আমার প্রিয় পোস্ট
- রাজাকার সহজ চেনার উপায়: শিবির কাহিনী - নোমান মীর
- একদিন বুঝবে (উৎসর্গ মহাকবি মাইকেল মেহেদী) - হাসান বিপুল
- মাছের কাটলেট - জরিণা
- সব ব্লগারের ইমেল এড্রেস সংকলন , আপডেটেড - তারকে
- কাঙাল, আলেয়ার সন্ধানে - নীল নিঃসঙ্গতা
- বাবা (বাবা'র স্মরণে) - কালপুরুষ
- আরও একটি ভদ্রগোছের এ্যাডাল্ট জোক ১৮+ - বহুরূপী মহাজন
- হে কবরবাসীরা,তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক - ফারহান দাউদ
- মানুষের মহারাজা,তোমাকে অভিবাদন - ফারহান দাউদ
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- একজন মুমূর্ষ রোগীকে বাচাতে এগিয়ে আসুন। - মাহিরাহি
.... তবুও আমি স্বপ্ন দেখি ... (স্বপ্ন, বাস্তব এবং ব্লগের সর্বস্বত্ব ব্লগার কতৃক সংরক্ষিত)

CCNA বিষয়ক একটি সংক্ষিপ্ত ক্যাচাল
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৪২
CCNA অথবা Cisco Certified Network Associate - যে নামেই ডাকুন না কেন, এই ডিগ্রী (অথবা সার্টিফিকেট)-টা এখন দেশের তরুন সমাজ বেশ গিলছে। শব্দটা 'গিলছে' লেখার পেছনে কারন একটাই, মোবাইল ফোনের লোভনীয় অফার সহ সিমকার্ড এবং CCNA কোর্স দেশে এখন প্রায় একই ভাবে বিক্রি হচ্ছে। এটা যে একটা ডিগ্রী এবং এটার জন্য যে পড়ালেখা করতে হয়, ব্যাপারটা যেন তেমন আর নেই। 'কাজ নাই তো খই ভাজ'-এর মত বর্তমান যুগে 'কাজ নাইতো CCNA কর'!
আরেকটু গভীরে গিয়ে ব্যাখ্যা করছি। CCNA এর মূলকোর্সটি নাকি ১৪ মাসের (যদিও আমার ভালো ধারনা নেই, অবএব ভুলও হতে পারে)। দেশে এখন গলিতেগলিতে গজিয়ে ওঠা কোচিং সেন্টারের মত তথাকথিত CCNA সেন্টারগুলোতে বলা হচ্ছে ২ থেকে ৩ মাসে CCNA-এ কোর্স শেষ করিয়ে দেয়া হবে। আদৌ যে তারা কি শেখায় সেটা যারা করে তারাও হয়তো জানে না। দেশের একমাত্র নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান এবং যারা প্রকৃতই শিক্ষা হিসেবে ব্যাপারটাকে দেখছে তারা হলো বুয়েট। শুনেছি অনেক বড় সিলেভাস এবং পাশ করা রীতিমত কঠিন। মজার ব্যাপার হচ্ছে ছেলেমেয়েরা বুয়েটের প্রতি আকৃষ্ঠ হচ্ছে না। পাশ করা যে কঠিন! রেডীমেইড যুগে এত কষ্ট করার কি দরকার? আনেকেরই মন্তব্য তাই।
আমার খুব ইচ্ছে ছিল CCNA-তে আসলে কি শেখায় জানার। আমার পরিচিত অনেকেই ভর্তি হয়েছিল। আমি আশা করছিলাম কারো না কারো কাছ থেকে জানবো। দূর্ভাগ্য আমার, সোটা সম্ভব হয়নি। কেন হয়নি সেটা বলতেই আসলে এই পোস্টের অবতারনা।
প্রথম শুনতে পাই আমার খালাতো ভাই লন্ডনে CCNA করছে। কঠিন অবস্থা, লন্ডন বলে কথা। জিজ্ঞেস করলাম এটা কেন করছে সে; কারন ভাইয়া বিবিএ এবং এমবিএ করেছে। অতএব হঠাৎ এই রাস্তা বদল খানিকটা অবাক করেছিল। জবাবে বলল ভিসা রিনিউ করতে কিছু একটা করতে হবে, অতএব CCNA শেষ ভরসা। প্রথম ধাক্কা খেলাম CCNA এর নামে। বলাইবাহুল্য ভাইয়ার সেই শ্রম আর সার্টিফিকেটের মুখ দেখেনি। কেটে গেল কিছু দিন। একদিন পরিচিত আরেক ছেলে যে কি না ইউ.সি.এল থেকে ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেছে (যদিও আমার তিব্র সন্দেহ আছে যে এটা পুরোটাই চাঁপাবাজি), CCNA করার কথা বললো। কারন একটাই, ভিসা! বুঝে নিলাম লন্ডনে এটা ভিসা পাবার হাতিয়ারে পরিনত হয়েছে। সেও আর এটা শেষ করেনি। এখন কুইনমেরীতে ইকোনোমিক্স পড়ছে!
ফিরে তাকানো যাক দেশের দিকে। আমার দুই ব্ন্ধু খুব ঘটা করে বললো তারা CCNA করবে। আমি পরামর্শ দিলাম বুয়েটে যেতে কারন এই একটা প্রতিষ্ঠানকে আমার আজও সব ক্ষেত্রে বিশ্বাস করতে ভালো লাগে। তারা যখন কিছু বলে সেটার ভেতরে পদার্থ থাকবেই। কিন্তু আমার বন্ধুবরেরা বললো তারা সেটা করবে না। এত সময় নেই। কোন সেন্টার নাকি আড়াই মাসে কোর্স শেষ করিয়ে দিবে। প্রথমে তর্কে গিয়েছিলাম কিন্তু পরে দেখলাম অহেতুক। এত কথার কি আছে? যা ভাই তুই গিয়ে খই ভাজ। বর্তমানে জার্মান প্রবাসী সেই দুই বন্ধুর একজনকে কিছুদিন আগে প্রশ্ন করেছিলাম CCNA-এর স্কোর কত এসেছিল? উত্তরে জানালো তারা পরে আর পরীক্ষা দেয়নি!
সবচেয়ে বড় তর্কটা লাগলো আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছোট ভাইয়ের সাথে। সে একদিন আমার কছে এসে পরামর্শ চাইলো CCNA করার বিষয়ে। আমি প্রথমে সরাসরি না করলাম কারন এখনও গ্রাজুয়েশন শেষ হয়নি। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে সে ইলেক্ট্রিকালে পড়ছে। বললাম আগে গ্রাজুয়েশন শেষ করো, তার পর এসব করো। নাহ! সে করবেই। তখন বললাম তাহলে বুয়েটে করো। বেশ কয়েকদিন পর সে খবর নিয়ে আসলো কে নাকি বলেছে এ.আই.ইউ.বি-তে করতে কারন তাদের ল্যাব বুয়েটের থেকে অনেক ভালো। আমি একটু বিস্মিত হলাম। বুয়েটের ল্যাবের প্রসংশা শুনেছি অনেক, ঘরে এবং বাহিরে। এ.আই.ইউ.বি-এরটা জানি না। তাই আমি মন্তব্য করি নাই। শুধু বলেছি যাই করো বুঝে শুনে করো। আমি নিজে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, আমি জানি যত যা কিছুই হোক প্রমোশনাল ছোয়া প্রাইভেটে থাকবেই। অতএব খোঁজ না নিয়ে বুয়েটের সাথে তুলনায় না যাওয়াই ভালো। কয়েকদিন পর আরেক ছেলের রেফারেন্স হাজির করলো সে। সেই ছেলেও নাকি খুব প্রসংশা করেছে এ.আই.ইউ.বি-এর ল্যাবের। জিজ্ঞেস করলাম যাদের থেকে শুনেছে তারা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র? উত্তর এ.আই.ইউ.বি! আবার বললাম তারা কি কোন দিন বুয়েটের ল্যাব ব্যবহার করেছে? উত্তর দিতে পারলো না। শুনে হাসলাম। বললাম, আমাকে যদি কেটেও ফেলা হয়, আমি সব সময় বলবো ইস্ট ওয়েস্ট সেরা। আমার ধ্যানজ্ঞ্যানে আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসংশা করি। ইতিমধ্যে আয়ারল্যান্ডের প্রফেসারদের কাছে আমি এটা আংশিক ভাবে প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছি বাংলাদেশের তিনটা সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ইস্ট ওয়েস্ট! এটা আমার ভালোবাসা থেকে করেছি। সেই সব ছেলের কাছেও ব্যপারটা একই। উইকিপিডিয়াতে 'তৃতীয় পক্ষের রেফারেন্স' বলে একটা কথা আছে। সেটার উদাহরন দেয়ার চেষ্টা করলাম। কাজ হলো না। শেষ পর্যন্ত বোঝাতে চাইলাম যারা বুয়েটের ল্যবে যায়নি কোন দিন, তারা কি করে বুঝলো কোনটা সেরা? এক সময় সে বললো বুয়েটে করতে অনেকদিন লাগে। এত সময় নাই। আমি বুঝলাম আসল কারন। বললাম যা ভালো বুঝ করো। সে গিয়ে ভর্তি হলো এবং যথারীতি এ.আই.ইউ.বি-এর মূলধন বাড়িয়ে বাড়ি ফিরে আসলো। কোর্স আর শেষ হলো না।
এ বছরের গোড়ার দিকে আরেক বন্ধু বললো সেও CCNA করবে। যথারীতি প্রথমে না করলাম। শুনলো না। তারপর বুয়েটে যেতে বললাম। এবারও শুনলো না। এ.আই.ইউ.বি-তে নাকি জোস অবস্থা। আর কিছু না হোক মেয়ে দেখা যাবে! শুনে ইস্ট ওয়েস্টের মেয়েদের ব্যর্থতার কথা করুন ভাবে স্মরন করলাম। কি চেষ্টাটাই না তারা করতো। কামিজের পুরো পিঠ খুলেও তাদের আসতে দেখেছি। আর এমন দিন পড়লো আজ যে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়ে দেখার জন্য CCNA করতে হবে? তখনই বোঝা হয়ে গিয়েছিল দৌড়। আজ শুনতে পেলাম সেই দৌড় মেয়ে দেখাতেই স্বীমাবদ্ধ ছিল। টাকা দিয়ে ভর্তি হয়েও আর কোর্স করা হয়নি। এখন সেই বন্ধু অন্য একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়ে দেখার পাশাপাশি এম.বি.এ টা গৌনকাজ হিসেবে করার চেষ্টা করছে।
লেখাটার শেষে চলে আসলাম। ব্র্যাকের মাহদিন (স্টার ক্যাম্পাস যারা পড়েন তারা ওকে চেনেন আশা করি) একদিন বলল, ভাইয়া আমি CCNA করবো। বুঝলাম ভূতটা ওরও মাথায় ঢুকেছে। প্রথমে একটু মানা করেই বুঝলাম হবে না। ভর্তি সে হয়েই ছাড়বে। তাই আর কিছু বলিনি। মনে মনে ভাবলাম কোন প্রতিষ্ঠানের মুলধন সম্ভবত বাড়তে চললো। শেষ পর্যন্ত দেখা গেলো হঠাৎ ওর মাথা থেকে ভূতটা গায়েব হয়ে গিয়েছে। আমি এর পর আর কোনদিন এই প্রসঙ্গে কথা বলিনি। বলা যায় না, আবার কখন ফিরে আসে!
আফসোস, আমার পরিচিত কেউই এখনও সফলভাবে CCNA করতে পারলো না। শুধু মানুষের কাছে শুনি অমুক করেছে তমুক করেছে। কিন্তু সেই অমুক-তমুকের আর দেখা পাই না। যদি কোন দিন দেখা পেতাম তাহলে প্রশ্ন করতাম, বুকে হাত দিয়ে বলুনতো, এই সার্টিফিকেটটা আপনাকে চাকরী পেতে বা চাকরী করতে কোন দিক দিয়ে সাহায্য করেছে? কিম্বা তাদের দুয়েকটা প্রশ্ন করতাম আমার CCNA না করা জ্ঞান এবং তাদের CCNA কারা জ্ঞানের পার্থক্যটা বুঝতে। আমি বড় নির্বোধ। দুইদুইটা মাস্টার্স শেষ করে ফেললাম নেটওয়ার্কিং এর উপরে, সব ঠিক থাকলে পি.এইচ.ডি শুরু করবো এই বিষয়ে আগামী বছর, অথচ আজও কিনা CCNA করা হলো না! ধুর ছাই, পনেরো দিনে কোর্স কমপ্লিট করানোর কোন সেন্টার জানা থাকলে দয়াকরে মন্তব্য অংশে একটু ঠিকানাটা দিয়ে যান। পি.এইচ.ডি'র আগে CCNA টা করতে হবে। আফটার অল, ক্রেজ বলে কথা!!!
৪ জুলাই ২০০৮
ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড।
বি.দ্র. - এ.আই.ইউ.বি এর ভাই ও বোনেরা, আমার বক্তব্য আপনাদের মনে কষ্ট দেয়ার জন্য নয়। অতএব অনুগ্রহ করে ব্যক্তিগত ভাবে নেবেন না। ধন্যবাদ।
বি.দ্র. (২) - প্রথম বি.দ্র. তে কাজ না হওয়াতে এটা দেয়া হচ্ছে। আমি এখানে এ.আই.ইউ.বি-কে নিয়ে কোন মন্তব্যও করিনি। কারন আমি তাদের ল্যাবে যাইনি কোন দিন, অতএব মন্তব্য করারও প্রশ্ন আসে না। ধন্যবাদ।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ভাবনা বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাধ। আসলে আমার চারপাশে সবাইকে দেখেছি গায়ে বাতাস লাগিয়ে বলতে CCNA করি! বিষয়টাকে তারা অনেকটা বাদাম খাওয়ার মত বানিয়ে ফেলেছে। ফলাফল কোর্স শেষ না করেই বাড়ি ফেরা।
আপনি হয়তো বুঝবেন, আড়াই মাসে কোর্স শেষ করিয়ে দেয়ার গ্যারান্টি দেয় অনেকে! :-).
ভালোকথা, CCNA কতর মধ্যে এবং সিলেভাসটার উপর একটা ধারনা দিতে পারলে ভালো হতো। আমি ওয়েবে ঘেটে দেখেছি, কিন্তু তেমন কিছু পাইনি।
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
এদেশে নাকি সব কিছুই সম্ভব, জ্ঞানের দরকার নাই।
লেখক বলেছেন: কখনও কখনও তাই মনে হয়।
নেমেসিস বলেছেন:
ভাল ধরনের তিক্ত অভিগ্গতা আছে CCNA করতে গিয়ে । যদিও সম্পুর্ন শখের বশে কোর্সটা করতে গিয়েছিলাম । তবে ল্যাবের দশা আসলেই করুন বেশ । কিন্তু এরপরেও বাংলাদেশে বেশ ভাল পরিমান নেটওয়ার্ক এ্যাডমিন রয়েছেন এবং তাদের মাঝে অনেকেই অতিরিক্ত দক্ষ ।
লেখক বলেছেন: বাহিরে CCNA কতদিনে করানো হয়? এটার কি কোন ধরা বাঁধা স্ট্যানডার্ড আছে (সময়ের) ?
হে আবার linux, Unix ... আরও কিসে মাস্টার আছে, আমি খালি CCNA বেইচ্চা খাই।
লেখক বলেছেন: সবুজ ভাই, আপনি কোথায় আছেন এখন?
নেমেসিস বলেছেন:
@ সবুজ কোথা থেকে কোর্স করেছিলেন ।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
হুমম... আমারো নিজে পৈড়া ছয় মাস লাগ্সিলো। সেই ২০০২ এর কথা!এতদিনে তামাদি হয়া গেসে।
এখন মাইক্রোসফ্ট এর এ্সই বেইচ্চা খাই!
লেখক বলেছেন: আহা.... আরিফ ভাই তাহলে মাইক্রসফটে আছেন। কয়েকদিন আগে একটা পোস্ট দেখেছিলাম; আপনার অবস্থান জানার খুব আগ্রহ ছিল লেখকের।
যদি বলতে আপত্তি না থাকে, আপনি কি ইংল্যান্ডে আছেন?
1. TCP/IP basics
2. Routing
3. Switching
4. WAN
5. ACL, NAT... etc
First thing is theoritical. If theory is ok, u don't need to dependent on LAB that much. Because there are simulators. U can make ur own LAB.
I Know a person in GP NSS, who is CCNA, CCDA, CCNP, CCDP... Golam Mustofa, BUET. I met him in facebook.
He is now with CCIE ... he is a boss.
লেখক বলেছেন: CCNA টাই জানতাম শুধু। অন্যগুলোর নামও শুনিনি কোনদিন। অনেক ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে করার ইচ্ছে আছে। সময় হলে পরামর্শ চাইবো।
দরদী নজরুল বলেছেন:
লেকাটি পড়ে ভাল লাগল। CCNA মূলত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের জন্য প্রশিক্ষনমূলক কোর্স। এটা কোনভাবেই কোন একাডেমিক ডিগ্রির সমতূল্য নয়। এগুলো এমন ভাবে তৈরি করা, যে সাফল্যের সাথে CCNA শেষ করতে হলে কম্পিউটার নেটোয়ার্ক সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা থাকাটা জরুরি। কিন্তু বাংলাদেশে অনেকেই এটাকে একাডেমিক ডিগ্রির মত গুরুত্ব দিয়ে এ কোর্স করতে চাচ্ছে বা কোন রকম ধারনা ছাড়াই কোর্সে ভর্তি হয়ে বসছে, ফলে পাশ করতে পারছেনা বা পাশ করে কিছু করতে পারছেনা। তবে আপনার সাথে একটু দ্বিমত পোষন করি, আমি যখন দেশ ছাড়ি, তখন দেশে CISCO ACADEMY চছিল ৩ টা, বুয়েট, ব্রাক আর এআইইউবি (এখন যদি বেড়ে থাকে আমার জানা নেই)। CCNA একেডেমিক মডিউলে যদি পাশ করতে হয়, আপনাকে অবশ্যই কোন CISCO ACADEMY তে কোর্স করে অনলাইন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করতে হবে। এখানে আসলে বুয়েট বা এআইইউবি তুলনা করার কোন সুযোগ নেই, কারন অনলাইন পরীক্ষা নেয়া এবং সার্টিফিকেট দেয়াটা পুরোপুরি CISCO এর এখতিয়ার, আপনি যেখানেই কোর্স করেননা কেন আপনাকে একই পরীক্ষা দিয়ে একই সার্টিফিকেট পেতে হবে, বুয়েট, ব্রাক আর এআইইউবি যাই বলুননা কেন ল্যাব অবশ্যই CISCO বানিয়ে দেয়। এটা যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ব কোন একাডামিক ডিগ্রি না, তাই বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে এর মানের তারতম্য সবার কোন কারন নেই।
একাডেমিক মডিউল ছাড়া CISCO ভেন্ডর এক্সাম দেয়া যায়, অলিতে গলিতে গজিয়ে উঠা অনেক প্রতিষ্ঠানই ভেন্ডর কোর্স করায়, তবে কোন
CISCO সার্টিফিকেট দেবার ক্ষমতা তাদের নেই, তারা শুধু কোর্সটাই করাতে পারে, পাশ কিভাবে করবেন সেটা আপনার ব্যাপার।
তবে CCNA করতে পারলে প্রফেশনাল চাকরিতে সুবিধা পাওয়া যায় এটা সত্য, CISCO সার্টিফিকেট মোটামুটি সারা বিশ্বেই গ্রহনযোগ্য, তবে এটা কোনভাবেই একাডেমিক শিক্ষার বিকল্প নয়।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ নজরুল ভাই। আসলে বিষয়টির উপরে ধারনা না থাকার কারনে আনেকই প্রতারিত হচ্ছে। আপনার মন্তব্যটি থেকে বিষয়টার উপর আমার ধারনা অনেকটা পরিষ্কার হয়েছে। এ.আই.ইউ.বি-এর কথাটাও এই মাত্র আরেকজন মেইলে জানালো যে ওদের ল্যাব আসলেই ভালো। আমি মূলত পোস্টটা করেছি আমার অজ্ঞতা থেকে। বিষয়টাকে নিয়ে যেভাবে ছেলে খেলা করা হচ্ছে, সেটা বেশ খারাপ লাগে। তাছাড়া অধিকাংশ ছাত্র গায়ে হাওয়া লাগিয়ে কোর্সটা করে, যেন এটা কিছুই না। অথচ সবুজ ভাইয়ের মন্তব্য থেকে যেটুকু বুঝলাম এটা বেশ কঠিনই, অন্তত ভালো স্কোর তোলা।
মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
নেমেসিস বলেছেন:
আমি কোর্স করছিলাম সিসকোভ্যালী থিকা ।
কারো কাছে লেটেস্ট সিমুলেটর কি আছে। থাকলে শেয়ার কৈরেন । শখের শেখা প্রাকটিসের অভাবে শেষ না হৈয়া যায় ।
নেমেসিস বলেছেন:
ভালো স্কোর তুলতে কোচিং সেন্টারগুলা চিকনে একটুআধটু হেল্পকরবে আপনাকে । তবে এই ভালো স্কোরটা বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ।@ লেখক । তবে আপনি অবসর সময়ে সিমুলেটর দিয়ে প্র্যাকটিস করে নিজেকে বেশ এগিয়ে নিতে পারবেন ।
লেখক বলেছেন: নেমেসিস ভাই, পরামর্শটা অনুপ্রেরনা হয়ে কাজ করছে আমার মধ্যে। কারন আমি অপনেট ব্যবহার করি প্রায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত। আমার জগৎটাই বলতে পারেন অপনেট আর সা.ই!
লেখক বলেছেন: নাহ। এই পোস্টটা না। ওটা একটু আক্রমনাত্মক পোস্ট ছিল।
নেমেসিস বলেছেন:
I Know a person in GP NSS, who is CCNA, CCDA, CCNP, CCDP... Golam Mustofa, BUET. >> সবুজ কি লিটন ভাইয়ের কথা বল্লেন ??
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
দেশের একমাত্র নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান এবং যারা প্রকৃতই শিক্ষা হিসেবে ব্যাপারটাকে দেখছে তারা হলো বুয়েট। ভাই, আপত্তি আছে ...
শাহজালাল ইউনি থেকেও সি সি এন এ করা যায় , আমি করসি ...
তবে ফাইনাল পরীক্ষা দিতে হয় সি সি এন এ থেকে ...IELTS যেরকম ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে হয় অইরকম ...আমি যখন ৭ম সেমিষ্টার এ তখন সি সি এন এ শুরু করসিলাম ...জাষ্ট একাডেমিক কোর্স টা করতে ১ বছর লাগসে ...
চাকুরী ক্ষেত্রে মোটা মুটি কাজে দেয় (বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বলতেসি)
তবে জাষ্ট পাশ করলেই হবে না ...ভাল জ্ঞান নিয়ে পাশ করলেই চাকরী ক্ষেত্রে দাম পাওয়া যায় ...
আমি পারসোনালি সি সি এন এ কোর্স্ টা খুব এঞ্জয় করসি ...ঠিকমত করতে পারলে জটিল ... আমি কম্পিঊটার সায়েন্স ব্যাকগ্রউন্ড এর , তবু সি সি এন এ করতে যেয়ে মনে হইসে কত কিছু অজানা ছিল ...
তবে আফসোসের কথা হলো আমি এখন সি সি এন এ বেইচা খাইতে পারতেসিনা , সফট অয়ার ইঞ্জিনিয়ার দের সি সি এন এ লাগে না ...
তবে চান্স পাইলেই সি সি এন এ জ্ঞান এপ্লাই করার চেষ্টা করি, ফার্ম এর সুইচ, রাউটার এগুলাতে ...
মোঃ শিহাবুর রহমান বলেছেন:
খুবই সময়োপোযোগী লেখা। বিশেষত ইদানিং যারা পাশ করে বের হচ্ছে ইলেক্ট্রিক্যালঅথবা কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং তারা সবাই সিসিএনএ করার চিন্তা করে।আমি
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেছি।এজন্য জানি যে আমাদের এবং অন্য প্রাইভেট গুলোর স্টুডেন্ট দের মধ্যে এই কোর্স করার আগ্রহ অনেক বেশী।পাব্লিক
বিশ্বঃ গুলোর কথা ভাল বলতে পারছি না।
এখন বুয়েট ছাড়াও শাহজালাল ,এ আই উ বি,আহসানুল্লাহ ,ইউনাইটেড এবং ব্র্যাক এ করায় এই কোর্স। ৮ মাস ।১৮০০০ -২৪০০০ পর্যন্ত কোর্স ফি ।
এর বাইরে কোচিং সেন্টার গুলো দুই-আড়াই মাসে করায়।৯০০০-১২০০০ টাকা নেয়
একটার কথা শুনেছি ওরা নাকি ২/৩ সপ্তাহে শেষ করে দেয় ।আবার সিস্টেম করে
পরীক্ষা দেওয়ায় দেয় !!!!!
ব্যাপারটা এখন আই এল টি এস করার মত হয়ে গেছে। সবাই করতে চায় কাজে
লাগবে ভেবে ।আমি যে সেন্টার এ শিখি সেখানে একজন বি বি এ এর ছাত্র আছে
সি সি এন এ করছে ।এমনকি একজন টিচার আছেন সি সি এন এর, যিনি
আসলে একাউন্টিং ব্যাকগ্রাউন্ড এর ।
মজ়ার কথা হচ্ছে বেশীর ভাগ মানুষই জানে না সিসিএন এ করে কি লাভ ,বা
করে কোথায় জব পাওয়া যাবে। কিন্তু সবাই বলে অবশ্যই করে নিবা এই কোর্স ।
ভার্সিটীর বড় ভাই, সহপাঠি দের চাপে শেষ পর্যন্ত শুরু করলাম। সপ্তাহ খানেক
করেই বুঝতে পারলাম ।কিন্তু ততদিনে টাকা দেওয়া হয়ে গেছে ।
ভাবছিলাম ভেন্ডর এক্সাম টা দিব। এখন শুনতেছি ২২০০০ টাকা লাগে !!!!
আমি আগে জানতাম ১২০০০ এ দেওয়া যায় !!!! এখন বুঝেন আমার অবস্থা।
ভর্তি হওয়ার আগে সবার ধারণা ছিল, সি সি এন এ করলেই বোধ হয়
চাকরী পাওয়া যাবে !!!!! পরে বুঝলাম এটা ভূয়া কথা । কেউ যদি,
অলরেডি আই টি সেক্টরএ জব এ থাকেন তাহলে তার কাজে লাগবে ।নতুন দের
জন্য এই সুবিধা নাই। আরো কথা আছে ।সি সি এন এ করে যদি সেইটা
কাজে না লাগান সাথে সাথে , তাহলে ভুলে যাওয়ার চান্স বেশী ।
আর সি সি এন এ এর নলেজ দিয়ে চাকরি পেতে হলে, এর সাথে উইন্ডোজ ২০০৩ সার্ভার এডমিনিস্ট্রেশন ,লিনাক্স জানা থাকতে হবে। এবং অবশ্যই
সিসকো এর সার্টিফিকেট এক্সাম টা দিতে হবে ।
আমি এবছরই পাশ করে বেরিয়েছি ।ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিঃ ।রেজাল্ট খুব একটা
সুবিধার না হওয়ায় , অনেকের কথায় ভর্তি হয়ে ছিলাম এই কোর্স এ ।
এখন কনফিউসড অবস্থায় আছি। যারা সি সি এন এ কম্পলিট করেছেন
তারা যদি তাদের এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করেন এখানে তাহলে আমার মত অনেকেই
উপকৃত হবে।
আর নিয়াজ় ভাইয়া কে ধন্যবাদ এই গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট র জন্য।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। শাহজালাল-এ যে করা যায় এটা জানা ছিল না। শুভকামনা রইলো, কোন না কোন দিন আশা করি কাজে লাগবে।
ছাগল ফাউন্ডেশন বলেছেন:
যারা CCNA কোর্স করার চিন্তা ভাবনা করছেন তারা এর পূর্বে অবশ্যই Linux ভাল জানা অবশ্যক।তাই Linux কোর্সটি আগে করে নিবেন।
স্পেশালি রাউটিং জানা থাকলে আপনার জন্য অনেক সুবিধা হবে।
লেখক বলেছেন: তথ্যটা বেশ কাজের। এটা অবধারিত সত্য যে নেটওয়ারিং বিষয়ে কাজকরার পূর্বশর্ত হিসেবে লিনাক্স শেখাটা খুবই জরুরী।
লুকার বলেছেন:
বুয়েট সিসকো কোম্পানীর এই কোর্সটা নিয়ে আসলে ব্যবসা করে। সিন্যাপ আসলে ১২ ক্লাস পড়ুয়াদের জন্য টেকনিশিয়ান লেভেলের কোর্স। বেকার ছেলেমেয়েদের জন্য ফ্রি বা প্রায় ফ্রি হওয়ার কথা এটা। ল্যাব এর সুইচ, রাউটার গুলি ফ্রি দেওয়া হয়। সাবনেট মাস্কিং ৪ মাস ধরে পড়ানো হয়, যা শেখাতে ১-২ ঘন্টা লাগার কথা। মোটকথা এই কোর্সটা নিয়ে ধুন্ধুমার ব্যবসা শুরু হয়েছে বেশ কয়েক বছর হলো। আর বুয়েটের শিক্ষকদের দূর্ব্যবহার ও হামবড়া ভাবও দেখার মতো।
লেখক বলেছেন: সাবনেট মাস্কিং চার মাস ধরে কি পড়ায়? ১-২ ঘন্টা না হলেও ১-২ দিনই যথেষ্ট খুব ভালো ভাবে বুঝতে। আর মাথাটা একটু পরিষ্কার থাকলে ১-২ ঘন্টাই ইনাফ।
নেমেসিস বলেছেন:
@ কচ্ছপ আকিউকি বাদ্দিয়া এই লাইনে কেন হঠাৎ ??
নূহান বলেছেন:
CCNA 3 পরযন্ত করছি অনেক কষ্টে।শিক্ষকদের হামবড়া ভাবেরজন্য শেষ পরযন্ত CCNA 4 টা আর করিই নাই।
আর শিক্ষকদের অজ্ঞতার কথাতো বাদই দিলাম।
লেখক বলেছেন: মোট কয়টা মডিউল? এটার কি কোন স্ট্যান্ডার্ড আছে নাকি অনেকটা আই. ই. এল. টি. এস. এর মত?
ওয়ার হিরো বলেছেন:
ভাই একটা কথা বলি, আপনি যাদের কথা বললেন, এআইইউবি থেকে CCNA করছে তারা কেউ শেষ করতে পারে নাই কারন এইটার পরীক্ষা টা অনেক কঠিন, তারা পরীক্ষার আগে আগে আইসা পড়চে। এতে এআইইউবি এর দোষটা কোথায়। আর আপনারে একটা কথা বলি, আমি বুয়েটের ল্যাব দেখছি। আর এআইইউবি টারও দেখচি। এখন আপনেই বলেন বুয়েটের কোন ল্যাবে ডুয়াল কোরের পিসি আছে?? এআইইউবি এড় সবচে ফালতু ল্যাবের পিসির কনফিগ ও ২ গিগস পি৪ আর ৫১২ র্যাম, আপনেই বলেন বুয়েটের কয়টা ল্যাবে এই জিনিস আছে?আর এআইইউবি সিসকো এর ভেনডর, বুয়েট ও। এআইইউবি নিশ্চই ভালো ইনফ্রাস্ট্রাকচার ছারা এই কোরস অফার করে নাই, আর সিসকো ও এমনি এমনি এপ্রুভ করে নাই। আর এআইইউবি তে CCNA করতে মিনিমাম ৬ মাস লাগে তাও যদি ছাত্র ভালো লোড নিতে পারে। আর না হইলে ১ বছরই লাগে।
আশা করি আপনি এআইইউবি সম্পর্কে খোজ নিয়ে আপনার ধারণাটা পরিবর্তন করবেন। যেহেতু আপনি শুনে বিশ্বাস করেন না, তাই একবার হলেও এআইইউবি ঘুরে আসেন।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: "বুয়েটের ল্যাবের প্রসংশা শুনেছি অনেক, ঘরে এবং বাহিরে। এ.আই.ইউ.বি-এরটা জানি না। তাই আমি মন্তব্য করি নাই। শুধু বলেছি যাই করো বুঝে শুনে করো।" -- আমিতো কোন ধারনাই প্রকাশ করি নাই যে পরিবর্তন করবো। তাছাড়া আমিতো ব্যপারটা ব্যক্তিগত ভাবে না নিতেও অনুরোধ করলাম।
তবে তৃতীয় পক্ষের মতামনের অপেক্ষায় রইলাম এখনও।
লেখক বলেছেন: বুয়েটের ল্যাবের বিষয়ে আশা করি অন্য কেউ আলোকপাত করতে পারবেন কারন সব ল্যাবতো আর বাহিরের মানুষ একসেস করতে পারে না। যাইহোক, মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: লিংকটা কাজ করলো না, তাই কাহিনীটা বুঝতে পারলাম না। পরে আবার ট্রাই করে দেখবো।
নেমেসিস বলেছেন:
আপনার কি ই বুক লাগবে ? দিতে পারি তাইলে ।
লেখক বলেছেন: খুবই ভালো হয় তাহলে। আমাকে একটু মেইল করে দেয়া যাবে?
notredamean [at] gmail [dot] com
নূহান বলেছেন:
you have to complete 4 ccna module to be a cisco certifaced network administrator(CCNA)
লুকার বলেছেন:
cnap_buet নামে একটা ইয়াহু গ্রুপ খুলেছিলাম আমরা। ৪৫ জন সদস্য। এখানে আপনারা প্রশ্নব্যাংক, মেটারিয়ালস ও সফটওয়্যার পাবেন।
আমরা প্রোজেক্ট করে ওয়েবসাইট বানিয়ে আপলোড করে প্রেজেন্টশনের সময় ব্রাউজ করে দেখিয়েছি। তখন সিএসই এর চেয়ারম্যান কাশেম সাহেব সেটা বিশ্বাস করেননি। তার ধারণা অন্য কারো ওয়েব দেখাচ্ছিলাম। নাহলে পাওয়ার পয়েন্টে পেনড্রাইভে কেন নেই নাই সবার মত? দেরী করে যাওয়াতেও উনি খেপেছিলেন। সবার মত সকাল থেকে কেন সারাদিন বসে থাকলাম না? অথচ রাতে পাওয়ার ফ্ল্যাকচুয়েশনে হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করায় এক কাজ দু'বার করতে হয়েছিল, কোনমতে একটা হার্ডকপি প্রিন্ট ও স্পাইরাল করে এসেছিলাম।
কাশেম সাহেব বিশ্বাস করেননি যে এত সহজে ওয়েবসাইট কেউ বানাতে পারে। আর ওয়েব ফর্মাটকেও প্রেজেন্টেশন হিসেবে মেনে নিতেও তার আপত্তি ছিল।
আর পজিশন ফিক্সড নয় এমন কিছু ল্যাপটপের জন্য আমরা ওয়্যারলেস সল্যুশন ব্যবহার করেছিলাম, তিনি বললেন, এটা তো আপনাদের সিলেবাসে নাই! এটা করা যাবে না!
http://tech.groups.yahoo.com/group/cnap_buet/
লেখক বলেছেন: লিঙ্কের জন্য ধন্যবাদ।
সাজুভাই বলেছেন:
ভাইরে বুয়েট ইজ বুয়েট। বুয়েটে চান্স নাপাওয়া পোলাপান প্রাইভেটে যায়। আপনাগো এআইইউবি যদি এতোই ভালো হইতো তাইলে বুয়েটের স্যারগো পা ধইরা পড়ানোর লাইগা অনুরোধ করতোনা আর সব পোলাপান এআইইউবি তে লাইন দিতো ভরতীর লাইগা।সবার ফাস্ট চয়েজ হইতো এআইইউবি।টাকা দিয়া সব কিনতে পারবেন মেধা কিনতে পারবেন না।ওয়ার হিরো বলেছেন:এখন আপনেই বলেন বুয়েটের কোন ল্যাবে ডুয়াল কোরের পিসি আছে?? এআইইউবি এড় সবচে ফালতু ল্যাবের পিসির কনফিগ ও ২ গিগস পি৪ আর ৫১২ র্যাম, আপনেই বলেন বুয়েটের কয়টা ল্যাবে এই জিনিস আছে?
বুয়েটের পোলাপানগো মাথায় ঘিলু আছে, তাগো ডুয়াল কোর লাগেনা।
সুতরাং এ টাইপ কথা বইলা আর অপমানিত হয়েন না ।
লেখক বলেছেন: ভাই, পোস্টটা কি আপনি পড়েছেন নাকি শুধু মন্তব্য পড়েই একটা মন্তব্য করলেন?
জুবাঈর_সাঈদ বলেছেন:
"বুয়েটের কোন ল্যাবে ডুয়াল কোরের পিসি আছে?" - বুয়েটের DSP ল্যাবেই কোয়াড কোর (3Gz processor, 2GB Ram) with 2GB/s speed(max) ইন্টারনেট আছে ; এইটা নিজে ব্যবহার করেই বললাম।আর "বুয়েটের পোলাপানগো মাথায় ঘিলু আছে, তাগো ডুয়াল কোর লাগেনা।"
---------------------------------------------------------------------------
সমস্যা হল বুয়েটে CCNA করতে প্রায় ৩০,০০০ টাকা লাগে - যা অনেক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮-২০ হাজারেই করা যায়। আর বুয়েটে বাইরের লোকজনকে CCNA করতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয়। তুলনায় যাব না - তবে Faculty & Lab quality তে বুয়েটকে পেছনে ফেলা সহজ নয়।
লেখক বলেছেন: টাকাটা একটু বেশি লাগলেও শিক্ষার মানের কথা ভেবে বুয়েটে করাটাই আমি যুক্তিসঙ্গত মনে করি।
চমৎকার তথ্য সমৃদ্ধ মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ওয়ার হিরো বলেছেন:
@ জুবায়ের,প্রসেসিং এর কাম যদি ঘিলু দিয়া হইত তাইলে ত আর আমনেগ কোয়াড কোর লাগত না।সব কিছু ঘিলু দিয়াই কইরা ফালাইতেন।
আর কবে কোন ফ্যাকলটিরে পায়ে ধরেছে পড়ানের লাইগা, এট্তু যদি খোলাসা কইরা কইতেন।
একটা জিনিস মানি বুয়েট সেরা, কারণ সেরা পোলাপাইনডি ঐ কাহনে যায়। এর লাইগা ঐডা নিয়া কতা কয়া লাভ নাই।
খালি ত ডিএসপি ল্যাবের কতাই কইলেন আর ২ জিবির নেটের লাইনের কতা কইলেন, মাগার ২ জিবির বেপারটা ত খোলাসা কইরা কইলেন না। আমার জানামতে এত স্পীড ত বুয়েটের ইন্টারনেটে নাই।
যাই হোক কইলে অনেক কতাই কওয়া যায়।
আর সিসকোর বেপারে বুয়েটের কোন হাত নাই, সো অইখানে ফেকালটি টাইনা আইনা লাভ নাই। সব কমেনটস ফলো করেন তাইলেই বুযবেন যে কেন লাভ নাই।
যাউগগা আমি বুয়েট ও দেখছি, এআইইউবি দেখছি।
আপনাগ ল্যাব সেরা না হইলেও পোলাপানডি সেরা, হেরা ঐটুকু পোষায়া লইচে, মাগার এআইইউবি এর ল্যাব সেরা হইলেও পোলাপানডি সেরম না। আপনেগ পোলাপানডি যদি এআইইউবি এর ল্যাবটা পাইত তাইলেই আসল বেপারটা বোযা যাইত।
সো নেভার টেক ইট পারসোনালি। আমি খালি এইডাই কইতে চাইলাম এতক্ষণ যে এআইইউবি তে সুবিধা অনেক, মাগার কামে লাগানোর মত পাবলিক নাই। বুয়েটে অত সুবিধা নাথাকলেও সীমিত বিষয় নিয়া কাজ করার মত পাবলিক আছে। এগুলাত আর কোন ইন্সটিটিউটের দোষ গুণ হইতে পারে না।
লেখক বলেছেন: একটা তুলনামূলক চিত্র দেখিয়েছেন। বেশ ভালো লাগলো।
জুবাঈর_সাঈদ বলেছেন:
"প্রসেসিং এর কাম যদি ঘিলু দিয়া হইত তাইলে ত আর আমনেগ কোয়াড কোর লাগত না।সব কিছু ঘিলু দিয়াই কইরা ফালাইতেন। " - ঠিক - একটু সময়ের ব্যাপার মাত্র। নিজের পিসিতে যে সিমুলেশন দেড়-দিন লাগে "আর কবে কোন ফ্যাকলটিরে পায়ে ধরেছে পড়ানের লাইগা, এট্তু যদি খোলাসা কইরা কইতেন। " - এটা আমার কথা না।
ডিএসপি ল্যাবের উদাহরন আপনার প্রশ্ন/মন্তব্যের প্রেক্ষিতে। x-86 সিরিজের পিসি ও চলে বুয়েটে - বিশদ আলোচনার ইচ্ছে নেই। ২ জিবির (বড় ভুল হয়ে গেছে - ২MB হবে, দুঃখিত) নেটের লাইনের ব্যাপারটা সত্য - ফ্যাকাল্টি+থিসিস(UG+PG) ছাত্রদের জন্য ল্যাবে।
"আর সিসকোর বেপারে বুয়েটের কোন হাত নাই, সো অইখানে ফ্যাকাল্টি টাইনা আইনা লাভ নাই।" - আমি নিশ্চিত নই। তবে কোর্স ফি এবং ফ্যাকাল্টি নির্ধারনে প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা আছে বলেই মনে হয়।
পারসোনালি নেবার কিছুই নেই
আরেকটা তথ্য দেই - বুয়েটে CCNA-exploration (একদম শুরুর কোর্স, HSC পাস'রাই করতে পারে) ছাড়া অন্যগুলো করাতে দেখিনি - দুএকটা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে Cisco'র Wireless Lan etc. সম্পর্কিত কোর্সগুলোও বিদ্যমান বলে জানি।
টেলিকম কোম্পানিগুলো নিশ্চিতভাবেই Core, Network Planning সম্পর্কিত পোস্টগুলোতে CCNA (Cisco authorized) করাদের অগ্রাধিকার দেয়, কোন সেন্টার থেকে করা সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। বুয়েটের কিছু ছেলেপেলেও কম পয়সায় বাইরে থেকে করে
লেখক বলেছেন: আপনার দেয়া তথ্যগুলো বেশ কার্যকর।
**সবার জন্য**
আমারও মনে হচ্ছে আলোচনাটা একটু সরে যাচ্ছে। পার্সোনালি না নেয়াই ভালো। আমাদের মুক্ত আলোচনা থেকে যদি অন্য কারো একটু হেল্প হয়, মন্দ কি।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।
নেমেসিস বলেছেন:
আপনার মেইল চেক করুন ।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ নেমেসিস ভাই। লিংকা অনেক উপকারে আসবে।
লেখক বলেছেন: নেমেসিস ভাই, ফ্রি সিমুলেটর খুঁজে পাওয়াটা বেশ কষ্টকর। বোজন এর একটা ক্র্যাক পেয়েছিলাম একবার। ..আমি বর্তমানে অপনেট ব্যবহার করছি, বেশ ভালো সিমুলেটর তবে লাইসেঞ্জের দাম অনেক।
আমি বুয়েটে স্টুডেন্ট থাকা অবস্থাই একটা নেটওয়ার্কিং কোর্স করেছিলাম।যদিও তা CCNA ছিলনা। বুয়েটের সব টিচাররাই থিওরিকে বেশী গুরুত্ব দেন কারন থিওরি ক্লিয়ার থাকলে প্রাকটিক্যাল বোঝা খুবই সহজ। আমি যখন কোর্সটা করেছিলাম তখন আমার সাথে আমার সাথে আরো অনেক প্রফেশনাল লোকজনও ছিল। বুয়েটের ছাত্র হিসাবে আমি তখন বিট, সাবনেট মাস্ক ইত্যাদিতে math করার আনন্দই পেয়েছিলাম। অবাক হয়ে দেখলাম অনেক প্রফেশনাল ব্যক্তিই খালি কিছু মুখস্তবিদ্যা নির্ভর জ্ঙান নিয়েই বসে ছিলেন। তাদেরকে একটু ঘুরিয়ে হিসাব দিলেই তারা আর ক্যালকুলেশন করতে পারেননি। আমার মনে হয় বুয়েটের শ্রেষ্ঠত্বটা এখানেই যা আপনার ভিত্তিটাই শক্ত করে দিবে। প্রয়োগের দায়িত্বটা সম্পূর্ণ আপনার।
লেখক বলেছেন: তত্ত্বগত ভীতটা আসলেই খুব গুরুত্বপূর্ন। আয়ারল্যান্ডে আসার পর প্রথম যে জিনিসটা আমার নজরে পড়ে সেটা হলো এখানকার প্রফেসাররা থিউরীটিকাল নলেজটা কত গভীর সেটা বোঝার চেষ্টা করে। কারন একটু ঘোরানো গবেষনায় গেলেই তখন আর সাধারন জানায় কাজ হয় না। যাইহোক, সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
নেমেসিস বলেছেন:
ওহহ...... সাবনেট মাস্ক ক্যালকুলেটর আছে একটা আমার কাছে । মাথা নষ্ট করতে চাই না অংক করতে করতে
বেঁচে আছি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কিছু কি বলেছেন?
লেখক বলেছেন: শ্রোতা (আঁতেল সমালোচক) ভাই, শুরু করে দিন। ইচ্ছাকে মনে দমিয়ে রাখতে হয় না।
কুয়াশায় ডাকা বলেছেন:
আমি নতুন এই মহল্লায়, বেশী কিছু বুঝি না , তবে এই পুস্টটা আমার খুব মনে ধরছে। পিলাচ না দিয়া পারলামনা ।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা করি আবারও আসবেন। শুভেচ্ছা রইলো।
ভুডুল বলেছেন:
প্রিয় +
















আমি ৯২৩ পাইছিলাম। জব করে দেড় বছর লাগছে কোর্স শেষ করতে।
সত্যি বলতে কি শেষ ৬ মাসই খায়া না খায়া, রাতদিন পইরা পাশ দিছিলাম। আমি আদতে ভূয়া ছাত্র। ভার্সটির চাইর বছরেও এত কষ্ট করি নাই, CCNA 'র জন্য যা করছি!
পাশ দেয়ার ১ মাসের মাথায়, ১০ গুন বেশি বেতনে নতুন চাকরি পাইছি। আমারা দুই পুরান কলিগ একই সাথে এই কম্পানীতে আসছি।
কাবুলে আছি।
তয় টেবিলে লাইগা থাকলে ৬ মাসই কাফি!
তয় আপনের কথায় যুক্তি আছে।
প্রয়তে রাখলাম।