আমার প্রিয় পোস্ট
- আরাশি'র চন্দ্রাবতীঃ পাঠ-প্রতিক্রিয়া - ভাঙ্গন
- ‘মেহেরজান’ ছবির প্রদর্শনী অব্যাহত থাকুক ও সেইসঙ্গে ‘মেহেরজান’ ছবির পরিচালক রুবাইয়াৎ হোসেনকে কিছু বেদনাবিদ্ধ জিজ্ঞাসা : - বাকী বিল্লাহ
- হুইস্কি অন রক্ এবং অনাকাঙ্খিত ফেলানী ব্যবচ্ছেদ । - স্তব্ধতা'
- প্রিয় পনেরটি দেশের গান [লিরিক্স ও ইউটিউব ভিডিও] - কবি রাজ
- বন্ধু নাচো, বন্ধু নাচো, উষ্টা খাইয়া পোইরো না - পারভেজ আলম
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- সে বৃষ্টি হতে চেয়েছিলো! - শফিউল আলম ইমন
- রামানুজন—গণিতের মহত্তম এক শিল্পী - ম্যাভেরিক
- শিল্পের দ্বায়বদ্ধতা, শিল্পীর দ্বায়বদ্ধতা।উৎসর্গ: হাসান মাহবুব। - স্তব্ধতা'
- (কল্পগল্প)----প্রজেক্ট নস্ট্রাডমাস - শান্তির দেবদূত
- সেক্যুলার বিপ্লবে বাংলাদেশ ও ধার্মিক হাতির পিঠে মাতাল আমেরিকা - বাঙ্গাল
- ক্ষুধার্ত থেকো, বোকা থেকো। - ডজ
- চোরের স্রষ্টার পক্ষ থেকে কৈফিয়ত - চোর
- অপরবাস্তব-৪ এবং একজন পাঠক, কিছু কথা... [শেষ পর্ব] - অনুপম হাসান
- ছোটগল্পঃ কাঠকয়লায় আঁকা - মোস্তাফিজ রিপন
- ভালবাসা দিবসে অন্যরকম ভালবাসা। - নরাধম
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < শেষ পর্ব > চিৎকার করে বলতে পারছিনা যে আমি আমার শৈশব হারিয়ে ফেলেছি..... - মনজুরুল হক
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- ছোটগল্পঃ আমাদের এক বন্ধু পাহাড় বিক্রি করতো - মোস্তাফিজ রিপন
- স্মৃতি হন্তারক বৃস্টিতে থ্যাঁতলানো কয়েকজন আর উড়াল সেতু জুড়ে ধাবমান কদম - আকাশচুরি
- বাজেয়াপ্ত নজরুল কাব্যগ্রন্থ এবং তাঁর কারাজীবন এর কথা/আদনান সৈয়দ - স্ট্যানলি কুবরিক
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- অভিশপ্ত এই খুনীদেরও চিনতে হবে ঘৃণাভরে... - অমি রহমান পিয়াল
- আমি অপার হয়ে বসে আছি ----- (লালন ফকির) - বিষাক্ত মানুষ
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- স্বাধীনতার পরিক্রমা - বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - রাগিব
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- পাঁচ বঙ্গসন্তানের কমনওয়েলথ জয় (এক অন্য রকমের বিজয় উদযাপন) - মিরাজ
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- হিন্দু না ওরা মুসলিম। কাজী নজরুলের এ লিখাটি পড়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো। - বিহংগ
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
ছোটগল্প : যুবকের মাতার ঘরে আগুন লেগেছিলো !
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৩
(অন্যরকম এক ভালোবাসাহীনতার গল্প)
এক
কাওছার নামের আধুনিক সংস্করণ কায়সার, এবং অতঃপর শ্রুতি মাধুর্যতা বৃদ্ধি করণ কিম্বা আরো খানিকটা স্মার্ট আকার ধারণ করার 'নিমিত্তে' কায়সার নামটি 'কায়েস'-এ পরিণত হয়ে গেলে, এ নামের সত্ত্বাধিকারী যুবকটি যখন তার ২৪ বছর বয়সে পারিপার্শ্বিক জীবন সম্পর্কে যথেষ্ট পরিপক্কতা অর্জনে সক্ষম হয়, সেই সময়ে জোছনা ধোয়া এক রাতে চাঁদের বুড়ির শত শত শতাব্দির পুরানো কোটরগত চক্ষুতে যুবকের চোখ পড়লে, আচানক এক তথ্য হৃদয়ঙ্গম করতে যুবক সমর্থ হয়,- অনেক বছর আগে, সুবহে সাদেকের মলিন অথচ নির্মল প্রকৃতির অন্ধকার কেটে কেটে শিশু সন্তান বুকে চেপে, ত্রস্ত পায়ে পড়ি-মরি করে জীর্ণ-শীর্ণ দেহের যে নারীটি স্বামীর ঘর ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন, যে নারীটি তার মা, মায়ের সে ঘটনাটি যতোখানি না পলায়ন, তারচে' বেশী ছিল আসলে বাবা কর্তৃক মাকে পরিত্যক্তকরণ এবং বিতারণ !
দুই
সুবহে সাদেকের আবছা আলোর মতো, যুবক কায়েসের আবছা স্মৃতির দুয়ার খুলে চিকচিক সোনারাঙ্গা আলোর স্ফুরণ ঢুকে পড়লে, যুবক তার পাঁচ বছর পাঁচ মাস বয়সে ফিরে যায় । সেখানে একটি বাঁশঝার দেখতে পায়, তাদের বাড়ির দক্ষিণের বাঁশঝার, যেখানে তাকে বুকে চেপে ধরে পালাতে গিয়ে, হোঁচট খেয়ে হুড়মুড় করে ভেঙ্গে পড়েছিলেন মা, পরক্ষণেই একটু একটু করে মা উঠে দাঁড়িয়েছিলেন, পরক্ষণেই মা ছুট লাগিয়েছিলেন, মায়ের পেছন -পেছন পোষা কুকুর বুলু ছুটে এসেছিল, পাহারাদার হয়ে বুলু মাকে সঙ্গ দিয়েছিল, সুপারী বাগানের নৈঃশব্দকে আলগোছে ভেঙ্গে, সারি সারি খেজুর গাছেদের পাশ কাটিয়ে, সাদা সাদা, ঝাঁকে-ঝাঁক বকেদের ঝিলের রাজ্যকে পেছনে ফেলে মা যখন খালের পাড়ে এসে পৌঁছলেন, বুলু কুকুরটি তখন থমকে দাঁড়িয়েছিল ক্ষণিক, তারপরই পানির স্রোত অগ্রাহ্য করে সাহসী বুলু ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, স্রোতের বিপরীতে সাতার কেটে বুলু খাল পাড়ি দিয়েছিল, পারাপারের নৌকা অবর্তমান ছিল, অগভীর জলে কোমর ডুবিয়ে জলের নীচের বালুকা রাশীদের পদস্পর্শের সাক্ষী রেখে মাও খালের এপারে এসেছিলেন যেখানে শিমুল চুড়ায় রক্তের মতো রং আঁকা হয়ে ছিল, যেখানে শিমুল তলে ঝরে পড়েছিল থোকা থোকা অজস্র নিহত শিমুল !
কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে কুয়াশার চাদর ফুঁড়ে নিস্তব্দতার শরীরে হুঁইসেল বাজিয়ে ঝিকঝিক ঝিকঝিক শব্দ সমেত ভোরের ট্রেন এসে থামলে, ভয় পাওয়া চেহারায় মায়ের একটা হাত শক্ত করে ধরে কায়েস । ট্রেনের কামরার এক কোণে জুবুথুবু হয়ে মা ওঠে বসলে, মার চোখের দু'ফোঁটা দুঃখ গড়িয়ে কোলে থাকা কায়েসের কপোল ছুঁয়ো দেয়, কায়েসের অবাক দৃষ্টি মায়ের কান্নার কারণ নির্ণয়ে ব্যর্থ হলে, সে বলে,- মা তুমি কাঁদছো কেন ?
কায়েসের মাথাটা আরো গভীরে করে বুকের সঙ্গে চেপে নিলেও, নিরুত্তর থাকেন মা ! কায়েস বলে, - মা; বাবা তোমাকে মারছে ?
এবার বুকের ভেতরে কি এক হু হু ব্যথার ভারে ডুকরে কেঁদে ওঠেন মা ! কায়েসের দু' গালে হাত ছুঁয়ে ছুঁয়ে আদর আর আদর লেপটে দেন । তখন মৃদু কম্পন তুলে রেলগাড়ির ঝিকঝিক ঝিকঝিক শব্দের সঙ্গীত ক্রমশ বেগবান হয়, তখন মায়ের পোষা বুলু কুকুরটি যান্ত্রিক রেলগাড়ির সঙ্গে দৌড় পাল্লা লাগিয়ে পেছন - পেছন ছুটতে থাকে, ছুটতেই থাকে, তারও আগে, মা যখন কায়েসকে নিয়ে রেলগাড়িতে ওঠে বসলেন, বুলু কুকুরটি জানালা দিয়ে কুঁইকুঁই শব্দ তুলে জানাচ্ছিল বেদনার বোবা প্রকাশ; তখন বাইরের সবুজ বনানী আর ঢেউ খেলানো সবুজ সবুজ ধানক্ষেতগুলোকে দ্রুত পেছনে ছুঁড়ে ফেলে ফেলে রেলগাড়ি এগিয়ে যেতে থাকলে, এক সময় বুলু কুকুরটির অকৃত্রিম ভালোবাসার নিদর্শন রেলগাড়ির ধাতব ইঞ্জিনের কাছে পরাস্ত হয়, তখন বুলু কুকুরটিকে আর দৃষ্টি সীমানায় ছুটে ছুটে আসতে দেখা না গেলে, ধীরে ধীরে মুখ খোলে কায়েস,
-মা ! আমরা কোথায় যাই ?
-তোমার মামাবাড়ি !
- বাবা যাবে না ?
- না !
- আমরা কি বেড়াতে যাচ্ছি, মা ?
- হুঁম !
- মামাবাড়িতে আমরা কতোদিন থাকবো ?
-অনেকদিন !
- তাহলে আমার টুনটুনি পাখিটাকে কে খাবার দেবে, মা ?
এ প্রশ্নের জবাবেও মা চুপচাপ থাকলে, নিরুত্তর থাকলে, টুনটুনি পাখিটার জন্য কায়েসের মনের ভেতর কেমন কেমন করতে থাকে ! পাখিটা রোজ ভোর, বিকেলে কায়েসদের দাওয়াই নেমে আসতো, কায়েস চাল-গম ছিটিয়ে দিলে, টুকটুক করে ছোট্ট ঠোঁটে খাবার খুঁজে খুঁজে খেতো; তা দেখে আনন্দে হাততালি দিতো কায়েস, পিতলের ছোট্ট ঘটিতে পানি ভরে দিলে টুনটুনি পাখি ঠোঁট ডুবাতো ! পানির কথা ভাবতে গিয়ে পুকুর ঘাটে ফুটে থাকা শাপলা ফুল গুলোর সৌন্দর্য চোখে ভেসে ওঠলে কায়েস বলে,
-মা ! মামাদের পুকুরে কি শাপলা ফুল আছে ?
- আছে !
- এত্তোগুলা (হাত দিয়ে দেখিয়ে ) শাপলা ফুল আছে ?
- আছেতো !
- আমাকে তুলতে দিবে ?
- না, ওই পুকুরে অনেক পানিতো !
- তাহলে তুমি আমাকে তুলে দিবে না, মা ?
- আচ্ছা, দিবো !
তিন
কায়েস দেখে, মামাদের শাপলা পুকুরে ভেজা চুলো মায়ের মাথাটা ভেসে ভেসে ওঠে, আবার টুপটুপ ডুবে যায় । ডুব দিয়ে মা শাপলা তুলে আনেন, কোল ভরে শাপলা তুলে আনেন, কি অদ্ভুত দক্ষতায় শাপলার গায়ে শাপলা লতিয়ে মালা গাঁথেন মা , সে মালা কায়েসের গলায় পড়িয়ে দেন !
মামাদের বাড়ি থেকে কায়েস যেদিন ফিরে আসে, মার সঙ্গে মামাদের বাড়িতে যাবার ঠিক এক মাস পর, বাবা যেদিন শেষবারের মতন গিয়ে কায়েসকে ফিরিয়ে আনেন, সেদিন যখন বাবার হাত ধরে শাপলা পুকুর পাড়ে এসে কায়েস দাঁড়িয়েছিল, ঠাঁই দাঁড়িয়েছিল দুই মিনিট, বাবা বলেছিলেন,
-কী দ্যাখো ?
- শাপলা !
- শাপলা আমাদের পুকুরেও আছে !
- বাবা !
- হুঁ !
- মা আমাদের সঙ্গে যায় না কেন ?
- মা যাবেনা !
-যাবেনা কেন, বাবা ?
- সে আলাপ আমরা পরে করি ?
- এখনই বলোনা !
- এখনতো আমরা দরগাহ্-তে যাবো !
- দরগাহতে কি জন্য , বাবা ?
- দরগাহতে আমরা দোয়া করবো !
- দরগাহতে আমরা কি দোয়া করবো, বাবা ?
- তোমার যা মনে আসে, তাই দোয়া করো !
- মার জন্য দোয়া করবো ?
- কোরো !
বলেই মামাদের সদর দরজার পাশে ফকিরের দরগাহতে কায়েসের হাত ধরে বাবা ঢুকে পড়েছিলেন ।
দরগাহ্ থেকে বেরিয়ে বাবা যখন জানতে চায়লেন, - কি দোয়া করলে ?
কায়েস জবাব করেনা, কায়েস তখন ঘাড় কাৎ করে তাদের পেছনের সমবেত মানুষের দলটিকে দেখে, সেখানে মামাদের মুখ, মামীদের মুখ, যেসব মামাতো ভাই-বোনদের সঙ্গে ঘাসফড়িং ধরে কাঁচের বয়ামে জড়ো করে, বাঘ শিকারের আনন্দ পেয়েছে, যাদের আকাশছোঁয়া ঘুড়িগুলো ঘোঁৎতা খেয়ে খেয়ে কাটাকাটি খেলতে খেলতে হঠাৎ সুতো ছিঁড়ে দিগ্বিদিক ছুটতে থাকলে, ঘুড়ির পেছনে ছোটা দলের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হয়ে কায়েসও যাদের সঙ্গে ছুটেছে, সেইসব মামাতো ভাই-বোনেরা কায়েসের প্রস্তানে তখন একেকটি শোকাতুর মূর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, কেবল মার মুখটা কায়েস দেখেনা, আ-র দেখেনা ! কেবল মায়ের অস্পষ্ট আহাজারি তখনও শুনতে পাওয়া যায় !
ঝিকঝিক ঝিকঝিক রেলগাড়ি চলতে শুরু করলে, যখন ফেরীওয়ালা চকোলেট ফেরী করে যায়, তখন বাবা কায়েসকে চকোলেট কিনে দিলে, চকলেটের স্বাদের চে' মামাদের বিশাল উঠোনের প্রান্তে ফোটা ভোরের গন্ধরাজদের সাদা সাদা হাসির কথা ভাবতে কায়েসের অধিক ভালো লাগে, ফেরার আগে গন্ধরাজের এক মুঠো সাদা হাসি ছিঁড়ে মাকে উপাহার দিয়েছিল কায়েস; কায়েসকে বুকে লেপটে নিয়ে চোখের কান্নার সঙ্গে বুকের একটা আর্তনাদই কেবল শুনিয়েছিলেন মা,- বাবারে ! আমারে ভুলিসনারে বাবা....আমারে ভুলিসনা.. !
চার
জোছনা ধোয়া সে রাতে, চাঁদের বুড়ির প্রাচীন চোখের চির নবীন আলোতো দাঁড়িয়ে চিৎকারের মতো করে যুবক,- মা ! তোমাকে ভুলি নাই, মা..! তোমাকে ভুলি নাই.. !
পদটিকা : যুবকের পিতা তিন অক্ষরের নির্দিষ্ট একটা শব্দ তিনবার উচ্চারণ করলে যখন যুবকের মাতার ঘর ভাঙ্গে, এবং এরপর বেশীদিন না গড়াতেই যখন যুবকের পিতা নতুন উদ্যমে নতুন মাকে ঘরে তুলে আনে, এভাবে সময়ের দাবীতে যুবকের মাতাও যখন আরেক নতুন স্বামীর ঘর সাজাতে গেলে, সময়ের বহমানতায় যখন সেখানে তিনি আরেকটি সন্তানের মা হন, নবজাতকের কপালে কালো টিপ পড়িয়ে মা যখন তার নরম গালে নরম নরম আদর খান, ঠিক সেই সময়ে, মায়ের আরেকটি সন্তানের বুকে যখন মায়ের ভালোবাসার অভাবে তীব্র হাহাকার, শূন্যতা, সেই শূন্যতা হাহাকার, কে ভালোবাসায় ভরিয়ে দেয় ?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প, ছোটগল্প, ভালোবাসা, কায়েস, কায়সার, love, valentine ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অল্প স্বল্প গল্প বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা ভালোবাসা দিবসের ।
ধন্যবাদ ।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
গল্পটি আমার ব্লগে প্রকাশীত ।
আমার ব্লগ এর সংকলন
"আমার বই"
মলাটবদ্ধ আমার ব্লগ এ গল্পটি গেছে ।
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
দারুন লেখা শিপন ভাই।++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জায়েদ ভাই ।
হ্যাপী ভ্যালেন্টাইন ![]()
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞ ![]()
শুভেচ্ছা, ভালোবাসা দিবসের ।
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:
ভালোবাসাহীনতার গল্প?
কই? আমি তো ভালোবাসাই পেলাম...
ভালো লাগলো, বদ্দা!
অপরবাস্তব-৪ এর জন্যে অভিনন্দন!
লেখক বলেছেন: রাহী ভাই, কেন যে আপনি নিয়মিত হন না !
আপনার একটা লেখা পেলে কি অপরবাস্তব সমৃদ্ধ হতো না ?
শুভেচ্ছা ।
লেখক বলেছেন:
আপনার এই অনুভূতির প্রকাশই আমার কাছে অমূল্য ।
ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা !
ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও ।
ভালো থাকুন ।
লেখক বলেছেন:
মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ দেখানো একটু ।
শুভেচ্ছা তায়েফ ভাই ।
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:
আরাশি বদ্দা, শরীরের সাথে সাথে আজকাল মনেও মেদ জমছে!
আছেন কেমন? আপনি কি এখন দেশে?
লেখক বলেছেন: না বস । এখনও পরবাসীই । ই-মেইলের মাধ্যমেই সব কাজ করেছি ।
দেশে যাবার আছি মাস কয়েকের মধ্যে ।
আপনি কবে যাবেন ?
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
খারাপ লাগছে
লেখক বলেছেন: ভালোবাসার উষ্ণ শুভেচ্ছা ।
মন খারাপ করা নয় ।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
অনেক ভালো লাগলো এবং খারাপ লাগলো।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ মাহবুব ।
শুভেচ্ছা ।
লেখক বলেছেন: এরকমই হয় । এটাওতো অন্য কারো জীবনের গল্প হয়তো !
ঠিক কি রকম হলে আপনার জীবনের গল্পের সঙ্গে মিলে যেতো , জানতে ইচ্ছে করছে![]()
সুস্থ- সুন্দর থাকুন ।
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
প্রিয়তে ++
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা নাজমুল ।
শুভেচ্ছা, একুশের , ফাগুনের এবং ভালোবাসা দিবসের ।
লেখক বলেছেন:
ক্লান্তি দূর করে একটু ফ্রেশ হয়ে ফ্রেশ মনে পড়ছেন, তাই আপনার অনুভূতিটাও ফ্রেশ।
ধন্যবাদ । শুভেচ্ছা ।
সাইফুল ফারদিন বলেছেন:
প্রিয়তে ++
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা ।
শুভেচ্ছা ভালোবাসা দিবসের ।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
আপাতত প্রিয়তে যুক্ত করে রাখলাম। সময় করে পড়ে বিস্তারিত মন্তব্য করবো। খুব দৌড়ের উপরে আছি কয়েক দিন ধরে।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা, তাই কইরেন ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দিলাম, সাথে ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা ।
আপনাকে ইদানীং দেখাই যায় না, ব্যাপার কি ?
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
নবজাতকের কপালে কালো টিপ পড়িয়ে মা যখন তার নরম গালে নরম নরম আদর খান, ঠিক সেই সময়ে, মায়ের আরেকটি সন্তানের বুকে যখন মায়ের ভালোবাসার অভাবে তীব্র হাহাকার, শূন্যতা, সেই শূন্যতা হাহাকার, কে ভালোবাসায় ভরিয়ে দেয় ?মন খারাপ করে দিলেন।
কষ্টের ভালো লাগা রয়েছে পুরো গল্প জুড়ে। ছোট ছোট করে একটি অথবা কয়েকটি জীবনের গল্প।
পড়ে একটু ইমোশনাল হয়ে গেলাম।
ভালো থাকুক কায়েস ভালো থাকুক তার বৈপিত্রেয় (ভুল হইলো নাকি) নবজাতক ভাই অথবা বোন।
**অফটপিক: আন্দালিবের পোস্টে আপনার জন্য কমেন্ট রেখে এসেছি।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ সীমান্ত ।
শুভেচ্ছা একুশের এবং বসন্তের ।
লেখক বলেছেন:
পদটিকাটাও আসলে গল্পেরই অংশ না-কি ?
আর হ্যাঁ, শুরুতো করাই যায় ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা । ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাঙ্গন ।
শুভেচ্ছা একুশের ফাগুনের ।
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:
অসুস্থতার কারণে অনেকদিন দেশে ছিলাম। ফিরলাম কিছুদিন আগে, ডিসেম্বরে। শীঘ্রি আর যাওয়া হবে না, গেলে সেটা এবছরের শেষের দিকে।গতকাল মান্টোর একটা অণুগল্প পোস্ট করেছি; পড়ুন।
লেখক বলেছেন: রাহী ভাই, আপনি যখন দেশে ছিলেন, প্রায় আপনার ব্লগ ঘুরতাম, আপনার সারা পেতাম না । একদিন এরশাদকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারি, দেশে আছেন ।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
পড়লাম......প্রথম প্যারা পুরাটাই এক লাইন.....দারুন আইডিয়া। লেখাটা পড়ে কেমন যেন খারাপ লাগলো। সাহিত্য যে সমাজেরই প্রতিচ্ছবি এটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি আপনার এই চমৎকার গল্পটা পড়ে। গল্পটা শেষ করে একটু ঈর্ষাও হলো কেমন যেন, আহারে ! এমন লেখা জীবনেও হয়তো লেখতে পারবো না।
অসাধারন শব্দের বুনট, বাক্য গঠন, পরিপার্শিকতার চমৎকার বর্ননা......পরিপূর্ণ ও স্বার্থক ছোট গল্প
লেখক বলেছেন: এতো এতো প্রশংসায় ,--লাল, নীল বেগুনী অবস্থা । বিনয়ের সঙ্গে বলি, লেখালেখির 'ল' ও এখনো শিখতে পারি নাই । শেখার চেষ্টাটা আছে, এই যা ।
ব্লগে খুব ভালো যারা লেখেন , তাদের মধ্যে আপনি একজন । আপনার 'বিবাহনামার' দারুণ ভক্ত আমি । এতো মজা করে লেখার শক্তি আমার নাই ।
ইতোমধ্যে আরো একটি গল্প এসে গেছে, সেটি পড়েও মতামত জানাবেন আশা করছি ।
রক্তিম কৃষ্ণচূড়া বলেছেন:
নবজাতকের কপালে কালো টিপ পড়িয়ে মা যখন তার নরম গালে নরম নরম আদর খান, ঠিক সেই সময়ে, মায়ের আরেকটি সন্তানের বুকে যখন মায়ের ভালোবাসার অভাবে তীব্র হাহাকার, শূন্যতা, সেই শূন্যতা হাহাকার, কে ভালোবাসায় ভরিয়ে দেয় ?- চোখ ভিজে গেল ।
+
লেখক বলেছেন:
যখন কোন কোন লেখকের গুণমুগ্ধ পাঠক হয়ে আমার চোখ ভিজে ওঠে, চোখ মুছে আমারও মনে হয়, --আহা ! যদি আমার লেখাতে এইভাবে পাঠকের হৃদয় আদ্র করে দিতে পারতাম, চোখ ভেজাতে পারতাম, খানিকটা হলেও স্বার্থক মনে হতো আমার একান্ত এই লেখার জগতটাকে !
রক্তিম কৃষ্ণচূড়া, আপনার মতো যারা সরল স্বীকারোক্তি দেয়, তাঁদের জন্য আমার এই সরল স্বীকারোক্তি দিতেও কার্পণ্য নেই, কুন্ঠাতো নেই ই !
ভালো থাকবেন ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















+++++
+++++