আমার প্রিয় পোস্ট

ডুবোজ্বর

গল্প: ঝাঁপতাল

০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩০

শেয়ারঃ
0 0 0

বৃষ্টি হচ্ছে? তাতে কী!
বলেই সে ঝুমবৃষ্টির মধ্যে নেমে গেলো। হন হন করে হেঁটে গেলো শ্মশানের দিকে। আমি তাকিয়ে আছি। আমি কি তাকে অনুসরণ করবো?

রাত সবে গাঢ় থেকে গাঢ় হচ্ছে। হয়তো দূরে কোথাও পেঁচা ডাকছে। বৃষ্টির শব্দে সে ডাক চাপা পড়ে গেছে। আমিও নামলাম বৃষ্টির মধ্যে। সে আমার বেশ খানিকটা সামনে হাঁটছে। পেছন ফিরে তাকাচ্ছে না একবারও।

কই যাস?
আমি কেঁপে উঠলাম অচেনা শঙ্কায়। পেছন ফিরে দেখি এক পাগল। মুখভর্তি দাড়ি-গোঁফ। নিঃশব্দে হাসছে। যেনো আমার চোখের ভিতর তাকিয়ে আছে।
আয় বাজান, আগুনডা নিভাইয়া দে।
কোথায় আগুন?
দেহচ না মোর সারা অঙ্গে আগুন জ্বলে। দ্যাখ, বুকের মইধ্যে দ্যাখ।
পাগলটা আমাকে জড়িয়ে ধরতে আসে; দুহাত বাড়িয়ে বলে, বিষ্টি হইলো কেরাসিন, যতো নামে-- আগুন বাড়ে। সে হাসে, হা হা হা...

বৃষ্টি আরো বাড়ে। আমি পাগলটার কাছ থেকে সরে আসি। কিন্তু সে কোথায়? তাকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। আমি হাঁটতে থাকি, আমি হাঁটতে থাকি। তার জন্যে আমার বুকের ভিতর কেমন এক হাহাকার ঘনীভূত হয়। এতোক্ষণে মনে হচ্ছে পাগলটার কথাই ঠিক, বৃষ্টি হলো কেরোসিন। আমি হাঁটছি, আমি হাঁটছি...


তার সাথে আমার প্রথম দেখা হয়েছিলো একটা আর্ট-গ্যালারিতে। একটা প্রদর্শনী হচ্ছিলো। আমারও একটা পেইন্টিং ছিলো প্রদর্শনীতে। শিরোনাম, ডান্স উইথ ডেথ। ছবিটার সামনে সে টানা কুড়িমিনিট দাঁড়িয়ে ছিলো। আমি কাছে গিয়ে বললাম, এনি থিং রঙ?
নাথিং এল্স। আপনিই আর্টিস্ট?
হ্যাঁ?
ছবিটা আমি কিনবো।
সরি। ওটা বিক্রির জন্যে নয়।
কিন্তু আমি ওটা চাই। এনি হাও।
কেনো? ওটা তো দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখার মতো নয়; যে কেউ ভয় পাবে দেখলে। এতাক্ষণে বুঝতে পারেন নি!
সে জন্যেই।
মানে!
আমি ওটা নষ্ট করবো। তার চোখে মুখে কেমন এক অস্থিরতা।
আমি অবাক হলাম, হোয়াট্স রঙ?
বললাম তো, নাথিং। বলুন, কতো দিতে হবে।
আমি তো বলেছি...
ওকে। সি য়্যু। বলেই সে বেরিয়ে গেলো। মিনিট দশেক পর যখন ফিরে এলোÑ তার হাতে একটা ক্ষুর। মুহূর্তেই আমার ক্যানভাসটা ফালি ফালি হয়ে গেলো। ডান্স উইথ ডেথ এর পরিণতিতে কেনো জানি আমার কোনো কষ্ট হলো না। আমার অবচেতন মন কি চাইছিলো ওটার এমন পরিণতি হোক?


ঠিক আটদিন পর। রাত নটা ষোলো মিনিটে সে আমার দরজায় এসে দাঁড়ালো।
আমি আপনার মডেল হবো।
আমিতো এখন আর সামনে মডেল নিয়ে ছবি আঁকি না।
তাতে কী! আঁকেন না তো, আঁকবেন।
ধৈর্যের দরকার।
সে হাসলো। এবার অন্যরকম হাসি। বুঝতে পারলাম না আমি। বললো, আপনার কী ধারণা, আমাকে দিয়ে হবে না?
না, তা নয়। তবে প্রতিদিন আসা-যাওয়া আপনার সমস্যা হতে পারে।
আসা-যাওয়ার ব্যাপারটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। এসেছি, কাজ শেষ করেই যাবো।
আমি আশ্চর্য হলাম না। সে ক্ষমতা বোধহয় অনেক আগেই হারিয়েছি। বললাম, কতোদিনের ব্যাপার ভেবেছেন?
একমাস সময় আছে আমার হাতে। একমাস মানে তিরিশদিন। জানেন তো?
আমি ঘরটা একটু গোছালাম। সে হাসলো, গোছাতে গিয়ে তো দেখি আরো অগোছালো করে ফেললেন।
আমি তার খোঁচাটা গায়ে মাখলাম না।
কেমন মডেল হতে চান?
সে তো আর্টিস্টের স্বাধীনতা...
না, আপনি যেমন চান।
তবে বতিচেল্লির যেমন মডেল... আপনি আঁকবেন ভেনাসের জন্ম।


জানলা দিয়ে হাওয়া আসছে। বেরিয়ে যাচ্ছে দরোজা দিয়ে। সে মেঝে থেকে যে সিডিটা তুলে নিলোÑ তা প্লেয়ারে চাপালে ঘরময় উস্তাদ আল্লারাখা তবলায় তুলবেন ঝাঁপতাল।
আমি ইজেলে ক্যানভাস সাঁটালামÑ পাঁচফিট বাই আট। এতোক্ষণে ঘরময় বেজে যাচ্ছে ঝাঁপতাল। বাতাস আর হাওয়া নাচছে পরস্পর।
সে বললো, এবার নাচবে ভেনাস।
ধীরে ধীরে আমার ভিতরকার কুয়াশাগুলি কেটে যাচ্ছে, আর মুগ্ধ হওয়ার ক্ষমতা ফিরে আসছেÑ আমি নির্বাক বিস্ময়ে তাকিয়ে আছি, তাকিয়ে আছি...
তার নাচ যখন শেষ হলোÑ আমার চোখ মাছের চোখ। এই প্রথম আমি তাকে আবিস্কার করলাম নিরাভরণ এবং নিরাবরণ। আর সুন্দর।
আমি ক্যানভাসে প্রথম তুলির যে আঁচড়টা দিলাম তার রঙ...
প্রথমে আমি তার চোখ এঁকেছি। তারপর চুল... ওষ্ঠাধর, চিবুক, গ্রীবা, বুক...
কুড়িদিনের মাথায় শেষ আঁচড়টা দিয়েছি তুলির।
শিরোনাম, দ্য ডান্সিং ফায়ার।


সে শাদাশাড়িটা মেঝে থেকে তুলে দেহে জড়ালো। বললো, যাই।
এই রাতে!
রাতেই তো যেতে হয়। কথাটা কেমন জানি শোনালো।
বললাম, বৃষ্টি হচ্ছে।
সে আমার কথা শুনলো না।
সেই থেকে হাঁটছি আর হাঁটছি। তার দেখা নেই। শ্মশানের পাশ দিয়ে যেতে যেতে গোঙ্গানির শব্দ শুনলাম। দেখি, জনাকয়েক ডোম একজনের উপর ঝাপিয়ে পড়েছে। একটা শাদাশাড়ি লুটাচ্ছে কাদাজলে। আমি চমকে উঠলাম। এই তো সে! দেখলাম একজনের হাতে ঝলসে উঠছে ছুরি। আমার মুখ থেকে চিৎকার বের হলো নিজের অজান্তে। দুইজন বল্লম হাতে আমার দিকে তেড়ে এলো। ভয়ে আমি কেঁপে উঠলাম।


তাড়া খেয়ে আমি ছুটছি তো ছুটছি। কতোক্ষণ মনে নেই। ঘুরপথে ছুটছি। আমার পথ ফুরোচ্ছে না। আমার ঘর আর কতোদূর?


বৃষ্টি থেমে গেছে। রাত্রি নিভে গেছে। আমি ছুটছি। পেছনে কি এখনো পদশব্দ শুনতে পাচ্ছি আমি? পেছন ফিরে তাকালাম। না, কেউ নেই। মুহূর্তের জন্যে থমকে দাঁড়ালাম। একটা দীর্ঘশ্বাস শেষ হলে দেখলাম, আমার সমুখে ভোর। ভোরের আলোয় বুঝতে পারলাম আমার পথ শেষ। আর কয়েক পা এগোলেই আমার ঘর।


আমার ঘরের দরজা হাট করে খোলা। ঘরের বাঁপাশে গাছগাছালির ভিড়ে বকুলের গাছ। বকুলতলায় কেউ।

আমি পায়ে পায়ে এগিয়ে গেলাম। আর পুনর্বার চমকে উঠলাম। সে। তার পরনে শাদাশাড়ি। শাড়িতে কাদা কিংবা রক্ত কোনোটাই লেগে নেই। আমাকে দেখে সে সোজা হয়ে দাঁড়ালো। তার আঁচলে জড়ানো বকুল। আমার চোখের ভিতর তাকালো সেÑ মুঠোভর্তি বকুল আমার দিকে বাড়িয়ে দিলো। নির্বাক আমি হাত বাড়ালাম। সে বললো, এর ঘ্রাণ নিতে হয় চোখ বুজে।
আমি চোখ বুজলাম।
চোখ খুললাম যখনÑ আমার সমুখে, আমার দশদিগন্তে কেউ নেই। মুঠো খুলে দেখি একটাও ফুল নেই।

মুঠোর ভিতর কেবল ঘ্রাণটা আছে।




 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০২ রা অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২১

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক

০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক

৩. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৯
অভিলাষীজন বলেছেন: চোখ বুজে ঘ্রাণ নিলাম।
ফলাফল কাব্যময় মাতালতা।চমৎকার।অভিভূত হলাম।
+++
০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক

০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫০

লেখক বলেছেন: :(

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক

০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০৫

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক

৬. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৬
রথে চেপে এলাম বলেছেন: পড়ার পুরটা সময় চোখ আটকে ছিল। খুবই ভাল লেগেছে। প্লাস।
০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩১

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক

৭. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫৩
না বলা কথা বলেছেন: ইহাকেই গল্প বলে।
তথাকথিত জটিল উপমায় বাহুল্য আর দূর্বোধ্য বাক্যের মারপ্যাঁচ থেকে মুক্তি দিয়ে একটি অসাধারণ গল্প উপহার দেয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০৩

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক

৮. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩
নম্রতা বলেছেন: ০৩ নং গল্পটা থেকে বেরোতে পারছিনা ! একটা ছবি কি করে কেউ নিষ্ঠুরের মত টুকরো টুকরো করতে পারে !

শিল্পকে ডিসট্রয় করেছে এমন একটা গল্প শুনে কষ্ট পেলাম!
০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: পুরাটাই একটা গল্প কবি। যে ছবি নষ্ট করে সেই আরেকটা ছবির মডেল হয়। আপনি মনে হয় ঠিকমতো পড়েন নাই। :(

০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক:)

০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০৪

লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা, নম্রতা-কবি।

৯. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৫
সোহানা মাহবুব বলেছেন: গল্পের থিম, সঙ্গে এর প্রাঞ্জল ভাষা আর ভাষায় জড়ানো অব্যক্ত বেদনা.......রোমান্টিকতা গল্পটিকে অসাধারণত্ব দিয়েছে।কি করে লেখেন এমন চমৎকার???
প্রিয়তে +++
০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০৪

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক অনেক, সোহানা।
শুভ বর্ষা।

০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:০৯

লেখক বলেছেন: ভাই আমি দেশে থাকি। এখান থেকে একটা মুভি ডাউনলোড করতে একসপ্তাহ লাগে। আর আমাদের দেশের বাজারে হাজার হাজারে বিদেশি লেটেস্ট মুভি সস্তায় পাওয়া যায়। এক ডিভিডিতে আটটা। ৫০ টাকা। কিংবা ভাড়া ১০টাকা।
তাও ক্লিক দিলাম।

শুভকামনা।

১১. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:২২
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: গল্পের থিম, গল্পের গাঁথুনি অসাধারণ কবি-গল্পকার নির্ঝর।

শেষটুকু খুব দারুন ভাবে শেষ করলেন।
আরো গল্প কামনা করছি.............।
০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক অনেক,

১২. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৩৫
লেফাফাদুরস্ত বলেছেন: শ্মশানের পাশ দিয়ে যেতে যেতে গোঙ্গানির শব্দ শুনলাম। দেখি, জনাকয়েক ডোম একজনের উপর ঝাপিয়ে পড়েছে। একটা শাদাশাড়ি লুটাচ্ছে কাদাজলে। আমি চমকে উঠলাম। এই তো সে! দেখলাম একজনের হাতে ঝলসে উঠছে ছুরি। আমার মুখ থেকে চিৎকার বের হলো নিজের অজান্তে

চমৎকার ঘোর। আপনাকে + দেয়ার বয়স এখনো আমার হয় নাই।
০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক অনেক।

১৩. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৪৬
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: গল্পটা অসম্ভব ধরণের ভালো লাগছে। গল্পের প্লটটা দারুণ। আনপ্রেডিক্টেবল! লিখে যান।
ভালো থাকুন।
০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক অনেক।

১৪. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬
আমি ও আমরা বলেছেন: দারুন লাগলো। এরকম আরো কটা চলুক।
০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, দাদা। ভালো থেকো।

১৫. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৩৭
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
বেশ।। তোর বন্ধু বিয়ে করেছে।।
০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: হ। মৌলবি মাসুদ আমারে ফোন দিছিলো পরদিন ভোরে।

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১৭

লেখক বলেছেন: পাঠের জন্যে ধন্যবাদ

১৬. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৪৬
নাজনীন খলিল বলেছেন:
চমৎকার!+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, দিদি। কেমন আছো?আসো না কেনো?

১৭. ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৬
আকাশ অম্বর বলেছেন:

নির্ঝর নৈঃশব্দ্যের একটি গল্প। এর ঘ্রাণ নিতে হয় চোখ বুজে।
০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫৯

লেখক বলেছেন: :)

১১ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: পাঠের জন্যে ধন্যবাদ

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, শিপন।

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মুক্তি দা।

২০. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২৫
মমমম১২ বলেছেন:

যে ভাঙ্গলো সেই আবার গড়ে দিল হুমমমম


বকুলের জন্য এখম মন আনচান করে।
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: যে গড়তে পারে সেই-ই তো ভাঙতে পারে, মম।

বকুলের জন্যে আমার সারক্ষণ মন আনচান করে। আমার সবচে' প্রিয় ফুল।

অনেক শুভেচ্ছা।
শুভ বকুল।

২১. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:০২
কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার! এক কথায় অসাধারণ! প্রিয়তে রেখে দিলাম সময়ে অসময়ে পড়ার জন্য।
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, দাদা।

২২. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪১
টুশকি বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক গ্রহণ করিতে পারিতেছি না
কমেন্ট করিতে ব্যপক ব্যস্ত
পড়িবার সময় নাই
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২০

লেখক বলেছেন: :(

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: টুশকি মণি

১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৩

লেখক বলেছেন: এটা কী, ইমো?

২৪. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৮
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এট লেখা জমে গেছে..........কোথা থেকে যে শুরু করি!

আশাকরি ভালো আছেন নৈঃশব্দ্য।
শুভেচ্ছা রেখে গেলাম।
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, সাজি।

২৫. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:২০
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: প্রকাশ ভালো লেগেছে। গল্প হিসেবে (যেহেতু ট্যাগিং করা গল্প) নিতে আপত্তি আছে; কাঠামোগত অবহেলা আছে।
===========================
বর্ষা বিষয়ক মুক্তগদ্য পাঠ করেছি, অসাধারণ।
বোনের জন্য জল জল
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫০

লেখক বলেছেন:
নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক অনেক, অভি।

আমি সাধারণত গল্প কিংবা কবিতা কিংবা গদ্যের ক্ষেত্রে প্রথাগত কোনো কাঠামোই মানি না।

___________________________________________

অ.ট. এতোদিন কোথায় ছিলেন? মিস করেছি।

২৬. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৪
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আমি বুঝতে পারছি। তবে 'গল্প' ট্যাগিং করলে মনে হয় চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে (আমি 'তিল-গপ্পো' ট্যাগিং করি)। তাই বলা, মনে কিছু নিবেন না।
কবি তো প্রথা ভাঙবেই।
রুটিরোজগারে ব্যস্ত ছিলাম। ;) আপনার লেখা-ও আমি মিস করেছি।
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০১

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ, অভি।

গল্পের নাম গল্প থাকবে।
কবিতার নাম কবিতা থাকবে।
কেবল কাঠামো ভেঙে পড়বে।
না হলে সময় থেমে যাবে।

:)

২৭. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
অদৃশ্য বলেছেন: নির্ঝর .................. লিখাটি আমার খুবই ভালো লেগেছে, চমৎকার।

চলতে পারে আরও.........

শুভকামনা...........
১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: শুভ বর্ষারাত্রি

২৮. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৬
আবু সালেহ বলেছেন:

সোজা প্রিয়তে....
অসাধারন একটা লিখা......
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
১০ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

২৯. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:১১
সবাক বলেছেন: দোস্ত....


জোসিলা হৈছে
১০ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: ধইন্যা

১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, কবি।

৩১. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫২
তাসনীম বলেছেন: অসাধারণ! এত সোন্দর্যের রহস্যটা কি?
খুবই সুন্দর লেখেন।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ, তাসনীম।

৩২. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫২
তাসনীম বলেছেন: অসাধারণ! এত সোন্দর্যের রহস্যটা কি?
খুবই সুন্দর লেখেন।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ, তাসনীম।

৩৩. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০০
তারার হাসি বলেছেন:
ধ্বংস দিয়েই যাত্রা শুরু হয়
শেষ হয় অসাধারণে ...
১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: শুভ আষাঢ়রাত্রি, তারা

১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, জামান ভাই

৩৫. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩১
শান্তির দেবদূত বলেছেন: ভাই কি লিখলেন এটা ! পুরা ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছিলাম ..... পড়া শেষে ঠাই পাঁচ মিনিট বসে ছিলাম, তারপর কমেন্ট করছি !!

মাস্টার পিস্ .....

এত সবলীল, ছন্দময় গল্প আমি এই ব্লগজীবনে পড়ি নাই ..... টুপি খুলে অভিবাদন জানাইলাম .....

ভাবছি, আপনার পরবর্তী গল্প পড়তে আসার সময় ছয় সাতটা টুপি পড়ে আসবো, এই গল্পটা পড়ে , শুধু একটা টুপি খুলে অভিবাদন জানিয়ে মন তৃপ্ত হলো না ....
১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন:
পাঠ করার জন্যে অনেক ধন্যবাদ, দেবদূত।

আপনি চাইলে আগের পোস্টের গল্পগুলিও পড়তে পারেন।

৩৬. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৮
শান্তির দেবদূত বলেছেন: সময় করে একে একে সবগুলোই পড়বো, আপাতত আপনাকে আমার ফেবারিট লিংকে যুক্ত করে রাখলাম
১১ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩২

লেখক বলেছেন: ওকে, বস্

৩৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:২৭
ফেরারী পাখি বলেছেন: দারুন তো! কোন এক ফাঁকে আমি মিস করে গেছি। সময় করে আপনার বাকী লেখাগুলো পড়ে নেব।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৩০

লেখক বলেছেন: শুভ ভোর, ফেরারী

৩৮. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯
রক্তকরবী বলেছেন: মুঠোর ভিতর কেবল ঘ্রাণটা আছে।

সুন্দর হয়েছে।
০৩ রা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: তাই নাকি কবি? তোমার নতুন কবিতা কই?

৩৯. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২১
ফিরে এসো চাকা বলেছেন:
কবি আমার অনুভূতি প্রকাশে কিছু জড়তা আছে বোধ হয়।
অনেকক্ষন ভেবেও ঠিক করতে পারিনি কিভাবে ব্যাক্ত করব নিজেকে।

শিল্পের পথে আলো জ্বলুক।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১৪

লেখক বলেছেন:
আপনি যে কবি। আপনার উপস্থিতিই আলোকিত করে সকল পথ...

শুভেচ্ছা, চাকা।

৪০. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৫
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
দাদারে, আমি ঘ্রাণগ্রস্থ হয়ে গ্যাছি...
আমি উন্মাদ হয়ে গ্যাছি...
ক্রমশই ডুবে যাচ্ছি...
অনন্তে।

+++++++++++
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। শুভরাত্রি

৪১. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩৮
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন: দাদা, তোমার লেখা বই থাকলে নামগুলো দাও। ব্লগে পড়ার চেয়ে বই-য়ে পড়ে বেশি আনন্দ পাই।

বি:দ্র: আপনি থেকে তুমিতে নেমে আসলাম, ভালোবাসে....
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন:


আমি অতি দরিদ্র এবং অখ্যাত মানুষরে দাদা। আমার কোনো বই নাই।

কবি! আপনে আমারে তুই/ তুমি যা খুশি কইবার পারেন। আমার মারেও আমি তুই কই।

৪২. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৫০
সহেলী বলেছেন: কেমন মন ভোলানো , মন দোলানো লেখা !
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৫১

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা, সহেলী

৪৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩০
পারভেজ বলেছেন: কেমন যেন ছন্নছাড়া ছন্দের গদ্য।
লেখাটা টেনে ধরে রাখে।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: পাঠ করার জন্যে ধন্যবাদ, পারভেজ।

৪৪. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩১
ভাঙ্গন বলেছেন: কীভাবে বয়ান দেব?
এত এত আচানক সব ঘটনা ঘটে গেল।
এত এত আশ্চার্য সব দৃশ্যকল্প!
অসাধারণ।

...উফ!

....
আচানক পাগলের অসাধারণ ক্ষুরধার যুক্তিগুলো...বৃষ্টির পানি কেরোসিন!
চলে যাওয়ার পথে কথকের এই যে নির্মোহ ছুটে চলা, আচানক নায়িকাকে রক্তাক্ত ছুরির নীচে দেখা,আচানক নারী হয়ে বকুলতলায় আবার দৃশ্য!!

উফ! আমি অনেকদিন এই গল্পটা পড়িনি।
এতদিন পরে পেয়েছি।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: "তুমিই তবে ভাঙনের ফুল!"

৪৫. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১১
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: বিষ্টি হইলো কেরাসিন, যতো নামে-- আগুন বাড়ে।

ডান্স উইথ ডেথ দেখতে ইচ্ছে করছে।


দাদা,এটা অ্যান্টিক পিস।আর কিছু বলার সাহস নেই।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: ডান্স উইথ ডেথ নষ্ট করে ফেলেছি

৪৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫০
ভাঙ্গন বলেছেন: আমি অপার হয়ে এর ঘ্রাণ নিতে .....এই গল্পটার পাশে বসে আছি !
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: নদীর পাড়ভাঙার ঘ্রাণ সুন্দর এবং নিঠুর

৪৭. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১১
সকাল রয় বলেছেন: সুন্দর একটা গল্প
এটা না পড়লো জানা হতোনা

কবি
আপনি কি আমার ২টি গল্প পড়ে দেখবেন আর যদি একটু বলতেন
আমার লেখায় সমস্যাটা কোথায়

১। পৌষ সংক্রান্তির ক্রান্তিকাল
২। ভালোবাসার নীল নেশায়

দেখবেন কিন্তু
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৭

লেখক বলেছেন: আপনার দুইটা লেখাই আমি পড়েছি। তবে সমস্যা বের করার ক্ষমতা আমার নেই। আপনার লেখা সম্ভাবনাময়। দেখা হয়তো অনেক কথা বলা যেতো এই বিষয়ে। আমার গল্পগুলিকে কিন্তু অনেকেই গল্প বলেন না। কেননা আমি প্রথাগত আঙ্গিকে গল্প লিখি না।
যাই হোক শুভ কামনা।

৪৮. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৯
শত রুপা বলেছেন:
মুঠোর ভিতর কেবল ঘ্রাণটা আছে
মুঠোর ভিতর কেবল ঘ্রাণটা আছে
মুঠোর ভিতর কেবল ঘ্রাণটা আছে
মুঠোর ভিতর কেবল ঘ্রাণটা আছে
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: আর কিছু নেই

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: শুভ কামনা।

৫০. ০১ লা নভেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫৫
আহাদিল বলেছেন: অদ্ভুত সুন্দর।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: শুভ বিকেল

৫১. ০২ রা জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:১৬
আহাদিল বলেছেন: আজ আবারো পড়লাম এবং নতুনের মতো করে আবারো মুগ্ধ হলাম! অসাধারণ!
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা

৫২. ০২ রা জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:৩২
রিয়েল ডেমোন বলেছেন: রাতের বেলায় একা যেতে দেয়া ঠিক হয়নাই X( X( X(
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা

৫৩. ০২ রা জুলাই, ২০১১ বিকাল ৫:৩৭
সমুদ্র কন্যা বলেছেন: এমন একটা লেখায় কি কমেন্ট করতে হয় আমার জানা নেই।

অদ্ভুত ঘোরলাগা একটা লেখা।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা

৫৪. ১১ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:০৪
ইষ্টিকুটুম বলেছেন: জাস্ট অসাধারণ এবং প্রিয়তে। ৪০ তম ভালো লাগা! :D ভাইয়া, কেমন আছ? !:#P
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা

৫৬. ২৮ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১৭
লীলা চক্রব্ত্তী বলেছেন: একদম নতুন,--------- অসাধারন, অপূর্ব একটা গল্প পাঠিয়ে আমাদের সুখী করার জন্য ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা

 

মোট সময় লেগেছে ২.৬০৯৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
_________________
সমস্ত প্রকাশিত এবং
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
© নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
nirzharnoishabdya@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