আমার প্রিয় পোস্ট

চিম্বুক, নীলগীরি, বগা লেক

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১০

শেয়ারঃ
0 18 0

পায়ের তলায় শর্ষে! সুযোগ পেলেই দেশ দেখতে বেড়িয়ে পড়ি! সেই ইউনির্ভাসিটি জীবনে এরশাদ সরকার জোর করে একবার হল ছাড়া করেছিল... সেই থেকে আমার শুরু। এ এক আজব নেশা!

এই নেশার টানেই গত আগষ্ট মাসে গেছি টাঙ্গোয়ার হাওড়! এবার এই ঈদ পরবর্তী ছুটিতে ঘুরে এলাম বান্দরবান। এর আগেও চারবার গেছি বান্দরবান- শৈলপ্রপাত, চিম্বুক আগেও দেখা হয়েছে, কিন্তু এবার যুক্ত হলো নীলগীরি আর বগা লেক।

চিম্বুক
নাইট কোচে বান্দরবান। বান্দরবান থেকে চাঁদের গাড়ীতে চিম্বুক। সমূদ্র তল থেকে ৩০৫০ ফুট ঊঁচু চিম্বুক পাহাড়! বান্দরবান শহর থেকে ২৬ কিঃমিঃ পাহাড়ী পথ। খাড়া পাহাড় বেয়ে উঠার সময়েই কানের পর্দায় বায়ুচাপের তারতম্য অনুভব করা যায়। আর্মি-দের টিনশেড রেস্ট হাইজে রাতে থাকার সুবিধে আছে, তবে আগেই তা নিশ্চিত করে যেতে হবে। চিম্বুকের সকালটা খুব সুন্দর! নীচে সাদা মেঘের জমাট মেলা, তার উপরে সকালের সূর্যকিরণ! আপনি এই দৃশ্য দেখবেন মেঘের লেভেলের-ও উপর থেকে! আপনি মুগ্ধ হয়ে দেখবেন সেই সৌন্দর্য!


সকালের সাদা মেঘ- চিম্বুক চুঁড়া থেকে


চিম্বুক রেস্ট হাউজের বারান্দা থেকে তোলা মেঘ-পাহাড়


সাদা মেঘের ভেলা

নীলগীরি
সমূদ্র সমতল থেতে ৩৪৬০ ফুট উপরে মেঘের রাজ্যে নীলগীরি-এর অবস্থান। বান্দরবান শহর থেকে ৪২ কিঃমিঃ দূরে নীলগীরি। চিম্বুক ছাড়িয়ে থানচী যাবার পথে পড়বে এই নীলগীরি। সকালটা বাদে সারাদিন-ই নীলগীরি থাকে মেঘের ভিতর। এ এক আশ্চর্য অনুভূতি। আপনাকে ঘীরে ঘন মেঘ! মেঘের ভিতর আপনি! বেশ মজা না?! দেখবেন- মেঘের অনেক রং! নীলগীরি-এর বিকাল আর সন্ধেটা খুব উপভোগ্য!


মেঘের রাজ্যে আমরা ক'জন


পাহাড় চুঁড়া যখন মেঘে ঢাকা


মেঘের অনেক রঙ- নীলগীরি-তে সন্ধ্যা

এখানেও একমাত্র থাকার ব্যবস্থা আর্মি-দের চারটি কটেজ। প্রতিটি কটেজে আটজনের থাকার ব্যবস্থা আছে, ভাড়া ৫০০০/- টাকা। তাবুতেও থাকতে পারবেন, ভাড়া ১৫০০/- টাকা। তবে অবশ্যই আপনাকে আগে থেকেই বুকিং দিয়ে যেতে হবে। আর্মি রেফারেন্স থাকলে বুকিং পেতে সুবিধে হবে।

বগা লেক
বান্দরবান শহর থেকে ৩৪ কিঃমিঃ দূরে কঙ্কনছড়া ঘাট। চিম্বুক থেকে ৮ কিঃমিঃ আগেই ওয়াই জাংশন থেকে বাম দিকে টার্ন নিতে হবে। কঙ্কনছড়া ঘাট হতে ইঞ্জিন বোটে সাঙ্গু নদী দিয়ে দেড় ঘন্টার পথ (স্রোতের বিপরীতে) রুমা বাজার। আপনি চাইলে অতিরিক্ত আধা ঘন্টা (যাওয়া-আসা অতিরিক্ত এক ঘন্টা) নৌ ভ্রমণ করে অনেক ঊঁচু থেকে পড়া রিঝুক ঝর্ণাটাও এই ফাঁকে দেখে আসতে পারেন। রুমা থেকে ১৬ কিঃমিঃ দূরে পাহাড়ের উপরে আশ্চর্য এক জলাধার- বাগ লেক! রুমা বাজার থেকে বগা লেক পর্যন্ত দু'ভাবে যাওয়া যায়। ঝর্ণার পথ অনুসরণ করে হেঁটে পাড়ী দিতে পারেন এই পথ, যাকে বলে ঝিরি পথ। অথবা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তায় ১১ কিঃমিঃ চাঁদের গাড়ীতে গিয়ে তারপর আরও ৭ কিঃমিঃ পাহাড়ী পথে হেঁটে যেতে পারেন বগা লেক (এই পথের দূরত্ব ১৮ কিঃমিঃ)। আপনি যেই পথেই যান না কেন... শারীরিক ফিটনেস খুবই জরুরী এখানে। বগা লেকে আসা আদৌ উচিত ছিল, কি ছিলনা- মাঝপথে গিয়ে এমন চিন্তা করার কোন সুযোগ নেই। রুমা বাজার থেকে গাইড পাবেন। আর্মিদের ক্যাম্পে গাইডের নামসহ আপনাদের নাম-ঠিকানা লিপিবদ্ধ করতে হবে। রেজিস্টার্ড গাইড ছাড়া সামনে এগুনো নিষিদ্ধ। গাইড-কে প্রতিদিনের জন্য দিতে হবে ৩০০/- টাকা!

