আমার প্রিয় পোস্ট
- আরাশি'র চন্দ্রাবতীঃ পাঠ-প্রতিক্রিয়া - ভাঙ্গন
- ‘মেহেরজান’ ছবির প্রদর্শনী অব্যাহত থাকুক ও সেইসঙ্গে ‘মেহেরজান’ ছবির পরিচালক রুবাইয়াৎ হোসেনকে কিছু বেদনাবিদ্ধ জিজ্ঞাসা : - বাকী বিল্লাহ
- হুইস্কি অন রক্ এবং অনাকাঙ্খিত ফেলানী ব্যবচ্ছেদ । - স্তব্ধতা'
- প্রিয় পনেরটি দেশের গান [লিরিক্স ও ইউটিউব ভিডিও] - কবি রাজ
- বন্ধু নাচো, বন্ধু নাচো, উষ্টা খাইয়া পোইরো না - পারভেজ আলম
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- সে বৃষ্টি হতে চেয়েছিলো! - শফিউল আলম ইমন
- রামানুজন—গণিতের মহত্তম এক শিল্পী - ম্যাভেরিক
- শিল্পের দ্বায়বদ্ধতা, শিল্পীর দ্বায়বদ্ধতা।উৎসর্গ: হাসান মাহবুব। - স্তব্ধতা'
- (কল্পগল্প)----প্রজেক্ট নস্ট্রাডমাস - শান্তির দেবদূত
- সেক্যুলার বিপ্লবে বাংলাদেশ ও ধার্মিক হাতির পিঠে মাতাল আমেরিকা - বাঙ্গাল
- ক্ষুধার্ত থেকো, বোকা থেকো। - ডজ
- চোরের স্রষ্টার পক্ষ থেকে কৈফিয়ত - চোর
- অপরবাস্তব-৪ এবং একজন পাঠক, কিছু কথা... [শেষ পর্ব] - অনুপম হাসান
- ছোটগল্পঃ কাঠকয়লায় আঁকা - মোস্তাফিজ রিপন
- ভালবাসা দিবসে অন্যরকম ভালবাসা। - নরাধম
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < শেষ পর্ব > চিৎকার করে বলতে পারছিনা যে আমি আমার শৈশব হারিয়ে ফেলেছি..... - মনজুরুল হক
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- ছোটগল্পঃ আমাদের এক বন্ধু পাহাড় বিক্রি করতো - মোস্তাফিজ রিপন
- স্মৃতি হন্তারক বৃস্টিতে থ্যাঁতলানো কয়েকজন আর উড়াল সেতু জুড়ে ধাবমান কদম - আকাশচুরি
- বাজেয়াপ্ত নজরুল কাব্যগ্রন্থ এবং তাঁর কারাজীবন এর কথা/আদনান সৈয়দ - স্ট্যানলি কুবরিক
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- অভিশপ্ত এই খুনীদেরও চিনতে হবে ঘৃণাভরে... - অমি রহমান পিয়াল
- আমি অপার হয়ে বসে আছি ----- (লালন ফকির) - বিষাক্ত মানুষ
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- স্বাধীনতার পরিক্রমা - বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - রাগিব
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- পাঁচ বঙ্গসন্তানের কমনওয়েলথ জয় (এক অন্য রকমের বিজয় উদযাপন) - মিরাজ
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- হিন্দু না ওরা মুসলিম। কাজী নজরুলের এ লিখাটি পড়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো। - বিহংগ
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
ছোটগল্প : জোছনার ধবল গায়ে গ্রহণ লাগা চাঁদ
০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
এক
সে রাতে জোছনা ছিল না, অমাবস্যার অন্ধকার ছিল । সে রাতে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল, বৃষ্টি হয়েছিল, গুড়ুম গুড়ুম বাঁজ পড়েছিল, আমাদের শিল কড়ায় এর শীর্ষ ডালটা মড়াৎ শব্দে হুড়মুড় করে ভেঙ্গে পড়েছিল, আমাদের বারান্দার সামনের চালার এক পাটি টিন বাতাস উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিল, সে রাতে আমার যখন জন্ম হয়েছিল, আমার বাবা তখন বাঈজি পাড়ায় ছিলেন, আমার মা যখন গোঙ্গাচ্ছিলেন, কাতরাচ্ছিলেন ভীষণ প্রসব ব্যথায় আমাদের ফলবতী লেবু গাছটা তখন নরম কোমল সুগন্ধ ছড়াচ্ছিল, ভয় ধরানো কর্কশ কন্ঠে পেঁচা ডাকছিল বাগান থেকে, আমার দাদিমার বুক ধক্ করে উঠেছিল, পেঁচার অশুভ ডাক হয়তো তীরের ফলার মতো তাঁর বুকে বিঁধেছিল, হয়তো বুকের কোথাও ক্ষতের মতো দাগ রেখে যেতে পেরেছিল ।
যখন মায়ের উদরের উষ্ণ আশ্রয় থেকে আমাকে ধূলিমাখা পথে অবতরণ করানো হলো যথেষ্ট সাবধানতায়, আনন্দের অতিশয্যে রাখাল চাচা যখন পশ্চিম ভেবে ভুল করে দক্ষিণ মুখে 'আল্লাহু আকবর' আযানের ধ্বনিতে আমার আগমনী বার্তা ছড়িয়ে দিলেন, সেই সময়ে পৃথিবীতে আমার আগমনী প্রথম কান্নার রেশ ধরে আমাদের পোষা বিড়ালটি, যেটি উচ্ছিষ্ট মাছের কাঁটা আর মওকা মত এমনকি আস্ত দু'এক পিস মাছ হাপিস করে দিতে পারার আনন্দে ঘুমে ঢুলুঢুলু চোখে ভদ্রলোকী চালে জাবর কাটতো, সেটি যখন 'ম্যাও' রবে তারস্বরে আমাকে পৃথিবীর আলো-বাতাসে অভ্যর্থনা জানালো, সেই মুহূর্তে সেই দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার অন্ধকার রাতে ধূপ-ধুম্রের গন্ধভরা ঘরের ভেতর অর্ধচেতন মায়ের পাশে বসে দাদিমা তখন তেমন কোন কার্যকারণ ছাড়াই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন আমার নাম রাখবেন,-জোছনা ! যেমন কার্যকারণ ছাড়া বাবা আমার অসুস্থ মায়ের পাশে না থেকে সেই রাতে বাঈজি পাড়ায় ছিলে, যেমন কার্যকারণ ছিল না, সে রাতে মোড়ল চাচা আমাদের বাড়িতে মায়ের সুস্থতার খবর নিতে আসার । হয়তো সেটি তার দায়িত্ব ছিল, পাড়ার মোড়ল হিসেবে পড়শির খোঁজ নেয়া, বিশেষতঃ রমণীকূলের সুস্থতা-অসুস্থতা, সুখ-দুঃখ, এমনকি তাদের হেঁশেলের কোন বাটিতে কই মাছের কতো ইঞ্চি ঝোল এইসব টুকিটাকি সুক্ষ্ম বিষয়ের খবর রাখার দায়িত্ব হয়তো মোড়লের ওপরই বর্তায় !
