পরীক্ষা দিয়ে এসে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। বিসিএস -দে আলাম.....(বলুন তো কেমন দিয়েছি??)]
ইজি কাজে বিজি। আমি ফরম কিনতে যেতে পারছি না। রুমমেট ইদ্রিসকে বলরাম তুই ফরমটা কিনে আনিস। ফরম আনা হলো এবার পুরন করবে কে??
আমি রুমে ফিরি ১২টায়। পাশের রুমের শফিককে বল্লাম ফরমটা পূরন করে দিওতো। তারপর জমা দেয়ার পালা। কিন্তু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিকি লাগবে জানিনা। শুনলাম।
সাময়িক সনদ সিন্ডিকেট না হওয়ায় পেলামনা।
জমা দেয়ার শেষদিনে ক্যম্পাস বাসে উঠলাম। ছোট ভাই আকাশের সঙ্গে দেখা। ওরে দিয়ে দিলাম। তারপর......
অনেকদিন পর গতকাল আকাশ এসে প্রবেশপত্র দিয়ে গেল। ওরে আমার সিটটা কই জানলামনা এখনো, রাত বাজে ১১টা। নাহিদ ভায়ের রুম থেকে বাতিল লিস্টে রোলটা এত্ত খুজলাম। পাইলামনা। ব্যাডরাক খারাপ হলে যা হয়। অগত্যা পরীক্ষায় অংশ নিতেই হচ্ছে মনে মনে ভাবলাম।
সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে রওনা দিরাম। ফখরুল ভায়ের দোকান থেকে সিট কই দেখলাম... মোহাম্মদপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে।
যুদ্ধ করে বাসে উঠলাম। গেটে বাদুড় ঝোলা হয়ে আসলাম অফিসে। নিউজ করলাম। বড়ভাইকে বললাম ভাই বিসিএসের একটা ফরম কিনেছিরাম অংশগ্রহনমুলক বিসিএস পরীক্ষা দিতে চাই, যদি অনুমোদন করেন। গেরাম অবশেষে। প্রথমত ১১৩ নং কক্ষে সিট পড়েছে দেখে গেলাম। গিয়ে দেখি শুধু জোড় রোল নাম্বার যারা। আবার ফিরলাম এবার জানরাম ১৬ নং কক্ষে। পরীক্ষা দিলাম।
প্রথম ৪০টি প্রশ্নে ৪টি বৃত্ত ভরাট করলাম.... ৫০টি প্রশ্ন শেষে ভরাটকৃত বৃত্তের সঙখ্যা দাড়ালো ৯ এ.
এরপর আবার শুরু করলাম। এবার একটার পর একটা বৃত্ত ভরাট করতে থাকলাম। অংকে মহাভয় আমার সেখানেও গোল দিতে লাগলাম। পরীক্ষা দিয়ে আবার অফিসে আসরাম।
কষ্ট: আমার জানামতে রেলপথে ঢাকা-খুলনার দূরত্ব ৪২০ কি.মি। এই প্রশ্নের উত্তর দেইনি। উপজাতিয় প্রতিষ্ঠান দেশে ৩টি । দুটির উত্তর পরে দেবো ভেবে আর দেয়া হয়নি।
খেয়াল:
বোর্ডে লেখা:
ক্লাস : টেন
সেকসন: এ
মোট শিক্ষার্থী: ২২
উপস্থিতি: ৬
অনুপস্থিতি: ১৬
তারিখ: ২৬.৯৫.১১
একি হাল!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

