সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির বিভিন্ন অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেছেন, প্রস্তাবিত শিক্ষানীতি বাস্তবায়িত হলে ধর্মহীন ও ভোগবাদী নাগরিক তৈরি হবে।
শিক্ষক কর্মচারি ঐক্যজোটের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির বিরোধীতা করে বলেছেন, প্রস্তাবিত শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন করা হলে দেশের প্রায় তিন লাখ শিক্ষক বেকার হয়ে পড়বেন।
ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, দেশের সকল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা থেকে ধর্মীয় শিক্ষা বাদ দেয়ার জন্যই সরকার এই শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন করতে চাইছে। তিনি বলেন, এই শিক্ষানীতি বাস্তবায়িত হলে সমাজ, রাষ্ট্র ও পরিবারে চরম বিশৃংখলা দেখা দিবে।
প্রস্তাবিত শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক কবির চৌধুরীকে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। বক্তারা বলেন, ধর্মের প্রতি যার কোন আস্থা বা বিশ্বাস নেই এমন একজনকে এই শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান করে সরকার মূলত দেশে ধর্ম শিক্ষাকে বাদ দেয়ার ষড়যন্ত্র করছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

