.... তবুও আমি স্বপ্ন দেখি ... (স্বপ্ন, বাস্তব এবং ব্লগের সর্বস্বত্ব ব্লগার কতৃক সংরক্ষিত)

সিনেমা যখন নেশা (১ম পর্ব)

২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:১৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

গত কিছুদিন যে কি হয়েছে, আমি নিজেই বুঝতে পারছি না। নিজের উপরই মেজাজ খারাপ। ইউনিভার্সিটিতেও যাই অনেক দেরী করে, বাসায় ফিরি প্রায় রাত ১১-১২টার দিকে। যারা আমার ব্লগ পড়েন, তারা হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন আমার তেমন কোন পোস্ট নেই কয়েকদিন। টুকটাক যা দেই, সবই কৌতুক অথবা এধরনের কিছু। যাইহোক, এই হোম-সিক অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার একটা চেষ্টা শুরু করেছি; আজব এক চেষ্টা - সিনেমা!

সিনেওয়ার্ল্ড বলে একটা গ্রুপ আছে যারা ইউকে - আয়ারল্যান্ড অঞ্চলে বেশ দাপিয়ে ব্যবসা করছে। ইংল্যান্ড, ওয়েলস এবং স্কটল্যান্ড বাদেও তাদের ব্যবসার একটা গুরুত্বপূর্ন অংশ আয়ারল্যান্ডে রয়েছে। এখানে তাদের হাইটেক থিয়েটারগুলোতে ঢুকলে কিছু সময়ের জন্য জাদুঘর খেতাব পেয়ে যাওয়া আয়ারল্যান্ডকে একটু অন্য রকম মনে হয়। ডাবলিনে আমার বাঙালী বন্ধু বলতে সৈকত ভাই এবং তার স্ত্রী নদী। তাদের সাথেই প্রথম সিনেওয়ার্ল্ড ভ্রমন। নদীর খুব ইচ্ছে ছিল ডিজনির নুতন এনিমেটেড মুভি ওয়াল-ই দেখবে। ফলে তাদের অতিথি হয়েই সিনেমা দেখা শুরু। যারা ওয়াল-ই দেখেননি, অনুরোধ রইলো একবার হলেও দেখুন। রোবটিক ভালোবাসাকে যে কতটা চমৎকার ভাবে উপস্থাপন করা যায় তার এক মুগ্ধ হয়ে থাকার মত দৃষ্টান্ত এই এনিমেটেড চলচিত্রটি।

সেদিনই সৈকত ভাইয়ের কাছ থেকে জানতে পারলাম সিনে ওয়ার্ল্ড এর আনলিমিটেড অফারের কথা। ২০ ইউরো দিয়ে টিকেট কাটলে সারা মাসে যতবার যত খুশি মুভি দেখা যাবে। এই অফার শুধু আয়ারল্যান্ডের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয় বরং ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড এবং ওয়েলসের সিনেওয়ার্ল্ড সিনেমা হলগুলোতেও সমান ভাবে কার্যকর। মনে মনে ভেবে খুশি হলাম যে লন্ডন বেড়াতে গেলে কয়েকটা মুভি মুফতে দেখে আসা যাবে!

যাইহোক, পরদিনই ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট সহ দৌড়ালাম সিনেওয়ার্ল্ডে, উদ্দেশ্য আনলিমিটেড গ্রাহক হওয়া। লাইনে দাড়িয়ে অন্যদের ফর্ম ফিলাপের দৃশ্য দেখতে দেখতে আমার একটু ভয় ধরতে শুরু করলো। সবাই পাসপোর্ট নিয়ে এসেছে আই. ডি. হিসেবে। তাছাড়া সবার কাছে পাসপোর্ট সাইজ ফটোগ্রাফও চাচ্ছে কাউন্টারের ছেলেটা। বলাইবাহুল্য দুটোর কোনটাই আমার কাছে নেই। কি করবো ভাবতে লাগলাম। পকেটে ট্রিনিটির স্টুডেন্ট আই. ডি. আছে। সেটা দিয়ে হয়তো পাসপোর্টের বিকল্প কাজ চালিয়ে নিতে পারবো কিন্তু ফটো? মেজাজটা চরম খারাপ হয়ে গেলো। ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট ইউনিয়ন শপের পাশেই ফটো তোলা যায়। আগে জানলে পাঁচ মিনিটে ফটো তুলে নিয়ে আসতে পারতাম। কি আর করা! চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে। আমারও মাথায় নিত্য নুতন বুদ্ধি আসতে শুরু করলো, কিন্তু ঐ মূহুর্তে কি করনীয় সেটা ভেবে পেলাম না।

