বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী বলেছেন, সরকার সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত ১৪ বার সংবিধান সংশোধন করার পর আবার কি প্রয়োজনে তা সংশোধন করা হবে তা স্পষ্ট করে বলা হচ্ছে না। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে কারচুপির মাধ্যমে সরকার আবার ক্ষমতায় আসার জন্যই সংবিধান সংশোধন করতে চাচ্ছে। প্রতিবেদনটি এখান থেকে নেয়া
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আব্দুর রউফ সরকারের সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগের সমালোচনা করে বলেছেন, সরকার সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহ বাদ দেয়ার জন্যই সংবিধান সংশোধনের কথা বলছে কিনা তা দেশের জনগণকে জানাতে হবে।
অপরদিকে সুপ্রীমকোর্টের এডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেছেন, পঞ্চম সংশোধনীর ব্যাপারে আপিল বিভাগের রায় না পাবার আগে সরকার এই বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। তাজুল ইসলাম বলেন, হাইকোর্টের রায় যদি বহাল থাকে তাহলে সংবিধানের তেমন সংশোধনের প্রয়োজন হবে না বলে গতকাল আইনমন্ত্রী বলেছেন। তার এই মন্তব্যের মানে দাঁড়াচ্ছে সরকার মূলত সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও বিসমিল্লাহ বাদ দিতে চাচ্ছে। আর সে জন্য এখন সরকার তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসে এখন বলছে আপিল বিভাগের রায়ের পরই সরকার সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংবিধানে এই পর্যন্ত ১৪ বার সংশোধনী আনা হয়েছে। নতুন করে আবার যদি সংশোধন করতে হয় তাহলে একটি সর্বদলীয় কমিটি গঠন করে আলোচনার মাধ্যমেই সরকারকে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে। তার আগে সরকারকে অবশ্যই পরিষ্কার করতে হবে তারা সংবিধানে কি ধরণের সংশোধন আনতে চায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



