somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পাকিস্তানের সাথে বন্ধুত্ত্ব !!!!!!!!!!!!!!! ? কেনো?

১৫ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কালকে আমাদের এক বল্গার ভাইজান সুদুর কায়রো থেকে পাকিস্তানের সাথে আমাদের বন্ধুত্ত্ব করার উদাত্ত্ব আহ্ববান জানাইছেন। তারে ধন্যবাদ। কিন্তু কাগো লগে? পাকিস্তান।

যে দেশ এখনো আমার দেশের রাস্তার নামকরন কেন মুক্তিযোদ্ধাদেরর নামে হোল সেজন্য কূনীতিক ডেকে কৈফিয়ত তলব করে তাদের সাথে কিসের বন্ধুত্ত্ব? যে দেশ এখন একাত্তরের ঘটনার জন্য বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নয় তাদের সাথে কিসের বন্ধুত্ত্ব। তাদের সাথের সাথেই করা যায় যারা বন্ধুত্ত্বের মানে জানে।

#পৃথিবীর একটা দেশ তালেবান দের স্বীকৃতি দিয়েছিল তারা কারা? - পাকিস্তান

#একটা দেশে ধর্ষনের বিছার চাইতে গেলে দুজন পুরুষ স্বাক্ষি লাগে যারা সচক্ষে ধর্ষন উপভোগ করেছে, তারা কারা? - পাকিস্তান

#একটা দেশ যারা তাদের বৈদেশিক সাহায্যোর বেশীরভাগ খরচ করেছে আইএআই কে দিয়ে বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, আফগানিস্থানের অশান্তির জন্য, তারা কারা - পাকিস্তান

# একটা দেশ যারা ৩০ মানুষ হত্যাকারীদের বাচাতে বাংগালী অফিসার, আটকে পড়া বাংগালীদের মুক্তিপন হিসাবে ব্যাবহার করেছে, তারা কারা? - পাকিস্তান

আমি আমার দেশকে অগ্রসর দেখতে চাই। কুসংস্কারে আচ্ছন্ন একটা দেশের সাথে বন্ধুত্ত্ব করা সোহরাওয়ার্দির সেই তত্তের সমান [১+১=২, ১+0= ১]। আর যদি করতেই হয় পাকিস্তান কেই এগিয়ে আস্তে হবে। আগে বাংগালীর বিশ্বাস অর্জন করতে হবে যে পিছন থেকে ছুরি মারবেনা। আন্টিল দেন, নো মার্সি।

আমার প্রস্তাব হচ্ছে অদের সাথে সম্পর্ক যা আছে তাও ছিন্ন করা হোক। ৪ আনার লাভ নেই এই টাইপ সম্পর্ক রেখে।

=====
গুলশানে পাকিস্তান হাইকমিশন সংলগ্ন দুটি সড়কের নামকরণ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে হওয়ায় পাকিস্তানের দারুণ গাত্রদাহ হয়েছে। অন্তর্জ্বালা অন্তরে না রেখে ইসলামাবাদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামে রাস্তার নামকরণের আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ পর্যন্ত জানিয়েছে। পাকিস্তান মনে করে এটি বাংলাদেশের 'উদ্দেশ্যমূলক ও উস্কানিমূলক' কাজ। পাকিস্তান ২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর প্রতিবাদ জানালেও দুই দেশের সরকার এতদিন তা গোপন রেখেছিল। সে সময় ইসলামাবাদে বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনারকে তলব করে প্রতিবাদপত্র
হস্তান্তর করে পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় । ২০০৭ সালের জুলাই মাসে ঢাকা সিটি করপোরেশন গুলশান অ্যাভিনিউয়ের নাম মুক্তিযুদ্ধের ৭ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার শহীদ মেজর নাজমুল হকের নামে নামকরণ এবং গুলশান অ্যাভিনিউয়ের শেষ মাথায় একটি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। এরপর ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই গুলশানের ৭১ নম্বর
সড়ক বীর বিক্রম আমিন আহমেদ চৌধুরীর নামে নামকরণ করে ডিসিসি। এ সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়
গুলশানে পাকিস্তান হাইকমিশনের ঠিক উল্টো পাশে। পাকিস্তান হাইকমিশনের অবস্থান গুলশান অ্যাভিনিউয়ের শেষ মাথা ও ডানে ৭১ নম্বর সড়কের কোণে। নতুন নামকরণ হওয়া শহীদ মেজর নাজমুল হক সড়ক এবং বীর বিক্রম আমিন আহমেদ চৌধুরী সড়ক দুটি পাকিস্তান হাইকমিশনের দু'পাশ দিয়ে গেছে।
২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর ইসলামাবাদে বাংলাদেশের তৎকালীন ডেপুটি হাইকমিশনার মোঃ সুফিউর রহমানকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে। পাকিস্তানের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব (দক্ষিণ এশিয়া) ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশন সংলগ্ন সড়কগুলো বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের নামে নামকরণ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং একটি প্রতিবাদপত্র ডেপুটি হাইকমিশনারের কাছে হস্তান্তর করেন।
এ বিষয়ে ইসলামাবাদে বাংলাদেশের তৎকালীন উপ-হাইকমিশনার সমকালকে গতকাল শুক্রবার বলেন, ''ঘটনাটি সঠিক। আমাকে ডেকে নিয়ে পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেছিলেন গুলশানে যে দুটি সড়ক মুক্তিযোদ্ধাদের নামে করা হয়েছে তা 'উদ্দেশ্যমূলক এবং উস্কানিমূলক'। আমি বলেছি ২০০৭ সাল থেকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়কের নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে নামকরণ করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গুলশানে সড়ক দুটির নামকরণ করা হয়েছে। এর পেছনে অন্য কোনো কারণ নেই।''
২০০৮ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশের তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ পাকিস্তান সফর করেন। সফরে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর ওপর সর্বশেষ অবস্থান তুলে ধরে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। সেই প্রতিবেদনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে গুলশানে পাকিস্তান হাইকমিশন সংলগ্ন সড়কের নামকরণ হওয়ায় পাকিস্তান সরকারের প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিসিসির মেয়র সাদেক হোসেন খোকা গতকাল শুক্রবার সমকালকে বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। এদেশের কোন রাস্তার কী নামকরণ করা হবে তার এখতিয়ার বাংলাদেশের। বাংলাদেশের যে কোনো রাস্তার নামকরণকে পাকিস্তানকে মেনে নিতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, ভাষাবীর, জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ স্বনামধন্য ব্যক্তিদের নামে ঢাকার বিভিন্ন সড়ককে নামকরণ করা হয়েছে।
======

১৮টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×