এক সময় আমার ডাক পড়লো। কাচুমাচু মুখে গিয়ে কাউন্টারের ছেলেটাকে বললাম আমার কাছে পাসপোর্ট নেই, তবে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের আই. ডি. আছে। ছেলেটা বেশ অমায়িক। হেসে বলল, কোন সমস্যা নেই; তাতেই চলবে। এবার আমি আরও বিগলিত হয়ে বললাম আমার কাছে ফটোও নেই তবে পেন ড্রাইভে সফ্ট কপি আছে, যদি প্রিন্ট করার ব্যবস্থা থাকে তাহলে ওটা প্রিন্ট করে নেয়া যাবে। ছেলেটা একটু সরু দৃষ্টিতে তাকালো এবার। তারপর বলল, গ্রাউন্ড ফ্লোরের উল্টা দিকে সেল্ফ ফটো টেকিং যন্ত্র আছে, সেখান থেকে ফটো তুলে তারপর আসতে। তবুও একটা সমাধান হওয়াতে প্রানে পানি পেলাম। আমার তখন মনে হচ্ছিল আজ আমি মেম্বার হতে না পারলে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে! অতএব পৃথিবীকে রক্ষার জন্য আমি দৌড়ালাম ফটো তুলতে।

মেশিনের মধ্যে বসে আমি খুব করে নিজেকে দেখে-টেখে ফটো তোলার জন্য যেই প্রস্তুত হলাম দেখলাম পকেটে পর্যাপ্ত কয়েন নেই। ছয় ইউরো লাগবে ফটো তুলতে, পকেটে সাকুল্যে পাঁচ ইউরোর কয়েন আছে। কি আর করা! হতাশ ভাবে বের হয়ে এলাম। মনেমনে ভাবলাম কোন এক দোকানে গিয়ে কি বলবো যে আমাকে একটু ভাংতি দাও? এখানে গত আট মাসে এটা করিনি বা কাউকে করতে দেখিনি। ঘাড় ধরে আবার বের করে দিবে না তো? এখানে সবই সম্ভব। অনেক দোকানের সামনে লেখা থাকে - অথোরিটি কিপস দ্যা রাইট টু রিফিউজ এপমিশন! ভদ্রভাষায় লেখা কথাটার মানে যে ঘাড় ধরে বের করে দেয়া সেটা বেশ কয়েকবার স্বচক্ষে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে! অতএব সে পথে আর গেলাম না। বরং ঠিক করলাম কোথাও গিয়ে কিছু খেয়ে তারপর বিল দেয়ার সময় বলবো কয়েনে চেঞ্জ দিতে।

সিনেওয়ার্ল্ড থেকে বের হয়ে এসে পাশের একটা ফাস্টফুডের দোকানে ঢুকলাম। কি খাওয়া যায় চিন্তা করতে করতে হঠাৎ মনে হলো ডিনারটা করে নিলেই হয়। যদিও তখন বাজে বিকেল চারটা তবুও ডিনারই যথার্থ মনে হলো কারন টিকেট কাটার পর মুভি দেখতে ঢুকলে আর ডিনার করা হবে না। যেমন ভাবা তেমন কাজ, ডিনারে বসলাম। রাজকীয় স্টাইলে আস্তে ধীরে খাচ্ছি। তাড়া নেই। আজকে মেম্বার হয়ে রাত পর্যন্ত মুভি দেখে তবেই বাসায় যাবো, ঠিক করে ফেলেছি ততক্ষনে।

হঠাৎ দেখলাম আমার ঠিক কোনাকোনি ভাবে সামনে বসা দুটো মেয়ের একটা মেয়ে চোখ দিয়ে ইশারা করছে। প্রথমে ভাবলাম আমার পেছনের কাউকে হবে, তাই পাত্তা দেইনি। কিন্তু না। আবার একই কাজ। ব্যপারটা কি? ভালো করে বোঝার জন্য আমি সরাসরি মেয়েটার চোখের দিকে তাকালাম। মেয়েটাও আমার দিকে তাকিয়ে আছে। অনেকটা পরীক্ষার মত আমিও তাকিয়ে আছি। দেখি কে আগে চোখ সরায়! হেরে গেলো মেয়েটাই। হেসে চোখ নামিয়ে নিল কিন্তু সাথে সাথে আবার চোখ তুললো। যখন দেখলো আমি সরাসরি তাকিয়ে আছি, অবার হেসে ফেললো, স্বলজ্জ হাসি। এবার আমি ভালো করে মেয়েটাকে দেখলাম। পাতলা গড়ন, কালো চুল। তবে সবচেয়ে সুন্দর চোখ। এদেশী মেয়েদের চোখে লজ্জাটা একটু কম থাকে তবে তাকে তেমনটা মনে হলো না। ততক্ষনে তার সাথে বসা অন্য মেয়েটাও বুঝে ফেলেছে সে আমার সাথে (নাকি আমি তার সাথে?) মজা করছে। সেই মেয়েও ঘাড় ঘুরিয়ে তাকিয়ে হাসতে লাগলো। মনেমনে ভাবলাম উঠে গিয়ে ওদের টেবিলে গিয়ে হাই দিয়ে পরিচয় করি, কিন্তু সাথে সাথে মনে পড়লো আমি এসব কি করছি? আমার আনলিমিটেড মেম্বারশীপ এবং তার জন্য ফটো এবং তার জন্য কয়েন লাগবে। হায় হায়! আমি কিনা এখানে বসে মেয়েদের সাথে টাঙ্কিবাজী করছি। দৌড়ে উঠে কাউন্টারে গিয়ে বিলটা দিয়ে কয়েনে চেঞ্জ নিয়ে বের হয়ে আসার আগে মনে হলো আরেকবার টেবিলে ফিরে যাই। কোন কারন ছাড়াই টেবিলে ফিরে গেলাম, একটা টিস্যূ পেপারে মোবাইল নাম্বারটা লিখে, মেয়েটাকে দেখিয়ে টেবিলে রেখে আসলাম। বের হয়ে আসার সময় দেখলাম মেয়েটা তখনও হাসছে। মেয়েটা কি পরে ফোন করেছিল? সে গল্প আজ আর বলবো না, অন্য কোন দিন অন্য কোন ব্লগে বলবো ;)। (সায়মা, তুমি এই ব্লগ পড়ে থাকলে, এখানেই মাফ চেয়ে নিচ্ছি শয়তানিটার জন্য। প্লিজ!!!)

যাইহোক, কয়েন হাতে পেয়ে আমি আনন্দে আত্মহারা। দ্রুত ছবি তুলে আবার লাইনে গিয়ে দাড়ালাম। একটু পরই আমার ডাক আসলো। মনেমনে বললাম এবার আমাকে কে আটকায় দেখি। কিন্তু আবারও বিধিবাম! এরা ক্যাশ ছাড়া পেমেন্ট নিবে না। আমি একটা পাউরুটি কিনলেও কার্ডে কিনি। এটা কোন ভাব নয়। কয়েনের জ্বালা থেকে বাঁচার একটা কৌশল মাত্র। ফলে পকেটে ক্যাশ প্রায় থাকেই না। তার উপর একটু আগে ডিনার করার সময় কয়েন ফেরত পাবার জন্য ক্যাশে পে করেছিলাম। ফলে পকেট প্রায় শূন্য তখন। কাউন্টারের ছেলেটা আবারও অমায়িক হাসি দিয়ে বললো যে কোন এ.টি.এম. থেকে টাকা তুলে নিয়ে আসতে। আমি হতাশ ভাবে বের হয়ে এলাম আবারও। এবার রাস্তায় রাস্তায় হেটে বেড়াতে শুরু করলাম এ.টি.এম বুথ খোঁজার জন্য। এখানে একটা জিনিস বেশ ভালো, তা হলো যে কোন ব্যাঙ্কের এ.টি.এম বুথ থেকে টাকা তোলা যায়। অর্থাৎ অন্য ব্যাঙ্কের এ.টি.এম থেকে আমি আমার ব্যাঙ্কের কার্ড দিয়ে টাকা তুলতে পারবো। ব্যাঙ্ক অব আয়ার‌ল্যান্ড এখানকার সব চেয়ে বড় ব্যাঙ্ক যদিও আমি এ্যালাইড আইরিশ ব্যাঙ্ক (এ.আই.বি)-এর গ্রাহক। প্রথমেই বুঝতে পেরেছিলাম আমার ব্যাঙ্কের কোন বুথ আসেপাশে নেই। অতএব, ব্যাঙ্ক অব আয়ারল্যান্ডের বুথ খোঁজা শুরু করলাম। কিন্তু সেটাও নেই। হতাশ হয়ে যখন রাস্তায় দাড়িয়ে আছি, তখন দেখলাম একটা স্পার শপ। স্পার হলো এখানকার সবচেয়ে কমন ডিপার্টমেন্টাল চেইন শপ। অলিতে-গলিতে দেখা যায়। স্পারের একটা বিশেষত্ব হলো মাঝে মাঝে এদের ভেতরে ব্যাঙ্ক অব আয়ারল্যান্ডের এ.টি.এম বুথ থাকে। তবে শতাংশের হিসেবে সেটা বড়জোড় পাঁচ শতাংশ। তবুও আশায় বুক বেঁধে ঢুকলাম। কিন্তু বুথ আর দেখতে পাই না। চার দিক তাকিয়ে যখন বের হয়ে আসবো তখন চিপায় নজর পড়লো এবং সাথে সাথে দেখতে পেলাম এ.টি.এম বুথটাকে। আনন্দে লাফ দিয়ে উঠলাম। পেয়েছি! আর্কিমিডিসও মনে হয় এতটা আনন্দিত হয়নি আপেক্ষিকগুরুত্ব আবিষ্কারের পর!

যাইহোক, দ্রুত বুথের সামনে গিয়ে পকেট থেকে কার্ডটা বের করে যেই ভরতে যাবো, দেখলাম লেখা - উই আর সরি! দিথ বুথ ইজ টেমপোরারিলি আউট অব অর্ডার!!! আমার চিৎকার দিতে ইচ্ছে করছিল তখন। মনেমনে পৃথিবীর সব ব্যাঙ্ক এবং তাদের এ.টি.এম বুথকে বাপ-মা তুলে গালি দিয়ে বের হয়ে আসার সময় হঠাৎ মনে হলো - আইডিয়া! স্পার শপগুলোতে, যদিও সবগুলোতে নয়, ক্যাশ ব্যাক বলে একটা অপশন থাকে। কোন কিছু কেনার পর টাকা দেয়ার সময় অতিরিক্ত টাকা কার্ডে পে করে ক্যাশ করে নেয়া যায়। অর্থাৎ, আমি যদি দশ ইউরো কিনি এবং পনের ইউরো কার্ডে পে করি, তাহলে আমাকে ওরা পাঁচ ইউরো ক্যাশ ব্যাক করবে। ওদের জিজ্ঞেস করলাম ওরা ক্যাশ ব্যাক দেয় কি না। কাউন্টারে একটা ভারতীয় লোক ছিলেন। তিনি জানালেন যদি পাঁচ ইউরো এর বেশি জিনিস কিনি তাহলে দিবে। শুরু হলো আরেক যন্ত্রনা। এখন কি কেনা যায়? দোকানে যাই কিনতে যাই দেখি এক-দুই ইউরো। হঠাৎ কি সবকিছুর দাম কমে গেলো নাকি? আবার মেজাজ খারাপ হতে শুরু করলো। তাছাড়া আমার মাথায় তখন ঘুরছে অন্য আরেকটা বিষয়। ক্যাশ ব্যাক খুব বেশি দেয়না। আমার লাগবে ৪০ ইউরো কারন সিনেওয়ার্ল্ড-এর নিয়ম প্রথম বার মেম্বার হবার সময় এক সাথে দুইমাসের টাকা দিতে হয়। ৪০ ইউরো পাওয়া যাবে কি না সেটাও একটা চিন্তার বিষয়। তাই দ্রুত কিছু কুকি এবং এধরনের খাওয়া কিনে কাউন্টারের অন্য প্রান্তে, যেখানে একটা অল্পবয়সী ছেলে ক্যাশে বসা, সেখানে গিয়ে পে করতে দাড়ালাম। ছেলেটার চেহারা দেখেই বোঝা গেলো চাকরীতে নুতন। যেই ৪০ ইউরো ক্যাশ ব্যাকের কথা বললাম, সে সরু দৃষ্টিতে আমাকে দেখতে লাগলো। আমি তাড়াতাড়ি বললাম তোমার বসই বলেছে দিতে। ছেলেটা বসকে জিজ্ঞেস করতে চাইলো কিন্তু বস তখন অন্য একজনের সাথে গল্প করছে। সুযোগটা নিয়ে আমি দ্রুত বললাম আমার বাস ধরতে হবে, একটু তাড়াতাড়ি করলে ভালো হয়। ছেলেটা কনফিউজড ভাবে ৪৬ ইউরো কার্ডে গ্রহন করে আমাকে ৪০ ইউরো ব্যাক করলো। আমিও এক দৌড়ে আবার সিনে ওয়ার্ল্ডে ফিরে আসলাম।

যথারীতি আবার গিয়ে লাইনে দাড়ালাম এবং এক সময় আমার পালা আসলো। এবার আর কোন সমস্যা হলো না। ফিসটা পে করার পর আমাকে ছেলেটা জিজ্ঞেস করলো আমি আজ কোন মুভি দেখতে চাই কি না? আমি মনেমনে বললাম, আবার জিগস! এত ঝামেলা কেন করলাম তাহলে? তারপর দ্রুত আ জার্নি টু দি সেন্টার অব দি আর্থের টিকেট কেটে দৌড় দিলাম স্ক্রিন খুঁজতে। এখানে ১৬টা স্ক্রিন আছে। সেখান থেকে আমারটা (১৪ নাম্বার) খুঁজে বের করে যখন আসন পেতে বসলাম, তখনও মুভি শুরু হতে প্রায় পনের মিনিট বাকি। মানেমানে বললাম, আহহহ! সারা বিকেলের ধকল শেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে অপেক্ষা করতে লাগলাম থ্রি ডি মুভি দেখার জন্য, জীবনে প্রথমবারের মত। সেই সাথে শুরু করলাম এক নেশার যাত্রা - সিনেমা দেখা! (চলবে)

২৯ জুলাই ২০০৮
ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড।

 

 

  • ৪৬ টি মন্তব্য
  • ৪৪০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১১ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:২৩
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: একটার পর একটা বিপদ। কিন্তু সমাধানগুলা বেশ চমৎকার।

মেয়েটা ফোন করছিলো কিনা তার কথোপকথনসহ একটা পোস্ট চাই। :)

সায়মা সমন্ধে ঝাতি জানতে চায় ;)
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:২৫

লেখক বলেছেন: সায়মা আমার গার্লফ্রেন্ড। এই পোস্ট পড়ার পর টেলিফোনে যে কি ঝাড়িটা আমার উপর আসবে, সেটা ভেবে এখন ভীত! :(

২. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:২৮
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: তাতো ঝাড়ি দিবেই। উনাকে রেখে আরেকজনরে আবার নাম্বার দিছেন।

ভাইজান হেভভি প্রিপারেশন নেন। ঝাড়ির উপ্রে উড়াউড়ি কর্তে হইবো। ;)
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: আসলে এ কাজটা আমি ডাবলিনেতো দূরে থাক, দেশেও কোন দিন করিনি। কিন্তু সেদিন হঠাৎ করে ফাজলামীটা মাথায় চাপলো। হঠাৎ মনে হয়েছিল এশিয়ানদের সাথে টাঙ্কিবাজির কারনটা কি! যদিও সে রহস্য এখনও সমাধান হয়নি!!!

যাইহোক, এখনতো মনে বেশ ভয় ভয় লাগছে। লেখার সময় খুব হালকা ভাবে লিখে গিয়েছি কিন্তু এখন বুঝতে পারছি কাল সকালে কি ঝড়টা যাবে। :(

৩. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৩৩
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: বেশ কয়েকদিন পর লম্বা লেখা। ২০ ইউরোতে যত খুশি সিনেমা? :( আমিও দেখতে চাই:(
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: আসলেই, অনেকদিন পর লিখলাম।

২০ ইউরোতে সিনেমার বিষয়টা দেখে আমিও বেশ অবাক হয়েছি। তাও আবার ইংলিশের পাশাপাশি সব হিট করা হিন্দী মুভিও। এবং আয়ারল্যন্ড, ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড এবং ওয়েলসের যে কোন সিনেওয়াল্ডর্ড হলে :)

আগামী পর্বে আরো বর্ননা আসবে মুভি দেখার সময়ের নাটক নিয়ে ;)

৪. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৩৯
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: সায়মা আপার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি :

নিযাজ ভাইজান বড়ই ভালো লোক। উনারে এবারের মতো মাফ করে দেয়া হোক। ঝাড়ি না দেওয়া হোক :)


অফটপিক: নিয়াজ ভাই,আপনার পক্ষে কথা বললাম। ঝাড়িঘটিত আইনী সমস্যা হইলে বইলেন । সমাধান দেওয়া যাবে।
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৪১

লেখক বলেছেন: শামীম ভাই, খাইছে! আপনি দেখি বিয়ের আগেই ডিভোর্সের সহায়তার কথা বলে ফেললেন!!!

৫. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৩৯
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: গতকাল দেখলাম সেন্টার অব আর্থ..

ক্যাশ ব্যাক খুব বেশি দেয়না: এই জায়গায় একটা ২ নম্বরী করছেন ভালো লাগে নাই...ওদের ওয়েব সাইট দেখে প্রস্তুত হয়ে যেতে পারতেন
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: আসলে ক্যাশ ব্যাক কত দিবে সেটার কোন সীমা নেই। একটু বেশি চাইলেই কাই-কুই করে। আমিতো ওদের ঠকাচ্ছি না। টাকাটা কার্ডে পে করে ওদের থেকে ক্যাশ করে নিচ্ছি। কিন্তু ওরা এটা বেশি দিতে চায় না :(

ওয়েব সাইটে এ্যামাউন্টটা দেয়া আছে এবং মজার ব্যাপার আমার কার্ডও একসেপ্ট করবে এটা বলা আছে। আমি সেটা দেখেই প্রধানত গিয়েছিলাম। ওখানেই সফট কপি ছবির কথাটাও পেয়েছিলাম। কিন্তু বাস্তবে গিয়ে দেখি সব উল্টা।

ওদের সাইটে লেখা:
Monthly payment €19.99
Valid in Ireland and the UK excluding London West End Cinemas

We need a recent digital photo of you to go on your Unlimited card (just head and shoulders in the centre of the photo), passport size, portrait format, in colour, on a light background, JPEG file format, clearly in focus. Take a photo of yourself with your mobile phone camera!

কার্ডের ক্ষেত্রেও ছবিটবি দেয়া আমার লেজার কার্ডের কিন্তু সিনেমা হলের বুথে শুধুই ক্যাশ নিবে :(

৬. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৪৭
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: আইন নিয়া পড়ছিতো, তাই খালি আইনী সহয়তার কথা মাথায় আসে। ;)

মুভি দেখার সময়ের নাটক বিষয়ক পোস্টটা শীঘ্রই পড়তে চাই। :)
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৫০

লেখক বলেছেন: সেই গল্প আরো মজার। কয়েকদিনের মধ্যে লিখবো। :)

৭. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৪৭
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সিনেওয়ারর্ল্ডের মেম্বার হব কিনা ভাবছি। মাসে চারটা মুভি দেখা হয়ে উঠবে না। এরচেয়ে মনে হয় আমার জন্য সিঙ্গলই ভাল।

আপনার সদস্য হবার বিস্তর কাহিনী পড়ে মজাই লাগল।

কয়েন খুজে এত হয়রান? যেকোন শপে গেলে আপনাকে খুশি মনে কয়েন দিত। এখানে এটা কেউ কিছু মনে করে না। থাকলে অবশ্যই দেয়। ফাস্টফুডের দোকানটায় না খেলেও দিত।


আপনার ডাবলিন বিষয়ক লেখা পড়ে পড়ে আমার নিজেরও এ বিষয়ে লীখতে ইচ্ছে হচ্ছে...

২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: যদিও কয়েন নিয়ে আমি খুব একটা ডিল করি না। বাসে মানথলি টিকেট, কিছু কিনতে গেলে ম্যাস্টারো/লেজার কার্ড। তাই হঠাৎ কয়েন লাগলে মাথা ঘুরতে শুরু করে!

সিঙ্গেল টিকেট - ১০ ইউরো একটা মুভির। স্টুডেন্ট ডিসকাউন্টে ৮ ইউরো। দুইটা মুভি মাসে দেখলেই ২০ ইউরো উঠে আসে। আমিতো তিন দিনে ছয়টা দেখেছি :)

আপনি লিখতে শুরু করেন। আপনার সেই এস.এম.এস কিন্তু আজও পাইনি :(

৮. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৫২
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মনেমনে ভাবলাম উঠে গিয়ে ওদের টেবিলে গিয়ে হাই দিয়ে পরিচয় করি,
আপনি তো মিয়া কম যান না।

তা মুভি দেখার সময় আপনার পাশের সীটে কোন মেয়েটা বসেছিল যেটা প্রথম তাকিয়েছিল সেইটা না অন্যটা...!!
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: এই গল্পই আসবে আগামী পোস্টে :) ভয় পাচ্ছি, সা. ইন আবার ডিলিট না করে দেয় :(

৯. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আহহারে! ফোন নাম্বার টিস্যুতে রেখে আসা। পুরা বসুন্ধরা স্টাইল!!!

আপনে কামটা কি করলেন মিয়া!!
ফোন তো করবেই। এই আইরিশ মেয়েরা বসেই থাকে নির্জন রাতে তাদের কানে কারও কন্ঠ শুনতে। ২০ ইউরো ভরে ফ্রি তো আছেই, চিন্তা কি। সারছে ! আপনার কানের পোকা খুলবে এখন থেকে।

সায়মা, আমি দুঃখিত বোনটি।
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: আইরিশরা কানের পোকা আসলেই বের করতে পারে। এরা মাঝে মাঝে র‌্যানডমলী কল দেয় :) খোদাই জানে কেন এরা এত নিঃসঙ্গ!

১০. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৫৬
comment by: দূরন্ত বলেছেন: ভালো লাগলো।
এখানেও ওই সুযোগ আছে। কিন্তু হলে গিয়ে মুভি দেখার সময় নাই।
কম্পিউটারেই দেখিনা।

আর কি কি করলেন ঠিকঠাক জানিয়েন কিন্তু...... :)
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:০৯

লেখক বলেছেন: হ্যা। সিনেওয়ার্ল্ডের এটাই ভালো দিক। একবার মেম্বার হলে যেকোন এলাকা থেকে দেখা যাবে।

ডলবী সাউন্ডের অনুভুতিটা ঠিক কম্পিউটারে আসে না।

১১. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৫৮
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আমার মাসে একটাও দেখা পড়ে না :(
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:১০

লেখক বলেছেন: ওহহ! তাহলে আপনার জন্য এই জিনিস না, যদি না নেশায় পরিনত হয়।

১২. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:০২
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: বিবো নামের চীজটা দেখেছেন?
ও আল্লাহ। ওখানে আস্তানা গাড়লে দেখতেন এদেশের টীনএজার কী হচ্ছে।
এদের দেকে আমার দুঃখ হয়। আমরা কি কৈশোর কাটিয়েছি আর ওরা কি কাটাচ্ছে। এরা আসলেই নিঃসঙ্গ। এদের আশে পাশে অনেকেই থাকে। কিন্তু তারপরও ওরা নতুন কিছু খুজে ভেরাইটির জন্য। এবং সারাজীবনেও একটা ভাল বন্ধু পায় না সহজে।

আপনি যেকোন আইরিশ মেয়েকে জিগ্গেস করেন তার বন্ধু কয়টা? উত্তর হবে, একটা, তার বয়ফ্রেন্ড। বড় ধরনের সমস্যা আছে সোসাইটি তে।
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:০৭

লেখক বলেছেন: ট্রিনিটির পুরো আন্ডারগ্র্যাডই বিবো-জেনারেশন। ওদের দেখে প্রথম একটু অন্যরকম লাগতো, এখন একটু থিতু হয়েছি! ফেইসবুকেও একই অবস্থা। প্রায় সবার একাউন্টই দেখা যায় যারা ট্রিনিটি নেটওয়ার্কে আছে। আমি মাঝে মাঝে প্রফাইলগুলো খুলে দেখি...!

১৩. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:০৫
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: রেনডমলি কল দেয়, কারন কল ফ্রি। ওটু টু ওটু, মেটিয়র টু মেটিওর, ভোডাফোন টু ভোডাফোন ফ্রি যদি মাসে ২০ টাকা টপআপ করেন :)
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:১১

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? আমার ২ ইউরোও টপ আপ করা পড়ে না মাসে :( কিন্তু ভিওআইপিতে মাসে ৫০ ইউরো খরচ হয় দেশে ফোন করে... ইশ... দেশের কল যদি ফ্রি হতো :)

১৪. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:১২
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: দেশের কলে সাশ্রয় চান?
রন্টির সাথে যোগাযোগ করুন।

আপনার আইডি দেন। এড করি।
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:১৪

লেখক বলেছেন: notredamean এট জি-মেইল।

১৫. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:১৬
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আপনি অফলাইন নাকি?
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন: কাল রাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। আজ কথা হবে।

১৬. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:০৪
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: রন্টি ঘটক কত কথা বলে রে!

নিয়াজ, বর্ণনা দীঘল তবুও ঝোলেনি।
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। আগামী পর্বে প্রধানত সিনেমার গল্প থাকবে, তবে স্ক্রিনের সামনে - পেছনের দুজায়গারই বর্ননা আসবে :)

১৭. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:২০
comment by: চৌধুরী ইশতিয়াক সাদমানী বলেছেন:
@ নিয়াজ ভাই কেমন আছেন??

অনেক দিন পর একটা বড় লিখা দিলেন। পড়ে খুব মজা পেলাম।

ভালো মুভিগুলোর লিস্ট দিয়েন, আর মুভি দেখার কাহিনী তারাতাড়ি পোস্ট করেন।
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: আমি মোটামোটি ভালই আছি। আপনি কেমন আছেন?

কাল রাতে আশা করছি ২য় পর্ব দিতে পারবো। সেখানে মুভির বর্ননার সাথে সাথে মুভি দেখার গল্পও থাকবে। :)

১৮. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১৯
comment by: চৌধুরী ইশতিয়াক সাদমানী বলেছেন:
আমি ভাই ভালো নাই। অফিসে কাজের খুব চাপ, মাথা খারাপ অবস্তা।
অফিস - বাসা - অফিস, এই নিয়ে আছি। খাওয়া ও হচ্ছেনা ঠিক মতো। শুকিয়ে একদম দুবলা হয়ে গেছি। কিছু টনিক পাঠান বস্, দেখি কোন কাজ হয় কিনা ???
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: টনিক? ;)

১৯. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৩
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: তাজীনআপু আমার পিছে লাগছে :(
দাড়াও দৌড়ান দিতেছি...
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে ঘটক কেন ডাকলো? ;)

২০. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৩
comment by: আরিফ থেকে আনা বলেছেন: আপনার সিনেমা দেখার কাহিনী নিয়ে কি ধরনের পোস্ট আসতে পারে তা আন্দাজ করতে পারছি মনে হয়। ভয় নেই, সামহোয়ারইন যদি ডিলিট করে তবে আমরণ অনশন করব ;)
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: আসলে গল্প রীতিমত এক টিকেটে দুই ছবি দেখার মত ;) . সেটাই ভয় পাচ্ছি।

২১. ৩১ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:১৫
comment by: মানবী বলেছেন: অনেক সাধনা আর প্রচেষ্টার পর বহুপ্রতীক্ষিত ২০ ইউরো'র আনলিমিটেড শো'র টিকেটটি সেদিন শেষ পর্যন্ত পেয়েছেন জেনে ভালো লাগলো!

পোস্টটি ভালো লেগেছে পড়ে, ধন্যবাদ নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী।
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা।

২২. ৩১ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:২৮
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনে ৪-৫ টা সিরিজ শুরু করে ঝুলায়া রাখসেন।
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: ১১টা লেখা ড্রাফট আকারে আছে :( । পুরো শেষ হয়নি। আমার নিজের কাছেই সব এলোমেলো লাগছে। তবুও চেষ্টা করছি যাতে একটা একটা করে শেষ করে পোস্ট করতে পারি।

২৩. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৬
comment by: সাইফ সামির বলেছেন:

পড়ে ভালো লাগলো। সুন্দর প্রকাশ ভঙ্গি।
০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইলো।

 



 


আমি নিয়াজ, একজন খুব সাধারন মানুষ যার রয়েছে অসাধারন কিছু রঙ্গিন স্বপ্ন। আমি গর্ববোধ করি আমার বাঙালী এবং বাংলাদেশী পরিচয়ে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৩০৮০৯