(গল্পের সমস্ত চরিত্র কাল্পনিক)
নেটে পরিচয় থেকে ডেটিং। বসুন্ধরা সিটির ফুট কোর্টে। এইটা নেহালের প্রথম ডেটিং নয়। এর আগেও চার-পাঁচটা করেছে। টিকে নাই একটাও। টিকে নাই না বলার চেয়ে বলা যায় নেহাল-ই কাইট্টা পরছে ফাকতালে। রিকশা চামে হাতাহাতি কইরা কিংবা লেজারলন্চের চিপায় নিয়া কিস কইরা আর পরে মেয়েরে ভালো লাগে নাই। একটারে তো লিটনভাই-এর ফ্লাটে নিতে নিতে আর নেয়া হয় নাই। লিটনভাই-এর ফ্লাট!! আহারে!!! দ্বীর্ঘশ্বাস পড়ে নেহালের। এমুন একটা ফ্লাট আর একটা স্পোর্টস কার থাকলে.................পুরা এনএসইউ/এআইইউবি তুইলা নিয়া আসতো নেহাল।
ঠিক সময়ে মান্জা মাইরা নেহাল বসুন্ধরা সিটিতে উপস্থিত হয়। একটু আড়ালে দাড়ায় সে। উৎসুক চোখে খুজে মেয়েটি কখন আসবে। মেয়েটি বলছিলো, সে দেখতে ভালো নয়। অবস্য সে অভিজ্ঞতা থেকে জানে সব মেয়েরা নিজেদের অসুন্দর বলতে ভালবাসে।মাইয়া পটাইতে বিভিন্ন কৌশল আছে নেহালের। ফেসবুক, মোবাইল তো আছেই। বর্তমানে এর লগে সংযুক্ত হইছে ব্লগিং।
ফোন আসে, মেয়েলী কন্ঠ বলে উঠে অ্যাই, তুমি কোথায়??? নেহাল বলে সে ফুড কোর্টেই আছে, নিল স্ট্রাইপ শার্ট আর ব্ল্যাক জিন্স। মেয়েটি আজ শাড়ি পড়েছে। শাড়ি পড়া মেয়ে অসাম। শরীরের অনাবৃত অংশগুলো চেটেপুটে খাওয়া যায়।
হঠাৎ, রজনীগন্ধার ফুল হাতে এক মেয়েকে এক্সেলেটর দিয়ে উঠে আসতে দেখে নেহাল। মেয়েটারে চেনা চেনা মনে হয়, এবং চিনতেও পারে, এই টা বদরুন্নেসা মহিলা কলেজের সেই মেয়েটা যার সাথে সে সেই বছর দুই আগে বৃষ্টির মধ্যে রিকশায় করে ঘুরেছিলো। বার দুয়েক এমুন ঘুড়াঘুড়ি আর কয়েকটা সাহসী স্পর্শ আর নরম বুকের চাপ ছাড়া তেমুন কোন রোমান্টিক স্মৃতি নাই। মেয়েটা তাইলে নিজের পুরা নাম এবং পরিচয় হিডেন করছিলো মেসেন্জারে এমনকি মোবাইল নং-ও চেন্জ করছে, যেমনটি নেহাল করেছে। নেহাল পালাতে চায়। কিন্তু ততক্ষনে মেয়েটিও দেখে ফেলেছে তাকে। সে নেহালের কাছে সামনে এসে দাড়ায়, কিছুটা বিশ্বয় আর বিরক্তির সুরে বলে, তুমি???!!!!!! নেহাল মাথা নাড়ে, হ্যা আমি.... তুমি যে সেই তুমি আগে বলো নাই ক্যান???

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

