হজ্ব কেবলমাত্র ধনীদের জন্য ফরজ হলেও বহু মানুষ জীবনের শেষ সম্বল বিক্রি করে হজ্ব করতে যান। এবার মধ্যবিত্তরাও এই সুযোগ আবার পেতে পারেন। অনেকে চাকরি জীবন শেষে পেনসনের টাকা দিয়ে হজ্ব করে আসেন। অপরদিকে মক্কা এবং মদিনা শরীফে ব্যয় বেড়ে গেছে। বর্তমানে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার নিচে হজ্ব করা যায় না। এ অর্থ যোগাড় করতে না পেরে অনেকে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও হজ্বব্রত পালনে যেতে পারেন না।
হজ্ব যাত্রীদের অর্থের বেশীরভাগের অর্থ ব্যয় হয় বিমান ভাড়া বাবদ। জানা গেছে, এ বছর থেকে পানিপথে হজ্বে যাওয়া যাবে। ভাড়া করা দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ দিয়ে হজ্বযাত্রী পরিবহন করা হবে। একটি জাহাজে প্রতি ট্রিপে তিন হাজার হজ্বযাত্রী পরিবহন করতে পারবে। হজ্বের সময় একটি জাহাজ তিন ট্রিপ করে যাত্রী নিয়ে যাবে। অর্থাৎ দুটি জাহাজের মাধ্যমে ছয় ট্রিপে আঠার হাজার হজ্বযাত্রী হজ্বে যেতে পারবেন। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে জেদ্দা পৌঁছতে সাতদিন সময় লাগবে। ফিরতি পথেও হাজিদের উক্ত দুটি জাহাজের মাধ্যমে দেশে পৌঁছে দেয়া হবে।
ভাড়া: ভাড়া ৮৫০ ডলার থেকে ১০০০ ডলার চাওয়া হয়েছে। এ নিয়ে আরো দর কষাকষি চলছে। ভাড়া আরো কমবে বলেও আশা আছে।
উল্লেখ্য, আগে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে জাহাজযোগে হজ্বযাত্রী প্রেরণ করা হতো। আশির দশকের মাঝামাঝি জাহাজে হজ্বযাত্রী প্রেরণ বন্ধ করে দেয়া হয়। আগে জাহাজে হজ্বে যেতে বেশ কয়েক মাস লাগলেও বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে সাগরপথে জেদ্দা যেতে এক সপ্তাহ সময় লাগে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


