মাহিন হেমাকে জানিয়েছিল পারিবারিক ঝামেলা শেষ না করে সে বিয়ের ব্যাপারে কারও সাথে কোন কথা বলবে না। আর হেমাকেও এ ব্যাপারে কথা বলতে মানা করছিল। মাহিন যেকোন একটা কাজের জন্য বেশকিছু দিন হেমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেনি। অবশ্য কেন পারেনি কতদিন পারবেনা তা সবই হেমাকে বুঝিয়ে বলেছিল মাহিন। যে কাজটা নিয়ে মাহিন ব্যাস্ত ছিল সেটাতে সফল হতে পারলে একটা আপ ডাউন টিকিট আর এক সপ্তাহের ছুটি পাবে। মাহিন ছুটিতে কি করবে সেটা আগেই ভেবে রেখেছিল। এবং কাজটা যেন সঠিক ভাবে শেষ করতে পারে টার জন্যই হেমার সাথে যোগাযোগ রাখেনি যদিও এই কথাটা বলেনি ওকে। যেটা ছুটর সময় সারপ্রাইজে বুঝিয়ে দেবে।
এয়ারপোর্ট থেকে সোজা বাসায় ফিরে মাকে সালাম করে গাড়ীর চাবী নিয়ে রওনা হলো হেমাদের বাসার দিকে। কি এক অনূভুতি ছুয়ে যাচ্ছিল মাহিন কে। কিন্তু তার অবাক লাগছিল তিন বছর পর তাকে হঠাৎ করে দেখে বাসার কেউ অবাক হলো না। সবাই কেমন যেন উদাস উদাস ছিল। যাক গে ও সব পড়ে ভাবা যাব আগে হেমাকে সারপ্রাইজ করে নেই।
হেমাদের বাসার সামনে অনেক লোকজন। উৎসব উৎসব আমেজ। হয়তো কোন ভাড়াটিয়ার বিয়ে বা কোন অনুষ্ঠান হবে হয়তো। না এটা বিয়ের অনুষ্ঠানই.......... তবে কি ভাইয়ার( হেমার বড় ভাই) বিয়ে হচ্ছে। কি মজা ভাইয়ার বিয়েটা উপভোগ করা যাবে। খোলা দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকে মাহিন সোজা চলে গেল হেমার রুমে......................................। দাড়িয়ে থাকবার মতো কোন শক্তির আর অবশিষ্ট ছিলনা মাহিনের গায়ে। কোন রকমে নিজেকে সামলালো দেয়ালের সাথে গা দিয়ে।
কিছু ক্ষন পর মাহিন হেমাদের বাসা থেকে বের হয়ে আসছে, পেছনে কান্নারত হেমা। মাহিন চলেই যাচ্ছিল.........পেছন ফিরে হেমাকে বলল"""একবারও কি ডাকতে পারলে না"""""।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