ভূ-তাত্ত্বিকগণের মতে প্রায় দুই হাজার বছর পূর্বে মৃত আগ্নেয়গিরি-এর জ্বালামূখে সৃষ্টি হয়েছে এই বগা লেক। বগা লেকের উচ্চতা ১৭২০ ফিট! এই স্থানটি মূলতঃ কেউক্রাডাং পাহাড়ে ওঠার বেজক্যাম্প। কেউক্রাডাং জয়ের অভিযাত্রীরা এখানেই অবস্থান করে থাকেন। স্থানীয় মারমা-দের পরিচালনায় কাঠ-বাঁশের তৈরী রেস্ট হাউজ পেয়ে যাবেন সহজেই। ভাত (অথবা খিচুরী), চাল কুমড়ার বা শিম এর তরকারী আর ডিম- এই হচ্ছে মোটামুটি প্রতি বেলার ম্যেনু! ধান, সবজী সবকিছুই জুম চাষ থেকে পাওয়া!


সাঙ্গু নদী


পাহাড় চুঁড়ায় নয়নাভিরাম বগালেক

বগা লেক থেকে ৪০ মিনিটের হাঁটা পথ পেড়িয়ে সুন্দর একটা ঝর্ণা (চিংড়ি ঝর্ণা) দেখে আসতে পারেন। আর কেউক্রাডাং চুড়ায় উঠতে হলে বগা লেক হতে আরও ৪-৫ ঘন্টার পাহাড়ী হাঁটা পথ! সে পথও মাড়িয়ে আসতে পারেন। শরীর পারমিট করলে ও মনের জোড় থাকলে বগা লেক থেকে পুরো এক দিনের হাঁটা পথ মাড়িয়ে দেখে আসতে পারেন কাইখ্যাং ঝর্ণা ও পুকুর!

টিপসঃ
১। সারাদিনের জন্য চাঁদের গাড়ীর ভাড়া ২৫০০/- টাকা। তবে পর্যটন মৌসুমে তা ৪০০০/- থেকে ৫০০০/- টাকা পর্যন্ত হতে পারে। রিজার্ভ গাড়ী ছাড়া লোকাল চাঁদের গাড়ীতে ভ্রমণের চিন্তা না করাই ভাল।

২। বগা লেক যাবার পরিকল্পনা করার আগে রাস্তার অবস্থা এবং নিজের ও সহযাত্রীদের শারীরিক সখ্যমতা সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকা প্রয়োজন। যাত্রার আগে ম্যালেরিয়া-এর প্রিভেনটিভ ওষুধ খেয়ে নেয়া জরুরী। ভাল গ্রীপের কেডস এবং মোটা মোজা পায়ে থাকতে হবে। পাহাড়ী পথে জোক-এর উপদ্রব রয়েছে। অন্ততঃ দুই জোড়া মোজা সাথে নেয়া ভাল। সহযাত্রী সকলের নিতান্তই প্রয়োজনীয় জিনিস-পত্র একটি ব্যাগে ভরে বাকী মালপত্র রুমা বাজারে কোথাও রেখে যাওয়া শ্রেয়ঃ।

৩। চিম্বুক, নীলগীরি এবং বগা লেকে রেষ্ট হাউজ রিজার্ভেশন-এর জন্য এই নম্বরগুলিতে কন্টাক্ট করতে পারেন-
ক) চিম্বুকঃ ওয়ারেন্ট অফিসার মিঃ আজিজ/সামাদ - ০১৫৫৬৭৪৪০৩১
খ) নীলগীরিঃ মেজর ফারুক-০১৭১৬৫৯৮২৬৬, ক্যাপ্টেন নাহিদ-০১৮১৯১৮৫০১৫.
গ) বগা লেকঃ লারাম-০১৫৫২৩৭৬৫৫১ (সহসা এই নম্বরটা নেটওয়ার্কে পাওয়া যায়না)





 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বান্দরবন ট্যুর ;
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০১১ রাত ৯:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৪
স্বাধীনতা৭১ বলেছেন: নীলগীরি জায়গাটা অসাধারন, যাওয়ার পর আর আসতে ইচ্ছা করেনা ।
চিম্বুক জায়গাটাও সুন্দর কিন্তু আপনার ছবির মত এত সুন্দর দেখি নাই, এইরকম কি সবসময় থাকে নাকি কোনো নির্দিষ্ট সিজনে?
সবমিলিয়ে অসাধারন.....
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪১

লেখক বলেছেন: বৃষ্টির মৌসুমে.... সকালের সূর্যকিরণ যখন মেঘের উপর খেলা করে..... চিম্বুক তখন এক স্বপ্নরাজ্য!

