পত্রিকার সংবাদে জানা যাচ্ছে যে, আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অ্যাডভোকেট সুলতানা কামালকে প্রার্থী হিসেবে দলীয় সমর্থন করতে পারে।
সর্বত্র সরব আলোচনা না হলেও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মহলে বিষয়টি এখন কম-বেশি আলোচিত। ডিসিসির নির্বাচন যতো কাছে আসছে এ আলোচনাও আস্তে আস্তে ডালপালা ছড়াচ্ছে। খুব সম্ভবত 'বাল' থেকে কাউকে মনোনয়ন না দিয়ে এই মহিলাকে মনোনয়ন দিয়ে হাসিনা দলের ভেতরকার চাপ থেকে মুক্ত হতে চান।
আইন ও সালিস কেন্দ্রের (আসক) নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল ২০০৬ সালে ড. ইয়াজউদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হয়ে এবং কয়েক মাসের মাথায় পদত্যাগ করে জাতীয়ভাবে অন্যরকম এক অবস্থান তৈরি করেন। অবশ্য আগে থেকেই তার ইতিবাচক 'বাল'-পন্থী অবস্থান ছিল, এখনো তা আছে।
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের, মানবাধিকার রক্ষা এবং নারী জাগরণের অসাম্প্রদায়িক শক্তিসমূহের মাঝেও তার অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ়। বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও তার ব্যক্তিগত সুসম্পর্কের কথা কম-বেশি সকলেরই জানা।
তাছাড়া শেখ হাসিনা যে নীতি-নৈতিকতা ও বিবেচনার ভিত্তিতে এবার তার মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেছেন ও সরকার পরিচালনা করছেন সেটির সঙ্গেও ইতিবাচক ইমেজধারী সুলতানা কামালের নাম বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সুলতানা কামাল [ প্রয়াত কবি বেগম সুফিয়া কামালের কন্যা ] যখন হিন্দু এক ভদ্রলোক-কে বিয়ে করে, তার ঘরে গৃহিনী হবার পরে সিদুঁর পরে পুজা-অর্চনা করতেন, মা জীবিত থাকতে মা-র বাড়িতে ঢুকতে পারেন নাই, এখন এতো বড় বুদ্ধিজীবি হয়ে গেলেন কি ভাবে? আর তিনি যে 'বাল' গোষ্ঠিভুক্ত সেটা নতুন কিছু তো নয়।
তবে এমন ব্যক্তিজীবনে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে শেখ হাসিনা আশা করি মনোনয়ন দিবেন না।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



