আমার প্রিয় পোস্ট

ব্ল্যাঙ্ক

ঈশ্বরের হনন ও কতিপয় অন্ধ ও বধির গুটিপোকা

০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৩৯

শেয়ারঃ
0 3 0


০১.
শেষ রাত্রে লন্ঠনের টিমটিমে আলোর নিচে আমরা পাঁচজন রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেছিলাম। আমি,ডেভিড,শান্তনু,লুকো শি আর ফ্র্যান্কেনস্টাইন। আমরা কথা বলছিলাম কিছু সাংকেতিক ধ্বনি ও ইশারার মাধ্যমে যার অর্থ কেবল আমরাই বুঝতে সক্ষম। আমাদের ঠোঁটের আগায় জানালার কার্নিশের মৃত বাদুড়ের মত ঝুলে থাকা পৈশাচিক ক্রূর হাসিই বলে দিচ্ছিল উদ্দেশ্য সাধনের জন্য আমরা যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত। অত্যন্ত গোপনীয় ও স্পর্শকাতর এই বৈঠকের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রক্ষার জন্য যা যা করা প্রয়োজন তার সব ব্যবস্থাই নেয়া হয়েছিল। আমাদের বৈঠকের ঘরটি ছিল কঠোর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থায় মোড়ানো। এমনকি ঘরের দরজার ফাঁক দিয়ে একটি ছোট পিঁপড়েও যেন ঢুকতে না পারে আমরা তা নিশ্চিত করেছিলাম। যে গুরুত্বপূর্ণ কাজের ভারটি আমাদের কাঁধে এসে পড়েছে আমরা তা সফলভাবে সমাপ্ত করতে বদ্ধপরিকর ছিলাম এবং এধরনের একটি কাজে নিজেদের নিযুক্ত করতে পেরে মনে মনে গর্ব অনুভব করছিলাম। আমরা জানতাম যে আমরা বিশেষ কেউ এবং পৃথিবীর ভবিষ্যত ইতিহাস আমাদের হাতেই রচিত হতে চলেছে। সুতরাং আমরা তার সাথে কোনো ধরনের সমঝোতা করতে প্রস্তুত ছিলাম না।

০২.
বাইরে তখন রাতশেষের ভূতুড়ে অন্ধকার আকাশের এক কোণে অস্পষ্ট একটা ক্ষীণ আলোর রেখা দেখা দিচ্ছে মাত্র। আমরা তাকে পকেটে পুরে নিয়ে দ্রুত হাতে আমাদের ছড়ানো ছিটানো অস্ত্রগুলো গুছিয়ে নিচ্ছিলাম এবং নিজেদের শেষ মুহূর্তের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে নিচ্ছিলাম। ডেভিড ছিল আমাদের ন্যারেটরের ভূমিকায়। সে গোটা পরিকল্পনার ছকটি আমাদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুংখানুপুংখ ভাবে বুঝিয়ে একটুখানি দম নিল । তারপর ইশারায় আমাকে কিছু বলার ইঙ্গিত দিল। আমি প্রায় জ্বলে শেষ হয়ে যাওয়া সিগারেটটায় শেষ টান দিয়ে হাত থেকে সেটা ছুঁড়ে ফেলে দিলাম এবং সতর্ক দৃষ্টিতে ঘরের চারপাশটায় চোখ বুলিয়ে নিলাম। অবশেষে আমার বাকি চার সঙ্গীর দিকে একটি অর্থপূর্ণ হাসি নিক্ষেপ করে বললাম, "প্রিয় সঙ্গীগণ, আপনাদের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন এই বিশেষ কাজে নিজেদের সহযোগীতার হাত নির্দ্বিধায় বাড়িয়ে দেয়ার জন্য। আশা করি আমাদের অভিযান সফল হবে এবং শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হব আমরাই।" কথা শেষ হওয়ামাত্র আমার সঙ্গীরা হর্ষধ্বনি করে উঠলো এবং শেষবারের মত আমরা হাত মিলিয়ে একে অপরের সাথে করমর্দন করে নিলাম। অতঃপর নিখুঁত ছক কাটা পরিকল্পনা অনুসারে রাতের আঁধার মিলিয়ে যাবার পূর্বেই আমরা যে যার নির্দিষ্ট অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আমাদের কাঙ্খিত অভিযান বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লাম।

০৩.
পৃথিবীর মাটিতে ঈশ্বরের আগমনী বার্তা শোনা যাচ্ছিল বহুদিন ধরেই। সর্বশেষ জানতে পাওয়া গেল, মাতৃগর্ভে জন্ম নিয়েছে ঈশ্বরের বীজ। এই সংবাদকে পৃথিবীবাসী গ্রহণ করেছিল ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে ভিন্ন মাত্রায়। একদল ছিল ভীত,একদল আনন্দে উদ্বেল আর সবচেয়ে বেশিসংখ্যক সংশয়াবিষ্ট। তারা ঘন কুয়াশার চাদরের ভেতর ভেসে ভেসে সাঁতার কাটছিল সন্তর্পনে। কেউ কেউ স্বপ্ন দেখেছিল কুয়াশার জাল কেটে দিয়ে কোনো এক সকালে ছদ্মবেশহীন সূর্যের আলোতে চোখ মেলার। কিন্তু সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দলটি ছিল ক্রুদ্ধ। তারা জানত, ঈশ্বরের আগমনে তাদের অস্তিত্ব হবে সংকটাপন্ন। যে গোল কমলালেবুকে তারা এতকাল ধরে হাতের তেলোয় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে করেছে আপন সাম্রাজ্যের বিস্তার তার নিয়ন্ত্রণ তারা হারাবে চিরতরে এবং তাদের ঘূণে ধরা মাত্স্যন্যায়ী সাম্রাজ্যের হবে অবশ্যম্ভাবী পতন। সুতরাং তারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় মরিয়া হয়ে আসন্ন সংকট থেকে পরিত্রাণের উপায় খুঁজতে থাকলো এবং গোপনে সবার অলক্ষ্যে সুকৌশলে জন্মমূহুর্তেই ঈশ্বরকে হত্যা করে পৃথিবীতে নিজেদের স্থান চিরস্থায়ীভাবে সুরক্ষিত করার ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা আঁটতে লাগলো। পৃথিবীবাসী এই ভয়ানক ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পারল না। তারা রোজকার মত কর্মব্যস্ত দিনের যাবতীয় ক্লান্তির শেষে অবসাদ ঝেড়ে ফেলে পরবর্তী কোনো প্রত্যুষে তাদের ত্রাণকর্তার আবির্ভাবের সুখস্বপ্ন মনে নিয়ে বিছানায় গেল এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সুখনিদ্রায় ঢলে পড়ল।

০৪.
আমাদের অভিযানের কেন্দ্রস্থল ছিল নগর থেকে বেশ খানিকটা দূরে লোকালয় ছাড়িয়ে অপেক্ষাকৃত শান্ত ও নির্জন একটি পর্বতঘেরা স্থানে। অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে আমরা খবর পেয়েছিলাম সেখানেই একটি গোপন সুরক্ষিত গুহায় আজ সূর্যোদয়ের মুহূর্তে মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হবে তথাকথিত শক্তিধর ঈশ্বর যার আগমনের অপেক্ষায় সারা পৃথিবীবাসী যুগপৎ কৌতুহল ও সংশয় নিয়ে বসে আছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সূর্যোদয়ের পূর্বেই আমরা আমাদের অভিযানস্থলে পৌছে যে যার নির্দিষ্ট অবস্থান নিয়ে নিলাম। শান্তনুর দায়িত্ব ছিল গুহার নিরাপত্তারক্ষীদের হত্যা করে আমাদের ভেতরে প্রবেশের পথ সুগম করা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সে নিখুঁত হস্তে একে একে গুহার প্রবেশদ্বারে পাহারারত সকল নিরাপত্তারক্ষীর শিরোশ্ছেদ করে তাদের মৃতদেহগুলি ছুঁড়ে ফেলে দিল পাহাড়ের খাদে। অতঃপর আমরা সকলে এক এক করে গুহার ভেতরে প্রবেশ করলাম। বিড়ালের মত সাবধানী পা ফেলে গুহার ভেতর কিছুদূর হেঁটে যেতেই অবশেষে আমরা দেখতে পেলাম আমাদের লক্ষ্যবস্তুকে। ঈশ্বরের গর্ভধারিনী মা গুহার এক কোণে একটি উজ্জ্বল আলোকবিচ্ছুরণকারী চাটাইয়ে শুয়ে অকল্পনীয় প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করছে। তার আর্তচিত্কারে গুহা ভেদ করে সমস্ত পর্বতভূমি ও আকাশ থেকে থেকে কেঁপে উঠছিল। আমরা ভীত হয়ে উঠলাম- পাছে তার আর্তধ্বনি পৌঁছে যায় পৃথিবীবাসীর কানে এবং তারা আসন্ন ঘটনাবলী সম্পর্কে সচেতন হয়ে পড়ে। ডেভিড তাই দ্রুত তার তৈরী একটি বাকশক্তি হরণকারী তিতকুটে তরল পদার্থ এনে জোরপূর্বক তাকে খাইয়ে দিল। লুকো শি দ্রুত হাতে তার হাত পা চারিদিক থেকে শক্ত অচ্ছেদ্য রজ্জু দিয়ে বেঁধে দিল যেন সে আমাদের কার্যকলাপে কোনভাবেই বাধা সৃষ্টি করতে না পারে। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আমরা রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করতে লাগলাম ঈশ্বরের ভূমিষ্ঠ হবার মুহূর্তের।
অবশেষে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ - যার জন্য আমাদের এতদিনের এত অসহ্য যন্ত্রনাদায়ক প্রতীক্ষা ও পরিকল্পনা। সমগ্র আকাশ বাতাস ও চরাচর কাঁপিয়ে গর্ভধারিণীর সুতীব্র চিত্কারের মাঝে ভূমিষ্ঠ হলো নবজাত ঈশ্বর এবং সুতীক্ষ্ণ ক্রন্দনধ্বনির মাধ্যমে পৃথিবীতে ঘোষণা করলো তার আগমন ধ্বনি। তার জ্যোতির্ময় শরীর থেকে বিচ্ছুরিত তীব্র আলোকচ্ছটায় আমাদের চোখ ঝলসে যাবার উপক্রম হলো। কিছু মুহূর্তের জন্য আমরা অন্ধ হয়ে গেলাম। কিন্তু যে কাজ সম্পন্ন করতে আমরা এসেছিলাম তা অসমাপ্ত রেখে ফিরে যাবার পাত্র আমরা ছিলাম না। সুতরাং সেই অবস্থাতেই আমরা অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে আমাদের অস্ত্রশস্ত্র খুঁজে বের করলাম। অবশেষে তীব্র আলোয় আমার চোখ কিছুটা সহনীয় হয়ে এলে আমি দৃঢ়পায়ে আমার লক্ষ্যবস্তুর দিকে অগ্রসর হলাম। অতঃপর আমার হাতের রামদা দিয়ে ক্যাচ করে সদ্য প্রসূতির গর্ভনালীতে প্রচন্ড এক ধারালো কোপ বসিয়ে নিমেষেই মাতৃশরীর থেকে ছিন্ন করে ফেললাম শিশু ঈশ্বরকে এবং তাকে হস্তান্তর করলাম আমার সহযোগী ফ্র্যাঙ্কের হাতে। প্রসূতির জরায়ু থেকে এক ঝলক রক্ত ছলকে পড়ল মাটিতে। আমি তার রক্তাক্ত জরায়ু আমার নৃশংস হাতের হ্যাচকা টানে টেনে ছিঁড়ে ফেললাম এবং প্রবল আক্রোশে তার বিচ্ছিন্ন জরায়ু খন্ডটি ছুঁড়ে ফেললাম দূরে। সে তীব্র যন্ত্রণায় অমানুষিক আর্তনাদ করে উঠলো। কিন্তু তার আর্তনাদে কান দেবার মত সময় আমাদের হাতে ছিল না। আমি তার যন্ত্রণা চিরস্থায়ীভাবে দূর করে দেয়ার ব্যবস্থা করলাম। তার চারপাশে কিছু খড়কুটো জমা করে তাতে আগুন ধরিয়ে তাকে অগ্নিশয্যায় শায়িত করে সদ্যজাত ঈশ্বরকে হাতের তালুতে নিয়ে আমরা গুহার ভেতর থেকে বেরিয়ে এলাম। পেছনে তার গর্ভধারিণী মাকে বক্ষে ধারণ করে নিয়ে অগ্নিগুহা জ্বলতে লাগলো দাউ দাউ করে..........

০৫.
আমরা সদ্যজাত ঈশ্বরকে নিয়ে ছুটে যাচ্ছিলাম লোকালয়,পাহাড় পর্বত,সমুদ্র ও মরুভূমি ছাড়িয়ে ক্রমশ দূর থেকে দূরে। অবশেষে এক দুর্গম ঘন জঙ্গলে এসে আমরা স্থির হলাম। আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম এখানেই আমরা ঈশ্বরের চিরসমাধি রচনা করব এবং পৃথিবীর ইতিহাস থেকে মুছে দেব তার অস্তিত্ব। কিন্তু আমরা জানতাম সমগ্র পৃথিবীবাসী অধীর আগ্রহে ঈশ্বরের আগমনের প্রতীক্ষায় পথ চেয়ে বসে আছে। সুতরাং তাদের চোখে ধূলো দেয়ার জন্য আমরা সামান্য কৌশলের আশ্রয় নিলাম। প্রথমেই আমরা শিশু ঈশ্বরের শরীর থেকে নিপুণভাবে তার চামড়া তুলে আলাদা করে নিলাম। অতঃপর তার দেহের আদলে বুনো মাটি দিয়ে নির্মাণ করলাম নতুন এক দৈহিক কাঠামো। বিষাক্ত জংলী গাছপালা দিয়ে তৈরী করলাম চুল আর বুনো মোষের দাঁত ভেঙ্গে এনে বানালাম নখ। তার উপর শিশু ঈশ্বরের গায়ের চামড়া নিপুণভাবে সেঁটে দিয়ে আমরা জন্ম দিলাম নতুন এক ঈশ্বরের। সবশেষে মৃতপ্রায় ঈশ্বরের ত্বকহীন নগ্ন দেহকে পুঁতে দিলাম আমাদের খুঁড়ে রাখা কবরে এবং তার ওপর কয়েকশ ফিট মাটিচাপা দিয়ে চিরদিনের মত রুদ্ধ করে দিলাম তার কন্ঠস্বর। এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিপত্তিকে এত অবলীলায় পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পেরে আমরা সকলে যারপরনাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম এবং ঈশ্বরের সমাধির উপর পৈশাচিক উল্লাসনৃত্য করতে করতে আমরা দৃশ্যতঃ আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে তুললাম। আমি হাত দুটোকে মুষ্টিবদ্ধ করে আকাশের দিকে ছুঁড়ে দিলাম আর মত্ত স্বরে চিত্কার করতে করতে বললাম, আমি জানতাম আমি জয়ী হবই, আমি জয়ী হবই এবং অবশেষে আমিই জয়ী হলাম..................

০৬.
ঈশ্বরের মৃত্যুর সাথে সাথেই অবধারিতভাবে আমরা কিছু শক্তিশালী অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী হয়েছিলাম। আমরা সেই ক্ষমতাবলে আমাদের অলৌকিক যাদুদন্ড নেড়ে নেড়ে সমগ্র পৃথিবীবাসীকে কিছু অন্ধ ও বধির গুটিপোকায় পরিণত করলাম। অতঃপর তাদের দুই দলে ভাগ করে এক দলের হাতে তুলে দিলাম আমাদের তৈরী নকল ঈশ্বর। তারা সেই ঈশ্বরকে তাদের ত্রাণকর্তা রূপে মেনে নিয়ে দিবারাত্রি কঠিন বাক্যচ্ছটায় তার কপট উপাসনা করতে লাগলো। আর অন্য দলকে করলাম ঈশ্বরের পথ থেকে বিচ্যুত। তারা নকল ঈশ্বরের ভয়ঙ্কর রূপে বিভ্রান্ত হয়ে দিনরাত তাকে ঘৃণায় ডুবিয়ে অভিশাপ দিতে লাগলো।
আমরা অলক্ষ্যে বসে জাদুর কলকাঠি নেড়ে দু'দলের সংঘাত দেখে পরিতৃপ্তির ঢেঁকুর তুললাম আর মুগ্ধ নয়নে দেখতে লাগলাম কেমন করে সব অন্ধ ও বধির গুটিপোকারা দিনের পর দিন সুতো বুনে যায় না জেনেই যে তাদের সুতোয় বোনা জালে চিরদিনের মত আটকা পড়ে আছে তারা নিজেরাই........





ছবি: সালভাদর দালি

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): অপগল্প ;
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:১১

লেখক বলেছেন: আচ্ছা!

২. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৪৬
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন:
সর্বশেষ জানতে পাওয়া গেল, মাতৃগর্ভে জন্ম নিয়েছে ঈশ্বরের বীজ।
ঈশ্বরের কে জীবনচক্রে আনা জরুরী ছিল। কিন্তু এই ঈশ্বর কে যেন প্রতিবেশীদের সমাবেশে দেখেছি!

++++
০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: সত্যিকারের ঈশ্বরকে তো আশেপাশে কোথাওই দেখতে পাই না........অন্ধ হলে যা হয় আরকি.......

৩. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২৬
১২৩৪ বলেছেন: আপু জটিল হইছে...লিখা এতো দারুন হইছে যে কি বলবো...এত বড় অথচ পরে কি হলো জানার আগ্রহ একই রকম শেষ পর্যন্ত থাকছে...থিম জটিল, ফিনিশিং অসাধারণ....

+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৩৮

লেখক বলেছেন: বড় লাগতেসে? আমি তো আরো ভাবতেসিলাম লেখাটা বেশি ছোট হয়ে গেসে,কিছু জায়গা আরেকটু ইলাবোরেটলি ডেসক্রাইব করব কিনা! যাই হোক, শুনে ভালো লাগলো যে ভালো লাগসে তোমার! থ্যাঙ্কুশ! :>

৪. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৩৬
হাসান মাহবুব বলেছেন: এক্সেলেন্ট থিম! রুদ্ধশ্বাসে পড়ে গেলাম। মুক্তগদ্য থেকে অবশেষে পরিপূর্ণ একটা গল্প। এধরনের কিছুরই অপেক্ষায় ছিলাম। বক্তব্যটা খুবই তীব্র এবং স্পষ্ট। নকল ঈশ্বর আসল ঈশ্বরের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। আসল ঈশ্বরের জন্যে শুভকামনা রইলো!
০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: খালি থিমের কথা কইলেন? লেখার কি অবস্থা সেটা তো কইলেন না! এতদিন পরে একটা ফুল ফর্ম গল্প লিখসি আমি নিজেই বুঝতেসি না লেখার ক্যামন বেড়াছেড়া অবস্থা হইসে না কি হইসে!
আসল ঈশ্বর আসলে আমাদের কারো শুভকামনার ধার ধারে না, তার চেয়ে আমাদেরই বেশি দরকার তারে খুঁইজা বাইর করা........

৫. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৩৭
১২৩৪ বলেছেন: আমি আবার আসলাম আবার পড়লাম...আজকের সবচেয়ে জটিল পোস্ট এইটা....

খুব বেশি ভালো লাগছে এই রাইট নিয়ে বলতেছি ...একমাত্র শান্তনু নামটা কেন জানি গল্পের সাথে যাচ্ছেনা মনে হল...অবশ্য এইটা একদম ব্যক্তিগত একটা অভিমত...

:) :)
০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: নিচে হাসান ভাইয়ের কমেন্টটা পড়! তাইলে বুঝতে পারবা নামটা কোথা থেকে আসছে! আর তাছাড়া নামে কিবা আসে যায়.......বক্তব্যটাই মূল! সেটা সবাই ধরতে পারলেই হইলো! কি বলো? :)

০৭ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৭. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৪৭
হাসান মাহবুব বলেছেন: নামকরণ ঠিকই আছে। পাঁচটা পাঁচ রকম নাম, না? সে হিসেবে বরং ডেভিড আর গিলবার্ট নাম দুইটা একই রকম লাগতেসে। পাঁচটা পাঁচ ধর্মের নাম হলে ভালো হত।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:০৬

লেখক বলেছেন: ক্রিশ্চিয়ান আর ইহুদিদের নাম কিন্তু প্রায় একই ধরনের হয়ে থাকে, পার্থক্য করা মুশকিল! নোট দ্যাট!
আর কথক নিজে হয়ত মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব করছে.....সেরকমই ধরে নিতে পারেন!

৮. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২৪
১২৩৪ বলেছেন: হা ঠিকই আছে.....আমি ঐ দিকটা চিন্তা করি নাই তখন.....হামা ভাই আর আপনার সাথে একমত.......
০৭ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: যাক বুঝতে পার্সো তাহলে...... :)

৯. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯
সায়েম মুন বলেছেন: গল্পের থিম সুপার্ব।
গল্প বলার ভঙ্গিটাও বেশ ভাল লাগলো। অনেকটা রুদ্ধশ্বাস গোয়েন্দা কাহিনীর মত।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস বড় ভাইজান! লেখার মান নিয়ে আমি নিজে অবশ্য অতটা স্যাটিসফায়েড হইতে পারি নাই! খুব কাঁচা হাতের লেখা মনে হচ্ছে বারবার............

১০. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০৩
কালীদাস বলেছেন: জটিল প্লট, নিঃসন্দেহে। ভাল লেগেছে আবার টেনশনেও পইড়া গেলাম, দুনিয়ার পরণতি কি আসলে? আজকে ব্লগ খুলেই দেখলাম এক রামছাগল আফগানিস্তানে তালেবানদের জয় নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করে পোস্ট দিয়েছে। গুড! ন্যায়বিচার, ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা হোক, সমস্যা সেটা না। রাষ্ট্রীয়ভাবে যখন এশিয়া আর ইউরোপের দেশগুলোতে পপির চালান যায় তখন কই যায় এদের ইসলামি শাসন?

পোস্টে রিয়াল লাইফের একটা ভার্চুয়াল পিলাচ দিয়া গেলাম।:):)
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: ওই পোস্টটা দেখেছি! ভিতরে ঢুকার ইচ্ছাও জাগে নাই! সাম্রাজ্যবাদের অবসান হোক সেটা আমরা সবাই চাই কিন্তু তাই বলে তালেবানদের মত অসভ্য বর্বরদের জয়ে আনন্দ প্রকাশ করার আমি কোনো যৌক্তিকতা দেখি না! এটা তো অনেকটা এক শয়তান গেল আরেক শয়তান এলো সেরকম ব্যাপার!
আর ইসলামী শাসন নিয়া যারা চিল্লায় তাদের মধ্যে কয়জন ইসলামী শাসন কি জিনিস সেইটা ভালমত বুঝে একটু পরীক্ষা করতে গেলেই আসল অবস্থাটা বাইর হইয়া আসবে! এইগুলা খালি চুপচাপ দেখি আর দুঃখের হাসি হাসি!

১১. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০৭
শিরীষ বলেছেন: স্যালুট!
এইসব দিনকালে আমাদের রূপায়ণ এর থেকে ভাল আর কী হতে পারে। তুমি অসাধারণ সব পোস্ট দিচ্ছ। কিপ ইট আপ, রাত প্রবণা!
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: কেন লজ্জা দিচ্ছেন আমাকে কবিমহাশয়? থিমটা ঠিক আছে - এটা তো আমাদের অনেকেরই মনের কথা প্রোব্যাবলি! কিন্তু আমার হাতে পড়ে সেটার ইম্প্লিমেন্টেশনটা যাচ্ছেতাই হয়ে গেছে! লেখার দূরবস্থা দেখে আমার নিজেরই কান্না পাচ্ছে! পুরোটা নতুন করে আবার রিভাইস করব কিনা বুঝতে পারছি না.......

১২. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৪৩
আরিফুর রহমান বলেছেন: ক্কঠিন লেখা, সুখপাঠ্য।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: কঠিন লেখার সহজ মেসেজটা ধরতে আশা করি কষ্ট হয় নাই! পড়ার জন্য ধইন্যা!

১৩. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৫৮
চতুষ্কোণ বলেছেন: ভাল লাগলো। গল্প পড়ে অবাক হই নাই কারণ এমন লিখার ক্ষমতা আপনার আছে। আগেই জেনেছি।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: গল্প পড়ে অবাক হওয়ার দরকার নাই! শুধু একবার চিন্তা করেন আমাদের কি অবস্থা........তাইলেই হবে!
পড়ার জন্য থ্যাঙ্কস চতুষ্কোণ ভাই! শুভ রাত্রি!

১৪. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২৩
তাশমিয়া বলেছেন: প্রথম অংশগুলাতে বাইবেলকেন্দ্রিক কিছু গল্পের সাথে মিল লাগতেসিল।ঐ অংশগুলা আরেকটু ঘুরায়-প্যাঁচায় দিলে ভাল হইত।

কিন্তু থিমের মূলকথা বলসে গল্পের এন্ডিং।

সেজন্য গল্পটা অনন্য।

আর শেষ লাইনটা খুব সুন্দর!




০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: বেশি ঘুরায় পেচায় লিখতে পারিনা রে সোনা! তোদের মত গড গিফ্টেড লেখার হাত থাকলে তো হইসিলই! বেশি পেচাতে গেলে দেখা যেত কেউ আর কিছু বুঝতেসেই না!
তবে এই লেখা আমি সুযোগ পাইলে রিভাইস করার চেষ্টা করব........

১৫. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩৩
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন: ইউ আর অলমোস্ট দেয়ার!

লেখার সাথে তোমার ইনভল্ভমেন্ট আমার ভালো লাগতেছে।

শুভেচ্ছা রাতী।
০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:০৮

লেখক বলেছেন: নো স্যার! আমি এখনো অনেক দূরে আছি! At least from the perspective of writing!
তবে এটা হয়ত একদিক দিয়ে ভালো! যেদিন মনে হবে ঠিকঠাক মত লিখে ফেলেছি সেদিন হয়ত আর লেখার ইচ্ছেটাই থাকবে না!

১৬. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৮
মিরাশদার১০ বলেছেন: চমৎকার হয়েছে। দুর্দান্ত লিখেছেন। ++
০৮ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস মিরাশদার! শেষের কথাগুলো নিয়ে ভেবে দেখো.........

১৭. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:২১
কাঠের খাঁচা বলেছেন: ৬ নং পার্টের পাঞ্চ অসাধারন হইসে।

লেখার কথা বলি। বার বার বলতেসিস অগোছালো হইসে। বাট পড়ে মোটেও সেটা মনে হয় নাই।

পূর্নাঙ্গ গল্প যাকে বলে।


০৮ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: না অগোছালো হইসে তা বলি নাই ঠিক! বলসি যে, লেখাটার প্রেজেন্টেশনটা মানে ভাষাটা আরেকটু সুন্দর করা যেত! এরকম একটা লেখা আমার আরেকটু যত্ন নিয়ে লেখা উচিত ছিল!
যাই হোক, যা হইসে হইসে! গল্পটা পড়ে বুঝলেই হলো! পড়ার জন্য থ্যাঙ্কস ভাইজান!

১৮. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৪৬
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: বস!গল্প পুরোটাই নেশা ধরানো।মানে স্টাইলের কথা বলছি।
আর থিমের ব্যপারটা অন্যরা বলে ফেলেছে।রিপিট করলাম না।

স্যালুট!
০৮ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস ব্রাদার! আপনি তো বহুদিন পরপর আসেন! ভালো আছেন আশা করি!

০৮ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: কারো কারো অন্ধ চোখে ফ্লাশ লাইটের তীব্র আলো ফেলেও দেখি চোখের মণি নড়ছে না একটুও! এমনই গাঢ় আঁধার সেখানে জমাট বেঁধে বসে আছে.......
শুভ দুপুর কবি!

২০. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪৪
মিরাজ is বলেছেন: :(( :(( :(( আমি কেন এভাবে লিখতে পারিনা !!! ;) ;) :D
ভাল লিখেছেন ++++
০৮ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: লিখতে আমিও তেমন পারি না! তাও লিখি আরকি.........
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ! স্বাগতম আমার ব্লগে!

২১. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
স্বপ্নকথক বলেছেন: খাইছে! এমনে ক্যামনে লিখলা? এককথায় সুপার্ব হৈছে! ডেমিয়েন থর্ণ যেন কোন গল্পের চরিত্র? সেই গল্পের কথা মনে পড়লো...

খুব সহজেই এটাকে উপন্যাসে রূপ দেয়া যেত, একটু ভেবে দেখো। সামনে বইমেলা। :)
০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: লিখতে আর কি লাগে.......লিখতে বসলেই লেখা হয়ে যায়! শুধু কি নিয়ে লিখব সেটা ভাবলেই চলে!
অত ধৈর্য নাই রে ভাই.......তার চেয়ে আপনি লিখার চেষ্টা করেন! লিখতে গেলে জিনিসটা আরো ভালোভাবে বুঝে যাবেন!

০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্ক ইউ ভেরি মাচ!
আপনিও তাহলে স্পেনের সাপোর্টার? > হ্যান্ডশেইক< :)

০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস ভেবুপা! আমার খালি ঘুম আসে.......... :-< |-)

০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: জেনে আমারও খুবই ভালো লাগলো! :)
তুমি নতুন পোস্ট দাও না ক্যান?

২৫. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১৮
সবাক বলেছেন:

বাহ! বাহ!


এইভাবে লিখতেও আরাম, পড়তেও।
০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: জেনে প্রীত হলাম! পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে!

২৬. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১০
রাজসোহান বলেছেন: শিরোনাম ঈশ্বর হয়াতে আরিফুর রহমান আইসা হাজির =p~ =p~
০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: হুমম...........আমি বুঝতেসিনা,বাঁশটা তো আমি দুই পক্ষরেই দিসি! তাইলে সবাই আমার উপরে এত খুশি ক্যান? :|| =p~

২৭. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০১
রাজসোহান বলেছেন: নিজের নাক কাইটা অপরের যাত্রা ভংগ করিতে পারিলে অনেকেই খুশি হয় , বুঝলি ? :|| =p~
০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ বুঝলুম! =p~

২৮. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৮
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: ঈশ্বর এখন তৈরী হন এইসব ডেভিড,শান্তনু,লুকো শি , গিলবার্ট আর গল্পকথকের হাতে । শুষ্ক চামড়ায় জড়ানো মূর্তিমাত্র এক !

অন্ধ আর বধিরের দল তাই - দিনের পর দিন সুতো বুনে যায় না জেনেই যে তাদের সুতোয় বোনা জালে চিরদিনের মত আটকা পড়ে আছে তারা নিজেরাই........

এরপরে অলীক মৃত্যুঅপেক্ষার প্রহরে ধৈর্য্যশীলতা নয়তো ভূতাত্ত্বিক উপাদানে বিলীনতা ।

হেসে চলে সেই পাচ ঈশ্বরস্রষ্টক ।

মাঝে মাঝে ব্লগ আছে ভেবে খুব ভালো লাগে , যে এতো বেশী অসাধারণ লেখা পড়ার সুযোগ আসে ।

এরকম অসাধারণ লেখনীর থিম আর ভাষা নিয়ে কিছু বলার থাকে না । ঈশ্বরশিশুর মাতৃবিচ্যুতির বর্ণনায় চমকে উঠতে হয় ! আরো...............অনেক কিছুই !

অভিনন্দন এই অসাধারণ গল্পকে, গল্পের রূপকারকে ।

অ ট - অধিকাংশ নাম , যেগুলোর শেষে স্টাইন থাকে , সেগুলো ইহুদি নাম হয় সাধারণত । আর কিছুই না , জ়াস্ট ফর নোটিফিকেশন ।


০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: আমি আপনার অপেক্ষাতেই ছিলাম!
আপনার মত মনোযোগী ও নিবিড় পাঠক এই ব্লগে কমই আছে! এটা একটা বিশাল ব্যাপার! আপনার মন্তব্যগুলো দেখলে বারবার সেটাই ফিল হয়! এবং সেটা আসলেই একটা তৃপ্তিদায়ক অনুভূতি! আগন্তুক কে নৈশচারীর আন্তরিক ধন্যবাদ - যদিও এটার আসলে কোনো প্রয়োজন নেই!
অ ট: এই কথাটা তো আমার মনেই ছিল না! মেনশন করে খুব ভালো করলেন! চেইঞ্জ করে দিচ্ছি! থ্যাঙ্কস!

২৯. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩০
ফেরদৌসী বলেছেন: বরাবরের মতো মূগ্ধ।এবার মূগ্ধতার সাথে আশ্চর্যও।আরে !এতো কঠিন লেখক।
চমৎকার লেখার ভঙ্গি.....
০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: কঠিন লেখক বলতে কি বোঝায় আপু? আমি সিম্পল মানুষ! চিন্তা ভাবনা আরো সিম্পল! বেশিরভাগ মানুষ কি বলে,কি বুঝে আমি কিছুই বুঝি না! সেইজন্য বিরক্ত হয়ে এটা লেখা!
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু! শুভ সন্ধ্যা!

৩০. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪১
রাজসোহান বলেছেন: আন্ধারাই বেশি মনোযোগ দিয়া দেখে এবং পরে :P =p~
০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:০৭

লেখক বলেছেন: তাইলে তুইও আন্ধা হইয়া যা! তখন মনোযোগ দিয়া পড়তে না পারস অন্তত মনোযোগ দিয়া লেখতে পারবি!

০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: কুনদিকে গেলা কইয়া যাইও! B:-/

৩২. ০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৪
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: ব্যাতিক্রম থীম। আপনার ভাষা অসাধারণতম, স্মার্ট, কোথাও ঝুলে পড়ে নি, বাড়াবাড়ি বা আরোপিত মনে হয় নি। বাক্য বেশ বড় বড়। বড় বাক্য আমার ভালো লাগে।

অনেক ভলো লাগা।
০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস রাশেদীন ভাই! শুনে ভালো লাগলো!
ভালো থাকবেন! শুভ রাত!

৩৩. ০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৫
স্বপ্নকথক বলেছেন: আমি?? হে হে, ভালো কৈছ নাইটমেয়ার! দশ লাইন লিখতেই আমার ছটফট শুরু হয়!
০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ওরে কে আসোস! খোয়াবকথা ভাইরে বাইন্ধা রাখনের্লিগা রশি লইয়া আয়! ওই খালি ছটফটায়! =p~ :P
আপনার অবস্থা তাও আমার চেয়ে ভালো! আমার তো তিন লাইন লিখতেই.......... :-/

৩৪. ০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩৬
স্বপ্নকথক বলেছেন: খবরদার খোয়াবকথা বইলা ডাকবানা! ঘুষি মাইরা নাক ফাডায়া ফেলমু! X(( X(( X(( X(( X(( X(( X((
০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: আমি তো অবশ্য কিছুই করব না! [ আঙ্গুল চুষার ইমো] =p~

৩৫. ০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৪২
ফেরদৌসী বলেছেন: কঠিন লেখক মানে সত্যিকার অর্থেই লেখক।এবার বলেন আপনার কার বানানো ঈশ্বর দরকার,নাকি দরকারই নেই,ভেবে বলবেন কিন্তু !
০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: যা বিশ্বাস করি বা ভাবি তাই লিখেছি বলেই মনে করি! নতুন করে ভাবার কিছুই নেই!
কারো বানানো ঈশ্বর যে চাই না সেটাই বলতে চাই! মানুষ তো তাঁকে নিজের স্বার্থে নানাভাবেই বিকৃত করেছে! ওই বিকৃতিটার উর্ধ্বে উঠে সত্যিকারের ঈশ্বর - যিনি আছেন বলেই বিশ্বাস করি, তাকে জানতে বা চিনতে চাই!
উপরে আগেই একবার বলেছি, তার আমাদেরকে যতটা না প্রয়োজন, তার চেয়ে আমাদেরই বেশি প্রয়োজন তাঁকে চেনা!

০৯ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন: কিরে পুচকি? তুই কখন যে কেন হাসস আর কেন কান্দস কিছুই তো বুঝি না! :||
অ ট: সিধা তুই কইরা কইলাম! আশা করি মাইন্ডাও নাই! :)

৩৭. ০৯ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৩৪
১২৩৪ বলেছেন: তুই বলাতে দিল খুশি হইয়া গেলো..... :) :) :#) তুমিতে নাইমো না! :)
কখন যে কেন হাসি আর কেন কান্দি নিজেও তো বুঝি না! !:#P !:#P 8-| ;)
০৯ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: ওহ! এরেই কয় perfectly confused! :P :P
confused হইও না কন্যা! ট্রাই টু বি শিওর! [গুরু নৈশর উপদেশ] ;)

৩৮. ০৯ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৫২
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: ভয়ঙ্কর ! বীভৎস! তবে শেষটুকু বলে দিয়েছে অনেক কিছু। বুঝেছি বলে ভালো লাগছে।
০৯ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্ক ইউ আপুনি! ইশ কতদিন পর তুমি আসলা! :)
কিছু কথা স্পষ্ট বলাটাই জরুরি! বেশি পেচাই নাই তাই! ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম! :)

০৯ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্ক ইউ কৃষ্ণচূড়া! :)
অ ট: ছবির চোখগুলি কি আপনার? আমার এক ফ্রেন্ডের চোখের সাথে অনেক মিল!

৪০. ০৯ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:১৪
১২৩৪ বলেছেন: হি হি হি ওক্কে গুরুজী ! :) :) B-))
০৯ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: গুড গার্ল! :-B :#)

৪১. ০৯ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮
রক্তিম কৃষ্ণচূড়া বলেছেন:



অ ট- হুম। আমার । আপনার ফ্রেন্ডের চোখের সাথে অনেক মিল !!! :|| :|| :||

০৯ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: হুমম......প্রায় একই চোখ! আমিও ফার্স্টে দেখে একটু অবাক হইসিলাম! আপনার চোখ সুন্দর! :)

৪২. ০৯ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩
সাকিরা জাননাত বলেছেন: সুন্দর থিম,উপস্থাপনটাও চমৎকার লাগলো আপু।
০৯ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: হাস্যমুখীকে আমার ব্লগে উষ্ণ অভ্যর্থনা! :)
পড়ার জন্য থ্যাঙ্কস! তুমি ভালো আছ তো?

০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: হা হা! লজ্জার কিছু নাই! beautiful eyes! everyone will like it! :D

৪৪. ০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪৭
পারভেজ আলম বলেছেন: গল্পটা অসাধারণ লাগল। আপনার মূল বক্তব্যের সাথে আমার কিছু দ্বিমত আছে অবশ্য। প্রথম পক্ষকে যে পরিমান পরিশ্রম করে চিত্রিত করেছেন দ্বিতীয় পক্ষের ক্ষেত্রে তা করেন নাই, তাই দ্বিতীয় পক্ষ সম্পর্কে বক্তব্য অনেক সরল হয়ে গেছে। তারপরও এই সরলতার গরল না খুঁজে আমি আপনার মূল আহবানকে স্বাগত জানাই।
এইবার লেখার ভাষা নিয়ে একটু কথা বলি। আপনার লেখা সবসময়ই ভাল লাগে। তবে এই লেখার ৪ এবং ৫ আলাদা করেই ভাল লাগল। ভাষার অলঙ্কার দিয়ে নৃশংসতা, বিভৎসতা আর ক্রুঢ়তার প্রকাশ করা একটু কঠিন কাজ, কিছু বিশেষ কারণে এই ধরণের প্রচেষ্টার ব্যাপারে আমার কিছু ফেসিনেশন আছে। আপনি খুব ভাল পেরেছেন। তাই ++++++

বন্ধুর পিসি থেকে মন্তব্য করতে গিয়ে একটু গরল হয়ে গেল। ওপরের মন্তব্যটা আমার করা। দয়া করে ওপরেরটা মুছে দিন।
০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: প্রথমত, পড়ার জন্য এবং মন্তব্যের জন্য থ্যাঙ্কস!
দ্বিমত তো থাকতেই পারে! সেটা আমরা সুযোগ হলে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করব! :)
আর চিত্রায়নের ব্যাপারে আমি কিন্তু বিকৃতিটাকেই প্রাধান্য দিয়েছি পুরো গল্পে! ধর্ম নিয়ে যারা ব্যবসা করে এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করে তাদের চেহারাটা দেখানো...... ! প্রথম বা দ্বিতীয় পক্ষকে না! সবার শেষে গিয়ে এই বিকৃতির ফলাফল হিসেবে প্রথম ও দ্বিতীয় পক্ষের কথা আনা হয়েছে!
ভালো লাগার কথা জেনে আনন্দিত হলাম! আপনার জন্য শুভকামনা!

৪৫. ০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৮
সায়েম মুন বলেছেন:
লেখার মান নিয়ে আমি নিজে অবশ্য অতটা স্যাটিসফায়েড হইতে পারি নাই! খুব কাঁচা হাতের লেখা মনে হচ্ছে বারবার...........
----------------পাঠককে মুগ্ধ করতে পারলেই হবে। ছুটু আমার মাথায় এট্টু হাত বুলিয়ে দাও :-/
০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: হায় হায় কয় কি! আমি আপ্নের মাথায় হাত বুলাব? তাইলে তো দুই দিনের বৈরাগী ভাতেরে কয় অন্ন সেইরকম ব্যাপার হইয়া যাবে! :-/ :-*
তবে ইন্সপায়ার করতে পারি! আপনি তো আমার থেকে অনেক ভালো লিখেন বড় ভাইজান! হুদাই ক্যান ডরাইতেসেন? ধৈর্য্য ধরে লিখতে বসেন লিখা হইয়া যাবে! :-B

৪৬. ০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫০
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: আমার পড়া সেরা কয়েকটি লেখার মাঝে একটি।
আমি যদি নাস্তিক হতে পারতাম তাহলেই ভাল লাগত। হিসেবনিকেশ ছাড়া লাগামছাড়া এক জীবন উপভোগ করতে পারতাম।
০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: এটা তো আসলে ভালো বা খারাপ লাগার ব্যাপার না! এটা একটা সিদ্ধান্ত যেটা আপনাকে নিজের বিচার বুদ্ধির উপর নির্ভর করে নিতে হবে! জোর করে বা প্রভাবিত হয়ে আস্তিক বা নাস্তিক কোনটা হবারই কোনো মানে নেই!
তবে এই লেখাটা কিন্তু নাস্তিকতাকে রিপ্রেজেন্ট করে না!

৪৭. ১০ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৩০
সায়েম মুন বলেছেন: তুমি ভাতে রে রাইস ও কইতে পারো। তুমার লেখা পড়ে দিনকে দিন তুমার মুগ্ধপাঠক হয়ে যাচ্ছি। !:#P
১০ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: পরম সৌভাগ্য আমার! 8-| :D

৪৮. ১০ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৪
মনির হাসান বলেছেন: অসাধারণ ... শেষের লাইনটা দুর্দান্ত ...
১০ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মনির ভাই! শেষের লাইনটাই এই গল্পের মূল কথা!
শুভ দুপুর!

৪৯. ১০ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:০২
মতিউর রহমান সাগর বলেছেন: এটা ঐদিন কমেন্ট করা যাবেনা কিন্তু পড়া যাবে মানে লগইন করা যাবেনা অবস্থায় এক জায়গায় সামু খুলে পড়ে ফেলেছিলাম। তারপর আজ আসা মন্তব্য করতে।

বরাবরের মতোই আপনার দারুন সৃষ্টি। এবারে রীতিমত তেজালো যাকে বলে। অনেক সাহসী এবং তীব্র সুন্দর। অনেক গুলো বিশেষন হয়ে গেলো তবে সবই যথার্থ।

ভালো আছেন তো?
১০ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য এবং আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ সাগর ভাই! অনুপ্রাণিত হলাম!
আমি আছি ভালই! আপনি কেমন আছেন?

৫০. ১০ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:১২
স্তব্ধতা' বলেছেন: নকল ঈশ্বরের এগ্জিবিশন চলছে।আজকে সামুতে এটা বেশী করে মনে হয়েছে।ভালো দিনেই পড়লাম আপনার লেখাটা।তৃষিত ছিলাম, তাই আকন্ঠ নিমগ্ন পান করলাম।থিম, ষ্টাইল, গতি সব মিলিয়ে দম নিচ্ছি টের পাবার আগেই পড়া শেষ।চমৎকার লেখা।তবে ঈশ্বর হননের দৃশ্যটা খুব বিস্তারিত লেগেছে (হামার শকিং এলিমেন্ট এর প্রভাব !!!! B-)) B-)) B-)) , কিন্তু অপ্রয়োজনীয় মনে হয়নি।ব্যাপারটা হয়তো এরকম নিষ্ঠুরই।শুভ কামনা রইলো।আরো অপেক্ষায় রইলাম।
১০ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:০৩

লেখক বলেছেন: হা হা হা আপু! আমাকে প্রভাবিত বলললে আমি কিন্তু মাইন্ড করব! হামা ভাই কোমল হৃদয়ের মানুষ! উনি মানুষকে সুক্ষ্মভাবে শক দেয়ার চেষ্টা করেন! আমি অতটা পারদর্শী না, আমি মোটা দাগে শক দিয়ে ফেলি! ;) :-B
আপনার মন্তব্য পেয়ে খুশি হলাম আপু! সব লেখা আসলে শুধু লেখার জন্যই লিখি না! কিছু কিছু চিন্তা মাঝে মাঝে অন্য সবার সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছে হয়.....বা অন্য সবাই কি ভাবছে জানতেও ইচ্ছে হয়! তখনই লেখা......
আসল ব্যাপারটা হয়ত এর চেয়েও বেশি নৃশংস,আমার সেরকমই মনে হয়!
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু! ভালো থাকবেন!

৫১. ১০ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন: লেখাটা আগেই পড়ে গিয়েছিলাম মন্তব্য কি আর করবো আপনি সব সময় একটু ভিন্ন আঙ্গিক পোস্ট দিয়ে থাকেন এটাই ভালো লাগে।


ভালো থাকুন:)
১০ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সম্রাট! ভালো থাকবেন আপনিও!

৫২. ১০ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২২
ডঃ জেকিল বলেছেন: তুমি আসলে হয়ত গল্পেই ভালো। /:)
১০ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: কি মিন করতে চাইলেন? আপনি এর আগে আমার লেখা আরো পড়েছেন নাকি?B:-/
এই গল্পটাও কিন্তু বিশেষ সুবিধের না! /:)

৫৩. ১০ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৮
ডঃ জেকিল বলেছেন: না... আমি ব্লগে নতুন আসছি। এর আগে তুমার ১টা কবিতা পড়সি তাই ভাবতেসি তুমি কবিতা না গল্প ভাল লেখ :-<
১০ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: হ্যা কবিতাটা চরম ফালতু ছিল! :-<
তয় সত্যি কথাটা আপনারে কানে কানে কই, আমি আসলে কোনটাই ভালো লেখি না! একটু হুদাই ভাব লই আরকি! মাগার লেখালেখি আমার কম্মো না! B:-/ |-)

৫৪. ১০ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৫
ডঃ জেকিল বলেছেন: এইভাবে সইত্য শিকার করতে খুব কম মাইনষেরেই দেখসি...।
১১ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: পারি না - এইডা স্বীকার করতে লজ্জার কি আসে?
আপনি সইত্য কৈলেন বৈলা আপ্নারেও খুব ভালা পাইলাম! পেলাস! :D

৫৫. ১১ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৪৫
কাঠের খাঁচা বলেছেন: বাহ চমৎকার হয়েছে লেখাটা!!!


আচ্ছা লেখাটা কি আমি আগে পড়েছি নাকি নুতন পড়লাম?
১১ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: ভাইজানের কি খুশির চোটে মাথা কিঞ্চিত আউলায় গেসে নাকি? 8-| :P
সব ভুইলা যাইতেসেন এইরকম? উপরে ১৭ নং দেখেন আশা করি মনে পড়বে! :D

৫৬. ১১ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৫২
সাকিরা জাননাত বলেছেন: হ্যা আপু.......... আলহামদুলিল্লাহ ভালো।
তোমার দিন কাল কেমন কাটছে???
১১ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: আমার কেটে যাচ্ছে কোনো না কোনভাবে! ভালো থেকো সাকিরা! তোমার ব্লগে যাওয়া হয়না! শিগ্রী যাব একদিন! :)

৫৭. ১১ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩০
হাসান মাহবুব বলেছেন: শিরোনামে মনে হয় একটু ভুল আছে। গ্রামাটিকাল। "কতিপয়" এর পরে কি "গুটিপোকারা" হবে? কতিপয় থাক্লে শেষের "রা"টা থাকার কথা না।
১১ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: হু....ঠিক করলাম! থ্যাঙ্কস!

৫৮. ১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৫
শায়মা বলেছেন: আপাতত টেবলের নীচে।:)
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: দাঁড়াও ধরতে আসতেসি! B:-/

৫৯. ১৩ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:৩২
লেখোয়াড় বলেছেন: দ্যাহেন দিন ভাই কল্লেন কি।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: এইটা কি আপনার ট্রেডমার্ক কমেন্ট? রাজসোহানের পুত্তুম পিলাচের মত?

৬০. ১৩ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০০
লেখোয়াড় বলেছেন: ইয়েসসসসসসসসসসসস। এত্তক্ষুনে ধরতি পইচ্চন।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: /:)

৬১. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৪
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন:
হুমম, বেশি ভালো লিখতেছেন এখন; এমনে চললে কয়দিন পরে আমি পড়ে খালি প্লাস দিয়া পালামু নে, লেখা বেশি গভীর পাইলে মন্তব্য দিতে ডরাই। আপনারে দিন দিন আরো এম্বিশাস প্লট ক্রিয়েট করতে দেখতেছি মনে হচ্ছে......চমৎকার।

১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: কি জানিরে ভাই! অত ক্রিয়েট ফিয়েট এর আমি গাধা কি বুঝি! যা মাথায় আসে তাই লিখি আরকি! এই প্লটটা কিন্তু বেশ স্পষ্ট করেই লিখেছি আমি! পালানোর সুযোগ নেই কারো! :)

৬২. ১৫ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১০
ছন্দ্বহীন বলেছেন: অতঃপর কেমন আছেন নৈশচারী?

টপিকের মন্তব্যটি পাওনা রৈল। আগে পড়ে নেই।
১৫ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন: অতঃপর ভালো আছি ছন্দ্বহীন! আপনি ভালো তো?
গল্প সম্পর্কে মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম!

৬৩. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৯
১২৩৪ বলেছেন: :) :) কেমন আছো নৈশ্যপু :) :)
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: ভালো নারে সোনা! পরীক্ষা আছে পরশুদিন একটা! পড়তে ইচ্ছা করে না :((
তুই কেমন?

৬৪. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:১১
কালপুরুষ বলেছেন: অসাধারণ লেখনী। মানুষের কল্পনাশক্তিকে অনেকদূর পর্যন্ত নিয়ে যাবার মতো অলৌকিক ক্ষমতা আছে তোমার লেখনীতে। তোমার চিন্তার গভীরতা দেখেও অবাক হচ্ছি। ব্লগের অন্যতম শক্তিশালী লেখক হিসেবে তোমাকে স্বীকৃতি দিতে আমার এতোটুকু দ্বিধা নেই।

শুভ কামনা রইলো। এভাবেই লিখতে থাকো।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: অনেক বড় কমপ্লিমেন্ট ছিল! আদৌ সেটার যোগ্য কিনা জানিনা কিন্তু অনুপ্রেরণা পেলাম অনেকখানি!
প্রিয়তে নেবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা! ভালো থাকুন সবসময়!

৬৫. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:০৩
ছন্দ্বহীন বলেছেন: মন্তব্য করার মূহূর্তে বাইরে যেতে হয়েছিল এই মাত্র ফিরলাম।
গল্প পড়েছি..খুব মনোযোগে.. এককথায় কিরকম লাগলো বলা বুঝি সম্ভব নয়।

ভাল লেগেছে কিছু বিষয়..বিশেষ করে সমসাময়িক পৃথিবীর সমস্তটুকুর কাল্পনিক একটি বিষয়কে তুলে ধরার জন্য.. আমাদের মূল্যবোধে ধাক্কা লাগে বিষয়টি...

আর কিছু বললাম না শুধু বলি উপস্থাপনাটি চমৎকার হয়েছে..
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ছন্দ্বহীন!
ভালো থাকবেন! শুভ সন্ধ্যা!

৬৬. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৩৩
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: লেখাটা পড়ে মুগ্ধ হলাম । ব্লগে যে কতো কতো শক্তিশালী লেখা থাকে।

থিমটা অবশ্য নতুন কিছু না। তবে আপনার প্রকাশভংগী , বিভৎসতা , বিকৃতি ফুটিয়ে তোলাটা আসলেই অসাধারন। বিশেষ করে আসল ঈশ্বরপুত্রকে মেরে ফেলে উল্লাসটা গা শিউরে উঠার মতো। আর নকল ঈশ্বরকে পরিচয় করে দেয়াটা জমজমাট হয়েছে।

দূর্দান্তিস! (হাততালির ইমো হবে)
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ জিরোদা! আপনাকে আমার ব্লগে তীব্র স্বাগতম! :)
আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুব খুশি হলাম! !:#P !:#P
কিন্তু আপনি তো এখন সামু ছেড়েই দিয়েছেন প্রায়! মাঝে মাঝে আসবেন এদিকে আমাদের দেখতে!

৬৭. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৪৭
১২৩৪ বলেছেন: আমারো পড়তে ভাল্লাগেনা....পড়তে বসে পড়া ছাড়া সব করতেছি...এই নিয়ে আবার নিজেরে পাপী পাপী :P :P ও লাগতেছে কারন আম্মু ভাবতেছে মেয়েটা আমার সারাদিন পড়ে কম্পিউটারে :(( :(( :(( B-)) B-))

:#) :#) :#)
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: খুব খ্রাপ! তাইলে তো পাপতাড়ুয়া কে খবর দিতে হয়!! ;) :P

১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: পিচ্চি আবার হাসে! যা পড়তে যা! /:)

১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: জ্বি ভাই এইতো এখানেই আছি! আপাতত পড়াশুনা নিয়ে একটুখানি ব্যস্ত! আপনার খবর ভালো তো?

১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ সোমহেপি! ভালো থাকবেন!
শুভরাত!

৭১. ১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩৪
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: চতুর্মাত্রিকে একটা আর্কাইভ আছে, সেখানে যেকোনও ব্লগের যেকোনও ভালো লাগা লেখা শেয়ার করা যায়। আমি সেখানে এই লেখার লিঙ্কটা শেয়ার দিয়েছিলাম। :)

[এখানে কানে কানে বলা যেতে পারে যে, শুন্য আরণ্যক ভাইসাহেব ওখান থেকেই লিঙ্কটা পেয়ে তথা আমার রেকমেন্ডেশনে এই লেখাটা পড়েছেন এবং যথারীতি মুগ্ধ হয়েছেন হাহাহা!] B-)
১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: ওরে আপু তোমাকে যে কি বলে থ্যাঙ্কস দেই!!!!
আচ্ছা, পাঁচ ছয়টা ফ্লাইং কিস একসাথে দিলাম! ধরো ধরো!!! :> :> :> !:#P !:#P

২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: এমন কিছু- তাই বা কে বলেছে? আর আপনি হঠাৎ বিনা কারণে অমন ক্ষেপেই বা উঠলেন কেন? B:-/

২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: এত বুইঝা কি হইব...... :-<

৭৪. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২১
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: ক্ষেপলাম কখন? কে কইলো আমি ক্ষেপছি, কহন ক্ষেপছি, কি কারনে, কি উদ্দেশ্যে /:)
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: জ্যোতিষশাস্ত্র পড়ি নাই তো! পড়লে কইবার পার্তাম! #:-S
যাউক গিয়া! আপ্নের শরীর স্বাস্থ্য ভালো?

৭৫. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৮
১২৩৪ বলেছেন: নতুন ড্রেস ....নাইস....তোমায়তো চিনতেই পারতেছিনা... :#) :#) :#)
২৩ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: হুমম....এক পোশাকে বেশিদিন থাকতে ভালো লাগে না! :P

৭৬. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৫৭
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: আহা কেউ জানতে চাইলো- " কি খবর বল, কতদিন দেখা হয়নি!!!"
২৩ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: কে সে? শাবনূর নাকি? :P

৭৭. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫০
গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন: শাবনুরের ব্যাপারে আমার ইন্টার পড়ার সময় কিছুটা দূর্বলতা সৃষ্টি হয়! আমাদের স্কুলের পড়ত ক্লাস টেনে একটা মেয়ে, নাম ছিল বেতুল। মেয়েটাকে মাঝে মাঝে শাবনুর বলে ক্ষেপাতাম। স্যরি, ডোন্ট থিংক ইট ইভ টিজিং, মেয়েটা আমার স্কুল ফ্রেন্ডের ছোটবোন ছিল! /:)
২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: এইসব কাহিনী আর কত শুনব........ :-< |-)

৭৮. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১৯
গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন: ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য অতি উপকারী একটি ঐশ্বরিক নিয়ামত।
২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: জ্বে জনাব আপনি সত্য বলিয়াছেন!

৭৯. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩১
গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন: আপনার লেখ্য ভাষা গুরুচন্ডালী দোষে দুষ্ট।
২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: হয় নাই! কন কথ্য ভাষা! B:-/
মাস্টারি ফলানোর আর জায়গা পায় নাই! /:)

৮০. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৫
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: ঘুম ভাঙেন।আরেক ঈশ্বরের গল্প চাই।
২৫ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: ঘুম এ যাত্রায় সহসা ভাঙ্গবে বলে মনে হচ্ছে না! :(

৮১. ২৫ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫৬
১২৩৪ বলেছেন: সবাই দেখি ঘুমাইতেছে..... :P :P :-P
২৫ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: কোথায়? পাপতাড়ুয়া তো দিব্যি জেগেই আছেন দেখা যায়! :P /:)

৮২. ২৫ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩৩
গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন: আপনি ইমোটিকনের ইউজে বেশ পারদর্শি, ব্যাপারটা বুঝতে পারছি।
২৫ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: জ্বি! সেইটা আপনের আরো আগেই বুঝা উচিত ছিল! দেরীতে বুঝনের্লিগা মাইনাস!

৮৩. ২৬ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৯
সায়েম মুন বলেছেন: ছুটু কেমন আছো? খুব ব্যস্ত মনে হয়। নতুন লেখার অপেক্ষায় :-B
২৬ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: দিলাম নতুন লেখা! এবার পড়েন!

৮৪. ২৬ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:২০
নাজনীন১ বলেছেন: যাক্‌, ঈশ্বরের সৃষ্টিকর্তার তবে খোঁজ পাওয়া গেল। :-
২৬ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:০৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা! নাস্তিক/সংশয়বাদীদের ঈশ্বর বিষয়ক প্রধান প্রশ্নটার কথা বলছেন তো?
আমি কিন্তু নাস্তিক বা সংশয়বাদী কোনটাই নই! আপনি বোধহয় গল্পটা পড়ে কোনো কারণে খানিক বিভ্রান্ত হয়েছেন আপু! :)

২৬ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: আপু এই প্রথম আমার ব্লগে এসেছেন! আমি কত খুশি হলাম! আর আপনি কিনা এসেই ঘুমিয়ে পড়ছেন? ভারী অন্যায়! :P

২৬ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: জ্বি আপু আপনাদের দোয়ায় আছি ভালই!

৮৭. ২৬ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৪
ইউনুস খান বলেছেন: পড়ছিলাম আর কল্পনায় নেক্সট কি হবে ভাবছিলাম অনবরত। কিছুটা মিলেছে কিছুটা মিলেনি। তবুও কি? অসাধারণ হয়েছে লিখাটা। ধন্যবাদ।
২৬ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য ইউনুস ভাই! স্বাগতম আমার ব্লগে!

৮৮. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:২৮
পদ্য কবিতা বলেছেন: ঈশ্বরেরও জন্ম হয়!!!

সুন্দর লেখা।

আমি এই লেখার কাছে শিশু, মন্তব্য করা ঠিক মানায় না।
তবে, শব্দ-চয়ন আরো ভালো হওযা উচিৎ ছিলো, যেহেতু লেখার বিষয় অনেক ম্যাচিউর্ড...
২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: লেখার বিষয় ম্যাচিউর্ড হলেও লেখকের লেখার হাত অতটা ম্যাচিউর্ড না! সেইজন্যেই এই বিভ্রাট! কি আর করা......
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ পদ্য কবিতা! স্বাগতম আমার ব্লগে!

৮৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:০৩
সুবিদ্ বলেছেন: রুদ্ধশ্বাসে পড়লাম...ভালো লাগছিল খুব পড়ার সময়
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:০৪

লেখক বলেছেন: সময় করে পড়লেন বলে অনেক ধন্যবাদ সুবিদ ভাই! :)
শুভ সন্ধ্যা!

২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস ইকারুসের ডানা! আপনি মনে হয় এই প্রথম আমার ব্লগে আসলেন! স্বাগতম আপনাকে! :)

৯১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:১৫
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:

ব্রিলিয়ান্ট, এক্সিলেন্ট!!

খুব চমৎকার থিমের মুক্তগল্প!! শব্দের আগে বিশেষন গুলোর ইউস বেশ ভাল লাগছে!! ইটস ইউর ওয়ান অফ দ্য বেষ্ট!!
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: এহহেরে! বিশেষণ তো আপনেও দিয়া ফাটায় ফেললেন! লজ্জা পায়া গেছি এক্কেরে! :``>> :``>>

৯২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:৪১
কৌশিক বলেছেন: আপনার গল্পটি অপরবাস্তবে প্রকাশের জন্য অনুমতি প্রার্থনা করছি
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! সানন্দে সম্মতি জানানো হলো!

৯৩. ০৯ ই মার্চ, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৮
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: এমন লেখা যার হাতে সেই নৈশচারী কোথায়?
৯৪. ৩১ শে জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৬
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন: এরিস্টোটল তার মেটাফিজিক্স এ বলেছিলেন, গড হচ্ছেন সেই আইডিয়া যাকে বলা হয় আনমোভড মুভার। মানে যিনি নিজে অপরিবর্তিত থেকে সমগ্র বিশ্বের পরিবর্তন ঘটান ও নিয়ন্ত্রণ করেন। তার বয়ানটা ছিলো এইরকম, "বিয়িং এজ বিয়িং"। উনি বলছিলেন এই আনমুভড মুভার এর মেইন এট্রিবিউট হচ্ছে তাঁর পারফেকশান। অর্থাৎ ইশ্বর হবেন পারফেক্ট। এরপর নানান ধারণা আসছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য একটা হচ্ছে- ঈশ্বর আসলে তাঁর সৃষ্টির নানান বিস্ময় ও অপার্থিব বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে দিয়ে নিজেকে প্রকাশ করেন।

এখন ইশ্বরের শ্রেষ্ট সৃষ্টি নাকি মানুষ (!)। সেইদিক দিয়ে ভাবতে গ্যালে মানুশের মধ্যে বিস্ময়ের রাহিত্য আমি এট লিস্ট খুঁজে পাচ্ছি না কিন্তু তার সেইগুলার মধ্যে মোটামুটি সবই ঋণাত্মক এর পারদে।

এই ইশ্বর বেচারা (!) কে নিয়ে যে কারনেইজ মানবসম্প্রদায় দিনের পর দিন করে গ্যাছে এবং যাচ্ছে এতে আমার ইদানীং ইশ্বরের জন্যই এক ধরণের করুণা হয়। চার্চ যখন দেখছে তাদের তৈরি কনসেপ্টগুলার মধ্যে বাগড়া লাগানোর জন্য কেউ পয়দা হইছে, যে বিজ্ঞানের/জ্ঞানের এমন একটা কথা বলছে যার জন্য তাদের নিজস্ব ম্যানিফেস্টো হার্ট হয় তারা নির্বিচারে সেইসব মানুষদের খুন করসে। নাইট টেম্পলারের সেই মিথ বা প্রায় মিথ তো আমরা সবাই ই জানি। তারপর আসে গুজরাট , আফগানিস্তান- দ্য লিস্ট জাস্ট গোজ অন।

হালের একটা ঘটনায় এই গল্পটাকে আরো প্রাসঙিক (যদিও এইটা প্রায় সবসময়েই প্রাসঙ্গিক) করে তুলতেছে , সেটা হল উটোয়া ট্রাজেডি। এক গোঁড়া নরয়েজিয়ান তার কম্যুনিটির শুদ্ধতা ব্যাহত হচ্ছে মনে করে ধুমধাম খুন করে ফেল্লো এতোগুলো মানুষ। এই ধরণের পলিটিক্যাল ফতোয়াবাজী আর আদর্শবাদের মিমিক ধর্ম নামের যে দর্শন- যেটা মানুষরে সংহত আর সুষ্ঠু হতে বলে বলে আমার ধারণা ছিলো- একধরণের কৌতুক বানিয়ে দিয়েছে। নিজের সুবিধামতোন একটু একদিক ওদিক করলেই দেখা যায় আমরা ধর্ম থেকে ভালো ফায়দা লুটতে পারি। অই একটা কথা মনে আসলো আর কি আবার, হাজী সাহেব খুব ভালো মানুষ- এক দুইটা খুন আর চার পাঁচটা ধর্ষণ তিনি করসিলেন বটে কিন্তু এখন হজ করে তিনি শুদ্ধ ও নেক মানুষ।


যাই হোক , এইগুলা হচ্ছে শূন্যের পিঠে কথা। কারণ গল্পটা পড়ে এর পিঠে এইগুলা বলতেই হবে এমন না। তবে এই ধরণের ন্যারেটিভ এ ভাষার ব্যপারে আরেকটু সাবধান থাকা ভালো। যেমন - এইখানে দেখা যাক- আমাদের ঠোঁটের আগায় জানালার কার্নিশের মৃত বাদুড়ের মত ঝুলে থাকা পৈশাচিক ক্রূর হাসিই - এইখানে ক্রুর হাসি ভিজুয়ালাইজ করতে গিয়ে আমাকে প্রথম যেতে হল কার্নিশে, তারপর বাদুর তারপর কুশীলবদের চেহারায়। পাঠক হিসেবে আমি এতো কষ্ট করতে রাজি না। এইরকম কিছু কিছু জায়গায় আছে। যদি এইগুলা একটু চেক দেয়া যায় তাহলে এইটাকে একটা পূর্নগল্প বলতে কার দ্বিধা থাকবে?

যাই হোক অনেক কথাই বললাম। আপাতত কেটে পড়ি। :|

 

মোট সময় লেগেছে ১.২২৫৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
... ... ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই