ঢাকা শেয়ার বাজারের এখন স্বর্ন যুগ চলছে। অতীতের যে কোনো সময়ের চাইতে এখন লেনদেন অনেক বেশী। গত রবিবার বাজার পড়েগেলেও সোমবার ঘুরে দাড়িয়েছে। ৯৬ সালের মতন দুর্ঘটনা হওয়ার কোনোই সম্ভাবনা নাই। গত দুই বছর ধরে যারা বুঝে শুনে ব্যাবসা করতে পেরেছে তারা অনেকেই মিলিওনিয়ার বা কোটিপতি হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে আমাদের শেয়ার বাজার অনেক বেশী পরিনত। তবে যারা না বুঝে ব্যাবসা করতে আসবে তারা ফাদে পরে যাবে। আসলে বুঝে ব্যাবসা করলে এই খানে লসের কোনো সম্ভাবনাই নাই। তবে এখন দারুন সময় যাচ্ছে ব্যাংকিং সেক্টরের, রাইট আর স্পলিটের কারনে অনেক ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেশ ভালো বেড়েছে। তবে এই সোনালী সময় কতো দিন থাকবে সেটা নিয়েও সংশয় আছে।
শেয়ার বাজারের যতো শেয়ার আছে তার মধ্যে আমার সব চাইতে প্রিয় হচ্ছে এবি ব্যাংক। এই টাকে আমি বাজারের সেরা কোয়ালিটি মনে করি। এই শেয়ার নিয়ে আমার অনেক নস্টালজিক কাহিনী আছে, হারানো সোনালী স্মৃতির কথা মনে পড়ে যায়। অনেক অনেক আর্থিক সংকটের সময়েও এবি ব্যাংকের শেয়ার বিক্রয় আর বোনাস আমাকে তরী পাড় করিয়ে দিয়েছে। অনেক পারিবারিক, সামাজিক আর্থিক বিপদে উদ্ধার পেয়েছি এবি ব্যাংকের শেয়ারের জন্য। সেই সব আনন্দ-বেদনার আর রোমাঞ্চকর কাহিনী নিয়ে পরে পোস্ট দিবো। আমি এই শেয়ার টিকে অনেক ভালোবাসি, এই শেয়ার টাকে আমি সব সময় আমার পোর্টফোলিওতে রাখি। কারন এই শেয়ার আমার ভাগ্য রেখা। শুধু আমার নয়, অনেক হাজার হাজার বিনিয়োগ কারির ভাগ্য রেখা এই এবি ব্যাংকের শেয়ার। এই শেয়ারের উপরে যে আস্থা রেখে বিনিয়োগ করেছে, সেই উন্নতির মহীসোপানে উঠে গেছে। আর কাওকেই পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
যাই হোক গতকালকে বিক্রয় করেছি ঢাকা ব্যাংকের শেয়ার। আমার ৫৬ টাকা করে কিনা ছিলো, ৬৮ টাকায় বিক্রয় করেছি। লাভ প্রায় ৪ লাখ টাকা। তবে আমার মনে হচ্ছে ভুল করেছি। কারন ঢাকা ব্যাংক রাইট শেয়ার দিবে বলে শোনা যাচ্ছে। যদি রাইট দেয় তাহলে আবারও কিনবো।
যা হোক আপনারা সবাই ভালো থাকেন। যারা শেয়ার ব্যাবসায় আছেন তারা নিরাপদে বিনিয়োগ করেন। শুভ রাত্রি সবাই কে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



