বব সেদিন রক্ত চিনতে পারেননি, কারণ তিনি বর্ণান্ধ ছিলেন। পৃথিবীতে বর্ণান্ধতা বলতে মূলত লাল-সবুজ বর্ণান্ধতাকেই বোঝায়। কি আশ্চর্য তাই না?? এ দুটো রং দিয়েই আমাদের পতাকাটা তৈরি!!
"মাঠের সবুজ থেকে সূর্যের লাল
বাংলাদেশের বুক এতই বিশাল!"
এই বিশাল বাংলার রূপের সুন্দরতম অংশটুকু বর্ণান্ধরা কিরকম দেখে? সেটা আমি জানি না।
সাদা-কালো, নীল বা হলুদ, যে রঙেই দেখুক না কেন, আমাদের বাংলা মা তাতে রাগ করবে না।
এই যে রোজ আমরা মায়ের সম্মান মাড়িয়ে দলিত করে হেঁটে যাচ্ছি, মা কি রাগ করেছে?? কক্খোনো না!
তাহলে, বর্ণান্ধদের প্রতি মা কেন রাগ করবে?
একজন বর্ণান্ধও এদেশের নাগরিক, সেও দেশকে ভালবাসে...... এদেশের পতাকা রক্ষার দায়িত্বও তার।
আমাদের বাংলা মা তার বুকের মাংশ খাওয়ার অপরাধে অপরাধী কুকুরদের
মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াতে দেওয়া আমাদের মত নীচ, অন্ধকে সহ্য করে চলেছেন.... আর শুধু সৃষ্টিকর্তা যাদেরকে পতাকার রং সঠিকভাবে দেখতে পাওয়ার ক্ষমতা দেননি তাকে কিছু বলবেন কেন??
**এলোমেলো কথা, এলোমেলো পোস্ট। আমি এভাবে লিখতে চাইনি। ক্ষমা প্রার্থী। হয়নি কিছুই।
*ছবি কৃতজ্ঞতা উইকি কমন্স Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

