আমার প্রিয় পোস্ট

ব্ল্যাঙ্ক

উর্বশীর দহনকাল

১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৩৬

শেয়ারঃ
0 10 0


০১.
আমার মা ছিলেন ভয়ানক বিকারগ্রস্থ মহিলা। কৃষ্ণপক্ষ শুক্লপক্ষের রাতে তার মনে মৃত্যুর সাধ প্রবলভাবে জেগে উঠত। ঘড়ির পেন্ডুলামের মত পর্যাবৃত্ত ছন্দে দুলতে দুলতে তিনি মৃত্যু পূর্ববর্তী প্রার্থনাসমূহ পাঠ করতেন আর তার সমুদ্র গভীর চোখের তারায় মৃত্যুর ছায়া জ্বলন্ত সূর্যের মত প্রকট হয়ে উঠত। সেই ছায়া এক অমোঘ প্রতিসঙ্গী হয়ে গ্রাস করে নিয়েছিল আমাদের সমস্ত শৈশবকে। আমরা তার চোখের দিকে তাকাতে ভয় পেতাম; আবার আমাদের কৌতুহলও হত। চারকোনা ঘরের বেড়ার ফাঁকে লুকিয়ে আমরা তার কার্যকলাপ সতর্ক দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করতাম। দিনের আলোতে মা থাকতেন অসম্ভব শান্ত, কখনো দরজার ফাঁকে আমায় লুকিয়ে থাকতে দেখে তিনি হাতছানি দিয়ে আমাকে ডাকতেন। আমার ভয় করত, তবু তার কাছে যাবার লোভটুকু আমি ছাড়তে পারতাম না। ভয়ে ভয়ে পা টিপে এগোলে তিনি হাসিমুখে আমায় হাত ধরে টেনে নিয়ে নিজের কোলঘেঁষে বসাতেন। আর আমার কানের কাছে মুখ নামিয়ে ফিসফিস করে বলতেন, "পুড়ে যাবে! সব পুড়ে যাবে! শুধু ছাই এর গাদায় তুই হীরের নাকছাবি হয়ে থাকবি।" আমার ভয় করত ভীষণ তবু কথাগুলো শুনে আমি শিহরিত হতাম। ক্রমান্বয়ে যত রাত বাড়ত মায়ের চোখের পাতায় অস্থিরতা বাড়তে থাকত। শাপগ্রস্থ নিষাদীর মত চক্রাকারে সারা ঘরময় ঘুরে ঘুরে তিনি মৃত্যুবিলাপ করতেন। আর জ্বলন্ত আগুনে পুড়িয়ে দিতে চাইতেন নিজের অথবা সময়ের শরীর। বহু চেষ্টাতেও তার উন্মত্ত আক্রোশকে শান্ত করা যেত না কখনো। তাকে তাই চারপাল্লার শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হত ঘরের মধ্যভাগ জুড়ে থাকা প্রকান্ড পালঙ্কের সাথে। তার ঘরের দরজায় বিশালাকায় তালা ঝুলিয়ে বাবা আমাদের দুবোনকে নিয়ে ঘুমোতেন পাশের ঘরে। বাবার স্নেহভরা কন্ঠের ঘুমপাড়ানিয়া গান শুনতে শুনতে আমরা বিগত দিনের যাবতীয় দুঃস্বপ্নের স্মৃতি ভুলে ঘুমিয়ে পড়তাম গভীর প্রশান্তিতে। একদিন বৈশাখের ঝড়ে আমাদের উঠোনে বজ্রপাত হলো। সেই বজ্রপাতে বাবার শরীর পুড়ে ছাই হয়ে গেল। আমরা দুবোন ছাই এর প্রান্তে দাড়িয়ে বিমূঢ় হয়ে অপেক্ষা করতে থাকলাম - ছাই এর ভেতর থেকে বাবার ফিনিক্স হয়ে উঠে আসার...........বাবা আসলেন না.........আমাদের অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘতর হতে থাকলো.........সূর্যঘড়ির কাঁটা আমাদের চোখের পরে চক্রাকারে ঘুরতে লাগলো রাত পেরিয়ে দিন, দিন পেরিয়ে রাত.........বাবা তবু আর ফিরে আসলেন না.........আসলেনই না..........

০২.
মাকে শেকল দিয়ে বেঁধে রাখার দৃশ্য আমার চোখে ছিল অসহ্য। এক ভরা পূর্নিমার রাতে আমি তাই শেকল খুলে দিলাম। অতঃপর সারারাত জেগে মাকে ঘুমপাড়ানি গান শোনাবার প্রস্তুতি নিলাম কিন্তু মার কানে কানে ঘুমপাড়ানিয়া মন্ত্র পড়তে ভুলে গেলাম। মাঝরাত্তিরে আমার চোখের পাতা জড়িয়ে এলো। গান ভুলে আমি একসময় গভীর ঘুমে ঢোলে পড়লাম। কিন্তু মায়ের চোখ হঠাৎ মধ্যাহ্ন সূর্যের মত ধক করে জ্বলে উঠলো। মা অন্ধকারে ঘর পেরিয়ে উঠোনে নামলেন। তারপর দ্রুতপায়ে ছুটে গেলেন বাড়ির পাশের পদ্মদীঘির পাড়ে। আমি তখন ঘুমে অচেতন। নীলিমা ছিল আমার ছোট বোন। দীঘির পানিতে মায়ের ঝাঁপিয়ে পড়ার শব্দে তার তন্দ্রা ভেঙ্গে গেল। উদ্ভ্রান্তের মত মাকে বাঁচাতে সে ছুটে গেল দীঘির পাড়ে। জলে নেমে মার হাত ধরে টানতেই মায়ের মৃত্যুস্বপ্নে বাস্তবতার কঠিন বাধা পড়ল। মা সেটা সহ্য করতে পারলেন না। ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে তিনি নীলিমার গলা দুহাতে সজোরে টিপে ধরলেন। মার বজ্রকঠিন হাত দুটোতে তখন ভর করেছিল আসুরিক দানবীশক্তি। ঘন অন্ধকারে তার চোখজোড়া জ্বলছিল আগুনের হলকার মত। নীলিমা সেই অপার্থিব শক্তিকে প্রতিহত করতে পারল না। অসহায় পতঙ্গের মত কাতরাতে কাতরাতে একসময় নিস্তেজ হয়ে পড়ল........তারপর পাথরের টুকরোর মত ডুবে গেল জলপ্রকোষ্ঠে। ভোর হলে তার মৃত লাশ পদ্মফুলের মত ভেসে উঠলো দীঘির জলে। কি অপার্থিব দেখাচ্ছিল তার শান্ত স্মিত অনিন্দ্যসুন্দর মুখ,তাতে যন্ত্রণার চিহ্নমাত্র নেই। আমি অবাক হয়ে সেই মুখের দিকে চেয়ে রইলাম।
দিনের আলোয় মা সংবিত ফিরে পেয়ে মৃত কন্যার জন্য উচ্চস্বরে করুণ মৃত্যুবিলাপ করতে করতে আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে তুললেন। আমি চোখের ভেতর বেঁধে নিয়েছিলাম পাঁচটা জবাফুল.........তবু আমার চোখের পাতায় মরুভূমির শুষ্কতা তীব্র খরার মত দানা বেঁধে রইলো। আমি কাঁদতে পারলাম না।
আমি শুধু শক্ত দুহাতে মাকে জড়িয়ে ধরে রইলাম যক্ষের ধনের মত।

০৩.
গাঢ় অন্ধকারের ভেতর আমি ডুবসাঁতার দিচ্ছিলাম আপনমনে। আমি জানতাম এক অন্ধকার প্রকোষ্ঠ থেকে আমার উত্থান হয়েছিল কোনো এক জলসিক্ত শ্রাবণ নিশিতে। এও জানতাম অন্ধকারেই মিলিয়ে যেতে হবে সময়ের শেষপ্রান্তে গিয়ে। ক্রমশ আমি অন্ধকারকে ভালোবেসে ফেললাম। হিমশীতল বরফের মত জমাট বাধা ঘন আঁধারে মিশে যেতে যেতে আমি জানলাম আঁধারের সৌন্দর্য অপার্থিব। সমস্ত অন্তরাত্মা দিয়ে আমি সেই সৌন্দর্যকে পান করলাম। মায়ের চোখদুটোকে আমার আর ভয় করত না ছেলেবেলাকার মত। তার ছেলেমানুষী দেখে আমি আপনমনে হাসতাম। আমাদের বাড়ির দু'ঘর পরে থাকত গণিকার দালাল রইস। বহুদিন ধরেই তার লোভাতুর পশুর মত জ্বলজ্বলে চোখ আমি চিকচিকিয়ে উঠতে দেখেছি আমার লতাগুল্মের মত ক্রমশ বেড়ে ওঠা পূর্ণযৌবনা শরীরের দিকে তাকিয়ে। তার কুতকুতে চোখগুলো আমার দেহের প্রতিটি ভাঁজে ওঠানামা করতে করতে অবশেষে বুকের মাঝখানে এসে স্থির হত - সেই দৃশ্য দেখে আমি অজানা আশঙ্কায় থরথর করে কাঁপতাম। একদিন সে বাড়ির উঠোনে এসে গলা হাঁকিয়ে আমার নাম ধরে ডাক দিল, "প্রতিমা আচস নিকি?"
আমি দুরুদুরু বুকে ঘরের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলাম। রইস তার লাল ঠোঁট থেকে পিচিক করে একপ্রস্থ পানের পিক ফেলে শুধালো,
- যাবি নিকি?
- কনে?
- লেব্বাবা! কনে আবার কি? জানিসনে বুজি? নাকি জেনেইও না জানার ভান করতিছিস!
- তুমি কি কতিসো আমি বুজতি পারতিসিনে!
- আচ্ছা! তবে তোরে বুজিয়েই কই। ফুলবাড়ির রেড লাইট এরিয়ার নাম শুনিসিস? আরে যেথায় আমি মেয়েমানুষের চালান দেই। হেথায় তোরে লইয়ে যাপনে। এইখেনে এই পাগলি বুড়ির সাতি আর কদ্দিন? গোটা জীবনডা তো তোর পইরে আসে.......হেথায় গেলি আমোদ ফুর্তিতে কাটাতি পাইরবি। তোর যা রূপের বাহার হেথায় তোর বড় কদর কইরবে সকলে।
- দূর হইয়ে যাও হতচ্ছাড়া। আর একবার এখেনে তুমাক দেখিলে দাও দি কুটি কুটি কইরে কাইটে ফেইলব কইয়ে রাকলাম!
- ওরিব্বাস রে! মালাউনের বেটির সাহস কত! তুই আমাক কুটি কুটি কইরে কাইটবি মাগী, তোরে আমি জবাই করি মাটির তলে গাড়ি দিপনে। তোর পাগলি মা হাজার চিল্লিয়েও কোনো জনমে খুঁজি পাবিনানে। রইস শেখ আমার নাম। এই আমি কইয়ে রাকলাম,বাঁইচতে চাস তো আমার সাতি চইলে আয়। নালি মরতি হপিনে।
গনগনে তপ্ত মুখে রাগে গজগজ করতে করতে রইস শেখ প্রস্থান করলো। আমি তার চলে যাওয়ার পথের দিকে নির্নিমেষ তাকিয়ে রইলাম............


০৪.
নীলিমার অকস্মাৎ মৃত্যুর পর থেকে মার বিকার দিন দিন বেড়েই চলছিল। আমি জানতাম না কি করে কি করতে হয়......আমি শুধু দুহাত দিয়ে শক্ত করে মাকে জড়িয়ে ধরে রাখতে চাইতাম। কিন্তু মাঝে মাঝে মায়ের শরীরে অসুরের শক্তি ভর করত। আমায় ঠেলে ফেলে দিয়ে পরক্ষণেই আমার কেটে যাওয়া কপালে রক্তের দাগ দেখে আতঙ্কে আর অনুশোচনায় তীব্র বিলাপ শুরু করত। আমি তখন তাকে শান্ত করার জন্য তার মাথাটা আমার কোলের উপর নিয়ে আলতো হাত বুলিয়ে ধীরে ধীরে ঘুমপাড়ানি গান গাইতাম। একদিন মধ্যাহ্নে রান্নার চুলোয় আগুন জ্বলতে দেখে মার পুরনো বিকার মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো। ছুটে গিয়ে চুলোর পাশের কেরোসিনের টিন খালি করে সবটুকু তেল ঢেলে নিল গায়ের উপর। তারপর নিমেষেই চ্যালাকাঠের আগায় আগুন নিয়ে ধরিয়ে দিল নিজের গায়ে। আমি ক্লান্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখলাম........বাধা দিতে আমার ইচ্ছে করলো না কেন যেন আর।
তপ্ত উঠোনের মাঝখানটায় যেখানে বাবার দেহ জ্বলে গিয়েছিল নিমেষেই সেখানে লেলিহান অগ্নি তার চতুর্মুখী শিখা ছড়িয়ে একটু একটু করে পুড়িয়ে দিল মায়ের শরীর। আমি দেখলাম, এক অগ্নিস্নাত নারী তার বিষাদের সমস্ত লোমকূপ অগ্নির উপাসনায় জলাঞ্জলি দিয়ে শুকতারার মত জ্বলে গেল আর কিছু ছাইভস্ম পড়ে রইলো শূন্য উঠোনের পরে।
আমি তবু কাঁদতে পারলাম না।
আমি শুধু বোবা হয়ে গেলাম।
এবং আমি অন্ধ হয়ে গেলাম।
এবং বধির হয়ে গেলাম।

০৫.
রইস আমাকে বলেছিল হয় বাঁচো নয় মর। মরে যাওয়া খুব সহজ আমি জানতাম। সকলের মত সস্তা সহজ কাজটা করতে তাই আমার রুচিতে বাধলো।
মা বলেছিল আমি হীরের নাকছাবি হব। এতদিনে আমি জেনেছি বেঁচে থাকতে হলে কখনো কখনো কয়লা হয়ে যেতে হয়। শত সহস্র যুগ ধরে মাটির ভিতর অবর্ণনীয় যন্ত্রণায় গুমরে গুমরে মরার পরই অবশেষে একদিন কয়লা থেকে হীরের উত্থান হয়। আমি জানতাম মায়ের স্বপ্ন সত্যি হবে।
সুতরাং আমি বেঁচে থাকার সিদ্ধান্ত নিলাম।
অতঃপর এক সূর্যপিয়াসী সকালে রইসের হাত ধরে আলো ঝলমল পথে কোনো এক অনিঃশেষ আঁধারের উদ্দেশ্যে আমি রওনা দিলাম ধীরপায়ে.....................

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): অপগল্প ;
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৪৯
রাজসোহান বলেছেন: একটানে পড়ে গেলাম ফ্রেন্ড , কোন কমেন্ট করতে পারতেসি না !
১৫ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: থাক কমেন্ট না করাই ভালো!

২. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১:২৮
অরুনাভ বলেছেন: প্রচন্ড মন খারাপ করা সুন্দর লেখা.........
১৫ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: হুমম.....লেখা শেষ করার পর আমারও ভয়ঙ্কর মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল...... :(

৩. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৩১
ফুল পরী বলেছেন: একদিন তবে তুমি হীরের নাকছাবি হবে...একদিন তবে সেই আলো আসবে...হয়তো আসবে না, তবু স্বপ্ন দেখতে ক্ষতি কি!


নিশাচরী কি করে লিখ এই কষ্টের কাহন? কষ্ট হয়, আবার হিংসেও হয় খুব।
১৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৩৬

লেখক বলেছেন: জানি না কিভাবে লিখি.......লিখতে গেলে এগুলোই মনে আসে! আনন্দের কথা লিখতে পারি না........ :(

৪. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৩৮
নিমা বলেছেন: অসাধারন অসাধারন অসাধারন অসাধারন
১৫ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ

৫. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৪৩
চতুষ্কোণ বলেছেন: এক কথায় অসাধারণ একটা লেখা।
১৫ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৩১

লেখক বলেছেন: আমি কৃতার্থ হলাম!
অনেক ধন্যবাদ চতুষ্কোণ ভাই পড়ার জন্য! সবসময়ের শুভকামনা রইলো.......

৬. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৪৫
রাজসোহান বলেছেন: দিস ইজ টু মাচ , ট্যাগ থেকে অপগল্প , কথাটা উঠা !
১৫ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: নাহ ওটা থাক! আমার গল্প সব অপগল্পই!

৭. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৪৭
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন:
পড়তাছি, শ্যাষ হইলে ডাইসেক্‌শান শুরু করুম!
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: বাপরে! ভয় পাইসি! :|

৮. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৪৮
সেলিম তাহের বলেছেন: রচনার কন্টেন্ট নিয়ে মন্তব্য থেকে বিরত থাকলাম, কেননা এতে শুধু কষ্টটাই শধু আরো প্রলম্বিত হবে। লিখনির আঙ্গিকটা কাব্যি.. "আমি দেখলাম, এক অগ্নিস্নাত নারী তার বিষাদের সমস্ত লোমকূপ অগ্নির উপাসনায় জলাঞ্জলি দিয়ে শুকতারার মত জ্বলে গেল আর কিছু ছাইভস্ম পড়ে রইলো শূন্য উঠোনের পরে।" ... বুদ্ধদেব বসুর কথা মনে করিয়ে দেয়।

খুব ভাল লিখেছেন।
৯. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৪৯
সেলিম তাহের বলেছেন: রচনার কন্টেন্ট নিয়ে মন্তব্য থেকে বিরত থাকলাম, কেননা এতে শুধু কষ্টটাই আরো প্রলম্বিত হবে। লিখনির আঙ্গিকটা কাব্যিক.. "আমি দেখলাম, এক অগ্নিস্নাত নারী তার বিষাদের সমস্ত লোমকূপ অগ্নির উপাসনায় জলাঞ্জলি দিয়ে শুকতারার মত জ্বলে গেল আর কিছু ছাইভস্ম পড়ে রইলো শূন্য উঠোনের পরে।" ... বুদ্ধদেব বসুর কথা মনে করিয়ে দেয়।

খুব ভাল লিখেছেন।
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: কষ্টের কাব্যিকতা নিয়ে খেলা আমার এক ধরনের নেশা!
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ সেলিম ভাই! আপনাকে স্বাগতম আমার ব্লগে!

১০. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৫৮
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন:
sad! way too sad!!
গল্প নিয়ে বলবার মত কিছু হাতড়ে পাচ্ছি না......

"পদ্মাদীঘি"...!
পদ্মাপাড়ে বড় হয়েছি আমি, এই শব্দটা কেন জানি একটা ছোট্ট জায়গায় অনেকগুলো অনুভূতি আটকে ফেলবার প্রচেষ্টার বুনন দেখাচ্ছে ভেতরে ভেতরে......

৭ম কমেন্টটা এখন পোষ্টের সাপেক্ষে খুব আদব কায়দাহীন মনে হচ্ছে।
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ২:৩১

লেখক বলেছেন: এই গল্পের শব্দটা অবশ্য পদ্মদীঘি!
নিতান্তই বলার মত কিছু খুঁজে না পেলে, লেটস কিপ সাইলেন্ট! সাইলেন্স ইজ দ্যা মোস্ট মিনিংফুল ল্যাংগুয়েজ এনিওয়ান ক্যান এভার হ্যাভ!

১১. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৫৮
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: আমার মনে হলো, শেষে আত্মসমর্পণ এর মধ্য দিয়ে আপনি আমাকে মেরে ফেলেছেন; মরে যেতে আমার ভালো লাগতে পারে না; তাই ৫ নং আবার পড়লাম। দেখলাম, না একেবারে মেরে ফেলেন নি। অর্থাৎ আত্মসমর্পণ নয়, একটু কৌশল নিয়েছেন। ''মরে যাওয়া খুব সহজ আমি জানতাম। সকলের মত সস্তা সহজ কাজটা করতে তাই আমার রুচিতে বাধলো।'' এর পরের মুভমেন্ট প্রতিবোধ হবে বলে আমার মনে হয়েছিল, এবং মনে মনে আমার এরই প্রস্তুতি ছিলো। কিন্তু হলো ভিন্ন।

''... অতঃপর এক সূর্যপিয়াসী সকালে রইসের হাত ধরে আলো ঝলমল পথে কোনো এক অনিঃশেষ আঁধারের উদ্দেশ্যে আমি রওনা দিলাম ধীরপায়ে.....................'' এটি কোনো বাঁচা নয়, একে বেঁচে থাকা বলা যায় না। আপনিও তা বলেন নি, আপনার কথায় এটি উহ্য আছে যে, টিকে থাকা, রইসের আঁধারে টিকে থেকে, একদিন বেঁচে যাবো, কেমন করে এই ভরসা বা আশার আলো জাগলো, তা এই যে, ''শত সহস্র যুগ ধরে মাটির ভিতর অব্যক্ত যন্ত্রণায় গুমরে গুমরে মরার পরই অবশেষে একদিন কয়লা থেকে হীরের উত্থান হয়।'' কারণ, আমি তো জানি, আমি জানি, ''এতদিনে আমি জেনেছি বেঁচে থাকতে হলে কখনো কখনো কয়লা হয়ে যেতে হয়।''

আপনার এই যে ফিনিসিং, নৈশচারী, এটি একটি ওয়ে, হতেই পারে, এবং তাৎপর্যময়ও। এটি এক কৌশল, আমাদের মোহম্মদ মক্কাবাসির অত্যাচার সইতে না পেরে, মদিনায় হিজরত করেছে, অতঃপর অনেক শক্তি নিয়ে আবার মক্কায় এসে তাঁর দর্শন প্রকাশ করেছে। আবার সক্রেটিস তা করেন নি, তিনি পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ স্বত্তেও পালিয়ে যান নি। তিনি তাঁর জায়গায় নিশ্চিত মুত্যু জেনেও অটল থেকেছেন, এবং মৃত্যু হলো, এ-ও কিন্তু বাঁচা। কেমন করে, তা বললাম না। দুটোই দু'ধরনের প্রতিরোধ, এখানে, এ-গল্পে আপনি প্রথমটি অবলম্বন করেছেন, আমি বলবো দ্বিতয়টি হলে আরো ভালো হতো। গল্পের বেলায় এটিতেও ঠিক আছে, আমি বলছি দর্শনগত দিক থেকে।

সব মিলিয়ে অনেক ভালো লেগেছে, চমৎকার উপস্থাপন।
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ২:৫৫

লেখক বলেছেন: এই গল্পটায় আসলে আমি বাস্তব জীবনের প্রতিফলন দেখাতে চেয়েছি! একজন সাধারণ মেয়ে বা সাধারণ মানুষের জীবনে যা ঘটে থাকে তাই!
দর্শনগত দিক থেকে যদি বলতে চান সেক্ষেত্রে বলব,সক্রেটিস যদি মৃত্যুকে আলিঙ্গন না করতেন তাহলে সেটা পলায়নপরতা হত! আর এই গল্পের মেয়েটার জায়গায় যদি কেউ নিজেকে রাখে সে বুঝবে এখানে মৃত্যুটাই পালিয়ে যাওয়া - আধারের তীব্রতা সহ্য করতে না পেরে জীবনসংগ্রাম থেকে সরে দাঁড়ানো। সিংহভাগ ক্ষেত্রে এই অবস্থায় মানুষ পালানোর পথ খোঁজে যেটা আসে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে! এই মেয়েটা তা খোঁজেনি! সে বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে নিজেকে ধরে রাখার সাহস দেখিয়েছে - আমার কাছে তেমনি মনে হয়েছে।
তবে এটা সত্যি শুধু বেঁচে থাকাই তো আর বাঁচা নয়,আমরা আশা করতে পারি কোনো একদিন সে এই অন্ধকারকে দূরে সরিয়ে দিতে পারবে......কেননা সে যে মনের জোর দেখিয়েছে আমার কাছে সেটা অতুলনীয় এবং তার মনটাই এখানে সবচেয়ে বড় সত্যি............
সবশেষে চমত্কার বিশ্লেষণের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ রাশেদীন ভাই! শুভকামনা সবসময়ের জন্য!

১২. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ২:২৯
সায়েম মুন বলেছেন: আমার আগের কমেন্ট টা মুছে দিলে প্রীত হবো।

গল্পের বুনন অসাধারণ হয়েছে। গল্প পড়ে বেশ কিছুক্ষণ স্তব্দ ছিলাম। কাহিনীটা এই পাঠক মনে বেশ নাড়া দিল।
১৩. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ২:৩২
হাসান মাহবুব বলেছেন: বিবিধ কষ্ট এবং শোকাতুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে লিখে পাঠককে আদ্র করা যায়, সহানুভূতি এবং বাহবা পাওয়া যায়........কিন্তু সেসবের অনেকগুলোই শিল্পোত্তীর্ণ হয়ে ওঠেনা।

এই লেখাটা হয়েছে। কোট করার মত অজস্র লাইন, কোনটা বলব তাই ভাবছি। আসলে কি লেখা হল তার চেয়ে কিভাবে লেখা হল সেটাই মূল বিষয়।

এর আগের একটা লেখায় ডায়ালগ সম্পর্কে কিছু বলেছিলাম, এই লেখা সম্পর্কেও বলি, লেখাটা যেভাবে শুরু হয়েছিলো জমাট নিস্তব্ধ অন্ধকার দিনলিপি যা আমাদের কুয়াশাচ্ছন্ন করে রেখেছিলো, ডায়ালগ অংশটি আসার পরে তা অনেকটাই কেটে যায়, এবং আমাদের চিন্তার দ্বারগুলো ঊন্মুক্ত হয় অনেকটাই, কিন্তু সে দরজা দিয়ে আরো গাঢ় আঁধার ঢোকে, যা প্রায় অসহনীয়। দারুন প্যাটার্ন।

কিন্তু শেষের দিকে একটু কনফিউজিং লাগছে। রইসের হাত ধরে? কয়লা থেকে হীরের উত্থান? কনফ্লিক্ট করছে ব্যাপারটা।
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন: যেই ফীলিংস থেকে এই গল্পটা লিখেছি শেষের দিকে সেটার বিবরণ দিয়ে গল্পটাকে প্রলম্বিত করতে পারতাম,তাহলে হয়ত কনফিউশনটা আর থাকত না কিন্তু শেষ পর্যন্ত গল্পটা পাঠকের অনুভূতির উপর ছেড়ে দিতেই ইচ্ছে হয়েছে তাই অনেকগুলো কথা অব্যক্ত রয়ে গেছে যার কিছুটা উপরের কমেন্টের জবাবে বলেছি!
আপনার কনফিউশন নিয়ে বলি, শরীরের শুচিতা আমার কাছে গৌণ বিষয় মনে হয় যদি কারো আত্মার শুচিতা অটুট থাকে! সুতরাং রইসের হাত ধরে যদিও সে একটা অন্ধকার জীবনের দিকে পা বাড়াচ্ছে, তবু আমরা বলতে পারি না যে তার মনের আলোকে সেই অন্ধকার ঢেকে দিতে পারবে। এতগুলো ভয়াবহ ধাক্কা খাবার পরেও যে মানুষ জীবনের চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে থাকার সাহস ধরতে পারে, তার মনের জোর অবশ্যই অসাধারণ! এবং সেরকম একজন মানুষের গায়ে যতই কালিমা লাগানো হোক না কেন, আমি জানি সে একদিন হীরে হয়ে বেরিয়ে আসবে......হয়ত আমরা সেটা দেখতে পাই না!
এটা পুরোপুরি আমার ব্যক্তিগত অনুভুতি ও বিশ্বাস! তাই গল্পে তাকে আনিনি!
আশা করি আপনার কনফিউশন এখন কিছুটা দূর হয়েছে!

১৪. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ২:৩৩
সায়েম মুন বলেছেন: আমার আগের কমেন্ট টা মুছে দিলে প্রীত হবো।

গল্পের বুনন অসাধারণ হয়েছে। গল্প পড়ে বেশ কিছুক্ষণ স্তব্দ ছিলাম। কাহিনীটা এই পাঠক মনে বেশ নাড়া দিল।
১৫ ই জুন, ২০১০ ভোর ৫:০৬

লেখক বলেছেন: মুছে দিলাম! :)
নাড়া খেল শুনে আমিও প্রীত হলাম! থ্যাঙ্কস আ লট!

১৬. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ২:৩৭
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন:
এত পার্ট নিয়া এম্নে ধরা!
ধুর!

বলা হয় নাই যে গল্পটা অসাধারণ!

ব্রাদার সায়েম বলে দিলেন যা বলতে চাই।
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: হা হা হা! ব্যাপারস না!
তবে এইটা গল্প কি? আমি ঠিক শিওর না! এই গল্পের বেশ কিছু ঘটনাই বাস্তবে ঘটে যাওয়া ঘটনা যেটা আমাকেও নাড়া দিয়েছিল!
প্রশংসা শুনলে বিব্রত হই তবু কৃতজ্ঞচিত্তে গৃহীত হলো!

১৭. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ২:৫৯
শোশমিতা বলেছেন: চমৎকার !!!অসাধারণ হয়েছে +
১৫ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শোশমিতা আপু! শুভকামনা!

১৮. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:১৬
অগ্নিলা বলেছেন: জীবনটা স্বপ্নের আর স্বপ্ন ভাঙ্গের। স্বপ্ন ভাঙ্গার কষ্ট থেকে না দেখতে পাবার জ্বালা বড় বেশি তীব্র
এতদিনে আমি জেনেছি বেঁচে থাকতে হলে কখনো কখনো কয়লা হয়ে যেতে হয়

অসাধরন বললে অনেক কম বলা হবে, তাই সোজা প্রিয়তে।
১৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্ক ইউ অগ্নিলা আপু! প্রিয়তে নিয়ে অনেক খুশি করে দিলে........
আমার ব্লগে এই প্রথম এসেছ তাই উষ্ণ অভ্যর্থনা তোমাকে! ভালো থেকো সবসময়!

১৯. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:১৮
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: দহনকালের এই বিকারগ্রস্থতার মধ্যে মানুষ কয়লা হয়ে যায় ,
দগ্ধ হতে হয় ।

একদা হীরকখণ্ড হবে এমন দুঃস্বপ্নের মাঝেই কয়লা হওয়ার স্বান্তনা পেতে চায় হয়তো ।

গতিময় গদ্যে সত্যের ভিত নাড়িয়ে দেয়া একটা লেখা।
ভালো লেগেছে।
শুভেচ্ছা।

অ ট -
রইসের সরাসরি অই প্রসংগে কথা বলার ধরণটা একটু অবাস্তব লেগেছে ! সেটা বাদে সবই ছিলো পারফেক্ট।
বিশ্লেষণক্ষমতা ভালো নয় আমার , ক্ষমার্হ ।



১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনি পড়লেন তাতেই কৃতার্থ! ক্ষমার প্রশ্নই আসে না! ভুল ত্রুটি আসলে আরো অনেক আছে.....কেননা আমি সতিকার অর্থে নিপুণ লেখক নই! তবে অনুভূতিকে খোঁচা দেয়ার চেষ্টা করাই আমার প্রধান কাজ তাই সেটার উপরই জোর দিয়ে থাকি!
ভালো থাকবেন! শুভেচ্ছা আপনাকেও!

২০. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৪৬
কাঠের খাঁচা বলেছেন: গল্প দারুন হইসে। চমৎকারও বলা যায়।

গল্প নিয়ে কমেন্ট করার কিছু নাই। কারন একে তো দুঃখ বিলাস তার উপর সুখ এবং সহজ পাঠ্য।সহজ পাঠ্য না বলে শুধু সুখ পাঠ্য বললেই হত। কারন সহজ পাঠ্য বললে তোর ভাষার যে মাধুর্য্য ওটার হানি হয়ে যায়।

লেখার হাত চমৎকার। আমার বোধয় এই জন্মে তোদের মত লেখা হাত হবেনারে। আফসোস লাগে।
১৫ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫২

লেখক বলেছেন: আমাদের মত হওয়ার দরকার নাই! আপনি আপনার মত সেটাই ভালো!
থ্যাঙ্ক ইউ ভাইজান! পড়সেন বলে খুশি হইলাম!

১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস কমুনা! নাইস টু সি ইউ হিয়ার!

২৩. ১৫ ই জুন, ২০১০ সকাল ৯:৩৩
সোমহেপি বলেছেন: আমার অনেক ভালো লেগেছে এক কথায় বলা যাবেনা।যদিও আমি ভালো পাঠক কিংবা লেখক কোনটাই না।রইসের কথার ঢংটাতো আমার কাছে বেতনের সাথ বোনাসের মতই লাগলো।
চমৎকার
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ সোমহেপি! শুভকামনা রইলো......

২৪. ১৫ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:০৬
রাত্রি২০১০ বলেছেন: আমি কি বলব ভেবে পাচ্ছি না। কাল রাতে প্রায় দুইটায় ঘুম ভেঙ্গে গেল, পাশেই ল্যাপটপ, যাতে সামু ওপেন...প্রথম লেখাটা তোমার। পড়ে আমি স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম। এতটাই অভিভূত হয়েছিলাম যে তখন লিখবার মানসিক অবস্থা ছিল না। এখনও নেই।

শুধু আগেও যা বলেছি তার পুনরাবৃত্তি করছি। তুমি মানুষকে আচ্ছন্ন করতে পার, পাঠক মোহাচ্ছন্ন হয়ে থাকে শেষ অব্দি, তারপরও তার নিঊরণের কোনায় কোনায় বেজে চলে শেষ রেশ-ভাবিয়ে তোলে, অবসরে আনমনা কর--সব লেখা এমন হবে না, সব পাঠক মনেও রাখবে না--কিন্তু বেশীর ভাগ লেখাই রাখবে। এই বিরল গিফ্ট কাজে লাগাও। লিখ, লিখতে থাক।

আমি মুগ্ধ। হুকড ফর লাইফ। ভাল থেক।

খুব হিংসা হয় কেন তোমার মত লিখতে পারি না! :) :) অনেক আদর দিদির কাছ থেকে।
১৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: গতকাল সকালে এই লেখাটা যখন লেখা শুরু করসিলাম তার আগে দিয়ে একবার তোমার ব্লগে গিয়েছিলাম! সাহস নিতে! লেখাটা শুরু করার আগে খুব ভয় লাগতেসিলো! মনে হচ্ছিল যা লিখতে চাই লিখে বুঝাইতে পারব না........পরে আর কিছু না বলে এসে পড়সি ভয়ে! বলে টলে শেষমেষ যদি আর না লিখতে পারি.....
লেখা শেষ করার পরে ভয়ঙ্কর মন খারাপ হয়ে গেল! কষ্টে বুকের ভিতর চাপ ধরে গেল.....মনে হইলো গলায় কান্না আটকায় আসে বের হচ্ছে না!
এখন আমারে একটা জোরালো হাগ দাও আপু! তোমারে দেখলে আমি অনেক ভরসা পাই তুমি মনে হয় এইটা জানো না.......

২৫. ১৫ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫০
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: এই জিনিস পড়া থিকা আল্লাহ আমারে মাফ করুক। :P

আচ্ছা, উর্বশী রম্ভার বড় বোন না?
১৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:২৮

লেখক বলেছেন: আল্লায় মাফ করতে হইব ক্যান! এর আগের পুস্টে আমিই তো আফনেরে মাফ দিসিলাম! হেরপরেও ক্যান যে এত তকলিফ উঠাইয়া আমার পোস্টে তশরিফ রাখলেন হেইডাই তো ভাইবা পাইতেসি না!
যাউক গিয়া, দুর্ঘটনাক্রমে আইসাই যহন পড়সেন তহন মানে মানে কাইট্যাও পড়েন! মানীর মান আল্লায় রাখব!
জাযাকাল্লাহ খায়রান! :|

২৬. ১৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪
এস এম শাখওয়াত আহমেদ বলেছেন: ভাল লিখছেন। তবে ঘটনাটা সত্যই বলে মনে হয়।
ধন্যবাদ।
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস! জ্বি ২ নং এ উল্লিখিত ঘটনাটা সত্যি! অল্পকিছুদিন আগেই এরকমই একটা ঘটনা ঘটেছিল! গল্প তো বাস্তব জীবন থেকেই হয়........

২৭. ১৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: আপনার রিপ্লই অনেক ভালো লাগলো নৈশচারী ভাই, বোঝা গেলো আপনি কেবল ভালো লিখনই না, ভালো বোঝপড়াও আছে; এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে শাখওয়াত আহমেদ বলেছেন, ''তবে ঘটনাটা সত্যই বলে মনে হয়।'' আমারো তাই মনে হয়েছে, এটি কিন্তু আপনার জন্যে এক বড় পাওয়া, হুমায়ুন আজাদের সব উপন্যাসেই আমার এমন মনে হয়, আমি যেন তার আত্মজীবনী পড়ছি, বড় লেখক মাত্রই এটি দেখা যায়... এই তো... ভালো থাকবেন।
১৫ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৫

লেখক বলেছেন: যা আমি অনুভব করি বা বলতে চাই তা বোঝাতে পেরেছি এটা জেনে সত্যিই ভীষণ নিশ্চিন্ত অনুভব করছি রাশেদীন ভাই!
যেসব কমপ্লিমেন্ট দিলেন যদিও আমিও সেগুলো পাবার যোগ্য না,তবু এই সাহস মনে যোগান পেলাম যে মানুষের সাথে অনুভূতি/ভাব বিনিময় করতে পারব! সেটার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ!

২৮. ১৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:১৮
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: সময় নাই- লম্বা কমেন্টে না গিয়া শুধু কই- অসাধারণ।
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য! শুভেচ্ছা!

২৯. ১৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৩৭
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: মাইকেল তার 'ক্যাপটিভ লেডি'তে এমন সব দূর্বোধ্য শব্দ ব্যবহার করেছিলেন যে খোদ ইংরেজদেরও বারবার ডিকশনারী ঘাটতে হতো ওটা পড়তে যেয়ে। ক্যাপটিভ লেডি ব্যর্থ।
এক ইংরেজ বলেছিলেন, 'ইংরেজদেরকে ইংরেজি শেখানোর দিকে মন না দিয়ে সাহিত্য রচনার দিকে মন দিলে মাইকেলের ভালো হবে।'

মনে পড়ে গেল। আরো অনেক কিছু মনে পড়ে গেল, তবে বলব না।
১৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনের কথা চরম সত্য ভাইজান! মাইকেলের লগে আমার তুলনা করলেন বৈলা গর্বে বুকটা দশ হাত ফুইলা গেল! :#)
তয় আফসুস,এইখানে এক আপনি বাদে বাকি সবাই কেমনে কেমনে জানি গল্পটা বুইঝা ফালাইসে! এই দুর্ঘটনা যদি না ঘটত তাইলে আমিও মাইকেল হইতে পারতাম! আর ইতিহাসের পাতায় আমার নামও স্বর্ণাক্ষরে লিখিত থাকত! 8-| 8-|
চ্রমাফসুস যে তা হইলো না! :(

৩০. ১৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৫৬
করবি বলেছেন: চমৎকার লিখেন আপনি।


অনেক শুভ কামনা......
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস করবিদি! শুভকামনা আপনার জন্যেও!

১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: আসলেই অদ্ভুত!
শুরুটা অদ্ভুতভাবে মিলে গেছে দুইটা গল্পের! শুধু ফিনিশিংটা আলাদা!
শুভসন্ধ্যা কবি!

৩২. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:২১
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: অনেকগুলা কথা মুখ ফস্কায়া বাইর হৈতে চাইতেছে, তয় এ যাত্রায় কষ্ট কইরা ঠেকায়া দিলাম।

ভালো থাইকো, ড্রাম ড্রাম তেল সহ।
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: শুকরিয়া! আপনার অশেষ মেহেরবানী! :|

৩৩. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:০৫
শিরীষ বলেছেন:
আপনার লেখা বেশ ম্যাচিওর। দুঃখের তীব্রতা আমার সহ্যসীমা অতিক্রম করে গেছে। জীবনের জয় হোক।
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: মন খারাপ করে দেয়ার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত প্রিয় শিরীষ!
তবু, জীবনের জয় হোক!

৩৪. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:২৩
তাশমিয়া বলেছেন: নৈশ আমার মন এমনিতেই খারাপ ছিল।খুব লোনলি আর ইনসিকিউরড্‌ ফিল করতেসিলাম।তোমার গল্প এজন্য আমাকে ভালভাবে আক্রমন করে বসল!! :(

তুমি খুব ভাল লেখ।স্পেশ্যালি,বিশেষন দাও অসাধারণ!!
গল্পের ভেতরের গল্পটা না বরং তোমার গতিময় বর্ণনাটার জন্য তোমাকে বেশি ক্রেডিট দিতে হয়।


গল্পে ভুল-ত্রুটি আছে, বলসো একজনকে।হ্যাঁ,কতগুলা ব্যাপার সমস্যা করসে। তারপরও আমাকে অনেক টানল গল্পটা।


কি বলব!মন খারাপ করায় দিসো। :(

অনেক অনেক শুভকামনা ভবিষ্যতের বড় লেখকের জন্য।
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: প্রিয় তাশ,তোমাকে আর কি বলব! এই গল্প লেখার সময়টায় এবং তারপর থেকে আমার নিজেকে শুধু প্রতিমা মনে হচ্ছে! নিজেকে প্রতিমা মনে হওয়ার মানে বোঝো?
এখন মনে হচ্ছে এটা না লিখলেই ভালো হত!
১২-১৩ বছর বয়সে এই জিনিসগুলো সারাদিন চিন্তা করতাম এবং করতে করতে আমি একটা ডিপ্রেশন এর ব্ল্যাকহোল এর ভিতর ঢুকে গিয়েছিলাম! তখন প্রকাশ করার কোনো ওয়ে ছিল না! এখন আছে তাই করি.......
এই গল্পের ভুল ত্রুটি নিয়ে চিন্তা করার মত মানসিক অবস্থা এখন আর নাই সেইজন্য! লেখক হওয়ারও কোনো ইচ্ছা নাই!
মন খারাপ করে দেয়ার জন্য আমি সত্যিই দুঃখিত,কিন্তু যেহেতু আমরা সমানুভূতি ধারণ করি, আস কষ্টটাকে ভাগ করে নেই!

১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: হুমম.....ওরকম হওয়াই সব থেকে ভালো ও নিরাপদ!

৩৬. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৪৬
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
অসাধারন লেখনী।
কি করে সম্ভব এমন দুঃখকে লিখতে পারা,অনেকক্ষন চুপ বসে থাকলাম।
পড়তে গিয়ে দম বন্ধ হয়ে আসছিলো আমার।
জীবন এমন যেনো না হয়..........

শুভকামনা

১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস সাজি আপা! খুব ভালো লাগলো আপনাকে এখানে দেখে!
সেটাই......জীবনে যেন না হয় এমন.......
অনেক শুভেচ্ছা!

৩৭. ১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:১৯
প্রতীক্ষা বলেছেন: :) :) অসাধারণ শিল্প!
অসাধারণ সমাপ্তি!
থাক আর কিছু বললাম না!



++++++
১৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: ওকে আমিও থ্যাঙ্ক ইউ দিলাম! :)

৩৮. ১৬ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৩১
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: বাহ, ভালো লাগলো তো! ডিফারেন্ট। :)
১৬ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: এত খুশি কেন? :-* :-*
আচ্ছা ভালো লাগায় ধইন্যা! :#)

৩৯. ১৬ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:২৪
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: পুড়ে যাবে! সব পুড়ে যাবে! শুধু ছাই এর গাদায় তুই হীরের নাকছাবি হয়ে থাকবি।




অবশেষে ছাই ও কি উড়ে গেলো!
১৬ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: নাহ ছাই শুধু পেছনে পড়ে রইলো.........

৪০. ১৬ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৩
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: এই লেখাটা তোমার অন্য সব লেখার চেয়ে আলাদা ছিলো। আর চমৎকার যে হইছে এইটা আমি না বললেও নিশ্চয়ই জানো। পাঠকদের মুগ্ধতা ধরে রাখার ক্ষমতা ছিলো এই গল্পের.....পড়তে পড়তে মনে হয়নি যে "ধুর! লেখা এখনো শেষ হয়না কেন? X( )

ডিটেলস বর্ননা গুলো আর শব্দ চয়ন বেশি ভালো লাগছে। প্রতিমার সাথে রইসের কথাগুলো সুন্দর হইছে।
মা যখন বললো যে "পুড়ে যাবে, সব পুড়ে যাবে" এই কথাগুলো মা কেনো আন্চলিক(বানান আসে না) ভাষায় বললো না?

বুঝতে পারছো আমি কি বলতে চাইতেছি? নাকি আরো কিছু কওয়া লাগবো?
১৬ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:০৬

লেখক বলেছেন: ইয়াপ গট ইট! এই ব্যাপারটা তো আগে খেয়ালই করি নাই! আসলে ফার্স্ট অংশে বর্ণনাটা যেভাবে আগাচ্ছিল তাতে আঞ্চলিক ভাষা ঢোকালে জিনিসটা ডিসটিউনড হয়ে যেত! জিনিসটাকে এভাবে ধরে নিতে পার যে এটা একটা মন্ত্র.....আমি লেখার সময় সেরকমই ভেবেছিলাম! সুতরাং মন্ত্রের ভাষা তো এরকম হতেই পারে,তাইনা?

৪১. ১৬ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৭
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: রইসের হাত ধরে একটা অন্ধকার জীবন বেছে নেয়া আর হীরের নাকছাবি হওয়ার ব্যাপারটা ১৩ এর মন্তব্যে ভালো লাগছে। এই রকম কথাগুলো আমার মাথার ভিতরও ঘুরপাক খাচ্ছিলো।
হুমায়ূন আহমেদের "পাখি আমার একলা পাখি" বইটাতে এইরকম কিছু কথা লেখা ছিলো, গুছিয়ে বলতে পারতেছিনা।
১৬ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: বইটা পড়া হয়নি! দেখি হাতের কাছে পেলে পড়ে ফেলবো!

৪২. ১৬ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:১৩
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: যেই মন্ত্র দিলা লেখার মধ্যে সবাই মন্ত্রমুগ্ধ! (মোটেও চাপা মারি নাই X( )

আঞ্চলিক ভাষা যে ঢুকাও নাই সেইটাই ঠিক হইছে, আসলেই মিলতো না ঐটা।

আইচ্ছা তুমি এখন ঘুম যাও। |-) আর আমি ঝিমাইতে থাকি :-<
১৬ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: আমি তো হেভি ঘুম দিয়ে উঠলাম একটু আগে! তোমাকে গুডনাইট! B-)

৪৩. ১৬ ই জুন, ২০১০ সকাল ৯:৫৭
নস্টালজিক বলেছেন: অপুর্ব অপগল্প!



পাঠে বিষাদ,
পাঠে মুগ্ধতাও........




হাই ফাইভ।।
১৬ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: হাই ফাইভ রানা ভাই! B-)

৪৪. ১৬ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৩০
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন: গল্পটা ব্লগে জন্মগ্রহন করার সাথে সাথেই অফলাইনে পড়ছিলাম। কি আর বলব। ভাষা ও বিস্তার অনেক ভিভিড।ভালো লাগছে আমার।

শুভেচ্ছা ন্যাশ ।।
১৬ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস অমিতদা! ভালো লেগেছে জেনে প্রীত হলাম!
যে যন্ত্রটা বাজাচ্ছেন ওটার নাম কি? ট্রাম্পেট নাকি?

৪৫. ১৬ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:৩৫
রাজসোহান বলেছেন: প্রফাইল পিকের সাথে প্রফাইলের লেখা দেখে হাসতেই আছি =p~
১৬ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: লেখাটা কালকে রাতেই চেঞ্জ করব ভাবসিলাম! পরে আইলসামির কারণে আর করা হয় নাই!

১৬ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: :|

৪৭. ১৬ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৩৮
রেজোওয়ানা বলেছেন: মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়ে গেলাম।
চমৎকার লেখা..........
১৬ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্ক ইউ আপু! আপনার আর আপনার পিচ্চি বাবুর জন্য অনেক শুভকামনা!

৪৮. ১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:০৮
শায়মা বলেছেন: বাপরে। সালাম শতকোটী তোমার পায়ে।

এমন লেখা কারা লেখে আল্লাহ জানে শুধু।


গল্প লেখায় ফার্স্ট প্রাইজ দেওয়া হলো।
১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: হা হা হা! ওকে প্রাইজ গ্রহণ করা হলো! :)

৪৯. ১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৪৭
অজন্তা তাজরীন বলেছেন: মানুষ কি আসলে দুঃখকে ভালবাসে ? কষ্ট থেকে ভাল লাগা নিংড়ে নিয়ে গেলাম। ++++++
১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: সবাই বাসেনা বোধহয়! কেউ কেউ বাসে......সম্ভবত আমি ওই কেউ কেউদের একজন.......

৫০. ১৭ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:১০
মোনতাসির মামুন বলেছেন: হিমশীতল বরফের মত জমাট বাধা ঘন আঁধারে মিশে যেতে যেতে আমি জানলাম আঁধারের সৌন্দর্য অপার্থিব। তবু মানুষ মোমবাতি জ্বালয়। ঠিক আপনার মত আলোক সন্ধানী।
১৭ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য! শুভকামনা!

৫১. ১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:৫৬
রাজসোহান বলেছেন: দুস্ত এইবার আর একটা লেখা দে :#)
১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: তোর পরাবাস্তব লেখার খবর কি?

৫২. ১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:০৯
রাজসোহান বলেছেন: ওহ , ঐডা ? দিমুনে |-) খাতায় লিখ্যা রাখসি , কম্পুতে টাইপ করতে গেলেই আইলসামি স্টার্ট হয় :-<
১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: টাইপ করে ফেল জলদি!

১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: হুমম.....দুঃখজনক সত্য!

৫৪. ১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:১১
নূর-ই-আল-মামুন বলেছেন: লেখা পড়ে দৃশ্যগুলো আবার কল্পনায় দেখলাম। কষ্ট এবং গা রি রি করা ঘৃণা ... উফফ .

আপনি ভাই লেখছেন জব্বর।
১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: কষ্টটা সবাই একবার অনুভব করুক......
পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে! আমার ব্লগে স্বাগতম!

৫৫. ১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:১৮
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: আমার এক ফ্রোন্ডের মা ছিল পাগল।তার বাপ ছিল বিদেশ। কি যে সমস্যা আমার বন্ধুটি কাটিয়েছে জীবনে তা বুঝিয়ে বলা যাবে না।
ওর সাথে অনেকদিন যোগাযোগ নেই। আপনার লেখা পড়ে তার কথা মনে পরে গেল।
১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ শূন্য! বন্ধুর খোঁজ খবর রাখবেন!

৫৬. ১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:৩৯
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: ৯০০ ৪, তোমার লেখার হাত ভাল, শব্দের ব্যবহার, গঠন সব মিলিয়ে বেশ। সেই সাথে পাঠক ধরে রাখার (শুধু গল্পে নয়, মন্তব্যে-প্রতিমন্তব্যেও) অসাধারণ গুনটি তোমার আছে।

কিছু কবিতা চেষ্টা করে দেখতে পারো, ফরমায়েশি লেখা নয়, যদি মন থেকে আসে।
১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: আসলে আমি এমনিতেই চিন্তা করছিলাম এরপরে একটা কবিতা লেখার চেষ্টা নেব! আপনার সাথে চিন্তাটা মিলে গেল! তবে কবিতা তো শুধু চাইলেই লেখা যায় না......যথাযথ মুড ও স্বতঃস্ফুর্ততার দরকার আছে! তাছাড়া কবিতা চেষ্টা করার জন্যেও বিশেষ যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন......অতটা আমার এখনো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না........ :(
উত্সাহ দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ জীবুদা!

৫৭. ১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:২১
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন: আরে নৈশ!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

আপনি এমন লিখেন?

সাবাস

আমি সত্যি অভিভূত।

এই কে আছিস নৈশকে আমার রাজ্যের সব সম্পদ দিয়ে দেয়া হৌক :)
১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: আচ্ছা নিয়ে নিলাম! এরপরে কিন্তু আর ফেরত চাইতে পারবেন না! :)

৫৮. ১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৫০
পাথুরে বলেছেন:
বাকহীন মগ্নতা...

অসাধারণ
অসাধারণ....
১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রিয় পাথুরে! অনেকদিন পর আপনাকে দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো! ভালো থাকবেন!

৫৯. ১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:৫১
রাজসোহান বলেছেন: ও আফু ডি ,আন্নে কিরামাচুইন :-/
১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: জ্বে ভাইডি আসি ভালাই!

৬০. ১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৮
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: আপনার লেখার স্টাইলটায় নিজস্বতা আছে । পড়ে যাওয়া যায় এক নি:শ্বাসে। মন্তব্যগুলোও খুব ভাল মানের ।

+++ । ভাল থাকবেন ।
১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ হাসনাইন ভাই! আমার ব্লগে স্বাগতম আপনাকে! ভালো থাকবেন! শুভকামনা রইলো....

৬১. ১৯ শে জুন, ২০১০ ভোর ৫:০১
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কিছু একটা বলবো
কিছু একটা বলার দরকার
মুখ আছে তাই বলবো
কান আছে কেন শুনবো
আমার না বলা কথা গুলো বলতেই হবে
এমন নয় যে সব আজ হারিয়ে যাবে
তবে এখনই সময় সবকিছু বলার
নাহলে অচেতন এই মন করবে বড্ড অনাচার
আকাশটায় একবার চোখ বুলাই
নীলাংশটুকু কতটুকু বাকী
সাদা কালোর ঘোড়া দৌড়ে
সূর্য্য তাই দেয় ফাকি
এমন লুকোচুরীর এমনও দিনে
তবু আমায় বলতে হবে
অথবা কেউ হারিয়ে যাবে অনন্তের পথ ধরে
জানবে না তার জন্য হ্রদয়ে কি লেখা
এপিটাফ ফিরে পাবে অর্থহীন সব ভালোবাসা


থাক, আজ আর নয়,
সবকিছু বুঝতে হয়
শুধু নিশ্চুপ দু চোখে
লেখা থাকে শত কথা
সে সমুদ্রে হারিয়ে যাবে
সহস্র জীবনের লোকগাথা!


প্রিয়তে!
১৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন: প্রিয়তে নেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ উদাসী স্বপ্ন! আমার ব্লগে স্বাগতম!
কবিতাটা সুন্দর! আপনার লেখা?

৬২. ১৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:৪৯
আফসানা আফসার বলেছেন: সুন্দর করে যেমন লিখতে পারিনা, মন্তব্য ও করতে পারিনা, এরপরও বলি সুন্দরকে সুন্দর বলে মর্যাদা দেওয়া যায়। কিন্তু অতি সুন্দরকে কি দিয়ে মর্যাদা দিতে হয় তা আমার এই মুহুর্তে জানা নাই। মর্যাদার সর্বোচ্ছ কমেন্টটা শুণ্য থেকে ধরে নিলে কৃতজ্ঞ থাকব।

ধন্যবাদ।
১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: আপনার লেখা তো বেশ সুন্দর!
থ্যাঙ্কস আফসানা! আমার ব্লগে স্বাগতম আপনাকে! ভালো থাকবেন!

৬৩. ২০ শে জুন, ২০১০ রাত ১:৫৬
পাহাড়ের কান্না বলেছেন: মনে হয়নি যে আমি একটা গল্প পড়ছি। মনে হল কোন সত্য ঘটনা পড়ছি।
অনেক ভাল লাগলো। নিয়ে গেলাম সাথে করে।
২০ শে জুন, ২০১০ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস পাকা ভাই! প্রিয়তে নেয়ায় খুব ভালো লাগলো!
শুভরাত্রি!

৬৪. ২০ শে জুন, ২০১০ রাত ২:১৮
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লেখক বলেছেন: প্রিয়তে নেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ উদাসী স্বপ্ন! আমার ব্লগে স্বাগতম!


লজ্জাসকর বিষয়টা হইলো এই ফালতু লাইনা গুলা আমি তখনই ইনস্ট্যান্ট মাথা থিকা নাযিল করাইছি! দুস্কিত যে এমুন আউল ফাউল জিনিস লেখনের লিগা!
২০ শে জুন, ২০১০ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: উদা ভাই এইবার তো বিনয়ের পুরা অতিশায়ন হইয়া গেল! ইনস্ট্যান্টই যদি এইরকম লেখতে পারেন তাইলে চিন্তা ভাবনা কইরা লেখলে কি দাঁড়াবে তাই ভাবতেসি!
দুষ্কিত হওনের কোনো প্রশ্নই নাই! আমি অতিশয় আনন্দিত হইয়াছি! :)

৬৫. ২০ শে জুন, ২০১০ ভোর ৫:০৫
কমুনা বলেছেন: ৯০০ মিয়া একটা পুস্ট দিসি B:-/
২০ শে জুন, ২০১০ ভোর ৫:১৪

লেখক বলেছেন: দেক্সি! আর্টসেলের গান আমি শুনি না! পোস্টে মাইনাস দেয়ার চেয়ে না ঢুকাই ভালো, কি বল? B:-/

২০ শে জুন, ২০১০ ভোর ৫:৩০

লেখক বলেছেন: গুড!

৬৭. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:২২
কালীদাস বলেছেন: এত ভোরে সামহোয়ারে কি, এ্যাঁ? :D :D

অ.ট: নতুন প্রোপিকটা ভালই লাগছে!
২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন: ভাইজান আমি তো রাতে ঘুমাই না! আজকাল সকাল পার হয়ে দুপুরে ঘুমাইতে যাইতেসি! :-/ প্রোপিকটা আমারও ভালই লাগসে! :D
অ ট: ভাইজান আসছেন যখন কষ্ট কইরা পোস্টটা কি একটু পড়বেন? :(

২০ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৬৯. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:৪৫
কালীদাস বলেছেন: পুরাটা পড়েই কমেন্ট করেছিলাম, উপরে কেউই কিছু বলা বাদ রাখেনি-নতুন আর কি বলব? :| :| :|

তবে লেখাটা ভাল হলেও পড়ে মনটা আবার খারাপ হয়ে গেল। এটাই লেখার সবচেয়ে বড় সার্থকতা, সবাই একনিঃশ্বাসে পড়ছে-কিন্তু মন খারাপ করে চলে যাচ্ছে..........ফিল করছে পেইনটুকু!!
২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: স্যরি অফটপিক কমেন্ট দেখে ভেবেছিলাম বোধহয় আপনি পড়েননি! থ্যাঙ্কস ভাইজান! তবে শুধু মন খারাপ করে কি লাভ! দৃষ্টিভঙ্গিটা চেইঞ্জ হোক এটা চাই- সেজন্যেই লেখাটা লেখা!
ভালো থাইকেন! শুভ সকাল!

৭০. ২০ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:২১
রিমঝিম বর্ষা বলেছেন: ভয়ঙ্কর কষ্টের গল্প। আপনাকে আমার লিঙ্কে এ্যাড করে নিতে হবে। এত চমৎকার করে কিভাবে লেখেন?
২০ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস রিমঝিম! চেষ্টা করি লেখার......কিছু হয় কিনা জানি না.....

২০ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: জ্বি বড় ভাইজান আসি! ব্যাপক উড়াধুরা মুডে! :#)

৭২. ২০ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩১
সায়েম মুন বলেছেন: মুড দেইখা তব্দা খাইলাম B:-) B:-)
২০ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪১

লেখক বলেছেন: তব্দা খাইলেন ক্যান? আমি তো প্রায়ঃশই এই মুডে থাকি......

৭৩. ২১ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩২
রাজসোহান বলেছেন: ইংলিশে লিখছিস ক্যান ?
২১ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৭

লেখক বলেছেন: এটা একটা গান!

৭৪. ২১ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:১০
সোহানুর রহমান বলেছেন: অসাধারণ একটা লেখা পড়লাম। কিন্তু মনটা খারাপ হয়ে গেল।
২১ শে জুন, ২০১০ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ! মন খারাপের জন্য দুঃখিত......কিন্তু এই জিনিসগুলো আমাদের বোঝাটা জরুরি!
ভালো থাকুন!

৭৫. ২২ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:৩৮
জুজু বুড়ি বলেছেন: আপনি আমাকে শুভেচ্ছা জানাতে আমার ব্লগে গিয়েছিলেন। আমি কৃতজ্ঞতা জানাতে এলাম।

আপনার লেখা ভালো লেগেছে সেটাও জেনে রাখুন।
২২ শে জুন, ২০১০ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: আপনি কমেন্ট এক্সেস পেয়ে গেছেন? অভিনন্দন জুজু বুড়ি!
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ! ভালো থাকবেন! হ্যাপী ব্লগিং!

৭৬. ২২ শে জুন, ২০১০ রাত ১:১২
জুজু বুড়ি বলেছেন: আমি কমেন্ট এক্সেস পেয়েছি। কিন্তু এখনো ওয়াচে আছি। আরো ৪ দিন নাকি প্রথম পর্যবেক্ষন করা হবে। কিন্তু আবার বলছে আমার লেখা নাকি প্রথম পাতায় যাবে- আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।
২২ শে জুন, ২০১০ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: আসলে সেইফ হবার আগ পর্যন্ত লেখা তো প্রথম পাতায় আসে না! কিন্তু ওয়াচ অবস্থায় কমেন্ট এক্সেস দেবার কথা না! আপনাকে দিয়েছে সে তো ভালো কথাই! পোস্ট দিতে থাকুন! শীঘ্রই সেইফ হবেন আশা করি!

৭৭. ২২ শে জুন, ২০১০ রাত ১:২২
জুজু বুড়ি বলেছেন: পোস্ট লিখতে তো ইচ্ছে করে না। আর কি নিয়ে লিখবো সেটাও তো মাথায় আসে না। কয়েকদিন তো ব্লগে বসে থাকলাম। কিন্তু কিছুই তো আইডিয়া বের হলো না।
প্রথমে তো ভেবেছিলাম অনেক অনেক লিখব কিন্তু এখন যে এই অবস্থা হবে কে জানতো!
২২ শে জুন, ২০১০ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: হা হা! আমারও আসত না প্রথমে! তাহলে পড়তে থাকুন! আইডিয়া আপনাতেই চলে আসবে! শুভকামনা!

৭৮. ২২ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৪৩
ফেরদৌসী বলেছেন: আসলে কি লেখা হল তার চেয়ে কিভাবে লেখা হল সেটাই মূল বিষয়।

হামা ভাইয়ের কথা।সেটা মূল বিষয় না হলেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।লেখা কিভাবে শেষ হবে,সে দৃষ্টিভঙ্গী লেখকের,সে বিতর্ক আলাদা।কিন্তু কি অদ্ভুত উপস্হাপনা,কি অদ্ভুত শব্দচয়নের উপমা,একেই বুঝি বলে ঈশ্বরপ্রদত্ত ক্ষমতা।
আমি মুগ্ধ,......এবং ঈর্ষান্বিত .....একটু ওওওওওওওওওওওওওওওওওও খানি :) :) :) :) :) :)
২২ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি আপনার লেখা পড়েছি আপু! যেসব বিশেষণে আমাকে ভূষিত করছেন আপনার নিজের ভেতর সেগুলো যে আরো ভালোভাবেই বিদ্যমান তা আপনি নিশ্চয়ই জানেন!
আমি কেবলমাত্র কিছু লেখার চেষ্টা করছি.....আপনাদের মন্তব্যগুলি আমার জন্য অনুপ্রেরণা!
সময় করে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু! আমার আঙ্গিনায় নিয়মিত আসার আমন্ত্রণ রইলো.... :)

২২ শে জুন, ২০১০ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: কি নাই?

২২ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: :|

৮১. ২৩ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:৩২
কালপুরুষ বলেছেন: নিঃসন্দেহে চমৎকার একটা লেখা পড়লাম। খুব ভাল লাগলো। গল্প বা গদ্য লেখা আমি কম পড়ি। তাই গদ্য লেখায় তেমন একটা মন্তব্য করা হয়না। ব্লগে কিছু কিছু ব্লগার চমৎকার গদ্য লেখে। তাদের অনেকের লেখাই সময় নিয়ে পড়ি। তোমার লেখা পড়ার আগ্রহ জন্মালো।

শুভ কামনা রইলো।
২৩ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কালপুরুষদা! স্বাগতম আমার ব্লগে!

২৪ শে জুন, ২০১০ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: সো এম আই!!!

৮৩. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৪৯
অরুদ্ধ সকাল বলেছেন:

প্রচন্ড রকমের ভালো লেখা................
কোন একসময়
এই রকম লাইন পেট থেকে বের হয়েছিলো


______________________________
সন্ধ্যেটা সবে আসতে শুরু করেছে;
আবছা হচ্ছে আলোটা। সূর্য এখন অনেকটা সময় নিয়ে আকাশটাকে মাতিয়ে রাখে; তাই সন্ধ্যেটা আসতে দেরি হয়। আর সন্ধ্যেটা পা ফেলতেই ঝুপঝাপ আধাঁর নামতে শুরু করে। আধাঁর নামতে যখন শুরু হয় তখন আবার পাশের নালাটায় ডাক শোনা যায় ঝি ঝি পোকার। একটানা ঝি পোকার শব্দে কান মাতায়।
সেই সাথে ডোবার ধারে করাত করাত করে ডেকে উঠে ব্যাঙ। আজ জোনাক গুলোও বড্ড ছন্নছাড়া হয়ে আছে; পাচঁ-দশটি এক জায়গাতে থাকেই না; বড়োজোর দু’চারটেকে দেখা যায় এদিক-ওদিক উড়ছে। কেন ওরা এমন তা ভাবতে বসে আছে জয়িতা।
সন্ধ্যের প্রদীপটা এখনো জ্বলেনি সে;
আলসেমিটা পেয়ে বসেছে আজ আবার; মা’র বকুনি নির্ঘাত। মেয়েটা যে বড় হয়েছে মায়ের সে খেয়াল থাকেই না; সেই ছোট্টটি কি আর আছে কাল বাদে পরশু যে তার বিয়ে; তাকে কি বকুনি দেয়া যায়? সন্ধ্যে ছেড়ে কিছুতেই মনটা তার উঠতে চায়না আরেকটু বসে থাকতে ইচ্ছে করে কিন্তু সে জো নেই এখুনি সন্ধ্যা ফুরোলো বলে।
ভাবনার তেপান্তর থেকে মনটাকে টেনে নিয়ে সোজা হয়ে দাড়ায় জয়িতা।
সন্ধ্যে প্রদীপ জ্বালতে হবে; বাবা চলে এলো বলে; সন্ধ্যে মরে যচ্ছে কিন্তু প্রদীপ জ্বলেনি দেখলে বাবা রাগ করবে।
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৫

লেখক বলেছেন: হুমম.....এটাও সকাল আপুর প্রচন্ড মন খারাপ করা একটা গল্পের অংশবিশেষ! গল্পটার নাম সম্ভবত "কখন সকাল হবে"!
এই গল্পটার থিম অবশ্য ডিফারেন্ট! পড়ার জন্য ধন্যবাদ রইলো!

৮৪. ২৮ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:৩০
১২৩৪ বলেছেন: আমিও নির্বাক্...শুধু কষ্ট বাড়ছে...
২৮ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:১৭

লেখক বলেছেন: কষ্ট বাড়াবেন না.........সাহস বাড়ান! এই গল্পটা সাহসের গল্প.........

৮৫. ২৮ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:২৫
১৬ই ফেব্রুয়ারী বলেছেন: ব্যতিক্রমী লেখা তয় ভয় পাইসি ।
২৮ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: ভয় পাওয়ার কি আসে? ভয়ানক কিছু তো লিখি নাই!

২৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস আপু! ভালো থাকবেন!

৮৭. ১৮ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:২৩
আকাশ মামুন বলেছেন: প্রিয়তেতেতেতেতেেতেতেতেতেতেতেতেতেততেেতেতেতেতেতেতেতেতেত
১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আকাশ মামুন! আপনাকে আমার ব্লগে স্বাগতম!

৮৮. ২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪
সুরঞ্জনা বলেছেন: অসাধারন একটি লেখা। দেরীতে হলেও পড়লাম। প্রিয়তে নিলাম।
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু! পড়ার জন্য এবং প্রিয়তে নেবার জন্যেও!
খুব ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পেয়ে! ভালো থাকবেন!

৮৯. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪১
মেহবুবা বলেছেন: তন্ময় হয়ে পড়তে পড়তে ফুরিয়ে গেল । স্তব্ধ হয়ে রইলাম ।
শুভকামনা অফুরান ।
২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপু! খুব ভালো লাগলো আপনাকে আমার ব্লগে পেয়ে!
ভালো থাকবেন সবসময়.......

৯০. ১০ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:১৮
কি নাম দিব বলেছেন: একটানে পড়ে গেলাম, অসাধারণ সুন্দর আপনার লেখা।
গল্প পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেলো।
শোকেসে রেখে দিলাম । :)
১০ ই আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য ও প্রিয়তে নেবার জন্য কি নাম দিব!
শুভেচ্ছা রইলো সবসময়ের! ভালো থাকবেন!

৯১. ১৫ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:২৭
অনিকেত কবি বলেছেন: এইরকম ভয়ংকর কষ্টের গল্প কেউ লেখে কিভাবে! ফিনিক্স পাখি'র মতো মতো মেয়েটি উঠে আসুক।
১৫ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: হীরের মত.......ফিনিক্সের মত.......সূর্যের মত উঠে আসুক........আমরা বলি!
কিন্তু আমরা কি সত্যিই উঠে আসতে দেই? দেই না তো........
পাঠে অনেক কৃতজ্ঞতা রইলো অনিকেত কবি! শুভ বিকেল!

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: :)

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!

৯৪. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪২
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: এক অগ্নিস্নাত নারী তার বিষাদের সমস্ত লোমকূপ অগ্নির উপাসনায় জলাঞ্জলি দিয়ে শুকতারার মত জ্বলে গেল আর কিছু ছাইভস্ম পড়ে রইলো শূন্য উঠোনের পরে।


সারারাত জ্বলে যাওয়া তারাটির গল্প নিষাদী হাতে।


আসলেই অপগল্প।অপরুপ মায়াময় শব্দের গল্প।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: ধইন্যা! মাগার তুই এদ্দিন কই ছিলি? দুইদিন পর পর কই গায়েব হইয়া যাস?

৯৫. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৮
মেঘ_বালিকা বলেছেন: আমি চোখের ভেতর বেঁধে নিয়েছিলাম পাঁচটা জবাফুল.........তবু আমার চোখের পাতায় মরুভূমির শুষ্কতা তীব্র খরার মত দানা বেঁধে রইলো। আমি কাঁদতে পারলাম না......

এত সুন্দর লেখা...অনেক ভালো লাগলো। :) :) :) :)
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: প্রথম আমার ব্লগে আসলেন বলে স্বাগতম! খুব ভালো লাগলো নতুন পাঠক পেয়ে!
থ্যাঙ্কস! :)

৯৬. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১৭
মে ঘ দূ ত বলেছেন: অদ্ভুত সুন্দর! আরে তেমন সুন্দর শিরোনাম এবং শব্দচয়ন।

++++++

বেশ অনেকদিনের চেষ্টার পর অবশেষে শেষ করতে পারলুম :-)
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: লাস্টের কথাটা কি একটা খোঁচা ছিল? :| :-&

৯৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:১৭
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: আমি আসলে গায়েবানা পাবলিক।কিছুদিন পর পর তোদের জন্য নতুন নতুন বাণী নিয়া ধরাধামে নামি।;)


বেঁচে আছি তবু যেন মৃত...এইরকম সময়ে ইচ্ছা করে ঢুকে পড়ছি।

যাই...ঈশ্বর মিস্কলাইছেন।মনে হয় তোদের জন্য নতুন কিছু নাযিল হইতাছে।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন: উরিঈঈঈঈ ভাব!
যাই হোক,দেখতে যামুনে নয়া কি কি নাজিল হৈল! আমারে আইজকাল চরম আইলসামিতে ধরসে....... :-<

৯৮. ০৩ রা অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:০৭
জসিম বলেছেন: অ-নে-ক ভালো আর অসাধারণ লেখা। ++




প্রিয়তে থাকুক।

০৩ রা অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জসিম!
ভালো থাকবেন! শুভ সন্ধ্যা! :)

৯৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:২৭
নাজনীন১ বলেছেন: যদিও অনেক পরে পড়া হলো। শেষটা দেখে মনে হলো দুই পরাজয়ের একটিকে বেছে নেয়া।

মেয়েটার নিজের কি আর কিছুই করার ছিল না? কেন আত্মসমর্পণ করতে হবে? নিজের পায়ে দাঁড়ানোর আর কিছু পন্থা খোঁজার চেষ্টা করতো। নাকি তখন আর সেটা গল্প হতো না, বাস্তবতায় নেমে আসতো?
০৯ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: এখানে যেটা লিখেছি সেটাও তো এক ধরনের বাস্তবতাই! আমি আসলে এই গল্পটায় ফ্যান্টাসির আশ্রয় নিতে চাই নাই! বাস্তব জীবনে যা ঘটতে পারে সেটাই দেখাতে চেয়েছি! গল্প-উপন্যাসে দেখা যায় নায়ক নায়িকা সমস্ত বাধা বিপত্তিকে অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত বিজয় লাভ করে! বাস্তবে বেশিরভাগ সময়ই তা হয়না! বাস্তবে আমাদের সমাজে একা একটা মেয়ে কোনো জায়গাতেই কখনোই নিরাপদ নয়! সে হয়ত স্বাবলম্বী হবার চেষ্টা করতে পারত! কিন্তু সেটা হবার জন্য যেখানেই যেত সেখানেই সে একইরকম নিরাপত্তার হুমকিতে পড়ত - এটা সর্বজনবিদিত সত্য!
এই বাস্তবতাকে জেনে নিয়েই,আমার আসলে যেটা বলার ইচ্ছে ছিল সেটা হলো যে, যেই মানুষটা এই ভয়ানক বিপদের মুখে পড়েও জীবনের হাত ধরে থাকার সাহস দেখালো তাকে আমরা পরাজিত বলব কেন? আমার চোখে সে তো বিজয়ী! এইটুকু মনের জোর কয়জন মানুষ দেখাতে পারে?
হয়ত আমার লেখার সীমাবদ্ধতার কারণে জিনিসটা আমি ঠিকভাবে বুঝাইতে পারি নাই!

১০০. ২০ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৫:০৮
আমার স্বপ্ন আমার আকাশ বলেছেন: অসম্ভব অসম্ভব অসম্ভব সুন্দর একটা লিখা ... খুব ই সুন্দর হইসে ... এক সিশ্বাস এ পড়ে সেস করলাম ... অসাধারন ...

লিখাটার প্রেমে পড়ে গেলাম যে ভাই!!!
২০ শে অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন আমার স্বপ্ন আমার আকাশ!
আপনাকে স্বাগতম আমার ব্লগে! :)

১০১. ২০ শে অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩২
রক্তিম কৃষ্ণচূড়া বলেছেন: অসাধারণ একটা লেখা । এর আগেরবার শুধু + দিয়ে গিয়েছিলাম। কিছু লেখা হয় নাই । আজকে লিখে গেলাম । :)
২০ শে অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: হা হা হা! বারবার থ্যাঙ্কস দিতে বোর লাগে! This time handshake! :)

২০ শে অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: Hug এর ইমো এইবার! :)

১০৩. ২০ শে অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০১
রক্তিম কৃষ্ণচূড়া বলেছেন: A big hug .... :) :)



অট- কাখার সব পোস্ট ড্রাফটে , খেয়াল করসো?
২০ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:১৫

লেখক বলেছেন: হ্যা গতকাল রাতেই ড্রাফট করেছে! উনি একটু আলস্যে আক্রান্ত আছেন বর্তমানে! টেনশিত হইবার কিছু নাই! :)

১০৪. ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৬
আহাদিল বলেছেন: অনেক সুন্দর লিখেছেন নৈশচারী।
২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আহাদিল! ছবিটা আগুনরঙ্গা.......মানুষটাও তাই বোধ করি! :)

১০৫. ২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:১৫
আহাদিল বলেছেন: প্রতিনিয়ত আগুনে পুড়ে খাক হয়ে এখন কয়লার রঙ...:)

নতুন পোস্ট দেখার নিমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: কয়লা থেকে হীরে বের হয় কিন্তু.......... :)
নতুন পোস্ট......সহজে হয়ত আর নাও আসতে পারে.......

১০৬. ২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:১০
সুবিদ্ বলেছেন: মা'কে নিয়ে হুমায়ুন আজাদের একটা অনন্যসাধারন কবিতা আছে, পড়ছো? জানিনা কেন গল্পটা পড়ার শুরুতেই আমার ঐ কবিতাটার কথা মাথায় এলো, নাম ভুলে গেছি, কিন্তু খুব ইচ্ছে হচ্ছে সেটা পাঠের...

এন্ডিংটা হতাশ করেছে এক অর্থে, হয়তো অতটা তীব্র বাস্তব সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই...

এককথায় বললে, তোমার টানটান গদ্য পাঠের অভিজ্ঞতাও আসলে অসাধারন।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: না পড়া হয়নি কবিতাটা সম্ভবত! নাম বললে মনে করতে পারতাম......
আমার বেশিরভাগ গল্পের এন্ডিংই তো আসলে হতাশাজনক! তবে এই গল্পটাতে হতাশাজনক এন্ডিং এর ভেতরেও কিছু আশাবাদের কথা বলার চেষ্টা ছিল! যদিও হতাশার তীব্রতায় সেই ব্যাপারটা সবার দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে হয়ত........

১০৭. ২৯ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৯
শ্যাওলা ধরা উঠান বলেছেন: অনেক অনেক ভাল লেগেছে। :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.৪৬৩১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
... ... ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই