যাইহোক, এ পোস্টের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় অতীত নয় বরং বর্তমান। আজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটা তালিকা দেয়া হলো, গুরুদের তালিকা। ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে যাদের অবদানের জন্য আজ আমরা এত সুফল ভোগ করতে পারছি, তাদের উপর কিছু তথ্য এবং উপাত্ত্ব সমৃদ্ধ প্রেজেন্টেশন শেষে এ তালিকা দেয়া হলো। মূলত আমরা যারা ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন নিয়ে পড়ছি তাদের বলা হয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ এবং গবেষনাপত্র (রিসার্চ-পেপার) গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষন করতে। এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মূলত আজকের পৃথিবীতে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের স্রষ্টা। অর্থাৎ পৃথিবীর বড় বড় তার-ছেড়ারা এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে এসেছেন
এখানে উল্লেখ্য যে এটা কোন র্যাঙ্কিং নয় যে যার নাম আগে এসেছে সে বেশি ভালো। বরং অনেকটা র্যানডম অর্ডারে তালিকাটা তৈরী করা এবং সবাই এখানে গুরু। তাছাড়া এটা আমাদের অভ্যন্তরীন একটা তালিকা মাত্র যেটা ছাত্রদের সাহায্যের জন্য দেয়া হয়েছে।
তালিকার শেষের তিনটা তারকা চিহ্নিত নাম বিশ্ববিদ্যালয় নয়; তারা কমার্শিয়াল রিসার্চ ল্যাব।
তার-ছেড়া বিদ্যার গুরু বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ
** University of California, Berkeley
** Stanford University
** Carnegie Mellon University
** Massachusetts Institute of Technology
** University of Illinois at Urbana-Champaign
** University of California, Los Angeles
** Cornell University
** Princeton University
** Georgia Institute of Technology
** Colorado School of Mines
** Washington University
** Rutgers University
** Harvard University
** State University of New York
** Bell Labs (*)
** RAND (*)
** Xerox PARC (*)
একটা জিনিস এখানে লক্ষ্যনীয়। সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের। মনে তাই প্রশ্ন জেগেছিল (যদিও করা হয়নি), ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কি তখন ঘাস কাটছিল? সম্ভবত। তা না হলে সব গুরুত্বপূর্ন অবদানে কেন বারবার যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকদের নাম আসবে!
মাঝে মাঝে মনে হয়, ইশ... যদি কোনদিন এদের কোন একটায় পড়ার সুযোগ পেতাম! সে ভাগ্য এই জীবনে আর হলো না
২১ জুলাই ২০০৮
ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

