সরকার পলিথিনের মধ্যে রসগোল্লা রেখে রাজনৈতিক দলকে চুষতে দিয়েছে
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৭
বেশ কয়েক বছর আগের কথা। দেশের অত্যধিক জন্মহার নিয়ন্ত্রনে সরকার সারাদেশে কনডমের সহজলভ্যতা বাড়ানোর কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। মাঠ পর্যায়ের জনগেরে মাঝে তার প্রভাব কতটা পড়েছে তা জানতে কর্মসূচি চালুর কিছুদিন পর একটি বেসরকারি সংস্থা এ ব্যাপারে জরিপ করতে মাঠে নেমেছে। তো এক জরিপকারি পুরান ঢাকার এক মধ্য বয়স্ক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করলো, আচ্ছা চাচা, কনডম ব্যবহারের ব্যাপারে আপনার মত কি? আপনি কি মনে করেন জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য এটাই সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ পদ্ধতি?
ওই ব্যক্তির উত্তর:বাবা, পলিথিনের মধ্যে রসগোল্লা রেখে চুষলে কি আর মজা পাওন যায়। তাই আমি ওইডা ইউজ করি না। এমনেই ভালা আছি।
ঘরোয়া রাজনীতির উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে সরকারের দেওয়া ঘোষণার সঙ্গেও কোথায় যেন চাচার সেই কথার মিল খুজে পাওয়া যায়। কারণ সরকারের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা একদিকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেন। অন্যদিকে একই রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জারি করলো ১১ শর্তের এক প্রজ্ঞাপন। ঘরোয়া রাজনীতি চালুর ব্যাপারে সরকারের ১১ শর্তের মধ্যে রয়েছে কোনো রাজনৈতিক দলের সমাবেশে ৫০ জনের বেশি নেতা-কর্মী-সমর্থক উপস্থিত থাকে পারবেন না। মাইক ব্যবহার করা যাবে না। সামিয়ানা টাঙানো যাবে না। আর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে কেবল ঢাকাতেই ঘরোয়া রাজনীতি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এখন কথা হলো আট মাস পর নিষেধাজ্ঞা করায় রাজনৈতিক দলগুলো স্বাভাবিকভাবেই সভা-সমাবেশ করতে চাইবে।
সেক্ষেত্রে শর্ত দিয়ে বেধে রেখে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে পলিথিনে রসগোল্লা পেচিয়ে চুষতে দিলো বলে মনে হচ্ছে না।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নি বলেছেন:
Very nice analysis. You may read the writeup bellow mentined. Same analyis....Click This Link
সাইমুম বলেছেন:
শিরোনামের জন্য পাঁচ।
সুন্দর সমর বলেছেন:
যা কইছেন!!
কাল-পুরূষ বলেছেন:
জটিল
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
শিরোনাম ভালো হইসে । ৫
অসি বলেছেন:
পলিথিনে ফুটো করলে বাচ্চা হওয়ার ঝুকি থাকে। আট মাস পর যাও একটু সুযোগ পাওয়া গেছে তারপর রাজনৈতিক দলগুলো নিশ্চই আর বাচ্চা হওয়ার ঝুকি নেবে না। কি বলেন?
ফার্স্ট পেজ বলেছেন:
প্প্বসপ্প্বজ্জ প্প্বঙ্প্প্বপ্প্বেন্প্প্মপ্প্ব্যে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
এস্কিমো বলেছেন:
একটু ধৈর্য্য ধরাটা কি খুব সমস্যা হবে? তাড়াহুড়া কেন, কখনও দেখিনি কোন নেতা নেত্রী ছুটিতে যেতে...ঈদ, মিলাম এমন কি মৃত্যু দিবসগুলোতেও এরা কাজ করেছে। কয়েকটা মাস রেস্ট নিলে এদের ব্রেনের মেমোরি হয়তো ডিফ্রাগমেন্ট হয়ে কিছু চিন্তা করা জায়গা তৈরী হবে।
এস্কিমো বলেছেন:
মিলাম = মিলাদ
নিন্দুক বলেছেন:
চুরি কইরা এই দেশের সব রস নিঙরাইয়া খাইছে এতদিন, এখন না হয় খালি পলিথিন খাক।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















তথ্যগত ভুলের কারণে ।
৫০ জনের অধিক মানুষ থাকলে ৪৮ ঘন্টা আগে অনুমতি নিলেই চলবে।
আর এটা তো ঘরোয়া রাজনীতি বাইরের না।এখানে সামিয়ানা টানানোর দরকার কি ? মাইক ব্যবহার করার দরকার কি ?
আর সভা-সমাবেশ বলতে বুঝানো হইছে পল্টন আর মানিক মিয়া এভ্যুনিয়ুর সমাবেশ, ঐটা নিশ্চয় ঘরোয়া নয় ?
এখানে মূলত: নির্বাচনের জন্য যাতে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক করে সবার মতামত নিয়ে কমিশনের সাথে আলোচনা করা যায় সেই চিন্তাই করা হয়েছে।
এগুলো কোনোভাবেই এই সরকারের সাফাই না।
সত্যিকে ম্যানিপুলেট না করাই ভালো!
শেষ কথা সরকার পলিথিনে রসগোললা রাইখা না খালি পলিথিনই চুষতে দিছে।