আমার প্রিয় পোস্ট

বন্ধ জানালা, খোলা কপাট !

ছোটগল্প : হাসানদের স্বপ্নটার অনুভূতিপ্রবণ একটি হৃদয় ছিল

২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৫০

শেয়ারঃ
0 0 0


এক

হাসানদের একমাত্র শেষ স্বপ্নটা তাদের হাতছাড়া হতে যাচ্ছে এ খবর আমাদের ছোট্ট মফস্বল শহরের বাতাসে ভেসে বেড়াতে থাকে । ভেসে ভেসে সে খবর আমাদের কানে এসে পৌঁছায়, আমাদের ভ্রু এবং কপালের মাঝখানের অংশটা খানিক কুঞ্চিত হয়, আমাদের কয়েকজোড়া চোখ বন্ধু রমিজের ওপর নিবদ্ধ হয়, তাকে আশ্চর্যরকম নির্লিপ্ত থাকতে দেখা যায়, তার এই অস্বাভাবিক নির্লিপ্ততা রহস্যের আবরণ ছড়ায়, রহস্যাবরণের একেকটা স্তর সরিয়ে রহস্যের মুখ খুলে দিয়ে তার নানাদিক নিয়ে আমরা যখন আলোচনায় মেতে উঠতে মনস্থির করি, হাসানদের একমাত্র স্বপ্নটার সঙ্গে রমিজের সম্পর্ক কি, কেমন তা ব্যবচ্ছেদ করণের প্রারম্ভে আমাদের আঙ্গুলের ফাঁকে গুঁজে থাকা পাঁচতারা সিগারেটগুলোতে আমরা যখন আগুন দেই, শ্রমজীবী মানুষের যূথবদ্ধতায় গড়ে ওঠা নগরীর এক কোণের বিনোদন ক্লাবটির ২৪ ইঞ্চি রঙ্গিন বিস্ময় থেকে তখন একটি ঘোষণা শুনতে পাওয়া যায়, ঘোষণাটি স্বপ্ন বিষয়ক, ঘোষণাটি দেন একজন নেতা, তিনি তার পিতার স্বপ্নের কথা আমাদের শুনিয়ে যান, আমরা মন্ত্রমুগ্ধ হতে হতে থমকে যায়, দর্শক সারি থেকে একজন শ্রমিক ২৪ ইঞ্চি রঙ্গিন বিস্ময়ের ভেতর স্বপ্ন বিকানো নেতার উদ্দেশে তার ভাষা বিজ্ঞান থেকে অশ্রাব্য শব্দ সমষ্টি তুলে এনে ওগুলোর বায়বীয় প্রয়োগ ঘটান, তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদর করেন অন্য একজন, যথারীতি তর্ক লেগে যায়, বাক-বিতন্ডা হাতাহাতিতে রূপ পায়, মনুষ্য শোরগোল কলরব আর ২৪ইঞ্চি রঙ্গিন বিস্ময়ের কন্ঠনালী থেকে নির্গত শব্দের ভেতর আমরা ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকি নীরব, আমাদের সিগারেটের ধোঁয়াগুলো রিং পাকিয়ে পাকিয়ে উড়ে উড়ে যেতে থাকে, তখন সহসা আমাদের মনে পড়ে, হাসানের পিতা আমাদের বাউল চাচারও স্বপ্নের একটা ঝুড়ি ছিল, ছোট-বড় অনেক রঙ্গিন স্বপ্নভর্তি ঝুড়িটা তিনি বুকের বাম পাশে বুক পকেটের কাছাকাছি লুকিয়ে রাখতেন, তবু কালে-ভদ্রে বাউল চাচার বেয়াড়া স্বপ্নরা বেরিয়ে পড়তো, বাউল চাচার হতদরিদ্র শূণ্য ঘরে তারা পায়চারি করতো এবং একসময় সেই ঘরটি তাদের জায়গা নয় বেশ বুঝতে পেরে, সেসব স্বপ্নের দু'চারখানি সেই ভাঙ্গা ঘরের ভাঙ্গা বেড়ার ফাঁক দিয়ে টুপটাপ লাফিয়ে পড়ে আত্মাহুতি দিতো !



দুই


হাসান আমাদের বন্ধু । আমরা এক গাঁয়ে থাকতাম, এক বৃষ্টিতে ভিজতাম আর একই কাদামাটি-ধূলো গায়ে মেখে একই নদীতে নায়তে যেতাম । আমাদের শৈশবের সেই নদীটির নাম সুরমা । নেংটো রাজা হয়ে আমরা একই সঙ্গে সুরমার জলে ঝপাৎ ঝাপ দিতাম, ডুব সাতার খেলতাম, নগেন মাঝির পালতোলা নৌকায় মাঝনদীতে ভাসতাম, নদীর জ্যান্ত মাছগুলো নগেনদার জাল আশ্রিত হয়ে নৌকার পাটাতনে এসে কেমন অসহায়ত্বে ছটফট করে মারা পড়তো দেখতাম, এবং অতঃপর নিয়ম করে মায়ের বকুনি খেতাম । সেই সময়ে সুরমা নদীর মাঝখানে জলে ভাসা নৌকায় আমাদের চোখের তারায় স্বপ্ন খেলা করতো, নিত্য নতুন স্বপ্ন তৈরী হতো, যখন মাথার উপরের আকাশপথে একখানা উড়োজাহাজ তার পশ্চাতে সাদা ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘের মতো ধোঁয়ার আলপনা এঁকে এঁকে উড়ে যেতো, যখন ভেঁপু বাজাতো দূরবর্তী কোন জলজাহাজ, যখন উড়োজাহাজের ছায়া আমাদের ছায়াসঙ্গী হয়ে নিকটবর্তী জলের 'পরে সাতার কেটে চলতো, তখন হাসানের ঘাঁড় কিঞ্চিত পেছনে বেঁকে যেতো, তখন হাসান চেয়ে চেয়ে দেখতো উড়োজাহজ, যতক্ষণ না দৃষ্টিগ্রাহ্য সীমানার বাইরে নীলাম্বরের ভাঁজে সেটি লুকিয়ে পড়তো, যতক্ষণ না একটু বেশী রকম শব্দ করে আমি ডাকতাম,-
'ওই হাসু ফিইরা চা !'
হাসান ফিরে চায়তো । আমরা মুখোমুখি হতাম, আমাদের চোখাচোখি হতো, স্বভাবজাত হাসি হাসতো হাসান, আকর্ণ বিস্তৃত হাসি, হাসান তো তো করতো, বলতো-
'একটা কথা কই !'
'ক !'
'ওই যে উড়াজাহাজটা গেল..!'
'উঁ?'
'বড় হইয়া আমি ওইটার মাঝি হমু !'
'খিক !' করে হেসে ফেলতাম আমি । হাসানের চোখ সরু হয়ে আসতো, হাসান চেয়ে থাকতো, গম্ভীর থাকতো, হাসান কর্তৃক উড়োজাহাজের মাঝি হবার কাঙ্ক্ষা ছাপিয়ে, সেই মুহূর্তে সেই সুরমার বুকে ভেসে হাসানের ব্যপ্ত স্বপ্নের পরিধি আর তার দূরত্বের খানিক আঁচ করতে পারার কৃতিত্বে আমি দন্ত বিকশিত করতাম ! যথারীতি গাম্ভির্য ধরে রাখতো হাসান, বলতো,- 'তুই কি হইবিরে ?'
'আমি ?'
'উম !'
'আমি সেরাং হমু; এম ভি উর্মিলার সেরাং (সারেং শব্দটা তখন পর্যন্ত আমাদের আয়ত্বে আসে নাই ) !


কি বুঝে কে জানে, হাসান উদাস হয়ে পড়তো । তখন একটা উদাস গাঙ্গচিল ছোঁ মেরে সুরমার জলরাশি ছেঁকে একটা সাদা মাছ তুলে আনতো অবহেলায়; পরক্ষণেই মাছটি গলাধঃকরণ করবে কি করবে না,- এই দ্বন্দ্বে গাঙ্গচিলটিকে দ্বিধান্বিত দেখা যেতো, পরক্ষণেই গাঙ্গচিলের গ্রাস থেকে মুক্তি পেয়ে মাছটি তার জলের আবাসে ফিরে যেতে পারার আনন্দে জলের 'পরে লাফাতো দুইবার, তখন আরো এক ঝাঁক গাঙ্গচিল নিজেদের ভাষায় কথা বলতে বলতে আমাদের মাথার উপর চক্কর লাগাতো বারবার ; তখন নগেনদার নৌকা আথালিপাথালি ঢেউ কেটে কেটে আমাদের নিয়ে ঘাঁটের পথে ফিরতো, তখন ক্ষণিক আগের আমাদের তরতাজা স্বপ্নগুলোকে যতদ্রুত সম্ভব আমরা সুরমার জলে বিসর্জন দিয়ে আসতাম, আমাদের সক্ষমতার সীমানার স্মরণে !


এক দুপুরে আমরা দুঃসাহসী হয়ে উঠেছিলাম । সেই দুপুরে আকাশে রোদ ছিল, সেই দুপুরে মৃদু বাতাস ছিল, নদীতে ঢেউ ছিল, নগেনদার নৌকা ঘাঁটে বাঁধা ছিল, আমরা তার বাঁধন খুলেছিলাম, আমরা মাঝ নদীতে নাও ছুটিয়েছিলাম, আমরা বৈঠা ধরেছিলাম, বৈঠা ছেড়ে দু'জন চার হাত ছড়িয়ে দাঁড়িয়েছিলাম, ঠিক তখন প্রচন্ড এক ঢেউ আমাদের নৌকায় আছড়ে পড়েছিল, ঠিক তখন সোঁ সোঁ শব্দে বাতাস ধেয়ে এসেছিল, সাঁ করে আমাদের নৌকা ঘুরে গিয়েছিল, প্রকান্ড এক মেঘ অকস্মাৎ আমাদের সব রোদ চুরি করে নিয়েছিল, কালো পহাড় নামের দৈত্যের মতো অন্ধকার আমাদের ছেঁকে ধরেছিল, ঝমঝম ঝমাঝম বৃষ্টি নেমেছিল, ঢেউ এর পর ঢেউ আঘাত হেনেছিল, তখন যখন ছিটকে গিয়ে আমাদের নৌকা উপুড় হয়ে পড়েছিল, নৌকা যখন জলের ভেতর আমাদের চেপে ধরেছিল, যখন গভীর জলে আরো গাঢ় হয়ে নৌকা আমাদের ঘাঁড়ে চেপে বসতে যাচ্ছিল, তখন দম বন্ধ হবার আগে আগে কোনক্রমে আমরা জলের ওপর নাক ভাসিয়ে দিতে পেরেছিলাম, ডুব সাতারের দক্ষতায় আমরা ভেসে উঠেছিলাম; তখন আমার হাতে ধরা ছিল হাসানের হাত , তখন বিশালাকায় উত্তাল ঢেউ এর উন্মত্ত পেটের ভেতর হাবুডুবু খেতে খেতে আমাদের যাবতীয় স্বপ্ন এবং বাস্তবতাকে বিদায় জানাবার মানসিক প্রস্তুতির শেষ বিন্দু থেকে আমরা একটি আলো দেখতে পেয়েছিলাম, আলোটি আশার আলো , আলোটির নাম এম ভি উর্মিলা, এম ভি উর্মিলার ডেক থেকে কিছু শব্দ বাউল চাচার চিৎকারের মতো আমদের কানে ছুটে এসেছিল,-
'ওইতো; বাজানরা ওইখানে; ওইতো !'

এরপর কিছুক্ষণ স্মৃতিহীন !


সেদিন বিকেল গড়িয়ে যখন সন্ধ্যা নেমেছিল, চোখ মেলে যখন আবিস্কার করেছিলাম, চারপাশে উৎসুক মানুষের ভীড়, যখন রূপোর থালার মত এক চাঁদ জেগে ওঠেছিল আকাশে, হাসানদের জোছনাভর্তি উঠোনে একতারা হাতে বাউল চাচার কন্ঠে তখন বাজছিল আক্ষেপের সূর,-

বাড়ির পাশে আরশি নগর, হেথায় এক পড়শি বসত করে
আমি একদিনও না দেখিলাম তারে...

আরশি নগরের রহস্যপূর্ণ পড়শিকে দেখার সুপ্ত স্বপ্ন বাউল চাচা লালন করতেন কিনা ঠিক সেই অর্থে জানা যায় না, করতেন হয়তো, নাইলে এমন আক্ষেপ কেন, একতারা হাতে উদাস বাউল হওয়া ই বা কেন, তবে সে বছর বাউল চাচার আরো উল্লেখযোগ্য স্বপ্নের কথা আমরা জানতে পাই, যখন বছর শেষে আন্তঃজেলা স্কুল দৌঁড় প্রতিযোগিতায় জেলার একুশটি স্কুল থেকে হাসান সেরা দৌঁড়বিদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে আমাদের গৌরবান্বিত করে, যখন মন্ত্রী মহোদয়ের দেয়া চকচকে সোনার মেডেল হাসানের অধিকারে আসে এবং তার গলায় শোভা পায়, তখন মঞ্চে উঠে আনন্দে চোখ মুছতে মুছতে বাউল চাচা ঠিক সেই মুহূর্তে তৈরী হওয়া তার স্বপ্নটির ঘোষণা দেন,-- 'আমাদের হাসান একদিন দেশ সেরা দৌঁড়বিদ হবে !'


হাসান এখন অন্ধ ! চলন্ত রেলগাড়িতে চকলেট ফেরী করতো হাসান । রেলগাড়ির ছাদ থেকে একদিন পড়ে গিয়েছিল... !


আর আমরা ? নগর জীবনে কামলা দেই, বিনোদন ক্লাবের ২৪ ইঞ্চি রঙ্গিন বিস্ময়ে ততোধিক বিস্ময় নিয়ে হানিফ সংকেতের ইত্যাদি দেখি, 'রমিজের আয়না' নামক নাটক দেখে আমাদের গোবেচারা বন্ধু রমিজের সঙ্গে স্থুল রসিকতা করি, আমাদের উপার্জিত অর্থের খানিকটা পাঁচতারা সিগারেটের আগুনে পুড়ে ফেলি এবং নিজ নিজ সমর্থিত দলের পক্ষে আমাদের সহকর্মীদের এরকম হাতাহাতি, লাঠালাঠি, আর দলাদলির জীবন্ত সাক্ষী হয়ে, আমাদের নিজ নিজ হাতের সাড়ে তিন হাত দেহের ক্লান্তি আর বিষন্ন বিমর্ষ মন বয়ে বেড়ায় ! আর এরকম কোন কোন দিনে আমরা দু'একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলি, যেমন- একটি বিষয়ে আমরা একমত হই যে, হাসানদের একমাত্র স্বপ্নটা তাদের হাতছাড়া হবার আগেই একবার তাকে আমাদের দেখতে যাওয়া উচিত !


তিন


আমরা যখন হাসানদের বাড়িতে পৌঁছলাম, ওদের ছোট্ট উঠোনের উত্তর -পূর্ব কোণের ঝিঙে ফুলগুলো তখন হাওয়ার মিতালিতে মেতেছিল, আর প‌্যাকেটজাত দ্রব্যের মতো হাসানদের স্বপ্নটাকে সুশোভন মোড়কে মুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল ! হাসানাদের স্বপ্নটা কথা বলতে পারতো, ওর স্বচ্ছ চোখ দুটি উজ্জ্বল দ্যোতি ছড়াতো, নিটোল নাকের খানিক নিচে সরু ঠোঁট হিসেব কষে হাসির কাজে ব্যবহৃত হতো, এমনকি আকর্ষণীয় মানবীর মত একটি শারীরিক গঠন ছিল তার !

স্বপ্নটি আমাদের দিকে তাকিয়েছিল, তার টলটলে চোখ আমাদের মুখগুলোতে ঘুরে রমিজের কাছে গিয়ে থেমেছিল, হাসানদের সুশোভন স্বপ্ন এবং গোবেচারা রমিজের চারটি চোখ এক হয়ে যেতে আমরা দেখেছিলাম, পরস্পরের ভেতর তারা মুহূর্ত স্থির থেকেছিল, খানিক পরে আমরা স্পষ্টতই দেখেছিলাম, ওদের চারটি চোখ থেকে অশ্রুর মতো কিছু বেদনা বের হয়ে এসেছিল, আমরা না দেখার মত করে উদাসী ভাবের প্রয়াস নিয়েছিলাম ! আমাদের মনে পড়েছিল, যখন মৃত্যুশয্যায় বাউল চাচা তার একমাত্র যক্ষের ধন একতারাটা হাসানের হাতে তুলে দিয়েছিলেন, একতারার টুংটাং শব্দ-ই যখন হয়ে উঠেছিল অন্ধ হাসানের উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন, সেই সময়ে, একদিন ফুটপাথে অজ্ঞান অবস্থায় ত্রিসংসারে আপনজনহীন অসুস্থ রমিজকে যখন হাসান আবিস্কার করেছিল, প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে যখন হাসানদের ঘরে রমিজের আশ্রয় হয়েছিল, তখন হাসানদের কোমলমতি স্বপ্নটার সেবাব্রতে সুস্থ হয়ে ওঠেছিল রমিজ, তখন হাসানদের স্বপ্নটার খুব কাছে রমিজ চলে গিয়েছিল ।


ডাক্তার হবার স্বপ্ন পূরণের মধ্য দিয়ে হাসানদের স্বপ্নটার পূর্ণতা পাবার কথা ছিল !

অথচ, আমরা দেখলাম, আমাদের চোখের একদম সামনে দিয়ে রঙ্গিন কাগজ আর রঙ্গিন রঙ্গিন জরীতে আবৃত পালকিতে হাসানদের একমাত্র স্বপ্নটাকে চৌধূরীদের ছোট ছেলে ছিনিয়ে নিয়ে গেল ! সুন্দরের সমঝদার বিত্তশালী চৌধূরীরা অর্থের বিনিময়ে সুন্দর কিনে নিয়ে গেল একরকম, প্রয়োজনে চৌধূরীরাই হাসানকে আর্থিক সাহায্য দিতো !


চার


আমরা হাসানদের বাড়ি থেকে ফিরে এসেছিলাম । নিত্যদিনকার নাগরিক জঞ্জালে যখন আমাদের জীবিকা আমাদের টেনে এনেছিল, তার দু'রাত পরের ভোর বেলাতে আমরা মেস মেম্বাররা একে অন্যের গলা জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদেছিলাম, সেই ভোর বেলাতে, সূর্য উঠার আগে আগে মেস বাড়ির খুব কাছ দিয়ে বয়ে যাওয়া রেল লাইনে ট্রেনে কাটা ত্রিখন্ডিত একটি লাশ আবিস্কৃত হয়েছিল, লাশটি আমাদের গোবেচারা বন্ধু রমিজের !


চৌধূরীদের দৃষ্টিনন্দন সিলিং ফ্যানে শাড়ি প‌্যাঁচিয়ে হাসানদের উজ্জ্বল স্বপ্নটার অপমৃত্যুর খবর আমরা তার আগের রাতেই পেয়েছিলাম !






 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছোটগল্পগল্পস্বপ্ন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অল্প স্বল্প গল্প  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:০৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

গল্পের সঙ্গে সংযুক্ত ছবিটি একজন বস-এর । বসটির নাম,-পাবলো পিকাসো !
গুগলের দোকানে এই 'সৌন্দর্য' পেয়ে আমি যারপরনাই আনন্দিত ।
২. ২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:০৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: ছবি বুঝি না, গল্পও বুঝি আবছা আবছা। ধোঁয়ার মাঝেও ভাল লেগেছে আধো আলো-ছায়ার শব্দকল্প। অনেকদিন পরেই লিখলেন, এমন লিখলে বিলম্বই সই।
২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: ছবি আমিও কম বুঝি, কম বুঝি না বলে একদমই বুঝিনা বলাটা সত্য উচ্চারণ হবে ।
পিকাসো সাহেবের এই ছবিটির নিশ্চয়ই অনেক বৈশিষ্ট থেকে থাকবে । তবে, এই গল্পের সঙ্গে ছবিটির মিল একটা জায়গায়, তা হলো, ছবিটির নাম-- দ্য ড্রিম !


ফারহান দাউদ যদি এ গল্প না বুঝে তো সেটা লেখকেরই ব্যর্থতা ।

৩. ২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:১৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: স্বপ্ন কেবলই মরে যায়, যেমন পদ্মা মরে গেছে, মরে যাবে হয়তো সুরমাও, মরে যাবো আমরাও। স্বপ্ন খুব ঠুনকো ব্যাপার, হাতের ছোট ধাক্কাতেই কিন্তু ভাঙবে, আমরা তবুও শুধু তার পেছনেই ছুটি।
২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: এইতো বেশ বুঝতে পেরেছেন...গল্প পুরোটাই ধরা দিয়েছে আপনাতে...

৪. ২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:২৫
গায়ত্রী সান্যাল বলেছেন: আপনার গল্পটা ভালো। তবে স্টাইলটা শহীদুল জহিরের।
২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার সমালোচনার ধরণটা ভালো ।

তবে, আপনি আহত হবার মতো একটি খবর, আরো অনেক প্রতিভাবান লেখকের মতো শহীদুল জহিরের একটা গল্পও আমার পড়া হয়নি, নিজেকে আমি দূর্ভাগা মনে করছি, এজন্য ।

শহীদুল জহিরের মৃত্যুর পর প্রথম তাঁর সম্পর্কে জানতে পাই, আগ্রহ আছে যথেষ্ট । দেশের বাইরে বলে তার গল্পের বই এখনও সংগ্রহ করতে পারিনি ।

এবার সমালোচনার জবাব :

স্টাইলটা যদি শহীদুল জহিরের হয়, স্টাইলটা যদি দূরের আর্নেস্ট হেমিংওয়ের হয়, কিম্বা কাছের হুমায়ুন আহমেদের হয়, তাতে করে নিজের কাছে আমি নিজে বিচলিত হবার মতো তেমন কারণ খুঁজে পাই না । অন্য কারো যদি বিচলিত হবার মতো যথেষ্ট সময় থাকে, তাকে আর তার সময়কে আমি সালাম জানাই ।

৫. ২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:২৭
ফেরারী পাখি বলেছেন: ছলাৎ ছল, ছলাৎ ছল
ঘাটের কাছে গল্প বলে নদীর জল।

নদীর গল্প, হাসানের স্বপ্নের আবছা গল্প ভালো লেগেছে।

কারও কারও উড়োজাহাজের মাঝি হওয়া হয়না কোনদিন।

ভালো থাকুন।
২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫

লেখক বলেছেন: কারও কারও উড়োজাহাজের মাঝি হওয়া হয়না কোনদিন-- হয়তো এই একটা লাইন-ই এই গল্পের সারকথা ।

কৃতজ্ঞতা ফেরারী পাখি ।

২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:২১

লেখক বলেছেন: মন ফুরফুরে হয়ে যাবার মতো একটি খবর ।

ইয়াসমিনরা এভাবেই এগিয়ে যাক ।

আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ভাই ।

৭. ২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:২১
লেফাফাদুরস্ত বলেছেন: স্বপ্নরা তো আগে থেকেই উড়তে জানে, ঘুরতে জানে...
ওদের সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে দিলেই কি ওরা মরে যায়?..
২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: অবশ্যই মরে যায় না..
নতুন করে তৈরী হয়..

৮. ২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:২২
গায়ত্রী সান্যাল বলেছেন:
আপনি হয়তো মার্কেস পড়ে থাকবেন। শহীদুল জহির স্টাইলটা নিয়েছিলেন মার্কেজ এর কাছ থেকে। কিন্তু সেটা তার নিজস্ব হয়ে যাওয়ার কারণ তিনি বাঙলার মাটির সাথে মিশিয়ে নিয়েছেন।
প্রত্যেক মানুষেরই অসীম ক্ষমতা আছে। সে চাইলেই স্বকীয় হতে পারে। আপনি পারেন নি। এই একটি কারণেই আপনি বিচলিত হবেন। এখন প্রথাগত কাটামো ছেড়ে কেউ নতুন গল্প করতে চাইলেই শহীদুল জহিরকে অনুকরণ করেন। এটা যদি আপনি ঠিক মনে করেন। তবে আমার কিছু বলার নেই। আপনাকে আঘাত করার জন্যে বলা নয়। আপনি সম্ভানাময় এই কারণেই বলা। যদি ইগোতে লাগে তবে খুবি দুঃখিত।
এই ব্লগের অন্তত ২/৪ জনের গল্প আমি আপনার কাছে হাজির করতে পারবো,যাদের স্টাইল শহীদুল জহিরের মতোই। লেখকের নাম তুলে দিলে নতুন পাঠক মনে করবে একইজনের গল্প।

যেমন জীবনানন্দের নাম না থাকলেও তার কবিতা ধরা যায়। সৃজনশীলমানুষের স্বকীয় হওয়া অত্যাবশ্যক। নাহয় লেখা ছেড়ে দেয়া উচিৎ।

শুভকামনা।
২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৪১

লেখক বলেছেন: লেখার এই মিলেরে বিষয়টিকে আমি স্বাভাবিকভাবে দেখি । এমনকি অনেক বড়ো লেখকদের বিষয়েও শুনা যায়, অমুকের লেখা তমুকের সঙ্গে মিল খায়...ইত্যাদি ইত্যাদি।

'মা' ডাকটা আমাদের সবার মুখনিঃসৃত হয়, তো একজন কেও 'এইভাবে' মা ডেকেছেন বলে, আরজন সেইভাবে 'মা' ডাকতে পারবেন না, এইরকম প্রথাসিদ্ধ নিয়ম ভেঙ্গে আমি প্রথাবিরুদ্ধ হতে পছন্দ করবো !

আমাদের ভাষা এক, বাংলা শব্দের ভান্ডারও সেই এক, যেভাবেই বলুক না কেন, মিল খুঁজে পেতে চায়লে কারুর সাথে মিল পাওয়াটা কঠিন হবেনা, মিল খোঁজার ব্যাপারটাকে আমার কাছে কাজের কিছু মনে হয়না তাই, ব্যক্তি আমি'র কাছে সেটা গুরুত্বহীন ।

লিখতে যে জানবেনা, কারুর মতনই সে লিখতে জানবেনা ।

২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:২০

লেখক বলেছেন: "এই ব্লগের অন্তত ২/৪ জনের গল্প আমি আপনার কাছে হাজির করতে পারবো,যাদের স্টাইল শহীদুল জহিরের মতোই। লেখকের নাম তুলে দিলে নতুন পাঠক মনে করবে একইজনের গল্প।"

আপনি যাদের ইঙ্গিত করছেন, আমি জানি, বাংলা ছোট গল্পে তারা নিয়মিত নতুন পালক যোগ করছেন, সেই পালকগুলো মুক্তোর পালক !

তাদের গল্পগুলো তারাই লিখছেন, শহীদুল জহির বা অন্য কেউ এসে তাদের লিখে দিয়ে যাচ্ছেন না ।

আমার শ্রদ্ধা তাদের জন্য , ভালোবাসা জানাই ।

১০. ২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৩৪
শান্তির দেবদূত বলেছেন: পর্যবেক্ষণে যুক্ত করে রাখলাম, রাতে পড়ে বিস্তারিত কমেন্ট করবো .....
২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: হোকে :)

১১. ২৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৫৪
আমি ও আমরা বলেছেন: 'বড় হইয়া আমি ওইটার মাঝি হমু

গল্পটা আমার ভালো লেগেছে । ভালো থাকা হোক।
২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো, কবি ।

ভালো থাকা হোক ।

২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, রাজর্ষী !

১৩. ২৯ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৫০
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: ভালো লাগছে তবে, সত্যি বলতে কি শেষের দুটোই আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে, এটাতে আপনার গল্প লেখার স্টাইলটা কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে, ভাষার ক্ষেত্রে তো বটেই! কিছুটা তাড়াহুড়া করে লেখা মনে হলো।
শিপন ভাই আপনার লেখার সমালোচনা করার মতো পাঠক এখনো হয়ে উঠিনি, তবে সাধারণ পাঠক হিসেবে আমার কাছে গল্পটা কেমন ধরা দিয়েছে সেটাই বললাম।:):):)
এবার বলেন কেমন আছেন?
দেশে কবে যাচ্ছেন?
৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন:
গল্পটা একটু ভিন্নরকম,যেটুক ভিন্নরকম সেটুক সচেতনভাবেই । লেখার একটা ব্যাপার আছে, বিশেষ করে গল্প লেখার, সে তার নিজের গতিতে চলে, লেখককেও বোধকরি সেই গতিতেই যেতে হয় । আগের দু'টার চে' এ গল্পটা দুর্বল, এরকম আমারও মনে হয়েছে । হতে পারে, সেটা লেখার প্লট এর কারণে ।

মতামতের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ইমন ।

দেশে যে কবে আসবো, এর উত্তরটা কঠিন মনে হচ্ছে ।
দেশে আসতে মন চায় প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ ।
তুমি যাচ্ছো না-কি ?

ভালো থেকো ।

১৪. ২৯ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩১
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: বহুদিন পর গল্প লিখলা!
একবার পড়লাম
আবার পড়ি
ভালোই লাগতেছে!
৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: ভালোই লাগতেছে...আহারে পোলাডার খুব ভালো লাগে নাই ;)

পড়ো এবং পড়ো :)

১৫. ২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২
টিআইঅন্তর বলেছেন: অসাধারণ! দুইবার পড়লাম!

৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: প্রাণীত হলাম ।

কেমন আছো ?

৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, যীশূ ।

১৭. ২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
আকাশচুরি বলেছেন: শিপন ভাই, গল্পটা আমার ভালো লেগেছে:)

আপনি আপনার মতো লিখে যান, যেমনটি ভেতর থেকে আসে। জহির, ইলিয়াস, ওসমান, ওয়ালিউল্লাহ...সবাই আসুক লেখায়, জেঁকে বসুক, বিবর্তিত হোক; তবু হোক কিছু একটা :) একটা সময় একান্ত আপনার ধরন দাঁড়িয়ে যাবে। (আমার মনে হয় সেটা খুব বেশি দুরে নয়)

আহারে! যদি লিখতে পারতাম শহীদুল জহিরের মতো!
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: "জহির, ইলিয়াস, ওসমান, ওয়ালিউল্লাহ...সবাই আসুক লেখায়, জেঁকে বসুক, বিবর্তিত হোক; তবু হোক কিছু একটা .."

এই মন্তব্যে ১০০টা + ! :)

কৃতজ্ঞতা, আকাশচুরি ।

১৮. ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:২২
শান্তির দেবদূত বলেছেন: অসাধারন !!
আমার মনে হয়েছে এটা আপনার নিজস্ব স্টাইল ......আসলে প্রত্যেকটা লেখাই লেখকের নিজস্ব সৃষ্টি, নিজস্ব স্টাইল ......

গল্পটা মন্ত্রমুগ্ধকর .... বিশেষ করে দুই নাম্বার প্যারায় আপনি যেভাবে নদীতে গোসলের বর্ননা দিয়েছেন সেটা একেবারে বাস্তব ধর্মী যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি .... একেবারে প্রখর অন্তদৃষ্টি বা গ্রামের জীবনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা না থাকলে এত বাস্তবসম্মত ভাবে এই দৃশ্য ফুঁটিয়ে তোলা অসম্ভব ...

আমার শৈশব গ্রামে কেটেছে, এই রকম পরিবেশে তাই আপনার গল্পের এই অংশটা হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছি ......

রমিজের আত্মহত্যা কারনটা বুঝতে পারিনি ...... না কি নিছক দূর্ঘটনা ?

অনেক গুলো প্লাস +++++++++++
৩০ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:০৫

লেখক বলেছেন: আমার এই স্টাইলে লেখার শুরুটা কিভাবে, কিভাবে আমি এটাকে পাই, প্রসঙ্গত উল্লেখ করে রাখা ভালো হবে, পাঠকের জন্য সুবিধা হবে ।

এই গল্পটাকে প্রথম ধরে আপনি যদি আমার ব্লগের তিন নাম্বার পোস্টটিতে যান, সেখানেও একটি গল্প পাবেন, গল্পটি-- যখন একুশ শতকের আকাশে ফুটছিলো ফসফরাস ফুল, সভ্য কুকুরটি তখন নিহত হয়েছিল

--এই গল্পটি যখন আমার মাথায় প্রথম ঝেঁকে বসে, তখন এইতো ক'মাস আগে, প্রতিদিন ইজরাঈলী বোমারু বিমানের বোমা বৃষ্টিতে ফিলিস্তিনের জনপদ মৃত্যুপূরীতে পরিণত হয়েছিল । তখন আমার ভাবনায় একটা শব্দ এলো "সভ্যতা"! এই যে আমাদের বর্তমান একুশ শতকের সভ্যতা, যদি আরো এক শতক, কিম্বা তারও পরের কোন সভ্য মানুষ এই একুশ শতকের সভ্যতার গল্প করেন, সেটা কেমন হতে পারে...অনেক পরের বর্তমানে দাঁড়িয়ে অনেক আগের কোন গল্প যখন বলা হবে, সেটা কেমন হবে, আমি লিখতে শুরু করলাম, পরবর্তী শতকের কোন মানুষ একুশ শতকের গল্প বলছেন তার জায়গা থেকে । পেয়ে গেলাম-- "যখন একুশ শতকের আকাশে ফুটছিলো ফসফরাস ফুল, সভ্য কুকুরটি তখন নিহত হয়েছিল ।"

আমি অন্যের কাছে না, নিজের কাছে নিজে সৎ থাকার চেষ্টাটা সবসময় করি । আর নিজের কাছে সৎ থেকেই আমি বলতে পারি, ওই গল্পটি লিখতে গিয়েই আমি এই স্টাইলটা রপ্ত করি । যদি কেউ অন্যের প্রভাবের কথা বলতে চান তো, বিনয়ের সঙ্গে আমি তা প্রত্যাখান করি ।


"রমিজের আত্মহত্যা কারনটা বুঝতে পারিনি ...... না কি নিছক দূর্ঘটনা ?"

নিম্নোক্ত লাইটাই কারণ-

"চৌধূরীদের দৃষ্টিনন্দন সিলিং ফ্যানে শাড়ি প‌্যাঁচিয়ে হাসানদের উজ্জ্বল স্বপ্নটার অপমৃত্যুর খবর আমরা তার আগের রাতেই পেয়েছিলাম !"

হাসানদের স্বপ্নটার সঙ্গে রমিজের একটা কিছু ছিল, এই কিছুটা হৃদয়ের...!

৩০ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:২০

লেখক বলেছেন: অনেক সুন্দর বিশ্লেষণাত্মক মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা এবং আন্তরিক ধন্যবাদ, দেবদূত ।

১৯. ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৪৬
তারার হাসি বলেছেন:
প্রত্যেক মানুষ তাদের ছেলেবেলায় স্বপ্ন দেখবেই একবার, আরেকবার দেখে তাদের বাচ্চাদের নিয়ে। কল্পনার ঘুড়ি ইচ্ছামত ছুটে যায় কখনো মাঝি, কখনো সারেং, রিকশাও্যালা, ফেরিওয়ালা থেকে শুরু করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়র সব।
তারপর কোথাও কিভাবে যেন হোচট খায়, হয় স্বপ্নভঙ্গ !
তাতেও কি কেউ থামে ?
উড়েই যায়, উড়েই যায়...
৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: কি চমৎকার প্রকাশ আপনার ভাবনার ।
ভালো লাগা জানাই ।
স্বপ্নরা মরেনা, এমনকি থেমেও থাকেনা ।

ভলো থাকুন ।

৩০ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:০৮

লেখক বলেছেন: ভালো সৌরভ ভাই ।
আপনি কেমন ?
একদম কম দেখা যায় ?

২১. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:২৭
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
আপনার গল্প সুখপাঠ্য। প্রথমদিনই পড়েছি।
লোডশেডিং এর কারণে কমেন্ট দিতে পারি নি।
আজকে এইপর্যন্ত কমেন্টগুলিও পড়লাম।
মনে হলো আপনি খুবি আবেগী।

শুভবর্ষা।
০১ লা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪২

লেখক বলেছেন: প্রিয় নির্ঝর !
আবেগ ছাড়া কি ঠিক সেইরকম ভালো কিছু লেখা যায় ?
আমি আবেগকে ধরে রাখতে চাই, ভালো কিছু লিখতে চাই ।

শুভবর্ষা ।

২২. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৮
কঁাকন বলেছেন: ভালো লাগলো

কাহিনীর চেয়েও বেশী আকর্ষনীয় হয়েছে আপনার বলার ভঙ্গী

ভালো থাকুন
০১ লা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: এই ভঙ্গির একটা বিশেষত্ব হইলো সাধারণ কথাটারেও আরেকটু অন্যরকম কইরা বলা যায়, আরেকটু অসাধারণ কইরা । ভঙ্গিটা তাই ভালো লাগে ।

ধন্যবাদ কাঁকন ।

২৩. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৪৯
রাশেদ বলেছেন: পইচ্চি পইচ্চি। আগে পইচ্চি।
০১ লা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: হ ভাইডু ! পইচ্চোতো !
প্রশ্ন হইলো কিয়েত্তোন পইচ্চো ? ;) :)

২৪. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:০০
রাশেদ বলেছেন: বুইলও দইচ্চি! ঢেক না, ডেক হইবেক। :P
০১ লা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:০২

লেখক বলেছেন: হু, সেইটা ঠিক কইচ্চি ! সেইজইন্য ধইন্যাও দিছিতো ;)

২৫. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:০৪
রাশেদ বলেছেন: ও! দিচেন নাকি! খিয়াল করি নাইক্কা! :P

আমার আর মুশফিকের একটা গিফট পাওয়া আচে কিন্তুক! :P
০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: পাওয়াটা পাওনা হিসাবেন থাক..লেনাদেনাতো মানুষের লগেই মানুষের থাকে ;)
পাওনা শোধ কইরা ফালাইলেইতো শেষ হইয়া গেল..ঋণশোধ হইয়া গেল.. তাই পাওনাদার হিসাবেই তোমাদেরকে রাখতে চাই । :)

২৭. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০৭
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: পড়তে পড়তে জীবন শেষ!
ব্লগ পড়তেই ভালো লাগে
বই পড়তে

ক্যান আছো বদ্দা?
০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: গম আছি

গম আ-ছনি ?

২৮. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫২
রুবেল শাহ বলেছেন: বাপজানে তো ঠিকিই কইছেরে...................
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: বাপজানে কোন কথাডা ঠিক কইছে, ক্লীয়ার করো, ম্যাও প্রেমিক !

২৯. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১৪
রুবেল শাহ বলেছেন: ঐ যে কইছে তোমারে কর্ণফুলি পেপার মিলে বনবাস দেওয়া হইবেক.......... শুধু লেখার জন্য :)
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৫

লেখক বলেছেন: :) :)

৩০. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫৬
ফারহান দাউদ বলেছেন: গল্পের বদলে, আলোচনা আরেকদিকে নিয়া যাওয়ার একটা দুর্বুদ্ধি মাথায় চাপলো। তার আগেই জানায়া দেই, গল্পলেখক আমার সহব্লগার হইলেও আমি তাঁর খাইপরি না, এবং তাঁরে সমর্থন দিলেও তিনি আমারে ২টা চাকরি দিবেন না। এইখানে একটা উপদেশ দেখলাম স্বকীয়তা না থাকলে লেখা ছাইড়া দেয়া উচিত, সেই উপদেশটা দেইখা আমি ব্যক্তিগতভাবে বিরক্ত এবং অপমানিত বোধ করলাম। কেউ একজন আমার আগে ১৪ লাইনে কবিতা লেখসে মানে সে সেইটারে পেটেন্ট কইরা নেয় নাই, একইভাবে স্বকীয়তা জিনিসটা কোন বুদ্ধিজীবি বাংলা একাডেমীর বটতলায় বইসা সংজ্ঞায়িত কইরা দিবেন বা পত্রিকার সম্পাদক কাঁচি চালায়া লেখা সাইজমত কইরা দিবেন, সেই ধারণাতেও আমি বিশ্বাসী না। কোন ধারণার বশবর্তী হইলে লোকজন মেইনস্ট্রিমেই লেখে, তার ব্লগে আসার দরকার হয় না এবং ব্লগে আইসা লেখা ভাল না লাগলে সেইটা "ব্যক্তিগত বিবেচনায় সাহিত্য মানোত্তীর্ণ না" বলাই যথেষ্ট মনে করি, কিন্তু যিনি লিখেন তারে লেখা ছাড়ার, এমনকি স্নেহবশে (সেই মুরুব্বিয়ানা করার অধিকার কে দিল সেইটাও প্রশ্ন হইতে পারে, আপাতত সেইটা বাদ দিলাম) সেই উপদেশ দেয়ারেও অসভ্যতা বইলাই বোধ করি। আমার লেখা, বা যে কারো লেখাও যদি শহীদুল জহিরের মত হয়া থাকে, সেইটারে আমি স্বাগতই জানাবো এই জন্য যে এইটারে ধইরা রাখার মত লোকজন তাইলে আইসা পড়তেসে, আর সেইটা বাংলা সাহিত্যের জন্যই সুখবর। মার্কেজ ম্যাজিক রিয়ালিটি চালু করসেন, সেইটা আরো ১০ জন নিসে, স্বকীয়তা সবার থাকসে এমনটা বলা যায় না, তাই বইলা তাদের লেখা ছাইড়া দেয়ার উপদেশ দেয়া হইসে কিনা জানি না। রবীন্দ্রনাথরেও অনেকে অনুসরণ করতেন, তাঁরা কেউ রবীন্দ্রনাথ হন নাই, কিন্তু লেখাও ছাড়েন নাই। মহান হইবার ইচ্ছা থাকলে হয়তো স্বকীয়তার সন্ধানে ঘর ছাড়া যাইতে পারে, যদিও সেইটা কইরা বটতলার বুদ্ধিজীবিরা কে কি উদ্ধার করসেন বলা মুশকিল, কিন্তু এই ব্লগে সেইরকম মহান হইতে ইচ্ছুক লোকজন বিশেষ চোখে পড়ে নাই, মনের আনন্দে লেখনের লাইগাই সবাই আসেন আর সেইখানে উপদেশের দা-কুড়াল নিয়া ঝাঁপায়া না পড়ার লাইগা উঁচুমানের সাহিত্যসেবীদের কাছে একটাবিনীত অনুরোধ এই অধম পাঠক রাখবারই পারে। মহান সাহিত্যকর্ম খুব একটা মাথায় ঢুকে না, এই অনুকরণপ্রিয় লেখাগুলাও আপনেরা বন্ধ কইরা দিয়েন না।
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৩০

লেখক বলেছেন: ফারহান, আপনি অসাধারণ করে বলেছেন, সেইটা আমার এই গল্প লেখার ভঙ্গিমার সমর্থনে বলেছেন বলে না , বরং আপনার এই কথা লেখার জগতের সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ।

এই জাতীয় উপদেশ এর বমি ছড়িয়ে যারা স্বস্তি পান,তাদের স্বস্তি নিয়ে তারা দু'একটা তৃপ্তির ঢেকুর তারা তুলতেই পারেন, তবে এইসব উপদেশ দেনেওয়ালাদের 'নাকচ' করে দেবার মতো ঔদ্ধত্য আমার আছে, সেটা হয়তো এতোদিনের ব্লগিং এর বয়সে আপনিও কিঞ্চিত জেনে থাকবেন ।

এই উপদেশ এর আড়ালে একটা রাজনীতি আছে, সেই রাজনীতিটা আমি এখানে টানতে চাইনি ফারহান, আসলেই চাইনি । আমার গল্পের প্রতিটা শব্দ কি ভালোবাসায় যত্নে মনোযোগে গড়া সেটা আমার চে' ভালো কে জানবে ! আমি তাই, আমার গল্পের পোস্টকে কলুষিত করতে চাইনি বাজে বিষয় টেনে এনে ।


ব্যাপার হলো, এখানের এই ইঙ্গিতটা প্রতিশোধ পরায়ণতার একটা নোংরা খেলা । গায়ত্রী সন্যাল ওরফে লাবণ্য প্রভা, ওরফে প্রভ৭১ ওরফে ডল ওরফে শিখর সিরাজ এর নিকগুলো নিয়ে আমি কিঞ্চিত মজাক করছিলাম একদিন । বুইঝেন কইলাম ।

৩১. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:১১
নুশেরা বলেছেন: ঘোরতর ঘোরলাগানো বর্ণনা। দারুণ লাগলো, আবারও পড়বো, নিশ্চিতভাবেই একাধিকবার পড়বো।


===================================
ইয়ে মানে শিপন আমিও একটা বাণী দিই:
প্রমথ চৌধুরীর পর আর কারো বাংলা গদ্য লেখাই উচিত না ;) :P
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: বাণী সুন্দর হইছে বুজি ! :)

ধন্যবাদ ।

১২ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৪১

লেখক বলেছেন: আর আমিও যেমুন প্রমথ চৌধুরীর পরে অনেক পরেই পড়ছি, বাংলা গদ্য আর লেখুম কিনা চিন্তাইতেছি ;) :)

৩২. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:১৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: নুশেরা আপার বাণী স্মরণে রাখলে, অখন থাইকাই আমাদের সবার ব্লগবিরতিতে যাওয়া উচিত, এবং অখনতরি যত কেতাব লেখা হইসে সব লেখকের আইপিসহ ব্যান দাবী করা উচিত:)
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪১

লেখক বলেছেন: :) :) :)

৩৩. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:২২
নুশেরা বলেছেন: ফারহান,
আমাদের ব্লগীয়, ডিজুসীয়-- এইসব (অপ)ভাষায় আলাপসালাপমূলক গদ্য কিন্তু জায়েজ :)
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩১

লেখক বলেছেন: আমাদের ব্লগীয়, ডিজুসীয় এইসব (অপ) ভাষার আলাপসালাপ চালু থাক :)

৩৪. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:০৭
পারভেজ বলেছেন: শুরু থেকে অনেকটা পর্যন্তই, দৃশ্যকল্পগুলি -পাঠককে গল্পের বাহির কাঠামোতে বার বার ফিরিয়ে আনে। শেষটায় কিছুটা আচমকাই কিছুটা রূঢ়তা নিয়ে গল্পটুকু থমকে দেয় চিন্তাকে।
এই অলঙ্করণটুকু বেশ ভালো লাগলো।
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: পারভেজ, আপনার দেখার চোখ আর আপনার উপলব্দিকে সম্মান জানাই ।
আপনি ঠিক জায়গাটি ধরতে পেরেছেন । আচমকা কিছুটা রূঢ়তা নিয়ে গল্পের শরীর থামিয়ে দিতেই আমার ভালো লেগেছে ।

ধন্যবাদ চমৎকার মতামতের জন্য ।

৩৫. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪০
আগলিআগলি বলেছেন: গল্প পড়লাম ,কমেন্টও পড়লাম । গল্প পড়তে ভালো লাগল - লেখকের আবেগের জায়গাটার জন্যে ,লেখকের বলার ধরণের কারণে ,পড়তে পড়তে ছবি ভেসে ওঠার কারণে ।
শেষটায় এসে নাদান এই পাঠকের অনুভূতি যে রমিজ না মরলেই পারত ,কত স্বপ্ন ভাঙ্গা
রমিজই তো বেচে থাকে ,মরা স্বপ্নের স্মৃতি নিয়ে।

০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: 'রমিজ না মরলেও পারতো'--হ্যাঁ, পারতো নিশ্চয়ই । একটা গল্প শেষ করার কয়েকটা পথ থাকতে পারে, লেখককে সেখান থেকে একটা বেছে নিতে হয় ।

আগলিআগলি, আপনার উপরের কমেন্ট পারভেজ এই বিষয়ে কিঞ্চিত বলেছেন, স্বপ্ন চলে যায় সঙ্গে আরো কি কি নিয়ে যায়, সেই নিষ্ঠুরতা একটু আঁচড় দেবার জন্যই রমিজকে মেরে ফেলার এই নিষ্ঠুরতা ।

আরো একটি বিষয়,গোবেচারা রমিজ হাসানদের আকর্ষণীয় মানবীর মতো গঠনের স্বপ্নটাকে ভালোবাসতো, সিলিং ফ্যান এর সঙ্গে স্বপ্নের আত্মহত্যার খবর পাবার পর রমিজের মনে হলো, তার জীবনটা আর রাখা কার জন্য ।

যাই হোক, আপনি খানিকটা ভিন্ন দৃষ্টিতে ভিন্ন একটি দিক তুলে এনেছেন । ভালো লাগলো । আপনার আন্তরিক প্রকাশের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ, ভাই ।

৩৬. ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: আপনার গল্পে যে একটা অসাধারণ হাত আছে, সেটা অনেকে ধরে রাখতে পারে না। আমি থামবেন না। চালিয়ে যান।

ব্লগে আমি গল্প কম পড়া হয় আমার। অনেক বড় লেখা দেখে.................আপনার লেখাগুলো পড়ে যাচ্ছি। (সেটা আপনাকে জানান দেয়া নয়) আপনার লেখায় আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।

আরো লেখা আসুক।
শুভকামনা থাকলো।

০৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: আপনার মতামত ভালো লাগলো চিটি আপু ।

ভালো থাকবেন ।

৩৭. ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
সৈয়দ নূর কামাল বলেছেন: (আমাদের ফটিকছড়ি) নামের নতুন একটি গ্রুপ হয়েছে। তাতে আপনার লেখার আশা রাখি।
Click This Link
আপনার আগের কোন লেখা বা মন্তব্য পড়ে আপনাকে ঐ এলাকার বলে ধারনা করছি।
০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: গ্রুপে যোগ দিবো, ফটিকছড়ি গ্রুপ বলে কথা । তবে, 'প্রিয় চট্টগ্রাম গ্রুপের পর, আলাদা করে "ফটিকছড়ি গ্রুপ"-এর দরকার ছিলোনা বোধহয় ।


আর হ্যাঁ, গ্রুপ আইডিয়াটা সাম হ্যোয়ারে সুপার প্লফ করেছে । তাই, একটা গ্রুপও জমে নাই । এমনকি, খোঁজ নিলে দেখবেন, গ্রুপ এডমিনরা স্বয়ং দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের গ্রুপগুলোর কোন খোঁজ রাখেন না ।

নিমন্ত্রণ এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শুভ্র ভাই ।

৩৯. ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
মুক্ত বয়ান বলেছেন: অফলাইনে আগে পড়েছি.. তখন নুশেরাপু/ দাউদ ভাই'র চাছাছোঁলা মন্তব্য ছিল না। ছিল গায়ত্রী সান্যালের সুললিত বাণী!! :)

আমার মন্তব্য শোভা পায় না। তারচেয়ে বরং হলুদ তারা।
০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: "শোভা পায় না" জাতীয় বিনয়ে লজ্জা দেবেন না, ভাই ।

প্রিয়তে স্থান দিয়ে সম্মানীত করবার জন্য কৃতজ্ঞতা, আন্তরিক ধন্যবাদ ।

৪০. ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১৩
সাইফুর বলেছেন: প্রিয় পোষ্টে রাখলাম..আস্তে আস্তে পড়বো..
০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: ওরে ! কাছিমের এই কি রূপসজ্জা দেখিলাম ! :)

০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৪২. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬
জেরী বলেছেন: ভাইয়াটা কেমন আছেন?
০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ভাইয়াটাতো ভালোই আছে, কিন্তু জেরী আপুনিটার কি হইছে ?
কয়দিন গাল হাপুস কইরা ব্লগ থেকে দূরে ছিলো বোধহয় ?
ঘটনা কি ?

৪৩. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:০৫
ক-খ-গ বলেছেন: দারুন, দারুন লাগছে! অসাধারণ
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ,ক-খ-গ !

আপনিও লিখুন নিয়মিত । আপনার লেখা ভালো লাগে ।

৪৪. ২৩ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২২
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: গল্পের শুরুর অংশগুলো খুবই ভাল লাগছিল, কিন্তু শেষের দিকে ভাল লাগায় যেন ভাটা পড়ল- রমিজের অসুস্থ হওয়া, এরপর দুজনের আত্মহত্যা--- এই অংশটা পুরো ভাল লাগাটাকে পানসে করে দিচ্ছে।।।

আপনার লেখা এর আগে সেভাবে পড়া হয়নি, আশা করছি বাকি গল্পগুলোও পড়বো।।।
২৩ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মনযোগী পাঠক হবার জন্য, আর মন্তব্যের জন্যও ।

৪৫. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
অয়ন আরেফিন বলেছেন: শিপন, আপনার গল্পলেখার ধরন নিয়ে অনেক কথা হতে পারে, হয়েছেও দেখলাম, এর হওয়ার মধ্যেও অনেক রাজনীতি অপরাজনীত আছে। সেসব কচালে আমি যোগ দিতে চাই না, কারণ এই ধরনের অভিযোগ শুনে আমিও অভ্যস্ত। এ আলোচনা থাক।

প্রত্যেকের লেখার মধ্যে, লেখার বিষয় ও ভাবে অবধারিতভাবে লেখক চলে আসেন। এই গল্পটির অন্তর্লীনেও সেপ্রকারে লেখক ব্যাপ্ত হয়ে আছেন; বলা বাহুল্য লেখকের এই আত্মবিলীনতা আমার ভাল লাগে। 'হাসানদের স্বপ্নটার অনুভূতিপ্রবণ একটি হৃদয় ছিল' গল্পটাতে বিলীয়মান লেখকের সঙ্গে ক্রমে আমরাও কী সুরমার জলে নেমে ডুবসাঁতার খেলি না? বা স্বপ্ন যখন স্বনির্মিত ফাঁসবাধনের মধ্যে নিজেকে নিয়ে গিয়ে শূন্যতায় ভাসে বা যখন রমিজ রেললাইনে নিজেকে দুভাগ করে দিয়ে আকাশ দেখে তখন আমরাও স্বপ্নর, রমিজের বেদনাবোধে হাসানদের সঙ্গে একাত্ম হই।

ভাল লাগল, শিপন।


(আর শহিদুল জহীর বিষয়ে আমার অনেক কথা বলবার আছে। কিন্তু সত্যি বলতে বই পড়ার লোকই ক্রমে যাচ্ছে, আর শহিদুল জহীরের বই তোঅনেক দূরের ব্যাপার।)
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৯

লেখক বলেছেন:
অয়ন,আপনার এই মূল্যায়ন মুক্তোর মালা হয়ে জমা থাক এখানে ।


শহিদুল জহীর এর মৃত্যুর পর ব্লগের বিভিন্ন লেখাতে তাঁর সম্পর্কে জানতে পারি, আগ্রহ তৈরী হলেও লেখা পড়ার সৌভাগ্য এখনও হয়ে উঠেনি ।

সমালোচকরা কি বললেন, সেটা একদমই ধর্তব্য না আমার কাছে । আমার গল্প আমি লিখি , অন্য কেউ না, সেটাতো আমি জানি ।

আপনার সুচিন্তিত দীর্ঘ সুন্দর মতামতের জন্য কৃতজ্ঞতা ।

৪৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:১৭
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: ছোট বেলা থেকেই আমরা বিভিন্ন রকম স্বপ্ন দেখি, বিভিন্ন রকম স্বপ্নের মধ্য দিয়ে আমরা বেড়ে উঠি; আবার এর মধ্য দিয়েই আমাদের স্বপ্নের ভাঙা-গড়ার খেলা চলে, ভাঙা-গড়ার মদ্য দিয়েই এগিয়ে চলি আমরা, কাটে আমাদের যাপিত জীবন।

এখানে যে-স্বপ্নের কথা বলা হয়েছে, এই অর্থে অত্যন্ত তাৎপর্যময় যে, উড়োজাহাজ আর ল্ঞ্চ এর চালক হওয়ার স্বপ্ন। মানে গতিশীল কোনো কিছুর কর্নধার হওয়া, এতে কোনো এক একটিভিটিসকে বোঝায়। আর স্বপ্নের যে পরিণতি, যে-শ্রেণীর স্বপ্নের কথা বলা হয়েছে, সে-শ্রেণীর স্বপ্ন তো এমনই হয়! এই পরিনতির মাঝে যে হাহাকার তা আমাদের পাঠককে নাড়া দিয়ে যায়।

অনেক ভালো লাগা।
২০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৪৩

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ, সুন্দর গোছানো মন্তব্যের জন্য, হানিফ রাশেদীন ।

আসলে এইসব ব্যক্তিগত স্বপ্নগুলো জড়ো হয়ে হয়ে, সমষ্টির স্বপ্ন হয়, এবং তা বৈশ্বিক স্বপ্নের সঙ্গে সম্পৃক্ত ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪১৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নির্গুণ বলে, গুণীজনকে ভীষণ পছন্দ !

মানুষের ভালোবাসার ক্ষমতায় মুগ্ধ

মানুষের প্রতারণায় হই ঋদ্ধ

মানুষের ঘৃণার উৎসে উৎসুক !
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