আমার প্রিয় পোস্ট

গ্রামীণফোনে হচ্ছেটা কী?? কর্মী নিপীড়নের চিত্র-১

২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৮

শেয়ারঃ
0 1 0

লেখাটি আমার না, গ্রামীণফোনে কর্মরত নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মীর-----

গ্রামীণফোনে তিনমাসের মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার তৃতীয়বারের মতো কর্মীবিক্ষোভ হয়েছে। বরাবরের মতো এবারের ঘটনাটাও গণমাধ্যম এবং শ্রম-অধিকার নিয়ে যারা কথা বলেন, তাদের নজর এড়িয়ে যাবে, এমনটাই আশা (!) করছি। কেননা নিজের চোখে দেখা আজকের ঘটনাটা মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই বদলে গেল; অফিসিয়ালি আমাদেরকে যে ব্রিফ দেয়া হলো, তা প্রকৃত ঘটনার পুরো উল্টো।

অধস্তন কর্মীদের সাথে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চিরকালীন একটা বিরোধ আছে, কিন্তু গ্রামীণফোনের মতো প্রতিষ্ঠান যাদের কর্মী-ব্যবস্থাপনা তুলনামূলকভাবে শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত হচ্ছে, সেই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অধস্তন কর্মীদের হাতে লাঞ্জিত হবে, সেই ঘটনার প্রেক্ষাপট নিঃসন্দেহে অনুসন্ধানের দাবি রাখে। আমি নিজের চোখে দেখে এলাম, অধস্তন কর্মীরা ঊর্ধ্বতনদের পেটাচ্ছে। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেটা হয়ে গেল অধস্তন কর্মীদের মারামারি। এর আগের বার তো ঘটনা পুরোপুরি ধামাচাপা দেয়া হয়েছিল। আমি নিজেই তার সাক্ষী। ঘটনাচক্রে ওইদিন সন্ধ্যায় কয়েকটা মিডিয়া হাউজে যেতে হয়েছিল আমাকে, প্রত্যেক হাউজেই শুনলাম আপনাদের অমুক জিএম তমুক ডিরেক্টর আমাদের মতি ভাইকে, অমুক ভাইকে ফোন করে নিউজটা যেন না যায় সে অনুরোধ করেছেন। এবারের ঘটনাও কি সেই পরিণতিই নেবে??

কিন্তু কথা হল বার বার এ কর্মী অসন্তোষের কারণ কী? যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নের যে স্বপ্ন নিয়ে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে এসে ইকবাল কাদির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গ্রামীণফোন, সেই স্বপ্নীল একটি প্রতিষ্ঠানের আজ এই দশা কেন? কেন এই প্রতিষ্ঠানের অপর উদ্যোক্তা নোবেলবিজয়ী অধ্যাপক ইউনুস বার বার এই প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি-সহায়ক অংশীদার টেলিনরের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙের অভিযোগ আনছেন?

বিশদ অনুসন্ধানের আগে আজকের ঘটনাটি সম্পর্কে দুয়েকটি কথা বলা যাক। অর্থ উপার্জনের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও গ্রামীণফোনের কর্মীশোষণ বর্তমানে অত্যন্ত জঘন্য পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। শীর্ষস্থানীয় প্রায় সবকটি পদে রয়েছে ইউরোপীয়রা। মাঝে মাঝে তাদের আনা হয় বিশেষজ্ঞ হিসেবেও। এমনও নজীর আছে, মাত্র ৩ মাসের জন্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করে ৩০০ কোটি টাকা সম্মানী নিয়েছেন। নিচের সারিতে যে বাংলাদেশিরা কাজ করছেন, তাদের বৃহৎ একটি অংশ সবসময় যেকোনো উপায়ে টাকা উপার্জনের জন্য এই বিদেশিদের সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত। এবং এটা নিয়ে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি অত্যন্ত নোংরা। সম্প্রতি গ্রামীণফোনের শীর্ষ পর্যায় থেকে কয়েকজন হেভিওয়েট কর্মকর্তার পদচূ্তি তার একটি নজির।

বর্তমানে গ্রামীণফোনে অনিয়মিত(পার্ট-টাইম ও কন্ট্রাক্ট) কর্মী আছেন কয়েকশ। তাদের মাসিক বেতন ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। তবে পার্টটাইমার হলেও তাদের কাজ করতে হয় নিয়মিত কর্মীদের চেয়ে বেশি, ঘণ্টায় ১০০ টাকা হিসেবে সাধারণত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৯ ঘণ্টা কাজ তারা পান ৮০০ টাকা । ৯ ঘণ্টা কাজ করে ৮ ঘণ্টার বেতন কেন পান? এর ব্যাখ্যা হলো, এই কর্মীদের খাওয়া ও বাথরুম করাতে ১ ঘণ্টা অপচয় হয় বলে মনে করে গ্রামীণফোন। সাধারণত নিয়মিত কর্মীদের মতো সপ্তাহে ৫দিন অফিস করলেও তারা নিয়মিত কর্মীদের কোনো সুবিধাই পান না। ২০০৫ সালে গ্রামীণফোন তার পার্টটাইমার কর্মীদেরকে ঘণ্টায় ১০০ টাকা বেতন দিতো। ৩ বছর পরও ওই পার্টটাইমার ওই ১০০ টাকাই পাচ্ছে। যদিও এ তিন বছরে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৩ গুণ।

১০-১৫ হাজার টাকা হয়তো বাংলাদেশের অনেকের কাছেই অনেক বেতন মনে হতে পারে। কিন্তু এখানে মনে রাখা দরকার, গ্রামীণফোনের পার্টটাইমার কর্মীটিকে কিন্তু প্রতিদিন তার শার্ট ধুতে হয়, ইস্ত্রি করতে হয়, জুতায় কালি লাগাতে হয়, শেভ করতে হয়, শার্টে যেন ভাঁজ না পরে সে জন্য ভিড়ের বাস এড়িয়ে কম ভিড়ের যানবাহনে যাতায়াত করতে হয়, গায়ের গন্ধ আর চুলের পাট ঠিক রাখার জন্য নানাবিধ প্রসাধনী ব্যবহার করতে হয় এবং এই সবকিছু ঠিক রেখে ঠিক ৮টায় অফিসে আসতে হয়।

অনিয়মিত কর্মীদের সংখ্যাটা কয়েকশ না বলে কয়েক হাজার বলা যেত, যদি গত কয়েক মাসে ব্যাপক গণছাটাই না হতো। কর্মী অসন্তোষের প্রধান কারণ হচ্ছে ছাটাই। তিন বছর আগে গ্রাজুয়েশন করা যে ছেলে বা মেয়েটি গ্রামীণফোনে অনিয়মিত কর্মী হিসেবে যোগ দিয়েছিল, তারা আশা করেছিল একটি নির্দিষ্ট সময় পার করার পর গ্রামীণফোন তাদেরকে নিয়মিত কর্মী হিসেবে নিযুক্ত করবে। কিন্তু ৩ বছর পর অকস্মাৎ এই ছাটাই তাদেরকে ক্ষুব্ধ করেছে। অকস্মাৎ গ্রামীণফোনের এতো কর্মী ছাটাইয়ের কারণ কী? সহজ উত্তর থার্ড পার্টি। গ্রামীণফোনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রায় সবাই গ্রামীণফোনের সাথে আলাদা আলাদা ব্যবসায় জড়িত। কেউ গ্রামীণফোনে গাড়ি সরবরাহ করে, কেউ গ্রামীণফোনে নির্মাণ কাজ করে, কেউ গ্রামীণফোনের ছাপাখানার কাজ করে, কেউ সাইনবোর্ড লেখেন। ইত্যাদি ইত্যাদি। এরা প্রত্যেকেই গ্রামীণফোনের নিজস্ব কাজগুলো সম্পর্কে অত্যন্ত সম্যক জ্ঞান রাখেন। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, গ্রামীণফোনের কাস্টমার সার্ভিসে কল সেন্টার রাখবেন না। যেহেতু বাংলাদেশ সরকার বেসরকারি পর্যায়ে কল সেন্টারের লাইসেন্স দিয়েছে, তাই তারা এই লাইসেন্স নিয়েছেন এবং এখন তারা গ্রামীণফোনকে প্রস্তাব দিয়েছেন- কম খরচে তারা গ্রামীণফোনের কল সেন্টার পরিচালনা করবেন। অনিয়মিত কর্মীদের বলে দেয়া হয়েছে, তোমরা যদি ৬ হাজার টাকা বেতনে কল সেন্টারে চাকরি করতে চাও, তাহলে অমুক এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ কর। না হলে অন্য কোথায় নিজেদের ঠিকানা খুঁজে নাও। (পুরো ব্যাপারটি যে উপরের ঘটনার হুবুহু, তা নয়, তবে ঘটনাটা এই রকমই)

এই অবস্থায় কর্মীদের ক্ষুব্ধ হওয়াটা কী অযৌক্তিক?

অনিয়মিত কয়েকশ কর্মীর বাইরে গ্রামীণফোনের রয়েছে, নিজস্ব কিছু সহায়ক কর্মী। যেমন ড্রাইভার, নিরাপত্তা কর্মী ইত্যাদি। এই কর্মীদের বেতন গড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। সুযোগ-সুবিধা ক্রমাগত কমিয়ে দেওয়া এবং ছাটাইয়ের খড়গ পড়েছে তাদের ওপরও। আজকের ঘটনার নায়ক আসলে তারাই। থার্ড পার্টির ওপরে ক্রমাগত নির্ভরশীলতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারাও। এরই ধারাবাহিকতায় ইতোপূর্বে ২ দিন কর্মবিরতি দিয়ে তারা দাবি আদায়ের চেষ্টা করেছেন। আজ সকালে কাজে এসে যখন কিছু কর্মী দেখলেন, তাদের আর চাকরি নেই, স্বভাবতই তারা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। আর তারই রোষে পড়েন প্রশাসনের অংশ হিসেবে প্রতীকীভাবে চিহ্নিত কয়েকজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা। (চলবে)

 

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

৪. ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:৫৪
হাসিব মাহমুদ বলেছেন: কে কে মাইর খাইলো ? আম্গো ব্লগার কেউ আছে ?
৫. ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
আতাহার বলেছেন: গ্রামীণ ফোনের উর্ধ্বতন কোন কর্মকর্তা কোন বাণিজ্যে কিভাবে বা কি নামে জড়িত..সেটা পুর্ণাঙ্গ তথ্য পেলে অন্য মিডিয়ায় ব্যবহার করা যেত। সম্ভব হলে দিবেন।
আর তিন মাসে কোন্ তিন বিশেষজ্ঞ ৩০০ কোটি টাকা নিয়েছেন, নাম-ধাম বছর-মাসসহ তথ্য দিলে ভাল হয়।
৭. ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ১০:২২
েনােভল বলেছেন: ২টা দিন অপেক্ষা করুণ, সব তথ্যই পাবেন।
৮. ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ১০:৪৩
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ । পরের কিস্তির জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।
৯. ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ১০:৫১
অজানা পথিক বলেছেন: আমাগো রুবাবা ম্যাডামের কি খবর? তিনি আবার মাইর খান নাই তো?
১০. ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:০২
হাসান মইখল বলেছেন: কথা সত্য।শুধু গ্রামীন নয়, অন্য মোবাইল কোম্পানী গুলোর হাই অফিসিয়াল'রা থার্ড পার্টি ব্যাবসায় জড়িত।
চক্ষু-কর্ণ খুলে দেয়ার মত পোষ্ট।সাগ্রহে পেলাচ।
১১. ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:২৬
কর্মী বলেছেন: ভালো পোষ্টাইছেন। আরো জানতে চাই।
১২. ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:২৭
জেনারেল বলেছেন: কে কে মাইর খাইলো ? আম্গো ব্লগার কেউ আছে ?
১৩. ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
মোহিত বলেছেন: বিজ্ঞানী ইকবাল কাদীর এখন কোথায় আছেন? উনি এখন কি করেন??
১৫. ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন: বলেন কি???এই যদি হয় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ টেলিকম প্রতিষ্ঠানের অবস্থা...
১৬. ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৬
মিটমিট বলেছেন: এ বছর মে দিবসের স্লোগান ছিল- শ্রমিক-মালিক ভাই ভাই, উৎপাদন বৃদ্ধিই মূল লক্ষ্য। সাধারণ ভাবেই বোঝা যায়, এই সব স্লোগান তৈরি করে পুঁজিপতি শ্রেণী। গ্রামীণফোনের মতো ইউরোপীয় এবং বৃহৎ সংস্থায় (শুধু ইউরোপীয় না, সাধারণভাবে মনে করা হয়, ইউরোপ-সংশ্লিষ্টদের সবকিছুই সুসভ্য) বেতন-ভাতা, শ্রমিক-সুবিধা বেশি, কাজের পরিবেশ ভালো বলে মনে করা হয়। কিন্তু এই লেখা থেকেই মারাত্মক আয়-বৈষম্যের তথ্য পাওয়া যায়- ৩০০ কোটি এবং ১৫ হাজার। বিপুল সংখ্যক কর্মী ছাটাইয়ের তথ্য থেকে কর্মীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গীকে কোনোভাবেই শোষণ, নিপীড়ণমূলক এবং স্বার্থপর ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। এ থেকে আবারো স্পষ্ট হলো- শ্রমিক মালিক কখনোই ভাই ভাই না। পৃথিবী হতে পারে দুই রকমের- এক. যেখানে বৈষম্য এবং শোষণ নেই আরেক, যেখানে কাউকেই শোষণ না করে অন্যের বড় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেখানেই বৈষম্য আছে, তা তার পোশাকি রূপ যত সুদৃশ্যই হোক না কেন, সেখানেই এক দল আরেক দলকে নিপীড়ণ করছে বলে বুঝতে হবে। বৈষম্যই এখানে বর্বরতার নির্ণায়ক। গ্রামণীফোনের এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিৎ।
১৭. ২৭ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৪৯
দ্রগবা বলেছেন: শুইনা খুবই আশ্চ্যর্য্ হইলাম। জিপির এই অবস্হা?
১৯. ২৭ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৪৬
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: খালি গ্রামীনের কথাই কইলেন। অন্যগুলারও একই অবস্হা। এখন সবখানেই ছাটাই চলতেছে। মাথা খাটানোর সব কাজ বাইরে থেকে করায়ে আনে, নাইলে কোন বিদেশীরে হায়ার করে। আর আমাদের ইঞ্জিনিয়ার গ্রেজুয়েটরা মোটা বেতনের চাকরি পাইয়া গালভরা পদবীর কেরানির চাকরি নিতে দ্বিধা করে না।
আমার এক বন্ধু আছে বাংলালিংক এ। সেই প্রকৌশলীর দায়িত্ব হইল সুইচ রুমে বইসা ভয়েস কল আর এসএমএস এর হিসাব টুইকা রাখা। আর কোন মেশিন ডাউন হইলে ভেন্ডররে ফোন কইরা জানানো। আর কি কমু - মেধার কি ব্যবহার!!!
২১. ২৭ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৪
েনােভল বলেছেন: Click This Link

২য় কিস্তি পড়তে এখানে ক্লিক করুন
২৩. ২৮ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৮
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: আমি নিজে তিন বছর গ্রামীনফোনে ছিলাম। গ্রামীনফোনের কোয়ালিটির ব্যাপারে বলতে হলে আমিও বলব যে কোয়ালিটি অনেক কমে গেছে কারন হলো ধরে ধরে মেধা যাচাই না করেই অমুক প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি তমুক ইউনিভার্সিটি থেকে পোলাপান এনে কর্মী সংখ্যা বাড়ানো। আমি তো জবসাইটে আবেদন করেই চাকরি পেয়েছি এবং আমাকে কেউ জিঞ্গাসা করেনি আমার কেউ আছে কিনা। আর আপনি যে বললেন যে ইন্জিনিয়ার রা কেরানির চাকরি করছে জেনে রাখুন আমার মতো আরো প্রায় ৩০-৪০ জন ইন্জিনিয়ার বিভিন্ন মিডলইস্ট, আফ্রিকা, মালেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড এর বিভিন্ন টেলিকমে কনসালট্যান্ট হিসাবে সুনামের সাথেই কাজ করছে। তাই আমার মনে হয় গ্রামীনফোনের সবার নামে ঢালাও ভাবে দোষারোপ করা ঠিক না। এই ব্যাপার নিয়ে পরে সময় পেলে আরো লিখব।
২৪. ২৮ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:১৪
লুকার বলেছেন:

শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
মিডিয়ার কারা কারা ঘুষ খাইছে?
২৫. ২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৪৯
ফাহমিদুল হক বলেছেন: ভালো পোস্ট। প্লাস। এরকম ভেতরের খবর আরও জানলে আমাদের সঙ্গে শেয়ার করবেন। মিডিয়ায় এসব আসেনা।
২৭. ৩০ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৯:৩৬
মাহবুব সুমন বলেছেন: ৩ মাসে ৩০০ কোটি ! বিশ্বাষযোগ্য মনে হচ্ছে না একদমই। কনসালটেন্সির ফি সপ্পর্কে আইডিয়া আছে আমার ভালো করেই।
২৮. ৩০ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:১১
কেএসআমীন বলেছেন: ঘন্টায় কত হইলে ঠিক হয়?
২৯. ৩০ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:১৮
কৌশিক বলেছেন: ৩ মাসে ৩০০ কোটি টাকা! ভাই তার নাম ঠিকানাটা একটু দেন! এই বিশ্ববিখ্যাত কনসালটেন্টের নাম মুখস্ত রাখা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।
৩১. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯
নয়ন বলেছেন: মেধার কী ভয়াবহ অপচয়!
৩৩. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:১১
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: পোস্টটা দেরিতে হলেও অনেক তথ্যবহুল হওয়ায় ভালো লাগলো.........
৩৪. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২৫
কেএসআমীন বলেছেন: আসল কথা হলো, গ্রামীণ আগে যেমন লাভ করতে পারতো, এখন পারে না।
কারণ, কলচার্জ এখন ২৫ পয়সা মিনিটে গিয়ে ঠেকেছে....
৩৫. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫
রবিন০৪ বলেছেন: ৩ মাসে ৩০০ কোটি টাকা ব্যপারটা বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হচ্ছে না। নাম ঠিকানা প্রকাশ করে দেন .. বিখ্যাত লোকটাকে চিনি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮২২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি ডাইল দিয়া খাইয়া লাইল দিয়া হাঁটা নোক
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই