জানি এই রকমই হবে। হিন্দুদের চিরকালই তাদের অন্যায় অত্যাচার সব মুখ বুজে সহ্য করতে হবে। গত শনিবার রাত পোৗনে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানার গোসাইলডাঙ্গা শ্রী শ্রী শ্মশান কালীবাড়ি মন্দিরে ভাংচুর করে দুর্বৃত্তরা। ওই এলাকার মাসুদ ও কয়েকজন বিপথগামী যুবক মদ্যপ অবস্থায় মন্দিরে ঢুকে ভাংচুর করে।
সে নাকি ছাত্রলীগ নেতা। হবেই তো। আওয়ামীলীগ-বিএনপি সবই তো তারা। এই আওয়ামীলীগ-বিএনপি নাম দিয়ে প্রতিবার্ই সংখ্যালঘুদের উপর বিভিন্ন নির্যাতন করে রেহাই পায়। আওয়ামীলীগও তারা আবার বিএনপিও তারা। প্রশাসন কখনো সংখ্যালঘুদের পক্ষে কাজ করেনি। বাশঁখালী ১১ সংখ্যালঘু হিন্দু পুড়িয়ে মারার ঘটনার কোন বিচার হয় নি, রাউজানে বৌদ্ধভিক্ষু জ্ঞানজ্যেতি হত্যাকান্ডের বিচার হয় নি। নির্বাচনের পর সংখ্যালঘু নির্যাতনের কোন বিচার হয় নি। সংখ্যালঘু মেয়ে পূর্ণিমা ধর্ষণের কোন বিচার হয় নি। বিচার তো হয়ই না বরং মামলা করলে তথাকথিত সংখ্যাগুরুদের হুমকিতে জানমাল নিয়ে পালিয়ে যেতে হয়। কোন প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিকে পাওয়া যায় না তাদের পাশে দাড়াতে। বরং ওরা তাদের ভাইসবকে বাচাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কোন একটা সভ্য দেশে এইভাবে মানুষ বাস করতে পারে?
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




