদের দেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে বহুবিবাহ কতটা উপযুক্ত। তাইতো গরীবদের মধ্যে যেটা বেশী দেখা যাচ্ছে, বিয়ের পর অন্য কাউকে পছন্দ হলো, প্রথম বউকে ডিভোর্স দিতে গেলে ক্যারফা লাগবে, বউ ঝগড়া-ঝাটি বাধাবে, মুরুব্বীরা বকবে, আবার মোহরানা, ভরণপোষণের ব্যাপারও আছে। যাহ্‌, বউ ফেলে পালাই। আরেক বিয়ে করি।

আবার মধ্যবিত্ত সমাজে না পারে বউ ছেড়ে পালাতে, কারণ সে বউও তার উপর নির্ভরশীল, সন্তানদের প্রতিও দায়িত্ব আছে। আবার অন্য মেয়েটাকেও বেশী ভাল লাগছে, যাক্‌ চলুক পরকীয়া। অথবা চাহিদা বেশী , পতিতালয়তো আছেই।

আর উচ্চবিত্তে কোন বাধা নেই। যার যখন খুশী বিয়ে করছে, ডিভোর্স দিচ্ছে, নারী-পুরুষ সমান তালে। কারো চেয়ে কেউ কম না। বিয়ে-পরকীয়া-ডিভোর্স-আবার বিয়ে , সন্তান থাকুক তার মতো, কারো প্রথম মা তো আছে , বাবা দ্বিতীয়, কারো প্রথম বাবা তো মা দ্বিতীয়--- এভাবেই চলছে উপরতলার সমাজ। প্রচন্ড রকমের অস্থিরতা।

আবার আরবের শেখদের দেখি শ'য়ে শ'য়ে বউ, সামর্থ্য আছে , মেয়েরাও থাকছে, তো অসুবিধা কি? আবার অনেক অল্প সামর্থ্যের আরব যুবক আরব নারীদের উচ্চ মোহরানার দাবীতে ঠিক বয়সে বিয়ে করতে পারে না। সে নারীরা আবার স্বতঃস্ফূর্তভাবে কয়েকবার বিয়ে করা শেখ পুরুষকেই বিয়ে করছে। সেখানে স্ত্রী-সন্তানদের অন্তত ভরণপোষণে সমস্যা হয় না। বরং বিলাসিতাই বেশী। ভরি ভরি অলংকারেই সুখ খোঁজে সেসব নারী।

এবার পশ্চিমাদের দিকে তাকাই। তারা আবার অনেক সভ্য, নারীদের অনেক মর্যাদা দেয়, তাই বহুবিবাহ নিষিদ্ধ। কিন্তু তাই বলে পরকীয়া, পতিতালয়ে যাওয়া খুব একটা নিষিদ্ধ না, যদি না স্ত্রীরা জেনে ফেলে, সিক্রেটলী চলতে থাকে সব কিছু। জাপানে আবার ওপেনলীও পুরুষদের পরকীয়া চলে, সেখানেও বহুবিবাহ নিষিদ্ধ। আবার বিয়ে তো একবারই করবে, তাই তার আগে পরস্পরকে বোঝার নামে চলে লিভ টুগেদার, এরপর দুঃখজনক হলেও সত্য যে "সিঙ্গল মাদার" টার্মটাই সমাজে বেশী প্রচলিত হয়, "সিঙ্গেল ফাদার" শব্দটা সেভাবে শোনা যায় না। কারণ, পুরুষ কি এতো বোকা? এতো সহজে স্ত্রী-সন্তানের দায়িত্ব কাঁধে নেবে? তাই তো লিভ টুগেদারই সই। আবার যারা সমকামী, তারাও মাঝে মাঝে অপর লিঙ্গের স্বাদ নিচ্ছে প্রেমের বিনিময়ে হোক আর পয়সার বিনিময়ে হোক। কারো কোন দায়িত্ববোধ নেই।


আচ্ছা যে নারীটি কোন স্বামীর দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্ত্রী, যে নারীটির স্বামী তাকে ডিভোর্স দিয়েছে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করেছে, যে নারীটির স্বামী তাকে ডিভোর্সও দেয়নি, কিন্তু আবার পরনারীতে আসক্ত --- এই তিন ধরণের নারীর মধ্যে কার কষ্ট সবচেয়ে কম?? বলতে পারেন?? এখানে তিনজন নারীই আর্থিকভাবে স্বামীর উপর নির্ভরশীল ধরে নিতে হবে। আর নারীর যদি আর্থিক ক্ষমতা এবং ডিভোর্স দেবার পথও খোলা থাকে, সে ক্ষেত্রেও কি নারীটি মানসিকভাবে নির্যাতিত হয় না?? আর সন্তানদের বাবা-মা দুজনেরই আদর-যত্ন পাবার যে অধিকার সেটা কিভাবে ডিভোর্সের মাধ্যমে সমাধান হবে??

৪০. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
ব্রাইট স্‌মাইল্‌ বলেছেন: আচ্ছা, বিবর্তনবাদ বা হরমোনের নিঃসরণকে অথবা অন্য কোনো কারনে পুরুষকে বহুগামী ধরা হয়।

আমরা জানি যে কিছু পুরুষ (আমি জানিনা কতো %) কোনো এক সময় শারীরিকভাবে অক্ষম হয়, যদিও তারা পুর্বে সক্ষম ছিলো, কেনোনা তারা বিভিন্ন ঔষুধ নেয় (যেমন ভায়াগ্রা)। সুতরাং আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যেখানে তারা একটিতেই অক্ষম, সেখানে বহুগামী হয়ে তারা কি করে?

সুতরাং আমরা ধরে নিতে পারি যে, পুরুষ শুধু শারীরিক চাহিদার জন্য বহুগামী হয় তা না, যেহেতু তাদের গায়ের জোর আছে, সেহেতু তারা মেয়েমানুষের কাছে যায় ফুর্তি করার জন্য কাজটি পারুক আর না পারুক, ভাবখানা এই যে বিবর্তনবাদ বা হরমোনের কারনে আমাকে বহুগামী হতে হয়, এখানে আমার কোনো দোষ নেই এবং এভাবেই বহুগামী জায়েজ হয়ে যায়।
৪১. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮
শুভ্রমেঘ বলেছেন: ব্যাপক কাজে লাগবে।
জাকির পায়েক পাকির নায়েক শুনতে শুনতে কান নেই।
সরাসরি সংগ্রহশালায়
৪২. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৮
এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথা - সাধুবাদ জানাচ্ছি আপনার এমন গবেষণার জন্য। তবে আপনি অনেক বিষয়ে কিছু তথ্য দিয়েছেন যা আপনি নিজেও হয়তো ভালো করে জানেন না। যদি কারো ধর্ম নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা করতে হয় প্রথমে সেই বিষয়ে ভালো করে জানেন, আর জানার একটি দিক নয় - ভালো এবং মন্দ দুই দিক নিয়ে চিন্তা করবেন। কারণ যে বিষয়টা আপনার পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে তিক্ত হয়তো আরেক জন তার উল্টো । সুতারং আপনার মতো মেধাবী মানুষ এর কাছ থেকে এমন সস্তা বা বস্তা মার্কা লেখা আশা করিনা।

আপনি বলেছেন বহু বিবাহ ইসলাম কেন অনুমতি দিয়েছে? আপনাকে অনুরোধ করছি এই বিষয়ে আপনি বিস্তারিত পড়েন। শুধু একটা ছোট পয়েন্ট বলছি তা হলো- ইসলাম আপনাকে বিয়ের অনুমতি তখন দিবে যখন আপনার স্ত্রী আপনাকে অনুমতি দেয়। সুতারং এখানে এটা স্পষ্ট যে নারীর মূল্যায়ন।
নারীদের কে অত্যাচার এর কথা বলেছেন - ইসলাম কোনভাবেই কোন অত্যাচারের অনুমতি দেয়নি। আপনি এমন মুখস্থ কথা বললেই তো আর সব নয়।
আপনার প্রত্যেকটা কথার জবাব আছে, কিন্তু বিষয় হচ্ছে আপনার চিন্তা।
আগে দেখতে হবে আপনি কিভাবে চিন্তা করছেন,,, তার পর সমাধান।
আপনি যে ভিডিও গুলো দিয়েছেন তা দিয়ে আপনি কি বুজাতে চেয়েছেন তা হয়তো আপনিই ভালো জানেন। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো অবস্থা এবং বাস্তবতা একটা বিষয়। আপনার মতো একটা মানুষের অনুভূতি আর সেই জংলী গুলোর অনুভুতি কি এক?

আমার কাছে একটু অবাক লাগছে আপনার মতো মেধাবী মানুষ এমন সব অদ্ভুদ কথা কোথায় পান।
প্রকৃত নাস্তিক হতে গেলে আরো জানতে হবে,,, বুঝলেন এইসব সস্তা কথা দিয়ে নাস্তিকতা প্রমান করা যাবেনা।

আপনার শুভ বুদ্ধির উদয় হোক -
৪৩. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৭
ব্রাইট স্‌মাইল্‌ বলেছেন: এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন "ইসলাম আপনাকে বিয়ের অনুমতি তখন দিবে যখন আপনার স্ত্রী আপনাকে অনুমতি দেয়।"

আমার প্রশ্ন, স্ত্রী অনুমতি দেয়ার আগেই ইসলাম কেন তাকে বিয়ের অনুমতি দেয়? নাকি ইসলাম পুরুষ মানুষ্ কে খুশি করতে চায়।
৪৪. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৪
অচেনা সৈকত বলেছেন: এমদাদ হোসেন জাবেদ @"শুধু একটা ছোট পয়েন্ট বলছি তা হলো- ইসলাম আপনাকে বিয়ের অনুমতি তখন দিবে যখন আপনার স্ত্রী আপনাকে অনুমতি দেয়।"-- এসব আজগুবী কথা কোথায় পান? ইসলামী কোন আইনে এই কথা লিখা আছে?
৪৫. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪০
এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন: ব্রাইট, ধন্যবাদ। ইসলাম কখনোই অকারণে বিয়ে করার কোন অনুমতি দেইনি। যে কারণে বিয়ের অনুমতি দিয়েছে সে কারণ গুলো সম্মন্ধে জানতে আপনি কোরআননের বিশ্লেষন পড়েন। তাতে আপনি পরিস্কার ভাবে জানতে পারবেন। একটা কথা বলে রাখা ভালো আমরা অনেকই অনেক বিষয়ে প্রশ্ন করি, কিন্তু মূলত কোরআনের প্রত্যেকটি আয়াত কোন ঘটনা বা পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে অবতীর্ণ হন।
সুতারং সেই সময়কার পরিস্থীতি অনুযায়ী এবং অতীত ও ভবিষ্যত এর ভিত্তি করেই আল কোরআন যাহা ইসলামরে পূর্ণ্য জীবন বিধান।

ভাই, আপনার প্রশ্ন অনেক ভালো, তবে এই প্রশ্নের জবাব জানার জন্য আপনি কোরআনের বিশ্লেষণ পড়েন যেখানে এর স্বচ্ছ জবাব পাবেন। শুধু এইটুকুই বলবো ইসলাম কোন ভাবেই নারী বা পুরুষের মধ্যে কোন বৈষম্য রাখেননি। আপনি ভালো ভাবে ইসলামকে জানুন তারপর দয়া করে কোন মন্তব্য করেন। আর একটা কথা মনে রাখবেন- ইসলাম হচ্ছে সর্ব কালের সর্ব আধুনিক ধর্ম। আপনি ইসলাম সম্মন্ধে বিস্তারিত জানুন এবং জানার পর আপনি তুলনা করুন অন্যান্য ধর্মের সাথে।

ভালো থাকবেন।
৪৬. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৫
এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন: ধন্যবাদ সৈকত - আমি আপনার সাথে বির্তকে যাবোনা। শুধু এইটুকু বলবো জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা থাকতেই পারে তবে কোন মন্তব্য করার আগে নিজের অবস্থান জানা একান্ত জরুরী। আপনি যদি প্রকৃত ইসলাম কে জানেন তা হলে অবশ্যই এটা আপনার কাছে পরিস্কার হয়ে যাবে। আপনাকে অনুরোধ করবো, জানার চেষ্টা করবেন। ভালো ভাবে কোরআন ও হাদীস পড়েন এবং আর ইসলামের ইতিহাস আছে সেখান থেকেই জানার চেষ্টা করুন। আমি নিশ্চিত আপনি আপনার সব প্রশ্নের জবাব পাবেন।
৪৭. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৮
শয়তান বলেছেন:
অযথা তেনা না পেচাইয়া সরাসরি রেফারেন্স দিয়া দিলেই হয় নিজে যেহেতু বড় গলায় বলে ফেলেছেন তাইলে নিশচই আপনার সমক্য ধারনা আছে কোথায় কি আছে ।@এমদাদ হোসেন জাবেদ ।


নাকি আপনিও ঐ তথাকথিতদের মতন কাটমোল্লাগো কথা শুইন্যা মুসলমান্ :)
৪৮. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৭
ব্রাইট স্‌মাইল্‌ বলেছেন: এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন: "কিন্তু মূলত কোরআনের প্রত্যেকটি আয়াত কোন ঘটনা বা পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে অবতীর্ণ হন।"

ঘটনা বা পরিস্থিতি তো শুধু পুরুষ মানুষের বহু বিবাহের ক্ষেত্রে গড়ায়, কিনতু এমন ঘটনা বা পরিস্থিতির উদ্ভব হয়না ষেখানে মেয়ে মানুষের বহু বিবাহের দরকার হয়ে যায় এবং সে ক্ষেত্রে স্বামীর অনুমতি দেয়ার বিধান রয়েছে।

সৈকত বলেছেন: "ইসলামী কোন আইনে এই কথা লিখা আছে?"

সে প্রশ্নের উওর কোথায়? আপনিতো আবার কোরআন বিশ্লেষণ করে পড়েন এবং ভালো ভাবে ইসলামকে জানেন।
৪৯. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩০
ব্রাইট স্‌মাইল্‌ বলেছেন: এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন: "কিন্তু মূলত কোরআনের প্রত্যেকটি আয়াত কোন ঘটনা বা পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে অবতীর্ণ হন।"

ঘটনা বা পরিস্থিতি তো শুধু পুরুষ মানুষের বহু বিবাহের ক্ষেত্রে গড়ায়, কিনতু এমন ঘটনা বা পরিস্থিতির উদ্ভব হয়না ষেখানে মেয়ে মানুষের বহু বিবাহের দরকার হয়ে যায় এবং সে ক্ষেত্রে স্বামীর অনুমতি দেয়ার বিধান রয়েছে।

সৈকত বলেছেন: "ইসলামী কোন আইনে এই কথা লিখা আছে?"
এমদাদ হোসেন জাবেদ, সে প্রশ্নের উওর কোথায়? আপনিতো আবার কোরআন বিশ্লেষণ করে পড়েন এবং ভালো ভাবে ইসলামকে জানেন।
৫০. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩
শয়তান বলেছেন: এমদাদ হোসেন জাবেদ কৈ ভাগ্লেন
৫১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন: না জনাব, ভাগার কি দরকার আছে? আপনাদের মত লোকদের কাছ থেকে ভাগার তো কোন কারণ নাই। যাইহোক আপনি নিচের লিংক এ ক্লিক করেন আর প্রশ্ন করেন, আমি নিশ্চিত আপনি আপনার সব প্রশ্নের জবার পাবেন।
http://www.islam-qa.com/en
ধন্যবাদ সবাইকে......
৫২. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৭
ব্রাইট স্‌মাইল্‌ বলেছেন: @এমদাদ হোসেন জাবেদ গোটাটাই আমাদের দেশের মেয়েদের দোররা মারার জন্য দায়ী ফতোয়াবাজদের ওয়েবসাইট।
৫৩. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩
মাহিন আহমেদ বলেছেন: বাইয়োলজিক্যালিও তো মেয়েরা পুরুষের চেয়ে পিছিয়ে। তাই বলে কি মেয়ে হয়ে জন্মানো পাপ??? যা সত্য তাকে না মানলে, তা তো আর মিথ্যা হয়ে যাবে না। তাহলে কেন এই তর্ক??

৫৪. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৯
সাহায্যপ্রাপ্ত বলেছেন: নারী পুরুষের সমান অধিকার নিয়ে অনেক চিল্লপাল্লা শুনলেও কখনো শুনিনাই যে কোন নারী অভিযোগ করেছেন তাদেরকে কেন মসজিদে নামাজে নেয়া হয়না বা শুধু পুরুষ মানুষ কেন পয়গাম্বর হলেন। কোন নারী পয়গাম্বর কেন হলেন না?

আপনি শুনেছেন কি?

নারী পুরুষ যেহেতু সমান নয়, সেহেতু সব দিক দিয়ে অধিকার সমান হওয়ার প্রশ্নই আসেনা। কোন কোন ক্ষেত্রে বেশি আছে, কোন কোন ক্ষেত্রে কম আছে। এটাই সাম্যাবস্থা।
৫৫. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১১
আজম মাহমুদ বলেছেন: সুহৃদ,
আপনার ভালো থাকা কাম্য। ধর্ম বিষয়ক ব্লগে আপনার আগ্রহ এবং জ্ঞান বেশি বলেই আমি জানি। তাই আপনাকে সর্নিবদ্ধ নিমন্ত্রন আমার ধর্ম বিষয়ক মুক্ত আলোচনার ব্লগে। আশাকরি আপনি আসবেন এবং আপনার মূল্যবান মতামত দিয়ে আলোচনাটিকে সার্থক করে তুলবেন।

