গল্লামারী স্টেট ইউনিভার্সিটিতে মতান্তরে খুলনা বিশ্ব: এ পশ্চিম পাড়া বলতে একটা জায়গা আসে, যেটা প্রেমিককুলের কাছে লেডিস হল/ছাত্রী হল আবার এদানিং নাকি অপরাজিতা হল নামে বেশ খ্যাত। ইদানিং অই অঞ্ছল নাকি ব্যাপক সব কাহীনির প্রজনন স্থানে পরিনত হইতাছে। যারা ব্যাপক সব কাহিনী শুনে আরাম কইরা বইছেন তাগো লইগা দুসংবাদ, যা ভাবতেছেন তা না।
ওই অঞ্ছলে সামাজিক বনায়নের অংশ হিসাবে বেশ ফলজ ও বনজ গাছ লাগানো হইছিল এক কালে এবং এখন নাকি তাহারা ফল দিতাছে। তো ইস্টক ঘেরা অঞ্ছলের মদ্ধে নাকি কয়েকটা আম্লকি গাছ লাগানো হইছিল আর এই বসর তাতে বাম্পার ফলন ধরছে। দুই বাসিন্ধার আবার শখ হইছে আম্লকি বাটা ছুলে লাগাইবো তাতে নাকি চুলের রোশনাই বাড়ে, চুলের খ্যাতি বিরামহীন দৈড়ের উপ্রে থাকে। তো তাহারা এক গামলা আম্লকি পারিল গাছ হইতে কিন্তু বিধি বাম। হলের প্রাধক্ষ তার হাই ফ্রিকোয়েঞ্চিতে খবর পাইয়া তাতখনিক ছুটিয়া আসলেন এবং গাম্লাটি জব্দ করিলেন [আম্লকি সহ]। তারপর শুধাইলেন, এই গাছম এই ফল সবার। তোমরা দুজনে ভোগ করতে পারনা, এই আম্লকি বিক্রি করে সেই পয়সা দিয়ে আমি লাইব্রেরি ঘরের জানালায় পলিথিন দিমু যাতে বৃস্টির পানি আর না আস্তে পারে। এই চিন্তা করেই ত এগুলান লাগাইছিলাম। বিদায় বেলা দয়াবান প্রেধাক্ষ দুই তরুনিকে ৫ টি করে আম্লকি দিয়ে গেলেন আর বললেন তোমরা খাইয়ও সবাই মিলে !!!!!! সবাই মুগ্ধ [এটাই তো আমাদের ঐতিয্য, সাবলম্বন যে এই বিশ্ব এর মুলনীতি সেটা যারা ভুলে গেছিল, নতুন কইরা মনে পরল]
কিছুদিন বাদে ভার্সিটি তে নামলো উত্সবের জোয়ার। ভোজ !! ভোজ !! বাতসরিক ভোজ !!! দিন রাত বিরামহীন প্রচারনা, দা বটি তে শান দেয়া, পোলাপাইনের উপো্স দেয়া, প্রাধাক্ষ এবং তার উপদের ক্লান্তিহীন বকাবকি সমানে ছলছে। সেই সাথে, ভোজের বলি গরুর সুমধুর হাম্বা চিতকার, ছাগলের ম্যাতকার, লাদি ইত্যাদি ভোজানুস্টান কে এনে দিয়েছে অন্য মাত্রা। কিন্ত্ ছাত্রি হল সব সময় সাবলম্বি। তাদের প্রাধাক্ষ আবার খেতের ফল খেতে ভাল বাসেন। তাই ছাত্রি হলের আয়োজন এ গরু নাই, ছাগল নাই, আছে খেতের তেলাপিয়া। বাসিন্ধারা বুজলনা নিজেদের খেতের জিনিস খেতে কি ত্রিপ্তি। তারা বিদ্রহ করল, বলল গরু চাই নইলে ছাগল চাই। উপ উপাধক্ষ আসলেন সদল্বলে বিদ্রহ নিরসনে, দুপক্ষ নিরেপেক্ষ ভেনুতে আলাপে বস্লেন, উপ উপাধক্ষ তেলাপিয়ার ভেশজ গুনাগুন বিস্তারিত বর্ননা শুর করলেন !!!!!
কিছু বিপথগামি বাসিন্দা তাফসিরের মাঝে বাগ্রা দিল আর বলল, গরু চাই নইলে ছাগল চাই। তাফসির পন্ড। উপ উপাধক্ষ এর পরে শুধালেন 'সন্তান না খেলে বাবার কি ভালো লাগে বল মায়েরা?' বিপথগামিরা জবাব দিল 'সন্তান কে কেউ গরুর বদলে তেলাপিয়া দিলে বাবার কেমন লাগবে??? বাবা কস্ট পাবে খুব' !!!!!
পরের ঘটনা আমি আর জানিনা, তবে শুনছি বাবার নাকি এই বসর ঈদের গরু কেনার টাকায় সঙ্কট দেখা দিছে!!!!
'স্টাটাস ম্যসেজ এর ছায়া অবলম্বনে লেখা'

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


