আমার প্রিয় পোস্ট
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- পার্কজুড়ে কেবলই ব্যবহৃত কনডমের খোসা - সরকার আমিন ১৯৬৭
- হুলিয়া ।। নির্মলেন্দু গুণ - মুকুল
- এক্টা গরম গান, একদিনে ১৫টার বেশি ইমেইল যারা পান তাগো সবার জন্যে - নির্বাক সুশীল
- সূর্যকে কেন্দ্র করে জ্যোতিষ্ক মন্ডলী ঘোরে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আমাদের পাঠশালা'র নববর্ষ র্যালী - কৌশিক
- পাঁচ-কুড়ি-এক বাছাই বচন - মোস্তাফিজ রিপন
- বেহুলা - লক্ষিন্দরের বাসর ঘর - ক্যামেরাম্যান
- কতগুলো ফ্রী মুভি ডাউনলোডের সাইট! - ঢিল মারে কে মোর টিনের চালে
- রবীন্দ্রনাথের অসাধারণ এক কবিতা, না পড়লে জীবন বৃথা!! -১
(তন্ময়) - ত্যান্দর
- প্রতিবেশি লেখার খাতা - মাঠশালা
- গণজাগরণের শিল্পী : শাহ আবদুল করিম - মুক্তাদীর আহমদ
- পুনর্মুদ্রন ..।// লেখাটা দয়া কইরা পড়েন - ছক্কা হাজী
- স্মৃতি হাতড়ে......পড়া বইয়ের তালিকা...... - আশেক ইব্রাহীম
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
- আর রেখোনা আঁধারে আমায়; দেখতে দাও... (প্রসঙ্গঃ আরজ আলী মাতুব্বর-এর ধর্মদর্শন) - কানা বাবা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গনহত্যার ভিডিও দেখুন - অমি রহমান পিয়াল
- একাওরের রাজাকার, গর্জে ওঠছে আরেক বারঃ মন্তব্য প্রয়োজন - লাল দরজা
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- অনলাইনেই কনভার্ট করুন - নাজিরুল হক
- টরেন্ট ডাউনলোড - ডার্কলর্ড
- "এক ক্লিকে দুই সার্চ ইঞ্জিন" Google and Yahoo! Search Result Side by Side - প্রচেত্য
- সারা দুনিয়ার মানুষকে মুসলমান বানায়া ফেলবো যদি ফজলে এলাহি কোরান অনুযায়ী আবিষ্কারটা করেন - দীক্ষক দ্রাবিড়
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- সহজিয়া দর্শন - ২: হাসি ফোটাওনা কেন মন - জ্বিনের বাদশা
- আপনি কেমন আছেন কবি দাউদ হায়দার! - মাসকাওয়াথ আহসান
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- হুমায়ুন আজাদ যেখানে জিতে গেছেন - মুহম্মদ জুবায়ের
- শোকার্ত শৃগালদের জন্য || চার্লস বুকস্কির ছায়া কবিতা - হাসান মোরশেদ
- আন্দালিফের দূর্বল গদ্য - রাসেল ( ........)
- জয়নাল অনুসন্ধান। - রাসেল ( ........)
- আন্দালিফ-বৈকালিক ভাবনা। - রাসেল ( ........)
হাঁচির জবাবে কি বলতে হয়?
