somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শৈশব আমায় এখনো টানে-১

১৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ক্লান্ত শরীর নিয়ে রাতে যখন ঘুমিয়ে পড়ি তখন আমি তখন ঘুমের মধ্যে হাটি হাটি পা পা করে হেটে যাই শৈশবে।
দুরন্ত শৈশব আমায় এখনও টানে । আবার যদি ফিরে পেতাম শৈশব কত মজাই না হত । ত্প্ত রোদে দিনমান ঘুড়ে বেড়ানো, দিনভর পুকুরো ডুবাডুবি, ডোবা গুলোতে ভরে থাকা বৈশাখের প্রথম বৃষ্টি আর জোয়ারে পানিতে সেকি ডুবাডুবি। কারো বারন মানতে চাইত না মন। চোখ লাল হয়ে যেতে, ঠান্ডায় শরীরে হিম ধরে যেত । কখনও বা কাপুনি দিয়ে গায়ে জ্বর আসত। কাউ বলার সাহস হতো না জ্বর এসেছে। তখন বারণ শুনিনি তাই এখন জ্বর সইতে হত লুকিয়ে লুকিয়ে। মা গায়ে হাত দিয়ে বলত গা তো জ্বরে পুড়ে গেল আর কত জ্বলাবি, বল।
দুইদিন জ্বরে ভোগার পর তৃতীয় দিন আব্বা মেডিসিন নিয়ে আসত। স্কুলের শিক্ষকরাও ছুটি আসত প্রতিদিন যে ছেলেটি স্কুল আসত সে কেন স্কুল আসছে না তিনদিন।
লেপ মুড়ি দিয়ে ঘুমালে আচমকা ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেয়। কি এক টেক নিক আবিস্কার করে ছিলাম তখন। বিকেলে স্কুল মাঠে নানা বয়সি ছেলেরা বসত আসর পেতে । ক্রিকেট, ফুটবলের অত নিয়ম কানুন মাথায় ডুকত না। হাউ ইজ দ্যাটকে শুনে শুনে বলতাম। আউস দ্যাট আমপিয়ার। আমাকে কেউ খেলতে নিত না শুধু খাটাত । বল পানিতে পড়ে গেলে তা তোলার দায়িত্ব আমার । কচুরি পানায় আর কচু বনে বল খুজতে হত । হঠাত চিৎকার দিয়ে বলতাম.......ইউরেকা পেয়েছি। কিন্তু আসলে বল পাইনি। এমনি মজা করতাম। কেউ ভাবত পেয়েছি। কেউ ভাবত লুকিয়ে রেখে মিথ্যা কথা বলছি। ফিল্ডিংয়ের পর সবার শেষে বেটিং পেতাম। আমাকে দিত হালকা বল। বলত, মার জোরে ।
উঠত কেচ। এর পর আউট। হায়রে সখের বেটিং
বেশীভাগ সময় সহযোগী খেলোয়রের রান সংগ্রহের জন্য রানা হয়েছি। এরপর খেলা প্রতি চরম বিরাগ দেখা দেয়। আবার বিকেলে ভাইয়া ও আব্বার চোখকে ফাকি দিতে হতো ।
ঘুম থেকে জেগে কিছুক্ষন চুপচাপ থাকি ঘুমের জগত আর বাস্তবের মিল খোজার জন্য। তারপর ব্রাশ নিয়ে বাথরুমে। আর এভাবে এক একটি দিনের শুরু। জীবনের পরিনতির দিকে এগিয়ে যাওয়া। শুধুই যাওয়া।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০৪
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯


শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।

রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।

বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×