.... তবুও আমি স্বপ্ন দেখি ... (স্বপ্ন, বাস্তব এবং ব্লগের সর্বস্বত্ব ব্লগার কতৃক সংরক্ষিত)

নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ভ্রমন ২০০৮ (২য় পর্ব)

২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

১ম পর্ব - Click This Link
৩য় পর্ব - Click This Link
৪র্থ পর্ব - Click This Link
৫ম পর্ব - Click This Link

আজ সকাল থেকে দিনটা ব্যস্ত যাচ্ছে। ভোরে ঘুম থেকে উঠে শাওয়ার নিয়েই দৌড় দিলাম অলস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের দিকে। সকালে একটা লেকচার ছিল, তার পর শুরু হলো পেপার প্রেজেন্টেশন। এক ফঁকে ব্রেকফাস্ট করে কফির কাপটা নিয়ে হুড়মুড় করে আবার ঢুকলাম লেকচার থিয়েটারে যেখানে প্রেজেন্টেশনগুলো হচ্ছিল। আমাদের মত নান্নি-মুন্নি বাচ্চারা তাদের পেপার প্রেজেন্ট করছিল আর বড় বড় চুলপেকে যাওয়া প্রফেসাররা সেটা দেখছিল আর হাসছিল। হাসার ধরনটা অনেকটা এমন - "এসব কি কাজ করেছো তোমরা? কিছুইতো হয়নি!"

কিছু প্রফেসার ছিল যাদের মূল উদ্দেশ্যই ছিল প্রত্যেককে ত্যাড়া টাইপের প্রশ্ন করা। আমি কিছুসময় লক্ষ্য করে তাদের প্রশ্নের একটা প্যাটার্ন বের করলাম। প্রধানত তারা কোন পেপারের সাথে সম্পর্কযুক্ত কোন বিশেষ তত্ত্বকে (যেটা সেই পেপারে আদৌ ব্যবহার করা হয়নি!) রেফারেন্স হিসেবে ধরে এবং সেটার উপর ভিত্তি করে প্রশ্নগুলো করছিল। ফলে দেখা যাচ্ছিল উত্তরদাতার জন্য সেটা বেশ কঠিন এবং ক্ষেত্রবিশেষে বিব্রককর অবস্থার সৃষ্টি করছিল। এটা ঠিক যে তারা অনেক দক্ষ এবং অভিজ্ঞ। আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সকে তারা ইতিমধ্যে গুলে খেয়ে এসেছে। কিন্তু যে ছাত্ররা পেপার প্রেজেন্ট করছিল, তারাতো নিতান্তই নুতন। অনেকেই পি.এইচ.ডির প্রথম বর্ষের ছাত্র। অতএব তাদের জন্য সব তত্ত্ব না জানাটাই স্বাভাবিক। তবুও প্রফেসারদের ভাব এমন যেন - "এটাও জান না?" বলাইবাহুল্য, যে যত আটকাতে পারছিল তার কৃতিত্ব তত বেশি মনে করছিল।

একজন ছিল যে প্রতিটা প্রশ্ন শুরু করতো "আই থিং..." দিয়ে; তারপর চলতো দুইমিনিটের একটা লেকচার। উত্তরদাতাকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকতে হতো এবং সব শেষে প্রশ্নটা আসতো অনেকটা অবজেকটিভ টাইপ - ডু ইউ এগরী উইথ মী? যথারীতি তাকে থামানোই তখন সবার মূখ্য উদ্দেশ্য হয়ে দাড়াতো এবং সাথে সাথে এক বাক্যে এগরী করতে কেউ কার্পন্য করতো না। শেষের দিকে এসে দেখা গেলো কেউ আর তার প্রশ্ন শোনে না। কারন দুই মিনিটের লেকচারের পর মূল প্রশ্নটা কি হবে সেটা সবার জানা। অতএব শোনার দরকার কি!

তবে কখনএ কখনও বিষয়টা প্রফেসারদের মধ্যেও তর্ক সৃষ্টি করছিল। যেমন এক জাপানী ছেলেকে এক পর্তুগিজ প্রফেসার একটা ত্যাড়া প্রশ্ন করেছিল। প্রশ্নটা এরকম ছিল যে একটা বিশেষ থিউরীর রেফারেন্স দিয়ে (যথারীতি!) সে বলেছিল - আই ডোন্ট থিংক ইটস গোনা ওয়ার্ক এ্যাট অল। সেই থিউরীটা ছেলেটার পুরোই মাথার উপর দিয়ে গিয়েছিল এবং পাক্কা প্রায় দশ সেকেন্ড সে হা করে তাকিয়ে ছিল। একসময় দর্শকসারী থেকে তার সুপারভাইজার উত্তর দেয়া শুরু করলো। চুল-দাড়ি-গোফ পাকা জাপানী প্রফেসার আর তুলনামূলক মধ্যবয়সী পর্তুগিজ প্রফেসারের চরম বিতর্ক আমাদের মনে বেশ আনন্দের সঞ্চার করেছিল। মনেমনে যেন সবাই বলছিল - "এবার দ্যাখ কেমন লাগে!" :)

দুপুরে লাঞ্চে গিয়ে বললাম চিকেন দিতে। হায় খোদা, চিকেন বলতে যে চিকেনই বোঝাবে সেটা কে জানতো! প্রায় আস্ত একটা চিকেন ধরিয়ে দিল। ছোট বাচ্চা মুরগী, তার উপর রান্না করেছে অমৃতের মত। মুখে দিলে গলে যাচ্ছিল। সাথে আমার মোস্ট ফেভারিট স্ম্যাশ পটাটো আর ফুলকপির একটা স্পেশাল আইরিশ কারি আছে, সে দুটো নিয়ে লাঞ্চে বসলাম। এক সময় দেখলাম আমি যুগযুগ ধরে খেয়েই যাচ্ছি, কিন্তু খাওয়া আর শেষ হয় না!

লাঞ্চ থেকে যখন বের হয়েছি তখন হাটাও রীতিমত কষ্টকর একটা কাজ হিসেবে অনুভুত হচ্ছিল। এদিকে রুমের ভাড়া এসেছে চার রাতের জন্য ১০০ পাউন্ড। কিন্তু এতটা আমার কাছে ক্যাশ নেই। অফিসের ভদ্রমহিলা যদিও বললো কোন সমস্যা নেই, যে কোন সময় আমি তাকে বিলটা দিলেই হলো; তবুও নিজের কাছে খারাপ লাগছিল। সবাই রেজিস্ট্রেশনের সময়ই পে করেছে, আর আমিতো উল্টা একদিন দেরী করে ফেলেছি কারন কাল যখন এসে পৌছাই ততক্ষনে অফিস বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাই বের হয়ে পড়লাম এটিএম থেকে পাউন্ড তোলার জন্য। সাথে টুকটাক কেনাকাটাও হলো। মিনারেল ওয়াটার, বিস্কিট এবং কিটক্যাট কিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে একবার ঢু দিয়ে সোজা স্টুডেন্ট ভিলেজে চলে এলাম।

এবার একটা বিব্রতকর ঘটনা শেয়ার করছি। আমি সাধারনত আমার রুমে থাকাকালিন গরমের কারনে কাপড় খুব একটা পরি না! তার উপর এই রুমটায় প্রচন্ড গরম। তাই স্বল্পতা যেন আরেকটু কমেছে। এখানে কেউ নক না করে ঢুকে না। অতএব, দরজা লক করারও তেমন কোন প্রয়োজন পড়েনা। কেনাকাটা করে এসে আমি মাত্র বিছানায় বসেছি। হঠাৎ এক জাপানীজ/চাইনিজ তরুনী সোজা দরজা খুলে আমর রুমে এসে ঢুকলো। কোন নক করা নেই, বা কোন রকম জড়তা ছাড়াই সে এসে ঢুকলো। আমি অবাক হবার পরিবর্তে একটু ভয়ই পেলাম। আমি নিজের রুমে আছিতো? সাথে সাথে দেখলাম টেবিলে আমার ল্যাপটপটা আছে। মনে সাহস আসলো, নাহ! এটা আমারই রুম। মেয়েটা কিছু সময় আমাকে দেখলো, তারপর চিৎকার এবং আর্তনাদের মিলিত একটা সুরে 'সরি' বলে লাফ দিয়ে বের হয়ে গেলো। আমিও এক লাফে গিয়ে দরজা লক করলাম। থ্যাঙ্ক গড....!

যাইহোক লেখার শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। ঘোরাঘুরি যেহেতু তেমন হচ্ছে না, তাই ভ্রমনের বর্ননাও আসছে না। কালও সারা দিন ব্যস্ত থাকবো ক্যাম্পাসে। প্ল্যান করা হয়েছে পরশু আমাদের পুরো নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ঘুরিয়ে দেখানো হবে। ছোট্ট দেশ এই নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড। মাত্র ছয়টা কাউন্টি। অনেকটা ছয়টা জেলার একটা বিভাগ! কিন্তু সেই ছয়টা কাউন্টি আবার আয়ারল্যান্ড দ্বীপের বৈচিত্রময় কাউন্টিগুলোর মধ্যে অন্যতম। দেখাযাক কেমন হয় সেই ঘোরাঘুরি।

এদিকে কি সব যেন সোসালস ইভেন্ট আছে আজ। একটু আগে দেখলাম সবাই দল বেধে ক্যাম্পাসের দিকে যাচ্ছে। আমি আবার সার্বজনীন অসামাজিক! সবাই যখন ক্যাম্পাসে মজা করছে, আমি তখন ব্লগ লিখছি! সত্যকথা বলতে কি, আমার এসব সো কল্ড পার্টি একদমই ভালো লাগে না। ঠিক আন্তরিকতার ছোঁয়াটা যেন পাই না ওখানে। যতটুকু সময় কাজ, আমি ঠিক ততটুকু সময় এদের সাথে থাকি। যখনই ড্রিংক করা এবং পার্টি শুরু হয়, আমি শামুকের মত আমার খোলসটার মাঝে ঢুকে পড়ি। আমার এই ছোট্ট খোলসের মাঝে যে পৃথিবীটা আছে, সেটা ওদের সোসালস-এর থেকে কোন অংশে কম আনন্দের নয়। আর সেজন্যই নিঃসঙ্গ থেকেও জীবনের প্রতিটা মূহুর্তকে আমি উপভোগ করছি প্রানভরে!

১৯ অগাস্ট ২০০৮
ডেরী, নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য।

 

 

  • ২৩ টি মন্তব্য
  • ২৮২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৮
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: নতুন একটা ভ্রমণ ধারাবাহিক শুরু হলো দেখি। আগের পর্ব সহ পড়ে দেখতে হবে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন: এটা স্বল্প সময়ের জন্য লেখা ধারাবাহিক :) নর্দার্নের ডায়েরীর মত করে লিখছি।

২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৩
comment by: জিহাদ বলেছেন: ভাল্লাগসে।

ডায়েরী টাইপ জিনিসপাতি বরাবরই আমার পড়তে খুব ভাল্লাগে।

কিপ ইট আপ বাডি।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা রইলো।

৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০২
comment by: আরিফ থেকে আনা বলেছেন: ভাল লাগল। শেয়ার করার জন্য থ্যাংকু :)
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।

৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৪৯
comment by: অক্ষর বলেছেন: কলেজেরট নামটা কি ভাই, 'মাগী কলেজ' Magee College লেখা যে!!!
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: ইংরেজী উচ্চারন মিগি। মার্থা মিগির নাম অনুসারে কলেজটা হয়েছিল। যদিও এখন আর কলেজটা নেই, তবে নামটা ব্যবহার করা হয় এখনও। এটা এখন ইউনিভার্সিটি অব অস্টারের মিগি ক্যাম্পাস।

৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: প্রফেসরগুলা একেকটা জিনিস।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: আসলেই। এবং সেটা সব দেশেই! কি যে মনে করে একেকজন নিজেদের :(

৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১২
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: আপনি না বললেন নর্দার্নে ব্লগার সম্মেলন করার চেষ্টা করবেন, কেম্নে সেটা?
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৩১

লেখক বলেছেন: চেষ্টা এখনও চালিয়ে যাচ্ছি। আসলে এখানে (নর্দার্নে) সম্মেলন করলে ইউকে এবং আয়ার‌ল্যান্ডের (রিপাবলিকের) সবাই এক হতে পারবে, কোন রকম ভিসা ছাড়াই। পরিচিত জনদের মধ্যে তাই আলোচনা চলছে। দেখা যাক কি হয়।

আপনি কতদিন জাপান আছেন? ইউকের দিকে আসার পরিকল্পনা আছে?

৭. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:১৭
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: তাজীন ঘটক কি আসবে নাকি সম্মেলনে?
আসো আসো। আমরা আছি...:)
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা কি? একজন আরেকজনকে ঘটক বলছেন কেন? :)

৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: রন্টি ঘটক যে সম্মেলনে আছে, আমার সেখানে ভাত নাই।

নিয়াজ, UK আসার একটা ইচ্ছা ছিল গতবছর। এরপরে টাকা খরচ করে ফেলেছি। ভবিষ্যতে চেষ্টা করব।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: তাহলে আগামী বছর আবার চেষ্টা করেন। ইনশাল্লাহ আমি ততদিনে আশা করছি লন্ডন সিফ্ট করতে পারবো।

৯. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:২১
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমি পিছে পড়ে গেছি
নর্দার্নের লোকদের মনোভাব কেমন ?
আয়ারল্যান্ডের সাথে যুক্ত হবার কি কোন ইচ্ছা আছে ওদের ?
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: কঠিন প্রশ্ন :) । ত্রিশ বছরের দ্যা ট্রাবলের পরও এই প্রশ্নের উত্তর আজও পাওয়া যায়নি। এক পক্ষ চাচ্ছে আবার আরেক পক্ষ বলছে এভাবেই ভালো। ব্রিটিশ-আইরিশ হিসেবে দুটা দিকের সুবিধাই পাওয়া যাচ্ছে। মন্দ কি!

বেলফাস্ট এগ্রিমেন্ট-এর পর বেশ কিছু সুবিধা দেয়া হয়েছে নর্দার্নের জনগনকে যার ভেতরে অন্যতম তারা চাইলে যেকোন রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব দাবী করতে পারবে অর্থাৎ যুক্তরাজ্য অথবা রিপাবলিক। ফুটবল ছাড়া অন্য সব খেলা যদিও দুই আয়ারল্যান্ড এক হয়ে খেলে, ফুটবলেও সুযোগ দেয়া হয়েছে যে, যেকোন দলে খেলতে পারবে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের খেলোয়াড়রা। মোটামোটি একটা বুঝ দিয়ে অবস্থা শান্ত করা হয়েছে। দেখার বিষয় এটা কত দিন থাকে।

এগ্রিমেন্টের বিস্তারিত এখানে রয়েছে ( http://en.wikipedia.org/wiki/Belfast_Agreement )। পড়ে দেখতে পারেন। আমি ওদের ইতিহাস নিয়ে একটা সিরিজ লেখার চেষ্টা করছি। আশা করি বছরের শেষের দিকে পোস্ট করতে পারবো।

শুভেচ্ছা রইলো।

১০. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০১
comment by: অ রণ্য বলেছেন: আপনাকে আমি ধীরে ধীরে পড়ি এবং প্রতিবার-ই আপনার গতিশীলতা আমাকে মুগ্ধ করে যারপরনাই !

এবারেও বিপরীত নই
তবে একটা কথা পড়বার বার বার মনে হচ্ছিল
কত সুন্দর জীবন যেন ?

আসলেই কি তাই ?


বাকিগুলোও পড়ব ধীরে ধীরে..
ভাল থাকুন, লেখায় থাকুন
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: আসলে জীবন জীবনের মত। কষ্টের মধ্যেও যদি উপভোগ করা যায় তাহলেই সুন্দর।

আবারও অসংখ্য ধন্যবাদ।

১১. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪১
comment by: দূরন্ত বলেছেন: খাবারের বর্ণনা দিয়া ক্ষিদা লাগিয়ে দেওয়ার জন্য মাইনাস। কবে যে অমন মুরগি খাবো....
চাইনিজের চিক্কর দেওয়ার ঘটনাটা বেশ মজার। পড়ে অনেকক্ষণ হাসলাম। ওরকম এক ঘটনা আমার নিজের দেখা।
১২. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪২
comment by: দূরন্ত বলেছেন: (পোস্টের মাইনাসটা অবশ্য আমার দেওয়া না। আপাতত প্লাস দিসি। পরে মাইনাসটা দিয়ে যাবো.... :) )
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: সেটা বলতে হবে না। মাইনাসটা আহলাদের মাইনাস, সেটা বুঝেছি। আর যিনি সত্যি সত্যি দিয়েছেন, তিনি হয়তো হিংসায় জ্বলেপুড়ে দিয়েছে... হা হা হা।

 



 


আমি নিয়াজ, একজন খুব সাধারন মানুষ যার রয়েছে অসাধারন কিছু রঙ্গিন স্বপ্ন। আমি গর্ববোধ করি আমার বাঙালী এবং বাংলাদেশী পরিচয়ে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৩০৮২৩