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৩৪
সেদিন কাজ করছিলাম,সহকর্মী হাঁচি দিল, খেয়ালও করিনি, একমিনিট পরে সে ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলল, নাজিম থ্যান্ক ইউ। আমি বললাম, কি হল আবার? বলল, হাঁচির জবাবে 'ব্লেস ইউ' বলার জন্যে।
আমি সাধারণত হাঁচির জবাবে কিছু বলি না, হাঁচি একটা স্বাভাবিক দৈহিক প্রক্রিয়া, শ্বাসতন্ত্রে কোনকিছু আটকালে বা নাকের মিউকাস উত্যক্ত হলে হাঁচি দিয়ে দেহ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। এরসাথে ব্লেস ইউ, আলহামদুলিল্লাহ বলার কোন সম্পর্ক নাই।এটা কুসংস্কার।
হাঁচিকে আগের যুগে ঈশ্বেরের ওয়ার্নিং বলে ধরা হত। আগে মনে করা হত হাঁচির সময় হার্ট বন্ধ হয়ে যায়, অথবা হাঁচি হল জান কবজ হওয়ার লক্ষণ। তাই প্রত্যুত্তরে ভাল কিছু বলা হত, যে হাঁচির মধ্য দিয়ে ফাড়া কেটে গেছে, জান চলে যায়নি।
কোন অঞ্চলে মনে করা হয় হাঁচির মাধ্যমে সৌভাগ্যের বার্তা আসছে। তার উত্তরে ভাল কিছু বলে সৌভাগ্যকে স্বাগত জানানো হয়।
আরও অনেক গল্প চালু আছে। কোন কাজের আগে হাঁচি দিলে এখনও মানুষ অশুভ লক্ষণ মনে করে। দুদন্ড বসে নিয়ে তারপরে কাজে নামে। জাপানে মনে করা হয় হাঁচির সময় দূরে কোথাও কেউ তাকে স্মরণ করছে, বাংলাদেশেও খাবার সময় হাঁচি দিলে তা বলা হয়।
তারপরও কেউ হাঁচি দিলে তাকে 'ব্লেস ইউ' , 'আলহামদুলিল্লাহ' বলার কোন মানে নাই। কেন বলব, সে হাঁচি দিয়ে আমার উপর অসংখ্য জীবাণু ছড়িয়ে দিল, আর আমি তাকে বলব, মঙ্গল হোক'। বরঞ্চ সেখান থেকে সরে যাওটাই মঙ্গলজনক। কলিগ সব শুনে বলল, আর কখনও সে কারও কাছ থেকে হাঁচির উত্তরে , ব্লেস ইউ' আশা করবে না।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
কৌশিক বলেছেন:
হাহাহাহাহ - হ্যাচ্চো....
মিলটন বলেছেন:
আপনার তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। অনেককিছুই জানলাম। আপনার পোষ্ট থেকে----
"এরসাথে ব্লেস ইউ, আলহামদুলিল্লাহ বলার কোন সম্পর্ক নাই।এটা কুসংস্কার।"
আমি তর্কে যাবো না হয়ত খুব কম জানি বলে। আমি শুনেছিলাম, ইসলাম ধর্মে হাঁচির পর হাঁচি দাতা "আলহামদুলিল্লাহ" বলবে এবং যে শুনবে সে "ইয়ারহামুকুল্লাহ" বলবে। আপনি যদি আলহামদুলিল্লাহ বলাটা কুসংস্কারই বলেন তবে আমি বলবো আসলে ধর্মটাই কুসংস্কার।
লেখক বলেছেন: আবু হুরাইরা (বিড়ালের বাপ) বর্ণিত বুখারী হাদীসে আছে, হাঁচির জবাবে আলহামদুলিল্লাহ বলতে হবে, এবং যে শুনবে সে "ইয়ারহামুকুল্লাহ" বলবে।এরপর হাঁচিদাতা বলবে, ইয়াহদিকুমোল্লাহু ওয়া ইয়াসলিহু বা'লাকুম।
বড়ই জটিল।
সততার আলো বলেছেন:
হাচি আমাদের শরীরের জন্য কিছুটা উপকারী একটা প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে শ্বাষতন্ত্রের আটকে পড়া জীবাণু এবং ধুলা বালি বেরিয়ে যায়। এটি সুস্থতা নিশ্চিত করে। তবে মি: মোহাম্মাদ (স) অনেক বুদ্ধিমান ছিলেন। তিনি হাচি হলে আলহামদুলিল্লাহ বলতেন। এখন গত ১শ বছর আগেও মানুষ এব্যাপারে জানত না। কিন্তু রাসূল (স) ১৪০০ বছর আগেও জানতেন। আর জ্ঞান অবশ্যই আল্লাহরই এক বিশেষ অনুগ্রহ।
