somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

X( X( মনে হয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলাম শব্দটার চির কবর দিতে পারলে প্রশাসন শান্তি পায় X(( X((

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিভিন্ন জায়গা থেকে “ইসলাম” নামগুলো বাদ দেয়ার ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত হয়ে পড়েছে। সলিমুল্লাহ মুসলিম থেকে “মুসলিম”, কাজী নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে ’ইসলাম‘, জাহাঙ্গীরনগর মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘মুসলিম’ শব্দ বাদ দেয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুরআন যুক্ত মনোগ্রাম পবির্তন করে হিন্দু ঐতিহ্যর সাথে মিল রেখে শাপলা প্রতীক ব্যবহার করা সহ অসংখ্য উদাহরন বিদ্যমান ।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর প্রায় ২০ টি নতুন বিভাগ চালু করা হলেও আরবী সাহিত্য, ইসলামী স্টাডিজ, ইসলামের ইতিহাসসহ ইসলাম বিষয়ক কোন বিভাগ খোলা হয়নি। কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীতে প্রখ্যাত মুসলিম সাহিত্যক ও দার্শনিকদের বই না থাকলেও নাস্তিক ও সেকুলারমনা অখ্যাত লেখকদের অসংখ্য বই পাওয়া যায়। অথচ উক্ত মুসলিম সাহিত্যিকদের লেখা বই পাশ্চাত্যর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

১৯৮৫ ও ১৯৮৭ সালে প্রেসিডেন্ট এরশাদ দাখিল ও আলিমকে যথাক্রমে এসএসসি ও এইচএসসি এর সমমান প্রদান করে । এই সময় থেকেই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অবাধ প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা ও ভর্তি পরবর্তী বিভাগীয় পরীক্ষায় সফলতার স্বাক্ষর রেখে আসছে। উল্লেখ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ভর্তিকৃত ছাত্রদের মধ্য অধিকাংশই মাদ্রসা শিক্ষার্থী। একইভাবে অন্যান্য বিভাগগুলোতেও তারা নিয়মিত সফলতার স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছে। যার অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত কয়েক বছর ধরে ’খ’ ও ’ঘ’ ইউনিটে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাই প্রথম স্থান অধিকার করে আসছে। এছাড়াও মেধা তালিকার প্রথম বিশ জনের মধ্য প্রায় অর্ধেকই ছিল মাদ্রাসা শিক্ষার্থী।
অপরদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষাথীরা প্রথম স্থান অধিকারসহ মেধাতালিকায় গুরুত্বপূর্ন অবস্থান দখল করে আসছে এবং অধ্যায়নকালীন সময়েও নিজেদের ঈর্ষনীয় সফলতা ধরে রেখেছে। শুধু তাই নয় যেই বাংলা ও ইংরেজিতে ২০০ নম্বরের শর্ত দিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বাদ দেয়া হচ্ছে সেই বিষয়েও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা আনুপাতিকহারে ভাল অবস্থানে রয়েছে।

এই শর্ত বাস্তবায়িত হলে হাজার হাজার মাদ্রাসা শিক্ষার্থী তাদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। যার ফলে জাতি অসংখ্য মেধা থেকে বঞ্চিত হবে। বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী কোন নাগরিককে তার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮ এর ৩ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-. No citizen shall, on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth be subjected to any disability, liability, restriction or condition with regard to access to any place of public entertainment or resort, or admission to any educational institution. 28. (3) সংবিধানের এই মুলনীতির পরিপন্থি কোন আইন বা নীতি মালা প্রণয়ন করলে তা অবৈধ বলে গন্য হবে, যা সংবিধানের ৭ এর ২ নং অনুচ্ছেদ উল্লেখ করা হয়েছে।This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the supreme law of the Republic, and if any other law is inconsistent with this Constitution and other law shall, to the extent of the inconsistency, be void. 7.(2) কিন্তু সংবিধানের নীতিকে লঙ্ঘন করে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠসমূহে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এব্যাপারে সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং সচেতন নাগরিকবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
১৭টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×