দুই
সেইসব খাঁ খাঁ নির্জন দুপুরে আমি দাদিমার মুখে এইসব গল্প শুনতাম, যখন দাদিমা স্মৃতি কাতর হতেন । যখন তাঁর মনে পড়তো এরকম নির্জন দুপুরগুলোতেই খাবার শেষে সুযোগ পেলে টুপ করে দাদাভাই তাঁর আঁচলে মুখ মুছতেন, দাদিমা কপট রাগে চোখ মটকাতেন, দাদাভাই তাঁর হাত ধরতেন, হাত ধরে বিছানায় গিয়ে বসতেন, পুঁথি পড়ে শুনাতেন, সেই বিছানায় যেখানে আমি আর দাদিমা তখন পাশাপাশি শুয়ে থাকতাম, এক বালিশে মাথা রাখতাম, দাদিমার বাহুতে নাক গুঁজে, নাক ঘঁষে ঘঁষে প্রিয় গন্ধ নিতাম, দাদিমা বলতেন,-
'এক তীরে তোর দাদাভাই জোরা শালিক মারতেন !'
'জানি !'
'আগে বলছিতো !'
'হুঁ !'
স্বামীর কৃতিত্বের কথা মনে করে দাদিমার চোখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠতে দেখতাম । যদিও এক তীরে জোরা শালিক মারার কৃতিত্বটা আমার কাছে নিষ্ঠুর মনো হতো, তবুও সেই মুহূর্তে সেই কথাটা আমি দাদিমাকে বলতাম না, যেমন বলতাম না, কখনই যেমন জানতে চাইতাম না, সেইসব খাঁ খাঁ নির্জন দুপুরে কেন আমরা এমন একা হয়ে যেতাম ; আমাদের বিরাট ঘরটাতে আমরা দু'জন মনুষ্য আর আমাদের পোষাপ্রাণীরা ছাড়া অন্য কোন প্রাণের পরশ, অন্য কোন মানুষের পদচারণা কেন ছিল না, মা'কে খুন করে বাবা কেন কারাবরণকেই বেছে নিয়েছিলেন; অনেক অনেকদিন পরেও কেন বাবা জেলখানা থেকে ফিরলেন না, কেন সেখানেই মরে পড়ে থাকলেন,- আমার নিঃশ্বাসেরা স্বাক্ষী সেইসব নির্জন দুপুরে এইসব অযাচিত প্রশ্নের জঞ্জাল আমি উত্থাপন করতাম না ।
'ভাদ্রমাসের পূর্ণিমায় একবার তোর দাদাভাইরে ভূতে পাইছিলো !' এভাবে গল্প বলে যেতেন দাদিমা ।
'কি ভূত ?'
'মাছের ভূত !'
'এই গল্পতো আগে শুনি নাই, দাদিমা !'
'শোন তাইলে ! নিশুত রাইতে উনি গিয়ে পূবের ঝিলে নামছিলেন !'
'তারপর ?'
'পানি শুকায়া পেক ভর্তি ঝিল তখন । পেকেরে ভিতর থপথপ আওয়াজ পাইয়া দেখতে গেছিলেন, কাছে গিয়া দেখেন মস্ত বোয়াল ; ওজন হইছিল পাঁচ সের ..!' মন্ত্রমুগ্ধের মতো আমি সেইসব গল্প শুনে যেতাম, চোখের বিস্ময় লুকাতে পারতাম না, বড়বড় চোখ করে দেখতাম,- কাদামাটিতে থপথপ নৃত্য করছে বোয়াল মাছ, পাশে কুঁজো বুড়োটি পাকা শিকারীর মতন ওঁৎ পেতে আছেন ! দাদিমার কন্ঠ তখনও আমার কানে বাজতে থাকতো,- 'ঝিল থেকে ওইঠা তোর দাদাভাই পড়লেন বিপদে ! ঝিলের পারে ঘুইরা মরেন, বাড়ির পথ পান না ! ভূতে উনারে পথ ভুলাইছিলো; ফজরের আযান হইলে পরে দিশ পাইছিলেন !'
সেইসব বিষন্ন কোন কোন দুপুরে আমাদের বুলু নামের কুকুরটা কুঁ..উ..উ.. কুঁ..উ..উ... আর্তনাদে বাতাস ভারী করে তুলতো, আমার বুকের ঠিক মাঝখানটায় হৃদয় নামের বস্তুটা যেখানে চুপটি করে ঘাপটি মেরে থাকতো সেখানে তড়িৎ একটা কিছু ঘটে যেতো, আমি আরো ঘণ হয়ে দাদিমার শরীরে লেপ্টে যেতাম, তখন অকস্মিক এক ঝাঁক পাখি বাগান থেকে উড়ে যেতো ভীষণ যূথবদ্ধতায়, তখন হু হু করে উত্তুড়ে হাওয়া আমাদের দরজা-জানালা, এমনকি আমাদের রোমকূপ গলিয়ে হৃদয় শীতল করে দিতো, আমরা ঘুমিয়ে পড়তাম ।
তিন
সেই ভীষণ শ্রান্তির ঘুমে এখনও আমার চোখ লেগে আসছে, যখন অজস্র শীতল মেঘদলেরা আমাকে ঘিরে মিছিল করে চলেছে, যখন মেঘেরা আমাকে উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে সপ্ত আসমানের ওপাড় । উড়তে উড়তে, অতল ঘুমে তলিয়ে যেতে যেতে অকস্মাৎ ঘাঁড় থেকে আলাদা করা মায়ের মাথাটা চোখের সামনে হুটোপুটি খায়, ফিনকি দেয়া রক্তের ফোয়ারা ছোটে, তারমধ্যে পাঁচসের ওজনের বোয়াল মাছ নৃত্য করে, অতঃপর সফেদ কফিনে আবৃত দাদিমা আমার গা ঘেঁসে ভেসে চলে যান ! ভীষণ একাকী অনুভবে বুকে কষ্টের মতো ব্যথা হলে, ক্রমশ ঘূর্ণিয়মান সেসব দৃশ্য থেকে চোখ ফিরিয়ে নিলে আমি দেখতে পাই, মোড়ল চাচা তখনও বিস্পারীত ভীত চোখে আমাকে দেখছেন, যখন তার দেহটা নিথর আর কাটা ক্ষত থেকে টপাটপ লাল রঙ্গা পাপ ঝরে ঝরে পড়ছে, যখন দেহটির পতন ঘটেছে, তারও খানিক আগে যখন মোড়ল চাচা আজ আমার কাছে আসলেন, যখন দেহটির উত্থান ছিলো, যখন আমাকে আলিঙ্গনাবদ্ধ করতে যাবতীয় প্রস্তুতি তার সম্পন্ন হয়েছিল, নীল কৌটার তিন তিনটা ট্যাবলেট পরপর গিলে ফেলে যখন চলছিল তার উত্থিত হবার প্রাণান্ত কসরত, তার হাতের আঙ্গুলগুলো লিকলিকে সর্পিল জিভের মতো যখন ধেয়ে আসছিলে তীব্র বিষের ছোবল নিয়ে, তখন আমার ডান মুঠোয় লুকানো ছিলো একখানি কার্যকরী ধারালো ব্লেড !
তারও অনেকদিন আগে, দাদিমার মৃত্যুর পর যখন আমাদের বাড়িটা তার দখলে চলে গিয়েছিল, কোন এক মন্ত্রবলে আমাদের বাড়ির দলিলটাতে যখন সে নিজের নাম অঙ্কিত করতে সক্ষম হয়েছিল, সেইসময়ে যখন আমাকে হতে হয়েছিলো তার আশ্রিতা, যখন আমার ভরণ-পোষণ, পঠনের নিরবিচ্ছিন্ন ধারা অটুট রাখার কৃপাটুকু সে করেছিল, তখন একদিন গ্রামের পাঠ শেষে শহুরে পাঠে সমৃদ্ধ হতে যখন সে আমাকে শহরে রেখে গিয়েছিল, এইখানে এই শহুরে বদ্ধতায়, নিত্য নতুন চেহারার মানুষেরা যখন প্রতিদিন আমার কাছে আসতে থাকলো অভিন্ন বাসনায়, নিত্য নতুন শহুরে পাঠে যখন আমি জর্জরিত হতে থাকলাম, সেই থেকে আমি অর্হনিশ অপেক্ষায় থাকতাম, আজকের এই সময়টির অপেক্ষায়...।
আমার ডান মুঠোর ধারালো ব্লেডটি নিখুঁতভাবে মোড়ল চাচার উত্থিত উত্তেজনাকে এক লহমায় স্তিমিত করতে পেরেছিল !
চার
আমি মারা যাচ্ছি--'এ অনুভূতিটা বেশ অদ্ভুত' এভাবে বলতে পারলে বেশ হতো ! ভদ্রমহোদয়গণ; ক্ষমা করবেন, বিশ্বাস করুন ওভাবে বলতে গেলে তা নেহাৎ মিথ্যে করে বলা হয় । কৈশোরে আমার লাল ফ্রকের ভিতরে লাল পিঁপড়ের হুল ফুটানো ব্যথার মতো কিঞ্চিত ব্যথা, আর সেটা ততোটা ভয়াবহও নয়, যতোটা ভয়াবহ ছিল কৈশোরে মোড়ল চাচা কর্তৃক আমার প্রথম খুন হবার সময় ।
আমি মারা যাচ্ছি, বেশ তৃপ্তি সমেত মারা যাচ্ছি যখন আমার ফল কাটার ছুরিটা যথেষ্ট গভীর হয়ে আমার পেটে গেঁথে আছে, নিবিড় যত্নে যেটি আমি গেঁথে দিয়েছিলাম ।
.......................................
উৎসর্গ : আমি একজনকে চিনি, এমন একজন, কৈশোরে যে প্রথমবার খুন হয়েছিল । তার প্রতি খানিক শ্রদ্ধার প্রকাশ ।
.......................................
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): Shipon, Abdur razzak shipon, story, ছোটগল্প, গল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অল্প স্বল্প গল্প বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
at first + then read & coment
লেখক বলেছেন: না পড়েই + দিয়ে ফেললে, পড়ে ভালো না লাগলে পরে একটা আফসোস থাকার সম্ভাবনা কিন্তু থেকে যায় নির্ঝর । হা হা হা !
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
জন্মদিন এলে বেশ প্রতিজ্ঞা করা হয়,এবার বদলে যাওয়া যাক ! বছর ঘুরতে দেখি, বদলানো হয়না কিছুই ।
লেখক বলেছেন: জেডা, আন্নে এগিন কিয়া কন ? ![]()
ফেরারী পাখি বলেছেন:
প্রথমে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি সেই না দেখা খুন হওয়া জোছনা কে।খুব ভালো লাগলো, এই গল্পবলার ঢংএ গল্পটা। নিছক গল্পই কখনও কারো জীবনে নিষ্ঠুর সত্য হয়ে গেলে , মানুষ হিসেবে বড় পিড়ীত বোধ করি।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যে আপনার অনুভূতির খানিকটা ছুঁয়ে গেছে আমায় । আমরা মানুষরা আদতে খুব অসহায় প্রাণী, এরকম মনে হওয়াটা ভুল কিনা জানিনা, এরকম আমার মনে হয়, এটুকু জানি ।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
আজ আপনার জন্মদিন বোধ হয়, শুভ জন্মদিন। সব শুভ বোধ আপনাকে সবসময় ঘিরে থাক, এই কামনাই করি।
লেখক বলেছেন: আপনাদের শুভ কামনা, শুভ্রতার ছোঁয়ায় আমাকে শুদ্ধ করুক ।
আপনার মন্তব্য আর শুভেচ্ছা ভালো লেগেছে । অশেষ ধন্যবাদ ফেরারী পাখি ।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
যন্ত্রণার সুন্দর এবং আকাশপাতাল হাহাকারময় বর্ণনা।
শহিদুল জহিরও এইভাবে বলতেন।
__________________________________
শুভেচ্ছা, অনেকদিন পর গল্প পড়তে দিলেন বলে।
লেখক বলেছেন: শহিদুল জহির এক অসাধারণ গল্পকার । তার কানাকড়িও যদি পারতাম...
লেখক বলেছেন: আনন্দে জাগার চেষ্টা আছে নিয়ত ।
একটা কথা আপনাকে বলা হয়নি নির্ঝর, আপনার খোঁচাখুঁচিতেই এই গল্পটা লিখতে পেরেছি বোধহয় ।
আবারো ধন্যবাদ ।
শুভ জন্মদিন।
লেখক বলেছেন: লেখা এখন কমই দেয়া হবে । বেশী লেখা দেবার মতো ব্লগে ফাজলামো করার মতো পর্যাপ্ত সময় এখন আর হাতে নেই ।
আর সব লেখকেরই বোধহয় একটা সুপ্ত প্রয়াস থাকে প্রতিবারে নিজের লেখাকে ছাড়িয়ে যাবার । সেটা হয়তো সবার পক্ষে, বিশেষত আমার মতো অলেখকের পক্ষে সম্ভব নয়, তবু প্রয়াসটাকে ছোট করে দেখি না ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, শামীম ।
পাড়ার দোকানদাররে আমার নাম কইয়া খাইয়া লও ।
না-কি ভার্চুয়ালী খাওয়ামু ? ![]()
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
দৌড়ের উপর ছিলাম বলে মন্তব্যের জবাব দেয়া হয়ে উঠেনি ।
সুহৃদ বন্ধুরা আপনাদের শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা হৃদয়ে পুড়ে নিলাম । কাল আলাদা করে সবার মন্তব্যের জবাব দিতে পারবো বলে আশা রাখি ।
ভালো থাকবেন সবাই ।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
কয়েকটি লাইন হৃদয়কে স্পর্শ করে। যেমন, আমার বুকের ঠিক মাঝখানটায় হৃদয় নামের বস্তুটা যেখানে চুপটি করে ঘাপটি মেরে থাকতো সেখানে তড়িৎ একটা কিছু ঘটে যেতো.....
আমি মারা যাচ্ছি--'এ অনুভূতিটা বেশ অদ্ভুত' .....
আর গল্পটা এত অসাধারণ লেগেছে যে মন্তব্য করবার ভাষাটা ঠিক মিলাতে পারছি না। অসাধারণ।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আমি মারা যাচ্ছি, এ অনুভূতিটা বেশ অদ্ভুত"-- এ বিষয়ে আপনি হয়তো আলাদা করে কিছু বলতে পারবেন । মৃত্যুর খুব কাছে যখন মানুষ যায়,তখন কেমন হয়.. আপনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন । আপনি একবার খুলনায় গিয়ে হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ।
এখন আপনি কেমন আছেন, শেরিফ ভাই ?
আর সমস্যা হয় নাতো ?
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ, কাঁকন...চুরির কনকন...
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
আরে শিপন যে... মেলাদিন বাদে.. জন্মদিন নাকি?
তাইলে হ্যাপি বাড্ডে...
কেক্কুক জুটপে না?
লেখক বলেছেন: প্রিয় প্রত্যুদা ! নতুন সংসার কেমন চলতেছে সিরিজ ছাড়েন ভাইজান ! আমরাও কিছু শিখি
! সিরিজের নাম এইরম হইতারে "নতুন সংসার টুকিটাকি--১..."
কেক্কুক আমার নামে খাইয়া লন ! পয়সা আমি দিমু ![]()
লেখক বলেছেন: এখন খুব অল্প সময়ের জন্য এক আধটু ঢুঁ মারিতো ।
আমগো জেরী বুজিটা কেমন আছে ?
ধন্যবাদ শুভেচ্ছার জন্য ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । ভালো থাকুন ।
পারভেজ বলেছেন:
শুভ জন্মদিন।জন্মদিনে আমরাই আপনার কাছ থেকে চমৎকার এই গল্পটা উপহার হিসাবে পেয়ে গেলাম।
খুব ভালো লাগলো পড়তে।
লেখক বলেছেন: আপনি ভালো লেখেন, পারভেজ । আপনি নিয়মিত লিখুন ।
শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ ।
শুকিয়ে গেছে/ক্ষমো মোরে...
আপনার গল্পটা পরে পড়ে নিবো বলে...প্রিয়তে।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনার পুরনো দুঃখ বা ক্ষোভটা আমি জানি । অনুরোধ করবো ব্লগীয় বিষয়গুলো বেশীদিন মনে না রাখবার জন্য । এখানে আমরা এতো অসংখ্য মানুষ, প্রত্যেকের চিন্তার ধারা আলাদা, চিন্তার ক্ষেত্র আলাদা এমনকি চিন্তা করার ক্ষমতাও আলাদা, তাই পরস্পর মতবিরোধ হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক । সেটাকে একটা বিতর্কের সময় ধরে নিয়ে পরবর্তীতে মনে না রাখাটাই যথাযুক্ত কাজ বলে মনে করি ।
ভালো থাকুন, অহর্নিশি ।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
হা হা হা....শিপন ভাই। আপনারা এতো কিছু মনে রাখেন! এই ব্যাপারগুলো আমাকে প্রচন্ড আবেগে ভরে দেয়। ভার্চুয়াল সম্পর্কের মাঝে মানুষগুলো কতো আপন। তবে একটু কারেকশান। খুলনা নয়। আমি বগুড়াতে অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলাম। অনুভূতিটা যে কতটা ভয়াবহ তা বর্ণনা করে সম্ভব না। আমি আমার অনেকগুলো লেখায় সে অনুভূতিটা লেখার চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি। মনে হয় ঐটা তো আমি ছিলাম না। যদি ওটা আমি থাকতাম তবে তো মরেই যেতাম। আর তাছাড়া এতো ভয়ঙ্কর স্মৃতি কেই বা মনে রাখতে চায়।
আমি এখন আপনাদের দোয়ায় সুস্থ আছি ভাই। আপনার মন্তব্য আমার মনটাকে ভালো করে দিলো। কত তুচ্ছ একটা ব্যাপার আর আপনি মনে রেখেছেন।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকুন সব-সময়।
লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা তুচ্ছ ছিল না মোটেই । হঠাৎ আপনার ভীষণ অসুস্থতার খবর শুনে মনটা খুব খারাপ হয়েছিলো সেদিন, সত্যিই ।
লেখক বলেছেন: সমালোচনা আমার আসেনা,স্যাটায়ার কিছুটা আসে । হা হা হা !
মন্তব্য দিয়েছি ।
নুশেরা বলেছেন:
অদ্ভুত ভাল লাগলো। আচ্ছা, চতুর্থ ভাগে এসে বয়ানের ধরণ বদলে দেয়াটা কি ইচ্ছাকৃত, ঘটনার "শক"টাকে অ্যাবজর্ব করার জন্যই? নিছক কৌতূহল।অমার্জনীয় রকমের দেরী করে ফেলেছি। তারপরও জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আগামী বছরগুলোতে আরো অনেক বেশী উজ্জ্বলতা নিয়ে আসুক শিপনের জন্মদিন। নিজের জন্মদিনে পাঠকদের এই চমৎকার গল্প উপহার দেয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: একদম ঠিক জায়গায় ঠিকঠাক মতন হাত পড়েছে । আপনার ধারণা সঠিক । এবার সমালোচনা করুন,চতুর্থ ভাগের এই বদলে যাওয়া ধরণে মাত্রার হেরফের হয়নিতো ?
অনেক লেখা জমা পড়ে আছে, অনেক লেখা পড়া হয়নি, অনেক ব্যস্ততায় ।
নুশেরা বলেছেন:
একটু ধাক্কা খেয়েছি, অস্বীকার করবনা। হয়তো এটার দরকারও আছে মুডটার জন্য...। কিন্তু আমার মনে হয় এই গল্পটা আরেকটু দীর্ঘ করলে ভালো হয়; ছাপার অক্ষরে বের হলে কিন্তু বেশী বড় হবেনা, দ্রুত শেষ হয়ে যাবে পড়াটা। কম্পিউটারের স্ক্রিনে ব্লগীয় পাঠাভ্যাসটা আমাদের মনোযোগ নষ্ট করে কেমন যেন একটা তাড়াহুড়োর মধ্যে স্কিপ করার প্রবণতা তৈরী করে দিয়েছে। পত্রিকা বা বই হাতে নিলে সেটা থাকেনা, তাই ছাপানোর আগে গল্পটা একই লয় বজায় রেখে আরেকটু দীর্ঘ করে নিলে মনে হয় ভালো হবে।
লেখক বলেছেন: হুম, ঠিক তাই । ব্লগের কথা মাথায় রেখে লিখতে গেলে, ছাপার অক্ষরে সেটার আয়তন কমে যায় ![]()
পরামর্শটি মাথায় রাখবো, নুশেরাবু । ধন্যবাদ ।
নরাধম বলেছেন:
আরাশি বদ্দা, স্যরি তোমার জন্মদিন কখন গেছে খেয়ালও ছিলনা। দেরীতে শুভ জন্মদিন জানাচ্ছি।
এই লেখাটা নিঃসন্দেহে তোমার সেরা লেখা। অজস্র প্লাস।
লেখক বলেছেন: নারু,ব্যাপারস নাহ্ ! আমিওতো জানিনা তোমার জন্মদিন । দয়াকরে এখানে জানিয়ে দিও তারিখটা । এখানে লিখতে না চায়লে, মেইল করো প্লীজ ।
এই গল্পের ঠিক আগের পোস্টটিও একটি গল্প । সেটা বোধহয় পড়া হয়নি তোমার । সময় হাতে থাকলে পড়ে নেবার অনুরোধ রইলো ।
ধন্যবাদ নারু ।
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
দু-বার পড়লাম। কিছু টাইপো ছাড়া পুরো গল্পটির বর্ণনাভঙ্গি চমৎকার। বিশেষ করে জোছনার মানোজাগতিক উত্থান-পতন দারুণ কুশলতায় চিত্রিত। তবু, যেন মনে হলো, হঠাৎ করেই শেষ হয়ে গেল। -----------
জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে দেরি করে ফেলাম!
লেখক বলেছেন: প্রিয় আহমাদ মোস্তফা কামাল ভাই, আপনাদের মন্তব্য আর মতামতে ঋদ্ধ হই, প্রাণীত হই । টাইপোগুলোতে আরো একবার চোখ বুলিয়ে নিবো সময় করে । গল্পটাতো আমার কাছে প্রায় মুখস্তের মতো,তাই পড়তে গেলে নিজের চোখে ভুলগুলো ধরা পড়ে না।
"তবু যেন মনে হলো, হঠাৎ করেই শেষ হয়ে গেল"
এই হঠাৎ শেষ হয়ে যাওয়াটা কি 'শেষ হইয়াও হইলো না শেষ' রেশ ধরে রাখার জন্য ঠিক আছে, না--কি আদতেই আরো বেশী কিছু আসতে পারতো, বা আসলে ভালো হতো ? আপনার প্রাজ্ঞ মতামত পেলে ভালো লাগবে ।
লেখক বলেছেন: সেইক্ষেত্রে আমার পাড়া মানে চট্টগ্রাম যাওয়ার ভাড়া পকেটে নিয়া আমারে আওয়াজ দিয়েন ! হে হে হে ![]()
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
শেষটা একটু তাড়াহুড়ো করেই শেষ হয়েছে বলে মনে হলো আমার। বোধহয়- 'দৈর্ঘ্য বেড়ে যাচ্ছে'- এরকম একটা ব্যাপার কাজ করেছে আপনার মনে! আমার ব্যক্তিগত মত হচ্ছে, ব্লগে প্রকাশ করার কথা মাথায় রেখে গল্প না লেখাই ভালো। প্রথমবার একবারে নিজের মনের মতো করে লিখবেন, যতোই বড়ো হোক না কেন! তাতে পূর্ণাঙ্গভাবে গল্পটি তৈরি হবে, অর্থাৎ আপনি যেমনটি লিখতে চান তেমনটি লেখা হবে। কারা পড়বেন, কোথায় প্রকাশিত হবে এসব ভেবে লিখলে গল্পের ক্ষতিই হয়। আর তাছাড়া, ব্লগের গল্প একটু বড়ো হলেই বা ক্ষতি কি? গল্প-পাঠকদের কাছে এতটুকু সময় ও মনোযোগ দাবি করার অধিকার লেখকের আছে।এ আমার ব্যক্তিগত মতামত অবশ্য। আপনি ভেবে দেখতে পারেন।
লেখক বলেছেন: ব্লগের বিষয়টা মাথায় ছিল এটা সত্য । তবে, গল্প হুট করে শেষ করে দেয়াটাতে এর প্রভাব কতোখানি সে ব্যাপারে আমি নিজেও সন্দিহান । অর্থ্যাৎ হুট করে, ঠিক এভাবেই শেষ করে দিতে আমি চেয়েছিলাম । তার আগে, যতখানি গল্প বলতে চেয়েছিলাম, তার অনেকখানি বলে ফেলেছিলাম বলে । হুট করে শেষ করে দেয়াটা ইচ্ছাকৃত ।
আপনার পরামর্শ মনে রাখবো । ভালো থাকুন, ভাই । ধন্যবাদ । কৃতজ্ঞতা ।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
পড়তে পড়তে শিপনীয় বর্ননার ধারায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে ছিলাম হঠাৎ করেই টুপ করে শেষ হয়ে গেলো!কোন শব্দই এই গল্পের প্রশংসার যোগ্য নয়!
তাই কিছুই না বলি
দেরীতে জন্মদিনের শুভেচ্ছা!
শতায়ু হন
লেখক বলেছেন: এভাবে বলে লজ্জিত করো না, শান্ত । আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি, এ ব্লগে এমন কিছু অনন্য সাধারণ গল্পকার আছেন (মুস্তাফিজ রিপন, তারিক স্বপন), যাঁরা বাংলা ছোটগল্পের সম্ভার মণি,মুক্তোয় ভরে দেবেন একদিন । সত্যিই আমি বিশ্বাস করি ।
এটা আমার বিনয় নয়, উপলব্ধি ।
শুভেচ্ছা হৃদয় ঘরে তোলা রইলো । ভালো থেকো অনুক্ষণ । ধন্যবাদ ।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
মাই গড ! কি লেখছেন এটা !! মাস্টার পিস !!! আর কিছু বলার নাই, আমি বাকরুদ্ধ .......
লেখক বলেছেন: দেবদূত , ভাই, এইসব হাবিজাবি লেখার চেষ্টা আর কি !
আপনার বিবাহীত তথা মৃত হইবার কাহিনী পড়ে শীঘ্রই মৃতদের অভিজ্ঞতা অর্জন করিতে হইবেক ![]()
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
প্রিয় আরাশি,ক্যামন আছেন??
আমি ব্লগে আসি কদাচিৎ। তারপরেও অল্পের জন্য আপ্নের জন্মদিন মিস করলাম।
জন্মদিনের বাসি শুভেচ্ছা।
আর গল্পের ব্যাপারে কিছু বলার নাই।
শুধু এটুকু জানায়া গেলাম প্রিয়তে নিছি।
আমার ব্লগবাড়িতে একবার ধূলা দিয়েন সময় করে।
লেখক বলেছেন: প্রিয় সীমান্ত,
মাকে নিয়ে আপনার লেখাটা পড়ে নিজের মতন করে, একদম আপন অনুভবে একটা কষ্ট নড়েচড়ে ওঠলো বুকে । ওই কথাগুলো আমারও হতে পারতো ।
ঘটা করে জন্মদিন পালনের কিছুনা । ব্লগে এসব প্রচারে আমার যথেষ্ট অস্বস্তি আছে । তবু,জন্মদিনে গল্পটি দিলাম বলে মন্তব্যের ঘরে ওই দুটা লাইন লিখেছিলাম ।
ধন্যবাদ, প্রিয়তে স্থান দিয়ে সম্মানীত করবার জন্য ।
লেখক বলেছেন: ভালো থাকার অভিনয়ে ভালো আছি । ব্যস্ত আছি ভীষণ । ব্লগে শুধু পাতার পর পাতা চোখ বুলিয়ে যাই । মন্তব্য করার মতো কিছু পেলে মন্তব্য করি ।
আমাদের শান্ত শিষ্ট ভাই শান্ত ভালো আছেতো ? সব ঠিকঠাক ?
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:
শিপন বদ্দা, প্রথম অংশটা পড়লাম, গাঁথুনি মারাত্মক! এমএইচটি ফাইল হিশেবে সেভ করে রাখলাম, বাকিটা পরে পড়বো। পুরোটা পড়ার পর হয়তো আবার মন্তব্য করবো।আছেন কেমন?
সত্যিই "বাড্ডে" নাকি?
লেখক বলেছেন: হয়তো না, যদি পড়ে অবশ্যই আরেকবার মতামত দেন, সমালোচনা করেন, আমি খুব খুশী হবো, সত্যি বলছি রাহী ভাই ।
পড়ে পড়ার আরো একটা ঝামেলা আছে, হয়তো সময়ের অভাবে, ক্লান্তিতে, আলস্যে আর পড়া না হলো, তখন আপনার উপকারী মতামত থেকে বঞ্চিত হবো ।
আপনি এই যে বছরে ছ'মাসে একবার ধূমকেতু হয়ে আসেন, এরপর যে নেই হয়ে যান, আপনার নামকরণ কি ধূমকেতু করবো ?
লেখক বলেছেন: ওহ্ হ্যাঁ, 'সত্যি বাড্ডে'ই ছিল ! ![]()
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:
তাহলে "শুভ জন্মদিন"! এক সপ্তাহ দেরি হয়ে গেল যদিও!
ধুমকেতু না, মেশিন বলতে পারেন। স্রেফ মেশিন হয়ে গেছি! কিছু ভালো লাগে না রে, ভাই! এই দৌড় শেষ হওয়ার পর কি কিছু থাকবে? আদৌ?
লেখক বলেছেন: এটার জবাব আমার কাছে নাই । কঠিন জীবন । বড়ো কঠিন ।
"আমরা বোধহয় মানুষ নই
মানুষগুলো অন্যরকম..."
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেহবুবা । ভাল থাকুন ।
লেখক বলেছেন: বিশ্লেষণের দরকার নাইতো । আপনার ভালো লেগেছে সেটাই প্রাপ্তি ।
অনেকদিন পর আপনাকে দেখলাম । আসলে ব্লগে নিয়মিত নইতো, তাই ঘুরাঘুরি কম হয় । আজ অনেকক্ষণ ধরে লগ ইন আছি । কিন্তু অন্য কাজে ব্যস্ত ।
ভাল থাকুন ।
লাশ বলেছেন:
আপনার লেখায় আমার প্রথম মন্তব্য। জানিনা এতো ভালো কেনো লাগলো ! কোনো মন্তব্যই আমার অনুভূতি প্রকাশের জন্য যথেষ্ট নয়। ক্ষমা করবেন ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে স্বাগতম আরাশির ব্লগে ।
![]()
আপনার ভালো লাগার রেশ আমাকেও ছুঁয়ে গেলো ।
প্রশংসায় অকৃপণ হওয়া ভালো । তবে, আমার বেলায় হলে সেটা অপাত্রে দান হয় ।![]()
ভাল থাকুন সুস্থতায় ।
লাশ বলেছেন:
যার যা প্রাপ্য তাকে সেটা দিতে না পারলে নিজেকে চরম অপরাধী মনে হয়।
লেখক বলেছেন: আমি বরং এটাকে আপনার মহানুভবতায় বলবো ।
আবারো ধন্যবাদ ।
মার্ক জুবাবের বলেছেন:
অকাল কৈশোরে খুন হয়ে যাওয়া যাবতীয় জোছনার প্রতি শ্রদ্ধা রইলো...ভাল থাকবেন, আরাশি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ,মার্ক জুবাবের (নাকি জুবায়ের ?) !
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আপনি কী জানেন যে একটা অসাধারণ লেখার জন্ম দিয়েছেন?
লেখক বলেছেন: প্রিয় আশরাফ,আমার জানার চে' পাঠকের জায়গা থেকে যদি কেউ ভালো লাগা জানায় সেটাই প্রাপ্তি । আর সেই উৎসাহ থেকে নতুনের পথে উদ্দীপ্ত হই ।
আন্তরিক ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: গল্প তৈরী করছি । এই তৈরীর প্রক্রিয়াটা কঠিনরে ভাই ।
সময়ও দিতে পারিনা পর্যাপ্ত ।
ভালো আছি, ভাই । আপনি ভালো ?
গায়ত্রী সান্যাল বলেছেন:
নতুন গল্প কই?
লেখক বলেছেন: ঠিক সেই অর্থে লেখক আমি নই । গল্প পয়দা করতে সময় লাগে ।
কাজ চলছে....
ভাল থাকুন । ধন্যবাদ ।
শফিক আসাদ বলেছেন:
আমি সাহিত্য বুঝি না।এটা পড়ার পর বুকে খুব সূক্ষ একটা ব্যথা অনুভব করছি। সেটা আমার কাছে অনেক কিছু।
লেখক বলেছেন: সাহিত্য আমিও বুঝিনা,আপনার বুকে যে সুক্ষ্ম ব্যথার অনুভব সেটুকু বুঝি ।
আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ, শফিক আসাদ ।
সেইসঙ্গে আরাশির ব্লগে আপনাকে স্বাগতম ।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
অসাধারণ!অসাধারণ!
অসাধারণ!
এমন গল্পের জন্য ৫ মাস কেন বছর অপেক্ষা করতে রাজী আছি।
শিপন ভাই আপনার গল্পগুলো এমন পড়াশেষেও শেষ হয় না। পাঠকের মনে দাগ কেটে যায়।
অনেক ভালো লাগল।
কেমন আছেন?
আমি একটু এক্সামস নিয়ে ব্যস্ত। খবর নেওয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন: ভালো আছি, ইমন ।
তুমি ভালোতো ?
ব্যস্ততা থাক, শতো ব্যস্ততার ফাঁকে ব্লগও থাক প্রতিদিন একটু করে, অন্তত প্রতি হপ্তায়, একদম লাপাত্তা হয়ে যাওয়া যেন না হয় ।
ফাঁকে একমাসের অধিক আগে একটা কবিতা দিয়ে গেছো, খেয়াল করিনি । আজ হঠাৎ দেখলাম । ওখানে মন্তব্য দিয়ে এসে দেখি এখানে তোমার মন্তব্য । মজার না ?
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
কিরে ভাই আমি ফিরে আসলাম, আপনি উধাও হইলেন এটা কেমন কথা?কেমন আছেন?? খুব ব্যস্ত নাকি?
আমাদের কথা মনে রাইখেন।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: নেই তবু যা আছের মতো দেখায়
আমরা তাকে আকাশ বলে ডাকি..
নেই তবু আছি, শুধু আকাশ হতে পারলাম না ।
লেখক বলেছেন: "রিটায়ার্ড হার্ট"! ভালো জিনিস আবিস্কার করছেন ।
ছ্যাঁকাকে আমি কখনই স্বাস্থ্যের জন্য মন্দ কিছু মনে করিনা, সুস্বাস্থ্যের পক্ষে যতোটা ক্ষতিকারক 'প্রেম-পিরিতি ! ![]()
আছি ভাইডু ।
লেখক বলেছেন: প্রচুর...হ্যাঁ প্রচুর...![]()
ভালোতো ?
রাজর্ষী বলেছেন:
অনেক দিন পরে একটা অসাধারন ভালো গল্প পড়লাম এবং অভিভুত ভালোলাগা রেখেগেলাম।ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ভালো লাগার আন্তরিক প্রকাশের জন্য, আন্তরিক ধন্যবাদ রাজর্ষী ।
লেখক বলেছেন: মনে থাকে, শান্ত ! খালি সময় থাকেনা ।
ভালো থাইকো ।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
আপনার শব্দের গাঁথুনি গল্পটিকে প্রাণবন্ত করেছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। দুইবার পড়লাম। শুরু থেকে বেশ উৎফুল্লমনে এগোচ্ছিলাম। শেষের প্যারায় এসে কষ্টে দলা পাকিয়ে আসতে চাইলো। আপনার লেখায় যাদু আছে। আরো গল্প চাই।
আশাকরি ভালো আছেন?
লেখক বলেছেন: গল্প আসবে শীঘ্রই ।
ভালো লাগার সুন্দর প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ ।
চিটি আপু, আপনি ভালো আছেনতো ?
লেখক বলেছেন: আপনাকে বিবশ করে দিতে পারাটুকু প্রাপ্তির খাতায় জমা থাক...
আন্তরিক ধন্যবাদ , মেঘবাজি ।
লেখক বলেছেন: আপনার ব্লগে কয়েকবার ঢুঁ মেরে এসেছি ইতোমধ্যে ।
নতুন লেখা নেই, তবে নতুন এক অতিথির খবর পেয়েছি ।
খুব আনন্দে কাটছে দিন, না ?
নতুন অতিথি, তার বাবা-মাকে শুভেচ্ছা ।
সাইফুর বলেছেন:
আরাশি গ্রেট
লেখক বলেছেন: আবার ?
এতো সুন্দর সুন্দর ক্যাপ আপনে কই পান স্যার ? ![]()
লেখক বলেছেন: হুম, অনেকদিন পর-ই
ঘুরান দিয়া আসছি, গল্প লম্বা আছে, আর কয়েক ঘন্টা পর পুরাটা পড়বো ।
দু'একদিনের মধ্যে একটা গল্প ছাড়ার চেষ্টায় আছি, টাইপ করার সময়টাও পাচ্ছিনা ।
ভাল থাইকেন ।
লেখক বলেছেন: বস, এই যে এখন টাইপ করছি গল্প ।
লাগাতার সময় দিতে পারছিনা । একটু একটু করে টাইপ করতে হচ্ছে, আশা করি, কাল হয়তো নতুন গল্প পেতে পারেন ।
আপনার আগ্রহের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: প্রিয় বর্ণমালা, ক-খ-গ, আপনাকে , আপনাদের অনেককেই দেখা যায়না এখন আর । ব্লগারদের অভাবে, বলা ভালো জমিয়ে রাখা ব্লগারদের অভাবে ব্লগটা কেমন নিস্তেজ হয়ে থাকে ।
আপনি এসেছেন এবং খুঁজে নিয়ে গল্পটি পড়েছেন, সেজন্য কৃতজ্ঞতা ।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
আপনার লেখাগুলা সব পড়তে হবে। বিষয় বৈচিত্র্যে আর লেখার স্টাইল অসাধারণ।লিংকে নিয়া নিলাম আপনেরে।
লেখক বলেছেন: সম্মানীতবোধ করছি, ধন্যবাদ মুক্তবয়ান ।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
শিপন ভাই, গল্প ভাল্লাগছে। দৃশ্যকল্প তৈরীতে আপনার চমৎকার হাত আছে; বিষয়টা কি জানেন?
অ.ট.
অপ বাকের ঐতিহাসিক পোষ্টখানা খুঁজতে ছিলাম। দেখি তার ব্লগ হাওয়া! তো মনে পড়ল- 'মডারেশনের হকিতকে বিচলিত' আপনার উষ্মা-পোষ্টের কথা। দেখি সেইটাও নাই। ঘটনা কী?
লেখক বলেছেন: ঘটনা হচ্ছে অবিস্মরণীয় ০৯.০৯.০৯ ! আমি জেনারেল পদবীতে উন্নিত হইছি ।
সেই পোস্টটি মুছে দেয়া হইছে ।
গল্পের বিষয়ে বলি, আপনার মন্তব্য সবসময়ই আশা করি । আপনার মতামত পেলে ভালো লাগে ।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
লিংক ধরে চলে আসলাম। অসাধারণ... .....খুব ধারালো একটা গল্প। আর ফরম্যাটটাও চমৎকার।ইয়ে, আমিও সাম্প্রতিক কালে একটি গল্প লিখেছি, যদি দেখতেন একটু ..
লেখক বলেছেন: প্রিয়, হাসান মাহবুব ! ব্লগে খুব অল্প সময়ের জন্য আসি বলে নিয়মিত প্রিয় ব্লগারদের ব্লগ বাড়িতে ঢুঁ মারা হয়ে ওঠেনা । অবশ্যই আপনার গল্পটি পড়বো ।
ধন্যবাদ ।
নীল কষ্ট বলেছেন:
অভিভূত।এমন চমৎকার একটা গল্প আমার চোখে পড়লা না!!
মানুষের হৃদয়ের বেদনা, পরিবেশ সবকিছু আপনি সুন্দরভাবে প্রকাশ করেছেন, এখানেই আপনার সাফল্য যে পাঠকও সেই বেদনায় খানিক সময়ের জন্য হারিয়ে যায়।
লেখক বলেছেন:
আপনার উষ্ণ মন্তব্যখানিই , আমার প্রাপ্তির খাতায় জমা থাক ।
কৃতজ্ঞতা । ভালো থাকুন, সুস্থ -সুন্দরের সঙ্গে থাকুন ।
শায়েরী বলেছেন:
চমৎকার
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























