যৌনক্ষূধা এক স্বাভাবিক এবং শারীরিক ক্ষূধা, পেটের ক্ষূধার পরেই যার স্থান। এই সত্য অস্বীকার করার উপায় নাই। পেটের ক্ষূধা নিবৃত হওয়ার সাথে সাথে মানুষ (বা যেকোন প্রাণী) যৌনক্ষূধা নিবৃত করার চেষ্টা করে, উতলা বা পাগলপ্রায় হয়ে হন্যে হয়ে তার প্রতিপক্ষকে খুঁজতে থাকে। এই যৌনক্ষূধা স্বামাজিক বা বৈধ উপায়েই নিবৃত হয়ে থাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। দু-একটা ব্যতিক্রম যদি হয়ে থাকে সেই পন্থাকে আমরা অবৈধ বলে থাকি, আর সেই অবৈধ উপায়ে কোন সন্তান জন্ম নিলে তাকে আমরা জারজ বলে থাকি।
জন্ম-মৃত্যুতে মানুষের কোন হাত নেই। একটা শিশু যখন জন্ম নেয় তখন সে কি জানে যে, সে কোথায় জন্ম নিচ্ছে!! সে কি বৈধ নাকি অবৈধ? সে কি ইচ্ছে করলেই তার গর্ভস্থান/জন্মস্থান পরিবর্তন করতে পারে? সে কি জন্মের সময় বুঝতে পারে যে জারজ হিসেবে নাকি বৈধভাবে জন্ম নিচ্ছে? অথবা জারজ হিসেবে জন্ম নিচ্ছে বুঝতে পেরে সে কি জন্মগ্রহণ ক্যান্সেল করে বিল পিতৃ-মাতৃপরিচয়যুক্ত একটা পরিবার থেকে জন্ম নেয়? ভাগ্যের জোরে কেউ পিতৃ-মাতৃপরিচয়যুক্ত পরিবারে, আর ভাগ্যদোষে কেউ জারজ হয়ে জন্ম নেয়।
আপনারা আমাকে একটু বোঝান তো, সদ্য জন্ম নেয়া একটা জারজ সন্তান আর তথাকথিত ভদ্রঘরে (পিতৃ-মাতৃপরিচয়যুক্ত) জন্ম নেয়া সন্তানের মধ্যে কি পার্থক্য থাকতে পারে!!! বেসিক কোন পার্থক্যই নাই। একটা শিশুসন্তান আসলে নিষ্পাপ, হোক সে জারজ অথবা পিতৃ-মাতৃপরিচয়যুক্ত।
কিন্তু দূঃখের বিষয়, বৈধ সন্তানটা নির্ভেজাল/স্বাভাবিকভাবে সমাজে বেড়ে ওঠে। আর জারজ সন্তানটাকে মেরে ফেলা হয়, হয় ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে নাহয় ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে। অথচ ঐ জারজ সন্তানের বাবা-মা স্বর্গীয় সুখে কাম চরিতার্থ করেছে, আনন্দ উপভোগ করেছে।
সম্প্রতি আমাদের হাইকোর্ট রায় দিয়েছে যে, বাংলাদেশের তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবৈধ।
ধন্যবাদ সবাইকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