এরকম বুদ্ধিমান মানুষের অন্ধ ভক্ত হওয়ার সুযোগ হওয়ায় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। আলহামদুলিল্লাহ।
লেখক বলেছেন: শুকরিয়া। আপনি অন্ধ ভক্ত জেনে খুশি হলাম।
আমি বাংলায় গান গাই বলেছেন:
আলহাম্দুলিল্লাহ
কৌশিক বলেছেন:
সততা, হাচির মাধ্যমে শ্বাষতন্ত্রের আটকে পড়া জীবাণু এবং ধুলা বালি বেরিয়ে যায়। এটি সুস্থতা নিশ্চিত করে। নাজিম কি লিখেছে আবার একটু পড়েন, শ্বাসতন্ত্রে কোনকিছু আটকালে বা নাকের মিউকাস উত্যক্ত হলে হাঁচি দিয়ে দেহ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। এই হাঁচিটা আপনি রহমত সরূপ দেন না, উত্যক্ত হবার পরে দেন। এবং সেটা একটা সংবেদনের প্রতিক্রিয়া সরূপ। যা কোন সুস্থ্যতা বা অসুস্থ্যতা নিশ্চিত করে না। একটা স্রেফ স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।
ব্লেসইউ বা আলহামদুলিল্লাহ বলার অর্থ স্রেফ অজ্ঞনতাপ্রসূত। আরবে তৎকালে হাঁচিতে জীবন বিপন্ন হওয়া মনে করা হতো বলেই হযরত মুহাম্মদ সাঃ এই দোয়া করার প্রচলন ঘটিয়েছিলেন।
লেখক বলেছেন: যে বুঝার সে আকারে ঈঙ্গিতেই বুঝে।
যদি আপনি মনে করেন শরীর থেকে জীবাণু বাহির হলে আপনার ক্ষতি হবে তাহলে আপনাকে আলহামদুলিল্লাহ বলার কোন প্রয়োজন নাই আর যদি ভাল হয় তাহলে আপনার বলার উচিত কি না চিন্তা করবেন।
আর আপনাদের মধ্যে সব সময় একটা না সূচকবোধ কাজ করে কিন্তু কেন? আপনাদের সমস্যাটা কোথায়?
লেখক বলেছেন: একসেলেন্ট।
একজন জীবাণু বের করে আমার উপর বা আমার আশেপাশে ছড়িয়ে দিল আর আমি খুশিতে বাকবাকুম নাচব।
ধরেন আমি মুসলিম, যে হাঁচি দিল সে খ্রীস্টান। তার হাঁচির জবাবে আমাকে কি বলতে হবে, সে তো আলহামদুলিল্লাহ বলে নাই।
আগে মানুষ জানত না তাই এসব প্রাকটিস করত, আমরাও অন্ধভাবে তা অনুকরণ করে যাচ্ছি।
দ্রগবা বলেছেন:
মাইনাস।
লেখক বলেছেন: থ্যান্কু।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
সারা পৃথিবীতেই হাঁচি উত্তরে কিছু না কিছু বলা হয়। যেমন-
Gesundheit (জার্মান)- ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন।
Felicita (ইতালি)- সুখী হও।
Que Dieu vous bénisse (ফরাসি)- ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন। অথবা A tes/vos souhaits- তোমার সুখের জন্য।
Salud (আর্জেন্টিনা)- সুস্বাস্থ্য কামনা করি।
Jesús (স্পেন)- যিশু।
Bud'te zdorovi (ইউক্রেন)- তোমার সুস্বাস্থ্য হোক।
Prosit (ডেনমার্ক, সুইডেন)- ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন।
Jio (ভারত)- দীর্ঘজীবী হও।
Ubo (ফিলিপিন)- কাশি।
Na Zdravlje (বসনিয়া)- তোমার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।
Yi Bai Sui (চীন)- একশ বছর বাঁচো।
Egésszégedre (হাঙ্গেরী)- তোমার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।
Na zdrowie (পোল্যান্ড)- সুস্বাস্থ্য কামনা করি।
Bless you (আমেরিকা/কানাডা/অস্ট্রেলিয়া/ব্রিটেন)- ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন।
মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে হাঁচির উত্তরে 'আলহামদুলিল্লাহ' বলা হয়। একমাত্র জাপানিরাই নাকি হাঁচি শুনলে কোন কিছু বলে না।
কুয়াশা বলেছেন:
জ্ঞানী বোঝে ইশারায়বোকয় বোঝে কিলে
অতি বড় বুদ্ধিমান বোঝে
ঘাড়ে ঘুল্লন দিলে।
আপনার ইচ্ছা হলে নাচেন বা যা মনে লাগে তাই করেন এইসব জিনিশ নিয়ে এইখানে প্যাচাল পাইড়েন না। যারা বিশ্বাস তার কাছে। আপনার ভাল না লাগলে চুপ থাকেন।
"বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদুর।"
মাইনাস - - - - - - - - - - -
লেখক বলেছেন: আসছে আরেকজন, ব্লগের ঠিকাদার।
রাজর্ষী বলেছেন:
বিষয়টি আসলেই গুরুত্বপুর্ন । আন্তর্জাতিক ও বটে। এটা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিতর্ক আয়োজন আবশ্যক।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
এই পোষ্টের মাধ্যমে নাস্তিকদের সাথে সভ্য সমাজের একটা পার্থক্য স্পষ্ট হলো । সভ্য সমাজের মানুষেরা যে কোন পরিস্থিতিতে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল । একজন তার অজান্তেই অন্যের কোন ক্ষতি করে ফেল্লেও প্রতিদানে ব্লেস ইউ বলতে কুণ্ঠিত হয়না সভ্য সমাজের বাসিন্দারা । কী চমৎকার ব্যাপার । "ক্ষতির আশঙ্কা সত্তেও পারস্পরিক সহমর্মিতা"-র এই চমৎকার চর্চা যদি কুসংস্কার হয়, সভ্যতা / সামাজিকতা / শিষ্টাচার এর জন্য এটাই ভালো । এই প্রাকটিস মানুষে মানুষে হৃদ্যতা বৃদ্ধির প্রাকটিস ।
লেখক বলেছেন: ইন্টারেস্টিং, সভ্যসমাজে অনেক কুসংস্কার চালু থাকলেও নির্বিচারে সেটা মেনে নিতে হবে?
জাহান৮২ বলেছেন:
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: সারা পৃথিবীতেই হাঁচি উত্তরে কিছু না কিছু বলা হয়। ধন্যবাদ তাকে।
আপনার সমস্যা কি শুধু আলহামদুলিল্লাহ তেই?@লেখক
লেখক বলেছেন: মোটেই না, আপনি কি সব বাদ দিয়ে সেটাই বুঝলেন?
ঠিক নাকি বেঠিক?
লেখক বলেছেন: বড়ই খাঁটি কথা বলেছেন। বেহুদা এত সময় আর শক্তি বাঁচিয়ে কি হবে?
আপনিও এত সময় ও শক্তি খরচ করে মন্তব্য করেছেন দেখে খুশি হলাম।
একজন ব্লগার বলেছেন:
"এরসাথে ব্লেস ইউ, আলহামদুলিল্লাহ বলার কোন সম্পর্ক নাই।এটা কুসংস্কার।" ---- এই বাক্যটার সাথে একমত হতে না পারায় সজ্ঞানে মাইনাস প্রদান করা হইলো। নিজের মতামত ব্যক্ত করতে গিয়ে কারো ধর্মানূভিতে যেন আঘাত না লাগে সেদিকে সকলেরই লক্ষ্য রাখা উচিৎ। আর নিজে একজন মুসলমান হয়ে "আলহামদুলিল্লাহ" বলাটা প্রকাশ্যে কুসংস্কার বলে চালিয়ে দেয়াটা আরও অনুচিৎ কাজ।
আমারদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) যেহেতু এই রেওয়াজ চালু করে গেছেন, আর তার সকল কর্ম আল্লাহ তায়ালার নির্দেশেই হতো। একজন মুসলিম হয়ে নিজের মন গড়া একটা কথা ব্লগে ছাপায় দেয়ার কোনো মানে নাই।
লেখক বলেছেন: সত্যিকারের ইসলাম কোথায় পাওয়া যাবে, পুস্তকে না যারা এর অনুসারী তাদের জীবনাচরণে।
লাল পিপড়া বলেছেন:
জটিল



