Click This Link
৫৭. ১৪ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৭
যোবায়ের বলেছেন: রুপকার বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথারা নারীদের সম্মানজনক মর্যাদা না দিয়ে রক্ষিতা হিসেবে রাখতে চাই। কোরআন বিশ্লেষণে কুয়োর বাং এর পরিচয় দিয়েছে। এ লিটল্ নলেজ ইজ ডেন্জারাস থিং
৫৮. ১৪ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৪
প্রজন্ম একুশ বলেছেন: ইসলামে দ্বিতীয় বিয়ে করতে কারো কোন অনুমতি লাগেনা।
৫৯. ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৩৯
এ কে এম ওয়াছিয়ুন হালিম বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি র প্রশ্নের জবাবে লেখক যা লিখলেন এবং পুরা অনুচ্ছেদ পড়ে যা বুঝলাম লেখক এখানে আদিবাসি বর্বর অশিক্ষিত মানব গোষ্ঠিকেই মানুষ হিসেবে গণ্য করেছেন। এটা অস্বীকার করার জো নেইযে উনি শিক্ষিত ব্যক্তি। কিন্তু উনি বারবারই উনার যুক্তির সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে এনেছেন আদিবাসি গোষ্ঠির অসভ্য যৌনাছার। উনি এমন মানুষ যেমন হুমায়ন আহমেদ তার মেয়ের বান্ধবিকে বিয়ে করে সংসার করছেন বিশ্বের সকল সভ্য মানুষ এইরকম হোক। উনি গারো সমাজের যেই উদাহরণ দিলেন, ওঃ আমি নিশ্চিত উনি বস্তুত শিক্ষা বলে কিছু লাভ করেননাই।
যেই ভিডিওগুলো দেয়া হল ওনার যুক্তির পক্ষে সবগুলোই বিভিন্ন আদিবাসি বর্বর জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট বহুবিবাহ করে তার ঐতিহ্য রক্ষা করছেন তাই বলে তো এটা সামাজিক সংস্কৃতি হলনা।
৬০. ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৩৯
এ কে এম ওয়াছিয়ুন হালিম বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি র প্রশ্নের জবাবে লেখক যা লিখলেন এবং পুরা অনুচ্ছেদ পড়ে যা বুঝলাম লেখক এখানে আদিবাসি বর্বর অশিক্ষিত মানব গোষ্ঠিকেই মানুষ হিসেবে গণ্য করেছেন। এটা অস্বীকার করার জো নেইযে উনি শিক্ষিত ব্যক্তি। কিন্তু উনি বারবারই উনার যুক্তির সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে এনেছেন আদিবাসি গোষ্ঠির অসভ্য যৌনাছার। উনি এমন মানুষ যেমন হুমায়ন আহমেদ তার মেয়ের বান্ধবিকে বিয়ে করে সংসার করছেন বিশ্বের সকল সভ্য মানুষ এইরকম হোক। উনি গারো সমাজের যেই উদাহরণ দিলেন, ওঃ আমি নিশ্চিত উনি বস্তুত শিক্ষা বলে কিছু লাভ করেননাই।
যেই ভিডিওগুলো দেয়া হল ওনার যুক্তির পক্ষে সবগুলোই বিভিন্ন আদিবাসি বর্বর জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট বহুবিবাহ করে তার ঐতিহ্য রক্ষা করছেন তাই বলে তো এটা সামাজিক সংস্কৃতি হলনা।
৬১. ১০ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫৪
ইস্ক্রা রহমান বলেছেন: @এ কে এম ওয়াছিয়ুন হালিম: ভাই, যখন শিক্ষিত ব্যক্তিই তার পরিবারের লোকজন (যেমন: ভাইঝি, ভাবী, বোন) এর উপর যৌন নির্যাতনে লিপ্ত হয়, তখন তা বর্বর, অমানবিক মনে হয় না? এই তো আমাদের শিক্ষার ফল যে, আদরের ভাইঝিটির দিকেও লোলুপ দৃষ্টি দিতে দ্বিধা করি না! আর যে আদীবাসিদের বর্বর বলে হেয় করছেন, আমি তো তাদের মধ্যেই প্রকৃত মনুষ্যত্ব ও শিক্ষা দেখতে পাচ্ছি। এদের কাছ থেকেই আমাদের শেখা উচিৎ। আমরা শিক্ষিতরাই কত কুৎসিত কাজ করি তা চিরকাল গোপনই থেকে যায়। অথচ, তারা আমাদের মত ইসলামের আদর্শ অনুসরণ না করেও কত সুন্দর জীবনযাপন করছে। কথা বলার আগে ভেবে বলা উচিৎ। আপনার কথা অনুযায়ী তো আপনি ঐসকল আদীবাসীদের মানুষ বলেই গণ্য করছেন না।
৬২. ১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:০০
ইস্ক্রা রহমান বলেছেন: লেখককে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ধর্মগ্রন্হগুলোর মতে, পুরুষদের কামোদ্রেক নিবারণ করার দ্বায়িত্ব যেন বেশীরভাগই নারীর। পুরুষরা যেন নারীদের প্রতি লোলুপ দৃষ্টি দেবে এটাই স্বাভাবকি। কই, আমাদের তো কখনও যাকে তাকে দেখে কামোদ্রেক হয় না! যাদের বহু নারীর সঙ্গ কামনার আসক্তি থাকে সে কি মানসিকভাবে অসুস্থ নয়? সবশেষে আপনাকে আবারও ধন্যবাদ জানাচ্ছি এমন সুন্দর লেখার জন্য।
৬৩. ১৮ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৫৩
এ কে এম ওয়াছিয়ুন হালিম বলেছেন: @ iskra(osposto) rahman
bangla type problem koray english e likhci. Apnar comment valo bujte parlamna, Ami janina apni amar comment bujecen kina...... jai hok, prithibite kichu shonkhok jati (upojati) eidhoroner (mul passage e bornito) jounachar kore. apni bollen amra bon, bhabi, vatiji-r dike lolup dristite takai, naujubillah. please emon kono kotha bolbenna jeta exceptional. ha, erokom bikkhipto kichu ghotona ache ei somaje, but apni sustho, shikkhito manusher moddhe kivabe erup achar pelen, ta amar bodhgommo noy. exceptional jei ghotona gulo ghote ta basically ghote oshikkhito, grammo familly gulote, tao jader moddhe dhormio shikkha-o nuno-tomo. Ami Humayon Ahmed-r kotha ta bolechilam, apni kheyal korecen kina janina, acca eita kirup nirapod jounacar hote pare?? 1ta meyer upor ki eta kono onnay hoyni?? apni hoyto ekhon bolte paren meyer bandhobi jodi agreed hoy to apotti ki. to shavabik vabe cinta korte hobe j eta kivabe udvobo hote pare. Ami bolini j Adibashi ra manush noy, kintu ora proper samajik education lav korenai j samajikota bujbe. Ami blog ti-te comment korechi amar fundamental bibechona theke. Ami mone korina sexual bapar-e nirlipto holei somaj sundor hobe. Dimukhi achoron marattok biroktikor, apni ekhane sexual bapare udar monovab dekhaben, kintu jokhoni kono muslim (jonmogotovabe, karon prokrito muslim onoitik kaj kokhonoi korbena) meyer bandhobi k biye korbe othoba shashurir sathe sex korbe othoba nijer wife k karo sathe share korbe tokhon apni Islamer-e 14 gusthi uddhar korben. apni cinta korbenna j lokta ado dhormo kotota mane. Ami sposto bolte chai, jar moddhe khoda viti ache j prokrito orthe muslim se kokhonoi apnar jukti moto oporadh (relative k sexual dristite dekha) korbena. Ami gipsy or adibashi der omanush bolinai bolte cacci ora exceptional, r oder moddhe o khub olpo lok-ei eidhoroner jibonacar kore. Dhormo k voy pan bolei dhormer 14 gusthi uddhar koren, eta thik noy. Ddormo manle apni oshobbota, oboidhi achar, onnay korte parbenna bolei apni dhormo manenna. Dhonnobad. Take care. chaile amake mail korte paren......
৬৪. ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:২৬
মামুন মোর্শেদ খান বলেছেন: পোস্ট তথ্যবহুল এবং যৌক্তিক নি:সন্দেহে তবে বিশ্লেষন ভঙ্গী, উপস্থাপনা ইত্যাদি পছন্দ হলো না।

আমার মতামত এই ধরণের বিষয় আলাচনায় সভ্য এবং সঠিক ভাষার প্রয়োগ খুব দরকার।

আর যুক্তিগুলো একপেশে না হয়ে ডায়ালেক্টিক্যাল হওয়া দরকার যাতে আস্তিক পাঠক আঘাত না পান বরং যুক্তিগুলো যেন তাকে ভাবাতে সাহায্য করে।

কোন একটি ধর্মীয় রীতি-নীতি বা বিধানকে বিচার করার ক্ষেত্রে সমকালীন সমাজবাস্তবতার প্রেক্ষাপট মাথায় রাখা উচিত।

তৎকালীন সমাজে বহুবিবাহ, বাল্যবিবাহ এমনকি দাসী/বন্দিনীর সঙ্গে সহবাসের প্রথার অনুমোদনকে আজকের সমাজের নীতি-নৈতিকতার মাপকাঠি দিয়ে বিচার করে নিষ্ঠুর বিবেচনা করা অবৈজ্ঞানিক।
অর্থাৎ, সোজা কথায় "পজিটিভ-নেগেটিভ দুটোই সামনে এনে সমাগ্রিকভাবে বিচার করা উচিৎ।"

আর বাকি সবকিছু মিলিয়ে লেখককে সাধুবাদ।

শেষ কথা নজরুলের ক'টি যুগান্তকারী ছত্রঃ-

"মানুষেরে ঘৃণা করি

ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি মরি

ও’ মুখ হইতে কেতাব গ্রন্থ নাও জোর ক’রে কেড়ে,
...
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে,

পূজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল! মূর্খরা সব শোনো,

মানুষ এনেছে গ্রন্থ; গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো।

আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মাদ

কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবীর,-বিশ্বের সম্পদ,

আমাদেরি এঁরা পিতা-পিতামহ, এই আমাদের মাঝে

তাঁদেরি রক্ত কম-বেশী ক’রে প্রতি ধমনীতে রাজে!"
৬৫. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২৬
আলনূর বলেছেন: আজাইরা প্যাঁচাল। ফাও সময় নষ্ট হইল। বেশী আঁতলামী ভাল না।
৬৬. ২৩ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:১১
মেগা বাইট বলেছেন: Dhormo Kokhono Kormo hote pare na......
ai Dhormo judhdho cholbei. kintu kono hal ber hobe na..... sob slara sagur dol dhormo toiri korse.

" jokhon manush bipode pore tokhon kon DHORMO pase daray? kono DHORMOI daray na. Manush e Manusher pase daray"
৬৭. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৩১
মুক্ত আকাশ বলেছেন: "শুধু একটা তথ্য আপনাকে দিতে পারি- এইসব ন্যাংটো মেয়েদের দিনে রাতে দেখেও ওদের পুরুষেরা উত্যক্ত করার কথা কল্পনাও করতে পারেনা, এরা হয়তো- অন্য সমাজের পুরুষদের (যারা নিজেদের সমাজে লজ্জা নিবারনের পোষাকে অভ্যস্ত) হাতে রেপড হতে পারে- কিন্তু এখানকার পুরুষদের তাদের নারীদের রেপ করার কোন নজির নেই।শুধু একটা তথ্য আপনাকে দিতে পারি- এইসব ন্যাংটো মেয়েদের দিনে রাতে দেখেও ওদের পুরুষেরা উত্যক্ত করার কথা কল্পনাও করতে পারেনা, এরা হয়তো- অন্য সমাজের পুরুষদের (যারা নিজেদের সমাজে লজ্জা নিবারনের পোষাকে অভ্যস্ত) হাতে রেপড হতে পারে- কিন্তু এখানকার পুরুষদের তাদের নারীদের রেপ করার কোন নজির নেই।"

B-) রেপ না হবার নজির নেই কেন?তারা বুক পাছা উদম রাখায় পুরুষরা আলাদা কোন আকর্ষন পায়না?যে সমাজে রেপ বেশী সে সমাজে রেপ বেশী কেন?সব ঢেকে রাখে বলে?আমরা কি এই সমাজের লোকদের বলবো,ঢাকাঢাকি বাদ দিয়ে সব উদম করে রাখতে?ঢকলেই তো আকর্ষন বাড়ে।যেটি পৃথিবীর বিরাট অংশের মানুষের প্রথার সেটাই কি আমডের বিবেচ্য হবে নাকি যেটি অধিকাংশ মানুষ অনুসরন করে,সেটি?
৬৮. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪৪
মুক্ত আকাশ বলেছেন: ১) কোরআনে যেহেতু একজন পুরুষের স্থলে দু'জন নারী সাক্ষীর কথা বলা আছে কেন? এর মধ্য দিয়ে দুইজন পুরুষকে একজন নারীর সমকক্ষ হিসাবে কি গণ্য করা হলো না?

B-) এটা ভাই কোন ধরনের অংকের সুত্র,
যে ১ জন পুরুষ=২জন নারী
বা,২জন পুরুষ সমান=১ জন নারী?

কেউ কি অংকটা বুঝিয়ে বলবেন?

২) কোরআনে স্ত্রীকে বেধরক প্রহারের অধিকার স্বামীকে দেয়া হয়েছে। এটা কি অমানবিক নয়? একই অধিকার স্ত্রীকে দেয়া হয়নি কেন? এটা কি সম অধিকার বা ন্যায়পরায়নতা প্রকাশ করে?

B-)" বেধড়ক" কথা কোরআনে কোথায় আছে,জানাবেন কি?অপেক্ষায় থাকলাম জানার জন্য।আমার জানা মতে কোরানে শুধু এতটুকু আছে আঘাত করা যেতে পারে।আর সে আঘাত কেমন হতে পারে,তার ব্যখ্যা দিয়েছেন নবী(স।)তিনি বলেছেন এমন আঘাত মেসওয়াকের েক মাথা দিয়ে হাল্কা স্পর্শ করা যেতে পারে।আর তাছারা তিনি আমাডের আডর্শ।তিনি কোনদিন কোন স্ত্রীর গায়ে হাত তুলেননি।
৬৯. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪
মুক্ত আকাশ বলেছেন: ৩) কোরআনে নারীদের মাসিক রজঃস্রাবকে অশুচি হিসাবে গণ্য করা হয়েছে কেন? এসময়ে নারী কেন ধর্মীয় কাজকর্মের (নামাজ-রোযা প্রভৃতি) পর্যন্ত অধিকার পাবে না?

B-) নারী মাত্রেই জানেন কি ধরনের শারিরীক মানুষিক কষ্তের মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাদের এই সময়ে।ইসলাম তদের এই সময়ে নামাজ রোজা থেকে অব্যাহতি দিয়েতো বড়ং তাদের প্রতি ইহসান করেছে।নামজের জন্য পবিত্রতা শর্ত।এই সময়ে তাদের পাক থাকা সম্ভব হয়না।তাই নামাজ পড়া নিষেধ।অশুচি মানেতো তাদের সাথে চলাফেরা নিষেধ করা হয়নি।পুরাতন অন্যান্য ধরমের মত টাডের ছোয়া নিষিদ্ধ ।এখানে ঠিক আপত্তির জায়গা কোথায় বুঝলামনা।
৭০. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:০৫
মুক্ত আকাশ বলেছেন: ৪) কোরআনে স্ত্রীকে শষ্যক্ষেত্রের সাথে তুলনা করে হেয় করা হয়নি কি

B-) কত গান শুনলাম "এই মাটি আমার মা"।কারন এই মাটি আমদের ফসল দেয়।কৃষক এই মাটিতে ফসল ফলায়,এই মাটিতে তার সন্তানের মত সোনার ধান বেড়ে উঠে।কই কেউতো বল্লোনা মাকে কেন শস্যক্ষেতরের সাথে তুলনা করা হলো?একজন পুরুষ মিলনের মাধ্যমে তার sperm নারীর জরায়ুতে নিক্ষেপ করে।নারী সে sperm টার জরায়ুতে ধারন করে সন্তান জন্ম দেয়।ঠিক সেই কৃষকের মত,যে বীজ বুনে ফসল ফলায়।এখানে ছোট হবার বিসয় আসছে কেন?নারীকে জদি সেরকম ক্ষেত বলা হয় তবে সমস্যা কোথায়?
৭১. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:১২
মুক্ত আকাশ বলেছেন: ৫) কোরআনে যেহেতু নারীকে পুরুষের অর্ধেক সম্পত্তি দেয়া হয়েছে। কেন? এর মধ্য দিয়ে কি প্রমাণ হয় না যে নারী-পুরুষকে সমান অধিকার দেয়া হয়নি?[/su

B-) নারী পুরুষ কি সমান সব ক্ষেত্রে?মেয়েদের জন্য maternity leave আছে।ছেলেদেরতো নেই।দুজনি চাকরি করে,অথচ একজন অণ্ন্যের সমান বেতন পায় কয়েক মাস কাজ না করেও।মেয়েদের জন্য বাস এ সংরক্ষিত আসন,অথচ ছেলেদের জন্য?স্কুলে,কলেজে তাদের জন্য আলাদা common room কেন?এগুলি কি দুজনকে সমান করলো?বিভিন্ন tournament এ ছেলেমেয়েদের আলাদা group কেন?নারী পুরুষ তো সমান হবার কথা।

আমি মনে করি উপরের এই বিভাজন সঠিক।কারন নারী পুরুষ এখন না।দুজনের কর্মক্ষেত্র আলাদা,দায়দায়িত্ব আলাদা।

পুরুষ সম্পত্তি বেশী পায়।কারন:
১।নারীর সারা জীবনের যত আর্থিক দায় সব পুরুষের।
২।নারীকে বিয়ের সময় পুরুষ মোহরানা দেয়।
৩।পুরুষকে উপার্জন করে নারীর ভরনপোষনের ব্যবস্থা করতে হয়।
৪।নারী যদি কিছু উপার্জন করে,সেখানে পুরুষের কোন অধিকার নেই।


দেখা যায় পুরুষের দায়িত্ব অনেক।তার খরচের খাত ও অনেক।তাই তাকে সম্পত্তিতে নারীর চাইতে বেশি দেয়া হল।কিন্তু নারীর যেহেতু খরচ কম,তাই তার অংশ কম।

৭২. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২১
মুক্ত আকাশ বলেছেন: ৬) কোরআনে অপ্রাপ্তবয়স্ক বালিকাদের বিয়ে করাকে নিষিদ্ধ করা হয় নি কেন?

B-) কারন কোরআনের বিধান কোন এক কালে সীমাবদ্ধ নয়।এর বিধান সর্বকালের সর্বযুগের।কোরআন বিয়ের কোন বয়স নির্ধারন করেনি।এটি ছেড়ে দি্য়েছে সমসাময়িক মানুষের পছন্দ,অভিরুচির উপর।যে সময় কোরআন অবটীর্ন হয় তখন মানুষের মাঝে অল্প বয়সে বিয়ের প্রচলন ছিল।এই যুগে এসে মানুষ অল্প বয়সে বিয়েটাকে খরাপ চোখে দেখছে।কে জানে আগামি শতকে মানুষের এই অভিরুচি পাল্টে যেতেও পারে।বোয়ের মত একটা গুরুত্বপুর্ন বিষয়ে কোন বয়স নোর্ধারন না করে দেয়াটা আমার মনে হয় কোরআনের বিজ্ঞতার পরিচয়।
৭৩. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০০
মুক্ত আকাশ বলেছেন: ৭) কোরআনে অমানবিক হিলা বিয়ের কথা লিখা আছে কেন?[/su

B-)কোরআন কিংবা হাদীস্‌ বা ইসলামের কোথাও হিলা বিয়ে নামে কিছু নেই কারো জানা থাকলে জানাবেন।

কোরআনের সুরা বাকারার ২৩০ আয়াতে আল্লাহ বলেছেন যদি কেউ তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেয় তবে সে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারবেনা যতক্ষন না সে স্ত্রীর অন্য কারো সাথে বিয়ে হয় ও স্বাভাবিক ভাবে তালাক হয়।

ইসলাম পুর্বযুগে আরবের লোক সকাল বিকাল তালাক দিত আর ফিরিয়ে নিত।এটি ছিল তাদের কাছে এক ছেলে খেলা।এভাবে তারা নারীদের নানাভবে কষ্ট দিত।না নারীরা শান্তিমত কারো ঘর করতে পারতো,না তালক নিয়ে আলাদা হতে পারতো।

ইসলাম নারীদের এই কষ্ট লাঘব করেছে।বলেছে তিন তালাকের পর নারীরা আলাদা হয়ে যাবে।পুরুষরা যাতে এই নিয়ে খেলতে না পারে সেজন্য নারীদের আরেক বিয়ের আগে পুর্বের স্বামির সাথে মিলতে না পারার বিধান রাখা হয়েছে।যাতে করে পুরুষরা সাবধানি হয়।কারন উল্টাপাল্টা তলাক দিলে াআগের স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার পদ্দঃতি অনেক কঠিন।এতে সে সংযত হবে।

কিন্তু দুখের বিষয় কিছু লোক হিলা বিয়ে নামে নতুন পদ্ধতি বের করেছে।তারা কারো সাথে চুক্তি করে,আজ বিয়ে করে কালকেই ছেড়ে দিতে হবে।নারীকে বাধ্য করা হয় এমন বিয়েতে মত দিতে।এই ধরনের বিয়ে ইসলামে কথঠোর ভাবে নিষিদ্ধ।রাসুল(স।) বিভিন্ন হাদীসে এমন বিয়ে কারির উপর অভিসম্পাত দিয়েছেন।

ইসলাম বরং নারীর মর্যাদা সমুন্নত করেছে।যে লোক তাকে তলাক দেয় সে কেন তার সাথে আগ বাড়িয়ে আবার সাথে সাথে ঘর করতে রাজী হবে। সে অন্য স্বামীর ঘর করবে।যদি কোন কারনে স্বাভাবিক ভাবে(কোন চুক্তি করে নয়) দুজনের তালাক হয়,তাহলে নারীটি চাইলে আগের স্বামীকে াবার বিয়ে করতে পারবে।

এই পদধতি কি নারীর মর্যাদা কমাল নাকি বাড়াল?
৭৪. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:০০
দি ব্লগার৪৪ বলেছেন: আপনার বাবার পরিচয় জানা আছেতো? নাকি ডিএনএ টে স্ট করতে হবে? হা হা হা.......... কত রকম ছাগলই না রয়েছে এই দুনিয়ায়!
৭৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:৫৬
আেনায়ার এইচ ভূইয়া বলেছেন: Money hoy lekhok jeneshunei money dukkho bodh korechen. Jara bipokkhey tara sobai mukhosto biddar balok. Sharatchandrer ekta boiye lekha achhey: Ih tui bolei holo. Amader boiye lekha achhe'. Jahok buddhir chash koratai bhalo. Andher bishwas kono mullyo dharon korena. Bekub money hoy. Lekhok buddhir charcha korechhen. Takey dhannyabad.

 

মোট সময় লেগেছে ২.১৭০৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই