ভোটার আইডি'র ডাটা এন্ট্রি অনেক সহজেই করা যায়! খরচ প্রায় শূন্য!!
৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১:৪৫
আমার লেখার শিরোনাম দেখে অবাক হবেন না। আমি বাস্তব একটা সত্যের কথা বলেছি। এখন আমি ব্যখ্যা করব কেমন করে এটি সম্ভব:
-আমাদের দেশের প্রত্যেক ইউনিয়নে গড়ে ৫টা করে হাই স্কুল আছে। প্রায় প্রত্যেকটি হাইস্কুলে কম্পিউটারও আছে। এবং কম্পিউটার বিষয়ক একজন শিক্ষকও আছেন। আমরা যদি একটা স্ট্যান্ডার্ড ডাটাবেজ ডিজাইন করে ইউআই সহ প্রত্যেক স্কুলে দিয়ে দেই তাহলে খুব কম সময়ে স্কুলের শিক্ষার্থীদের সহায়তায় এই কাজ শেষ করা সম্ভব। এজন্য ইনিশিয়েটিভ হিসেবে অনেক কিছুই করা যেতে পারে।
-ভোটারদের ছবি সংগ্রহের জন্যও আমরা স্কুল/কলেজের ছাত্র/ছাত্রীদের ব্যবহার করতে পারি। অবশ্য এজন্য মোটামুটি মানের একটি ডিজিটাল ক্যামেরা দরকার হবে। যা খুব সহজেই স্কুল/কলেজ উন্নয়ন ফান্ড থেকে নেয়া সম্ভব। আশার আলো হচ্ছে বর্তমানে ডিজিটাল ক্যামেরার দাম অনেক কম।
-এভাবে ইউনিয়ন/ওয়ার্ড ভিত্তিক ডাটা এন্ট্রির পর সেগুলোকে থানা পর্যায়ে ভেরিফিকেশনের জন্য নেয়া হবে। সেখান থেকে ডেটাগুলোকে জেলায় পাঠানো হবে। জেলার দায়িত্ব হবে সেগুলোর আইডি ছাপানো। সরকার জেলা ভিত্তিক আইডি কার্ড (প্লাস্টিক আইডি) ছাপানোর মেশিন দিতে পারবে (খুব বেশি দাম নয়)। এই প্রক্রিয়া সবচেয়ে লাভবান হবে শিক্ষার্থীরা। পুরো প্রক্রিয়াকে যদি একটি প্রজেক্ট হিসেবে দেয়া যায় (ধরা যাক ৫০ মার্কস এর) সবাই আগ্রহ নিয়ে তা করবে। এতে কম্পিউটারের বাস্তব ব্যবহার সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা তৈরি হবে। (আমি আর বেশী কিছু লিখতে পারছি না। পুরো বিষয়টা নিয়ে ভেবেছি অনেকদিন থেকে। কিন্তু অফিসে বসে আর বেশী কিছু লেখা সম্ভব নয়। কাজ আছে।)
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ভাবনা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:৫৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নাহিদ বলেছেন:
এই আইডিয়াকে তপন চৌধুরী আর মিডিয়াতে পাঠিয়ে দেন কেউ
অতিথি বলেছেন:
নতুন আইডিয়া বেরিয়ে আসছে দেখে খুব ভাল লাগছে। কিন্তু স্কুলের ছেলেরা ডাটা এন্ট্রিতে ভুল করলে তার দায়িত্ব কে নেবে? পুরো ব্যাপারটাই খুব গুরুত্বপূর্ণ।
অতিথি বলেছেন:
হু......ম..ম...............good idea.
নাহিদ বলেছেন:
স্কুলের ছেলেরা ভুল করতে পারে সামান্য তা কিন্তু শিক্ষকরা রিভিউ করলে ধরা পড়বে তাই নয় কি? যদি সংশোধন করার ক্ষমতা না থাকে এই এন্টি টা পয়েন্ট করা যেতে পারে। পরে তা সংশোধন করা যেতে পারে।
অতিথি বলেছেন:
নাহিদ তারমানে শিক্ষকদের একটা দায়িত্ব দেয়া হবে আর তাহলেই আর্থিক ব্যাপার স্যাপার চলে আসে। তারপরেও আইডিয়াটা বেশ ভাল।
বকলম বলেছেন:
তাদের সাথে শিক্ষক থাকতে পারে। বা শিক্ষকদের সাথে ছাত্ররা হেলপ করতে পারে।
বকলম বলেছেন:
5 থেকে 20 টাকা পর্যন্ত ফি নেয়া যেতে পারে। যারা গরীব বলে দিতে পারবেনা তাদের ফ্রিতে দেয়া হবে তবে কার্ডে তা উল্লেখ থাকবে। ফির বীপরিতে রশিদ দেয়া হবে।
যে নিজেকে গরীব দেখিয়ে ফি দিবেনা সে তার কার্ড বিভিন্ন রাষ্ট্রিয় ও সামাজিক কাজে দেখানো সময় লজ্জিত হতে হবে।
নাহিদ বলেছেন:
তাও ঠিক কিন্তু সবাইকে সহযোগীতার হাত বাড়াতে হবে (কিছু একটা পেতে গেলে কিছু একটা ছাড়তে হবে).
মুর্শেদ ভাইয়ের কথাও সত্য। বিষয়টা যেহেতো গুরুত্ব পূর্ন সেহেতো ছাত্ররা করলে তা যাচায় করার জন্য লোক থাকা দরকার।
নাহিদ বলেছেন:
যারা গরিব তাদের টাকাটা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জামানাত থেকে নেওয়া যেতে পারে বা পুরোটাই রাজনৈতিক দলের টাকা থেকে নেওয়া দরকার আমি মনে করি। সারা বছর তো আমাদের শুষে খায়
বকলম বলেছেন:
আমর বিশ্বাস আমাদের নাগরিকরা যথেষ্ঠ সচেতন এই ব্যাপারে। আমাদের দেশপ্রেম অন্য অনেক দেশের তুলনায় ই বেশি বলে আমার ধারনা। তবে পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক শিক্ষা ও অর্থনৈতিক অভাবের কারনে আমদের মধ্যে কিছু ব্যাড প্রাকটিস লক্ষ্য করা যায়। (যেখানে সেখানে ময়লা, কফ, থুতু ফেলা, ইত্যাদি ইত্যাদি)
অতিথি বলেছেন:
সবাই অনেক কিছু বলছেন। কিন্তু কেউ বলছেন না একটা standard database আসবে কোথা থেকে। Database design কি এতই সহজ? আমাদের দেশে যেখানে computer এর তেমন প্রচলন হয়নি (আমি গ্রামের কথা বলছি) সেখানে computer জানা লোক যে কিনা একটা database software চালাতে পারবে, এটা কতটুকু আশা করা যায়?I'm not very sure about this proposal.
