যুদ্ধশিশু '৭১ এবং আমার অভিজ্ঞতা ...
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:২৩
যুদ্ধশিশু '৭১ এবং আমার অভিজ্ঞতা...
প্রিয় এই গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ বাংলাদেশ্। এদেশের হাজার বছরের লাখো লাখো শহীদের রক্তস্রোত প্রবহমান তেরোশ' নদীর জলে। হাজার হাজার লাঞ্ছিত-ধর্ষিত মা-বোনের কাপড় যেন এদেশের মৃত্তিকা আর প্রতিদিন বঙ্গভবন, প্রধান উপদেষ্টার ভবন থেকে শুরু করে একজন রহম আলীর রিকসার সামনের চাকার উপরে ওড়ে যে প্রিয়তম লাল- সবুজ পতাকা;তা হলো একাত্তরের 'যুদ্ধশিশু'দের অস্তিত্বের আব্রু।
বাংলাদেশ এখন ৩৭ বছরের তরতাজা তরুন। অথচ ইতিহাসের নির্মমতা এতই প্রবল- এখনো পর্যন্ত আমরা যুবক ' বাংলাদেশের' সামগ্রিক পরিচয় তুলে ধরতে পারিনি। খোঁজ রাখিনি বাংলাদেশের সহোদর 'যুদ্ধশিশু'দের। বাংলাদেশের জন্মযন্ত্রনা আর যুদ্ধশিশুদের জন্মযন্ত্রনা সমার্থক। আর কবছর পর স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তি পালিত হবে। এরকম বাস্তবতায় আমাদের সামনে বাংলাদেশের পরিচয়ের নতুন সমুপস্থিত। আমরা কী পারবো সেই পাঠের প্রতিটি পৃষ্ঠায় নিজেদের বোধ,বুদ্ধি, বিবেচনা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের অন্তর্গত চেতনার পরিচয় তুলে ধরতে?
এই প্রশ্নের জবাবের প্রত্যাশায় ইতিহাসের এক বিস্মুত প্রায় অধ্যায় ''যুদ্ধশিশূ'৭১''
নিয়ে ১৯৯৮ সালে ব্রতী হয়েছিলাম অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনায় । সে সময় বেরিয়ে আসে রোমহর্ষক এবং বিস্ময়কর সব তথ্য । যা প্রথমে সাপ্তাহিক প্রতিচিত্র এবং পরবর্তীতে দৈনিক আজকের কাগজে ছাপা হয়। বোধগম্য কারণেই তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরী হয় পাঠক মহলে। যদিও মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারী রাজনৈতিক দলটি সেময় বাংলাদেশের
রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকলেও,যুদ্ধশিশুদের প্রশ্নে কোনো রকম উদ্যোগ গ্রহন করেনি।
তারপর শীতলক্ষায় আরো অনেক জল গড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর অংশিদারিত্ব এসেছে। এমন কী এই সামহোয়ার ইন ব্লগে যুদ্ধাপরাধী- রাজাকারদের ভাবশিষ্যদের (মাঝে মাঝে) আস্ফালন দেখে মনে হয়েছে, সেই বিস্মৃতপ্রায় অধ্যায়ের উন্মোচন কাহিনীটি আবারো তুলে ধরি।
'আল্লার ঘর '-এ পাশবিকতার রক্তছাপ কিংবা বর্বরদের স্বরূপ অন্বেষায়....
টুপটাপ ঝরে নৈঃশব্দের শিশির
ঝরে বেনারসি বকুল,
জরায়ুর প্রতি ফোটা রক্তজলে
জ্বলে আমার জন্মের এলান-
করবে কি তুমি,'কবুল কবুল'!?
দৃশ্যপট- এক.
১৯৭১। বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হতে আর মাত্র ৬ দিন বাকী। যশোরের মাহমুদপুর-ঘোনা- আলীপুর- অঞ্চল মুক্ত করে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনী গ্রামের মেঠোপথ ধরে এগুচ্ছেন। দলনেতা বিশ্রাম সিং নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করছেন।হঠাৎ তিনি লক্ষ্য করলেন , দূরে সড়কে দশ-পনেরজন পৌড়ের জটলা।হাত উঁচিয়ে থামতে বলছেন। কিছু শংকা, কিছু কৌতুহল।
কোনো ফাঁদ নয়তো। প্রাষঙ্গিক প্রস্তুতি নিয়ে একটৃ দুরুত্বেই ব্রেক কষলেন তিনি। দৌড়ে এলেন সে-ই দশ-বারো জন।
হাউ-মাউ করে কাঁদতে শুরু করলেন। কান্নার গমকে থমকে থমকে যা জানা গেলো, তা হলো- গ্রামের একমাত্র মসজিদ তথা ' আল্লার ঘর '-এ আটক রয়েছে এ গাঁয়ের অধিকাংশ মেয়ে গত ৭ মাস ধরে। ঐ মসজিদই হচ্ছে পাকিস্তানি সৈন্য দের ক্যাম্প। গ্রামের মানুষ তখনো জানে না, কেমন আছে তাদের সন্তানেরা।
এ সংবাদ শোনা মাত্রই জ্বলে উঠলেন জীপে বসা বীর মুক্তিযোদ্ধারা। অস্ত্র তাক করেতাঁরা ছুটলেন সেই মসজিদের দিকে।
পেছনে পেছনে গ্রামবাসি।
সুড়কি উঠা এবড়ো থেবড়োগ্রামের সেই 'বনেদী মসজিদ'টির কাছাকাছি অবস্থানে মুক্তিযোদ্ধারা যে যার মতো পজিশন নিলেন। ফায়ার চললো প্রায় আধঘন্টা টানা। কিন্তু বিপরীত দিক থেকে কোনো জবাব পাওয় গেলো না। বরং যেন খুউব ক্ষীণ সুরে কান্নার মতো শব্দ ভেসে আসতে লাগলো ।
সবার আগে ছুটে গেলেন সেই বৃদ্ধ, যে হাত উচিয়ে থামিয়ে ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের।
বিস্ময়ে বিমূড় হয়ে গ্রামবাসী শুনলেন, বৃদ্ধের আর্তচিৎকার।
'হায়!হায়!ইয়া আল্লা,ইয়া মাবুদ.. হার্মাদরা কী করছে আমার মায়েরে'
মসজিদের ভেতর পাওয় গেল সেই গ্রামের ১১জন কন্যা।
যাঁরা প্রত্যেকই ছিলেন বিবস্ত্র।
মসজিদের মেঝেতে লেগে থাকা শুকিয়ে যাওয়া কালচে রক্ত সাক্ষ্য বহন করছিলো পাশবিক নির্যাতনের। দাঁড়াবার মতো শক্তি ছিলোনা সেই সব বোনদের।যুদ্ধেরে সাত মাস ধরে মসজিদ তথা 'আল্লার ঘর' এর পবিত্র আঙিনায় পাকিস্তানি নরপশুরা পালাক্রমে ধর্ষন করেছে ওঁদের।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধশিশু, নারী নির্যাতন, রাজাকার, পাকিস্তন সেনাবাহিনী ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ্
মাহমুদপুর এলাকার কাছাছি কোনো একটা গ্রামে।এই ঘটনার মূলভাষ্যকার নিজেও গ্রামটির নাম জানাতে পারেন নি।
লেখক বলেছেন: ধর্ষন ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। তা মসজিদেই হোক আর অন্য যে কোনো জায়গাতেই হোক।
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন:
এই রকম অনেক ঘটনা ঘটেছে। এ রকম হাজার হাজার মা-বোনের সন্মানের বিনিময়ে আমরা আজ স্বাধীন। কিন্তু ভাই একটা কথা। "'আল্লার ঘর' এর পবিত্র আঙিনায় পাকিস্তানি নরপশুরা পালাক্রমে ধর্ষন করেছে ওঁদের।"
এই "আল্লাহর ঘর" এই কোটেশন টা মনে হয় বাদ দেয়াই ভালো হবে। কারন মসজিদেই যে ঘটনাটি ঘটেছে তার পরিস্কার রেফারেন্স আপনি দিতে পারছেন না। আবার "আল্লাহর ঘরে ধর্ষন ঘটেছে" এই ধরনের কথাতে অনেকের সেন্টিমেন্টে লাগতে পারে।
আমরা জানি এমন হাজারো মা-বোনের সন্মানের বিনিময়ে আমাদের আজকের এই স্বাধীনতা। কিন্তু এখানে আল্লাহ কে টেনে এনে ধর্মীয় উস্কানীর গন্ধ ছড়িয়ে আপনার এই লেখাটাকে আপনি নিজেই কি ছোট করে ফেলছেন না?
একলব্য১৯৭১ বলেছেন:
আমি নরখাদক নই।ক্যানিবলদের কথা পড়ে আমি শিউরে উঠেছিলাম।কিন্তু যখন ৭১ এ আমাদের উপর অত্যাচারের কথা জানতে পারি এরকম লেখাগুলো পড়ে,আমার কিছুটা আফসোস হয়-যদি নরখাদক হতাম তাহলে এসব নরপশুদের মাংস জীবন্ত অবস্থায় গা থেকে কেটে কেটে তাদের সামনেই ঝলসে খেতে পারতাম হয়তোবা।
লেখক বলেছেন: @ একলব্য , আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। অপেক্ষা করুন আরো কিছু ভয়াবহ সত্য ঘটনা তুলে ধরবো। আর এই ধর্ষনের ফলে জন্ম নেয় শিশুরাই যুদ্দ শিশু। তাদের কয়েক জনের কথা এবং বর্তমান অবস্থান তুলে ধরার প্রত্যাশায় এই লেখার শুরু...
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
নীলিমা ইব্রাহীমের 'আমি বীরাঙ্গণা বলছি'র কথা মনে পড়ে গেল।
লেখক বলেছেন: ড.নিলীমা ইব্রাহিমের সাক্ষৎকারও সে সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু পত্রিকার মালিক কর্তৃপক্ষ পুরোপুরি তা সে সময় ছাপতে সাহস পায় নি অথবা অন্য কোনো কারনে ছাপে নি।
কথা দিচ্ছি টেপ রেকর্ডারে ধারন করা সেই সাক্ষাৎকারচট পুরোপুরি ব্লগের পাঠক দের জন্য খুব শিগরিই তুলে ধরবো।
একলব্য১৯৭১ বলেছেন:
মোস্তাফিজ ভাই, আমারো।গা শিউরে ওঠে পড়লে। আর আমাদের দেশি কিছু বরাহশাবক এই পাকি প্রভূদের "আদর্শে" আজও বিশ্বাস রাখে, এরাই আবার লাল-সবুজ পতাকা গাড়িতে লাগায়।হে মোর দুর্ভাগা দেশ!
নজরুল কবীর বলেছেন:
না, আমি কোনো ধর্মীয় উস্কানি দেয়ার জন্য এই কোটেশন ব্যবহার করিনি।আর রেফারেন্স দিয়েছি। যশোরে মাহমুদ এলাকার কাছে কোনো একটি গ্রাম। এই গ্রামের সুনির্দিষ্ট নাম বলেননি অথবা জানেন না হয়তো এই ঘটনার ভাষ্য দেয়া মুক্তিযোদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের দলিল-পত্র, যা সরকারি ভাবে প্রকাশিত, একটু ঘাটেন, আরো অনেক রেফরেন্স পেয়ে যাবেন।
গ্রামের মানুষরা মসজিদকে আল্রার ঘর বলে। ছোটেবেলায় অমার বাবা-মাও এভাবেই আমাকে মসজিদ চিনিয়ে ছিলেন। আমিও আমার সন্তানকে এভাবেই চিনিয়েছি।
সত্য এতটাই নির্মম যে, ইসলামের ধ্বজাধারী পাকিস্তানী সেনাবাহিনী মসজিদকেও নির্যাতনের স্থান হিসেবে ব্যবহারে কুন্ঠা বোধ করে নি।
যে অর্থে আপনি বলছেন সেন্টিমেন্টে লাগতে পারে, তা তো অস্বাভাবিক নয়। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আর তাদের দোসর রাজাকার আলবদররা এতটাই বর্বর যে, আপনি আরো কিছু গটনার কথা জানলে শিউরে উঠবেন। অপেক্ষা করুন। খুব শিগগিরই জনাবো রাজাকার কন্যার 'বীরাঙ্গনা'হয়ে ঘটনা।
লেখক বলেছেন: উপরের জবাবটি নাহিদের উদ্দেশ্রে লেখা।
ফারুক আহেমদ রনি বলেছেন:
খুব ভাল লাগছে আপনার গল্প.. কিন্তু মন খারাপও লাগছে.. আমি আপনার লেখা পড়বো, কারন আমার মনে হয় আমি অনেকটা উপকৃত হবো।
আমার সাইটে একটু ঘুরে দেখবেন এবং জয়েন করবেন. আিম কিছু কাজ করছি..
যুদ্ধ শিশু নিয়ে...
Click This Link
নজরুল কবীর বলেছেন:
@ফারুক আহমেদ রনি,ফেসবুকে আমি আপনাদের গ্রুপ মেম্বার আগে থেকেই।
আর এটা কোনো গল্প নয়।আমি আরো কযেকটি সত্য ঘটনা উল্লেখ করবো।তারপর যুদ্ধশিশুদের কথা জানাবো্
আমি একজন যুদ্ধশিশু এবং আরেক যুদ্ধশিশুর পালক মা'র সাক্ষাতকার নিয়েছিলাম সে সময়।
সবই ব্লগে পোষ্ট করবো ধীরে ধীরে। অপেক্ষা করুন। এছাড়া খবর দিবো কমপক্ষে দশজন যুদ্ধশিশুর বর্তমান অবস্থানের।
মন্তব্যের জন্য অভিবাদন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
মোঃ আমিন বলেছেন:
আরো লিখা চাই......।
লেখক বলেছেন: খুব শিগগিরইআরো কিছু লেখা লিখবো এ সংক্রান্ত। আপনাকে ধন্যবাদ
সৌম্য বলেছেন:
হারামজাদা গুলারে এখনো বিচার করার সময় আছে। কাউরে না পাই গোলাম আযম নিজামীদের মুখে থু থু দিতে চাই
নজরুল কবীর বলেছেন:
অবশ্যই বিশেষ ট্রাইবু্নাল করে এদেশে রাজাকার এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে।
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
অথচ কী আশ্চর্য ! এই সব নরাধম, পাপী, কুলাঙ্গার, ধর্ষক, রাজাকার আর তাদের ছানাপোনাদের সাথে নিয়ে শুধুমাত্র ক্ষমতায় যাবার জন্য আমাদের দুই প্রধান দল (আমি তাদের ধিক্কার জানাই) একসাথে আলোচনায় বসে। অবশ্যই বিশেষ ট্রাইবু্নাল করে এদেশে রাজাকার এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে, হতেই হবে।
ধন্যবাদ কবীর...
লেখক বলেছেন: মেসবাহ ভাই, মন্তব্যের জন্য অভিনন্দন।
অন্ততঃ আমরা যদি সক্রিয় থাকি, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ,নূন্যতম আমাদের সন্তানদের যৌবন দিয়ে হলেও এ দেশে রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা সম্ভব হবে।
ফারুক আহেমদ রনি বলেছেন:
ধন্যবাদ। আমি খুশি হলাম জেনে যে আপনি ফেসবুকে আমাদের গ্রুপ মেম্বার আছেন। আমি আশা করবো আপনি আমাদের গ্রুপে আপনার লেখা সম্পর্কে ও লিংক করে দেবেন.. ওখানকার সদস্যরা উপকৃত হবে, অনেক জানতে পারবে। আমি সত্যি হতবাক! আমি অনেক কাজ করেছি এ বিশয়টি নিয়ে.. বিশেষ করে বাহিরে থাকা একাত্তোরের যুদ্ধশিশুদের নিয়ে।প্লিজ আপনার কমেন্টসও লেখা শেয়ার কবরেন..
লেখক বলেছেন: চেষ্টা করবো শেয়ার করতে।
দেখুন বৃটেনে যত সহজে কাজ করা যায় , এখানে এরকম একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে কাজ করা ঠিক ততটা পরিমানেই কষ্ট কর।
তবু চেষ্টার অন্তঃ থাকবে না, এতটুকু কথা দিতে পারি।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
মাইনাস দিল কোন "............(একটা ভয়াবহ গালি দিলাম)" ?
এই হল পাকিস্তানের ধর্মযুদ্ধ ।
+ এবং প্রিয়তে ।
বিরক্তিকর বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রিয়তে রাখায়।
নজরুল কবীর বলেছেন:
@ সিহাব চৌধুরী, মাইনাস কারা দিতে পারে বুঝতেই পারছেন।যারা মগজে ও মননে এখনো পাকিস্তান সেনাবাহিনী,জামায়াতে ইসলামী ও রাজাকার -আলবদরদের চেতনা ধারন করে, তাদেরই গাত্রদাহ হয়। আর তখন মাইনাস দেয়। কিন্তু মুক্তির যে যুদ্দ তা যে এখনো আমরা শেষ করিনি, তা হয়তো তারা ভুলে গেচে। একটি দুটি মাইনাস রেটিং-এ, অন্তর্গত বোধে ওদের প্রতি যে তীব্র ঘৃণা- তা তো আর মাইনাস হয় না ।
বরং প্রতিশোধের আগুন জ্বলে আরো তীব্রতায় !
প্রিয়তে রাখার জন্য কৃতজ্ঞতা।
একলব্য১৯৭১ বলেছেন:
পাকি ক্রস স্পার্ম বেজন্মাগুলো মাইনাস দেয়, আর কে মাইনাস দিবে এই পোস্টে? সোজা প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রিয়তে রাখার জন্য।
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
এরকম একটা গুরুত্বপূর্ণ লেখা ভোর সাড়ে চারটায় পোস্ট করার মানে কি? তখন তো পড়ার মতো কেউ থাকে না। যাহোক, লেখাটা কন্টিনিউ করিস। দয়া করে আর আলস্য করিস না! তোর এই কাজটার জন্য আগেও স্যালুট করেছি, আবারও স্যালুট।
লেখক বলেছেন: দোস্ত, আমি তো একটু অলসই।
তবে একটা ঘোরের মধ্যে পইড়া গেছিলাম্ । তাই ভোর রাত্রেই লেখা ক্ষ্যান্ত দিতে হইছিলো। মাইন্ড করিস না। পোষাইয়া দিমুনে।
ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ বলেছেন:
অপেক্ষায় থাকলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, থাক অপেক্ষায়। সবুরে মেওয়া ফলে ।
শোকেসে তুলে রাখলাম......পরবর্তী কিস্তিগুলো পড়তে যাতে ভুলে না যাই সে জন্য................
অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম আপনাকেও।
নাসিমূল আহসান বলেছেন:
ভিন্ন আলোচনা : আশা করি বিরক্তির উৎপাদন হবে না। মিডিয়া দখল নিয়ে বসে আছে আমাদের সমগ্র মানসিক মানচিত্রের। নির্মান ও বদলে দিচ্ছে আমাদের আচরনের কাঠামো। ভাবনার জগত। সাংস্কৃতিক প্রতিবেশ। মূলধারার মিডিয়াগুলো উপকারের বানী প্রচার করছে যত্রতত্র। তথ্য দিয়ে,সেবা দিয়ে ধন্য করেছ আমাদের! সেবাপরায়নতার মুখোশে গড়ে তুলছে মানসিক সাম্রাজ্যবাদ। মুনাফা আর লাভালাভির হিসাব কষতে গিয়ে ক্ষতি করছে গণমানুষের। আমরা সেই ক্ষতি সম্পর্কে অবহিত করতে চাই সবাইকে। চাই মিডিয়ার ধান্দাবাজি সম্পর্কে মিডিয়া ভোক্তাশ্রেণীর মধ্যে সচেতনতা নির্মান করতে। চাই ভোক্তাদের মধ্যে উত্থান হোক একটি সংগঠিত শক্তির; যারা মিডিয়াকে বাধ্য করবে গনমানুষের কাছে যেতে। নির্মান করতে চাই মিডিয়া সম্পর্কিত বাহাস ও যুক্তির নতুন বয়ান।
আমাদের এই স্বপ্ন বোনার কাজে আপনাকে পাশে চাই আমরা। প্রত্যাশা করি আপনার সরব উপস্থিতি । তাই মিডিয়া সম্পর্কিত নতুন গ্রুপ
' মিডিয়া : পাঠ ও আলোচনা '-এ আপনার অন্তুর্ভুক্তি কামনা করছি।
ভালো থাকবেন । শারদীয় শুভেচ্ছা।
লিংক : "মিডিয়া : পাঠ ও আলোচনা"
http://www.somewhereinblog.net/group/mediapoa
লেখক বলেছেন: উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ।
সাধ্য, সামর্থ এবং জীবিকার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে চেষ্টা করবো পাশে থাকতে।
সৈ ক ত হা বি ব বলেছেন:
বন্ধু, তোমাকে বিশেষভাবে অভিনন্দন, এমনটি একটি প্রাসঙ্গিক ও জরুরি বিষয় উপস্থাপনের জন্য।ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাও।
আর নীলিমা ইব্রাহিমের সাক্ষাৎকারটাও পড়তে চাই, শিগরিগরই।
ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। চেষ্টা করবো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব লেকা পোষ্ট করতে পারি।
মনজুরুল হক বলেছেন:
আপনার কথা ছিল লেখাটার কন্টিন্যুটি রাখার জন্য। কই? আলসেমীর ও একটা মাত্রা থাকে !! জলদি ছাড়ুন.....অভিনন্দন।
অপেক্ষায় থাকলাম।
শায়েরী বলেছেন:
খুবই খারাপ লাগছে !
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















..................................................................................................
খুব জঘন্য অপরাধ। আরো খারাপ লাগে এই ভেবে যে এই জামাতীদের গাড়ীতেই ফ্ল্যাগ ঝোলে। বিশেষ খারাপ লাগলো মসজিদে ঘটনাটা ঘটেছে দেখে। ভাই কোন এলাকার ঘটনা এটা? রেফারেন্স টা বলেন কাইন্ডলী।