আমার প্রিয় পোস্ট
- রাজাকার সহজ চেনার উপায়: শিবির কাহিনী - নোমান মীর
- একদিন বুঝবে (উৎসর্গ মহাকবি মাইকেল মেহেদী) - হাসান বিপুল
- মাছের কাটলেট - জরিণা
- সব ব্লগারের ইমেল এড্রেস সংকলন , আপডেটেড - তারকে
- কাঙাল, আলেয়ার সন্ধানে - নীল নিঃসঙ্গতা
- বাবা (বাবা'র স্মরণে) - কালপুরুষ
- আরও একটি ভদ্রগোছের এ্যাডাল্ট জোক ১৮+ - বহুরূপী মহাজন
- হে কবরবাসীরা,তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক - ফারহান দাউদ
- মানুষের মহারাজা,তোমাকে অভিবাদন - ফারহান দাউদ
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে প্রিয় ব্লগার আরিফুর রহমানের পোস্টে আমার কমেন্ট। - হ্যারি সেলডন
- একজন মুমূর্ষ রোগীকে বাচাতে এগিয়ে আসুন। - মাহিরাহি
.... তবুও আমি স্বপ্ন দেখি ... (স্বপ্ন, বাস্তব এবং ব্লগের সর্বস্বত্ব ব্লগার কতৃক সংরক্ষিত)

নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ভ্রমন ২০০৮ (১ম পর্ব)
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৩৮
২য় পর্ব - Click This Link
৩য় পর্ব - Click This Link
৪র্থ পর্ব - Click This Link
৫ম পর্ব - Click This Link
ইউনিভার্সিটি অব অলস্টারের মিগি ক্যাম্পাসের স্টুডেন্ট ভিলেজে বসে লিখছি। চারদিক নিরব, যেন আমি একাই জেগে আছি। মাঝে মাঝে দরজায় কেমন যেন একটা খট খট শব্দ হচ্ছে। সেটাই প্রধানত জানিয়ে দিচ্ছে লোকালয়ে আছি এখনও, না হলে শ্মশান বলে ভ্রম হতো; এত নিরব।
সকালে ঘুম থেকে উঠে আকাশের রুপ দেখে ভীত হয়ে পড়েছিলাম। বৃষ্টিতো ছিলই, সাথে ছিল কুয়াশা ভরা কেমন যেন দমবন্ধ করা গুমট একটা পরিবেশ। দ্রুত শাওয়ার নিয়ে ডাইনিং-এ গিয়ে দেখি খাওয়ার মত তেমন কিছু নেই। কাল রাতে শখ করে ফ্রাইড চিকেন বানিয়ে ছিলাম। ওভেনে দিয়ে ফারহানের সাথে গুগলে গল্প করতে করতে ভুলেই গিয়েছিলাম। ফলাফল অর্ধেকই পুড়েছে। রাতে ভালো কয়েকটুকরা খেয়েছিলাম, কিন্তু সকালের নাস্তার জন্য রাখাগুলো মুখে দিয়ে দেখলাম খাবার অবস্থা নেই। বাসায় পাউরুটিও নেই। মেজাজটা ততক্ষনে খারাপ হতে শুরু হয়েছে। দিনের শুরুটা সব সময় আমার কাছে গুরুত্বপূর্ন। শুরু ভালো না হলে পুরো দিনই আমার খারাপ যায়। তার উপর আজকে ভিসা ছাড়া ইউ.কে. ঢুকবো। রীতিমত আল্লাহ-খোদাকে ডাকছি, এরকম সময় যদি এমন বেখাপ্পা অবস্থা দিয়ে দিন শুরু হয়, তাহলে পরবর্তিতে ভাগ্যে কি লেখা আছে সেটা অবচেতন মন বিভিন্ন কুভাবনা দিয়ে তৈরী করে নিতে সময় নেয় না।
যাইহোক, কর্নফ্ল্যাক্স দিয়ে দুইগ্লাস দুধ আর আধপোড়া একটুকরা ফ্রাইড চিকেন খেয়ে যখন বের হয়েছি ঘড়িতে তখন প্রায় দশটা। দ্রুত বাসের জন্য গিয়ে দাড়ালাম। মনেমনে হিসেব করছি সাড়ে এগারোটার বেলফাস্টের ট্রেনটা ধরতে হবে। সময় খুব কম, কিন্তু কাজ বাকি অনেক। ইউরোকে পাউন্ড করতে হবে, পাসপোর্ট-ইনভাইটেশন লেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ রুমের ড্রয়ার থেকে নিতে হবে, লাঞ্চ করতে হবে এবং সব শেষে কননি স্টেশন পর্যন্ত যেতে হবে। সব কিছু কেমন যেন এলোমেলো লাগছিল। বারবারই মনে হচ্ছিল অবধারিত ভাবে কপালে লেখা আছে একটা শব্দ - ট্রেন মিস।
ট্রিনিটিতে ঢুকে পাসপোর্ট সহ অন্যান্য কাগজপত্র গুছিয়ে নিয়ে বের হবার আগে আমার গ্রুপমেট মার্ককে জিজ্ঞেস করতে গেলাম বেলফাস্টে মানি এক্সচেঞ্জার কোথায় আছে। হায় কপাল! মার্ক যেই শুনলো আমি নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড যাচ্ছি, তার স্বভাবসুলভ লেকচার শুরু করলো। প্রথম প্রশ্ন ট্রেনের টিকেট কেটেছি কি না? জবাব দিলাম - না। শুনে তাকে বেশ পুলকিত দেখালো। অনেক সময় নিয়ে ওয়েব ঘেটে ডবলিন-বেলফাস্ট-ডেরীর কানেক্টিং ট্রেনের একটা ছক দাড় করিয়ে ফেললো। তারপর পকেট থেকে সেক্সি তরুনী মেয়েদের থেকেও রুপবতী আই-ফোনটা বের করে ভাড়া হিসেব করতে বসলো। আমি গোবেচারার মত দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখতে লাগলাম মার্কের কীর্তি। এক সময় সে ভাড়ার সমস্যা সমাধান করে মন দিলো ভিসার দিকে। আমার আত্মা আবার খাঁচা শুন্য হবার দশা হলো। বললাম আমার কাছে ব্রিটিশ ভিসা নেই। সময় ছিলনা নেয়ার, তাই নেইনি। শুনে মার্ক হাসলো। জানালো নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড যাবার পথে কোন সমস্যা নেই তবে মাঝে মাঝে আসার পথে চেক করে। যেহেতু আমার আইরিশ ভিসা আছে, অতএব সেটাও সমস্যা নয়। বুক থেকে একটা পাথর নেমে গেলো। মার্কের কথাকে আমি সব সময় খুব মূল্য দেই। আজ পর্যন্ত মার্কের বলা কোন কথা ভুল হয়নি। সব শেষে আসলো মানি এক্সচেঞ্জারের বিষয়। শুনে মার্ক হেসে ফেললো। বললো, নর্দার্নে যে কোন এটিম মেশিনে আমার এটিএম কার্ড ভরে অনায়েসে আমি পাউন্ড তুলতে পারবো। নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের এই এক সুবিধা, এখানে ইউরো পাউন্ড দুটাই চলে। আসলে ইউকে এবং আয়ারল্যান্ড - দুটার মিলিত রুম এই দেশটি।
যাইহোক, মার্কের লেকচারটা একটু বড়ই হয়ে গিয়েছিল; ফলে সাড়ে এগারোটার ট্রেন ধরার সম্ভাবনা শুণ্যের কোঠায় পৌছালো। এদিকে নর্দার্নে প্রচন্ড বর্ষার কারনে বন্যা হয়েছে, ফলে ট্রেনের টাইম টেবল এলোমেলো হয়ে গিয়েছে। আমিও ভাবলাম দেরী যখন হয়েছে তখন আরেকটু হোক। খেয়ে নিয়ে তার পর আস্তে ধীরে দেড়টার ট্রেন ধরাই সমীচিন মনে করলাম।
লাঞ্চের পর টেক্সি নিয়ে চলে গেলাম কননি স্টেশনে যেখান থেকে ডাবলিন-বেলফাস্টের এক্সপ্রেস ট্রেন ছাড়ে। একদম ডেরী পর্যন্ত রিটার্ন টিকেট কেটে তারপর প্লাটফর্মে অপেক্ষা করতে লাগলাম। তাকিয়ে দেখছিলাম মানুষগুলোকে। কত মানুষ কত প্রান্ত থেকে আসছে, যাচ্ছে, ছুটছে। কাজের জন্য, জীবিকার জন্য, পেটের জন্য সবাইকে ছুটতে হয়। নাকি জীবনই মানুষকে প্রতিনিয়ত ছোটায়? যেন আমাদের সবার সামনে একটা মুলা ঝুলিয়ে দিয়েছে জীবন। তারপর বাকি কাজটা আমরাই করি। নিরন্তর সেই মুলাটাকে ধরার চেষ্টা করি এবং অতঃপর ছোটা আর ছোটা। ধ্যাৎ! এই এক সমস্যা - ট্রেন স্টেশনে গেলেই কেন যেন আমার মনটা দার্শনিক হয়ে যায়। জীবনের বয়ে চলা দেখতে দেখতে জীবনকে নিয়ে কাটাছেড়া শুরু করে।
তবে কাটাছেড়া বেশি সময় চালাতে পারলাম না। ট্রেনে ওঠার ডাক আসলো। ফ্রি সিটিং - অতএব গিয়ে বসলাম বেশ আরাম করে চারটা সিট নিয়ে। বসার স্টাইলেই বুঝিয়ে দিচ্ছিলাম অন্তত পাশের সিটে কাউকে বসতে দিতে নারাজ আমি। ট্রেন প্রায় ফাকাই যাচ্ছে। ফলে সবাই মোটামোটি আমার মত অবস্থায় বসে আছে। আরাম করে বসে, ল্যাপটপটা বের করে সামনের টেবিলে রেখে চালিয়ে দিলাম। তারপর "খোদা জানে" গানটা শুনতে শুনতে ভাবছিলাম ভিসা ছাড়া ইউকে ঢুকতে যাচ্ছি, খোদাই জানেন কি আছে কপালে!
বাস্তবে দেখা গেলো কপালে তেমন কোন ফাড়া ছিল না। মার্কের কথাই সত্য। ইমিগ্রেশনতো দূরে থাক, বুঝতেই পারিনি কোন সময় রিপাবলিক থেকে নর্দার্নে ঢুকে পড়লাম। হঠাৎ ভোডা ফোন থেকে এস.এম.এস এসে জানিয়ে দিল আমার রোমিং অপশন অন হয়েছে কারন আমি আন্তর্জাতিক বর্ডার অতিক্রম করে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেছি। সাথে সাথে বাহিরে তাকালাম। আর তখনই বুঝতে পারলাম আসলেই আমি রিপাবলিক ছেড়ে এসেছি। দুই আয়ারল্যান্ডের চেহারার মাঝে একটা অদ্ভুত পার্থক্য আছে। যে কেউ দেখলেই সেটা ধরতে পারবে। রিপাবলিকের বাড়ির রংগুলো ক্রিম, ব্রাউন অথবা ইয়েলিশ। আর নর্দার্নের প্রায় সব বাড়ি লাল ইটের। হঠাৎ করে যেন রঙের এই বিশেষ পরিবর্তনটা তিব্র ভাবে চোখে লাগে।
তবে রঙের বৈষম্য ছাড়া আর সব এক। পরিবেশ, প্রকৃতি, পাহাড়, পশু-পাখি - সব এক। আয়ারল্যান্ডকে যত দেখছি তত ভালো লাগছে। প্রকৃতি এত সুন্দর যে লিখে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। পুরো দেশটাই পাহাড়ের ঢালে ঢালে সাজানো। উন্মুক্ত পাহাড়ে চড়ে বেড়াচ্ছে ঘোড়া, গরু আর মেষ। সবুজ আর সবুজ চার দিকে। অদ্ভুত সুন্দর প্রকৃতি। ট্রেন চলছে কখনও পাহাড়ের গা ঘেসে, কখনও পাহাড়ের মাঝ দিয়ে। দুদিকে পাহাড়, মাঝে সরু রাস্তা। মাঝে মাঝে মনে হয় যেন পাহাড়ের সাথে এখনই বাড়ি লেগে যাবে। কয়েকবার গুল্ম লতার মত কিছু পাতা ট্রেনের জানালায় এসে বাড়িও দিয়ে গেলো।
বেলফাস্টে ট্রেন থেকে নেমেই আবার কানেক্টিং ট্রেন ধরলাম ডেরীরর উদ্দেশ্যে। যতই ডেরীরর দিকে এগিয়ে যেতে লাগলাম ততই দেখছিলাম পাহাড়গুলো যেন অনেক শক্ত হয়ে আসছে। এক সময় একটা এলাকায় আসলাম যার নাম ক্যাসেল-রক। এই এলাকার সব পাহাড় রক দিয়ে তৈরী। পাহাড়ের রক খসে পড়ে যেন মানুষের বাড়ি-ঘর ধ্বংস না করে, সে জন্য পাহাড়কে লোহার জাল দিয়ে মুড়ে রেখেছে। সেই পাহাড়ের নীচ ফুটো করে সুড়ঙ্গ তৈরী করে ট্রেন চলার পথ করা হয়েছে। অন্ধকার একেকটা সুড়ঙ্গে ট্রেন ঢুকছিল আর অদ্ভুত অনুভুতি হচ্ছিল আমার মনে। গায়ে যেন কাঁটা দিয়ে যাচ্ছিল। ভয়ঙ্কর সুন্দর দেখার আনন্দও ভয়ঙ্কর। হঠাৎ দেখলাম চমৎকার সব ঝরনা সুউচ্চ পাহাড়ের খাঁজ বেয়ে নেমে আসছে মাটির দিকে। মুগ্ধতা আর বিস্ময় নিয়ে আমি অপরুপা আয়ারল্যান্ডের রুপকে দুচোখ ভরে দেখছিলাম। এ দ্বীপ দেশদুটো যে কি ভয়াবহ সুন্দর, নিজ চোখে না দেখলে বলে বোঝানো সম্ভব নয়।
ডেরী পৌছাতে পৌছাতে প্রায় ছয়টা। সামার স্কুলের প্রথম দিন মিস হয়ে গেলো। একটু মন খারাপ লাগছিল, তবে অলস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের চমৎকার ক্যাম্পাস আর তার থেকেও চমৎকার তাদের মানুষের ব্যবহারে সেটা দূর হয়ে যেতে সময় লাগেনি। কাছের একটা এটিএম থেকে পাউন্ড তুলে এনেছি। মার্কের কথাই সত্য। কোন সমস্যা ছাড়াই আমার এটিএম কার্ড দিয়ে পাউন্ড তুলতে পেরেছি। নিকটস্থ একটা ম্যাকডোনাল্ডস থেকে রাতের খাবার খেয়ে এখন চমৎকার স্টুডেন্ট ভিলেজের রুমে বসে নেট ব্রাউজ করছি। মন্দ কাটছে না সময়টা। অন্তত নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের প্রথম দিন বেশ ভালোই কেটেছে। দেখা যাক অনাগত দিনগুলো কেমন কাটে!
১৮ অগাস্ট ২০০৮
ডেরী, নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য।
দ্রষ্টব্য: উপরের ছবিটায় ক্যাসেলরকে স্নো-এর ভেতর দিয়ে সুড়ঙ্গ থেকে বের হয়ে আসা বেলফাস্ট-ডেরী ট্রেনকে দেখা যাচ্ছে। ছবিটা ফ্লিকার থেকে নেয়া। নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের আরো কিছু ছবি নিচের লিঙ্ক থেকে দেখা যাবে। আমার ক্যামেরায়ও তোলা হচ্ছে। ডাবলিন ফিরে তারপর আমার ফ্লিকারে আপ করবো। সবাইকে শুভেচ্ছা।
Click This Link
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প বিভাগে ।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
হুমম...পড়া স্টার্ট করছি লেখক বলেছেন: আজ রাতে আরেক পর্ব পোস্ট করবো।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
কঠিন খোজ খবর নিয়ে না আসলে আপনাকে ডাবলিনে ঢুকতে দেয়া হবে না। সিটি সেন্টারে মার্কসম্যান হাজির রাখা হবে লেখক বলেছেন:
শুধু খোঁজই না, আশা করি পুরো নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে একটা ট্রিপ দিয়ে সব জেনে আসতে পারবো। এখনও নিশ্চিত না, দেখা যাক। তবে ক্রসবর্ডার খোঁজ সব ইতিমধ্যে নেয়া হয়েছে। এখন ভেরিফিকেশন পর্বে আছি!
লেখক বলেছেন: হুমমমম! মুখে দিয়ে দেখি দাত ভেঙ্গে যাবার দশা।
আচ্ছা, তুমিতো সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, তুমি ভালো বলতে পারবে। পাহাড়ের নিচ দিয়ে ফুটা করে সুড়ঙ্ক বানায় কি করে? পাহাড় ধসে পড়ার চান্স থাকে না?
মানবী বলেছেন:
ওভেনে ফ্রাইড চিকেন!!! "মুগ্ধতা আর বিস্ময় নিয়ে আমি অপরুপা আয়ারল্যান্ডের রুপকে দুচোখ ভরে দেখছিলাম।"
- এটা কোন আয়ারল্যান্ড সম্পর্কে বলা তা বুঝতে পারিনি, কারন সেসময় ট্রেন যুক্তরাজ্যের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলো মনে হয়েছে।
ভ্রমনের সুন্দর বর্ণনা পড়ে ভালো লেগেছে, ধন্যবাদ নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী।
লেখক বলেছেন: আসলে ফ্রোজেন ছিল। ওভেনে ৩০ মিনিট বেক করতে বলা হয়েছিল।
যদিও এই মন্তব্য নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডকে নিয়ে করা, তবে এটা দুই আয়ারল্যান্ডের জন্যই খাটে। গতবছর নাকি রিপাবলিকের কর্ক ইউরোপের সেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল, তবে শোনা কথা। তথ্য সূত্র জানি না।
নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের এই দিকের বিশেষত্ব হলো কঠিন শিলা যা আরো বেশি সুন্দর। রিপাবলিকের ঐদিকের পাহাড় আবার অনেক বেশি সবুজ। মোট কথা দুটাই খুবই চমৎকার।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
অদ্ভুত ভালবাসা বলেছেন:
আপনার বর্ণনা পড়ে আমার এখনি চলে আসতে ইচ্ছা করছে। আপনার ছুটি আনন্দে কাটুক।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। চলে আসুন, আমরা সা.ইন-এর ব্লগাররা পরিকল্পনা করছি নর্দার্নে এক হবার। আপনিও আমাদের সাথে যোগ দিন।
অলিক স্বপ্ন বলেছেন:
আগে কথা হল নিরন্তর এর বাকি অংশ কই??................................
লেখক বলেছেন: এবার ফিরে গিয়ে মাস্ট শেষ করবো। ![]()
অলিক স্বপ্ন বলেছেন:
কবে যাব সেই চিন্তা উকিঝুকি দিচ্ছে....................।
লেখক বলেছেন: আপনিও এদিকে আসছেন নাকি? তাহলেতো বেশ হবে। এখন দুই আয়ারল্যান্ডেই অনেক বাংলাদেশী আছে।
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
কয়দিন থাকবেন? ডায়রি মজাদার হয়েছে, বলার অপেক্ষা রাখেনা।
লেখক বলেছেন: ২২ তারিখ পর্যন্ত থাকবো। আজ এবং কাল কনফারেন্স চলবে, পরশু বের হবো পুরো নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ঘুরতে। পিচ্চি দেশ, মাত্র ছয়টা কাউন্টি। একদিনে নাকি পুরো দেশ ঘুরিয়ে দেখাবে! ![]()
লেখক বলেছেন: "বিল্ডিং ধ্বসে পড়া আজকাল বাংলাদেশের মত নিয়ন না মানা দেশে একচেটিয়া হয়ে গেছে,বাকি কোথাও পড়তে দেখিনা।" -- এটা বেশ বলেছো।
কাল ইনশাল্লাহ বের হবো ভ্রমনে। আসা করি সব ছবি তুলে আসনে পারবো। সুযোগ হলে সুড়ঙ্গটারও ছবি নিয়ে আসবো।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা করি আগামী কাল আরেকটা ভ্রমন সংক্রান্ত পর্ব লিখতে পারবো। পড়ার আমন্ত্রন রইলো।
অ রণ্য বলেছেন:
আপনার লেখার হাতটা সত্যিই চমৎকার কিংবাওটা বললে কম বলা হবে
আমি মুগ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে থাকি রাইনের পর লাইন
খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে এগিয়ে চলে আপনার লেখা
যেনবা সবুজ প্রান্তরের ভেতরে দিয়ে মধ্যম গতিতে এগিয়ে চলা ট্রেন
অনেক অনেক ধ্যনবাদ
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনাদের অনুপ্রেরনা পেয়ে আরো আরো লিখতে ইচ্ছে করে।
মেইলবক্সটা খুব একটা খোলা হচ্ছে না। তাই আপাতত ওখান থেকে বিরতীতে আছি। ডাবলিন গিয়ে রিপ্লাই দেব।
শুভেচ্ছা রইলো।

