বকলম বলেছেন:
আমার মনে হয় না database design অতটা সহজ না হলেও অসম্ভব কোন কাজ না। তবে দেখতে হবে তা যাতে যথা সম্ভব বাগস ফ্রি হয়। প্রথম বারেই সব একদম র্নিভুল, 100% সঠিক হবে এটা আশা করাটাই বোকামী। এটা কোন দেশেই কোন কালেই সমভব নয়। ভুল থাকবেই, কিন্তু তার পরিমান যাতে খুব কম হয় আর তা সংশোধনের ব্যবস্থা যাতে রাখা হয়, তাই খেয়াল রাখতে হবে।গ্রামে computer আছে কি নাই সেটা জরুরি বিষয় নয়। কারন যেখানে Laptop বা PC নেয়া সমভব না সেখানে ডাটা কাগজে সংগ্রহ করে নিকটবতী ডাটা এন্ট্রি সেন্টার এ এণ্ট্রি করতে হবে।
আমাদের Remote এলাকায় কাজ করা NGO গুলো থেকে এই ব্যাপারে প্রশাসন সহযোগীতা নিয়ে পারেন।
এখানে সম্বনয় টা খুব জরুরী।
অতিথি বলেছেন:
নির্ঝর ভাই ঠিক বলেছেন ........ একটা স্ট্যান্ডার্ড ডাটাবেজ আর তথ্য ইনসার্ট , সম্পাদনের জন্য কমন গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস দিয়েই সম্ভব ।
শুধুমাত্র সদিচ্ছা আর ডেডিকেশন থাকলেই যে পুরো জিনিসটা করা সম্ভব ......তা অলরেডি করে দেখিয়েছে সুজন ( http://www.shujan.org ) নামক একটি সংস্থা । তারা 2000 সালের ভোটার তালিকার ডেটাবেজ তৈরি করে অনলাইনে দিয়েছে ..... ( http://www.votebd.org/voterlist/) .......
So it is not so difficult to implement ......
তারউপর বার বার টাকা খরচ করার চেয়ে একটা স্ট্যান্ডার্ড ডেটাবেজ থাকা এবং তা থেকে সংযোজন বিয়োজন এর জিইউআই থাকা বেশী জরুরী ।
অতিথি বলেছেন:
সেটাই তো সমস্যা। এতো ডেডিকেসন কই?কে আছে যে নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়াবে। টাকা ছাড়া কে কে আছেন যারা আঙুল নাড়াবেন???
নুর3ডিইডি বলেছেন:
লুৎফর রহমান ভাই বলেছেন প্রতিটি ইউণিয়নে গড়ে 5টা করে হাই স্কুল আছে। আমার কিন্তু সন্দেহ হচ্ছে। এবং অনেক স্কুলেই যে কম্পিউটার নেই তাতে কোন সন্দেহ নেই। শুধু শহরের কথা ভাবলে হবেনা , গ্রামের কথাও ভাবতে হবে। স্থায়ি সামাধান হচ্ছে পিজ্ঞার পিন্ট সহকারে আধুনিক জাতীয় আইডিকার্ড। ভোটার আইডি এবং জাতীয় আইডি দুইটি আলাদা করার দরকার নেই।জাতীয় আইডিকেই সব কাজে বেবহার করা যেতে পারে। এইটা যত সময়ই লাগুক এখনই করা উচিৎ।
অতিথি বলেছেন:
আইডিয়াটা খুব ভালো তাবে,দেশে সব স্কুলে কম্পিউটার আছে এই উদ্ভট তথ্যটা কোথায় পেয়েছেন জাস্ট জানতে আগ্রহ হচ্ছে।আচ্ছা,আপনি কি কোনদিন গ্রামে গেছেন ?
অতিথি বলেছেন:
টাকা ? এই পর্যন্ত তিনবার হালনাগাদ করতে গিয়ে এই একবছরেই কি কম টাকা গেছে । বারবার টাকা খরচ করার চেয়ে ..... এখনি একটা সিস্টেমে আসা উচিত যেনো এইটা মেইনটেইন করা সহজ হয় । We need a robust system. without spending much money a effective system is possible to build.
অতিথি বলেছেন:
ডেটা এন্ট্রিতে স্কুল না ইউনিভার্সিটি-কলেজের পোলাপানই নেওয়া হইলো আগের মতো । পরিমানে একটু বেশী কইরা যাতে চাপ কম পড়ে । তাইলে ফাকি মারার প্রবণতাও কমবো । প্রত্যেকটা গ্রুপরে একটা কইরা ল্যাবটপ বা অন্তত একটা ক্যাম্পে একটা কইরা পিসি দেওয়া অসম্ভব না বইলাই মনে হয় । তবে এইখানেও গোড়ার সমস্যাটা থাকেই । ডেটা এন্ট্রিতে অনেক কামেল লোকেও ভুল করতে পারে ।
বকলম বলেছেন:
দেশের জন্য কিছু করাকে "ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো যারা মনে করেন" তাদের দিয়ে কোন দিনই দেশের কোন কাজ হবে না।আর টাকা ছাড়া আঙুল নাড়তেও হবে না। একদিন ছুটি ঘোষণা করা যেতে পারে । ঐ দিনের জন্য শিক্ষকরাতো ঠিকই বেতন পাবেন শুধু কাজটা ক্লাস রুম এ না করে মাঠে গিয়ে করতে হবে।
গ্রামে মসজিদের একজন ইমামকে/হাফেজ কে যেমন গ্রামবাসি পালা করে খাওয়ায়। আমাদের জনগন এই কাজটার জন্য শিক্ষকদের তেমনি আপ্যায়ন করতে পারেন।
আমাদের দেশের লোকদের আথিতিয়তার জন্য সুনাম আছে বলেই তো জানি।
সেই সামাজিক মূল্যবোধ টাকে ব্যবহার করা উচিৎ।
মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা যে বাড়িতেই আশ্রয় নিয়েছিল বাড়ির মা, বোনেরা তাদের যতটুকু পেরেছে সাধ্যমত আপ্যায়ন করেছে।
আর এটাও তো একটা জাতিয় কাজ। দেশকে এগিয়ে নিয়ার কাজ। আমারা তো একটা পারস্পরিক সহযোগীতার মাধ্যমে একটা উৎসব মুখর পরিবেশে এই কাজটা সম্পন্ন করতে পারি।
আমাদের সাধারণ দেশপ্রেমী জনগন, সমাজসেবী, রেড ক্রিসেন্ট, বিএনসিসি, গার্লস গাইড এরা সবাই ভলেন্টিয়ার হিসেবে নাম লেখাতে পারে, এ কাজে সহযোগীতা করতে পারে।
কথা হচ্ছে... সদিচ্ছা থাকতে হবে, নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পরিত্যাগ করতে হবে।
আমাদের জোয়ান ছেলেরা যা বুড়োদের মতো কথা বলে তাহলে কেমনে!!!
তাই রবি গুরুর ভাষায় কই...
"ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচা
পুচ্ছটি তোর উচ্ছে তুলে নাঁচা।
"জাগো বাঙালী জাগো"
বকলম বলেছেন:
অনেক অনেক ভুল লেখায়.... ক্ষমা করবেন।
অতিথি বলেছেন:
@সুমন চৌধুরী ঠিক বলেছেন ...... ডাটা এন্ট্রি ইজ অ্যা বিগ চ্যালেঞ্জ ...... পযর্াপ্ত কাজ জানা লোক ইউনিয়ন/থানা পযর্ায়ে পাওয়া কঠিন আর সেন্ট্রালী করতে গেলে সময় বেশী লাগবে ।
অতিথি বলেছেন:
বকলম ভাইয়ের মতো লোকই তো আমাদের দরকার। আপনার এই স্পিরিট ভাল লাগলো। কিন্তু সত্যি কথা হলো কাজের সময় কোন লোক পাবেন না যে কিনা নিঃস্বার্থ হয়ে কাজ করবে। আমাদের দেশে অনেক কথা অনেকজন বলতে পারে কিন্তু একজনের কথা কেউ শোনে না.... আফসোস।
অতিথি বলেছেন:
আপনাদের মন্তব্য পড়লাম। ভালো বলেছেন সবাই। আমি গ্রামে গিয়েছি কিনা!! এটা শুনে মজা পেলাম। আমার ১৯বছর বয়স পর্যন্ত কাটিয়েছি গ্রামে। তাও কোন আধুনিক গ্রাম নয়; কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানার রায়গঞ্জ ইউনিয়নে। আমার জানামতে কুড়িগ্রাম বাংলাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র জেলা। আর আমাদের এলাকাটা একেবারেই অজপাড়াগাঁ। যেহেতু আপনারা বেশ আগ্রহী তাই বলছি:২০০২ সালে আমি এবং আনিসুল হক (বিশিষ্ট লেখক, প্রথম আলোর ডেপুটি এডিটর) গিয়েছিলাম কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদীর কিছু চরে। সেখানে আমাদের অভিজ্ঞতা ছিল বেদনাবিধুর। আপনারা কাগজে শুধু মঙ্গার কথা শুনেছেন, আমরা সেটা লাইভ দেখেছিলাম। মানুষ এখনো না খেয়ে থাকেরে ভাই। একবেলা দুইবেলা না.. দিনের পর দিন। যারা বিশ্বাস করছেন না, তারা আওয়াজ দেন। আমি দেখানোর ব্যবস্থা করব।
এবার ভোটার আইডি প্রসঙ্গে আসা যাক:
আমি বাংলাদেশের অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে বেড়িয়েছি। অনেক সম্ভাবনা আমি গ্রামগুলোর মধ্যে খুঁজে পেয়েছি। সেই বিশ্বাস থেকে বলছি; আমাকে ৪৩দিন সময় দেন; আমি পুরো দেশের ভোটার/ন্যাশনাল আইডির সমাধান করে দিব। পারবেন করতে? ভুলে যাবেন না, আমাদের জনগণই আমাদে মূল শক্তি। কেউ আগ্রহী হলে আমাকে ফোন করতে পারেন। আমি এতো লিখতে পারিনা। আমার অনেক কাজ। বাই দ্য ওয়ে, আমার এই প্ল্যান আমি সাইফুর রহমানের দপ্তরে পাঠানোর চেষ্টা করেছিলাম। সফল হইনি।
নির্ঝর
কান্ট্রি ম্যানেজার
পেইজফ্লেক্স লিমিটেড
অতিথি বলেছেন:
আমার ফোন নাম্বার: +৮৮০ ১৮ ১৯২৯-৭৪১৪
অরুনাভ বলেছেন:
idea is good but have to check if pros and corns
অতিথি বলেছেন:
perfekt তবে তা নিভর্র করে আমাদের দেশের চালকদের মস্তিষ্কের উপর ।
অতিথি বলেছেন:
আইডিয়া ভালো। তবে ইমপ্লিমেন্ট করা অসম্ভবের কাছাকাছি। আপনার পয়েন্টগুলো থেকে বলি।- প্রত্যেকটা হাইস্কুলে কম্পিউটার আছে, তথ্যটা ভুল। গ্রামের 5% স্কুলেও কম্পিউটার থাকলে আমি খুব আশ্চর্য হবো। স্কুলের শিক্ষার্থীদের দূরে থাক, আমার ধারণা, কম্পিউটার ব্যবহারে গ্রামের অন্তত 98% শিক্ষকেরই জ্ঞান একেবারেই অপ্রতুল। স্কুলে স্কুলে কম্পিউটার দিয়ে এবং ট্রেনিং দিয়ে এটা করা মানে সেই সময় ও অর্থের ব্যাপার।
- ডিজিটাল ক্যামেরার ব্যবস্থা করা সম্ভব বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু স্কুলের ফান্ড থেকে টাকা নেওয়া কাজটা সমর্থন করি না।
