এমএলএম প্রতারণা
ব্যবসা করবেন ব্যবসা? এমএলএম ব্যবসা?
মাল্টিলেভেল মার্কেটিংয়ের একটি চমৎকার উদাহরণ হিসেবে বলা হয় আপনি একটা পণ্য
ব্যবহার করলেন এবং আপনার ভাল লাগলে সেটা অন্যজনকে ব্যবহার করতে উৎসাহিত
করলেন। যেমন একটা মুভি আপনার ভাল লাগল। সেটা আপনার বন্ধুকেও দেখতে বললেন।
এভাবে পরোভাবে আপনি মুভিটির প্রচারণা / অ্যাডভার্টাইজ করলেন কিন্তু ঐ মুভির সংগে
জড়িত কেউ আপনাকে কোন কমিশন দিলনা। কিন্তু মাল্টিলেভেল মার্কেটিংয়ে আপনাকে
একটা পণ্যর গুনগত মান অন্যকে প্রচার করলে বিনিময়ে ঐ পণ্যর মালিক আপনাকে একটি
নির্দিষ্ট কমিশন দিবে। এতে আপনারও লাভ এবং পণ্য মালিকের লাভ। কিন্তু আপনাকে জোর
করে যদি একটা নির্দিষ্ট পণ্য কিনতে বলা হয় এবং ঐ পণ্য ভাল বা খারাপ যাই হোক জোর
করে অন্যকে যদি বলতে বলা হয় পণ্যটি ভাল তবে?
সাধারণ বাজারে (ট্রাডিশনাল মার্কেটিং) যেসকল পণ্য বিক্রি হয় তা নিত্যব্যবহার্য যা মানুষের
ক্রয়মতার মধ্য থাকার কারণে মানুষ কিনতে পারে, কিন্তু মাল্টিলেভেল মার্কেটিংয়ে এমন সব
পণ্য বিক্রি করা হয় যা মানুষের জন্য কম প্রয়োজনীয়, অর্থ্যাৎ না কিনলেও চলে। যেমন
বাংলাদেশের একটি এমএলএম প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রচলিত নাইজেলা নামক তেলের কথা
বলা যায়। ঐ এমএলএম কোম্পানীতে ডিস্ট্রিবিউটরশীপ পেতে হলে যেকোন একটি পণ্য
কিনতে হয়। প্রথমে নাইজেলা নিয়ে বলছি, ঐ প্যাকেজে নাইজেলা তেল দেয়া হয় ১০ বোতল
(২৫০ মিলি: সম্ভবত)। ৫ বোতল খাওয়ার এবং ৫ বোতল মাখার। ১০ বোতলের দাম নেয়া
হয় ৬০০০/ টাকা। প্রতি বোতলের দাম আসে ছয়শত টাকা করে। বাংলাদেশের মত গরীব
দেশে ৬০০ টাকা দিয়ে একটা তেলের বোতল কেনার মতও মানুষের লোকের অভাব নেই।
কারণ তাকে ডিস্ট্রিবিউটরশীপ পেতে হবে। আর অপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনে ডিস্ট্রিবিউটরশীপ
হতেও কিছু সংখ্যক মানুষ রাজী। কারণ ভবিষ্যতে বিরাট অংকের টাকা আয় করার সুযোগ।
দশ বোতল তেলই কিনতে হবে প্রতি বোতল ৬০০ টাকা করে।এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় পন্য
গ্রাহককে কিনতে বাধ্য করা সুস্পষ্ট প্রতারণা । আর মুহাম্মদ (সা) বলেছেনÑ
"যে প্রতারণা করে সে আমার দলভুক্ত না"(মুসলিম ও তিরমিযি)
এমএলএম ব্যবসা যারা করেন তাদের একটা যুক্তি অহরহ দিতে শুনি বেকারত্বের সমস্যা।
সরকার এবং প্রাইভেট কোম্পানীগুলো পর্যাপ্ত চাকরী দিতে পারছেনা। অনেকটা অসহায় হয়েই
তারা এমএলএম ব্যবসা শুরু করেছে। আমার কথা হল যে ব্যক্তি বেকারত্বের জ্বালা বুঝে, সে
নিশ্চয়ই টাকার মর্মও বুঝবে। কিভাবে তাহলে সে ৬০০ টাকা শুধু মাত্র একটা খাওয়ার / গায়ে
মাখার তেলের পিছনে খরছ করে? তাও পাক্কা ১০ বোতল একসাথে কিভাবে কিনে? এ কোন
ধরনের বিলাসিতা?
এমএলএম প্রতারণা
২। আরেকটা বহুল প্রচারিত প্রোডাক্ট হল গাছ বা ট্রি পান্টেশান। এখানেও রয়েছে বিশাল
ধোকাবাজি। কেউ গাছের চারা কিনে ডিস্ট্রিবিউটর হতে পারে। তবে এেেত্র তাকে কিনতে
হবে ১৫ টি গাছের চারা। মূল্য ৫০০০/ টাকা। একটা চারা গাছের মূল্য পড়ে গড়ে ৩৩৩/
টাকা। চিন্তা করে দেখুন নার্সারীতে সাধারণত একটি গাছের চারা কত হতে পারে? ২০? ৩০?
৪০? ৫০? অথচ মাল্টি লেভেল মার্কেটিংয়ে একটি গাছের চারা কিনতে হচ্ছে তিনশত তেত্রিশ
টাকা দিয়ে। তাও আবার ১৫ টা চারা একসাথে কিনতে হবে। এখানেও জোর করে
অপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনতে হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা উক্ত এমএলএম কোম্পানী বনায়ন করে
দেশের পরিবেশ রা করছে বলে মিথ্যা দাবি করছে। এটাকে কোনমতেই বনায়ন বলা
যাবেনা। কারণ এখানে দেশের ও পরিবেশের স্বার্থ নেই, রয়েছে ব্যবসায়িক স্বার্থ। ১২ বছর
পরে ঠিকই গাছগুলো কেটে ফেলা হবে। এই বনায়ন জিনিসটা একটা ব্যবসায়িক উসিলা মাত্র
যেটা দিয়ে ব্যবসায়িক স্বার্থ হাসিল করা যায়।
৩। আরো কিছু প্রোডাক্ট রয়েছে যেমন ফুট ম্যসেন্জার, হেলথ বড়ি, ইত্যাদি ইত্যাদি। যেসবের
ট্রাডিশনাল মার্কেটের প্রাইস সম্পর্কে গ্রাহকের কোন ধারণাই নেই। ফলে ইচ্ছামত দাম সেট
করে এগুলো বিক্রি করা হচ্ছে। এখানেও গ্রাহককে অপ্রয়োজনীয় দ্রব্য (যেটার দাম সম্পর্কে
গ্রাহক অজ্ঞাত ) কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।
মুহাম্মদ (সা) বলেছেন :
"পণ্যের মূল্য সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান নেই এমন লোকের কাছে উচ্চ মূল্যে পণ্য বিক্রি করা
নিঃসন্দেহে এক প্রকার জুলম।"
(ইবনে রুশদ, আল কাওয়ায়েদ, পৃষ্ঠা ৬০১)
আর হাজার হাজার টাকা খরচ করে যে ব্যক্তি পা মেসেজ করাতে পারে তার মুখে বেকারত্বের
কথা মানায় না।
৪। বর্তমানে নতুন একটি গুজব শুনছি। ২০১২ সালের মধ্য বেকার দূর হবে । সবাই
৫০৪০০/ টাকা করে মাসে ইনকাম করবে। ৫০৪০০ টাকা মাসে ফিক্সড ইনকাম করতে হলে
একটা পজিশনে যেতে হয় যেটার নাম ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ। কথা হচ্ছে ঐ কোম্পানীতে
ওদের ভাষ্যমতে ডিস্ট্রিবিউটর আছে ২৫ লাখ+। কিন্তু বর্তমান ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ ৪০ এর
ভিতরে। মানে ২৫ লাখের মাঝখানে ৪০ জন একটা পজিশনে যেতে পেরেছে। আর এই ৪০
সংখ্যায় আসতে সময় লেগেছে ৯ বছর। কিভাবে আর ২ বছরের মধ্য ওরা প্রায় ১ কোটি
বেকার দূর করে তাদেরকে ৫০৪০০ টাকা ইনকাম করাবে ? আশা সেতো মরিচীকা!
৫। ট্রাডিশনাল মার্কেটিং সিস্টেমে পণ্য উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত আসার মাঝখানে বিভি-
ন্ন শ্রেণীর সুবিধাভোগী থাকেন। যেমন
উৎপাদক ? এজেন্ট ? পাইকার ? খুচরা বিক্রেতা ? ভোক্তা।
এমএলএম প্রতারণা
আর মাল্টিলেভেল মার্কেটিং সিস্টেমের নিয়ম অনুযায়ী পণ্য উৎপাদক থেকে সরাসরি ভোক্তার
হাতের নাগালে চলে আসবে। মাঝখানে কোন মধ্যস্থতাকারী থাকতে পারবে না। এভাবে হলে
পণ্যের দামও কমে যাওয়ার কথা। কারণ বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর হস্তেেপ ট্রাডিশনাল
মার্কেটিংয়ে দ্রব্যমূল্য যায় যেটা এমএলএমে হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আসলেই কি নেই? তাহলে
একটা সাধারণ তেলের বোতলের দাম কেন ৬০০ টাকা হবে? বড়জোর ৩০০ টাকা হতে পারে
সর্বোচ্চ। তাহলে বাকী ৩০০ টাকা আমি কাকে দিলাম? এভাবে পাবলিককে ধোকা দেয়া
হচ্ছে।
একটি জিনিস খেয়াল করবেন এমএলএম সিস্টেমে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রি
করা হয়না। কারণ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম মানুষের জানা। তাই এসব জিনিসপত্রে
এভাবে ডাকাতি করা সম্ভবনা। যেমন চাল, ডাল, ময়দা ইত্যাদি।
৬। আমরা বাংলাদেশে একটা রীতি দেখি। সেটা হল ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনের রীতি। বিভিন্ন
সরকারকে বছরে বছরে বিভিন্ন প্রজেক্টের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করতে দেখি, কিন্তু সে অনুপাতে
প্রজেক্ট গুলোর আলোর মুখ দেখে না। সেরকম কিছু প্রজেক্ট বাংলাদেশী একটি এমএলএম
কোম্পানীও নিয়েছে এবং বরাবরের মত ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনেই সীমিত আছে। (কিছু কিছু েেত্র
শুধু জায়গার ছবি দেখেই সন্তুষ্ট থাকুন)।
এমএলএম প্রতারণা
এমএলএম : লেজকাটা শেয়ালের ধূর্ত নিঃশ্বাস
মোহাইমেন
আমি দুটো সফটওয়্যার ডেভেলমেন্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার ছিলাম। একটা ছিলো দুবাই ভিত্তিক
কোম্পানী, আরেকটা দেশী। সবচেয়ে মজার কথা কি জানেন? কোনো মুরগাচুরাও যদি 'চুরামী-
ম্যানেজম্যান্ট' সফটওয়্যার বানাতে আসে, তবে আমরা যারা আইটি ফিল্ডে আছি তাদেরকে
চুরি-বিদ্যা শিখতে হয়। কোনো মুদি-মনোহারীর সফটওয়্যার বানাতে আসলে আমাদের
দোকানদারী শিখতে হয়। তাই আমাদের ধারনা সাধারণের চাইতে জোরালো হয়ে যায়
অন্যদের চাইতে (মাইন্ড করবেন না, আমার দোষ না - পেশার দোষ)।
বেকার ছিলেন তাই অপরাধমূলক কাজটাতেও আপনার বিবেক বাধা হয়ে দাড়াতে পারেনি।
আপনি কিছু ক্যাশ গুনছেন, আর ঐদিকে কতগুলো মানুষের জীবনে বিপর্ষয় সৃষ্টি করছেন
আপনি জানেন?? আপনাদের পণ্য তো স্রেফ মানুষ, বনায়ন প্রকল্পতো সিম্পলি শ্যাডো, লোক
ভুলানোর জন্য। ১মণ দুধ থেকে ১মন ঘি পাওয়া যায় না। পিরামিডের উপরের সারির
লোকগুলোই সব লুটেপুটে নেয়।
১০ স্তরের নেটওয়ার্কের শেষ সারিতে কতগুলো লোক থাকে ভাই??
০ স্তর: ১ [কোম্পানী]
---------------------------------------
১ স্তর: ২ [তথাকথিত ডিরেক্টর]
২ স্তর: ৪ [তথাকথিত ডিরেক্টর]
৩ স্তর: ৮ [তথাকথিত ডিরেক্টর/ আত্মীয়স্বজন/অ্যামবাসেডর]
৪ স্তর: ১৬ [তথাকথিত ডিরেক্টরদের আত্মীয়স্বজন/এ্যামবাসেডর]
৫ স্তর: ৩২ [তথাকথিত ডিরেক্টরদের আত্মীয়স্বজন/এ্যামবাসেডর]
৬ স্তর: ৬৪ [বেকার?? এরাই কর্মী- আপনি কি এই দলে??!!!]
৭ স্তর: ১২৮ [আপামর আবাল জনতা]
৮ স্তর: ২৫৬ [আপামর আবাল জনতা]
৯ স্তর: ৫১২ [আপামর আবাল জনতা]
আবাল = প্রাপ্তবয়স্ক কিন্তু অবুঝ বা অতিলোভী জনতা, শর্টকাট যাদের পছন্দ।
মনে করি, নিজের মাথা বেচতে ৫০০০ টাকা লাগে। ধরলাম পিরামিড পুরোটাই সফলভাবে
পূরণ হয়েছে। আর প্রফিট শেয়ারিং এর একটা ছক নিচে উদাহরন হিসেবে টানলাম -
[এই সারণীটি ৯ম স্তর থেকে পড়ুন, শতকরা আপনার ইচ্ছে মতো হিসেব করুন বা আপনার
কোম্পানীরটি হিসেব করুন]
এমএলএম প্রতারণা
০ স্তর: ২৫৩৫ [গাছ লাগানোর কর্মসূচী!!!]
---------------------------------------
১ স্তর: ৫%=১৩৪ টাকা / মোট রইলো: ২৬৬৯-১৩৪ = ২৫৩৫
২ স্তর: ৫%=১৪১ টাকা / মোট রইলো: ২৮১০-১৪১ = ২৬৬৯
৩ স্তর: ৫%=১৪৮ টাকা / মোট রইলো: ২৯৫৮-১৪৮ = ২৮১০
৪ স্তর: ৭%= ২২৩ টাকা / মোট রইলো: ৩৪৫৮-২২৩ = ২৯৫৮
৫ স্তর: ৮%= ২৭৭ টাকা /মোট রইলো: ৩৪৫৮-২৭৭ = ৩১৮১
৬ স্তর: ৯% = ৩৪২ টাকা /মোট রইলো: ৩৮০০-৩৪২ = ৩৪৫৮
৭ স্তর: ১০% = ৪৪০ টাকা /মোট রইলো: ৪৪০০-৪৪০ = ৩৮০০
৮ স্তর: ১২% = ৬০০ টাকা / মোট রইলো: ৫০০০-৬০০=৪৪০০
৯ স্তর: তলানী, যাদের কোনো হাত-পা নাই
এখন মোট টাকার হিসাবটা একটু দেখি -
০ স্তর: ১০২৫* ৫০০ = ৫১,২৫,০০০ [কোম্পানীর মোট আয়]
---------------------------------------
১ স্তর: ২ * ৫০০০ = ১০,০০০
২ স্তর: ৪ * ৫০০০ = ২০,০০০
৩ স্তর: ৮ * ৫০০০ = ৪০,০০০
৪ স্তর: ১৬ * ৫০০০ = ৮০,০০০
৫ স্তর: ৩২ * ৫০০০ = ১,৬০,০০০
৬ স্তর: ৬৪ * ৫০০০ = ৩,২০,০০০
৭ স্তর: ১২৮ * ৫০০০ = ৬,৪০,০০০
৮ স্তর: ২৫৬ * ৫০০০ = ১২,৮০,০০০
৯ স্তর: ৫১২ * ৫০০০ = ২৫,৬০,০০০ [এরা শুধুই দিয়েই যাবে গাছের ফলের
আশায়]
মোট প্রদেয় লভ্যাংশ: স্তর ওয়ারী
(লেফট + রাইট = ১টা স্টেশন/একাউন্ট/হাবিজাবি নাম):
১ স্তর: (২/২) * ১৩৪ = ১৩৪ * ২৫৬ = ৩৪,৩০৪
২ স্তর: (৪/২) * ১৪১ = ২৮২ * ১২৮ = ৩৬,০৯৬
৩ স্তর: (৮/২) * ১৪৮ = ৫৯২ * ৬৪ = ৪০,২৫৬
৪ স্তর: (১৬/২) * ২২৩ = ১,৭৮৪ * ৩২ = ৫৭,০৮৮
৫ স্তর: (৩২/২) * ২৭৭ = ৪,৪৩২ * ১৬ = ৭০,৯১২
এমএলএম প্রতারণা
৬ স্তর: (৬৪/২) * ৩৪২ = ১০,৯৪৪ * ৮ = ৮৭,৫৫২
৭ স্তর: (১২৮/২) * ৪৪০ = ২৮,১৬০ * ২ = ৫৬,৩২০
৮ স্তর: (২৫৬/২) * ৬০০ = ৭৬,৮০০ * ১ = ৭৬,৮০০
৯ স্তর: (৫১২/২) * ০ = ০০,০০০ টাকা
৩য় স্তরের একজন লোকের মোট লাভ: ৩,৮৮,৯২৮ টাকা
লাভগুলোকে সীমিত আকারে রাখার জন্য আর সহজে বোকা বানানোর জন্য আপনারা চাইল্ড
নেটওয়ার্ক তৈরী করেছেন। এখানে আমি খুব সাধারন ভাবে হিসেব তুলে দেবার চেষ্টা করেছি,
ভুল থাকলে বলেন। আর শতকরা হিসাবটাকে ইচ্ছে করলে আপনি যেকোনো মানে প্রকাশ
করতে পারেন।
এমএলএমকে পৃথিবীর মস্তান আমেরিকা আনলফুল বলে নিষিদ্ধ করেছে, আর আপনারা
'বাংলাদেশ বিপব' বলে বাংলাদেশের আবাল পাবলিকদের বেকুব থেকে বেকুবতর বানাচ্ছেন।
১০১২তে প্রতিকী কিছু একটা করবেন , অবশ্যই আপনাদের ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে।
তাতে আপামর বেকুবের দলের লাভ হবে না, আপামর মরাই থাকবে। আর
আপনার/আপনাদের পকেট ভারী থেকে ভারীতর হবে।
আমি ৯ম স্তরের লোক, এখন পারলে আমাকে স্ট্যাটিসটিক্যালী বোঝাতে পারলে বোঝান।
লাউ-কদুর লোভ দেখাবেন না, মাটির তলে কাঠাল বীচি রেখে আমাকে গোফে তেল দিতে
বলবেন না দয়া করে। হিসাব কষে দেখান। না পারলে আওয়াজ, কেওস করবেন না।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


