আমার প্রিয় পোস্ট
- ওরে আংরেজি...আর কত পেইন দিবি?
- ইংলিশের ভয়কে জয় করতে Barron's Painless Series-এর ৩টা মজার বই!! - রাফি মাহমুদ
- ভানু বন্দোপাধ্যায়---কখনো শুনে দেখেছেন কি? - ফেলুডার চারমিনার
- কক্সবাজার ভ্রমনের জন্য কিছু হোটেল ও বাসের যোগাযোগ নম্বর - রঙ্গিন স্বপ্ন
- ট্রুথ কমিশনে আত্মস্বীক্রিত দুর্নিতীবাজদের তালিকা ( প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া লিষ্ট) - হাবীব_ফরিদপুর
- DOI : ২ টি টেলিফোন , রাত ১২-১.০০ টা , শেখ মুজিবের ট্রু লাইস : মার্চ ২৬ - দাসত্ব
- ছবি ব্লগঃ ব্রিটিশ শাসন আমলে বাংলাদেশ - শেখ আমিনুল ইসলাম
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- আলফ্রেড হিচককঃ দ্য মাস্টার অফ সাসপেন্স। - জয় সরকার
- ডিভির জন্য ছবি ঠিকঠাক করে নিন সহজে
- রিডার ওয়ান
- বাংলার ভূ-স্বর্গ (ছবি ব্লগ) - দুখী মানব
- জেনে রাখা ভালো (ফুটবল বেসিকস) - নাফিস ইফতেখার
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- IELTS ফ্রি ডাউনলোড এর কারখানা (নতুন) !!!যাবতীয় মালমশলা ফ্রি ডাউনলোড : পর্ব -৪ - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
- IELTS EXAM ( পরামর্শমূলক ) - েচতনা
- অনলাইনে জিডি করতে চাইলে - আমি হনুমান
- ছাত্র ইউনিয়ন - শেখ রফিক
- প্রত্নতাত্ত্বিকের দিনলিপি: আফ্রিকার গণিত, আফ্রিকার স্বাধীনতা - ম্যাভেরিক
- ঈদের জন্যে এসএমএস সমগ্র... - বৃষ্টি এবং নীলা
- গণিতের সপ্ত কৌতুক - ম্যাভেরিক
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- ক্যামেরা কিনবেন কে কে ? - নক্ষত্রের কান্না
- মজার একটা সাইট শেয়ার না করে পারলাম না
- নিঃসঙ্গ
নাফাখুম...... বাংলাদেশের নায়েগ্রা!
০৯ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৩১
![]()
নাফাখুম
বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি স্থানটি সাঙ্গু নদীর উজানে একটি মারমা বসতী। মারমা ভাষায় 'খুম' মানে হচ্ছে জলপ্রপাত। রেমাক্রি থেকে তিন ঘন্টার হাঁটা পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় আশ্চর্য সুন্দর সেই জলপ্রপাতে, যার নাম 'নাফাখুম'। রেমাক্রি খালের পানি প্রবাহ এই নাফাখুমে এসে বাঁক খেয়ে হঠাৎ করেই নেমে গেছে প্রায় ২৫-৩০ ফুট....প্রকৃতির খেয়ালে সৃষ্টি হয়েছে চমৎকার এক জলপ্রপাত! সূর্যের আলোয় যেখানে নিত্য খেলা করে বর্ণিল রংধনু! ভরা বর্ষায় রেমাক্রি খালের জলপ্রবাহ নিতান্ত কম নয়... প্রায় যেন উজানের সাঙ্গু নদীর মতই। পানি প্রবাহের ভলিউমের দিক থেকে সম্ভবতঃ নাফাখুম-ই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত। আমার দেশে এত সুন্দর একটা জলপ্রপাত....অথচ আমরা খুব কম জন-ই এই জলপ্রপাতটা সম্মন্ধে জানি!
![]()
নাফাখুম (আপস্ট্রীম থেকে তোলা)
নাফাখুমের পড়ন্ত জলের ধারার নীচে গিয়ে বসার সুযোগ রয়েছে। আমার-আপনার জন্য বিষয়টা বেশ রিস্কি হলেও পাহাড়ীরা জলপ্রপাতের পিছনে বসে অনায়াসে মাছ শিকার করে। এক ধরনের উড়ুক্কু মাছ (স্থানীয় ভাষায় মাছটির নাম নাতিং মাছ) উজান ঠেলে এসে নাফাখুমে বাধাপ্রাপ্ত হয়, লাফ দিয়ে এই প্রপাত-টা আর ক্রস করতে পারেনা....গিয়ে পড়ে জলপ্রপাতের ভিতরে ছোট্ট একটা গুহায়। অনায়াসে সেখান থেকে মাছ সংগ্রহ করে স্থানীয় পাহাড়ীরা।
![]()
রেমাক্রি বাজার (নদী থেকে তোলা)
রেমাক্রি বাজার থেকে দুইভাবে নাফাখুম-এ যাওয়া যায়। এক ঘন্টা উঁচু-নীচু পাহাড়ী পথ মাড়িয়ে(পাহাড় ডিঙিয়ে) তারপর রেমাক্রি খালের পাড় ধরে বাকিটা হেঁটে চলা। এই পথে গেলে নাফাখুমে পৌঁছাতে আপনার সময় লাগবে চার ঘন্টা। রেমাক্রি খাল ক্রস করতে হবে তিন বার, যার মধ্যে শেষবার আপনাকে সাঁতার পানি পেরুতে হবে। আপনি পাহাড় না ডিঙিয়ে গোটা পথই রেমাক্রি খালের পাশ দিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে নৌকা করে রেমাক্রি খালের মুখে (যেখানে রেমাক্রি খাল সাঙ্গুতে পড়েছে, রেমাক্রিখুম) যেতে হবে আপনাকে...তারপর খালের পাড় দিয়ে হাঁটা পথে নাফাখুম বরাবর। এই পথে আপনাকে চার বার খালটি ক্রস করতে হবে...তবে সময় লাগবে তিন ঘন্টা। আমি আপনাকে দ্বিতীয় পথেই যেতে পরামর্শ দেব...এতে আপনার সময় ও এনার্জী দু'টোই ব্যয় হবে কম। আর শীতের দিনে গেলে খাল ক্রস করার ঝামেলাই নেই.... গোটাটাই আপনি ঝিরিপথ দিয়ে হেঁটে যেতে পারবেন। তবে শীতকালে নাফাখুম-এর এই পূর্ণ সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ হবেনা.... পানি প্রবাহ অনেক কমে যাবে তখন।
রেমাক্রিখুম-টাও খুব সুন্দর! রেমাক্রি বাজারের কাছেই এই 'রেমাক্রি খুম'। রেমাক্রি খাল যেখানে এসে সাঙ্গু নদীতে পড়েছে.... সেটাই রেমাক্রি খুম।
![]()
রেমাক্রিখুম
পাঁচ-ছয় ফুট উপর থেকে কয়েকটি ধাপে পানি পড়ছে এই জলপ্রপাতে। এ'টি অনেক চওড়া। এই জলপ্রপাতটিও আপনাকে মুগ্ধ করবে নিঃসন্দেহে। তিন্দু থেকে রেমাক্রি যাবার পথেই চোখে পড়বে এই রেমাক্রিখুম।
![]()
রেমাক্রিখুম
সাম্প্রতিক সময়ে অনেক ব্লগার বান্দরবানের থানচি উপজেলার তিন্দু, বড়পাথর, রেমাক্রি ঘুরে এসেছেন... চমৎকার সব ছবিসহ অনেকে পোস্ট-ও দিয়েছেন। বিস্তারিত না গিয়ে আমি শুধু কিছু তথ্য শেয়ার করছি এখানে....
