২৬ মার্চ জাতীয় স্বাধীনতা দিবস। এর আগে ২৫ শে মার্চ রাতে তারা পাকিস্তানি হানাদারদের নিয়ে সারা দেশব্যপী হত্যা লুন্ঠন, ব্যভিচারের উৎসব শুরু করেছে। স্বাধীনতাকে স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছিল। জালিম পাকিদের পক্ষাবলম্বন করেছিলো। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো। পাকিদের সাহায্য করে, পাকিদের পথ ধরে এদেশের মা-বোনদের সম্ভ্রম লুণ্ঠন করেছিলো। সম্পদ লুটেপুটে খেয়েছিলো। কিন্তু এসব মহা অনৈসলামী কাজই তারা করেছিলো ইসলামের নামে। নাঊযুবিল্লাহ!
অথচ স্বাধীনতার ৪০ বৎসর পর তারা এখন স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। তারা বিজয় দিবস উপলক্ষে রাজপথে শোভাযাত্রা বের করে। মিছিল বের করে। ব্লাড গ্রুপ ক্যাম্পেইন করে। কত বড় মুনাফেকী। শুধু তাই নয় সামহোয়ারইন ব্লগের ষ্টিকি পোষ্ট নিয়েও রাজনৈতীক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে । এরা বলছে --- রাজাকাররা নাকি ১৯৭১ এ এদেশের জনগনকে পাকিদের হাত হতে রক্ষা করেছে। ওরা নাকি মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পাকিস্তানী হানাদারদের অবস্থান ফাঁস করে দেয়া, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দান, খাবারদানের কাজ করেছে মিথ্যা/বানোয়াট কথা বলারও একটা সীমা আছে ।
বলাবাহুল্য, এসব যুদ্ধাপরাধীরা আজো ধর্মব্যবসা করে যাচ্ছে ইসলামের নামে। এমনকি তারা ইসলামের নামে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে বিষোদগারও করে যাচ্ছে। দীর্ঘ চল্লিশ বছর পর বিচার কেনো? এটাও তাদের খোঁড়াযুক্তি।
অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই লক্ষ লক্ষ বছর পর বান্দার বিচার করবেন, যা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এ বিবৃত হয়েছে। তাদের কথা অনুযায়ী সে কিয়ামতের বিচারই কী তাহলে সবচেয়ে বড় অন্যায় হবে না। নাঊযুবিল্লাহ!
মূলত এসব ধর্মব্যবসায়ীরা শুধু ধর্মের নামে অপকর্মকারীই নয়, বরং ধর্ম সম্পর্কে মহা অজ্ঞও বটে। অজ্ঞ বলেই এরা উপলব্ধি করতে অক্ষম যে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা শুধু জায়িযই নয়, বরং কুরআন শরীফ-সুন্নাহ শরীফ-এর দৃষ্টিতে ফরয-ওয়াজিব।
কাজেই বর্তমান সরকারের উচিত অবিলম্বে সব যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেফতার করা। যুদ্ধাপরাধীদের পালের গোদা গো’আযমকে গ্রেফতার করা, অতি শীঘ্রই বিচার কাজ শুরু করা।
বর্তমান সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজে যে অনাকাঙ্খিত বিলম্ব করছে তা শুধু অযৌক্তিকই নয়, বরং খুবই অশুভ। কাজেই এসব অশুভ ও আত্মঘাতী প্রবণতা ও তৎপরতা থেকে সরকার যতো তাড়াতাড়ি সরে আসবে ততই দেশ ও জনগণের জন্য কল্যাণ।
সবুজ বাংলা ব্লগেও প্রকাশিত

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




