আমার প্রিয় পোস্ট

পরাজিত হতে হতে আমি উঠে দাড়িয়েছি এবার ফিরে যাবো না খালি হাতে, স্তব্ধতা আর সৌন্দর্যের পায়ে পায়ে এগিয়ে যাই যে কবি সে কখনো খালি হাতে ফিরে যেতে পারে না ।

হ্যাঁ আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি

২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:১৯

শেয়ারঃ
0 36 0



হ্যাঁ
আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি-
যিনি স্বাধীনতা আন্দোলনের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় সামরিক বুৎপত্তি অর্জনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন ।

হ্যাঁ
আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি-
যিনি পাকিস্তান থেকে ছুটিতে এসে এদেশকে স্বাধীন করতে লড়াকুদের ট্রেনিং দিতেন ।

হ্যাঁ
আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি
যিনি পাকিস্তান থেকে পালিয়ে এসে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন ।

হ্যাঁ
আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি
যিনি সর্ববৃহৎ ১১ নং সেক্টর এর অধিনায়কত্ত্ব করেছিলেন ।

হ্যাঁ
আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি-
যিনি কামালপুর সম্মুখযুদ্ধে তার বাম পা হারিয়েছিলেন ।

হ্যাঁ
আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি-
যিনি সেনা অফিসারদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্ছার হয়েছিলেন ।

হ্যাঁ
আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি-
যিনি সেনাবাহিনীকে উৎপাদনমুখী করার পরকল্পনা করেছিলেন ।

হ্যা
আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি
যিনি জাসদ’র বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা ও গণবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ।

হ্যাঁ
আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি-
যিনি সিপাহি জনতার বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ,
মুক্ত করেছিলেন জিয়াকে ।

হ্যাঁ
আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি-
যাকে জিয়া বলেছিলেন ‘ইউ আর মাই ব্রাদার ,ইউ আর মাই সেভার ’।

হ্যাঁ
আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি -
যিনি ছিলেন প্রথম মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসার যাকে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল ।

তারিখ ২১ শে জুলাই ১৯৭৬ , ভোর ৪টা ।

"জীবন মৃত্যুর মুখে একেছো মোহর পোষ্টম্যান ফেরী করে এখন তোমাকে; তুমি আর ব্যক্তি নও , তুমি যে খবর আমাদের প্রতিপক্ষ সে খবর রাখে ? অলক্ষ্যে নিজের মৃত্যু যে পায়নি টের সে জানে না বিপ্লবের পতাকা তাহের ।"
-মুহম্মদ নূরুল হুদা

হ্যাঁ, বিপ্লবের পতাকাই যদি হোন স্বয়ং তাহের তবে, তাকে হত্যা করতে পারে কোন শালা ! নিঃসঙ্ক চিত্তের তাহের কি মরতে পারে ? নাকি কেউ পারে তাকে মারতে ?

তাহের নিজেও এটা জানতেন আর তাই সকালে দাড়ি কেটে, পছন্দের নীল শার্ট পরে, আম কেটে খেয়ে, নিজের রচিত বিপ্লবের কবিতা আবৃত্তি করে ফাঁসির মঞ্চে ওঠেন আর ফাঁসির রশি নিজ হাতে গলায় পরেন

আর এভাবেই কাপুরুষেরা যখন নিজ গৃহকেই পৃথিবী ভেবে আত্মপ্রসাদ লাভ করেছিল তখন তাহের সারা পৃথিবীকেই তার আপন ঘর করে নিয়েছিলেন ।

আর এভাবেই বাঙালীর সংগ্রামী প্রেরণায় তিতুমির, ক্ষুদিরাম, সুর্যসেন, আসাদ, লে. ক. মোয়াজ্জেম , সিরাজ শিকদার প্রমুখের নামের পাশে কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তম এর নামও যুক্ত হলো ।

হ্যাঁ যা বলছিলাম , এই সব বিপ্লবীদের শারীরিক হত্যাকান্ডে যারা উল্লাসিত হয়েছিল তাদের মত হাদারামরা বোঝেনি তাতে আসলে বেড়ে গেছে বিপ্লবেরই স্পর্ধা

একটু খেয়াল করে দেখুন তো, তিতুমির, ক্ষুদিরাম, সুর্যসেন, আসাদ, লে. ক. মোয়াজ্জেম , সিরাজ শিকদার , তাহের -আজও তাদের উপস্থিতি টের পান কিনা ? স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে-কানসাটে -ফুলবাড়ীতে-ভবদহে ।

অবশ্য, পরবর্তীতে তাহেরের সহযাত্রীদের -
কেউ হয়েছেন জিয়ার জাতীয়তাবাদী থিসিস প্রণেতা
কেউ জাসদ থেকে ইস্থফা দিয়ে বর্তমানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রধান সওদাগর
কেউ হয়েছেন এরশাদের সংসদের গৃহপালিত নেতা
কেউ হয়েছেন খালেদা সরকারের থিফ অফ বাগদাদ
আর অধিকাংশই পুজির নষ্ট সংগমের বেশ্যা ।

এখানেই জন্ম নেয় নিরাশার বীজ
কিন্তু তারপরও আমি আশাবাদী কারণ
বিল্পবের পতাকা তাহের ।

তাহের মরেনি
তাহেররা কখনো মরে না ।

আমার সাথে তাহেরের দেখা হয় কানসাটে -ফুলবাড়িতে- ভবদহে- নারায়ণগঞ্জে-সাভারে-শাহবাগে-পরিবাগে কিংবা অন্য কোথাও ।

(প্রথম প্রকাশ , স্বাধীনতা যুদ্ধের অপর নায়কেরা // নুরুজ্জামান মানিক ,শুদ্ধস্বর ,একুশে বইমেলা ২০০৯ )


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কর্নেল তাহের দিবস ;
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২২
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: আজ বীর উত্তম কর্নেল তাহের এর ৩৩ তম মৃত্যুদিবস। ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই ভোর ৪টায় তাকে ফাঁসি দেয়া হয় ।

এই মহান বিপ্লবীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।
২. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২৮
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: অবশ্য, পরবর্তীতে তাহেরের সহযাত্রীদের -
কেউ হয়েছেন জিয়ার জাতীয়তাবাদী থিসিস প্রণেতা
কেউ জাসদ থেকে ইস্থফা দিয়ে বর্তমানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রধান সওদাগর
কেউ হয়েছেন এরশাদের সংসদের গৃহপালিত নেতা
কেউ হয়েছেন খালেদা সরকারের থিফ অফ বাগদাদ
আর অধিকাংশই পুজির নষ্ট সংগমের বেশ্যা ।

================

আওয়ামীলীগে কি কেউ যোগ দেয় নাই......???

তাহেরের অনুসারীদের কতজন আওয়ামিলীগের পোষা কুকুরে পরিনত হয়েছে সেটা না বলে কবিতাটাকে বিকলা;গ করে ফেলা হয়েছে|
২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: সরাসরি আওয়ামী লীগে যোগ দেয়াদের মধ্যে এই মুর্হুতে মনে পড়ছে মাহমুদুর রহমান মান্নার নাম ।

জাসদের গণবাহিনীর প্রধান তাহেরের সেকেন্ড ইন কমান্ড হাসানুল হক ইনু নৌকা প্রতিক নিয়ে ইলেকশন করে বর্তমানে এমপি । অথচ আওয়ামী লীগ দাবি করে মুজিব আমলে তাদের অনেক নেতা-কর্মীকে নাকি হত্যা করেছে এই জাসদের গণবাহিনী! সত্যি সেলুকাস , বড় বিচিত্র এই দেশ !

৩. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২৯
জইন বলেছেন: এই মহান বিপ্লবীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।




আর যে ঘৃণিত মেঃ জিয়া তাঁর ফাঁসি কার্যকর করে তার বিচার চাই। যদিও জিয়া মৃত তবুও তার প্রতীকি শাস্তি কামনা করি।


মানিক ভাই কে ধন্যবাদ
৪. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২৯
ধ্রুব০০৭ বলেছেন: নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: আজ বীর উত্তম কর্নেল তাহের এর ৩৩ তম মৃত্যুদিবস। ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই ভোর ৪টায় তাকে ফাঁসি দেয়া হয় ।

এই মহান বিপ্লবীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।
৫. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৩০
মোঃ আমিন বলেছেন: "যে তাহের জনতার সেই তাহের মরেনাই"

এই মহান বিপ্লবীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।
৬. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৩১
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
@জইন:

মুক্তিযোদ্বা, বুয়েটের মেধাবী ইন্জিনীয়ার সিরাজ শিকদারের হত্যাকারী মুজিবের বিচার চান না.........???
২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ|

৮. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮
অন্তিম বলেছেন: আজ কর্নেল তাহের এর মৃত্যুদিবস বলেই অনেক সকাল থেকেই ব্লগে কোন পোষ্ট আসার অপেক্ষায় ছিলাম।

যদিও ও সামুতে আসার কোন ইচ্ছা এখন আর কাজ করে না।
এই পোষ্টের জন্যই আসলাম।

তবে এই তাহেরের অবদান আমাদের বাংগালী কোনদিন দিতে পারবে কিনা জানি না।

অবাক হলাম যে ফেইসবুকেও একটি গ্রুপ খুজে পেলাম না তাহের কে নিয়ে।

খুব কষ্ট লাগছে।
২২ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১৭

লেখক বলেছেন: ফেইসবুকে একটি গ্রুপ আছে Click This Link

৯. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
সুস্ময় সুমন বলেছেন: ধ্রুব০০৭ বলেছেন: নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: আজ বীর উত্তম কর্নেল তাহের এর ৩৩ তম মৃত্যুদিবস। ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই ভোর ৪টায় তাকে ফাঁসি দেয়া হয় ।

এই মহান বিপ্লবীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।
১০. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৫৮
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: মানিক সাহেব:

লে. কর্নেল মোয়াজ্জেমের ঘটনা জানলে কিছু শেয়ার করুন|

ধন্যবাদ|
২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: ২৫ শে মার্চ '৭১ ভয়াল সেই কালোরাতে পাক হানাদারদের অপারেশন মার্চ লাইটের অন্যতম টার্গেট ছিলেন নৌবাহিনীর লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন । ২৬ মার্চ ভোরের নির্মম আলোতে স্ত্রী-সন্তানদের সামনে পরপর পাচটি গুলি করে হত্যা করা হয় তার শরীরে । হত্যা করেও ক্ষ্যান্ত হয়নি তারা । তার লাশ পাকিস্তানী ঘাতকবাহিনীর গাড়িতে বেধে টেনে হিচড়ে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরিয়ে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যায় । কোথায় লাশটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে তার খোজ মেলেনি আজও ।

কিন্তু কেন তিনি টার্গেট ছিলেন ? তত্কালীন নৌবাহিনীর লে কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনই সশত্র উপায়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার প্রথম উদ্যোক্তা ছিলেন এবং আমৃত্যু মুক্তিযুদ্ধের জন্য কাজ করেছেন । বেঙ্গল রেজিমেন্ট, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর কতিপয় দুঃসাহসী তরুন সদস্য এবং কয়েকজন প্রভাবশালী বাঙ্গালী আমলার সহায়তায় তিনি পূর্ব পাকিস্তান কে বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা করেন। সামরিক ও প্রশাসন ক্ষেত্রে বাঙ্গালীদের প্রতি পাকিস্তানী /পাঞ্জাবীদের বিজাতীয় শাসন-শোষন অবহেলা প্রত্যক্ষ ভুক্তভুগি ছিলেন তারা।

দুর্ভাগ্য হল, তাদের এই পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যায়।১৯৬৮ সালের ৬ ই জানুয়ারী ২ জন বাঙ্গালী সি এস পি অফিসারসহ ১৮ জন সামরিক/বেসামরিক বাঙ্গালী আফিসারকে গ্রেফতার করা হয়। সরকারী প্রেসনোটে বলা হয়, "গ্রেফতারকৃতরা ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সশস্ত্রপন্থায় পূর্ব পাকিস্তাঙ্কে আলাদা করার চক্রান্ত করছিল।" ১৭ ই জানুয়ারী রাতে হঠাত্ করে কে মুক্তি দেয়া হয় ৮-০৫-৬৬ তারিখ থেকে ৬ দফা আন্দোলনের জন্য কারাবন্দী শেখ মুজিবুর রহমান কে । জেল গেট থেকে বেরিয়ে কয়েক পা এগুতেই সামারিক বাহিনীর সদস্যরা তাকে পুনরায় গ্রেফতার করে কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যায়। ১৮ জানুয়ারী সরকারী প্রেসনোটে বলা হয়, "শেখ মুজিব একটি ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামী ।" এই মামলাটিই আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বলে খ্যাত। আসামী ৩৫ জন। রাজসাক্ষী ১১ জন। ২১ শে এপ্রিল প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান এক অর্ডিনেন্স জারির মাধ্যমে পাকিস্তান পেনাল কোডের ১২১ক এবং ১৩১ ধারায় অপরাধীদের বিচার করার জন্য এক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেন। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন প্রধান বিচারপতি এম এ রহমান এবং সদস্য ছিলেন বিচারপতি মুজিবুর রহমান, বিচারপতি মোকসুমুল হাকিম। কুর্মিটোলা সেনানিবাসের সিগন্যাল মেস প্রাঙ্গনে ট্রাইব্যুনাল বিচার শুরু হয় ১৯ জুন। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে , এই মামলায় মোট ৩৫ জনকে আসামী করা হয় । শেখ মুজিবুর রহমান, লে কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন, ষ্টুয়ার্ড মুজিব, এল এস সুলতানুদ্দিন আহমদ, এল এস সিডি আই নুর মোহম্মদ , আহমদ ফজলুর রহমান সি এস পি, ফ্লা সার্জেন্ট মফিজুল্লাহ, কর্পৌারাল আবুল বাশার, মোহাম্মদ আবদুস সামাদ, হাবিলদার দলিল উদ্দিন, ফ্লা সার্জেন্ট মোহাম্মদ ফজলুল হক, খন্দকার রুহুল কুদ্দুস সি এস পি, ভুপতি ভুষন চৌধুরী ওরফে মানিক চৌধুরী, বিধান কৃষ- সেন, সুবেদার আবদুর রাজ্জাক, হাবিলদার ক্লার্ক মুজিবুর রহমান, ফ্লা সার্জেন্ট মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক, সার্জেন্ট জহুরুল হক, এটি মোহাম্মদ খুরশীদ, খান শামসুর রহমান সি এস পি, হাবিলদার এ কে এম শামসুল হক, হাবিলদার আজিজুল হক, এস এ সি মাহফুজুল বারী , সার্জেন্ট শামসুল হক, মেজর আবদুল মোতালেব , ক্যাপ্টেন এম শওকত আলী, ক্যাপ্টেন খন্দকার নাজমুল হুদা ( ৭ই নভেম্বর ৭৫ তারিখে ব্রাশ ফায়ারে হত্যা ) , ক্যাপ্টেন এ এন এম নুরুজ্জামান ( ৭১ এ ৩ নং সেক্টর কমান্ডার , মুজিব আমলে প্যারা মিলিশিয়া রক্ষিবাহিনী প্রধান ) ,সার্জেন্ট আবদুল জলিল , মোহাম্মদ মাহববু উদ্দিন চৌধুরী, ফার্ষ্ট লে এম এম এম রহমান, সুবেদার এ কে এম তাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী রেজা, ক্যাপ্টেন খুরশীদ উদ্দিন আহমদ এবং ফার্ষ্ট লে আবদুর রউফ । মামলার ভিত্তি ছিল দুটো দলিল -১)লে কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন ডায়েরী ২) শামসুর রহমান সাহেবের ফরিদপুরের ডি সি কে লেখা চিঠি।কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন ডায়েরী কেমন করে সেনা গোয়েন্দা বিভাগের হাতে গেল এবং স্টুয়ার্ড মুজিব কেন শামসুর রহমান সাহেবের ফরিদপুরের ডি সি কে লেখা চিঠির ফটোকপি রেখে ছিল এবং সেটাও কিভাবে সনা গোয়েন্দা বিভাগের হাতে গেল সেটা জানা যায় নি ।

'৬৯ এর গণঅভ্যথানের ফলশ্রুতিতে আইয়ুব খান আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করেন । এক সংক্ষিপ্ত ঘোষনায় বলা হয়

“Where as the emergency have been lifted and fundamental rights revived to avoid any conflict, the Government has considered it expedient to repeal the Criminal Law Amendment (Special Tribunal) Ordinance VI of 1968.”

এই অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী শেখ মুজিব ও অন্যান্যদের বিচার চলছিল । ২২ ফেব্রুয়ারী '৬৯ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান , লেঃ কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনসহ সব আসামী নিঃশর্ত মুক্তি পান । জয় হয় জনতার ।

১১. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৪০
জইন বলেছেন: @বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত ...... মুক্তিযোদ্বা, বুয়েটের মেধাবী ইন্জিনীয়ার সিরাজ শিকদার এর ব্যাপারে এত কিছু জানেন----- আশা করি তার মৃত্যুর কারন টাও জানেন
১২. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭
লীনা দিলরূবা বলেছেন: যে তাহের জনতার সে তাহের মরে নাই...........

প্রিয়তে।
২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ|

১৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০২
নীরজন বলেছেন: অনেক দেরীতে পেলাম.............

সোজা প্রিয়তে.........
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:১৮

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ।

১৫. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ বলেছেন: স্যালুট টু কমরেড কর্নেল তাহের
১৭. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৯
সহীদুল হক মাণইক বলেছেন: যে তাহের জনতার সে তাহের মরে নাই...........
স্যালুট টু কমরেড কর্নেল তাহের
২১ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৯. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:২৯
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: আজ বীর উত্তম কর্নেল তাহের এর ৩৪ তম শাহাদতদিবস। ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই ভোর ৪টায় সামরিক জান্তা জিয়ার সরকার তাকে ফাঁসি দেয়। এই মহান বিপ্লবীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। স্যালুট টু বিপ্লবী কর্নেল তাহের বীর উত্তম !
২০. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: পোস্টটা আবার জেগে উঠল।
২১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৩. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৫২
ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন: কর্নেল তাহেরের প্রতি শ্রদ্ধা।

@মানিক ভাই, আপনি নাকি ব্লগ থেকে রিটায়ার করসেন? সত্যি নাকি? আমাদেরকে এইভাবে বঞ্চিত করার কারন কি?
২৭. ২১ শে জুলাই, ২০১১ দুপুর ১:০০
পথিক!!!!!!! বলেছেন: তিনি একজন সাহসী বীর ছিলেন। তাকে শ্রদ্ধা করি

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৭৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ঢাবি হতে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর । আগ্রহের বিষয় কবিতা-দর্শন-বিজ্ঞান । ১৯৯০'র দশকের শুরু থেকে বাংলাদেশের প্রথম শ্রেনীর জাতীয়...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই