একাডেমিক কাজের জন্য প্রথম ইন্টার নেটে বসি। সময়টা ২০০৩ সাল। ইয়াহোতে এরপর একটি এককাউন্ট খুলি। তারপর দীর্ঘদিন ইন্টারনেট আর ব্যবহার করা হয়নি। আমার একাউন্টটি মুছে যায়। এরপর সাইবার ক্যাফেতে ডুবতাম। আর চিন্তা করতাম। এই নেট থেকে কিভাবে সুবিধা নেয়া যায়।
এক সময় সাংবাদিকতার সাথে জড়িয়ে পড়ি। হেড অফিসে এক সিনিয়র প্রবীন সাংবাদিকের সাথে দেখা করলে সেই শ্রদ্ধেয় বড় ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করেন, কিভাবে আমি ঢাকায় নিউজ পাঠাই?
আমি তাকে জানাই হাতে লিখে ফেক্স অথবা কুরিয়ারের মধ্যেমে। তিনি আমাকে বলেন, আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে তো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অনেক এডভান্স।
তাহলে আপনারা কেন টেকনোলজিতে এত পিছিয়ে থাকবেন। ইমেইল করে নিউজ পাঠাবেন।
তার বক্তব্য আমার মন:পুত হয়। আমি নেট সুবিধা পেতে পারি সেই চিন্তায় বিভোর। এরই মধ্যে আমার বিভাগের একজন শিক্ষক ইন্টারনেট ব্যবহারে করে যে সুবিধা গ্রহন করেন তা আমি স্যারের সাথে থাকার কারনে দেখতে পাই।
এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি প্রফেসর ড. এম আমিনুল ইসলাম স্যারের নিকট আমরা যৌক্তিকভাবে আমাদের দাবী উপস্থাপন করি। আমাদের দাবীর প্রেক্ষিত আমরা পেয়ে যাই ইন্টার নেট সংযোগ।
বাংলাদেশের ব্শ্বিবিদ্যালয়ের প্রেসক্লাবের মধ্যে আমরাই প্রথম ইন্টারনেট সংযোগ পাই।
বর্তমানে ক্যাম্পাসের সকল সাংবাদিক আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে।
সবাই অভ্যস্থ হয়ে পড়েছে নেট ব্রাউজিং এ।
আজ যেমন আমরা বদলে গেছি ঠিক তেমনি এক সময় আমরা বদলে যাব প্রিন্টেট নিউজ পেপার পড়তে। সেই জায়গাও দখল করে নিতে পারে ইন্টারনেট পত্রিকা।
আমি ব্যক্তিগতভাবে এই লেখার মাধ্যেমে সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এম আমিনুল ইসলাম স্যারকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। একই সাথে সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে নবনিযুক্ত ভিসি প্রফেসর ড. সালেহ উদ্দিন আহমদ স্যার প্রেসক্লাবের তথ্য প্রুযক্তির আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবেন। এটাওআশা করছি। এটা সত্য কথা যে, ব্যাড নিউজ গুড নিউজ। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর শাবি,র সংবাদ মিডিয়াতে কভারেজ বেশী পায়। গুড নিউজ কম নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

