গল্প: ঝাঁপতাল
০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩০
বৃষ্টি হচ্ছে? তাতে কী!
বলেই সে ঝুমবৃষ্টির মধ্যে নেমে গেলো। হন হন করে হেঁটে গেলো শ্মশানের দিকে। আমি তাকিয়ে আছি। আমি কি তাকে অনুসরণ করবো?
রাত সবে গাঢ় থেকে গাঢ় হচ্ছে। হয়তো দূরে কোথাও পেঁচা ডাকছে। বৃষ্টির শব্দে সে ডাক চাপা পড়ে গেছে। আমিও নামলাম বৃষ্টির মধ্যে। সে আমার বেশ খানিকটা সামনে হাঁটছে। পেছন ফিরে তাকাচ্ছে না একবারও।
কই যাস?
আমি কেঁপে উঠলাম অচেনা শঙ্কায়। পেছন ফিরে দেখি এক পাগল। মুখভর্তি দাড়ি-গোঁফ। নিঃশব্দে হাসছে। যেনো আমার চোখের ভিতর তাকিয়ে আছে।
আয় বাজান, আগুনডা নিভাইয়া দে।
কোথায় আগুন?
দেহচ না মোর সারা অঙ্গে আগুন জ্বলে। দ্যাখ, বুকের মইধ্যে দ্যাখ।
পাগলটা আমাকে জড়িয়ে ধরতে আসে; দুহাত বাড়িয়ে বলে, বিষ্টি হইলো কেরাসিন, যতো নামে-- আগুন বাড়ে। সে হাসে, হা হা হা...
বৃষ্টি আরো বাড়ে। আমি পাগলটার কাছ থেকে সরে আসি। কিন্তু সে কোথায়? তাকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। আমি হাঁটতে থাকি, আমি হাঁটতে থাকি। তার জন্যে আমার বুকের ভিতর কেমন এক হাহাকার ঘনীভূত হয়। এতোক্ষণে মনে হচ্ছে পাগলটার কথাই ঠিক, বৃষ্টি হলো কেরোসিন। আমি হাঁটছি, আমি হাঁটছি...
তার সাথে আমার প্রথম দেখা হয়েছিলো একটা আর্ট-গ্যালারিতে। একটা প্রদর্শনী হচ্ছিলো। আমারও একটা পেইন্টিং ছিলো প্রদর্শনীতে। শিরোনাম, ডান্স উইথ ডেথ। ছবিটার সামনে সে টানা কুড়িমিনিট দাঁড়িয়ে ছিলো। আমি কাছে গিয়ে বললাম, এনি থিং রঙ?
নাথিং এল্স। আপনিই আর্টিস্ট?
হ্যাঁ?
ছবিটা আমি কিনবো।
সরি। ওটা বিক্রির জন্যে নয়।
কিন্তু আমি ওটা চাই। এনি হাও।
কেনো? ওটা তো দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখার মতো নয়; যে কেউ ভয় পাবে দেখলে। এতাক্ষণে বুঝতে পারেন নি!
সে জন্যেই।
মানে!
আমি ওটা নষ্ট করবো। তার চোখে মুখে কেমন এক অস্থিরতা।
আমি অবাক হলাম, হোয়াট্স রঙ?
বললাম তো, নাথিং। বলুন, কতো দিতে হবে।
আমি তো বলেছি...
ওকে। সি য়্যু। বলেই সে বেরিয়ে গেলো। মিনিট দশেক পর যখন ফিরে এলোÑ তার হাতে একটা ক্ষুর। মুহূর্তেই আমার ক্যানভাসটা ফালি ফালি হয়ে গেলো। ডান্স উইথ ডেথ এর পরিণতিতে কেনো জানি আমার কোনো কষ্ট হলো না। আমার অবচেতন মন কি চাইছিলো ওটার এমন পরিণতি হোক?
ঠিক আটদিন পর। রাত নটা ষোলো মিনিটে সে আমার দরজায় এসে দাঁড়ালো।
আমি আপনার মডেল হবো।
আমিতো এখন আর সামনে মডেল নিয়ে ছবি আঁকি না।
তাতে কী! আঁকেন না তো, আঁকবেন।
ধৈর্যের দরকার।
সে হাসলো। এবার অন্যরকম হাসি। বুঝতে পারলাম না আমি। বললো, আপনার কী ধারণা, আমাকে দিয়ে হবে না?
না, তা নয়। তবে প্রতিদিন আসা-যাওয়া আপনার সমস্যা হতে পারে।
আসা-যাওয়ার ব্যাপারটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। এসেছি, কাজ শেষ করেই যাবো।
আমি আশ্চর্য হলাম না। সে ক্ষমতা বোধহয় অনেক আগেই হারিয়েছি। বললাম, কতোদিনের ব্যাপার ভেবেছেন?
একমাস সময় আছে আমার হাতে। একমাস মানে তিরিশদিন। জানেন তো?
আমি ঘরটা একটু গোছালাম। সে হাসলো, গোছাতে গিয়ে তো দেখি আরো অগোছালো করে ফেললেন।
আমি তার খোঁচাটা গায়ে মাখলাম না।
কেমন মডেল হতে চান?
সে তো আর্টিস্টের স্বাধীনতা...
না, আপনি যেমন চান।
তবে বতিচেল্লির যেমন মডেল... আপনি আঁকবেন ভেনাসের জন্ম।
জানলা দিয়ে হাওয়া আসছে। বেরিয়ে যাচ্ছে দরোজা দিয়ে। সে মেঝে থেকে যে সিডিটা তুলে নিলোÑ তা প্লেয়ারে চাপালে ঘরময় উস্তাদ আল্লারাখা তবলায় তুলবেন ঝাঁপতাল।
আমি ইজেলে ক্যানভাস সাঁটালামÑ পাঁচফিট বাই আট। এতোক্ষণে ঘরময় বেজে যাচ্ছে ঝাঁপতাল। বাতাস আর হাওয়া নাচছে পরস্পর।
সে বললো, এবার নাচবে ভেনাস।
ধীরে ধীরে আমার ভিতরকার কুয়াশাগুলি কেটে যাচ্ছে, আর মুগ্ধ হওয়ার ক্ষমতা ফিরে আসছেÑ আমি নির্বাক বিস্ময়ে তাকিয়ে আছি, তাকিয়ে আছি...
তার নাচ যখন শেষ হলোÑ আমার চোখ মাছের চোখ। এই প্রথম আমি তাকে আবিস্কার করলাম নিরাভরণ এবং নিরাবরণ। আর সুন্দর।
আমি ক্যানভাসে প্রথম তুলির যে আঁচড়টা দিলাম তার রঙ...
প্রথমে আমি তার চোখ এঁকেছি। তারপর চুল... ওষ্ঠাধর, চিবুক, গ্রীবা, বুক...
কুড়িদিনের মাথায় শেষ আঁচড়টা দিয়েছি তুলির।
শিরোনাম, দ্য ডান্সিং ফায়ার।
সে শাদাশাড়িটা মেঝে থেকে তুলে দেহে জড়ালো। বললো, যাই।
এই রাতে!
রাতেই তো যেতে হয়। কথাটা কেমন জানি শোনালো।
বললাম, বৃষ্টি হচ্ছে।
সে আমার কথা শুনলো না।
সেই থেকে হাঁটছি আর হাঁটছি। তার দেখা নেই। শ্মশানের পাশ দিয়ে যেতে যেতে গোঙ্গানির শব্দ শুনলাম। দেখি, জনাকয়েক ডোম একজনের উপর ঝাপিয়ে পড়েছে। একটা শাদাশাড়ি লুটাচ্ছে কাদাজলে। আমি চমকে উঠলাম। এই তো সে! দেখলাম একজনের হাতে ঝলসে উঠছে ছুরি। আমার মুখ থেকে চিৎকার বের হলো নিজের অজান্তে। দুইজন বল্লম হাতে আমার দিকে তেড়ে এলো। ভয়ে আমি কেঁপে উঠলাম।
তাড়া খেয়ে আমি ছুটছি তো ছুটছি। কতোক্ষণ মনে নেই। ঘুরপথে ছুটছি। আমার পথ ফুরোচ্ছে না। আমার ঘর আর কতোদূর?
বৃষ্টি থেমে গেছে। রাত্রি নিভে গেছে। আমি ছুটছি। পেছনে কি এখনো পদশব্দ শুনতে পাচ্ছি আমি? পেছন ফিরে তাকালাম। না, কেউ নেই। মুহূর্তের জন্যে থমকে দাঁড়ালাম। একটা দীর্ঘশ্বাস শেষ হলে দেখলাম, আমার সমুখে ভোর। ভোরের আলোয় বুঝতে পারলাম আমার পথ শেষ। আর কয়েক পা এগোলেই আমার ঘর।
আমার ঘরের দরজা হাট করে খোলা। ঘরের বাঁপাশে গাছগাছালির ভিড়ে বকুলের গাছ। বকুলতলায় কেউ।
আমি পায়ে পায়ে এগিয়ে গেলাম। আর পুনর্বার চমকে উঠলাম। সে। তার পরনে শাদাশাড়ি। শাড়িতে কাদা কিংবা রক্ত কোনোটাই লেগে নেই। আমাকে দেখে সে সোজা হয়ে দাঁড়ালো। তার আঁচলে জড়ানো বকুল। আমার চোখের ভিতর তাকালো সেÑ মুঠোভর্তি বকুল আমার দিকে বাড়িয়ে দিলো। নির্বাক আমি হাত বাড়ালাম। সে বললো, এর ঘ্রাণ নিতে হয় চোখ বুজে।
আমি চোখ বুজলাম।
চোখ খুললাম যখনÑ আমার সমুখে, আমার দশদিগন্তে কেউ নেই। মুঠো খুলে দেখি একটাও ফুল নেই।
মুঠোর ভিতর কেবল ঘ্রাণটা আছে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০২ রা অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
অসাধারণ!!!
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক
অন্য কেউ বলেছেন:
অওসাম! অওসাম! অওসাম!
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক
হাসান মাহবুব বলেছেন:
নাহ......
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক
রণদীপম বসু বলেছেন:
অদ্ভুত সুন্দর গল্প ! +++++
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
পড়ার পুরটা সময় চোখ আটকে ছিল। খুবই ভাল লেগেছে। প্লাস।
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক
না বলা কথা বলেছেন:
ইহাকেই গল্প বলে। তথাকথিত জটিল উপমায় বাহুল্য আর দূর্বোধ্য বাক্যের মারপ্যাঁচ থেকে মুক্তি দিয়ে একটি অসাধারণ গল্প উপহার দেয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক
নম্রতা বলেছেন:
০৩ নং গল্পটা থেকে বেরোতে পারছিনা ! একটা ছবি কি করে কেউ নিষ্ঠুরের মত টুকরো টুকরো করতে পারে ! শিল্পকে ডিসট্রয় করেছে এমন একটা গল্প শুনে কষ্ট পেলাম!
লেখক বলেছেন: পুরাটাই একটা গল্প কবি। যে ছবি নষ্ট করে সেই আরেকটা ছবির মডেল হয়। আপনি মনে হয় ঠিকমতো পড়েন নাই। ![]()
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক![]()
লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা, নম্রতা-কবি।
সোহানা মাহবুব বলেছেন:
গল্পের থিম, সঙ্গে এর প্রাঞ্জল ভাষা আর ভাষায় জড়ানো অব্যক্ত বেদনা.......রোমান্টিকতা গল্পটিকে অসাধারণত্ব দিয়েছে।কি করে লেখেন এমন চমৎকার???প্রিয়তে +++
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক অনেক, সোহানা।
শুভ বর্ষা।
লেখক বলেছেন: ভাই আমি দেশে থাকি। এখান থেকে একটা মুভি ডাউনলোড করতে একসপ্তাহ লাগে। আর আমাদের দেশের বাজারে হাজার হাজারে বিদেশি লেটেস্ট মুভি সস্তায় পাওয়া যায়। এক ডিভিডিতে আটটা। ৫০ টাকা। কিংবা ভাড়া ১০টাকা।
তাও ক্লিক দিলাম।
শুভকামনা।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
গল্পের থিম, গল্পের গাঁথুনি অসাধারণ কবি-গল্পকার নির্ঝর। শেষটুকু খুব দারুন ভাবে শেষ করলেন।
আরো গল্প কামনা করছি.............।
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক অনেক,
লেফাফাদুরস্ত বলেছেন:
শ্মশানের পাশ দিয়ে যেতে যেতে গোঙ্গানির শব্দ শুনলাম। দেখি, জনাকয়েক ডোম একজনের উপর ঝাপিয়ে পড়েছে। একটা শাদাশাড়ি লুটাচ্ছে কাদাজলে। আমি চমকে উঠলাম। এই তো সে! দেখলাম একজনের হাতে ঝলসে উঠছে ছুরি। আমার মুখ থেকে চিৎকার বের হলো নিজের অজান্তে চমৎকার ঘোর। আপনাকে + দেয়ার বয়স এখনো আমার হয় নাই।
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক অনেক।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
গল্পটা অসম্ভব ধরণের ভালো লাগছে। গল্পের প্লটটা দারুণ। আনপ্রেডিক্টেবল! লিখে যান।ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক অনেক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, দাদা। ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: হ। মৌলবি মাসুদ আমারে ফোন দিছিলো পরদিন ভোরে।
লেখক বলেছেন: পাঠের জন্যে ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, দিদি। কেমন আছো?আসো না কেনো?
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: পাঠের জন্যে ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, শিপন।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
খুবই চমৎকার নির্ঝর।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মুক্তি দা।
লেখক বলেছেন: যে গড়তে পারে সেই-ই তো ভাঙতে পারে, মম।
বকুলের জন্যে আমার সারক্ষণ মন আনচান করে। আমার সবচে' প্রিয় ফুল।
অনেক শুভেচ্ছা।
শুভ বকুল।
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার! এক কথায় অসাধারণ! প্রিয়তে রেখে দিলাম সময়ে অসময়ে পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, দাদা।
টুশকি বলেছেন:
নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক গ্রহণ করিতে পারিতেছি নাকমেন্ট করিতে ব্যপক ব্যস্ত
পড়িবার সময় নাই
লেখক বলেছেন: ![]()
টুশকি বলেছেন:
া*
লেখক বলেছেন: টুশকি মণি
লেখক বলেছেন: এটা কী, ইমো?
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এট লেখা জমে গেছে..........কোথা থেকে যে শুরু করি!
আশাকরি ভালো আছেন নৈঃশব্দ্য।
শুভেচ্ছা রেখে গেলাম।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, সাজি।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
প্রকাশ ভালো লেগেছে। গল্প হিসেবে (যেহেতু ট্যাগিং করা গল্প) নিতে আপত্তি আছে; কাঠামোগত অবহেলা আছে। ===========================
বর্ষা বিষয়ক মুক্তগদ্য পাঠ করেছি, অসাধারণ।
বোনের জন্য জল জল
লেখক বলেছেন:
নিবিষ্ট পাঠের জন্যে ধন্যবাদ অনেক অনেক, অভি।
আমি সাধারণত গল্প কিংবা কবিতা কিংবা গদ্যের ক্ষেত্রে প্রথাগত কোনো কাঠামোই মানি না।
___________________________________________
অ.ট. এতোদিন কোথায় ছিলেন? মিস করেছি।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আমি বুঝতে পারছি। তবে 'গল্প' ট্যাগিং করলে মনে হয় চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে (আমি 'তিল-গপ্পো' ট্যাগিং করি)। তাই বলা, মনে কিছু নিবেন না। কবি তো প্রথা ভাঙবেই।
রুটিরোজগারে ব্যস্ত ছিলাম।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ, অভি।
গল্পের নাম গল্প থাকবে।
কবিতার নাম কবিতা থাকবে।
কেবল কাঠামো ভেঙে পড়বে।
না হলে সময় থেমে যাবে।
অদৃশ্য বলেছেন:
নির্ঝর .................. লিখাটি আমার খুবই ভালো লেগেছে, চমৎকার।চলতে পারে আরও.........
শুভকামনা...........
লেখক বলেছেন: শুভ বর্ষারাত্রি
আবু সালেহ বলেছেন:
সোজা প্রিয়তে....
অসাধারন একটা লিখা......
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধইন্যা
তমিজ উদ্দীন লোদী বলেছেন:
এক কথায় চমৎকার।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, কবি।
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ, তাসনীম।
লেখক বলেছেন: নিবিষ্ট পাঠের জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ, তাসনীম।
লেখক বলেছেন: শুভ আষাঢ়রাত্রি, তারা
আহসান জামান বলেছেন:
অনন্য।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, জামান ভাই
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
ভাই কি লিখলেন এটা ! পুরা ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছিলাম ..... পড়া শেষে ঠাই পাঁচ মিনিট বসে ছিলাম, তারপর কমেন্ট করছি !!মাস্টার পিস্ .....
এত সবলীল, ছন্দময় গল্প আমি এই ব্লগজীবনে পড়ি নাই ..... টুপি খুলে অভিবাদন জানাইলাম .....
ভাবছি, আপনার পরবর্তী গল্প পড়তে আসার সময় ছয় সাতটা টুপি পড়ে আসবো, এই গল্পটা পড়ে , শুধু একটা টুপি খুলে অভিবাদন জানিয়ে মন তৃপ্ত হলো না ....
লেখক বলেছেন:
পাঠ করার জন্যে অনেক ধন্যবাদ, দেবদূত।
আপনি চাইলে আগের পোস্টের গল্পগুলিও পড়তে পারেন।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
সময় করে একে একে সবগুলোই পড়বো, আপাতত আপনাকে আমার ফেবারিট লিংকে যুক্ত করে রাখলাম
লেখক বলেছেন: ওকে, বস্
লেখক বলেছেন: শুভ ভোর, ফেরারী
লেখক বলেছেন: তাই নাকি কবি? তোমার নতুন কবিতা কই?
ফিরে এসো চাকা বলেছেন:
কবি আমার অনুভূতি প্রকাশে কিছু জড়তা আছে বোধ হয়।
অনেকক্ষন ভেবেও ঠিক করতে পারিনি কিভাবে ব্যাক্ত করব নিজেকে।
শিল্পের পথে আলো জ্বলুক।
লেখক বলেছেন:
আপনি যে কবি। আপনার উপস্থিতিই আলোকিত করে সকল পথ...
শুভেচ্ছা, চাকা।
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
দাদারে, আমি ঘ্রাণগ্রস্থ হয়ে গ্যাছি...
আমি উন্মাদ হয়ে গ্যাছি...
ক্রমশই ডুবে যাচ্ছি...
অনন্তে।
+++++++++++
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। শুভরাত্রি
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
দাদা, তোমার লেখা বই থাকলে নামগুলো দাও। ব্লগে পড়ার চেয়ে বই-য়ে পড়ে বেশি আনন্দ পাই।বি:দ্র: আপনি থেকে তুমিতে নেমে আসলাম, ভালোবাসে....
লেখক বলেছেন:
আমি অতি দরিদ্র এবং অখ্যাত মানুষরে দাদা। আমার কোনো বই নাই।
কবি! আপনে আমারে তুই/ তুমি যা খুশি কইবার পারেন। আমার মারেও আমি তুই কই।
সহেলী বলেছেন:
কেমন মন ভোলানো , মন দোলানো লেখা !
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা, সহেলী
লেখক বলেছেন: পাঠ করার জন্যে ধন্যবাদ, পারভেজ।
ভাঙ্গন বলেছেন:
কীভাবে বয়ান দেব?এত এত আচানক সব ঘটনা ঘটে গেল।
এত এত আশ্চার্য সব দৃশ্যকল্প!
অসাধারণ।
...উফ!
....
আচানক পাগলের অসাধারণ ক্ষুরধার যুক্তিগুলো...বৃষ্টির পানি কেরোসিন!
চলে যাওয়ার পথে কথকের এই যে নির্মোহ ছুটে চলা, আচানক নায়িকাকে রক্তাক্ত ছুরির নীচে দেখা,আচানক নারী হয়ে বকুলতলায় আবার দৃশ্য!!
উফ! আমি অনেকদিন এই গল্পটা পড়িনি।
এতদিন পরে পেয়েছি।
লেখক বলেছেন: "তুমিই তবে ভাঙনের ফুল!"
ডান্স উইথ ডেথ দেখতে ইচ্ছে করছে।
দাদা,এটা অ্যান্টিক পিস।আর কিছু বলার সাহস নেই।
লেখক বলেছেন: ডান্স উইথ ডেথ নষ্ট করে ফেলেছি
ভাঙ্গন বলেছেন:
আমি অপার হয়ে এর ঘ্রাণ নিতে .....এই গল্পটার পাশে বসে আছি !
লেখক বলেছেন: নদীর পাড়ভাঙার ঘ্রাণ সুন্দর এবং নিঠুর
সকাল রয় বলেছেন:
সুন্দর একটা গল্প এটা না পড়লো জানা হতোনা
কবি
আপনি কি আমার ২টি গল্প পড়ে দেখবেন আর যদি একটু বলতেন
আমার লেখায় সমস্যাটা কোথায়
১। পৌষ সংক্রান্তির ক্রান্তিকাল
২। ভালোবাসার নীল নেশায়
দেখবেন কিন্তু
লেখক বলেছেন: আপনার দুইটা লেখাই আমি পড়েছি। তবে সমস্যা বের করার ক্ষমতা আমার নেই। আপনার লেখা সম্ভাবনাময়। দেখা হয়তো অনেক কথা বলা যেতো এই বিষয়ে। আমার গল্পগুলিকে কিন্তু অনেকেই গল্প বলেন না। কেননা আমি প্রথাগত আঙ্গিকে গল্প লিখি না।
যাই হোক শুভ কামনা।
শত রুপা বলেছেন:
মুঠোর ভিতর কেবল ঘ্রাণটা আছে
মুঠোর ভিতর কেবল ঘ্রাণটা আছে
মুঠোর ভিতর কেবল ঘ্রাণটা আছে
মুঠোর ভিতর কেবল ঘ্রাণটা আছে
লেখক বলেছেন: আর কিছু নেই
লেখক বলেছেন: শুভ কামনা।
আহাদিল বলেছেন:
অদ্ভুত সুন্দর।
লেখক বলেছেন: শুভ বিকেল
আহাদিল বলেছেন:
আজ আবারো পড়লাম এবং নতুনের মতো করে আবারো মুগ্ধ হলাম! অসাধারণ!
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা
জলমেঘ বলেছেন:
অদ্ভুত সুন্দর
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা
লীলা চক্রব্ত্তী বলেছেন:
একদম নতুন,--------- অসাধারন, অপূর্ব একটা গল্প পাঠিয়ে আমাদের সুখী করার জন্য ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

























.jpg)