- এখানে আপনি যেটা বলছেন, তা আমার কাছে একটা উন্নত দেশের সিনারিও মনে হচ্ছে, তাও যদি সবকিছু পারফেক্টভাবে চলে। ভোটার আইডি কার্ড তৈরিটা নিয়ে একটা গবেষণা করার জন্য আইডিয়াটা ভালো। এইরকম গবেষণা কর্ম এমনকি ইউনিভার্সিটি লেভেলে; শুধু বাংলাদেশে না, উন্নত দেশেও, যা হয় তার বেশির ভাগই প্রাকটিক্যাল ফিলডে অ্যাপলিকেবল না। এখন যদি স্কুলের ছেলেমেয়েদের নিয়ে (গ্রামের স্কুলে হাইস্কুলে পড়া অনেক ছেলেমেয়ে আছে 999 এর সাথে 9999 যোগ করতে পারবে না) এরকম একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট সাফল্যের সাথে সম্পাদন করতে চান, তাহলে আপনাকে অতিউচ্চাকাঙ্ক্ষী মনে হওয়া ছাড়া উপায় নেই
অতিথি বলেছেন:
গ্রামের ছেলেদের দিয়ে ডেটা এন্ট্রি করাটা অনেকটা অবাস্তব ধরণের কাজ হবে। তবে হ্যা, হয়তো বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলের ছেলেরা, বা জেলা সদরের ভাল কোন কলেজের ছেলেরা এ কাজে সাহায্য করতে পারে। একটা কাজ ভালো করে করতে কিছু বেসিক যোগ্যতা লাগে, একটা টেকনোলজি ব্যবহার করে তার সাথে পরিচিত হতে একটু সময় লাগে। এ ধরণের প্রজেক্ট পরিকল্পনা করার আগে এই দুটো জিনিস খেয়াল করা উচিৎ।
অতিথি বলেছেন:
দেখা যাব করা যায় কীনা। আমি কিন্তু এখনো পজিটিভ।
অতিথি বলেছেন:
চের্াঠিকাছে ।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
থিউরিটক্যিালী বাবনা কত সহজ মাঠে নামেন না। বুজবেন ঠেলা।
চোরের কতাগুলো লজিক্যাল এবং আমার সাথে সহমত
অতিথি বলেছেন:
মাঠে তো নামতেই চাই। ব্যবস্থা করেন। দেখি হয় কীনা। আমি কিন্তু স্টিল পজিটিভ।
অতিথি বলেছেন:
চোরে কথার পরে আমার আর কথা বলার দরকার নেই।সহমত।
আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো সুজন-এর সাথে কাজ করার(এখনো করছি)। সাড়ে সাত কোটি ভোটারের তথ্য ওয়েবসাইটে দিব এটা স্বপ্নেও কখনো ভাবিনি। গতবছর হঠাৎ করেই এমন পরিকল্পনা মাথায় আসে। অনেকটা পাগলাটে। ডাটাবেজের একটি কপিও হাতে চলে আসে। তারপর থেকে চলে গবেষণা কিভাবে এটিকে ওয়েবে দেয়া যায়। ঘটনাটি ছিলো গত বছরের মার্চ মাসের দিকের। অনেক হাড়ভাঙ্গা খাটুনীর পর শেষমেষ আমরা আগষ্ট মাসে কাজ শেষ করতে পারলাম। চ্যালেঞ্জ যেগুলো ছিলো তা হচ্ছে, (১) ডাটাবেজটি ছিলো ডিবেজ-এ তৈরি (২) ফিল্ড ভ্যারিয়েশন ছিলো ১১, ১৩ বা ১৭ (আরো ভিন্নতা থাকতে পারে কয়েক লাখ ফাইলের প্রতিটি দেখা হয়নি), (৩) ডাটাবেজটি ছিলো বাংলায় এবং আসকি-তে। ওয়েবে আসকি ভিউ করা সম্ভব ছিলো না (৪) ডাটাবেজটিকে সার্চেবল করা এজন্য ইউনিকোডে নেয়া ছাড়া অন্য কোন পথ ছিলো না। সবটা করতে আমরা মাত্র কয়েকজন দিন-রাত খেটেছি। কখনো কখনো সারারাত জেগে কাজ করেছি। ৩/৭ আসাদ এভিনিউ-এর এই অফিসটিই হয়েছিলো ২৪ ঘন্টার কর্মক্ষেত্র। মোরশেদ ভাই (বাংলাদেশ ইনফো-এর বর্তমানে সামহয়্যার ইন-এ আছে) এবং আমি কয়েক রাত নির্ঘুম কাটিয়েছি। এমদাদ আমাদের সহায়তা করেছে ৬৪ জেলার লিষ্ট কনভার্ট করতে। এরর আসার কারণে আমাদের এক জেলা একাধিকবার কনভার্ট করতে হয়েছে। পার্ল ব্যবহারের কারণে এরর রিপোর্টিং বন্ধ হয়ে যায়। আসলেই অনেক মজার মজার অভিজ্ঞতা হয়েছে সে সময়। জন কুনরড আমেরিকায় বসেই অনেক সহায়তা করেছেন। তার ইউনিকোড কনভার্টার না থাকলে পুরো কাজটির সার্থকতা থাকতো না। ইউনিকোডে ষ্টোর হওয়াতেই আজ সার্চিং সুবিধা আছে। সব প্লাটফর্মে দেখাও যাচ্ছে। আমাদের ডলার ভাই সবসময়ই আমাদের সঙ্গে ছিলেন। মোট কথা ৪/৫ জনের একটি টীম নিয়ে কি করে এত বড় একটা কাজ সম্ভব হয়েছে সেটাই উল্লেখ্য। এখন ভাবতেই অবাক লাগে। দেশের সকলের সামনে এখন এটি একটি উদাহরণ। মনের ভিতর জন্মের সার্থকতা খুজে ফিরি। মনে হয় কিছুটা হলেও ঋণ শোধ করা গেছে। বাস্তবিকভাবেই যদি আমাদের আইডিয়া কাজে লাগে বা আমরা কোনভাবে ভোটারলিষ্টের মহান কাজে অন্তর্ভূক্ত হতে পারতাম, কিছুটা হলেও অবদান রাখতে পারতাম, জীবন ধন্য হতো। মা'কে বলতাম, দেখো তোমার পাগল ছেলে দেশের জন্য কিছু একটা করতে পেরেছে।
অতিথি বলেছেন:
কী ব্যাপার। আর কোন মন্তব্য নাই? আসেন না সাইজ করে ফেলি ইস্যু টা! এটা একটা জাতীয় সমস্যা। সাইজ দেয়া দরকার।
অতিথি বলেছেন:
এখানে সাইজ করে লাভ নাই.........যাদের সাইজ করার দরকার তারাই করবে। নতুন সরকারের উপর কিছুটা আস্থা আছে। দেখি তারা হয়তো কিছু করবে।
অতিথি বলেছেন:
নির্ঝর ভাই, কেউ একটা কিছু চিন্তা করছে দেখে ভালো লাগে। কিন্তু এরকম একটা প্রজেক্টে রিস্ক এবং তার মিটিগেশন কি হবে, তা ও আগেভাগে হিসেব করে রাখা ভালো। আপনি ডিটেলসে নিচের জিনিসগুলো জানালে মনে হয় সবাই আরো ভালো আইডিয়া পাবে।1। কাজটা কেন দরকার। বিকল্প কি কি আছে। আপনার প্রস্তাবিত উপায়টা বিকল্পগুলোর চাইতে কোনো কোন দিক দিয়া ভালো, কোন দিক দিয়া খারাপ।
2। কাজটা ফিজিবল কি না। টেকনিক্যাল নোহাউ, লোকবল...। সপক্ষে কি প্রমাণ আছে।
3। যে পরিমাণ এফোর্ট (সময়, অর্থ...) দেওয়া হবে, তার বিনিময়ে আউটপুট কতোটা লাভজনক।
4। কাজ সাকসেসফুল হওয়ার শর্তগুলো কি কি। শর্তগুলো পারফেক্টলি পূরণ না হলে তার প্রভাব কেমন হবে। এই প্রভাবগুলো কাটিয়ে উঠতে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই পদক্ষেপ গুলোরও নিশ্চয়তা কতোটা।
যাউকগা, জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতা বাড়াচ্ছি না। আপনি আপাতত ওপরের পয়েন্টগুলায় আেখা ফেললে আমরা পুরো ব্যাপরটা আরো ভালোভাবে বুঝতে পারবো।
অতিথি বলেছেন:
চোর,যতদূর জানি সুজন (সুশাশনের জন্য নাগরিক) এই কাজের জন্য ১৭৫ কোটি টাকার প্রস্তাব দিছে। আপনি আমার প্রস্তাবটার সাথে যোগ/গুন করে দেখেন তো তাদের খরচ আমার থেকে কত বেশী?!
ধন্যবাদ
অতিথি বলেছেন:
চোর, আপনার মন্তব্যের জন্য অপেক্ষা করছি বস্।
অতিথি বলেছেন:
একটা কথা বলি, একধাপে গাছে না উঠলেই কি নয় ?বুঝলাম ভুট্টা খেতে ভুট্টা তুলতে রিকসার পাসপোর্ট লাগবে, কিন্তু ঢাকার শহরে 20 কোটির কাছাকাছি রিকসা সুতরাং এত রিকসার জন্য einfach (সহজ) (আইনফাখ) সরকারী কাগজে কলমের থেকে পাঞ্চ কার্ডের দরকার ।
কিন্তু যদি তা সেক্টর অনুযায়ী ভাগ করে, বছর খানেক সময় ধরে করা হয়, তাহলে নিভুর্ল হবে ।
আর একটা কথা বলে রাখি, যদি এই ব্যবস্থা সঠিকভাবে পালিত হয়, তাহলে
দেশী ভাই ও বোনেরা যারা নকল ব্যবস্থা পনার মাধ্যমে বিদেশ পারি দেওয়ার চিন্তা করছেন তাহলে তা ভুলে যান । তাহলে আগের মত খুব সহজে উলটা পালটা নামে , ভাইকে ছেলে, বাপকে ভাই, চাচাতো ভাবীকে বউ, ভাবীকে বউ, বউকে মা, ধামড়া ছেলেকে আন্ডা বাচ্চা করার দিন ফুড়িয়ে আসবে । অথার্ত ওপেন সিক্রেট ভুয়া কারচুপি বন্ধ হয়ে আসবে, কারণ তখন তা ভোটার আইডিতে সঠিক থাকলে নকলভাবে বিদেশে আনা যাবে না । আর এতে দেশের আথির্ক লাভ থেকে বঞ্চিত হবে । কারণ ব্যক্তি বিদেশে দিয়ে চোরাই কারবার কিংবা ভাল কাজ করে দেশে টাকা পাঠাতে পারত ।
অতিথি বলেছেন:
রিফাত ভাই, বুঝলাম না, ঢাকা শহরে 20 কোটি রিকশা? এত বেশী?একটা ব্যাপার চিন্তা করে খুব ভাল লাগছে, একটা আইডিয়ার পক্ষে-বিপক্ষে সবাই কথা বলছে। আইডিয়ার মুল কিন্তু দেশের মঙ্গলকামনা, দেশের প্রতি ভালোবাসা।
অতিথি বলেছেন:
রিফাত ভাই,আপনার কষ্টটা বুঝতে পারলাম। চলেন না সবাই মিলে এই খসড়া আইডিয়াটাকে ভালো করে বানাই। এবং তারপর চেষ্টা করি সরকারের কাছে পৌঁছানোর।
দ্রোহী,
আপনি ভালো আছেন ভাই। ভালো থাকবেন। আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
নির্ঝর ভাই, আপনার প্রস্তাব খারাপ না। কিন্তু ফিজিবল কি না, তা নিশ্চিত হতে পারছি না। সুজন সম্পর্কেও কিছু জানা নেই। কেমনে কি বলি!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















