আমার প্রিয় পোস্ট

পরাজিত হতে হতে আমি উঠে দাড়িয়েছি এবার ফিরে যাবো না খালি হাতে, স্তব্ধতা আর সৌন্দর্যের পায়ে পায়ে এগিয়ে যাই যে কবি সে কখনো খালি হাতে ফিরে যেতে পারে না ।

জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:০৩

শেয়ারঃ
0 33 0


একাত্তরের ঘাতক দালালরা আর রাজাকারি চেতনাধারিরা গত ৩৮ বছর ধরে প্রচার করে আসছে -পাকিরা নাকি ভারতের কাছে সারেন্ডার করেছে , ভারতই ষড়যন্ত্র করে এমন করিয়েছে , মুক্তিবাহিনীর সিএনসি ওসমানিকে সারেন্ডার অনুষ্ঠানে থাকতে দেয়া হয়নি -ইত্যাদি ইত্যাদি ।

আসুন দেখা যাক , কেন ওসমানি অনুপস্থিত ছিলেন ?কেনই বা পাকিরা মিত্রবাহিনীর অরোরার কাছে সেরান্ডার করলেন ? এবং তা’ আদৌ ভারতের ষড়যন্ত্র কিনা ?

আসলে পাকিরা ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বতমানে সোরওয়ার্দি উদ্যানে ) আত্মসমর্পন করেছিল যৌথকমান্ডের অন্যতম অধিনায়ক জেনারেল অরোরার কাছে । দেখুন দলিল -

২। বাংলাদেশের পক্ষে এই অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন (এয়ার ভাইস মার্শাল) একে খন্দকার। আরো উপস্থিত ছিলেন ২ নং সেক্টর (ঢাকা) কমান্ডার এ টি এম হায়দার । নিচের ছবিতে দেখুন জেনারেল অরোরা আর নিয়াজির সাথে অপুর্ব ভঙ্গীতে কাঁধে চাইনিজ এসএমজি নিয়ে পাকবাহিনীর আত্মসমর্পন টেবিলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন মেজর হায়দার ।



৩। আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে জেনারেল এমএজি ওসমানীর অনুপস্থিতি নিয়ে আজও কুতর্ক তুলছে বিএনপি-জামাত । বস্তুত আত্মসমর্পণ সিদ্ধান্তের আগেই ওসমানী সিলেট চলে গিয়েছিলেন । ড. এ আর মল্লিক এর ষ্মৃতিচারণ-"তাজউদ্দিন আহমদ এর সঙ্গে আমার কথা হচ্ছিলো । তাজউদ্দিন আহমদ আমাকে বললেন , দেখুন তো পাকিস্তান আর্মী সেরান্ডার করবে , প্লেন যাবে অথচ ওসমানি সাহেবকে পাওয়া যাচ্ছে না । তিনি মনে হয় খুব রিলাকটেন্ট । এর কারণ কিতা বুঝা গেলনা । তিনি আমাকে বললেন , একটু খুজে দেখতে হবে । খোজাখুজি আমিও করলাম । কিন্তু পেলাম না । পরে শুনলাম যে তিনি এয়ারপোর্টে গিয়ে একটি হেলিকপ্টার নিয়ে সিলেট চলে গেছেন কাউকে না জানিয়ে । " ( দ্র. আমার জীবন কথা ও বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম, আগামী প্রকাশনী , ১৯৯৫ , পৃষ্ঠা ১১৫) বস্তুত, ওসমানী ১১ ডিসেম্বর থেকে রণাঙ্গন সফরে বেরিয়েছিলেন। (দ্র. মাইদুল হাসান, মুলধারা '৭১)

তার এই অনুপস্থিতিতে নানা গুজব রটনা তখন ছড়ানো হয় । এ নিয়ে পরেও যে বিতর্ক হবে এমন আশংকা তখনই প্রকাশ করেছিলেন এম এ মোহাইমেন।

৪।জেনারেল জেকবের বক্তব্য - Why was the Commander in Chief of the Bangladesh Army, General MAG Osmani, absent at the ceremony?

Jacob: There is a lot of propaganda about it. The fact is, he was in Sylhet. He was in a helicopter that was shot at by the Pakistan army. I had ordered everyone on the Bangladesh side to stay in Kolkata. But he rode the chopper, got shot and couldn’t attend the ceremony. It’s not our fault. He should have been there. We wanted him there. Khondkar attended in his absence.

৫ । "জেনারেল ইয়াহিয়া জেনারেল মানেকশ’র নিকট একটি আবেদনে জানালেন যে, পাকবাহিনী আত্মসমর্পনে প্রস্তুত তবে তাদের শুধু একটি প্রার্থনা যে আত্মসমর্পন গ্রহন করবে ভারতীয় সেনানায়কেরা । কারণ ভারত জেনেভা কনভেনশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত । কিন্তু বাংলাদেশ যেহেতু জেনেভা কনভেনশনে সই করেনি তাই বাংলাদেশের জেনেরেলের নিকট আত্মসমর্পন করা সম্ভব নয় ।কারণ মুক্তিবাহিনী যদি প্রতিশোধমূলক হত্যা চালায় তবে আন্তর্জাতিক আইন বা জেনেভা কনভেনশন তাদের রক্ষা করতে পারবে না ।" ( দেখুন, স্বাধীন বাংলার অভ্যুদয় এবং অতঃপর ,কামরুদ্দীন আহমদ , নওরোজ কিতাবিস্তান , ঢাকা, ১৯৮২, পৃষ্ঠা ১৩১)

৬। ১৮ তারিখে ওসমানী সদর দপ্তরে ফিরে আসেন ।তাকে নিয়ে নানা গুজব শুনে ভীষণ ক্ষুব্ধ হন তিনি। এ নিয়ে সামুতে পিয়াল ভাই লিখেছিলেন । তার ব্লগ থেকেই ওসমানীকে কোট করছি--''দেখুন আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে যাচ্ছি। কিন্তু দুঃখ হলো স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধ সম্পর্কে কোনো চেতনা এখনও জন্ম হয়নি। আমাকে নিয়ে রিউমার ছড়ানোর সুযোগটা কোথায়? কোনো সুযোগ নেই। তার অনেক কারণ রয়েছে। নাম্বার ওয়ান- পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কবে আত্মসমর্পণ করবে আমি জানতাম না। আমি কলকাতা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তাদের আত্মসমর্পণের প্রস্তাব এসেছে।

নাম্বার টু- ঢাকায় আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে আমার যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কারণ এই সশস্ত্র যুদ্ধ ভারত-বাংলাদেশের যৌথ কমান্ডের অধীনে হলেও যুদ্ধের অপারেটিং পার্টের পুরো কমান্ডে ছিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল স্যাম মানেকশ। সত্যি কথা হচ্ছে আমি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো নিয়মিত সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধানও নই। আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুযায়ী পাকিস্তান সেনাবাহিনী আমার কাছে আত্মসমর্পণ করতে পারে না। কারণ বাংলাদেশ জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী কোনো দেশ নয়।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে জেনারেল মানেকশকে রিপ্রেজেন্ট করবেন লে.জে অরোরা। জেনারেল মানেকশ গেলে তার সঙ্গে যাওয়ার প্রশ্ন উঠতো। সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমার অবস্থান জেনারেল মানেকশর সমান। সেখানে তার অধীনস্থ আঞ্চলিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল অরোরার সফরসঙ্গী আমি হতে পারি না। এটা দেমাগের কথা নয়। এটা প্রটোকলের ব্যাপার। আমি দুঃখিত, আমাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধের বড় অভাব।

ঢাকায় ভারতীয় বাহিনী আমার কমান্ডে নয়। জেনারেল মানেকশর পক্ষে জেনারেল অরোরার কমান্ডের অধীন। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করবে যৌথ কমান্ডের ভারতীয় বাহিনীর কাছে। আমি সেখানে (ঢাকায়) যাবো কি জেনারেল অরোরার পাশে দাড়িয়ে তামাশা দেখার জন্য? হাও ক্যান আই!

আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করবেন জেনারেল মানেকশর পক্ষে জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা আর পাকিস্তানী বাহিনীর পক্ষে জেনারেল নিয়াজী। এখানে আমার ভূমিকা কি? খামোখা আমাকে নিয়ে টানা হ্যাচড়া করা হচ্ছে।

পাশাপাশি কেনো মুক্তিবাহিনীর কাছে পাকিস্তানীরা আত্মসমর্পণ করেনি এটার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ওসমানী সংক্ষেপে ব্যাপারটা এমন যে যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক নীতিমালা আছে যার অন্যনাম জেনেভা কনভেনশন। বাংলাদেশ এই কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ নয় বলেই সেই নীতিমালা মানতে মুক্তিবাহিনী বাধ্য ছিলো না। তাই তাদের হত্যা করলে বা তাদের উপর অত্যাচার করলে বলার থাকতো না কিছু। পাকিস্তানীরা জেনেশুনে সে ঝুকি নেয়নি। তাছাড়া ৯০ হাজার যুদ্ধবন্দীকে খাওয়ানো পড়ানো তদারক করার ক্ষমতাও যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের ছিলো না। তখনও নিজের খাওয়াটাই যে জোটে না!” (দ্র. একাত্তরের রণাঙ্গন অকথিত কিছু কথা, নজরুল ইসলাম, অনুপম প্রকাশনী ১৯৯৯ )

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মুক্তিযুদ্ধ ;
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: খুব ভাল কাজ। সবগুওলো এক সাথে নিয়ে আসায় পূর্নাঙ্গ হয়েছে। প্রিয়তে।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

২. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১০
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সোজা প্রিয়তে। মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে এক এক করে সবগুলো জামাতী অপপ্রচারণার জবাব দিতে হবে
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । হ্যা,মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে এক এক করে সবগুলো জামাতী অপপ্রচারণার জবাব দিতে হবে ।

৩. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন: সত্য ইতিহাস তুলে ধরবার জন্য ধন্যবাদ। শোকেজে সাজিয়ে রাখলাম।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ।

৫. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২০
গৌতম রায় বলেছেন: ধন্যবাদ মানিক ভাই তথ্যবহুল এই পোস্টটির জন্য।

এ ব্যাপারে আমি যেটা জানতাম সেটা হলো- যুদ্ধের নিয়মানুযায়ী প্রতিপক্ষের ন্যূনতম সমপদমর্যাদার কারো কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়। সে হিসেবে জেনারেল নিয়াজীকে অন্তত জেনারেল সমপদমর্যাদা বা তার চেয়ে বেশি মর্যাদাবাদ কারো কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে। জেনারেল ওসমানী সে সময় জেনারেল ছিলেন না, সম্ভবত লে. জেনারেল ছিলেন। সে কারণেই যুদ্ধের নিয়ম মানার জন্য নিয়াজীকে অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়েছিলো।

তবে সিলেট যাওয়ার যে কারণটা বলেছেন, অর্থাৎ হুট করে চলে গিয়েছেন, সেটা বোধহয় ঠিক নয়। তিনি সম্ভবত ইচ্ছে করেই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে থাকেন নি। আত্মসমর্পণের তারিখ ঠিক করলে জেনারেল ওসমানী যেখানেই থাকুন না কেন আসতে পারতেন আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে, কিন্তু পাকবাহিনী আত্মসমর্পণ করবে আর তিনি কোনো ভূমিকা পালন না করে শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবেন- এটা সম্ভবত তিনি মেনে নিতে পারেন নি।
৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২৩
নতুন রাজা বলেছেন: নতুন প্রজন্মের কাছে সত্য পৌছে দেয়ার দায়িত্ব আমদের সকলের... আপনাকে ধন্যবাদ...
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ।

৭. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২৩
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: প্রথমে বলে রাখি, আমি এই পোষ্টের কোন রকম বিরোধিতা করছি না।

আমার প্রশ্ন:
১) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সৃষ্টি হয়েছে কবে?

২) জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষর কিভাবে করতে হয়?

৩) অনেক দেশ স্বাধীনতা পেয়েছে অন্য দেশের সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কিন্ত সেখানে কিভাবে স্যারেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে?
৮. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২৫
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: @গৌতম রায়:

যুদ্ধের নিয়মানুযায়ী প্রতিপক্ষের ন্যূনতম সমপদমর্যাদার কারো কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়। সে হিসেবে জেনারেল নিয়াজীকে অন্তত জেনারেল সমপদমর্যাদা বা তার চেয়ে বেশি মর্যাদাবাদ কারো কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

এই নিয়ম কোথায় আছে বলবেন প্লিজ??
৯. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২৮
ইউটার্ন বলেছেন: সোজা প্রিয়তে। এরকম আর্টিকেল আরো চাই........
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১০. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩
শিশির বলেছেন: পাকিস্তানকে আমরা ছাড়তে পারলাম কই?এই... যেমন ধরুণ সার্ক বানালাম , আরো কত কি যে পাওয়া যাবে এইরকম । দেখেন না আমাদের দেশে এখনো কত পাকি ভক্ত আছেন খেলার সময় দেখতে পাবেন। এত সব ঘাটাঘাটি করে লাভ নেই যা হবার হয়ে গেছে ।

আমাদের রক্তে পাকি রক্ত আছে বলেই কি এই রকম ঘেটে কিনা
আমি জানি না। হলে হতেও.. পারে.............!
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: হুমম !

১১. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫
শিশির বলেছেন: আমাদের রক্তে পাকি রক্ত আছে বলেই কি এই রকম ঘটে কিনা
আমি জানি না। হলে হতেও.. পারে.............!
১২. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
গৌতম রায় বলেছেন: @রিয়াজুল ইসলাম, সেটা তো এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। খুঁজে দেখি। তবে একসময় এই ব্যাখ্যাটা শুনেছিলাম।

ছোটবেলায় আমাদেরও প্রশ্ন ছিলো এটা যে- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে কেন ওসমানী থাকলেন না। তখন কেউ একজন এই ব্যাখ্যাটা দিয়েছিলেন।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: আমিও এমন শুনেছিলাম ।

১৩. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫০
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: প্রথমে বলে রাখি, আমি এই পোষ্টের কোন রকম বিরোধিতা করছি না।

আমার প্রশ্ন:
১) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সৃষ্টি হয়েছে কবে?

২) জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষর কিভাবে করতে হয়?

৩) অনেক দেশ স্বাধীনতা পেয়েছে অন্য দেশের সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কিন্ত সেখানে কিভাবে স্যারেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে

আমার উত্তর :

১. ১৫ আগস্ট ১৯৭৫

২. কলম দিয়ে

৩. বলা হইছে হ্যান্ডস আপ, সারেন্ডার ইউর আর্মস। ব্যস, হয়া গেছে।

মানিক, ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের একটা তারবার্তার কিছু অংশ, দিল্লী মার্কিন দুতাবাস থেকে পাঠানো

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮

লেখক বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ দলিল সংযুক্তির জন্য ধন্যবাদ পিয়াল ভাই ।

১৪. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: @অমি রহমান পিয়াল: আমেরিকা তো বাংলাদেশ দখল করতে নৌবহর পাঠিয়েছিল..........তাহলে বাংলাদেশ আবিষ্কার করলেন কেন?
১৫. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন: রিয়াজুল ইসলামের প্রশ্নগুলোর জবাব অনেক কিছুই পরিষ্কার করতে পারে।
১৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০২
এনটনি বলেছেন: আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যে টেবিল এ সই করা হয়েছিল, সেই টেবিল টা কোথায়?
১৭. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫
মাছিমারা কেরানি বলেছেন: @ এনটনি: সেই টেবিলটা শাহ বাগ এর জাতীয় যাদুঘর এর মুক্তিযুদ্দ্ব্ বিষয়ক গ্যালারী তে সংরক্ষিত আছে।

@ লেখক: কন্সপারেসি থিয়োরি সব সময় সব দেশে সব বিষয়েই দেয়া হ্য়। এক্ষেত্রে আপনি বলতে চেয়েছেন এ বিষয়ে ( জেঃ ওসমানির যোগ দেওয়া) নিয়ে যারাই প্রশ্ন করছেন তারা সবাই "একাত্তরের ঘাতক দালালরা " । এটা বোধ হ্য় একটু বেশি সরলীকরন হয়ে গেলো। যারা এ তত্বে বিশ্বাস করে বা করতো তারা সবাই রাজাকার না, তার প্রমান আপনার লেখাতেই আছে (৭ নং পয়েন্ট)‌ :

"১৮ তারিখে ওসমানী সদর দপ্তরে ফিরে আসেন ।তাকে নিয়ে নানা গুজব শুনে ভীষণ ক্ষুব্ধ হন তিনি। এ নিয়ে সামুতে পিয়াল ভাই লিখেছিলেন । তার ব্লগ থেকেই ওসমানীকে কোট করছি--''দেখুন আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে যাচ্ছি। কিন্তু দুঃখ হলো স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধ সম্পর্কে কোনো চেতনা এখনও জন্ম হয়নি। আমাকে নিয়ে রিউমার ছড়ানোর সুযোগটা কোথায়? কোনো সুযোগ নেই। তার অনেক কারণ রয়েছে। নাম্বার ওয়ান- পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কবে আত্মসমর্পণ করবে আমি জানতাম না। আমি কলকাতা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তাদের আত্মসমর্পণের প্রস্তাব এসেছে।"

এই লেখাতেই প্রমান যে জেঃ ওসমানী যখন হেড অফিসে ফিরে আসেন, তখন তাকে এ কথা গুলো হেড অফিস এর লোকজনই বলেছেন। আর তখন নিশ্চয়ই হেড অফিসে রাজাকার রা ছিলোনা , যারা ছিলেন তারা ছিলেন মুক্তিযোদ্দ্বা রা।

বাংলাদেশ এর মুক্তিযুদ্দ্বে ভারত এর অনেক অবদান, এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। এবং আপনি যে তথ্য গুলো দিলেন, তাও সত্য। তবে এর সাথে এটাও সত্য যে ভারতীয় বাহিনীর স্বাধীনতা যুদ্দ্বোত্তর কর্মকান্ড কোন কোন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এর সার্বভোমত্বকে প্রশ্ন বিদ্দ্ব করেছিলো, সে প্রেক্ষাপটে এরকম কন্সপারেসি থিওরী আসা খুবই স্বাভাবিক। যে কারনে ইন্দিরা গান্দ্দ্বীর সাথে প্রথম সাক্ষাতেই বন্গবন্ধু তাকে অনুরোধ করেছিলেন যেন যত দ্রুত সম্ভব ভারতীয় সেনা বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাহার করা হয়।
০১ লা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১৯. ০১ লা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬
আল্লাহ রাখা বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সোজা প্রিয়তে। মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে এক এক করে সবগুলো জামাতী অপপ্রচারণার জবাব দিতে হবে
২০. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২
নাজনীন খলিল বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে এক এক করে সবগুলো জামাতী অপপ্রচারণার জবাব দিতে হবে

ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। ধন্য বাদ।
০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপা ।

২১. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে এক এক করে সবগুলো জামাতী অপপ্রচারণার জবাব দিতে হবে

ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। ধন্য বাদ।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

২৩. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০২
নয়ন বেষ্ট বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে এক এক করে সবগুলো জামাতী অপপ্রচারণার জবাব দিতে হবে
২৪. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৩
রায় চৌধুরী বলেছেন: জামাতের বিষ দাঁত ভাঙ্গার এখনই সময়।
২৫. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫২
ভাবের অভাব বলেছেন: ভালো লাগলো। একজনের সাথে এই নিয়া কয়দিন আগে একটা তর্ক হয়ছিলো। কয়েকটা বিষয়ও জানলাম। আবারও ধন্যবাদ।
৩১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪৯
েমাঃ মােজদুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবো না। খুব সুন্দর হয়েছে।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩২. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:০০
অক্টোপাশ বলেছেন: এই লেখাতেই প্রমান যে জেঃ ওসমানী যখন হেড অফিসে ফিরে আসেন, তখন তাকে এ কথা গুলো হেড অফিস এর লোকজনই বলেছেন। আর তখন নিশ্চয়ই হেড অফিসে রাজাকাররা ছিলোনা , যারা ছিলেন তারা সবাই ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩৫. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৪০
সামদ বলেছেন: প্রিয় পোষ্টে গেল। ধন্যবাদ আপনাকে।
৩৬. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৪৩
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে জেনারেল মানেকশকে রিপ্রেজেন্ট করবেন লে.জে অরোরা। জেনারেল মানেকশ গেলে তার সঙ্গে যাওয়ার প্রশ্ন উঠতো। সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমার অবস্থান জেনারেল মানেকশর সমান। সেখানে তার অধীনস্থ আঞ্চলিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল অরোরার সফরসঙ্গী আমি হতে পারি না। এটা দেমাগের কথা নয়। এটা প্রটোকলের ব্যাপার। আমি দুঃখিত, আমাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধের বড় অভাব।

এইটাই চরম সত্য। এবং দুঃখজনক হল এখনো সেই আত্ম মর্যাদাবোধের প্রাসঙ্গিকতায় প্রশ্ন আসলে সেটে দেওয়া হয় পাকি রক্ত, রাজাকারীর তকমা। এটাকি সরলীকরণ! নাকি আত্ম মর্যাদাবোধের অভাব কে ঢাকতেই বেহুদা চিৎকার!!!

৩৮. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:১০
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
অনেক কষ্ট করে এমন সুন্দর জিনিস উপহার দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৫৯০৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ঢাবি হতে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর । আগ্রহের বিষয় কবিতা-দর্শন-বিজ্ঞান । ১৯৯০'র দশকের শুরু থেকে বাংলাদেশের প্রথম শ্রেনীর জাতীয়...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই