somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রোদচশমায় সেনসেশন

১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রোদ চশমা বা সানগ্লাস শুধু ফ্যাশন সচেতন মানুষের জন্য নয়, প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজ হিসেবেও সমাদৃত। সময়ের ধারাবাহিকতায় পোশাকের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে সানগ্লাসেরও ফ্যাশন। সেই ষাটের দশকের মুখ ঢাকা সানগ্লাস এখন আবার বাজারে। বর্তমান প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা পোশাকের সাথে মিলিয়ে কয়েকটি সানগ্লাস সাথে রাখে। মডেল নিরব জানান, আমাদের সারাক্ষণই রোদে থাকতে হয়। শ্যুটিং, আড্ডা, কাজ সব সময়ই রোদে-ধুলোয় দৌড়াদৌড়ি। তাই সানগ্লাসটা লাগেই। চোখ দুটো তো আরাম পায়ই, সেই সাথে আমার ফ্যাশনটাও থাকল।’
সানগ্লাস চোখকে রোদের অতি বেগুনী রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা যেমনি দেয় তেমনি চোখের চারপাশের কোমল ত্বককেও রক্ষা করে বলে জানান বিউটিশিয়ানরা। আর তাই চোখের চারপাশে কালি পড়া বা বলিরেখার প্রথম সমাধান হিসেবে তারা বলে থাকেন সানগ্লাসের কথা। আর বিভিন্ন সমস্যা যেমন মাইগ্রেন, ধুলোয় এলার্জি বা পানি পড়া ইত্যাদির সমাধান হিসেবে চিকিৎসকগণ পরামর্শ দিয়ে থাকেন সানগ্লাস ব্যবহারের। শুধু তাই নয় চোখে কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহারকারীদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই সানগ্লাস। এলিফ্যান্ট রোডের বিক্রেতা জসিম জানালেন সানগ্লাসের ক্রেতা হিসেবে মূলত তরুণরাই বেশি আসে। এছাড়া লেন্স ব্যবহারকারি ও শিক্ষার্থীদের কাছে সানগ্লাস জনপ্রিয়। অনেকে আবার আসেন নিজের গ্লাসটিকে ফটোসান করিয়ে নেবার জন্য। সেই দোকানেই কলেজ পড়-য়া ক্রেতারা জানালো সানগ্লাসের মধ্যে গুচি তাদের প্রিয়। আর একটা-দুটাই কেনা হয়, তাই কেনার সময় ব্রান্ডেডগুলোই কিনি। তাতে নির্দিষ্ট মানটি অন্তত বজায় থাকে।’
অজানা কথা
সানগ্লাসেরও একটা অজানা ইতিহাস রয়েছে যা অনেকেরই অজানা। মজার ব্যাপার হলো এই যে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই সানগ্লাস নিয়ে এতো মাতামাতি চলছে তা কিন্তু প্রায় সাতশ বছরের ধৈর্যের ফসল। কঠিন রোদে চোখের ওপর একটা সানগ্লাস থাকলে যে ক্লান্তি দূর হয় সেই সানগ্লাসটির আবিষ্কারক হিসেবে সবাই ইতালির সন্যাসি সারভিনোকে চিনরেও প্রকৃত তথ্য আলাদা। ইতিহাস ঘেটে জানা যায়, ১২০০ শতাব্দির মাঝামাঝি সময় ফ্রান্সের এক সন্যাসি রজার বেকন বয়স্ক মানুষের যাতে চোখে দেখতে অসুবিধা না হয় তার জন্য কাঠের একটা ফ্রেমের দুদিকে উত্তল কাচের লেন্স বসিয়ে চশমা বানিয়ে দেন। এভাবেই চশমার জনপ্রিয়তা রোম অবধি ছড়িয়ে পড়ে। আর এ জনপ্রিয়তা দেখে সালভিনোক বেকনের ফ্রেমের আধুনিকায়ন করেন। এভাবেই জনপ্রিয়তা পেতে থাকে রোদ চশমা তথা সানগ্লাস।

দরদামঃ

চশমার বাজারে অনেকেই বিক্রেতাদের বেশি দাম হাকার প্রবণতার কারণে যেতে ভয় পান। তবে দরদাম করে কেনাটাই শ্রেয়। উলেøখযোগ্য জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলো স্টিং (মূল্য আঠারশ থেকে আড়াইহাজার), বার্সেস (২ হাজার থেকে ৩ হাজার), গুচি (১ হাজার থেকে ৬ হাজার), কেন্ডি লুজা (আড়াই থেকে সাড়ে ৩ হাজার), সিকে (৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা), জর্জ আরমানি (৫ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা), রেবন (আড়াই থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা)। এছাড়া বিভিন্ন দোকানে সস্তা দরে চাইনিজ ও দেশি সানগ্লাস আবানি পাবেন। ঢাকা শহরে বিভিন্ন মার্কেট ছাড়াও ফুটপাতে কমের মধ্যে (৭-২৫০ টাকা) সানগ্লাস পাবেন।
সানগ্লাস কেনার সময় অবশ্যই তা মানসম্মত কি-না দেখে কেনা উচিত। এছাড়া যেসব বিষয় লক্ষণীয় তার মধ্যে চলতি ফ্যাশন, মুখের গড়ন, পোশাক ইত্যাদি উলেøখযোগ্য। বর্তমানে বড় গ্লাসের চল থাকলেও সেটা যেন চেহারা ও পোশাকের সাথে মানানসই হয় তা লক্ষ্য রাখতে হবে। শো-বিজে অনেকে সানগ্লাসে নিজস্ব ফ্যাশনধারা তৈরি করেছেন। সানগ্লাসটি যেমনই হোক না কেন তা যেন আপনার রুচির সঠিক ও সুন্দর প্রতিফলন ঘটায়।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:১৭
৫টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×