![]()
নীলগিরি
১. বান্দরবান শহর থেকে থানচি উপজেলা (বান্দরবান জেলার সর্বদক্ষিণের উপজেলা) সদরের দূরত্ব ৮২ কিঃমিঃ। রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে বান্দরবান থেকে থানচি যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টা, ভাড়া নেবে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। পথে চিম্বুক আর নীলগিরিতে নেমে কিছু ছবি তোলার ইচ্ছে থাকলে সময় কিছুটা বেশী লেগে যেতে পারে।
![]()
তিন্দু (সাঙ্গুর পাড়ে)
![]()
তীব্র স্রোত ঠেলে উজানে যাবার চেষ্টা
২. বর্ষায় ইঞ্জিনবোটে থানচি থেকে তিন্দু যেতে সময় লাগবে আড়াই ঘন্টা। তিন্দু থেকে রেমাক্রি যেতে লাগবে আরও আড়াই ঘন্টা। এই পাঁচ ঘন্টার নৌ-পথে আপনি উজান ঠেলে উপরের দিকে উঠতে থাকবেন আর ভার্টিকেল ডিষ্টেন্স কভার করবেন প্রায় ৫০ মিটার । শীতের সময় ইঞ্জিন বোট চলার মত নদীতে যথেষ্ট গভীরতা থাকেনা...তখন ঠ্যালা নৌকাই একমাত্র বাহন। বর্ষা মৌসুমে তিন দিনের জন্য ইঞ্জিনবোটের ভাড়া পড়বে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। আর শীত মৌসুমে ঠ্যালা-নৌকার ভাড়া পড়বে প্রতি দিনের জন্য ১০০০ টাকা।
![]()
সাঙ্গু নদীর উজানে হঠাৎ এরকম স্টেপ-ডাউন পাবেন প্রচুর
৩. থানচি থেকে যত উজানে যাবেন (দক্ষিণে).... নদীর স্লোপ তত বাড়তে থাকবে। গোটা নদীপথেই একটা জেন্টেল স্লোপ-তো আছেই...তার উপরে মাঝে মাঝেই আছে ১ ফুট থেকে ১ মিটার পর্যন্ত খাড়া স্টেপ-আপ। আমি রেমাক্রি ছাড়িয়েও ছোট মওদক পর্যন্ত গেছি। কিন্তু তিন্দু থেকে রেমাক্রি পর্যন্ত নদীপথ-টুকুই বেশী খরস্রোতা ও একটু ঝুঁকিপূর্ণ।
![]()
যখন আমরা বড়পাথর অতিক্রম করছি
৪. ঢালু পাহাড়ী নদী খরস্রোতা হওয়াই স্বভাবিক... বর্ষায় সাঙ্গুও সেইরকম খরস্রোতা। তবে ভয় পাবার কিছু নেই। নৌকার মাঝিরা যথেষ্ট স্কীল বলেই মনে হলো। দু' একটা দূর্ঘটনার গল্প হয়তো শুনবেন.... কিন্তু আমি ভয়ের কিছু দেখিনি, বরং ফেরার সময় রাফটিং-এর একটা মজা উপভোগ করেছি। থাকা-খাওয়ার কিছুটা অসুবিধা মেনে নিলে এমনকি এ্যডভেঞ্চার প্রিয় মেয়েরাও অনায়াসে রেমাক্রি পর্যন্ত ঘুরে আসতে পারবেন।
![]()
চমৎকার সুস্বাদু চাঁপা কলা
৫. থানচি থেকে নৌকায় উঠার সময় মাত্র ১০০ টাকায় এইরকম এক কাঁদি চাঁপা কলা নৌকায় তুলে নিলে.... পথে বেশ কাজে লাগবে।
৬. হাতি পোকার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য এন্টি মসক্যুইটো ক্রীম নিতে ভুলবেন না।
![]()
রেমাক্রি রেস্ট হাউজের বারান্দায়... ধুম ঘুম!
৭. রেমাক্রি পর্যন্ত যদি যান... তবে এইভাবে ঘুমিয়ে সময় না কাটিয়ে একটু কষ্ট করে 'নাফাখুম' দেখে আসতে ভুলবেন না। হাতে সময় থাকলে ব্যাটকেভ বা বাঁদূর গুহা-টাও দেখে আসতে পারেন, যদিও আমরা ব্যাটকেভ দেখে আসার সময় করতে পারিনি।
৮. আর্মি বা বিডিআর-এর রেফারেন্স থাকলে তিন্দু ও রেমাক্রিতে বিডিআর-এর আতিথেয়তা পেতে কষ্ট হবেনা.... আর বিডিআর-এর আতিথেয়তা পেলে থাকা-খাওয়ার সম্ভাব্য সর্বোত্তম ব্যবস্থা-টা সহজেই মিলে যাবে। সাথে উপরি পাবেন নিশ্চিন্ত নিরাপত্তা...যদিও নিরাপত্তা জনিত কোন অসুবিধা আমার চোখে পড়েনি।
৯. বিডিআর ক্যাম্পে থাকার ব্যবস্থা না করতে পারলেও কোন অসুবিধা নেই। নিশ্চিন্ত মনে বছরের যে কোন সময় ৪ থেকে ৬ জনের গ্রুপ নিয়ে চলে যান তিন্দু, রেমাক্রি। মারমাদের বাঁশ-কাঠের বাড়ীতে অনায়াসে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা হয়ে যাবে আপনাদের। মারমাদের প্রায় প্রতিটি বাড়ীতেই খুব অল্প টাকায় এমন থাকা-খাওয়ার সুবিধে রয়েছে। তিনবেলা খাওয়ার খরচ পরবে জনপ্রতি ২০০ টাকা, আর থাকা ফ্রি। তবে যে বাড়ীতে ফ্রি থাকবেন... খেতে হবে তাঁর দাওয়ায় বসেই।
১০. থানচি পর্যন্ত আপনার টেলিটক মোবাইলের নেটওয়ার্ক পাবেন। তিন্দু গিয়ে আপনার মোবাইলে নেটওয়ার্ক না থাকলেও আপনি একেবারে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হবেন না। মারমাদের দোকান থেকে বাঁশের উপর এ্যন্টেনা লাগানো সেট থেকে চাইলে বাইরের পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন। কিন্তু রেমাক্রি পৌঁছালে আপনি একেবারেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন।
তাহলে একবার সুযোগ করে ঘুরে আসুন তিন্দু, বড়পাথর, রেমাক্রি, নাফাখুম.... উপভোগ করে আসুন ভিন্ন এক থ্রিলিং প্রকৃতি। স্যাটিসফেকশন গ্যারান্টেড!
![]()
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নাফাখুম ;
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ভাল আছি।......অপনি?
অর্ফিয়াস বলেছেন:
এই জিনিষ বাংলাদেশে? কন কি? +++
লেখক বলেছেন: দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া...ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া...
অর্ফিয়াস বলেছেন:
প্রিয়...প্রিয়...প্রিয়...
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!
জ্বীন বলেছেন:
+ এবং প্রিয়তে !!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: দেখে আসুন...... নাফাখুম সত্যিই খুব সুন্দর!
কোডার গুরু বলেছেন:
জোসস ++
লেখক বলেছেন: রিয়্যালি ইট ইজ!
কাচু বলেছেন:
বাংলাদেশের কোন জেলায়। তা েতা পরিষ্কার কইরা বললেন না।
লেখক বলেছেন: বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে এই নাফাখুম অবস্থিত।
টুন্টু কুমার নাথ বলেছেন:
আ হা ! কি মজা রে................
লেখক বলেছেন: জার্নিটা থ্রিলিং.... আর চোখ জুড়ানো প্রকৃতি! সত্যিই মজা.....
লেখক বলেছেন: হুমম.... ঘুরে আসুন।
আকাশের তারাগুলি বলেছেন:
যামু লাগতেছে।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই যাবেন।
বড় বিলাই বলেছেন:
দারুণ!
লেখক বলেছেন: আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম।
নাহিদ বলেছেন:
রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে বান্দরবান থেকে থানচি যেত সময় লাগবে ৩ ঘন্টা, ভাড়া নেবে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা।.....................ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম বিমানে যাইতেও তো ৪/৫ হাজার টাকা লাগে না।...একটু কনফিউস।
লেখক বলেছেন: বিমানে একটি টিকেটের দাম ৪/৫ হাজার টাকা... আর রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে ঐ টাকায় বান্দরবান থেকে থানচি যেতে পারবেন ১০ জন।
বহুত বড্ডা মিস করলাম।
লেখক বলেছেন: তোমাকে সহযাত্রী হবার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম...... সত্যিই মিস করলে!
বৃহস্পতি বলেছেন:
বান্দরবান যাওয়ার ইচ্ছা অনেকদিনের।কিন্তু কখনো যাওয়া হইলো না।তাও এমন তথ্যের জন্য পিলাচ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
পাখা বলেছেন:
ভাইরে আপনার জীবন স্বার্থক ,,,,,
নাফাখুমের ছবি শেয়ারের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
আমাদের দেশে এত সুন্দর স্পট আছে জানা ছিল না...
এ জীবনে যাওয়া হবে না , কিন্তু ছবি দেখে জীবন স্বার্থক....
পোস্টে প্রিয়তে এবং সুভ-কামনায়
অসংখ্য++++++,,,,,,
লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভকামনা! ভাল থাকবেন।
সিকদার বলেছেন:
+++++++++++++্
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
লালু কসাই বলেছেন:
এত্ত সুন্দর সিনারি আমাগো দেশে? কন কি? তারপর ও আমাদের পরিচালক রা থাইল্যন্ড যায়? দেশে এই প্রকৃতিতে যদি শুটিং করে তাহলে বাজেট কইমা যাই............।।
লেখক বলেছেন: সহমত।
সুবিদ্ বলেছেন:
অসাধারন!!
লেখক বলেছেন: সত্যিই জায়গাটা অসাধারণ!
করবি বলেছেন:
চমৎকার জায়গা!
লেখক বলেছেন: জ্বি....নিঃসন্দেহে!
পারভেজ বলেছেন:
জোশ!!
লেখক বলেছেন: বটেইতো!
সায়েম মুন বলেছেন:
দেখা হয় নাই চউক্ষু মেলিয়া---------যাইতে হবে।।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই যাওয়া উচিত।
মাহবুব৩৭৩৯ বলেছেন:
পিলাচ এবং প্রিয়তে..
উপদেশ গুরু বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে। তবে রেমাক্রি কিভাবে যাব তা যদি একটু কৈতেন ভাল হত। অসংখ্য +++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: একটু খেয়াল করে দেখলে দেখবেন পোস্টে বলা আছে। ঢাকা থেকে বাসে বান্দরবান..... বান্দরবান থেকে চাঁদের গাড়ীতে থানচি.... থানচি থেকে নৌকায় রেমাক্রি।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই যাবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
জটিল বলেছেন:
কঠিন অবস্থা , সময় নিয়ে ঘুরে আসতে হবে অবশ্যই ।
লেখক বলেছেন: জটিল ....এবং কঠিন!!!!!
শিট সুজি বলেছেন:
বান্দরবনে আমি ২বার গেছি। একবার বগা লেক + নীলগিরি, আরেকবার বগালেক + কেওকারাডং + তাজিংডং। বর্ষাকালে পাহাড় এত সুন্দর লাগে, অনুভুতিগুলো আসলে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব হয় না।আবার যাওয়ার ইচ্ছা ছিল, সাকা হাফ্লং যাওয়ার জন্য পোলাপাইনের একটা গ্রুপ রেডী আছে। সম্ভবত এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু চুড়া এখন। এই পথ সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। গেলে রোমাক্রি অবশ্যই ঘুরে আসবো। সাকা হাফ্লং সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু কি জানেন ? রোমাক্রি যেতে হলে কি একই পথে যাওয়া যাবে নাকি পথ ভিন্ন? আর অবশ্যই বর্ষাকালে যাব। শীতকালে পাহাড় খুব একটা আকর্ষনীয় লাগে নি।
লেখক বলেছেন: বগালেক পর্যন্ত আমিও গেছি। আমার জানা মতে সাফা হাফ্লং কেউক্রাডং এবং তাজিংডন-এর মাঝামাঝি কোথাও অবস্থিত। সাফা হাফ্লং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পিক কিনা এই বিষয়ে মতবিরোধ রয়েছে। যতদূর জানি..... সংশ্লিষ্ট পাহাড়টির কিছু অংশ বাংলাদেশে পড়লেও সাফা হাফ্লং পিক-টা পড়েছে মায়ানমারের সীমানা অভ্যন্তরে। কেউক্রাডং থেকে দেড় দিনের হাঁটা পথ মাড়িয়ে সাফা হাফ্লং যেতে হয় শুনেছি। তাজিংডন থেকেও যাওয়া যেতে পারে। শুধু তাজিংডন যেতে হলে থানচি হয়ে গেলে কাছে হয়। আবার তিন্দু. রেমাক্রি যেতে হলেও থানচি হয়েই যেতে হয়। তাজিংডন থেকে ফিরে সাঙ্গু নদীপথে তিন্দু, রেমাক্রি যাওয়া যেতে পারে। তবে পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে এমন অনেক এ্যডভেঞ্চারপ্রিয় ব্লগার আছেন সামু-তে, তাঁদের কাউরো কাছ থেকে নিশ্চিত তথ্য সংগ্রহ করা বেটার হবে।
লবঙ্গলতিকা বলেছেন:
মুগ্ধ হয়ে গেলাম
লেখক বলেছেন: নিজ চোখে গিয়ে দেখে আসুন.... নাফাখুমের সৌন্দর্য দেখে বিমুগ্ধ হবেন নিঃসন্দেহে!
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
অসাধারণ! জট্টিলস!
লেখক বলেছেন: সত্যিই অসাধারণ..অপূর্ব!
নুভান বলেছেন:
জটিল। +++
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!
রেজোওয়ানা বলেছেন:
অনেক অনেক দিন পরে ঘোরাঘুরি পোস্ট দিলেন!দেখে এতই চমৎকৃত হয়েছি, এমন দারুন একটা জলপ্রপাত আমাদের দেশে আছে এটা জানতামই না।
কখনোও কি যেতে পারবো............
অসাধারণ পোষ্টের জন্য আপনার এতদিন কোন পোষ্ট না দেবার যাবতিয় দোষ মাপ করে দিলাম
লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট পড়ে বেশ মজা পেলাম!
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
এইটা কি হইলোরে! ভরা বর্ষায় সেইরকম এডভেঞ্চার করে রেমাক্রি ঘুরে আসলাম, আর আশেপাশে না গিয়া মিসাইলাম
রেমাকরি ঢোকার আগে বামের সাঙ্গুর শাখায় নদীপ্রপাত দেখেছিলাম, আসবার সময় পাহাড়ী ঢলে এক্কেবারে সমান ।
লেখক বলেছেন: তিন্দু থেকে রেমাক্রি যাবার পথে রেমাক্রি বাজারের একটু আগে বামে যে জলপ্রপাত-টি দেখেছিলেন.... সেটাই রেমাক্রিখুম! রেমাক্রি খাল এখানেই সাঙ্গু নদীতে পড়েছে। এই রেমাক্রি খালেরই ৭ কিঃ মিঃ উজানে নাফাখুম! যদিও ভরা বর্ষায় সাঙ্গুতে রেমাক্রি পর্যন্ত নৌ-ভ্রমণই যথেষ্ট থ্রিলিং এবং মজার....তবুও রেমাক্রি পর্যন্ত গিয়েও নাফাখুম-টা না দেখে আসা মানে নির্ঘাত আপনি রেমাক্রির প্রধানতম আকর্ষণটা মিস করেছেন।
ফেরারী... বলেছেন:
করছেন কি মিয়া !!! পুরাই মাথা নষ্ট করে দিলেন আমরা তো কয়দিন আগেই ঘুরে আসলাম । এত সুন্দর জায়গা আছে আমরা তো জানি না
ই ই ই ই ই ই ই
লেখক বলেছেন: আমি ঘুরে এসেছি এই গত ৪ থেকে ৬ আগষ্ট। আপনি সম্ভবতঃ আমার আগেই ঘুরে এসেছেন তিন্দু, বড়পাথর, রেমাক্রি।
মাইনাস দিলাম যেতে না পারার জন্য
লেখক বলেছেন: টুক-টাক এডিট-তো করেছিই!.... হা..হা... মাইনাস দেবার জন্য ধন্যবাদ! অচেনা শত্রুর চেয়া চেনা-জানা শত্রু অনেক ভাল!
ইসতিয়াক আহমদ আদনান বলেছেন:
চমৎকার।+++
লেখক বলেছেন: তাইলে-তো মজাই হতো। তবে আমরা যখন গেছিলাম তখন 'প্রথম আলো'র একটি গ্রুপসহ এভারেষ্ট জয়ী মুসা ইব্রাহিম গেছিলেন নাফাখুম দেখতে।
সুবিদ্ বলেছেন:
আমি প্রিয়তে নিয়ে নিলাম!!যাবার জন্য গাইডলাইন দিতে পারবেন প্লিজ, সময় কেমন লাগবে তাও জানিয়ে
লেখক বলেছেন: মোটামুটি গাইড লাইন পোস্টে দেয়াই আছে। ঢাকা থেকে গাড়ী নিয়ে গেলে বিশেষ সুবিধে হয়না.... পাহাড়ী রাস্তায় সমতলের গাড়ী এবং ড্রাইভার কোনটাই যুৎসই হব্নো। নাইট কোচে ঢাকা থেকে বান্দরবান যাওয়া বেটার। বান্দরবান শহর থেকে রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে সোজা থানচি। পথের দূরত্ব ৮২ কিঃমিঃ, ভাড়া ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। লোকাল বাস বা চাঁদের গাড়ীতে চড়লে পয়সা বাঁচবে বটে.... তবে সময় লাগবে অনেক এবং গাড়ীতে ভীর-ভাট্টা অনেক বেশী। থানচি বাজার থেকে নৌকা ভাড়া করবেন। বর্ষায় গেলে ইঞ্জিনবোট আর শীতকালে গেলে ঠ্যালা নৌকা। আপনি কতদূর পর্যন্ত যাবেন তার উপর নির্ভর করবে কতদিনের জন্য নৌকা ভাড়া করবেন। ইঞ্জিনবোট প্রতি দিনের জন্য ১৫০০ থেকে ২০০০ পর্যন্ত ভাড়া নিতে পারে, ঠ্যালা নৌকা প্রতিদিনের জন্য ৮০০-১০০০ টাকা। থানচি থেকে রওনা দেবার পর আড়াই ঘন্টা নৌ-পথ পাড়ি দিয়ে প্রথমে পড়বে তিন্দু.... তিন্দু ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অথবা মহিলা মেম্বারের বাড়ীতে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবেন। প্রতি দিনের জন্য জনপ্রতি থাকা-খাওয়া পড়বে ২০০/-। তিন্দু থেকে আরও উজানে আড়াই ঘন্টা নৌ-পথ পাড়ি দিয়ে পাবেন রেমাক্রি। তিন্দু থেকে রেমাক্রি যাবার পথে তিন্দুর একটু পরেই পড়বে বড়পাথর। রেমাক্রিতে বাঁশ-কাঠের চমৎকার একটা রেস্ট হাউজ আছে... স্থানীয় চেয়ারম্যান এই রেস্ট হাইজে আপনাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিতে পারবেন। অন্য কোন গ্রুপ আগেই রেস্ট হাউজ দখল করে রাখলে চেয়ারম্যানের বাড়ীতে থাকার ব্যবস্থা হতে পারে। রেমাক্রি থেকে ৩ ঘন্টার হাঁটা পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হবে নাফাখুম। শুধু নাফাখুম দেখার জন্য পুরো একটা দিন হাতে রাখা ভাল। নাফাখুম দেখতে চাইলে বর্ষাই আদর্শ সময়। তাহলে ঘুরে আসুন...দেখে আসুন সাঙ্গুর উজানের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য! বিডিআর-এর অতিথি হয়ে যেতে পারলে অনেক হেল্প পাবেন।
লেখক বলেছেন: আমিও বুঝিনি !!! আমার কোন ব্যক্তিগত শত্রু আছেন হয়তো!..হা..হা..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
মুহিব বলেছেন:
আপনাকে গাইড করে চলেন দল বেধে সবাই ঘুরে আসি।
লেখক বলেছেন: চলনা ঘুরে আসি...... অজানাতে.......
ভোরের তারা বলেছেন:
দারুন দারুন++++++
লেখক বলেছেন: হুমমম......
মিলে মিশে থাকি বলেছেন:
ছবি দেখেই যা ভাল লাগলো, বাস্তবে দেখলে না আরও কত সুন্দর লাগতো!... একদম ফাটাফাটি...
লেখক বলেছেন: মিস করেছেন........ একদম ফাটাফাটি মিস!
কাঊসার রুশো বলেছেন:
তিন্দু থানচি রমাক্রি নিয়ে অনেক পোস্ট পড়েচি ব্লগে। কিন্তু এ জায়গার নাম তো শুনি নাই।অসাধারন একটা পোস্ট এবং পরবর্তীকত যাওয়ার জন্য খুবই কার্যকরী।
প্রিয়তে।+++++++++++
পারলে একটু দেখেন
ছবিব্লগ: অনিন্দ্যসুন্দর বগা লেক
মিশন কিওক্রাডং
লেখক বলেছেন: আপনার পোস্ট দু'টো দেখে এলাম। ভাল লাগলো।
সুরঞ্জনা বলেছেন:
অদ্ভুত সুন্দর!!! কল্পনাই করিনি আমাদের দেশে এতো দুন্দর জলপ্রপাত আছে। প্রিয়তে নিচ্ছি।আগামীতে ভাইএর সাথে নীলগিরী যাওয়ার প্ল্যান আছে, তখন কাজ দিবে।
আর আর্মির মানুষের সাথে গেলে তো অনেক সুবিধা পাবো বললেন।
লেখক বলেছেন: বান্দরবান গেলে নীলগিরি পর্যন্ত আজকাল অনেকেই যায়। নীলগিরিও ভাল লাগবে। কিন্তু হাতে দু'দিন সময় বাড়িয়ে নিয়ে যদি বড়পাথর, রেমাক্রি, নাফাখুম ঘুরে আসতে পারেন... তবে নিঃসন্দেহে অন্যরকম ভাললাগায় ছেয়ে যাবে মন। শুভকামনা।
চতুর কাউয়া বলেছেন:
ভাই ঈদের পরে যাচ্ছি.....নেফাখুম এ রাত্রে থাকতে চাচ্ছি তাবুতে.....সম্ভব?
লেখক বলেছেন: সম্ভব। নাফাখুম-এর পাশে বেশ খানিকটা এলাকা জুড়ে পাথরের চাতাল রয়েছে। পাথরের চাতালের উপর ক্যাম্প ফায়ার করে নাতিন মাছের বারবিকউ.... জমবে বেশ!
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন:
অবশ্যই যেতে হবে।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই যাবেন।
লেখক বলেছেন: ইচ্ছে থাকলে নিশ্চয়ই যাওয়া হবে।
বাজেকাম বলেছেন:
ঘুরতে মঞ্চায়। বয়স নাই। সবাই বয়স থাকতে ঘুইরা আসেনগা। ভাইজানরে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: নিজের দেশ ঘুরে দেখবার জন্য ইচ্ছে আর উদ্যোম থাকাটাই যথেষ্ট!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
বিষফোঁড়া বলেছেন:
দুই লক্ষ কোটি ধন্যবাদ।কি জিনিস দেখাইলেন!!!মাথা নষ্ট।কয়দিন হাতে নিয়া গেলে আরামসে ঘুরে আসা যাবে?
লেখক বলেছেন: এত ধন্যবাদ রাখি কোথায় !.........থ্যাংকস্।
ঢাকা থেকে বান্দরবান যাওয়া এবং আসা..... এই জার্নি দুইটা নাইটকোচে সারতে পারলে আর দুইটা দিন-ই যথেষ্ট। একদিন তিন্দু আর একদিন রেমাক্রি নাইট স্টে। ঢাকা থেকে নাইট কোচে স্টার্ট করলে পরদিন বিকেল নাগাদ তিন্দু-তে পৌঁছে যাবেন। পরদিন সকাল সকাল তিন্দু থেকে রেমাক্রি রওনা হয়ে যাবেন। তৃতীয় তিন সকাল ১০টা - ১১ টার মধ্যে রেমাক্রি থেকে ফিরতী যাত্রা ষ্টার্ট করলে সন্ধ্যের মধ্যে বান্দরবান..এবং ঐ রাতেই ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা। তবে আপনার মন্তব্য অনুযায়ী 'আরামসে' ঘুরে আসার জন্য আরও একটা দিন হাতে রাখতে পারেন। শুভ কামনা রইল।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই যাবেন। চমৎকার জায়গা!
দেখি আর শুনি বলেছেন:
অসাধারণ, প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: দেখে আসুন নাফাখুম.... শুনে আসুন জলপ্রপাতের আওয়াজ।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
অনেক সুন্দর!
লেখক বলেছেন: জ্বি!
নীল ভোমরা বলেছেন:
আমরা গিয়েছিলাম বিডিআর-এর অতিথি হয়ে। একই সময়ে এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহিমসহ প্রথম আলোর একটি দল গিয়েছিল নাফাখুম অভিযানে। চমৎকার সব ছবি ও বিস্তারিত বর্ণনায় প্রথম আলোর সেই রিপোর্ট-টি দেখতে পাবেন নিচের লিংকে।জল প্রপাতের নাম নাফাখুম
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন:
চমৎকার ছবি ও বর্নণা
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মুভি পাগল বলেছেন:
কিন্তু জায়গাটা কোথায় এটাই তো বুঝলামনা
মুভি পাগল বলেছেন:
ওহ সরি সরি, এবার বুঝি
লেখক বলেছেন: হুমম...... এবার ঠিক বুঝেছেন।
রোকসানা লেইস বলেছেন:
ধন্যবাদ অজানাকে জানানোর জন্য....সুন্দর
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে..... আমার আঙিনায় পদধুলি দেবার জন্য।
আমি বলতে চাই বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
পৃথিবীর আমি বলেছেন:
আমরা কয়েক বন্ধু মিলে যাব আমাদের ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই যাবেন।
লেখক বলেছেন: বেশতো..... আবশ্যই যাবেন।
বিভ্রান্ত পথিক ২০১০ বলেছেন:
আমার দেশে এত সুন্দর একটা জলপ্রপাত....অথচ আমরা খুব কম জন-ই এই জলপ্রপাতটা সম্মন্ধে জানি!
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন:
+++++++নায়াগ্রার চেয়ে একদিকে ভাল। মার্কিনীরা বাণিজ্যিকরণ করতে গিয়ে ওরা নায়াগ্রাকে পোষা জলপ্রপাত বানিয়ে ফেলেছে। এটা অনেক ন্যাচরল আর আনটাচড।
লেখক বলেছেন: একদম আনটাচড্..... 'র'!
সীমানা পেরিয়ে বলেছেন:
+++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
আসিফ মুভি পাগলা বলেছেন:
অসাধারন পোস্ট । গত কয়দিনে দারুন কিছু ভ্রমণ বিষয়ক পোস্ট দেখে মনডা আনচান করতাসে লেখক বলেছেন: আপনিও ঘুরে আসুন।
bijoy বলেছেন:
প্রাণ টা জুড়িয়ে গেল বাংলাদেশের সৌন্দর্য দেখে।
লেখক বলেছেন: সত্যিই তাই! আহা.... কি সুন্দর আমাদের এই জন্মভূমি!
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন:
কবে যে ওখানে যেতে পারব......!!!
লেখক বলেছেন: ইচ্ছে থাকলেই যেতে পারবেন...... ইচ্ছেটাই বড় কথা!
লেখক বলেছেন: ভ্রমণের নেশা থাকলে... নাফাখুম ঘুরে আসতে ভুলবেন না! ভাল থাকব্নে।
এম আই টু বলেছেন:
ভাইরে কি দেখাইলেন, আমার এক কলিগ তো নাছোরবান্দা হয়ে ধরসে যাওয়ার জন্য, কিন্তু দুর্গম পথের কথা ভেবে যাওয়া হয় নাই। এইবার মনে হয় যাবোই শোকেসে তুইলা রাক্লাম। ফেছবুখে শেয়ার করার অনুমতি পাওয়া যাবে কি?
লেখক বলেছেন: ১. ঘুরে আসুন। আনটাচড্ প্রকৃতি বটে, কিন্তু যতটা দূর্গম ভাবছেন ততটা দূর্গম নয়.... একটা থ্রিলিং নৌকা ভ্রমণ উপভোগ করতে করতে সহজেই পৌঁছে যাবেন গন্তব্যে।
২. সাগ্রহে অনুমতি দেয়া গেল।
হেডস্যার বলেছেন:
যাই যাই করে যাওয়া হল না। যে বর্ননা দিলেন তাতে না গিয়ে থাকতে পারব বলে মনে হয় না। বর্ষার শুরুতে যাব ভাবছি।
প্লাস।
লেখক বলেছেন: বর্ষায় মজা বেশী!.... নাফাখুমের পূর্ণ সৌন্দর্য তখনই!
লেখক বলেছেন: ঘুরে এসছেন!... চমৎকার জায়গা না?! আমার কিন্তু খুব ভাল লেগেছে!
লেখক বলেছেন: পরের বার নিশ্চয়ই হবে!
অবলা পুরুষ বলেছেন:
মোন্টা চায়.........এত অসাধারন ছবি সহ বর্ননার পর মনকে বেধে রাখা কষ্ঠকর। অনেক ...................ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ!
এক রাশ তরঙ্গ বলেছেন:
খুবই সুন্দর !!
লেখক বলেছেন: জ্বি...বর্ষায় নাফাখুম অসলেই খুব সুন্দর!
লেখক বলেছেন: সম্ভব...খুব সম্ভব। তবে তুলা তুলা মেয়ে হলে হবেনা! থানচি থেকে রেমাক্রি পর্যন্ত গোটা পথ নৌকাতেই যেতে পারবেন। তবে স্রোতের বিপরীতে নৌকা একটু দুলে উঠলেই ভয়ে 'আউচ' বলে চিল্লিয়ে উঠলে হবেনা.... ভয় পেলে নৌকাডুবির সম্ভবনা আছে। কিন্তু স্রোত বেশী হলেও গভীরতা বেশী না.... হাঁটু পানি! শীতের সময় একেবারেই ভয় নাই। বর্ষায় একটু রিস্কি.... পানির স্রোত খুব বেশী! আমরা গেছিলাম ভরা বর্ষায়..... পাহাড়, পাহাড়ী নদী আর জলপ্রপাত দেখতে যেতে চাইলে বর্ষাই আদর্শ সময়। আমাদের সাথে আরেকটি গ্রুপও গিয়েছিল সেই সময়। ঐ গ্রুপের সাথে মেয়েরাও ছিল। খাবার বলতে পাহাড়ীদের বাড়ীতে ডিম-খিচুরী.... খেতে খারাপ লাগবেনা। পাহাড়ীদের বাঁশ-কাঠের বাড়ীর দোতলায় কাঠের মেঝেতে ফ্লোরিং করেও মজা পাবেন। তবে.....মানসম্মত টয়লেটের অনুপস্থিতি মেয়েদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে!
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই যাবেন। তবে মজা নিতে হলে বর্ষায় যাওয়াই ভাল!
মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী বলেছেন:
"নাফাখুম" জলপ্রপাতের ভিডিও চিত্র দেখে খুব ইচ্ছে ছিল যাব....কিন্তু যাতায়ত অনেক কষ্টের বলে মাথা থেকে পরিকল্পনা বাদ দিয়েছি....... তবে যেতে না পারার আফসোস থেকে যাবে। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।যারা বান্দরবান বেড়াতে যেতে চান তারা আমার এই লিংকটি দেখতে পারেন.... ট্রাভেল গাইড::বান্দরবান:: কি ভাবে যাবেন,কি দেখবেন? কত খরচ?
লেখক বলেছেন: নাফাখুম যাওয়া মোটেই কষ্টের কিছু নয়...তবে বর্ষায় গেলে থ্রিলিং বটে!
রাতুলবিডি বলেছেন:
খুব ভাল লেখা। ছবিগুলোও অসাধারন।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!
অচেনা রাজ্যের রাজা বলেছেন:
অনেক ভালো লাগলো বস
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!
লেখক বলেছেন: পোস্ট পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ!
হুপফূলফরইভার বলেছেন:
পোস্টের রিলাভেন্ট প্রতিমন্তব্যে কি বলব তার প্রাসঙ্গিক শব্দকথন মুখে আসছে না! ব্যাক্তিগতভাবে পাহাড় ঝর্নায় ঘুরেছি অনেককিন্তু কিভাবে যেন এই রেমাক্রি, নাফাখুম ঘুরতে যাওয়া হয় নাই কখনো
শুধু একটা ইচ্ছার কথাই জানিয়ে দিচ্ছি, ভেরী ছুন এখানে আর না যেয়ে থাকছিনা, আর এই তেব্য ইচ্ছায় প্রলুব্ধ করার জন্যে আপনেরে অগ্রিম ধইন্যাবাদ!
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই যাবেন.... তবে আর কয়টা দিন পরে যান, বর্ষাটা নামুক! বর্ষায় পাহাড়, পাহাড়ী নদী, ঝর্ণা...... পূর্ণ সৌন্দর্য্যে ধরা দেয়! জানি, সে অভিজ্ঞতা আপনার আছে!
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেছেন:
চমৎকার ছবি। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই যাবেন..... নিঃসন্দেহে উপভোগ করবার মত বেড়ানোর জায়গা!
লেখক বলেছেন: যদি যান তবে..... আমি সাজেস্ট করবো বর্ষায় যেতে!
মুর্তজা হাসান খালিদ বলেছেন:
এই যাওয়া কোনোভাবেই মিস করা যাবেনা, ইনশাল্লাহ নেক্সট ট্রিপ নাফাখুম
লেখক বলেছেন: কোন ভাবেই মিস করা উচিত হবেনা....এই বর্ষায়-ই!
ঝান্ডু দা বলেছেন:
দেশে ভালো একটা জলপ্রপাত নাই ভেবে মন খারাপ হত। এই বার আশা করি একটা দেখব। খোঁজ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হুমমম.... গেলে নিশ্চয়ই এনজয় করবেন।
আধাঁরি অপ্সরা বলেছেন:
"থাকা-খাওয়ার কিছুটা অসুবিধা মেনে নিলে এমনকি এ্যডভেঞ্চার প্রিয় মেয়েরাও অনায়াসে রেমাক্রি পর্যন্ত ঘুরে আসতে পারবেন।"নাফাখুম নিয়ে যতগুলো পোস্ট পড়লাম সবগুলোই ভয় দেখানো!! এই একটা পোস্টে একটু সাহস পেলাম!
পোস্ট খুব খুবই ভালো লেগেছে!!!!
লেখক বলেছেন: নাফাখুম নিয়ে সম্ভবতঃ এটাই সামুতে প্রথম পোস্ট। অবশ্য তিন্দু, রেমাক্রি, বড়পাথর নিয়ে আগেও অনেক পোস্ট দেখেছি।
হুমমম...... আমি ভয়ের কিছু দেখিনি। এই পোস্টের ৮২ নম্বর কমেন্টের রিপ্লাই পড়লেই আইডিয়া পাবেন।
সাইকোপ্যাথ্ বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।এরকম একটা অসাম জায়গা যে বাংলাদেশে আছে তা বিশ্বাস হচ্ছিলনা।যেভাবেই হোক যাইতেই হবে এখানে।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই যাবেন। পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
রিপেনডিল বলেছেন:
এই লেখাটা পড়েই আমি নাফাখুম ঘুরে এসেছি। লেখক কে অনেক ধন্যবাদ। নাফাখুমের আরো কিছু ছবি এখানে দেখতে পারেন--ঘর হতে কয়েক পা ফেলিয়া (ছবিসহ বিস্তারিত) পর্ব- নাফাখুম
লেখক বলেছেন: যে গেছে শুধু সে-ই জানে.....হোয়া্ট এ থ্রিলিং প্রকৃতি সেখানে! তাইনা?
আধাঁরি অপ্সরা বলেছেন:
মাফ করবেন। আমি জেনেই বলছি। কারন এর পূর্বেও আমি নাফাখুম নিয়ে বেশ কয়েকটি ছবি ব্লগ দেখেছি এবং বর্ণনামূলক ব্লগ পড়েছি। তবে সেটা কার বা কাদের ব্লগে দেখেছি এই মুহূর্তে মনে করতে পারছি না। তবে পোস্টিংয়ের ভিত্তিতে বা সময়ের ভিত্তিতে কোনটা প্রথম কোনটা দ্বিতীয় সেটার নাম্বারিং আমি করিনি। আর এটা কোন ব্যাপারও নয়!!
৮২ নং দেখে নিলাম।
ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
নষ্টছেলে বলেছেন:
পোস্ট প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আসকওয়ানমি বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম + লাভ বাংলাদেশ নামে একটা গ্রুপে শেয়ার করলাম
লেখক বলেছেন: খুশি হলাম। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সময় আর খরচাপাতির একটা ধারনা পোস্টে দেয়া আছে। আমরা মিনিমাম সময়ে ঘুরে এসেছি। সময় বাঁচাতে চাইলে রাতের কোচে বান্দরবান চলে যাবেন। আমরা বান্দরবানে সকালের নাস্তা করেই রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে থানচির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। দুপুর নাগাদ থানচি পৌছে গেছি। থানচিতে লাঞ্চ করে ঐদিনই আমরা নৌকা নিয়ে তিন্দু রওনা হই এবং সন্ধ্যার একটু আগে তিন্দু পৌঁছাই। হাতে সময় থাকলে অনেকেই রাতে থানচি থেকে যায়...কিন্তু সময় স্বল্পতার কারনে আমরা আরও একটু এগিয়ে গিয়ে তিন্দুতে রাত কাটিয়েছি। পরদিন সকালে নাস্তা করে আবার নৌকাযোগে রেমাক্রি রওনা হয়েছি। দুপুরে রেমাক্রি পৌঁছে লাঞ্চ সেরে নৌকাযোগে আরও উজানে ছোট মওদক/বড় মওদক পর্যন্ত ঘুরে এসে রাতে রেমাক্রি রেস্ট হাউজে ধুম আড্ডা! পরদিন ভোর ৬টায় রওনা হয়েছি নাফাখুম। নাফাখুম ঘুরে এসে দুপুর ১২ টায় ফিরে এসেছি রেমাক্রিখুম। আমাদের নৌকা রেমাক্রিখুম পর্যন্ত এগিয়ে এসে আমাদের জন্য ওয়েট করছিল। নৌকায় কলা-রুটি দিয়ে লাঞ্চ সেরে তখনই থানচির উদ্দেশ্যে ফিরতি যাত্র্। ফেরার সময় স্রোতের অনুকূলে বিধায় সময় লাগে অনেক কম। দুপুর ২:৩০ টায় থানচি থেকে চাঁদের গাড়ী রিজার্ভ করে সোজা বান্দরবান...আর ঐদিনই রাতের কোচে সোজা ঢাকা। এবার হিসেব করুন...মোট কয়দিন লাগলো?!
তবে চাঁদের গাড়ী রিজার্ভ না নিয়ে লোকাল গাড়িতে সফর করলে পয়সা সাশ্রয় হলেও সময় এতটা দিন বেশী লাগতে পারে। আর হ্যাঁ...৬ জনের টিম হলে ভাল হয়...একটি ইঞ্জিন নৌকায় সর্বোচ্চ ৬জন নেয়া যায়...সেক্ষেত্রে পারহেড খরচ কম হবে।
শুভকামনা।
জাফরিন বলেছেন:
বহুদিন ধরেই টার্গেট করে রাখছি এইটা। কিন্তু অ্যাডভেঞ্চারাস একটা টীম পাচ্ছি না। আচ্ছা, জোঁকের হাত থেকে বাঁচার উপায় কী?
লেখক বলেছেন:
ক্লান্ত হয়ে কোথাও হাত-পা ছড়িয়ে ঘাসের উপর বসে পরবেন না........ জোঁক ধরার সম্ভাবনা কমে যাবে।
রেডিকোড বলেছেন:
খুব সুন্দর
রিপেনডিল বলেছেন:
@জাফরিন, নাফাখুমে আমি জোক দেখিনি, তবু সাথে কাচা লবন রাখতে পারেন। প্রধান সমস্যা হল ম্যালেরিয়া, ওডোমস সাথে রাখবেন।ঘর হতে কয়েক পা ফেলিয়া (ছবিসহ বিস্তারিত) পর্ব- নাফাখুম,বান্দরবন
আওরঙ্গ বলেছেন:
আমিও যাবার প্লান করছি, পোস্ট এ প্লাস।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই যাবেন....এখনই যাওয়ার উপযুক্ত সময়!
পথেরহাট. বলেছেন:
জটিল জায়গা। না গেলে আসলে বুঝানো সম্ভব নয় কত সুন্দর। আসলে যাওয়ার পথটা এত অসাধারণ! আমরা যখন টেনডো থেকে নৌকা করে বড় পাথরের মাঝ দিয়ে যাচ্ছিলাম; ওহ অসাধারণ... একদিক থেকে পাক দিয়ে কুয়াশা উঠছে,,,, পাহাড়ের বাকে বাকে মেঘের মতো কুয়াশা পাক খাচ্ছে... পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। আমার জীবনের অন্যতম একটা স্মরণীয় দৃশ্য।
লেখক বলেছেন: হুমম.......জটিল জায়গা!
লেখক বলেছেন: খরচের একটা ধারনা পোস্টে দেয়া আছে। তবে ৬ এর গুণিতক সংখ্যক টিম মেম্বার হলে জনপ্রতি খরচ অপটিমাম হবে...কারণ ওখানকার নৌকাগুলিতে সর্বোচ্চ ৬ জন করে বসা যায়। ১২ জন গেলে ২টা নৌকা নিতে হবে.....৮ জন গেলেও তাই। থাকা খাওয়ার খরচ খুবই নগণ্য.... জনপ্রতি প্রতিদিন (৩ বেলা)-২০০ টাকা। খাবার কোন হোটেল পাবেননা....মারমাদের বাড়ীতে খেতে হবে....এবং বাঁশ-কাঠের নির্মিত ঐ বাড়ীতেই থাকা ফ্রি! তবে আগেই বলে রাখি..... মানসম্মত টয়লেটের অভাব তোয়াক্কা না করলে থ্রিলিং একটা এক্সপেরিয়েন্স হবে নিঃসন্দেহে!
তাহলে খুব শীঘ্রই বেড়িয়ে আসুন.....তিন্দু, বড়পাথর, রেমাক্রি, নাফাখুম।
এবার তোরা মানুষ হ বলেছেন:
এখন আমার মুখোমুখি তুমি মেয়েবিশ শতকের দ্বিতীয়াংশের সবচেয়ে পবিত্র পদ্ম শুভ্র ....
এতো কাছাকাছি মেলেছো দীর্ঘ শতদল ---ভীষন কষ্ট পাচ্ছি
তবে কি তোমায় আমি ছুয়ে ফেলবো...ছুয়ে ফেলবো
লেখক বলেছেন: বাহ্!..... চমৎকার মন্তব্য!
বাবুআনা বলেছেন:
জটালা!!!!!!!!!!!
মুনতা বলেছেন:
কিছুদিন আগে বগা লেক গেছিলাম। নাফাখুম আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব না।
আপনার পোস্টের সাথেই তাই ঘুরে আসলাম।
প্লাসসহ প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: বগালেক যাবার অভিজ্ঞতা থাকলে নাফাখুম ঘুরে আসা মেটেই কষ্টকর কিছু হবেনা। ধন্যবাদ।
মুহসীন৮৬ বলেছেন:
ভাইয়া, আমি আমার ওয়েব সাইটে আপনার ছবিগুলো ব্যবহার করতে চাই। অনুমতি পাবো কি? আপনার সাথে কিভাবে যোগাযোগ করতে পারি? (বাংলাদেশের ট্যুরিজম কে বিশ্বব্যাপি পরিচিত করানোর জন্য একটা ননপ্রফিটেবল ওয়েবসাইট খুলেছি, প্লিজ দেখে যাবেন: http://www.everyneededinfo.com/
লেখক বলেছেন: সানুগ্রহে অনুমতি দেয়া গেল।
আপনার ওয়েবসাইটে ক্লিক করবো নিশ্চয়ই!
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: তাই নাকি?! জেনে খুশি হলাম।
ভাল থাকবেন।
মুহসীন৮৬ বলেছেন:
ভাইয়া আমার ওয়েবসাইটে আপনার ছবিগুলো ইউজ করলাম। নাম জানিনা বিধায় নীল ভোমরা লিখতে হলো। দেখে যাবেন>
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






























দাদা, আছেন কেমন?