মাঠের খরায় বুনে দিও আমার কান্নার ঘ্রাণ
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
২৯০৪০৯
যদি আমি মরে যাই কোনোদিন বৃষ্টির ভিতর
আমার চোখদুটি যদি হয়ে যায় বৃষ্টির বকুল
শাদাটে সন্ধ্যায় তুমি গন্ধ নিও কাদার পাশে
তারপর উড়ে যেও তোমাদের দেশের মাঠে
মাঠের খরায় বুনে দিও আমার কান্নার ঘ্রাণ
রাত ১২:১১
______________________________________
৩০০৪০৯
আমার পূর্বপুরুষের কপালে বলিরেখা ছিলো কিনা মনে নেই
কেননা তখনো আমি ছিলাম মৃত্যু আর স্বপ্নের ভিতর শুদ্ধ ললিত
আমার পূর্বনারীদের সিঁথি ছিলো জন্মাবধি শাদা আর ধূ ধূ
একটি ঠাটের আলাপের পর ছিলো তাদের নিবিড় চক্রমন ঘোর
তারাও লাল আর মুনিয়াপাখিটি মুঠোতে ধরে মরে গিয়েছিলো
আমার রক্তজবার স্বপ্ন তাই বৃষ্টির নামে শাদা আর ডানাহীন
ভোর ৫:২৫
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আমার কবিতা ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
আমার পূর্বনারীদের সিঁথি ছিলো জন্মাবধি শাদা আর ধূ ধূ
খলিল মাহমুদ বলেছেন:
দুটোই ভালো লাগলো, তবে ৩০ এপ্রিলেরটা একটু বেশি।
লেখক বলেছেন:
আমার রক্তজবার স্বপ্ন তাই বৃষ্টির নামে শাদা আর ডানাহীন
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
আমার পূর্বপুরুষের কপালে বলিরেখা ছিলো কিনা মনে নেই
কেননা তখনো আমি ছিলাম মৃত্যু আর স্বপ্নের ভিতর শুদ্ধ ললিত
-----------
ভালো লাগা লাইনগুলো
লেখক বলেছেন:
আমার পূর্বনারীদের সিঁথি ছিলো জন্মাবধি শাদা আর ধূ ধূ
একটি ঠাটের আলাপের পর ছিলো তাদের নিবিড় চক্রমন ঘোর
লেখক বলেছেন:
আমি বৃষ্টিরে ভালোবাসি, তাই জন্মাবধি বৃষ্টিতে ভিজি। আমার কখনো ছাতা ছিলো না। শুনছি নোয়াখালির বৃষ্টি অন্যরকম সুন্দর। ইচ্ছা করতেছে যাইতে, কিন্তু রাহাখরচ নাই। এইবার সেই বৃষ্টির ভিতর যাইতে চাই, রাহাখরচ দে রে ভাই।
লেখক বলেছেন:
![]()
লেখক বলেছেন:
শতরূপার কবিতা
______________________
যদি কোনোদিন বৃষ্টির ভিতর
তুমি পাও আমার কান্নার ঘ্রাণ
একট বকুল ফুলের গন্ধ নিও
কেননা তখনো আমি ছিলাম মৃত্যু আর স্বপ্নের ভিতর শুদ্ধ ললিত
আমার পূর্বনারীদের সিঁথি ছিলো জন্মাবধি শাদা আর ধূ ধূ
একটি ঠাটের আলাপের পর ছিলো তাদের নিবিড় চক্রমন ঘোর
এই চারটা লাইন দারুন ..
~~~~~~~~~~~
তবে প্রথমটাই অনেক বেশী ভালো লেগেছে।
++
লেখক বলেছেন:
তারপর উড়ে যেও তোমাদের দেশের মাঠে
মাঠের খরায় বুনে দিও আমার কান্নার ঘ্রাণ
_______________________________
আরণ্যক
প্রতিদিন বলেছেন:
এইমাত্র দুইটি কবিতা লিখলাম। কেমুন হইসে দেখেন কবি:
২৯০৪০৯
যদি আমি মরে যাই কোনোদিন বৃষ্টির ভিতর
আমার চোখদুটি যদি হয়ে যায় বৃষ্টির বকুল
শাদাটে সন্ধ্যায় তুমি গন্ধ নিও কাদার পাশে
তারপর উড়ে যেও তোমাদের দেশের মাঠে
মাঠের খরায় বুনে দিও আমার কান্নার ঘ্রাণ
রাত ১২:১১
______________________________________
৩০০৪০৯
আমার পূর্বপুরুষের কপালে বলিরেখা ছিলো কিনা মনে নেই
কেননা তখনো আমি ছিলাম মৃত্যু আর স্বপ্নের ভিতর শুদ্ধ ললিত
আমার পূর্বনারীদের সিঁথি ছিলো জন্মাবধি শাদা আর ধূ ধূ
একটি ঠাটের আলাপের পর ছিলো তাদের নিবিড় চক্রমন ঘোর
তারাও লাল আর মুনিয়াপাখিটি মুঠোতে ধরে মরে গিয়েছিলো
আমার রক্তজবার স্বপ্ন তাই বৃষ্টির নামে শাদা আর ডানাহীন
ভোর ৫:২৫
লেখক বলেছেন:
অসাধারণ, প্রতিদিন।
শুভকামনা, শুভবর্ষা
সবাক বলেছেন:
বৃষ্টি নিয়ে হাইকু....
>>
গ্রামের মেঘ
ভেজা শহরের ধুলি
পৃথিবীতে স্নানশেষে ঘাসের বিশ্রাম
>>
আঙ্গুলের ডগায় জল
শীতল জানালা
কলসি চুইয়ে মাটি ভেজে
>>
চোখের পর বুক
আত্মার আগে
আমি বৃষ্টি পান করি
>>
এলে
বালিকার চুল ভেজালে
কবিতা তোমাকেই লিখবে
>>
সেবার
তোমাকে হারাবার
জিহ্বার ডগায় ঝরো... ঝরো!
লেখক বলেছেন:
অনেক সুন্দর হয়েছে, অনেক সুন্দর
সবাক বলেছেন:
তোর জন্য>>>>
নৈ:শব্দ্যে বৃষ্টি
নির্ঝর নির্ঝর এবং পাখির পালক
বৃষ্টির পরে টুকরো মেঘের পদ্য
প্রার্থনা ঘরে ঘুমশব্দ
রূপালী পর্দায় তরুনীর পায়ের ছাপ
সাদা কাগজে নির্ঝর নৈ:শব্দ্য
এবার একটি কবিতা হবে, কবির মুখের মতো। কপালে তিনটি ভাঁজ, পাশে চুলের আঁটি, জানালার ফাঁকে সত্ত্বা পা রাখে, খুঁজে আনে বৃষ্টির শব্দ- শ্রবনোপোযুক্ত শব্দে গোঙায় নির্ঝর নৈ:শব্দ্য...
পাড়ায় পাড়ায় জলকুড়ানো বালকেরা
খেয়াল রাখে পুকুরপাড়ের চালতা পাতায়
সেখানে মেঘকাটারোদেও বৃষ্টি ঝরে
খুলে যাবে মেলে যাবে
যেখানে আত্মার বিশ্রাম
বালকের ব্যস্ততায় যত্ন দিতে
শূন্যতায়...
কেবলই শূন্যতায় ঝরঝর
আত্মার ডাক নাম নির্ঝর অথবা নৈ:শব্দ্য!
লেখক বলেছেন:
তোর জন্যে
____________________________
চালতার পাতায় এঁকে রাখি তোর মুখ
বৃষ্টি এসে গড়িয়েই পড়ে কেবল
চালতার পাতা সে তো আমারই চোখ
বৃষ্টি তাই হয় না দুঃখি অশ্রুজল
প্রাকৃত বলেছেন:
যদি আমি মরে যাই কোনোদিন বৃষ্টির ভিতরআমার চোখদুটি যদি হয়ে যায় বৃষ্টির বকুল
শাদাটে সন্ধ্যায় তুমি গন্ধ নিও কাদার পাশে
তারপর উড়ে যেও তোমাদের দেশের মাঠে
মাঠের খরায় বুনে দিও আমার কান্নার ঘ্রাণ...........
মিলে যায়
এ হাত সঞ্চালনে
কবি আর কবিতার কথা।
আবার,
এ হাত সঞ্চালনে
মিলে যায় চিন্তার স্রোত............
লেখক বলেছেন: প্রাকৃত
নম্রতা বলেছেন:
এখন এই কবিতার সাথে মিশে আছে শত'র বকুলফুল ঘ্রাণ আর সবাকের বৃষ্টিভেজা হাইকু ! পূর্বনারীদের সিঁথির আবির তখনো মুছে যেত আজো মুছে যায়...! পূর্বপুরুষেরা শুধু বৃষ্টি ভালবাসে !
লেখক বলেছেন: আমার রক্তজবার স্বপ্ন তাই বৃষ্টির নামে শাদা আর ডানাহীন
কেননা তখনো আমি ছিলাম মৃত্যু আর স্বপ্নের ভিতর শুদ্ধ ললিত
আমার পূর্বনারীদের সিঁথি ছিলো জন্মাবধি শাদা আর ধূ ধূ
একটি ঠাটের আলাপের পর ছিলো তাদের নিবিড় চক্রমন ঘোর
তারাও লাল আর মুনিয়াপাখিটি মুঠোতে ধরে মরে গিয়েছিলো
আমার রক্তজবার স্বপ্ন তাই বৃষ্টির নামে শাদা আর ডানাহীন
লেখক বলেছেন: শুভরাত্র, কবি
লেখক বলেছেন: আমিও ঈর্ষা করি
জুল ভার্ন বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ে এত ভালো লাগা, এত মুগ্ধতায় কিছুই প্রকাশ করতে পারছিনা! শুধু প্রিয়তে রেখে দিলাম-বারবার পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন:
অনেক শুভেচ্ছা। টুশকিমণির ব্লগে আপনার কথা পড়ে আমার রীতিমতো কান্না পাচ্ছিলো। আর মানুষের জন্যে কাজ করছেন জেনে কান্না আনন্দ হলো।
আপনাকে স্যালুট।
___________________________________________
আপনার মানে জুল ভার্নের লেখা সায়েন্স ফিকশন প্রথম পড়ি আমি সিক্সে থাকতে বইয়ের নাম খুব সম্ভর টুয়েন্টিথাওজেন্ড লিগ্স আন্ডার দ্য সি (অনুবাদ)। তখন থেকে আপনার নামের সাথে পরিচিত।
শুভরাত্রি
সবাক বলেছেন:
তিন গ্রামের মেঘ
পরে কবিতা পাঠের আসর
একফোটাতেই জলোচ্ছ্বাস!
তুমি বইবে কি ভার?
ওখানে রোদের ওমে টিকে থাকে কবিতার আসর!
তোকে কাকডাকা সুপ্রভাত
লেখক বলেছেন:
সবাকের কবিতা
_____________________
তিন গ্রামের মেঘ
পরে কবিতা পাঠের আসর
একফোটাতেই জলোচ্ছ্বাস!
তুমি বইবে কি ভার?
ওখানে রোদের ওমে
টিকে থাকে কবিতার আসর!
__________________________
বইবো
লেখক বলেছেন: আপনার উপস্থিতি শূন্যতা পূরণ করে
লেখক বলেছেন:
আরপাশে তাকিয়ে দেখি নিভে গেছে ঘর
ঘর ছিলো উঠানের ছায়াছবি
এখন জঙলার ভিতর মোষের বাছুর ডাকে
মা মা মা
তুমি শোনো আমি শুনি সেতো শুনে না
সে কাদা মেখে দাঁড়িয়ে সূর্যের ওপারে
মা মা মা
লেখক বলেছেন: এখনই বল
হাসান মাহবুব বলেছেন:
যদি আমি মরে যাই কোনোদিন বৃষ্টির ভিতরআমার চোখদুটি যদি হয়ে যায় বৃষ্টির বকুল
শাদাটে সন্ধ্যায় তুমি গন্ধ নিও কাদার পাশে
তারপর উড়ে যেও তোমাদের দেশের মাঠে
মাঠের খরায় বুনে দিও আমার কান্নার ঘ্রাণ
এইসব লাইন পান কৈথ্থিকা কবি! স্যালুট!
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা
অদৃশ্য বলেছেন:
নির্ঝর দা......................দুটিই বেশ ভালো লেগেছে আমার। প্রথমটি বেশী ভালো লেগেছে।সবসময় ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা
মেঘবাজি বলেছেন:
বাহ!
লেখক বলেছেন: মেঘ
নাজনীন খলিল বলেছেন:
যদি আমি মরে যাই কোনোদিন বৃষ্টির ভিতর আমাকে ভাসিয়ে দিও বৃষ্টি বহা সুরমার স্রোতে।
বৃষ্টি আমারও খুব প্রিয়।
শুভেচ্ছা। শুভেচ্ছা। শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা দিদি
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
তিন গ্রামের মেঘপরে কবিতা পাঠের আসর
একফোটাতেই জলোচ্ছ্বাস!
তুমি বইবে কি ভার?
ওখানে রোদের ওমে
টিকে থাকে কবিতার আসর!
................................
দারুন !
লেখক বলেছেন:
এটা সবাকের কবিতা। এবং অসাধারণ।
শুভেচ্ছা, ব্যাধ
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
হুমম আসলেই মেদ হীন কবিতাকিন্তু আপনার এই কমেন্টজাত কবিতাগুলোতে আমাদেরও অধিকার থাকা উচিত, আমাদের ছাইপাশ লেখাতেই প্রেরণা যেহেতু
ভালো থাকুন (মজা করলাম কিন্তু আর কিছু না !
লেখক বলেছেন:
অবশ্যই অধিকার আছে
শুভকামনা
সবাক বলেছেন:
একটু রোদের দেখায়
নবজন্মা ফুল এবং ঘাস এবং যুবতী শালিক
এবং অস্পষ্ট শিহরণসমূহ চোখ বুঁজে রাখে
হয়তো গ্রামের বধূর নোলক বেয়ে
আরেকবার জলফোটা পড়বে
>>>বিরক্ত হসনে... তোর এখানে এলে খালি বকতে ইচ্চা করে
লেখক বলেছেন:
সবাকের কবিতা
_______________________
একটু রোদের দেখায়
নবজন্মা ফুল এবং ঘাস এবং যুবতি শালিক
এবং অস্পষ্ট শিহরণসমূহ চোখ বুজে রাখে
হয়তো গ্রামের বধূর নোলক বেয়ে
আরেকবার জলফোঁটা পড়বে
_________________________
তুই বকলে সমস্যা নেই, কেননা তোর বকাবকি আসলে ভোরের প্রথমরোদের মতো কোমল।
নম্রতা বলেছেন:
সবাক তুমি একা নও এই ব্লগে আমাদের সবারই একটু বকতে ইচ্ছে করে ....কবি আপনি কি নীরব থাকিবেন ? না কিছু বলিবেন ?
লেখক বলেছেন:
কঁাকন বলেছেন:
ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: কঁাকন কঁাকন
অন্তিম বলেছেন:
মৃত্যু অনুভূতি সবারই হয়।আমার ও প্রচন্ড হয়...........আর মৃত্যুভাবনা প্রতিটি মানুষেরই হয়। কারও বেশি কারও কম।
আমি কাঁদের দলে?
লেখক বলেছেন:
এটা ঠিক মৃত্যু ভাবনা নয়। কেননা এখানে স্বপ্ন আছে। এখানে স্বপ্ন মৃত্যুর পূর্ববর্তী।
আর স্বপ্ন দেখে বলেই মানুষ বেঁচে থাকে
মৃত্যুকে আমি ভয় পাই না।
ভাবি শুধু কিভাবে থাকব একা, অন্ধকারে।
আর ভাবি কিভাবে আমার মৃত্যু হবে।
কোন দিন...
কোন মুহূর্তে
দিন না রাত!
আজ দুপুরেও ভাবছিলাম।
এই চিন্তা আমাকে খুব তাড়া করে।
লেখক বলেছেন: মৃত্যু তারার মতো সুন্দর, যাকে দেখেছি এবং যাকে দেখি অন্ধকারের পরে
নম্রতা বলেছেন:
নিমগ্ন কবি .....
লেখক বলেছেন: নম্রকবিতা
সবাক বলেছেন:
একটু আগে এক বন্ধুকে তোর কথা বলছিলাম.... কিন্তু তোর নাম পুরো উচ্চারণ করতে পারিনি। নির্ঝর বলতেই এক পা ড্রেনের মাঝে
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন:
![]()
ধন্যবাদ, কবি।
আপনার প্রোফাইল ছবিটি সুন্দর হয়েছে।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
ধন্যবাদ খোঁজ নেওয়ার জন্য। একটু ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছি।আপনার অনেকগুলো লেখা জমা থাকল।
লেখক বলেছেন: ভালো থাকুন
আবু সালেহ বলেছেন:
তারপর উড়ে যেও তোমাদের দেশের মাঠে
মাঠের খরায় বুনে দিও আমার কান্নার ঘ্রাণ
এই দুটি লাইনে অনেক কিছু মিশে আছে.....
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
আিমওআমরা বলেছেন:
প্রথমটাযদি আমি মরে যাই কোনোদিন বৃষ্টির ভিতর
আমার চোখদুটি যদি হয়ে যায় বৃষ্টির বকুল
শাদাটে সন্ধ্যায় তুমি গন্ধ নিও কাদার পাশে
লেখক বলেছেন: আমি ও আমরা
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
আমার পূর্বনারীদের সিঁথি ছিলো জন্মাবধি শাদা আর ধূ ধূ
আমার রক্তজবার স্বপ্ন তাই বৃষ্টির নামে শাদা আর ডানাহীন
লেখক বলেছেন: শুভ্র শুভ্র
আিমওআমরা বলেছেন:
হায় হায় ভুল হয়ে গেল আপনারআমি ও আমরা তো কবি
আিমওআমরা হলো ভুল বানানের নাম ওয়ালা অকবি
আমি আরেকটা নিক কেবলমাত্র খুলেছি ওটার সচল হতে একটু দেরি হবে হয়তো, কি বিপদ
লেখক বলেছেন:
বস! আমি বিভেদ বুঝেই লিখেছি , আমি ও আমরা। আপনারে আমি চিনি ভালো, আপনিও কবি।
লেখক বলেছেন:
প্রমাণপত্র:
_____________________
শাদাকালো রঙধনু সব ধরতে গিয়ে উড়েই গেলে
আপনমনে এলোমেলো কদমগাছের মগডালে
ভাসতে ভাসতে ভাবলে একা ফুলগুলো সব তোমার কিনা
একটু উড়ে যাবেই কিনা মেঘের আরো কাছটাতে
লাজুক সাজা সূর্যটাকে একটুখানি চমকাতে
ভেজা ভেজা গাছগুলো আপনমনে দুলছিলো
ফুসফুস ফেটে কোথাও কোথাও কেউ কেউ হয়তো মরছিলো
ভাসতে ভাসতে নেমে এলে সেই পানিজমা পথটাতেই
সবুজরঙের খাতাটা তোমার ভিজছে কাল রাত থেকেই
প্রবর রিপন বলেছেন:
আমি সেই দানবটাকে খুজছি যে কবিতা নামক সাড়ে ৫২ কোটি বছর বয়েসী বুড়ী থুরঠুড়ি চর্বিয়ালা গণিকাকে খুন করার জন্য পৃথিবীতে জন্ম নিয়েছেআমার কাছে তার ঠিকানা ছিল কিন্তু বড় বড় মাল
লাইক রবীন্দ্রনাথ বাবা, জীবনানন্দ মামা, বোদলেয়র খালু,
র্যাবো চাচা, আরও অনেক আত্মীয়স্বজনের পাল্লায় পড়ে হারিয়ে ফেলেছি
আপনি কি একটু দিতে পারবেন সেই হত্যাকারীর ঠিকানা???
আমার খুব দরকার
আমার মৃতদেহ করতে চাই নিজের রক্তে সৎকার
লেখক বলেছেন:
সুন্দর কবিতা
____________________
দানবের ঠিকানা জানি না, আপনি পাইলে আমার কাছে পাঠান
লেখক বলেছেন: চাঙ্কু ভাইয়া আমি চ-রি
লেখক বলেছেন: ওখানে চন্দ্রবিন্দু হবে না, কবি
আিমওআমরা বলেছেন:
:``>>
লেখক বলেছেন: ??
মাঠের খরায় বুনে দিও আমার কান্নার ঘ্রাণ
that's enough...
লেখক বলেছেন: তারপর উড়ে যেও
লেখক বলেছেন: "যে-পথ সকল দিক ছাড়ায়ে..."
আহসান জামান বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর কবিতা, ভীষণ ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধইন্যা
আহসান জামান বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর কবিতা, ভীষণ ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধইন্যা
লেখক বলেছেন: প্রকৃত প্রস্তাবে আমি কবি নই
সোহানা মাহবুব বলেছেন:
"যদি আমি মরে যাই কোনোদিন বৃষ্টির ভিতরআমার চোখদুটি যদি হয়ে যায় বৃষ্টির বকুল
শাদাটে সন্ধ্যায় তুমি গন্ধ নিও কাদার পাশে
তারপর উড়ে যেও তোমাদের দেশের মাঠে
মাঠের খরায় বুনে দিও আমার কান্নার ঘ্রাণ"-কান্নার ঘ্রাণ,আহা!!!এইসব পঙক্তি কান্নার হিরে -পান্না ।+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সোহানা সোহানা
আইসিস বলেছেন:
অনেক ভালো হয়েছে রে পাগল । অনেক ভালো লাগলো । ভালো থাকিস । মেজাজ খারাপ করে থাকিস না ।প্রিয়তে নিলাম এইখান ।
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা। তোরে ধইন্যা।
আমার চোখদুটি যদি হয়ে যায় বৃষ্টির বকুল
শাদাটে সন্ধ্যায় তুমি গন্ধ নিও কাদার পাশে
তারপর উড়ে যেও তোমাদের দেশের মাঠে
মাঠের খরায় বুনে দিও আমার কান্নার ঘ্রাণ
ভেতরের কথা গুলো মোটামুটি সবার একই
বহিরাবরণ যা ভিন্নতা রাখে
লেখক বলেছেন: আমার চোখদুটি যদি হয়ে যায় বৃষ্টির বকুল
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















মাঠের খরায় বুনে দিও আমার কান্নার ঘ্রাণ
আমার পূর্বপুরুষের কপালে বলিরেখা ছিলো কিনা মনে নেই
কেননা তখনো আমি ছিলাম মৃত্যু আর স্বপ্নের ভিতর শুদ্ধ ললিত
ভাল লাগল