২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৩
হাসজারু বলেছেন: রাঙামাটি দেখলেও বান্দরবন দেখা হয়নি। খুব ভালো লাগল।
+++++++
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: সময় করে দেখে আসুন বান্দরবান, ভাল লাগবে।

৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৫
সুবিদ্ বলেছেন: ছবি দেখেই মন ভরে যায়......
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: হুমম......

৪. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৬
কুয়াশায় ডাকা বলেছেন: যাইতে হবে খুব দ্রুত... ছবি দেইখা তো আর বসে থাকা যাচ্ছে না...

ধন্যবাদ।
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ঠিক তাই! তবে শুধৃ বান্দরবান শহর অঅর শহরের আশ-পাশ দেখে ফিরে আসবেন না যেন! তা'হলে বান্দরবান-এর আসল সৌন্দর্য মিস করবেন।

৫. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৫
কার ছায়া জলে বলেছেন: প্রথম ছবিটা অসাধারণ। ভালো থাকুন।
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০০

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু! ভাল থাকবেন।

৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪০
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: ভাই আমি সবে মাত্র বান্দরবান থেকে এলাম, আমি কয়েকজন ননীর পুতুলের সাথে গিয়েছিলাম যার জন্য কিছুই দেখতে পারিনি, শুধু মেঘলা ও নিলাচল নামক দুইটা পর্যটন পাহাড়ে যেতে পেরেছিলাম । ভবিষ্যতে আপনাদের মতো কারো সাথে যাওয়ার ইচ্ছে আছে .......ধন্যবাদ অসাধারণ সুন্দর ছবিগুলো দেওয়ার জন্য । ++++++++++++
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন: বান্দরবান-এর যত গভীরে যাবেন..... তত মজা! ননীর পুতুল-দের দিয়ে সম্ভব না!

৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪০
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: ভাই আমি সবে মাত্র বান্দরবান থেকে এলাম, আমি কয়েকজন ননীর পুতুলের সাথে গিয়েছিলাম যার জন্য কিছুই দেখতে পারিনি, শুধু মেঘলা ও নিলাচল নামক দুইটা পর্যটন পাহাড়ে যেতে পেরেছিলাম । ভবিষ্যতে আপনাদের মতো কারো সাথে যাওয়ার ইচ্ছে আছে .......ধন্যবাদ অসাধারণ সুন্দর ছবিগুলো দেওয়ার জন্য । ++++++++++++
৮. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৫
লাইফ স্টোরি বলেছেন: খুব ভালো লাগল,আমাদের দেশে কত্ত সুন্দর জায়গা,কিছুই দেখা হলো না,কবে যাব কবে দেখব ,:(
আপনাকে অনেক থ্যাংকস :)
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: আহ্ কি সুন্দর আমার এই বাংলাদেশ! আর সময় নষ্ট না করে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে বেরিয়ে পড়ুন।

৯. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১১
ডিজিটাল কলম বলেছেন: @সাদা মনের মানুষ.......... আমিও চলে এসেছি।খুব ভালো কেটেছে। মেঘলা,নীল্গিরি,শৈলপ্রপাত,নীলাচল,স্বর্ন মন্দির..... সব ঘুরেছি।শৈলপ্রপাতে গোসলটা ছিলো সাঙ্ঘাতিক।

****লেখককে ++++++++
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২১

লেখক বলেছেন: আপনি শুধু বান্দরবান শহর আর এর আশ-পাশটা দেখে এসেছেন! অন্ততঃ ৪ দিন সময় হাতে নিয়ে আবারও ঘুরে আসুন..... এবান বান্দরবান-এর গভীরে যেতে ভুলবেন না যেন।

১০. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৮
জেনন বলেছেন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে মজবুত করা দরকার..............

+++++++++++++++++++++
১১. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪
যীশূ বলেছেন: যেতে হবে। পোস্টটা সংগ্রহে রাখলাম।

লেখা, ছবি দারুন হয়েছে।
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: সহমত। বাংলাদেশে পর্যটক বেড়েছে, ভ্রমণ পিপাসু মানুষ ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়ছে দেশ দেখতে। অথচ পর্যটন কর্পোরেশন-এর কোন উদ্যোগ নাই! আশার কথা....এই ফাঁকে কিছু বেসরকারী পর্যটন প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে!

১২. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭
সেতূ বলেছেন: ছবিটা গুলো অসাধারণ। পোস্টটা প্রিয়তে..
যেতে হবে।
চিম্বুক রেস্ট হাউজের ও নীলগীরি-তে
বুকিং দিতে কন্ট্রাক নাম্বার দিলে খুব উপকৃত হব.
ভালো থাকুন।
আগাম ধন্যবাদ
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন: বগা লেক যাওয়াতো সম্ভব নয়ই, সাইকেলে করে সম্ভবতঃ চিম্বুক বা নীলগীরি-তেও যাওয়া সম্ভব নয়! আপনি সাইকেল নিয়ে ট্রাই করে দেখতে পারেন! নিঃসন্দেহে রেকর্ড হবে একটা!

১৪. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:২৯
মুহিব বলেছেন: ছবি কবেকার তোলা?
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ২৫/৯/০৯ থেকে ২৮/৯/০৯ এর মধ্যে বান্দরবানের বিভিন্ন স্পটে ছবিগুলো তোলা হয়েছে।

১৫. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
মুহিব বলেছেন: এই সশয়েই বান্দরবনের এমন সুন্দর দৃশ্য। পয়সা খরচ করে আর দার্জিলীং গেলাম কেন?
১৬. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২১
সেতূ বলেছেন: ভাই
চিম্বুক রেস্ট হাউজের ও নীলগীরি-তে
বুকিং দিতে কন্ট্রাক নাম্বার দিলে খুব উপকৃত হব.
ভালো থাকুন।
আগাম ধন্যবাদ
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: এই নম্বরগুলিতে কন্টাক্ট করতে পারেন-

ক) চিম্বুকঃ ওয়ারেন্ট অফিসার মিঃ আজিজ/সামাদ - ০১৫৫৬৭৪৪০৩১
খ) নীলগীরিঃ মেজর ফারুক-০১৭১৬৫৯৮২৬৬, ক্যাপ্টেন নাহিদ-০১৮১৯১৮৫০১৫.
গ) বগা লেকঃ লারাম-০১৫৫২৩৭৬৫৫১

১৭. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৯
অচেনা বাঙালি বলেছেন: চিম্ম্বুক, নীলগীরি যাবার প্ল্যান আছে। ধন্যবাদ আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট দেয়ার জন্য। প্রিয়তে রাখলাম।
১৮. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩
মুহিব বলেছেন: জিয়া ভাই, কাল দেখা হবে তো?
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন: হুমম......দেখা হবে আশা করছি!

১৯. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৪
নিষণ্ণ বেদন বলেছেন: এটা চিম্বুকের ছবি !!!!!?
দুর্দান্ত দৃশ্য তো! অসাধারন!!

আমি একবার গিয়েছিলাম কোন এক ডিসেম্বরে। খুব সাদামাটা অবস্থা ছিল প্রকৃতির। :( তাও খুবই ভালো লেগেছিল। দেখি, পরের বর্ষা শেষে সময় করে যেতেই হবে।

"চিম্বুক রেস্ট হাউজের বারান্দা থেকে তোলা মেঘ-পাহাড়" --- এই ছবিটা দারুন লাগলো। :)
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: চিম্বুক আর নীলগীরি গেলে রাতে থাকতে হবে। চিম্বুকের সকাল আর নীলগীরি-এর সন্ধ্যাটা খুব উপভোগ্য।

২০. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: ছবিগুলো খুব ভাল লাগল.. ধন্যবাদ.. ভাল থাকবেন..:)
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনিও ভাল থাকবেন।

২১. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪
বিবর্তনবাদী বলেছেন: গেছিলামরে ভাই। সে এক অন্যন্য সাধারন অভিজ্ঞতা।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: হুমমম..... ঠিক তাই!

২২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০১
মুহিব বলেছেন: আপনার এই পোস্ট পড়ে বান্দরবান সম্পর্কে আমার ধারনাই বদলে গেল। আমি এত সুন্দর কল্পনা করতে পারি নাই। তাই বারবার পড়ে সিউর হচ্ছি।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: কাল আড্ডায় আপনাকে দেখলামনা কেন?!

২৩. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:২৮
জেড ইসলাম বলেছেন: বগালেকের যেই উচ্চতা বলা হয়ে থাকে ১৭০০ ফুট বা তারও বেশি, প্রকৃতপক্ষে তা নয়। সঠিক ভাবে বগালেকের উচ্চতা প্রায় ১৩০০ ফুটের চেয়ে সামান্য কিছু বেশি। এটা আমার নিজের মাপা আধুনিক জিপিএস দিয়ে।
চিম্বুক রেন্জের উচ্চতাও এতো না, নীলগীরির উচ্চতা ২৬০০-২৭০০ হবে প্রায়।
আর এখন বর্ষাকাল ব্যাতীত অন্য যে কোন শুকনো মৌসুমে গাড়ি নিয়েই রুমা বাজার থেকে বগালেক যাওয়া যায়, একেবারে পাশেই। এখন রাস্তা আরো ভাল হওয়ার কথা।
২৪. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮
জেড ইসলাম বলেছেন: আর আপনি কারো ব্যক্তিগত ফোন নম্বর না দিয়ে কোন অফিসিয়াল ফোন নম্বর দেন, ভাল হবে। উপরোক্ত ব্যক্তি কিছুদিন পরে নাও থাকতে পারে।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: চিম্বুকের নম্বরটা অফিসিয়াল নম্বর। নীলগীরি-তে বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত দুইজন সামরিক কর্মতার নম্বর দিয়েছি.. অফিসিয়াল নম্বরটা পেতে কস্ট হবার কথা নয়!

হ্যাঁ..... উচ্চতা নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি রয়েছে বৈকি! চিম্বুক আর নীলগীরি-এর উচ্চতা ইন্টারনেট থেকে পেয়েছি। বগালেক-এর উচ্চতা পেয়েছে অভিযাত্রীদের মুখে মুখে! আপনার তথ্যের জন্য ধন্যবাদ!

২৫. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬
ছায়ার আলো বলেছেন: ওয়াও! দারুন ! :)
নীলগীরি যাওয়ার ইচ্ছা অনেক দিনের...
২৬. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
গাব্রিয়েল সুমন বলেছেন: আহা আমিও যদি যেতে পারতাম!!!!
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন: কেন নয়?! ঘুরে আসুন যে কোন সময়!

২৭. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
জুহো. বলেছেন: বান্দরবান ঘুরে এসেছিলাম জানুয়ারীতে। পোষ্ট ও দিয়েছিলাম দুইটা। তৃতীয় আরেকটা দেওয়ার ইচ্ছা ছিল এই চিম্বুক,নীলগিড়ি নিয়ে। আজো দিতে পারিনি। অন্যতম কারন ছিল এ জায়গা গুলোর still shot না নিয়ে movie clip তুলেছিলাম বেশী sony cybershot দিয়ে। যাক, আপনি সেই অভাব টা পুরন করলেন ছবি এবং তথ্য দুটোই দিয়ে। (বগার ইনফরমেশন বোনাস)। প্রিয় তে চলে গেল স্বভাবতঃই।
জানুয়ারীতে গিয়ে মেঘ পাইনি, তাই এই সময়ে যাবার ইচ্ছা আছে ভবিষ্যতে।
চিম্বুক, নীলগিড়ি কি চাদের গাড়ীতে গিয়েছিলেন ?
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: হুমম..... চিম্বুক, নীলগিরি-তে রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে গেছিলাম।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০১

লেখক বলেছেন: চলে যান। নীলগীরি-তে ৪টা কটেজের মধ্যে ১টা হানিমুন কটেজ আছে-, যার নাম 'মারমা রাইসা'। ভোরের তারা-সহ সোজা চলে যান নীলগীরি- এক রাত থেকে আসেন 'মারমা রাইসা'য়। ভাল্লাগবে নিঃসন্দেহে!

২৯. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০১
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট ।

ছবিগুলো মুগ্ধ হবার মতো ।

ধন্যবাদ ।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!

৩০. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭
নুশেরা বলেছেন: অসাধারণ জায়গাটা। আপনার ছবিগুলোও দারুণ। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: থাংকু!

৩২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
অজানা আমি বলেছেন: মেঘের ছবিগুলো অসম্ভব সুন্দর, যেন মেঘের রাজ্য। এমন মেঘের সমুদ্রে ঝাপ দিতে ইচ্ছে করে।
ধন্যবাদ চমৎকার ছবিগুলো শেয়ার করার জন্য।
৩৩. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৯
শিরোনামহীন.......... বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম,

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার... যিনি নিখিল বিশ্বের প্রতিপালক...
আল্লাহ তাআলার অপার সৃষ্টি এই পৃথিবী...

এত কিছু নিদর্শন থাকার পরও মানুষ কিভাবে মহান আল্লাহ তাআলাকে ভুলে থাকতে পারে।

ভালো পোস্ট
৩৪. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৯
আসফাকুল আমিন বলেছেন: অসাধারণ অসাধারণ অসাধারণ অসাধারণ অসাধারণ অসাধারণ অসাধারণ । সুযা পিরিওতে
৩৫. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৬
হামিদ পায়োনিয়ার বলেছেন: অসাধারন রে ভাই। মনটা আর বান্দা রাখতে পারতেছি না। বাইচ্চা থাকলে অবশ্যই যাইতে হইব।

ধন্যবাদ।
৩৬. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭
বকুল০৮ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।
প্রিয়তে।
৩৭. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৩
ভোরের তারা বলেছেন: যদি ঐ মেঘের রাজ্যে হারিয়ে যাওয়া যেত।অসম্ভব সুন্দর দৃশ্য।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: ২৮ নম্বর কমেন্ট-এর জবাব দেখুন!

১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!

৩৯. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪
চতুষ্কোণ বলেছেন: রাঙ্গামাটি গিয়েছি। বান্দরবান যাওয়া হয়নি। পোষ্টটা এক কথায় অসাধারণ। প্রিয়তে.....

ছবিগুলো অদ্ভুত সুন্দর।
৪০. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান বলেছেন: খুব ভালো লাগ, অসাধারণ।
৪১. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০২
পরশমনি বলেছেন: এককথায় অসাধারণ। ++++++++
৪২. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০১
এস আই সাব্বির বলেছেন: মাথা নষ্ট। টাকা লাগবো ৭৮০০। (নিলগিরি যাওনের লাইগা)
৪৩. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৫
দ্যা ডক্টর বলেছেন: সমূদ্র সমতল থেতে ৩৪৬০ ফুট উপরে মেঘের রাজ্যে নীলগীরি-এর অবস্থান....

বুঝতে পারছিনা,,,,,,, বাংলাদেশের ৩য় সর্বোচ্চ চুড়া কেওক্রাডং এর উচ্চতা যেখানে ৩২৩৩ ফুট/ ৯৮৭ মিটার দেখাচ্ছে জিপিএস এ সেখানে নীলগিরি কেমনে ৩৪৬০ ফুট হয়?



পোস্ট সরাসরি প্রিয়তে......
৪৫. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
নীল ভোমরা বলেছেন: @ মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ: নেট-এ সার্চ দিলাম। বিভিন্ন সাইটে কেউক্রাডাং, নীলগিরি-এর বিভিন্ন রকম উচ্চতা পেলাম।

কেউক্রাডাং এর উচ্চতা-ক্ল৪০৩৫ ফুট; ৪৬৩২ ফুট


নীলগিরি এর উচ্চতা - ২৪০০ ফুট ; ২৫০০ ফুট; ৩৪৮৮ ফুট

টোটালী কনফিউজড!
৪৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৮
দ্যা ডক্টর বলেছেন: আপনি গুগল আর্থে দেখতে পারেন কোন স্থানের উচ্চতা কত---- ওসব সুপ্রাচীন কালের জ্যামিতিক হিসাব এখনো কিভাবে টিকে আছে আল্লাহ মালুম!

আমার দেয়া ছবিটা কেও এর চুড়ার, ১৪ই আগস্ট ২০০৯ এর। দু'টো জ়িপিএস এ প্রায় একই ডেটা, এক্যুরেসিও গ্রহণযোগ্য পর্যায়ের। বামেরটাতে ৩২৩৩ ফিট আর ডানেরটায় ৯৮৭ মিটার উচ্চতা দেখাচ্ছে, আসল উচ্চতাও এর দু'এক ফুট এদিক ওদিক হবে। বগালেকে এক্তা সাইন বোর্ড লাগানো আছে ৩৮ হাজার ফিট না কত! দেখে আমরা হাস্তে হাস্তে শেষ!
৪৮. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯
দ্যা ডক্টর বলেছেন: "লেখক বলেছেন: বগা লেক যাওয়াতো সম্ভব নয়ই, সাইকেলে করে সম্ভবতঃ চিম্বুক বা নীলগীরি-তেও যাওয়া সম্ভব নয়! আপনি সাইকেল নিয়ে ট্রাই করে দেখতে পারেন! নিঃসন্দেহে রেকর্ড হবে একটা!"
-------আমার জানা মতে ঢাকা বেসড একটি এডভেঞ্চার গ্রুপ কেও তে মাউন্টেন বাইকিং করেছিল..... নামটা মনে পরছেনা তবে এডভেঞ্চারপ্রেমীদের কাছে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন.... আমি কোন লিংক পেলে জানাব...
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: তাই নাকি?! রিয়েল মাউন্টেন বাইকিং! তাদের বাহাবা দিতেই হয়!

৫০. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪০
কাঠের খাঁচা বলেছেন: আপনার ছবিগুলো দেখে আবার যাওয়ার প্রবল ইচ্ছা হয়ে উঠল। বগা লেক আর কেওক্রাডং গিয়েছিলাম, নীলগিরি, চিম্বুক সময়ের অভাবে আর যাওয়া হয়ে উঠেনি।

তবে কেওক্রাডং থেকে ফেরার পথে অপূর্ব অভিজ্ঞতা। শেষ দেড় ঘন্টা বৃষ্টি। যাওয়ার সময় ১ টা ঝর্ণা আর আসার পথে ৩-৪টা ঝর্ণা। অপূর্ব
৫১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯
ভিজামন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ লিংকের জন্য...
আরও কিছু জানার ছিল দয়া করে জানালে উপকৃত হতাম...
১) ঢাকা থেকে সরসরি বাসে কতদুর যাওয়া যায়.... ঢাকার কোথা থেকে বাস ছাড়ে, বাস ভাড় কত ?
২) চিম্বুক, নীলগীরি, বগালেক কোনটা আগে .... কোনটা থেকে কোনটাতে যেতে পারি...আমরা ট্রাকিং করব


সবচেয়ে ভাল হোয় আপনার মোবাইল নম্বার টা দিলে (যদি কোন অসুবিধা না থাকে)
আমার e-mail :
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

লেখক বলেছেন: ঢাকা থেকে বান্দরবান পর্যন্ত ডাইরেক্ট বাসে যেতে পারবেন। তারপর চাঁন্দের গাড়ী। ঢাকা থেকে বান্দরবানের ভাড়া নেবে ৩৩০/- টাকা। বান্দরবান শহর থেকে চিম্বুক, নীলগিরি একই পথে। প্রথমে চিম্বুক, তারপর নীলগিরি। এই পথে আরও এগুলে থানচি। থানচি থেকে নদীপথে তিন্দু পর্যন্ত যাওয়া যায়। তিন্দু থেকে ট্রেকিং করে বড়পাথর পর্যন্ত যেতে পারবেন... যেখানে সাঙ্গুর উৎস! এই গেল একটা রুটের কথা।

বান্দরবন শহর থেকে একই পথে রওনা হয়ে চিম্বুকে পৌঁছানোর ৬ কিঃমিঃ আগেই ওয়াই জংশনে রাস্তা দু'ভাগ হয়ে গেছে। সোজা রাস্তাটা চলে গেছে চিম্বুক, নীলগিরি। আর বামের রাস্তাটা গেছে কংকনছড়া ঘাট। তারপর সাঙ্গু নদীপথে ১ ঘন্টার নৌ-ভ্রমন করলে পাবেন রুমা বাজার। রুমা বাজার থেকে চাঁদের গাড়ী নিয়ে রিস্কি এক চড়াই-উৎরাই রাস্তা পেরিয়ে যেতে পারেন বগা লেক এবং কেউক্রাডাং। শরীর সক্ষম থাকলে রুমা থেকে ঝিরি পথে (ঝর্ণার পথ অনুসরণ করে হাঁটা পথ) হেঁটে বগা লেকে যেতে পারেন। ঝিরি পথটা চমৎকার।

চিম্বুক ও নীলগিরি একটা ট্যুর-এর আওতায় ফেলা যায়। আর বড়পাথর দেখতে যাওয়ার নিয়ত পাক্কা থাকলে পথে চিম্বুক, নীলগিরি, থানচি টাচ করে যেতে পারবেন। সেটা এক লম্বা সফর হয়ে যাবে। বগা লেক, কেউক্রাডাং দেখতে চাইলে ভিন্ন প্রোগ্রাম চিন্তা করতে পারেন। রাইখন পুকুর (বা লেক) দেখতে চাইলে বগা লেক থেকে এক দিনের হাঁটা পথ।

বান্দরবানে দেখার মত অনেক কিছু রয়েছে। যাচ্ছেন কবে?

৫২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৩
ময়ুখ বলেছেন: ৯ জানুয়ারি
অনেক ধন্যবাদ।
৫৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৬
মনজুর আহােমদ সুমন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই! আমরা কয়েক বন্ধুরা এ মাসেই বগা লেক যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। আপনার কাছে বাস্তবিক তথ্য গুলো পেলাম।

প্রিয়তে রাখলাম।
৫৪. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৭
অজানামন বলেছেন: ভাই আমি চাটগীয়া পোলা..............নীলগিরি জায়গা টা আজ ই নাম শুনলাম...............।জশিলা পুরা...........কেমনে যাইতে হয় বলেন তো..............।আমি যামু
৫৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৪
ত্রিভুজ বলেছেন: যেবার প্রথমবার বান্দরবান গেলাম ট্রেকিং করতে এত বেশি মুগ্ধ হয়েছি বলার মত না.... অসাধারণ যায়গা! গাড়িতে করে যাওয়ার চাইতে ট্রেকিং করে যেতে বেশি মজা... ট্রাই করে দেখতে পারেন।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: হুম! বগা লেকে গেছি খানিকটা ট্র্যাকিং করে।

৫৬. ০৪ ঠা মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৪১
জুন বলেছেন: মেঘ গুলো কি ভাবে পেলেন ? আমরা অবশ্য শীতের পড়ে march মাসে গিয়েছিলাম।বগা যাইনি তবে বাকি গুলো দেখেছি।খুবই সোন্দর্য।নদী টার আসল নাম কিন্ত শংখ মানে শাখা।
০৪ ঠা মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: বর্ষায় গেলে মেঘ পাবেন....মেঘ আর মেঘ! জ্বি নদীটির প্রকৃত নাম শঙ্খ।

৫৭. ০৪ ঠা মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৪৫
সায়েম মুন বলেছেন: সুন্দর!

চিম্বুক গিয়েছিলাম প্রায় ৬ বছর আগে। একপ্রকার মেঘ ভেঙ্গে যেতে হয়েছিল!
৫৮. ১২ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:১৬
প্রতীক্ষা বলেছেন: মাই গড! সিম্পলি স্পেলবাউন্ড
এত এত মেঘ! আসলেই মেঘ-পাহাড়!!
মেঘ-সমুদ্র!! এক মেঘ রাজ্য...
১২ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: বর্ষায় যাবেন.... মেঘ দেখেতে পাবেন। মেঘ আর মেঘ........

৫৯. ২২ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:০৮
রেজোওয়ানা বলেছেন: ছবি গুলো খুব সুন্দর হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলের মাধবপুর লেকটা দেখেছেন?
অনেকটা বগা লেকের মতো। আর মজার ব্যাপার হলো মাধবপুর লেকেও নীল শাপলা আছে, বগা লেকের মতো।
আমি গত সপ্তাহে গিয়েছিলাম।
ছবি দেবো।
২২ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: শ্রীমঙ্গলে গেছি একাধিকবার। কিন্তু.... মাধবপুর লেক-এর কথা এই প্রথম শুনলাম। নিশ্চয়ই ছবি দেবেন.. দেখবো।

৬১. ২৫ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:৩১
রাকিব বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ পোষ্টটির জন্য। অনেকদিন পর দেখলাম। একটা চাঁদের গাড়িতে কতজনের জায়গা হবে? চাঁদের গাড়ি কেমন হয়?
২৫ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: সাধারণত‍‍ অনেক পুরনো মডেলের টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার জীপ....গাড়ীর কন্ডিশন খারাপ হলেও ব্রেক ভাল এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন। গাড়ীর হুড নেই, উপরটা খোলা...আকাশের চাঁদ (!) দেখতে দেখতে গাড়ী চড়ে ঘুরে বেড়াতে পারবেন... এই হলো চাঁদের গাড়ী। ৮-১০ জন বসে যাওয়া যেতে পারে একটা চাঁদের গাড়ীতে। আর লোকাল লাইনের চাঁদের গাড়ীতে কতজন একসাথে সওয়ার করে সেটা না দেখলে বোঝানো যাবেনা..... চলন্ত একটা বস্তুর চারিদিকে শুধৃ ঝুলন্ত মানুষই দেখতে পাবেন...গাড়ী দেখতে পাবেননা! পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ!

৬৩. ০৮ ই নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩১
জন ঢাকা বলেছেন: অনেক দিন হল যাব ভাবছি

২ জনে ঘুরে আসতে কেমন খরচ হবে ?
আর ছিন্তাই কারি ডাকাত এদের কোন ভয় আছে কি?
০৯ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: ছিনতাই ডাকাতির একদম ভয় নাই! আপনি কি সুলেমনের ধন ভান্ডার সাথে নিয়ে যাচ্ছেন নাকি?! আর হ্যাঁ.... দুই জনের ঘুরে আসা আর ছয় জনের ঘুরে আসার ব্যয় মোটামুটি একই...শুধু ঢাকা-বান্দরবান বাস ভাড়া ছাড়া। চার থেকে ছয় জন টিম মেম্বার হলে বেটার!

৬৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৫০
বিভ্রান্ত পথিক ২০১০ বলেছেন: ঢাকা থেকে আমরা ৬ জন যাবার প্লান করছি,আপনার ব্লগ পরে বুজলাম আপনি ভ্রমন পাগল মানুষ, আপনার অভিজ্ঞতা বলেন, কত বাজেট করলে ভালো হয় ?? season অফ-season-ই বা কখন? july মাস এ গেলে কত খরচ হতে পারে ???? এখানে বলে রাখা ভালো যে আমরা স্টুডেন্ট, বাজেট অবস্যই সীমিত. /:) /:)
১৪ ই নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: সিজন, অফসিজন বলে কিছু নেই। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন মজা! কক্সবাজার-এর জন্য শীতকাল যেমন সিজন..... বান্দরবানের জন্য তেমন কোন সিজন নাই.... সব সময়ই খরচ মোটামুটি একই রকম। আপনারা জুলাই-এ যেতে চাচ্ছেন..... মন্দনা। বর্ষা, মেঘ, ঝর্ণা, পাহাড়ী ঢল দেখতে পাবেন। আমার মতে বর্ষা-ই পাহাড় দেখতে যাবার আদর্শ সময়। বারন্দরবানে দেখার মত অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা। এক ট্যুরে সব কাভার করা হয়তো সম্ভব হবেনা। বর্ষায় বগা লেক, কেউক্রাডাং যাওয়া কষ্টকর.... অনেক খানি পাহাড়ীপথ হেঁটে ট্রেইল করতে হবে। আপনার কথা শুনে মুনে হচ্ছে আপনার পাহাড় ট্র্যাকিং-এর পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। তা'হলে পরের বার বগা লেক যাবেন, এবার বরং চিম্বুক, নীলগিরি, থানচি, তিন্দু, রেমাক্রি, নাফাখুম ঘুরে আসুন। আর এই রুটের ডিটেইলস পাবেন আমার এই পোস্টে...
Click This Link

মোট সফরসঙ্গী ৬ জন হলেই ভাল। ৬ জন মোটামুটি ২০ হাজার টাকায় খুব ভালভাবে ঘুরে আসতে পারবেন।

৬৫. ১৫ ই নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:০৫
বিভ্রান্ত পথিক ২০১০ বলেছেন: ঠিক ধরেসেন.....কোনই পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই! গেলেই হে যাবে আসা করি... তবে জীবনে যতগুলো ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছি তার খুব কমই সত্যি হৈসে কি জানি এইটার কি হবে....................
৬৬. ১৯ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৫
কাঊসার রুশো বলেছেন: চমৎকার একটা পোস্ট :)
+++ :)
১৯ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রুশো। ভাল থাকবেন।

০১ লা অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫১৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি এক যাযাবর....
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই