কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না নারীটিজিং! ক্রমেই তা বাড়ছে। শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমানের এ বাংলাদেশে এ নারীটিজিং কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। কিন্তু কেন এই নারীটিজিং? যাকে কেন্দ্র করে নাটোরে শিক্ষক হত্যা, ফরিদপুরে মা হত্যার পরও প্রাণ দিতে হলো স্কুল ছাত্রীর। সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নিঝুরী আত্মহত্যা করলো।
উপরোক্ত কয়েকটি ঘটনা পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও শত শত নারীটিজিংয়ের ঘটনা যে এ দেশে ঘটতেছে তা বলার অপেক্ষাই রাখে না।
গত ৩১ অক্টোবর/২০১০ ঈসায়ী, রোববার, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমানের এ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, ‘খুন ধর্ষণ নারীটিজিং দমনে তৎপর হোন।’
কিন্তু প্রধানমন্ত্রী! আপনার নিকট প্রশ্ন? কিভাবে তৎপর হতে হবে বাংলাদেশের মানুষকে। নারীটিজিংয়ের মূল কারণটি হলো যে বেপর্দা হওয়া। আর আপনার সরকার ‘বোরকা তথা পর্দা করতে বাধ্য করা যাবে না’- এ আইন পাস করেছে। পাশাপাশি আপনি বলেন নারীটিজিং দমনে তৎপর হতে। কাজেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান- শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমানের এ বাংলাদেশ থেকে নারীটিজিং নির্মূল করতে হলে অবশ্যই ‘বোরকা তথা পর্দা করতে বাধ্য করা যাবে না’-এ কুরআন শরীফ-সুন্নাহ শরীফ বিরোধী আইনটি নিষিদ্ধ করে ‘বোরকা তথা পর্দা পালন ফরয’- এ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফসম্মত আইনটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



