আমার প্রিয় পোস্ট

পরাজিত হতে হতে আমি উঠে দাড়িয়েছি এবার ফিরে যাবো না খালি হাতে, স্তব্ধতা আর সৌন্দর্যের পায়ে পায়ে এগিয়ে যাই যে কবি সে কখনো খালি হাতে ফিরে যেতে পারে না ।

মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গৃহীত সরকার/ সিইনসি ওসমানীর তিনটি পদক্ষেপ ও আমার জিজ্ঞাসা

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১১

শেয়ারঃ
0 3 0

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্বে (জুন পর্যন্ত) মাত্র ২৫-৩০জন বাঙালী অফিসার সক্রিয় যোগদান করেন যদিও কর্মরত প্রায় ১৫০ জন বাঙালী অফিসারের যুদ্ধে যোগ দেয়ার সুযোগ ছিল । অফিসারদের তুলনায় সাধারণ সৈন্যদের মধ্যেই সংগ্রামী চেতনা বেশি পরিলক্ষিত হয় । এই চেতনা ও দূরদৃষ্টির অভাবেই বহু বাঙ্গালী অফিসার অসহায়ভাবে বন্দী ও পরবর্তীকালে নিহত হন ।

যথার্থ চেতনা , দূরদৃষ্টি ও প্রত্যুতপন্নমতিত্ত্বের গুনে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়া সুচনা লগ্নের অন্যতম হিরো ছিলেন চট্রগ্রামে অবস্থিত ৮ম বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড ইন কমান্ড মেজর জিয়াউর রহমান । জিয়ার যুদ্ধে যোগদানের কাহিনী জানা যাবে তার ’একটি জাতির জন্ম ’ (’৭২ সালে রচিত , ’৭৪ সালে বিচিত্রায় প্রকাশিত ) নিবন্ধ থেকে । জিয়া প্রথমে ছিলেন ১ নং সেক্টরের অধিনায়ক , পরে নিয়মিত ব্রিগেড জেড ফোর্সের অধিনায়ক হন । ( মুক্তিযুদ্ধে জেড ফোর্স নিয়ে আলাদা লিখব ) । বর্তমান নিবন্ধে তৎকালীন সরকার বা সিইনসি কর্তৃক জিয়ার বিরুদ্ধে নেয়া তিনটি পদক্ষেপ তুলে ধরা হবে ।

১ নং সেক্টর থেকে ক্লোজড ও নির্বাসনঃ


১০ মে ’৭১ তারিখে মুক্তিবাহিনীর চিফ অব ষ্টাফ লে. কর্ণেল রব স্বাক্ষরিত মুক্তিবাহিনীর প্রথম পোষ্টিং অর্ডার অনুসারে (সংযুক্ত দলিল দ্রষ্টব্য) মেজর মীর শওকতকে জিয়ার নিকট হতে সেক্টর , ৮ম বেঙ্গল ও অন্যান্য ট্রুপসের কমান্ড গ্রহন করতে নির্দেশ দেয়া হয় এবং জিয়াকে পরবর্তী দায়িত্ব বুঝে নিতে চিফ অব ষ্টাফের নিকট রিপোর্ট করতে বলা হয় । পরে সিইনসি’র মৌখিক নির্দেশে জিয়া মেঘালয়ের তেলঢালায় অবস্থান করেন । জিয়ার সহযোদ্ধা মেজর শাফায়াত জামিল ও উইং কমান্ডার হামিদুল্লাহ খানের অভিন্ন মত হলঃ

‘চক্রান্ত করে নিতান্ত জুনিয়র অফিসার ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলামকে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত করে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নায়ক মেজর জিয়াকে কিছুদিনের জন্যে হলেও গাড়ো পাহাড়ের তেলঢালায় নির্বাসিত করা হয় । ’ ( রেফারেন্সঃ কর্ণেল শাফায়াত জামিল , একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ রক্তাক্ত মধ্য আগষ্ট ও ষড়যন্ত্রময় নভেম্বর , ২০০০ সাহিত্য প্রকাশ , ঢাকা পৃ৮৮ ; উইং কমান্ডার এম হামিদুল্লাহ খান , একাত্তরে উত্তর রনাঙ্গন , বর্ণতরু ঢাকা , ২০০৫ পৃ৫৯ )



কি সেই চক্রান্ত ? কেন এই চক্রান্ত ?

জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি

আশির দশকে এগার নম্বর সেক্টরের একজন কোম্পানি কমান্ডার আমাকে জানান তিনি জিয়ার বিরুদ্ধে ইস্যুকৃত একটা ওয়ারেন্ট হাতে পেয়েছিলেন । আমি তার কথা বিশ্বাস করিনি । ১৯৯১ সালে বি এন পির সংসদ সদস্য ও জিয়ার ঘনিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা উইং কমান্ডার এম হামিদুল্লাহ খান যখন জিয়াকে গ্রেফতারের নির্দেশ সম্পর্কিত তথ্য জাতীয় সংসদে তুলে ধরেন তখন তথ্যটি উড়িয়ে দেবার অবকাশ কোথায় ? (রেফারেন্স , সংসদের কার্যবিবরনী ; নাজিমুদ্দিন মানিক , একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলনের দিনিগুলি ; খন্দকার মাজহারুল করিম , ইতিহাস বিকৃতির রাজনীতি , আজকের কাগজ , ১২ অক্টোবর ১৯৯৮ )

কেন এই গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি করা হয় ?

জিয়াকে তার ফোর্সসহ সিলেটে মুভ করার নির্দেশ:

উত্তর রনাঙ্গনের কামালপুর -বক্সিগঞ্জ অক্ষ থেকেই ঢাকা অভিযান সম্ভব-এই ধারণায় জিয়া , তাহের ও মিত্রবাহিনী একমত ছিলেন । সুবাদে কামালপুর শক্ত ঘাটিতে একাধিকবার আক্রমন পরিচালনা করা হয় ।মুক্তিবাহিনীর সদর দপ্তর এই পরিকল্পনার কথা সম্যক অবহিত থাকা সত্ত্বেও জিয়াকে দ্রুত সিলেটের ৫ নং সেক্টরে মুভ করার হুকুম দেয়া হয় অক্টোবরের ৮ তারিখে । ১০ তারখি জিয়া, শাফায়াত প্রমুখ সিলেটের পথে রওনা হন ।

অথচ ৫ নং সেক্টরে জিয়ার সম সিনিয়রিটির মেজর মীর শওকত দায়িত্বরত ছিল । মিত্রবাহিনীও তার সাথে ছিল । তথাপি জিয়াকে তার ফোর্সসহ বদলীর উদ্যোগকে একটি রুটিন কাজ বলা যায় কি ? ( রেফারেন্স, কর্ণেল শাফায়াত জামিল ,প্রাগুক্ত ; উইং কমান্ডার এম হামিদুল্লাহ খান , প্রাগুক্ত )
কেন এই ব্যবস্থা নেয়া হয় ?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৭
যুদ্ধবাজ বলেছেন: পিয়াল মিয়ারে জিগান ।
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৫

লেখক বলেছেন: পিয়াল ভাইকে আগেই জিগাইছি মাগার উনি কিছু কইবার পারে নাই ।

৩. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩০
যুদ্ধবাজ বলেছেন: কইতে পারবোও না, ওই মামায় ফ্যাক্ট আর ফিকশনের পার্থক্য একটু কম বুঝেন। আর আমরাও হের বানানো ফিকশন গিল্লা মজাক পাই আর বাহবা দেই।
৪. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫০
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: আপনার লেখাটি কি অসম্পূর্ণ?
৫. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৮
জর্জিস বলেছেন: যুদ্ধবাজ বলেছেন: পিয়াল মিয়ারে জিগান ।
৬. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৬
ও.জামান বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস, কেমন আছেন? পোস্ট টি পড়া শুরু করেই আপনার কথা পনে পড়ছিল। আশা করি এই ধারাবাহিক পোস্ট হতে আপনার কিছু প্রশ্নের জবাব পাবেন।

লেখককে ধন্যবাদ বিকৃত ইতিহাসকে সঠিক পথে নিয়ে আসার চেষ্টা করার জন্য। আশা করি পুরোটা শেষ করবেন।
৭. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯
আমি এবং আঁধার বলেছেন: ১৯৭১ এ পূর্ব রনাঙ্গনে কোনো বাঙালি অফিসার পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ করেছিলেন কি? থাকলে তাদের তালিকা কোথাও পাওয়া যাবে কি? তাদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার পরে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিলো??
৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৫
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ও.জামান বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস, কেমন আছেন? পোস্ট টি পড়া শুরু করেই আপনার কথা পনে পড়ছিল। আশা করি এই ধারাবাহিক পোস্ট হতে আপনার কিছু প্রশ্নের জবাব পাবেন

----

আমার মত অধমের কথা মনে পড়ছে শুনে ভাল লাগলো। সত্যি বলতে কি, আমিও আপনার মন্তব্য আশা করছিলাম এ পোস্টের ব্যাপারে।

আমার প্রশ্নের জবাব যারা দিতে পারতো, তাদের অনেকেই আজ নেই, আর অনেকে এমন ভাবে বিক্রি হয়ে গেছেন যে শুধু তাদের মুখের কথা বিশ্বাস করতে আমার বাঁধে। ক্রেডিবিলিটি অনেক বড় জিনিস।

মুক্তিযুদ্ধে যে কয়জনকে নিয়ে বিতর্ক আছে, তার মধ্যে জিয়া অন্যতম। সেটা নিয়ে কথা বললে কমন উত্তর আসবে, "ব্যাটা আওয়ামীলীগ"। এ উত্তর তারাই দেবে যারা মুক্তিযুদ্ধকে, জিয়াকে ব্যাবহার করে নিজের জন্য। মানুষকে মহামানব বানাতে যখন দেখবেন, ধরে নেবেন এর মধ্যে 'কিন্তু' আছে।

এই পোস্টেও দেখেন কেউ কেউ অকারনে পিয়াল ভাইকে নিয়ে খোঁচানী শুরু করছে, অথচ এদেরকে কখনো দেখি নি, পিয়াল ভাইএর উপস্থাপনা করা কোন তথ্যের বিরুদ্ধে কোন প্রমান হাজির করতে। তাই ধরে নিচ্ছি, যুক্তিত হেরে যাওয়ার শোধ নেবার চেষ্টা হিসেবে।

লেখাটা এমন একজনের, যাকে আমি সম্মান করি। তাই মনে হয়েছে লেখাটা এখন পর্যন্ত অপূর্ন আছে। এমন কিছু জিনিস এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, যা উনি জানেননা বলে মানতে ইচ্ছে হচ্ছেনা। তথ্যের অর্থ কিন্তু উপস্থাপনের উপরও নির্ভর করে। তাই ঠিক করেছি, অপেক্ষা করে উনার পুরো বক্তব্য পড়ে নিজের প্রশ্ন তুলে ধরব।
৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫০
ও.জামান বলেছেন: স্যরি, হাসান শহীদ ফেরদৌস। আপনি পিয়াল সাহেবকে কতদিন যাবৎ চেনেন? আপনি কি জানেন যে উনি পর্নো সাইট চালান ? আপনি কি জানেন যে উনি শীর্ষ সন্ত্রাসী গোলাম ফারুক অভির সহযোগী ছিলেন? তারপরও ওনার কিছু ভাল লেখা আছে। তবে ওনার ছাত্র-জীবনের সেই সন্ত্রাসী আচরণ এখনো এই ব্লগকে কলুষিত করে প্রতিনিয়ত। এটাই সত্যি।

ওনার মতের সাথে যেই ব্লগাররের মত পার্থক্য হবে তাকেই উনি গালাগাল করে ব্লক করে দেবেন



আমরা ওনার মত আজ ছাত্রদলের সন্ত্রাসী তো কাল ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী ছিলাম না।
১০. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৬
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: যুদ্ধবাজ বলেছেন: পিয়াল মিয়ারে জিগান । ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৫ লেখক বলেছেন: পিয়াল ভাইকে আগেই জিগাইছি মাগার উনি কিছু কইবার পারে নাই । যুদ্ধবাজ বলেছেন: কইতে পারবোও না, ওই মামায় ফ্যাক্ট আর ফিকশনের পার্থক্য একটু কম বুঝেন। আর আমরাও হের বানানো ফিকশন গিল্লা মজাক পাই আর বাহবা দেই। ও.জামান বলেছেন: স্যরি, হাসান শহীদ ফেরদৌস। আপনি পিয়াল সাহেবকে কতদিন যাবৎ চেনেন? আপনি কি জানেন যে উনি পর্নো সাইট চালান ? আপনি কি জানেন যে উনি শীর্ষ সন্ত্রাসী গোলাম ফারুক অভির সহযোগী ছিলেন? তারপরও ওনার কিছু ভাল লেখা আছে। তবে ওনার ছাত্র-জীবনের সেই সন্ত্রাসী আচরণ এখনো এই ব্লগকে কলুষিত করে প্রতিনিয়ত। এটাই সত্যি।
১১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৮
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: @ হাসান শহীদ ফেরদৌস

আমি যাদেরকে কাছ থেকে জবাব পাবার জন্য এই ব্লগ লিখেছি আপনি তাদের অন্যতম । প্লিজ আপনার জানাটা এখানে শেয়ার করুন ।

আর এখানে যে যে তিনটি পদক্ষেপের তথ্য আর আমার প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে সেখানে আর কি কি তথ্য যুক্ত থাকা উচিত , প্লিজ পরামর্শ দেন । আমি যুক্ত করে দিব ।
১২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩২
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:


মুক্তিযুদ্ধে যে কয়জনকে নিয়ে বিতর্ক আছে, তার মধ্যে জিয়া অন্যতম।


----------------->>> এই বিশ্বাস মাথায় নিয়া ব্লগে আইসা ইতিহাস খুজলে স্বাধীনতার ইতিহাস ভালই জানা হবে|


আর জিয়ার মুক্তি যুদ্ব নিয়া কি বিতর্ক আছে, সে টা একটু বলুন মঁশায়...???

আমরা শুনে নতুন ইতিহাস শিখি|

জিয়া কী যুদ্ব না করে আওয়ামীলীগের অনেক বড় বড় নেতাদের মত মুজিব কোট গায়ে দিয়ে কোলকাতার কুঠি বাড়িতে .......???
১৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৬
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস এখন কিছু বলবেন না বা বলতে পারবেন না|

উনি ব্লগীয় গুরুদের সাথে যোগাযোগ করছেন, সেই ব্লগীয় ইতিহাসবিদদের কাছ থেকে "লাগসই ইতিহাস" জানবেন তারপর এই বিষয়ে কমেন্ট করবেন........
১৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৬
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: স্যরি, হাসান শহীদ ফেরদৌস। আপনি পিয়াল সাহেবকে কতদিন যাবৎ চেনেন? আপনি কি জানেন যে উনি পর্নো সাইট চালান ? আপনি কি জানেন যে উনি শীর্ষ সন্ত্রাসী গোলাম ফারুক অভির সহযোগী ছিলেন? তারপরও ওনার কিছু ভাল লেখা আছে। তবে ওনার ছাত্র-জীবনের সেই সন্ত্রাসী আচরণ এখনো এই ব্লগকে কলুষিত করে প্রতিনিয়ত। এটাই সত্যি।

ওনার মতের সাথে যেই ব্লগাররের মত পার্থক্য হবে তাকেই উনি গালাগাল করে ব্লক করে দেবেন


--------------


পর্ণ সাইট বিষয়ে আমার জ্ঞান এই ব্লগের অনেকের মত এত সমৃদ্ধ নয়। পিয়াল ভাইয়ের সাথে প্রথম পরিচয় এই ব্লগে, উনার লেখার মাধ্যমে। ব্যাক্তিগত পরিচয় নেই। সমালোচনা প্রচুর দেখেছি এই কথা বলে, সবই আমার কাছে ব্যাক্তি আক্রমন বলে মনে হয়েছে, তথ্যের ব্যাপারে উনার লেখা আমার কাছে বিশ্বস্ত বলেই মনে হয়েছে। যারা উনার সমালোচক, তারা যদি তার কাজটা করে দেখাতে পারত, আমি খুশি হতাম।

ব্যাক্তি পিয়ালকে নিয়ে আমার মাথাব্যাথা নাই। আমার চারপাশে আমি অনেক মানুষের অনেক আচরন জানি, সে মানুষগুলোকে এই সমাজের প্রায় সবাই মনে হয় শ্রদ্ধা করবে, সম্মান করবে। কিন্তু ব্যাক্তিগত পর্যায়ে জানার কারনে আমি জানি, সমাজে যে চেহারা মানুষ দেখায়, তার বাইরেও চেহারা থাকে। পিয়াল ভাইয়ের তো এটলিস্ট সত্যিটা বলার সাহস আছে। সবার সেটা থাকে না, যাদের থাকে, আমি তাদের শ্রদ্ধাই করি।

গালাগালের কথা বলছেন? আমি নিজে গালাগালী করতে পছন্দ করি না। কিন্তু কিছু লেখা দেখেন, আজকের লেখাঃ
Click This Link

খুব সুন্দর করে গুছিয়ে লেখা। কিন্তু কি নিয়ে কি লেখা হয়েছে পড়ে দেখেন। সকালে উঠে লেখাটা পড়ে মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, কুত্তার বাচ্চা কোথাকার।

আমি তথাকথিত সুশীল, আমার গালীটা তাই আমার নিজের মাঝেই থাকলো, এই ব্লগে লিখলে আপনি এখন আমাকে গালীবাজ বলতেন। কিন্তু গালী আমি ঠিকই দিছি। এখানে আমার সাথে পিয়াল ভাইয়ের পার্থক্য।

ব্যাক্তিপুজা আমি করি না। কিন্তু কারো ভাল কাজ দেখলে তাকে শ্রদ্ধাই করি। এবং করব।
১৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৮
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: @ হাসান শহীদ ফেরদৌস

আমি যাদেরকে কাছ থেকে জবাব পাবার জন্য এই ব্লগ লিখেছি আপনি তাদের অন্যতম । প্লিজ আপনার জানাটা এখানে শেয়ার করুন ।

আর এখানে যে যে তিনটি পদক্ষেপের তথ্য আর আমার প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে সেখানে আর কি কি তথ্য যুক্ত থাকা উচিত , প্লিজ পরামর্শ দেন । আমি যুক্ত করে দিব।

---------

ধন্যবাদ। আপনি এই লেখা লেখার সময় আমার কথা মাথায় রেখেছেন যেনে আশ্চর্য হয়েছি। ব্লগে যে সময়টা দেই প্রতিদিন, তা আমার কাছে ফালতু কাজে সময় নষ্ট বলেই মনে হত এতদিন, আজ তা থেকে সামান্য সরে এলাম।

বিস্তারিত লিখার সময় এখন নেই, মূল কারন, রেফারেন্স বইগুলো হাতে নেই আমার, তবে পয়েন্টগুলো উল্লেখ করি। মুক্তিযুদ্ধে জিয়ার ভূমিকা আমার কাছে একটু রহস্যময়। যখন সময় ছিল তখন এ নিয়ে আরো পড়াশোনা করা উচিত ছিল, এখন ইচ্ছা থাকলেও উপায় পাচ্ছি না। প্রবাস জীবনে সব শখ মেটানো যায় না।

প্রথম কনফিউশন জাগে লক্ষ প্রানের বিনিময়ে বইটি পড়ে। আপনি নিশ্চয়ই বইটি পড়েছেন। লেখক ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম মৃদুভাবে জিয়ার প্রতি যে অভিযোগ করেছেন তা আমার কাছে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে হয়েছে। ২৬ থেকে ৩১শে মার্চ জিয়ার ভূমিকা আমার কাছে ধোয়াটে। সম্ভবত এ কারনে জিয়াকে অনেকেই বিশ্বাস করতেন না।

আরেকটি বইতে জিয়ার সমালোচনা করা হয়েছে বেশ নগ্নভাবেই, বইটির ক্রেডিবিলিটি তাই আমার কাছে তেমন বেশি একটা নেই। বইটির নাম - অন্তর্ঘাত ১৯৭১। লেখকের নাম মনে নেই। লেখকের ব্যাক্তিগত মতামতকে আমি তেমন গুরুত্ব দিচ্ছি না, কিন্তু সমকালীন ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন লেখকের উদ্ধৃতি দিয়ে যে প্রশ্ন তিনি উত্থাপন করেছেন, তার বক্তব্য একই - ২৬ থেকে ৩১শে মার্চ জিয়ার ভূমিকা।

আংশিক সত্য মিথ্যার চাইতেও খারাপ। আপনি সম্ভব হলে এ নিয়ে কিছু লিখুন, সত্য জানতে এবং মানতে আমি কখনই দ্বিধা করিনা।

ওসমানীর ভূমিকা আমার কাছে যথেষ্ট পরিস্কার নয়। উনার দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন নেই, প্রশ্ন উনার সামর্থ নিয়ে। ১৯৭১ এ একজন বর্ষিয়ান রাজনৈতিক নেতা তিনি, সমরবিদ কতটুকু ছিলেন তা আমি জানি না। যুদ্ধকালীন উনার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, উত্তর দিতে পারেননি কেউই। তবে উনার দেশপ্রেম নিয়ে সন্দেহ নেই। কোন পদক্ষেপ ভাল না মন্দ ছিল তা ৩৯ বছর পরে আমরা অনেক সহজে বিচার করতে পারি। উপস্থিত মুহুর্তে তা সব সময় বোঝা যায় না। উনার কর্মকান্ড সম্পর্কে আমার মূল্যায়ন (নিতান্ত অসামরিক একজন মানুষ হিসেবে সম্পূর্ন ব্যাক্তিগত) - ১৯৭১ এ সমগ্র বাঙ্গালী জাতি যে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল, সে যুদ্ধ পরিচালনা করার যথেষ্ট যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং দূরদর্শিতা তার ছিল না। (একজন মৃত মানুষের সমালোচনা করার জন্য দুঃখিত, মানুষটি এখানে ব্যাক্তি নন, একটি পদবী, সে পদে তার কাজের মূল্যায়ন মাত্র)

----
জিয়া প্রথমে ছিলেন ১ নং সেক্টরের অধিনায়ক , পরে নিয়মিত ব্রিগেড জেড ফোর্সের অধিনায়ক হন । -

আপনি একটু চেক করে দেখবেন, আমার যতটুকু মনে পড়ে লক্ষ প্রানের বিনিময়ে বইটিতে মে মাসে যে শীর্ষ পর্যায়ের সামরিক বৈঠকে ১১ টি সেক্টর ও তাদের সীমারেখা চিহ্নিত করা হয়, সে বৈঠকেই প্রথম সেক্টর কমান্ডার হিসেবে রফিকুল ইসলামকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়। ১ নং সেক্টরে ২৫ শে মার্চের রাত থেকেই যুদ্ধ করে আসছিল ক্যাপ্টেন রফিকের নেতৃত্বে সৈন্যরা, তাই তাকে এই সেক্টরের দ্বায়িত্ব দেয়াতে আমি কোন সমস্যা দেখি না।

ওসমানীর সাথে জিয়ার বিরোধ নিয়ে নানান মতবাদ আছে। গল্পের বই থেকে উদ্ধৃতি দেবার জন্য দুঃখিত, ইতিহাসের বই এখন হাতের কাছে নেই।


১৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫২
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:----------------->>> এই বিশ্বাস মাথায় নিয়া ব্লগে আইসা ইতিহাস খুজলে স্বাধীনতার ইতিহাস ভালই জানা হবে

আপনার মত আমি আগে সিদ্ধান্ত নিয়ে পরে যুক্তি খুঁজি না।

"আমরা শুনে নতুন ইতিহাস শিখি" - আপনি কিছু শিখবেন না, শেখার আগ্রহ আপনার নেই। আপনার একমাত্র আগ্রহ মানুষকে ব্যাক্তি আক্রমন করা। এই ব্লগে আপনি ক্রমাগত অন্যকে ব্যাক্তি আক্রমন করে যান, কখনো নিজের কথা কোন রেফারেন্স দিয়ে প্রমান করতে পারেন না। কোলকাতার সমস্ত কুটিবারী আপনার চেনা, আপনার আগ্রহ কুটিবারীর কাস্টোমারদেরকে নিয়েই। মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা রাখা কয়েকজন নেতার নাম বলেন আগে।

---------


বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস এখন কিছু বলবেন না বা বলতে পারবেন না|

উনি ব্লগীয় গুরুদের সাথে যোগাযোগ করছেন, সেই ব্লগীয় ইতিহাসবিদদের কাছ থেকে "লাগসই ইতিহাস" জানবেন তারপর এই বিষয়ে কমেন্ট করবেন........

---------

আমার গুরু আমার নিজের বিবেক, সবার আগে তাকেই প্রশ্ন করি, জবাব না পেলে আরেকটু জানার চেষ্টা করি। মগবাজারী ইতিহাস দিয়ে আমার মগজ ধোলাই হয় নি।

আমার কমেন্টটি এখানকার সময় রাত তিনটার সময় করা, আমাকে ঘুমাতে হয়, নিজের পড়াশোনা এবং কাজ করতে হয়, তারপর সময় পেলে ব্লগিং করি। কমেন্টের ১২ ঘন্টা পার হল না, ঘেউ ঘেউ করা শুরু করে দিলেন কেন? এত বেশী ফাল পারবেন না।

ভবিষ্যতে ব্যাক্তিগত দূরত্ব এবং রেসপেক্ট বজায় রেখে কথা বলবেন, নয়ত আমার ব্যাপারে কমেন্ট করবেন না।


----------


@লেখকঃ আপনার ব্লগে আমাকে ব্যাক্তি আক্রমন যারা করছে, তাদের কথা বলার এপ্রচ খেয়াল রাখবেন প্লিজ। এদের কারনে শালীনতা সব সময় বজায় রাখা যায় না। আপনার ব্লগের পরিবেশ এরাই নষ্ট করছে এবং করবে।
১৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০২
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: "মুক্তিযুদ্ধে জিয়ার ভূমিকা আমার কাছে একটু রহস্যময়।"
আমার কাছে তো গোটা জীবনই রহস্যময় ।আমার আরেকটি লেখা:

১৯৭৫ সালে ঘাত-সংঘাতময় সময়ের এক দু্র্বোধ্য চরিত্রের কথা !!!
১৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৯
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: "মুক্তিযুদ্ধে জিয়ার ভূমিকা আমার কাছে একটু রহস্যময়।"
আমার কাছে তো গোটা জীবনই রহস্যময়
----

হাহাপগে। ঠিক বলেছেন। জিয়া ফিল্ড ইন্টেলিজেন্সের লোক ছিলেন। The man who always covered his eyes

তবে আমি একথা বলেছি আলোচনার টপিকে ফোকাসড থাকার জন্য।
১৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১১
অন্তীম বলেছেন: মানিক ভাই এইটা কি লিখলেন ?

আপনাকে ছাগু , রাজাকার , ইতিহাস বিকৃতিকারী, ষড়যন্ত্রকারী ইত্যাদি বিশেষনে ভূষিত করবে চেতনা (পর্ণো) ব্যবসায়ীরা।

ভাল থাকবেন।
২০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫২
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: @হাসান শহীদ ফেরদৌস

"কনফিউশন জাগে লক্ষ প্রানের বিনিময়ে বইটি পড়ে। আপনি নিশ্চয়ই বইটি পড়েছেন। লেখক ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম মৃদুভাবে জিয়ার প্রতি যে অভিযোগ করেছেন তা আমার কাছে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে হয়েছে।"

সোয়াত থেকে অস্ত্র খালাস করার জন্য জিয়ার যাত্রা নিয়ে বিতর্ক । স্বয়ং জিয়াও তা' অস্বীকার করেননি । জিয়ার নিবন্ধে এর উল্লেখ আছে । বিধায় , আমার এক লেখায় ছিল -"আবার অনেকে যথার্থ চেতনা ও দুরদর্শিতার অভাবে প্রাত্থমিক পর্যায়ে পাকিস্তানের পক্ষে অস্ত্র খালাস কার্যে নিয়োজিত থাকলেও পরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করেন যেমন মেজর জিয়া।"


"আমার যতটুকু মনে পড়ে লক্ষ প্রানের বিনিময়ে বইটিতে মে মাসে যে শীর্ষ পর্যায়ের সামরিক বৈঠকে ১১ টি সেক্টর ও তাদের সীমারেখা চিহ্নিত করা হয়, সে বৈঠকেই প্রথম সেক্টর কমান্ডার হিসেবে রফিকুল ইসলামকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়।"

মে নয় , সে সম্মেলন হয়েছিল জুলাই ১০-১৬ তারিখে ।শুরুতে সেক্টর ছিল চারটি যার প্রথমটির অধিনায়ক ছিলেন জিয়া ।

"১৯৭১ এ সমগ্র বাঙ্গালী জাতি যে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল, সে যুদ্ধ পরিচালনা করার যথেষ্ট যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং দূরদর্শিতা তার ছিল না।"

ওসমানীর নিয়োগই ছিল রাজনৈতিক , তিনি লীগের এমএনএ ছিলেন । খালেদ-সফিউল্লাহর বস একটিভ লে. ক.রেজাকে বাদ দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেলকে সেনাপতি বানানোর মাজেজা কি ? মাইদুল হাসানের মূ্লধারা '৭১ এ তার ভূমিকার অনেক সমালোচনা আছে যা আপনার মূ্ল্যায়নের সাথে মিলে যায় ।

"১ নং সেক্টরে ২৫ শে মার্চের রাত থেকেই যুদ্ধ করে আসছিল ক্যাপ্টেন রফিকের নেতৃত্বে সৈন্যরা, তাই তাকে এই সেক্টরের দ্বায়িত্ব দেয়াতে আমি কোন সমস্যা দেখি না।"

রফিককে কেন দেয়া হল সেটা আমার প্রশ্ন নয় । পুরো মুক্তিযুদ্ধে তার ভূ্মিকায় প্রমানিত হয়েছে যে , তার নিয়োগ সঠিক ছিল । আমার প্রশ্ন কি কারনে জিয়াকে সরাতে হলো এবং মীর শওকতকে জিয়ার কাছ থেকে সব কিছু বুঝে নিতে বলা হল ? পরবর্তি দায়িত্ব বুঝে নিতে স্টাফ প্রধান কর্ণেল রবের সাথে দেখা করার নির্দেশ দেয়া হয় । তিনি দেখা করেন কিন্তু কোনো দায়িত্ব পাননি । দায়িত্ব-কর্মহীন অবস্থায় থাকাকে কি ওএসডি বলা যায় ? শাফায়াত জামিল ও হামিদুল্লাহর যে অভিন্ন মত মানে ষড়যন্ত্র করে তাকে সরানো হয়েছে এটা কি সত্য ? যদি তাই হয় তবে কি সেই ষড়যন্ত্র ? এবং কেন এই ষড়যন্ত্র ? নাকি জিয়ারই কোন ভূমিকার জন্য শাস্তিমূ্লক এই ব্যবস্থা ?

"গল্পের বই থেকে উদ্ধৃতি "(1st scanned page)

আমাকে এগারো নম্বর সেক্টরের কো্ম্পানী অধিনায়ক ঐ কামালপুর অপারেশনের কথাই বলেছেন । (আমার এই লেখায় মুজিব বাহিনী অংশ পড়ু্ন , শুরুতেই জিয়ার কথা আছে ।)

Regarding 2nd scanned page: একাধিক গ্রন্থে জিয়ার এই মতামতের কথা আছে । আমি এখানে মাইদুল হাসানের মূ্লধারা '৭১ থেকে কোট করছিঃ

"জুলাইয়ে সেক্টর অধিনায়কদের সম্মেলনের প্রাক্কালে ‘মুক্তিযুদ্ধের অধোগতি রোধ’ এবং ‘কমান্ড ব্যবস্হার উন্নতি সাধনের’ উদ্দেশ্যে এক ‘যুদ্ধ কাউন্সিল’ গঠনের প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। সেক্টর অধিনায়কদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের সাথে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে এবং তাদের সমবায়ে ‘যুদ্ধ কাউন্সিল’ গঠনের এই উদ্যোগের পিছনে মেজর জিয়াউর রহমান মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। প্রধান সেনাপতি ওসমানীকে দেশরক্ষা মন্ত্রী পদে ‘উন্নীত’ করে সাতজন তরুণ অধিনায়কের সমবায়ে গঠিতব্য এক কাউন্সিলের হাতে মুক্তিযুদ্ধের সমগ্র ব্যবস্হাপনার দায়িত্ব অর্পণই ছিল আলোচ্য প্রস্তাবের সার কথা। কিন্তু প্রস্তাবের মূলমর্ম ওসমানীর নেতৃত্বের প্রতি অনাস্হাব্যঞ্জক হওয়ায় কর্নেল ওসমানী ১০ই জুলাই সম্মেলনের প্রথম দিনেই প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। সেক্টর অধিনায়কদের মধ্যে খালেদ মোশাররফ উত্থাপিত ‘যুদ্ধ কাউন্সিল’ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। তাজউদ্দিনের চেষ্টায় ওসমানীর পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার হতে কেটে যায় একদিনেরও বেশী সময়। সেক্টর অধিনায়কদের সম্মেলনের এই অপ্রীতিকর সূচনা সত্ত্বেও তারপর কয়েকদিনের আলোচনায় বিভিন্ন সেক্টরের সীমানা পুনঃনির্ধারণ, মুক্তিবাহিনীর শ্রেণীকরণ ও দায়িত্ব অর্পণ, সশস্ত্র তৎপরতার লক্ষ্য ও পরিসীমা নির্ধারণ, দেশের অভ্যন্তরে গেরিলা ঘাঁটি নির্মাণ, প্রতিপক্ষের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, যোগাযোগ ইত্যাদি বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। "


২১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩২
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে পুরোপুরি একমত। ১৯৭১ এ ওসমানীর সাথে জিয়া এবং আরো কয়েকজন যোদ্ধার ব্যাক্তিগত বিরোধ আমাদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

"সোয়াত থেকে অস্ত্র খালাস করার জন্য জিয়ার যাত্রা নিয়ে বিতর্ক । "

বিতর্ক শুধু এ নিয়ে নয়। ২৫-৩১শে মার্চ চট্রগ্রামে যে মরণপণ যুদ্ধ হয়েছিল, সে যুদ্ধে জিয়া অংশ নেননি, নিরাপদে সরে এসেছিলেন। নয়ত আমার বিশ্বাস, মুক্তিযুদ্ধের গতিপথ ভিন্ন হতে পারত। নিরবতার মূল্য কখনো কখনো খুব বেশী হয়।

আমার যত দ্বিধা তা ১৯৭১ এর ২৫শে মার্চ থেকে ৩১শে মার্চ পর্যন্ত জিয়ার ভূমিকা নিয়ে। এ নিয়ে তথ্য পাওয়া যায় খুব কম, আর জিয়া পরবর্তিতে ক্ষমতায় যাওয়ায়, এবং তার মৃত্যুর পর তাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে যারা ব্যাবহার করে, তারা সদা ব্যাস্ত তাকে দেবতার আসনে বসাতে। এনিয়ে প্রশ্ন তুললে তাই কেউ তথ্য দিয়ে জবাব দেয় না, জবাব দেয় ব্যাক্তি আক্রমন করে।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: শুনেছি, কামালপুর থেকেও জিয়া হঠাৎ উধাও হয়ে যান !!

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: আমি ঐ সময়ে (২৫শে মার্চ থেকে ৩১শে মার্চ ) জিয়ার ভূমিকা নিয়ে খোজ খবর নিয়ে লিখব ।

২২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫০
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ। অপেক্ষা করলাম।
২৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: আপনার জন্যঃ

Click This Link
Click This Link

সময় করে দেখবেন। আশা করি ভাল লাগবে।
২৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৬
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: "পিয়াল ভাইয়ের সাথে প্রথম পরিচয় এই ব্লগে, উনার লেখার মাধ্যমে। ব্যাক্তিগত পরিচয় নেই। সমালোচনা প্রচুর দেখেছি এই কথা বলে, সবই আমার কাছে ব্যাক্তি আক্রমন বলে মনে হয়েছে, তথ্যের ব্যাপারে উনার লেখা আমার কাছে বিশ্বস্ত বলেই মনে হয়েছে। যারা উনার সমালোচক, তারা যদি তার কাজটা করে দেখাতে পারত, আমি খুশি হতাম।"

আমার মনের কথা । ব্লগাস্ফিয়ারে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়্ক লেখালেখিতে পিয়ালকে আমি বস মানি । কালেকশন আর কানেকশনে তিনিই বেস্ট ।

২৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৬
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: আস্তে বলেন, পিয়াল ভাইরে এই বিষয়ে বস মানেন শুনলে অনেকে আবার খেইপা যা তা বলা শুরু করব। ;) ;)


প্রথম মন্তব্যের জবাবে আপনার কথা শুনে যারা ফাল দিয়া উঠছিল, পরে তারা অফ হইয়া গেছে, বুঝছে আপনেরে এইসব কইয়া লাভ নাই। আহারে, বেচারারা।
২৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪১
ও.জামান বলেছেন: "হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ....আমি তথাকথিত সুশীল, আমার গালীটা তাই আমার নিজের মাঝেই থাকলো, এই ব্লগে লিখলে আপনি এখন আমাকে গালীবাজ বলতেন। কিন্তু গালী আমি ঠিকই দিছি। এখানে আমার সাথে পিয়াল ভাইয়ের পার্থক্য।..."

দেখুন জীবনের একটি প্রাত্যহিক কাজ আমরা টয়লেটে করি। সবাই জানি আমরা টয়লেটে কিভাবে কি করি। কিন্তু কাজটা আমরা জন সমক্ষে করি না। জনসমক্ষে কাজটা করলে তা হবে বিকৃত রুচি। পিয়াল সাহেবের এই মাথা গরম আচরণ তার লেখার ওজনকে কমিয়ে দেয়। দেখুন ওনার এই লেখাটায় আমি মন্তব্য করেছি....।
Click This Link
অন্যকে আক্রমণ করলে নিজে আক্রমনের শিকার হবেন এটাই স্বাভাবিক।

এই পোস্টেই এক জায়গায় আপনি বললেন, "মুক্তিযুদ্ধে যে কয়জনকে নিয়ে বিতর্ক আছে, তার মধ্যে জিয়া অন্যতম। সেটা নিয়ে কথা বললে কমন উত্তর আসবে, "ব্যাটা আওয়ামীলীগ"। এ উত্তর তারাই দেবে যারা মুক্তিযুদ্ধকে, জিয়াকে ব্যাবহার করে নিজের জন্য।" আবার বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত এর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বললেন, "মগবাজারী ইতিহাস দিয়ে আমার মগজ ধোলাই হয় নি।"। মতের অমিল হলেই তাকে ছাগল/আওয়ামী লীগ/মগবাজারী বলার ঊর্ধে কিন্তু আপনি নিজেও উঠতে পারলেন না। তাদের মত আচরণ করলেন যারা মুক্তিযুদ্ধকে, জিয়াকে অপব্যবহার করে নিজের জন্য।

"হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: আস্তে বলেন, পিয়াল ভাইরে এই বিষয়ে বস মানেন শুনলে অনেকে আবার খেইপা যা তা বলা শুরু করব। প্রথম মন্তব্যের জবাবে আপনার কথা শুনে যারা ফাল দিয়া উঠছিল, পরে তারা অফ হইয়া গেছে, বুঝছে আপনেরে এইসব কইয়া লাভ নাই। আহারে, বেচারারা।"

আপনি যেমন ব্যস্ত, অন্যরাও তা হতে পারে। এমন কটাক্ষ করা কি ঠিক্?

আপনি বারবার লক্ষ প্রানের বিনিময়ে বইটার রেফারেন্স দেন। বইটির লেখক আপনার ভাষ্য অনুযায়ী "আর অনেকে এমন ভাবে বিক্রি হয়ে গেছেন" রোগে আক্রান্ত। সেনা বাহিনী হতে বরখাস্ত হয়ে চরম আওয়ামী বিরোধী লিখা লিখেছেন যার রেফারেন্স মেজর ডালিমের ওয়েব পেজ এবং বইতে শোভা পাচ্ছে। আবার রাজনৈতিক ডিগবাজী দেয়ার পর লেখার দিক পরিবর্তন হয়ে গেছে।

যাই হোক আমি আসলে মূল আলোচনা থেকে অনেক দুরে সরে গিয়েছিলাম। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি এই লেখার পরবর্তী কিস্তির জন্য।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: মেজর ডালিমের বইতে যার রেফারেন্স আছে তিনি 'লক্ষ প্রানের বিনিময়ে'বইয়ের লেখক সেক্টর অধিনায়ক মেজর রফিকুল ইসলাম নন বরং ৮ নং সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা মেজর রফিকুল ইসলাম পিএসসি যিনি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সর্বাধিক(৪০এর বেশি ) বই লিখেছেন ।

২৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৮
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @ওজামান: জনসমক্ষে যখন রাজাকাররা লাদি ছড়ায়, তখন আমরা সুশীলরা নাক চেপে হেটে চলে যাই, তাতে আমার সমস্যা মেটে, গন্ধ কিন্তু রয়েই যায়।

পিয়াল ভাইয়ের গালাগালীর পেছনের ঘটনাগুলো কি দেখেছেন? অনেক সময় দেখেছি উনি সামান্যতেই কোন ব্লগারকে গালী দিচ্ছেন। কিন্তু অতীত ঘেটে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই দেখবেন উক্ত ব্লগার অন্যত্র এমন কোন মন্তব্য/লেখা দিয়েছেন যেটা তার চরিত্রকে প্রকাশ করে দিয়েছে।

মত প্রকাশের অধিকার আর মিথ্যাচারের অধিকার এক নয়। গালি আমি নিজেই দিতে চাই না, কিন্তু গালী চলে আসে। সবার ধৈর্য হয়ত সমান নয়।

---

মগবাজারী ইতিহাস দিয়ে আমার মগজ ধোলাই হয় নি।"। মতের অমিল হলেই তাকে ছাগল/আওয়ামী লীগ/মগবাজারী বলার ঊর্ধে কিন্তু আপনি নিজেও উঠতে পারলেন না।

----


১৩ নং মন্তব্য খেয়াল করুন। আমাকে ব্যাক্তি আক্রমন করা হলে আমি ছেড়ে কথা বলব না। কথাটা আপনাকে বলিনি, যাকে বলেছি সে বুঝেছে বলেই আমার বিশ্বাস। আমার দিকে ঢিল ছুড়লে আমি পুরো পাহাড় ছুড়ে মারব।

আমি শুধু ভিন্নমতের কারনে কাউকে মগবাজারী বলি না, কিন্তু এই ব্যাক্তিটির কার্যক্রম কয়েক মাস অবসার্ভ করেই এমন মন্তব্য করেছি। আমাকে যখন ব্যাক্তি আক্রমন করা হল, আপনি/আপনারা কিন্তু তার প্রতিবাদ করেননি, বাধ্য হয়ে আমাকে নিজেকেই এর জবাব দিতে হয়েছে। কারো কারো লেখার মধ্যে যে উস্কানী থাকে তা কি আপনাদের চোখে পড়ে না?

---

আপনি যেমন ব্যস্ত, অন্যরাও তা হতে পারে। এমন কটাক্ষ করা কি ঠিক্?

--

আমি শুরু করিনি। এবং আপনাকেও বলিনি। যুদ্ধবাজ এবং বিদ্রোহী র প্রতি।

----

লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে বইটি কিন্তু অনেক আগেই লিখিত। আওয়ামীলীগ ধোয়া তুলসীপাতা নয়, তার সমালোচনা উনি করতেই পারেন। কিন্তু বইটিতে যে তথ্য উনি দিয়েছেন, তা কি ভুল? আমি ব্যাক্তিগত মতামতকে গুরুত্ব দেই নি। উনার অভিযোগটি গুরুত্বপূর্ণ, আমি এর কোন সদুত্তর পাইনি। দেখা যাক মানিক ভাই এ নিয়ে কি বলেন। আমিও অপেক্ষা করছি।
২৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২০
ও.জামান বলেছেন: লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে বইটিতে অনেক ভুল রয়েছে। সেগুলো নিয়ে একটি স্বতন্ত্র পোস্ট দেব ভাবছি। তবে এখানে আপনি যে রেফারেন্স দিয়েছেন অর্থাৎ, "আপনি একটু চেক করে দেখবেন, আমার যতটুকু মনে পড়ে লক্ষ প্রানের বিনিময়ে বইটিতে মে মাসে যে শীর্ষ পর্যায়ের সামরিক বৈঠকে ১১ টি সেক্টর ও তাদের সীমারেখা চিহ্নিত করা হয়, সে বৈঠকেই প্রথম সেক্টর কমান্ডার হিসেবে রফিকুল ইসলামকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়।" এটি চরম ইতিহাস বিকৃতি। যুদ্ধের কোন দলিলে এর স্বপক্ষে কোন প্রমান নেই।

পরিবর্তিত পরিস্থিতির জন্য একজনের অতীত অবদানকে খাটো করার মধ্যে বিকৃত আনন্দ আছে। তবে সে আনন্দ সূস্থ্য মানষে কাম্য নয়।

আপনাকে যেমন ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয় আমাকেও করা হয়। তার জবাবটা আমি ভদ্র ভাষাতেই দেয়ার চেষ্টা করি কিন্বা অগ্রাহ্য করি। সেটাই বোধহয় করা উচিত।
২৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩০
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: আপনি একটু চেক করে দেখবেন, আমার যতটুকু মনে পড়ে লক্ষ প্রানের বিনিময়ে বইটিতে মে মাসে যে শীর্ষ পর্যায়ের সামরিক বৈঠকে ১১ টি সেক্টর ও তাদের সীমারেখা চিহ্নিত করা হয়, সে বৈঠকেই প্রথম সেক্টর কমান্ডার হিসেবে রফিকুল ইসলামকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়।" এটি চরম ইতিহাস বিকৃতি। যুদ্ধের কোন দলিলে এর স্বপক্ষে কোন প্রমান নেই।

----

বুঝলাম না। সব তারিখ আমার মুখস্ত নেই। এজন্যই "আমার যতটুকু মনে পড়ে" বলেছি এবং মানিক ভাইকে কনফার্ম করতে বললাম। উনি জানালেন যে জুলাই ১০-১৬ তারিখে এই সম্মেলন হয়েছিল। এখানে ইতিহাস বিকৃতি হল কিভাবে? আপনি সবগুলো মন্তব্য পড়ে দেখুন।

----------

পরিবর্তিত পরিস্থিতির জন্য একজনের অতীত অবদানকে খাটো করার মধ্যে বিকৃত আনন্দ আছে। তবে সে আনন্দ সূস্থ্য মানষে কাম্য নয়।

---------

আমি কারো অবদান খাটো করছি না। মেজর জিয়া একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু তাই বলে তার কোন আচরনকে নিয়ে কি প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না? ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ থেকে ৩১ শে মার্চের যুদ্ধে উনি অংশগ্রহন করেছিলেন কিনা, এ নিয়ে যে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, সেটার উত্তর জানতে চেয়েছি আমি। এটাতে কাউকে খাটো করার কি আছে? কাউকে লম্বা না করাটা যদি আপনি এভাবে বলেন যে তাকে খাটো করা হয়েছে, তবে এ নিয়ে বলাটা বৃথা।
৩০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৫
যুদ্ধবাজ বলেছেন: @হাসান শহীদ ফেরদৌসঃ
"প্রথম মন্তব্যের জবাবে আপনার কথা শুনে যারা ফাল দিয়া উঠছিল, পরে তারা অফ হইয়া গেছে, বুঝছে আপনেরে এইসব কইয়া লাভ নাই। আহারে, বেচারারা।" ... "আমি শুরু করিনি। এবং আপনাকেও বলিনি। যুদ্ধবাজ এবং বিদ্রোহী র প্রতি।"
বললে অনেক কিছু-ই বলা যায়। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পর্বের অনেক কিছু নিয়েই দ্বিমত আছে, থাকাটাই স্বাভাবিক। যার সম্পর্কে কথা হচ্ছিলো তার ব্লগ সত্যিই খুব সমৃদ্ধ, স্যালুট ওনাকে এজন্য। কিন্তু কিছু কিছু ব্লগ পড়লেই বুঝা যায় উনি একপেশে সমর্থন করেন। আপনি রেফারেন্স নিয়ে বলবেন তো? কোন তথ্যের পক্ষে-বিপক্ষে দুই পক্ষ থেকেই রেফারেন্স দেয়া যেতে পারে। কিন্তু আমরা পড়ার সময়, ব্লগের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রেফারেন্স-ই দেখি, অপর পিঠ দেখিনা বা দেখার সময়-সুযোগ হয়ে ওঠেনা। এমনকি আমিও তার ব্লগের বিপক্ষের কোন রেফারেন্স হয়তো যোগার করে আপনার সামনে এনে দিতে পারবোনা, কারন আমার হাতে অজস্র সময় নেই।

আরেকটি ব্যাপার, ছোটবেলায় পড়েন নি "দূর্জন বিদ্যান হইলেও পরিত্যাজ্য" ছোটবেলার শিক্ষা এত দ্রুত ভুলে যাওয়া কোন প্রকৃত শিক্ষিত মানুষের লক্ষন নয়, কোন সুশিল ব্লগারের তো নয়ই। আপনি বলবেন রাজাকার খারাপ, আমি মানি, অবশ্যই তারা খারাপ। আপনি বলবেন জা-শি খারাপ। অবশ্যই তারা খারাপ। কিন্তু আমি যদি বলি একজন পর্ণো সাইটের দালাল যারা কিনা গোপনে ধারণ করা ভিডিও নেটে প্রকাশ করে পৈচাশিক আনন্দ লাভ করে ও একটি মেয়ের মান-সন্মান ও ইজ্জতকে নষ্ট করে দেয় তারা রাজাকার বা জা-শি বা পাকহানাদার বাহিনী যারা কিনা আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রমের ওপর হাত দিয়েছিলো তাদের থেকে কোন অংশে কম নয়, তাহলে কি খুব বেশী বলা হয়ে গেল? বাকিটা আপনার ভাববার বিষয়।
৩১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৫
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: সমস্যাটা হল, তুলনা আনা হয় যখন পিয়াল ভাই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কিছু বলেন। যারা সমালোচক, তাদের সময় নাই রেফারেন্স ঘাটার, কিন্তু সমালোচনা করার সময় আছে। ব্যাক্তি পিয়ালের যত খুশি সমালোচনা আপনি করুন, কিন্তু ভাল কাজের প্রসংসাওতো করবেন? অন্তত আমি শিখেছি, পাপীকে নয়, পাপকে ঘৃনা করতে।

রাজাকারদের অপরাধ আমি অন্য কোন অপরাধের সাথে মেলাই না। বিনা প্রসংগে আপার মন্তব্য আমার কাছে অযথা ব্যাক্তি আক্রমন বলেই মনে হয়েছে।
৩২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৭
ও.জামান বলেছেন: "সে বৈঠকেই প্রথম সেক্টর কমান্ডার হিসেবে রফিকুল ইসলামকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়।" অংশটুকুই চরম ইতিহাস বিকৃতি। যুদ্ধের কোন দলিলে এর স্বপক্ষে কোন প্রমান নেই।
৩৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৮
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: আপনার আপত্তি কি 'প্রথম' শব্দটা নিয়ে? আমি কিন্তু "মনে হয়" শব্দটা ব্যাবহার করেছিলাম। ২১ নং মন্তব্যে আমি মানিক ভাইয়ের কথা মেনে নিয়েছি। তারপরও বারবার "চরম ইতিহাস বিকৃতি" বলছেন কেন? সবগুলো মন্তব্য পড়ুন।

এ নিয়ে এর বাইরেও কোন প্রকৃত ইতিহাস থাকলে আপনি বলুন।
৩৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: @হাসান শহীদ:


আপনার উদ্দ্যেশে আমার প্রথম কমেন্ট ছিল:


বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস এখন কিছু বলবেন না বা বলতে পারবেন না|

উনি ব্লগীয় গুরুদের সাথে যোগাযোগ করছেন, সেই ব্লগীয় ইতিহাসবিদদের কাছ থেকে "লাগসই ইতিহাস" জানবেন তারপর এই বিষয়ে কমেন্ট করবেন........


------------------------->> এই কমেন্টের কোন লাইনটা অশ্লীল, রুচিহীন, আর ব্যাক্তিগত আক্রমনের পর্যায়ে পড়ে আমাকে একটু বলেন........!!!

আমিতো আপনাকে বা আপনার মা-বাবা-ভাই-বোনকে গালি দেইনি...


আবার আপনি "পার্সোনাল স্পেস" রেখে কথা বলতে বলেছেন|
শুনেন ভদ্রলোক, ব্লগ হল পাবলিক প্লেস, এখানে পার্সোনাল স্পেস চাওয়ার অর্থ হলো নিজেকে এলিট ভাবা নয়তো আতীত জীবনের নাক উঁচু সামাজিক অবস্হান বা মাস্তানী চরিত্রের প্রকাশ ছাড়া আর কিছু না|

ব্লগটা পাবলিকের জন্য, পার্সোনাল স্পেস চাইলে অন্য কোথাও যাবেন|

বাই দ্যা ওয়ে, আমাকে "মগবাজারী ইতিহাস দিয়ে আমার মগজ ধোলাই হয় নি।" টিটকারীর দেওয়ার পর আপনি কত বড় ভদ্দর লোক তা জানা হয়ে গেছে|

এটা কী পার্সোনাল আক্রমন নয়...??
এটা কি পার্সোনাল স্পেস ইনভেড করা নয়..??
মতের মিল না হলেই মগবাজারী বলা কি ভদ্রতা...??
৩৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৭
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:

আস্তে বলেন, পিয়াল ভাইরে এই বিষয়ে বস মানেন শুনলে অনেকে আবার খেইপা যা তা বলা শুরু করব।

প্রথম মন্তব্যের জবাবে আপনার কথা শুনে যারা ফাল দিয়া উঠছিল, পরে তারা অফ হইয়া গেছে, বুঝছে আপনেরে এইসব কইয়া লাভ নাই। আহারে, বেচারারা।


--------------------->>> এই হলো বনেদি ভদ্রলোকের মত কথা|

এদের চেহারাটা দেখুন, অন্যকে সমানে গালাগালি করবে কিন্ত নিজের বেলায় একেবারে বনেদি ভদ্দর লোক, সামান্য কটূ কথাও শুনতে নারাজ|

হায়রে তথাকথিত ভদ্র মানুষ......!!! মানুষ হও আগে.....।
৩৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৫
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: হাসান শহীদ বলেছেন:

আমি শুধু ভিন্নমতের কারনে কাউকে মগবাজারী বলি না, কিন্তু এই ব্যাক্তিটির কার্যক্রম কয়েক মাস অবসার্ভ করেই এমন মন্তব্য করেছি।

--------------------->>

আর আমাকে গত কয়েকমাস অবসার্ভেশন করে মগবাজারী মনে হলো??

আমার কোন বিহ্যাভিয়ারের কারনে মনে হলো আমি মগবাজারী......??
ভারতীয় দালাল আওয়ামীলীগ ও স্যাডিস্ট ও রেপিষ্ট ছাত্রলীগের বিরোধী ব্লগি; ও কমেন্ট করি বলে......।???


সূধা সদনীয় মনে হলো না কেন.....??

লুট-পাট, টেন্ডারবাজী ,চান্দাবাজী, রেপ করার পর ভিডিও ক্লীপ নেটে ছাড়ি নাই বলে.......?????


** প্রিয় পাঠক, আমি ভারতীয় দালাল ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ ও তার চেলা গুলারে ঘৃনা করি, ঘৃনা করি পাকি রাজাকার ও ৭১ এর যুদ্বাপরাধী জামাতকেও|

মজার ব্যাপার হলো হাসন শহীদ ও তার দল ভুক্তরা আমাকে এব: আমার মত কোটি কোটি মানুষকে যারা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাসী তাদেরকে সব সময় মগবাজারী, জামাত, শিবির বলে কোন ঠাসা করতে চাইবে এরা ভুলেও আমাদেরকে বিএনপি বা ছাত্রদল বলবে না.... |

সারাটা ব্লগে এই আওয়ামী গুন্ডারা কাউকে বিএনপি বা ছাত্রদল বলবে না, ভুলে না........ :):), সব সময় বলবে জামাত, শিবির কারন তাতে কোনঠাসা করতে ওদের সুবিধা হয়|
৩৭. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৯
ও.জামান বলেছেন: ঠিক ধরেছেন, হাসান শহীদ ফেরদৌস। আমার আপত্তি "প্রথম" শব্দটি নিয়েই। আপনি "মনে হয়" ব্যবহার করলেও রফিক সাহেব নিজেকে প্রথম বলেই দাবী করেছেন। আর ইতিহাসের বিকৃতি সেখানেই।

২৫-৩০ তারিখ পর্যন্ত জিয়ার বিতর্কিত ভূমিকা যদি রেফারেন্স সহ উল্লেখ করতেন... তাহলে আলোচনাটা জমত।
৩৮. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৮
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @ও জামানঃ সেই বৈঠকের আগে বাংলাদেশে ১১ টি সেক্টরই ছিল না, সুতরাং ক্যাপ্টেন রফিকের দাবী (ভাল হয় সরাসরি তার বইটি পড়লে, তিনি কিভাবে কথাটা উপস্থাপন করেছেন) খুব অমূলক কি? কথাটা আমি আমার ভাষায় বলেছি।

ভাল হয় আপনি যদি কোন রেফারেন্স দেখাতে পারেন যেখানে ১০ই জুলাইয়ের মিটিং এর আগে বাংলাদেশ সরকার ১ নং সেক্টর বলে আলাদা কিছু রেখেছিল।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে আপনি ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ করছেন বারবার, অথচ আপনার জানার মধ্যে যে কত বিভ্রান্তি আছে তা ২৬ নং মন্তব্যে লেখকের জবাব থেকেই দেখুন।

---

২৫-৩০ তারিখ পর্যন্ত জিয়ার বিতর্কিত ভূমিকা যদি রেফারেন্স সহ উল্লেখ করতেন..

----

আমাকে বারবার বলতে হচ্ছে, আপনি সবগুলো মন্তব্য পড়েননি, অথবা আমার কথা বুঝাতে আমি অপারগ। আবার তুলে দিচ্ছি আমার মন্তব্যের অংশবিশেষ (২১ নং মন্তব্য)ঃ

-----

"সোয়াত থেকে অস্ত্র খালাস করার জন্য জিয়ার যাত্রা নিয়ে বিতর্ক । "

বিতর্ক শুধু এ নিয়ে নয়। ২৫-৩১শে মার্চ চট্রগ্রামে যে মরণপণ যুদ্ধ হয়েছিল, সে যুদ্ধে জিয়া অংশ নেননি, নিরাপদে সরে এসেছিলেন। নয়ত আমার বিশ্বাস, মুক্তিযুদ্ধের গতিপথ ভিন্ন হতে পারত। নিরবতার মূল্য কখনো কখনো খুব বেশী হয়।

------
৩৯. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৮
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:

"হাসান শহীদ ফেরদৌস এখন কিছু বলবেন না বা বলতে পারবেন না| "

উনি ব্লগীয় গুরুদের সাথে যোগাযোগ করছেন, সেই ব্লগীয় ইতিহাসবিদদের কাছ থেকে "লাগসই ইতিহাস" জানবেন তারপর এই বিষয়ে কমেন্ট করবেন........

----
এই কথাটা যদি আপনার কাছে আপত্তিকর বলে মনে না হয়, তবে বলতে হয় আপনি আপনার ব্লগীয় গুরুদের কাছ থেকে লাগসই ইতিহাস জেনে তারপর ব্লগে কমেন্ট করে থাকেন সবসময়।

ব্লগ হল পাবলিক প্লেস, ঠিক কথা। পাবলিক প্লেস এর এটিচ্যুড বজায় রেখে কথা বলবেন। আপনার সাথে আমার কোন কথা হচ্ছিল না, এ লেখায় আমার মন্তব্য নিয়ে আপনি অযাচিত ভাষায় আপত্তিকর কথা বলেছেন। পাব্লিক প্লেস বলেই এখানে ভদ্রতা বজায় রেখে কথা বলতে হয়।

১২ ঘন্টা জবাব দেই নি লেখকের মন্তব্যের, এতেই ফাল পারা শুরু করলেন কেন?

----

বাই দ্যা ওয়ে, আমাকে "মগবাজারী ইতিহাস দিয়ে আমার মগজ ধোলাই হয় নি।" টিটকারীর দেওয়ার পর আপনি কত বড় ভদ্দর লোক তা জানা হয়ে গেছে|

-----

আপনি শুরু করেছেন। যেমন কুকুর তেমন মুগুর দিতেই আমি বিশ্বাসী। নিজের লেখাগুলো আগে পড়ুন, টিটকারী কে দেয়া শুরু করেছে?

---

সামান্য কটূ কথাও শুনতে নারাজ|

---

জ্বি, আমি নারাজ। আমার অভ্যাস নেই। আমার দিকে ঢিল ছুড়লে আমি পুরো পাহাড় ছুড়ে মারব। আপনি ভদ্র ভাষার প্রশ্ন করলে আমিও ভদ্রভাবেই জবাব দেব।

---

আমি ভারতীয় দালাল ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ ও তার চেলা গুলারে ঘৃনা করি, ঘৃনা করি পাকি রাজাকার ও ৭১ এর যুদ্বাপরাধী জামাতকেও|

---

রাজাকার বিরোধী কোন লেখাতে আপনাকে সমর্থন দিতে দেখিনি। বরং যারা রাজাকার বিরোধী লেখা লেখে, তাদেরকে আপনি ভিন্ন প্রসংগে আক্রমন করেন, যা প্রকারন্তরে রাজাকারদের সমর্থনে যায়। আপনার বা অন্য কারো ব্যাক্তিগত রাজনৈতিক মতাদর্শে আমার আগ্রহ নেই। বি এন পি, আওয়ামীলীগ যাই হোক না কেন এই প্রসঙ্গে সবার একসাথে থাকা উচিত। জামাত এখন বি এন পির শরিক দল, একারনেই কি এ নিয়ে কোন কথা বলা থেকে বিরত থাকেন?

--

হাসন শহীদ ও তার দল ভুক্ত

---

আমার দলতো বাংলাদেশীদের দল, অন্য কোন রাজনৈতিক মতাদর্শে আমার বিশ্বাস নেই, আওয়ামীলীগ, বি এন পি বা ছাত্রদল, ছাত্রলীগ কোন কিছুতেই আমি বায়াসড নই। ভাল কাজ করলে প্রসংসা করব, খারাপ কাজ করলে নিন্দা। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বললেই আপনার কাছে আওয়ামীলীগ হয়ে যায়, এটা কিসের লক্ষন??

দেশকে দলের উর্ধে রেখে কথা বলুন প্লিজ।
৪০. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৭
মৌ-মাছি বলেছেন: "তার জবাবটা আমি ভদ্র ভাষাতেই দেয়ার চেষ্টা করি কিন্বা অগ্রাহ্য করি। সেটাই বোধহয় করা উচিত।"

হামরার ওজামান বলে এই কথা। আমি হাসতেই আছি, হাসতেই আছি।

যাইহোক বিতর্ক জমছে। আমার কাছে ভালোই লাগল। তবে খুব বেশী খুচরা খুঁটিনাটি নিয়ে বিতর্ক। ঘটে যাওয়া ঘটনার এত খুঁটি নাটি দিয়ে সত্য প্রতিষ্ঠা করা যায় না, যারা জিতবে তারাই বলবে সত্য কোনটা।
৪১. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৯
ও.জামান বলেছেন: স্যরি, হাসান শহীদ ফেরদৌস এবং নুরুজ্জামান মানিক, দুইজন আলাদা মেজর রফিকের বিষয়টি ধরতে পারিনি। মেজর ডালিমের সাইটে সেটা পরিষ্কার করে বলাও হয়নি। আমার জানামতে জুলাইয়ের ঐ মিটিং এর আগেই চারটি সেক্টর নির্ধারণ করা হয়েছিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানের মিটিং এ। জুলাইয়ের মিটিং এ ১১ টি সেক্টর নির্ধারণ করা হলেও প্রথম ৪ টি সেক্টর এবং সেক্টর কমাণ্ডারকে ভূতাপেক্ষ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

মেজর জেনারেল এম.এস.এ. ভূইয়ার একটা লেখায় পড়েছিলাম সোয়াত হতে উদ্ধার করা অস্ত্র ২৬ মার্চ মাইকিং করে চট্টগ্রাম শহরের কোথাও (সম্ভবত লালদিঘীর ময়দানে) ওনার তত্ত্বাবধানে বণ্টন করা হয়েছিল। এম. আর. আখতার মুকুলের 'আমি বিজয় দেখেছি' তেও এটা লেখা আছে। এ বিষয়ে কিছু জানেন কি? বা কোন তথ্য আছে কি?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৩

লেখক বলেছেন: "আমার জানামতে জুলাইয়ের ঐ মিটিং এর আগেই চারটি সেক্টর নির্ধারণ করা হয়েছিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানের মিটিং এ।"

ঠিক । আমার জানামতে,মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীনের ঘোষণাতেও তাই আছে এবং প্রথম সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়া , রফিক নন (আমার এই লেখার শুরুতেই বলা আছে )। মে মাসে জিয়ার বদলির পর কিছুদিন মীর শওকত (দেখুন আমার লেখায় সংযুক্ত দলিল ) দায়িত্ব পালন করেন । পরে তাকেও সিলেটে বদলি করা হয় । ক্যাপ্টেন (পরে মেজর) রফিক জুন থেকে দায়িত্ব পালন করেন । কিন্তু মেজর রফিক তার বইতে এই বিষয়টি পুরোপুরি চেপে গেছেন ।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৫

লেখক বলেছেন: "স্যরি, হাসান শহীদ ফেরদৌস এবং নুরুজ্জামান মানিক, দুইজন আলাদা মেজর রফিকের বিষয়টি ধরতে পারিনি। মেজর ডালিমের সাইটে সেটা পরিষ্কার করে বলাও হয়নি।"

এই ভূল শুধু আপনি নন অধিকাংশ করেন (সাংবাদিক , বুদ্ধিজী্বী সহ) । কথায় বলে নামের বান্ধব জমে টানে । উনাদের শুধু নামেরই মিল না, পদবিরও মিল , দুজনেই মেজর (অবঃ) । আরেকজনের বেলায় এমন ভূ্ল করতে দেখা যায় -তিনি হলেন সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম ও ঘাদানিক নেতা নুরুজ্জামান । তাকে অনেকে মুজিবামলের রক্ষীবাহিনী প্রধান মনে করেন অথ্চ প্রকৃত রক্ষীবাহিনী প্রধান নুরুজ্জামান অনেক আগেই পরলোকগমন করেছেন । এই দু'জনই সেক্টর কমান্ডার ছিলেন ( প্রথমজন ৭ নং আর দ্বিতীয়্জন ৩ নং ) তবে দুজনের পদবি ভিন্ন । প্রথমজন লে. কর্নেল(অবঃ) আর দ্বিতীয়্জন ব্রিগেডিয়ার (অবঃ) ।

৪২. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২
ও.জামান বলেছেন: মৌ-মাছি সাহেব হাসি স্বাস্থের জন্য উপকারী। তবে বেশী হাসলে নকল দাঁত খুলে পড়ে পা কেঁটে যাবার সম্ভাবনা আছে।
৪৩. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩০
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:

রাজাকার বিরোধী কোন লেখাতে আপনাকে সমর্থন দিতে দেখিনি। বরং যারা রাজাকার বিরোধী লেখা লেখে, তাদেরকে আপনি ভিন্ন প্রসংগে আক্রমন করেন, যা প্রকারন্তরে রাজাকারদের সমর্থনে যায়।


---------------------->> জিয়াকে রাজাকার বললে, খন্দকার দেলোয়ার কে রাজাকার বললে আমি সমর্থন করবো কোন বিবেকে...??

আপনি ও আপনার দলভুক্তরা আওয়ামী ভক্ত না হলেই যাকে তাকে রাজাকার, জামাত-শিবির বলে থাকেন, যেমন আমাকেই আপনি মগ বাজারী বলেছেন|

আপনাদের নো;রা আক্রমনে ব্লগ ছেয়ে গেছে| যাকে তাকে রাজাকার বলবেন আর আমার সাপোর্ট চাইবেন তা হবে কেন....??

৪৪. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০০
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: আপনি সরাসরি আমাকে কটুক্তি করে কথা বলেছেন। আপনি দেখান আমি কবে এদেরকে রাজাকার বললাম।

নিজামী, মুজাহিদ দেরকে রাজাকার বলে লেখা কোন ব্লগে কি সমর্থন দিয়েছেন?

আপনার বা কারো সাপোর্ট আমার দরকার নেই। সত্যি কথাটা আপনি বললে নিজ উদ্দোগেই বলবেন। না বলার ইচ্ছা থাকলে না বলাই ভাল।

আমার সম্পর্কে বলার সময় একবচন ব্যাবহার করবেন। আমি কোন দলবাজী করি না। কবে কাকে নোংরা আক্রমন করলাম দেখান।
৪৫. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৪
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @ওজামানঃ লাল দীঘির ময়দানের ঘটনা সম্ভবত ভিন্ন, ওটার সাথে সোয়াতের অস্ত্রের সম্পর্ক নেই। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে কেউ একজন ঘোষনা দিয়েছিল লাল দীঘির ময়দানে সমস্ত সশস্ত্র বাঙ্গালীদের একত্রিত হতে। পরে নিরাপত্তার কথা ভেবে এ ঘোষনা বাতিল করা হয়।

সোয়াতের অস্ত্র ২৫শে মার্চই পেয়ে যায় ২৬ বালুচ রেজিমেন্ট। তাদের হাতে নিহত হয় ইবিআরসির প্রায় ২৫০০ নিরস্ত্র বাঙ্গালী সৈনিক। সেই দিনগুলো বড় মর্মান্তিক ছিল।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৭

লেখক বলেছেন: "স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে কেউ একজন ঘোষনা দিয়েছিল লাল দীঘির ময়দানে সমস্ত সশস্ত্র বাঙ্গালীদের একত্রিত হতে। পরে নিরাপত্তার কথা ভেবে এ ঘোষনা বাতিল করা হয়।"

মেজর জেনারেল এম.এস.এ. ভূইয়া ঘোষনা দিয়েছিল । চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড.এ আর মল্লিকের পরামর্শে এটি বাতিল করা হয় নিরাপত্তার খাতিরে ।

৪৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫১
ও.জামান বলেছেন: কিছু একটা ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে-

জিয়া ২৫ তারিখ রাতেও কিন্তু সোয়াতের উদ্দেশ্যেই পোর্টে যাচ্ছিলেন। (ঐ সময় পোর্টের সিকিউরিটি অফিসার ছিলেন আমার আপন ছোট খালুর বাবা। আমার খালুও বর্তমানে পোর্টে চাকুরী করেন, নাম মাহাবুবুর আলম, পদবী- টিও) । উনার কাছেই শুনেছি যে সোয়াতে করে চাল-ডাল কিছু আনার কথা বলে অস্ত্র আনা হয়েছিল। ৯ নম্বর জেটিতে কড়া পাহারায় তা খালাস করা হচ্ছিল। আর অস্ত্র খালাসের পর তা সেনা পাহাড়াতেই পোর্ট হতে বাইরে নিয়ে যাওয়া হতো। ২৫ তারিখ রাতে জিয়ার সাথে উনার (খালুর বাবার) ডিউটি ছিলো। জিয়া আসেন নি। ফোর্স না আসায় খালাস স্থগিত ছিল।

নিয়াজীর বই অনুযায়ী এই অস্ত্র আনা হচ্ছিল এখানে নতুন পোস্টিং পাওয়া সেনাদের জন্য। ইনফেন্ট্রির সেনারা তো তাদের অস্ত্র সাথে নিয়ে চলে। তাহলে ধরে নেয়া যায় সোয়াতে করে আনা হচ্ছিল আর্টিলারী এবং এমুনিশন। ২৬ বালুচ রেজিমেন্ট কি আর্টিলারী ইউনিট ছিল?

এবার আসুন অস্ত্র খালাস প্রসঙ্গে। জিয়ার ইউনিট কমাণ্ডার তাকে এই কাজ করার নির্দেশ দেয়ার পর জিয়া যদি তা করতে অস্বীকৃতি জানাতেন তাহলে ওনার পরিনতি কি হতো? নিশ্চই কোর্ট মার্শাল তাই না? আপনাদের মতে জিয়ার কি সেটাই করা উচিত ছিল?

সেই দিনগুলো বড় মর্মান্তিক ছিল।

সত্যিই তাই। একদিকে ডিজআমর্ড ইবিআরসি। অন্যদিকে ফুল প্রিপেয়ার্ড আর্মড পাকীরা। ঐ সময় রিট্রিট করাটাই যুক্তি সংগত ছিল। তাহলে প্রশিক্ষিত যোদ্ধার আরেকবার যুদ্ধ করার সুযোগ থাকত।

২৫-৩১শে মার্চ চট্রগ্রামে যে মরণপণ যুদ্ধ হয়েছিল, সে যুদ্ধে জিয়া অংশ নেননি, নিরাপদে সরে এসেছিলেন। নয়ত আমার বিশ্বাস, মুক্তিযুদ্ধের গতিপথ ভিন্ন হতে পারত। নিরবতার মূল্য কখনো কখনো খুব বেশী হয়।

কি ভিন্ন হতো? ওনার সৈন্যরাও নিহত হতেন। এর বেশিকিছু হতো না। পাকীদের ফুল এমুনিশন সাপোর্ট ছিল। যা জিয়া, শফিউল্লাহ, রফিক সাহেবদের ছিল না (এম.এস.এ. ভূইয়ার বইটা পড়ে দেখতে পারেন)।
৪৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৩০
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: " জিয়া আসেন নি। ফোর্স না আসায় খালাস স্থগিত ছিল। " -

জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাস করা হয় ২৫ তারিখের আগেই। জনসাধারন বাধা দিয়েছিল, তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় যে অস্ত্র আপাতত বন্দরেই থাকবে। ২৫ তারিখে অস্ত্র সরিয়ে নেবার চেষ্টা করা হলে জনগন ফুসে ঊঠে, রাস্তায় ব্যারিকেড বসায় তারা। একপর্যায়ে জিয়াকে দেয়া হয় এই ব্যারিকেড পরিস্কারের দ্বায়িত্ব। সেটা সুসম্পর্ন করেন তিনি।

-- স্মৃতি থেকে লেখলাম। বক্তব্যে ভুল থাকলে জানাবেন।

-----------------

ইনফেন্ট্রির সেনারা তো তাদের অস্ত্র সাথে নিয়ে চলে। তাহলে ধরে নেয়া যায় সোয়াতে করে আনা হচ্ছিল আর্টিলারী এবং এমুনিশন। ২৬ বালুচ রেজিমেন্ট কি আর্টিলারী ইউনিট ছিল?

-----------------
২৬ বালুচ আর্টিলারী ছিল কিনা জানা নেই। এই ইউনিটটিকে মার্চের শুরুতে বিমানে করে উড়িয়ে আনা হয় পশ্চিম পাকিস্তান থেকে। ফলে ভারী অস্ত্র নিয়ে আস্তে পারেনি তারা। সোয়াত থেকে তাদেরকে সেগুলো সাপ্লাই দেয়া হয়।
------------------

একদিকে ডিজআমর্ড ইবিআরসি। অন্যদিকে ফুল প্রিপেয়ার্ড আর্মড পাকীরা। ঐ সময় রিট্রিট করাটাই যুক্তি সংগত ছিল। তাহলে প্রশিক্ষিত যোদ্ধার আরেকবার যুদ্ধ করার সুযোগ থাকত।

-----------------

চট্রগ্রামে পাকিস্তানী সৈন্যের সংখ্যা জানেন? মাত্র ৬ শত। বাংলাদেশী সৈন্য ছিল ৫০০০ এর বেশী। উপস্থিত ভাবে সেখানে ইপিআর বাধা দেয়। তবে একই সাথে ক্যান্টনমেন্ট আর ইবিআরসি কে রক্ষা করতে পারেনি তারা। ইবিআরসির ব্যাপারে জিয়ার সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। তিনি তখন নিরাপদে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ব্রিগেডিয়ার ইকবাল সফির নেতৃত্বে রিইনফোর্সমেন্ট আসার আগ পর্যন্ত রফিক চট্রগ্রাম ধরে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের এই একটা জায়গা দখল করতে পাকিস্তানীদের সবচেয়ে বেশী মূল্য দিতে হয়। জিয়া সে সময় যুদ্ধে অংশ নিলে কি হত কে জানে!!
৪৮. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৬
ও.জামান বলেছেন: আপানর একমাত্র রেফারেন্স দেখছি রফিকের বই। অন্যগুলো পড়েন। চট্টগ্রামে যান। মানুষের সাথে কথা বলেন। যুদ্ধের বর্ণনা যে যোদ্ধারা দিয়েছেন তাদের প্রায় সবার মধ্যেই আমিই সব করেছি টাইপের একটা মনোভাব দেখেছি। রফিকের মধ্যে এটা প্রবলভাবে উপস্থিত।

ব্রিগেডিয়ার ইকবাল সফির নেতৃত্বে রিইনফোর্সমেন্ট আসার আগ পর্যন্ত রফিক চট্রগ্রাম ধরে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের এই একটা জায়গা দখল করতে পাকিস্তানীদের সবচেয়ে বেশী মূল্য দিতে হয়। জিয়া সে সময় যুদ্ধে অংশ নিলে কি হত কে জানে!!

যুদ্ধ সম্পর্কে, চট্টগ্রামের টপোলজি এবং স্ট্রাটেজিক পজিশন সম্পর্কে আপনার ধারনা আছে? আমার মনেহয় নেই। মেজর রফিকের বই পড়ে মনে হয়েছে তিনি ওটা সাধারণ মানুষের বিনোদনের জন্যই নিজের বীরত্বগাঁথা লিখেছেন। আর্মির রেফারেন্স বই হিসেবে ওটার কোন অবস্থান নেই। ওর চেয়ে অনেক ভাল রেফারেন্স আছে সেগুলো পড়ে নিন।

আবশ্য পড়লেও খুব একটা লাভ হবে কি? আপনি তো জিয়া খারাপ ধারণা নিয়েই শুরু করেছেন। এখন যেখানে তার সম্পর্কে খারাপ কথা লেখা আছে সেটাই আপনার কাছে ভাল লাগবে এবং সত্যি মনে হবে। অন্যগুলো মনে হবে ইতিহাস বিকৃতি

উদাহরণ দিচ্ছি...

আপনি ৪৫ নং মন্তব্যে বলছেন, "সোয়াতের অস্ত্র ২৫শে মার্চই পেয়ে যায় ২৬ বালুচ রেজিমেন্ট।" আর আমার মন্তব্যের পর ৪৭ এ এসে লিখলেন, " জনসাধারন বাধা দিয়েছিল, তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় যে অস্ত্র আপাতত বন্দরেই থাকবে। ২৫ তারিখে অস্ত্র সরিয়ে নেবার চেষ্টা করা হলে জনগন ফুসে ঊঠে, রাস্তায় ব্যারিকেড বসায় তারা। একপর্যায়ে জিয়াকে দেয়া হয় এই ব্যারিকেড পরিস্কারের দ্বায়িত্ব। সেটা সুসম্পর্ন করেন তিনি।"

জিয়ার ঐ দিন রাতেও পোর্টে যাবার কথা ছিল। ব্যারিকেড সরিয়ে তিনি সেদিকেই যাচ্ছিলেন। পথে শফিউল্লাহ তাঁকে বাঁধা দেন। ওখানেই ঢাকার ঘটনা শুনে তিনি ক্যাণ্টনমেণ্টে ব্যাক করেন জানজুয়াকে বন্দী করে নিজে ৮ম বেঙ্গলের কমাণ্ড নেন অর্থাৎ বিদ্রোহ করেন।

তাহলে আপনার এবং রফিক সাহেবের দুটো পয়েণ্ট নিয়ে সমস্যা রইলো

১। জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাস করা হয় ২৫ তারিখের আগেই।

২। জিয়াকে দেয়া হয় এই ব্যারিকেড পরিস্কারের দ্বায়িত্ব। সেটা সুসম্পর্ন করেন তিনি।

পোর্টর রেকর্ড বলছে সোয়াত ৯ নং জেটিতে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ডকড ছিল। আর্মির রেকর্ড বলছে ৮ম বেংগল সোয়াতের অস্ত্র খালাসের নিরাপত্তা দিচ্ছিল। আপনারা (আপনি এবং রফিক সাহেব) ঠিক্ না পোর্টের রেকর্ড ও কর্ণেল জানজুয়া স্বাক্ষরিত আর্মির রেকর্ড ঠিক?
৪৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৯
রোবোট বলেছেন: ৪৮-"জিয়ার ঐ দিন রাতেও পোর্টে যাবার কথা ছিল। ব্যারিকেড সরিয়ে তিনি সেদিকেই যাচ্ছিলেন। পথে শফিউল্লাহ তাঁকে বাঁধা দেন।"


শফিউল্লাহ তখন চাটগাঁয় না। ঢাকার আশে পাশে। (গাজীপুর মনে হয়)। ক্যাপটেন খালেকুজ্জামান হবে মনে হয়।


মেজর রফিকের বইটা ৭১এর ইতিহাসের অন্যতম সেরা বই। এটার ব্যাপারে খুব বেশী তথ্যবিকৃতির অভিযোগ আমি পাইনি।

৭১এর মার্চে গাজীপুরে শফিউল্লা কিনতু কমানডিং অফিসারের আদেশ অমান্যই করেছিলেন। সেসময় যে সাহস তিনি দেখিয়েছিলেন তা ৭৫এর অগাস্টে দেখালে দেশের ইতিহাস অন্যরকম হোত।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: "৭১এর মার্চে গাজীপুরে শফিউল্লা কিনতু কমানডিং অফিসারের আদেশ অমান্যই করেছিলেন। সেসময় যে সাহস তিনি দেখিয়েছিলেন তা ৭৫এর অগাস্টে দেখালে দেশের ইতিহাস অন্যরকম হোত।"

একমত ।

৫০. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৫
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: জিয়া খুব খারাপ, যুদ্ব করতে জানে না, খালি কোলকাতায় বাঈজী বাড়িতে নাচ দেখতো|
জিয়ার যুদ্ব জানে না বইলাই দেশটা স্বাধীন করতে দীর্ঘ্ ৯ মাস লাগছে, নয়তো শেখ কামাল-শেখ জামাল-শেখ সেলিম-শেখ মুজিব মিল্যা ৯ দিনেই দেশ স্বাধীন কইরা ফালাইতো........!!!
জিয়া বিড়াট বড় রাজাকার......!!!

কোন রাজাকারে যেন জিয়ারে বীর উত্তম খেতাবটা দিছে...........??????????

৫১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৭
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: আবশ্য পড়লেও খুব একটা লাভ হবে কি? আপনি তো জিয়া খারাপ ধারণা নিয়েই শুরু করেছেন। এখন যেখানে তার সম্পর্কে খারাপ কথা লেখা আছে সেটাই আপনার কাছে ভাল লাগবে এবং সত্যি মনে হবে। অন্যগুলো মনে হবে ইতিহাস বিকৃতি

----

আমার লেখায় আমি জিয়াকে নিয়ে বলেছি " মেজর জিয়া একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। " (২৯ নং মন্তব্য) তারপরেও আপনি কিভাবে একথা বলেন। তথ্য দিয়ে প্রমান না করে আপনি কি উল্টা পাল্টা বলে আমাকে ভুল প্রমান করতে চান? আপনি বইয়ের নাম সহ উল্লেখ করুন কি বলেছে, বিদেশে থাকলেও আমি বইটি যোগাড় করে পড়ে মন্তব্য করব।

"যুদ্ধ সম্পর্কে, চট্টগ্রামের টপোলজি এবং স্ট্রাটেজিক পজিশন সম্পর্কে আপনার ধারনা আছে? আমার মনেহয় নেই। মেজর রফিকের বই পড়ে মনে হয়েছে তিনি ওটা সাধারণ মানুষের বিনোদনের জন্যই নিজের বীরত্বগাঁথা লিখেছেন। আর্মির রেফারেন্স বই হিসেবে ওটার কোন অবস্থান নেই। ওর চেয়ে অনেক ভাল রেফারেন্স আছে সেগুলো পড়ে নিন।"

এত কথা না বলে এটা বলেন ২৫শে মার্চ থেকে ৩১শে মার্চ - চট্রগ্রামের যুদ্ধে কোন অফিসার নেতৃত্ব দিয়েছিল। আর কে কে ছিল? জিয়া তখন কি করছিলেন?

জিয়াকে আকাশে তোলার জন্য আপনি রফিককে পাতালে ঢোকাতে চাইছেন কেন? ১৯৭১ এ কোন সময় জিয়ার কি কোন ভুল থাকতে পারে না?
---

পোর্টর রেকর্ড বলছে সোয়াত ৯ নং জেটিতে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ডকড ছিল। আর্মির রেকর্ড বলছে ৮ম বেংগল সোয়াতের অস্ত্র খালাসের নিরাপত্তা দিচ্ছিল।

আর্মির রেকর্ড কি বলে ২৬শে মার্চের আগে সোয়াত থেকে কোন অস্ত্র খালাস করে সৈন্যদের দেয়া হয় নি? আর্মির রেকর্ডটা দেখান সেক্ষেত্রে। জাহাজ যেকোন কারনেই ডকড থাকতে পারে।


---

@রোবটঃ হ্যাঁ, ওটা খালেকুজ্জামান। সফিউল্লাহ সম্ভবত তখন ময়মনসিংহের ঐদিকে ছিলেন। (রেফারেন্স না থাকায় নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না, কিন্তু এটা নিশ্চিত, তিনি চিটাগাং এ ছিলেন না) তিন নায়ক তিন দিকে জিয়া চিটাগাং, খালেদ মোশাররফ ব্রাক্ষণবাড়িয়ায়।
৫২. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২০
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @বিদ্রোহী রণ ক্লান্তঃ যথারীতি কথা ঘুরাচ্ছেন। পারলে তথ্য দিয়ে আলোচনায় অংশ নিন।
৫৩. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০১
ও.জামান বলেছেন: সংশোধন ৪৯ নং মন্তব্যে পথে শফিউল্লাহ তাঁকে বাঁধা দেন। এখানে মীর শওকত হবে।
৫৪. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২১
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @ওজামানঃ আপনি আবার ভুল বলেছেন, মীর শওকত নয়, ওখানে খালেকুজ্জামান চৌধুরী ছিলেন।
৫৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩২
মৌ-মাছি বলেছেন: আপনারা যে এইযে খুটিনাটি আলোচনা করছেন, এর উদ্দেশ্য টা কি আমি ধরতে পারছিনা। জিয়ার বিরুদ্ধে চক্রান্ত ছিল, না জিয়া চক্রান্ত করেছিল -- আমি কোন দিকেই তেমন কিছু বুঝতে পারলাম না।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: হুমম । এখন পর্যন্ত সেই প্রশ্ন অমিমাংসিতই আছে ।

৫৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪২
ও.জামান বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস, কথা তো আপনি এড়িয়ে যাচ্ছেন, আপনি সোয়াত হতে অস্ত্র খালাসের বিষয়ে এবং ব্যারিকেড অপসারনে জিয়ার দায়িত্ব সম্পর্কে আপনি যে কটাক্ষ্য করেছেন সেটা কি ভুল ছিল কিনা তা বলেন।

ক্যাপ্টেন রফিক তার ইপিআর নিয়ে একটা অবস্থান নিয়েছিলেন। জিয়াও নিয়েছিলেন। একজন কর্নফুলির এ পারে অন্যজন অন্যপাড়ে। কিন্তু এই সব পকেট অবস্থান বিশাল চট্রগ্রামকে ডিফেন্স দেয়ার জন্য উপযুক্ত অবশ্যই ছিল না। এটাই বাস্তবতা। কাজেই সব কৃতিত্ব রফিকের এটা ঠিক নয়।

রফিক সাহেবের বই এবং আপনার বিশ্লেষণ পড়ে মনে হচ্ছে- প্রবাসী সরকার ভুল করেছে জিয়াকে ১নং সেক্টরের কমাণ্ডার হিসেবে ভূতাপেক্ষ নিয়োগ দিয়ে। কি আর করবেন বলেন তারা তো আর জানতো না যে জিয়া ভবিষ্যতে রাজনীতিতে আসবেন তাও আবার আওয়ামী লীগ না করে বি এন পি র জন্ম দেবেন।
_____________________________________

৭১ এ জয়দেবপুরে জনতার মিছিলে আর্মির গুলির পর কার্ফিউ দেয়া হয় সফিউল্লার ইউনিট ও ঐ সময় টহলে অংশ নিয়েছে। উনি রিভোল্ট করেছেন অন্যদের মতই ২৫ তারিখ রাতে। এবং এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। কারণ আগেই রিভোল্ট করলে এরেস্ট হয়ে যেতেন। আজ ৭৫ এর পট পরিবর্তনে যদি সফিউল্লাহ ক্ষমতায় আসতেন তাহলে ৭১ এ কার্ফিউ চলাকালিন টহলে অংশ নেয়ার জন্য তাকেও সমালোচিত হতে হতো।
______________________________________

লক্ষ্ প্রাণের বিনিময়ে বইটিতে আগা-গোড়াই ১ নং সেক্টর কমাণ্ডার হিসেবে রফিক সাহেব নিজেই নিজেকে দেখিয়েছেন। যেখানে Gazette Notification No.8/25/D-1/72-1378), Ministry of Defence, Government of Bangladesh, December 15, 1973 অনুযায়ী, List of Liberation War Sectors and Sector Commanders of Bangladesh এর তালিকাতে জিয়াকে April 10, 1971 – June 25, 1971 পর্যন্ত ১ নং সেক্টরের সেক্টর কমাণ্ডার দেখানো হয়েছে।

এটা কি ইতিহাস বিকৃতি নয়?

৫৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৭
ও.জামান বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @ওজামানঃ আপনি আবার ভুল বলেছেন, মীর শওকত নয়, ওখানে খালেকুজ্জামান চৌধুরী ছিলেন।
_________________________________

দু'জনেই ছিলেন
৫৮. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫২
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: আপনি নিশ্চিত?

সমস্ত লেখায় আমি একজনের কথাই পেয়েছি, আপনি আপনার সূত্র উল্লেখ করুন প্লিজ।
৫৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৯
ও.জামান বলেছেন: একাত্তরের উত্তর রণাঙ্গণ- হামিদুল্লাহ।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন: প্রকাশকাল ও পৃষ্ঠা নাম্বার প্লিজ ।

৬০. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৬
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস, কথা তো আপনি এড়িয়ে যাচ্ছেন, আপনি সোয়াত হতে অস্ত্র খালাসের বিষয়ে এবং ব্যারিকেড অপসারনে জিয়ার দায়িত্ব সম্পর্কে আপনি যে কটাক্ষ্য করেছেন সেটা কি ভুল ছিল কিনা তা বলেন।

আমি কটাক্ষ্য কোথায় করলাম – এটা জানার জন্য পুরো পোস্ট আবার পড়ে দেখলাম। একপর্যায়ে জিয়াকে দেয়া হয় এই ব্যারিকেড পরিস্কারের দ্বায়িত্ব। সেটা সুসম্পর্ন করেন তিনি। - একথাটাতে কি? এভাবে বললে হয়ত আপনার কাছে কটাক্ষ মনে হত না – “" জিয়া ব্যারিকেড সরানোর কাজে ব্যাস্ত ছিলেন"” (জিয়ার নিজের লেখাতে এভাবে বলা হয়েছে কথাটা)

ক্যাপ্টেন রফিক তার ইপিআর নিয়ে একটা অবস্থান নিয়েছিলেন। জিয়াও নিয়েছিলেন। একজন কর্নফুলির এ পারে অন্যজন অন্যপাড়ে। কিন্তু এই সব পকেট অবস্থান বিশাল চট্রগ্রামকে ডিফেন্স দেয়ার জন্য উপযুক্ত অবশ্যই ছিল না। এটাই বাস্তবতা। কাজেই সব কৃতিত্ব রফিকের এটা ঠিক নয়।

কালুরঘাটে অবস্থান করে কিভাবে চট্রগ্রাম ডিফেন্সে অংশ নেয়া যায়, আমার জানা নেই। বিশাল চট্রগ্রামকে ডিফেন্স দেবার কিন্তু দরকার ছিল না, দরকার ছিল চট্রগ্রাম ক্যান্টনম্যন্ট আর নৌবাহিনী সদর দপ্তর অবরুদ্ধ করে রাখার। ২৫ শে মার্চ থেকে ৩১ শে মার্চ, জিয়ার নেতৃত্বে সৈন্যরা মনে হয় একটাই গুলি ছিড়েছিল, সেটা বেলাল মোহাম্মদের কানের পাশ ঘেসে বেড়িয়ে যায়। বেশ ইন্টারেস্টিং ছিল ঘটনাটা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বইটিতে বেলাল মোহাম্মদ বিষয়টা উল্লেখ করতে ভুল করেননি।

চট্রগ্রাম যুদ্ধে পাকিস্তানীদের সবচাইতে ক্ষতি হয়, পাকিস্তানী লেখকরাও সেটা স্বীকার করে নিয়েছে। ২৫ থেকে ৩১শে মার্চের সেই যুদ্ধে জিয়ার আত্মরক্ষাত্মক অবস্থান নিয়েই আমার প্রশ্ন। স্ট্রেটিজিক সেই ভুল স্বীকার করতেই কি এত আপত্তি?
৬১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৯
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ৫৯ নং মন্তব্যেঃ

জিয়ার নিজের লেখাতে খেয়াল করেন মীর শওকতের কথাটা কিভাবে এসেছে - http://bangladesh-71.info/file/ziaBichitra.pdf
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: লিন্কের জন্য ধন্যবাদ ।

৬২. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৫
ও.জামান বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস, আপনি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহী রণক্লান্তর কথাই প্রমাণ করলেন "জিয়া খুব খারাপ, যুদ্ব করতে জানে না, খালি কোলকাতায় বাঈজী বাড়িতে নাচ দেখতো| জিয়ার যুদ্ব জানে না বইলাই দেশটা স্বাধীন করতে দীর্ঘ্ ৯ মাস লাগছে, নয়তো শেখ কামাল-শেখ জামাল-শেখ সেলিম-শেখ মুজিব মিল্যা ৯ দিনেই দেশ স্বাধীন কইরা ফালাইতো........!!! জিয়া বিড়াট বড় রাজাকার......!!! "

৩০৩ রাইফেল দিয়ে চট্রগ্রাম ক্যান্টনম্যন্ট আর নৌবাহিনী সদর দপ্তর অবরুদ্ধ করার পরিকল্পনা!! শুনতে ভালই লাগলো।

আপনি যে বেলাল সাহেবের রেফারেন্স দিচ্ছেন জিয়ার ডিফেন্স না পেলে তিনি কোনদিন বেলাল সাহেব হতেন না। আবারো বলছি, জিয়ার ৭৫ পরবর্তী ভূমিকার কারণেই আপনারা জিয়াকে খাটো করার চেস্টা করছেন। এখন এক কাজ করুন--

Gazette Notification No.8/25/D-1/72-1378), Ministry of Defence, Government of Bangladesh, December 15, 1973 সংশোধন করে জিয়ার নাম ১ নং সেক্টর হতে বাদ দিন।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: জিয়া ১ নং সেক্টর অধিনায়ক ছিলেন এটাই সত্য ।

৬৩. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৫
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহী রণক্লান্তর কথাকে সম্বল করলেন!!

আপনিও কি কথা ঘুরাচ্ছেন? আড্ডা জমে ঊঠছিল মাত্র!

জিয়ার ৭৫ পরবর্তী ভূমিকার কারণেই আপনারা জিয়াকে খাটো করার চেষ্টা করছেন।

না, আমি জিয়াকে তার অবস্থানে রাখতেই চেষ্টা করছি। ৭৫ পরবর্তী ভূমিকার কারনে আপনারা তাকে মহামানব বানানোর চেষ্টা করছেন।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: পচাত্তর থেকে নিহত হওয়া পর্যন্ত জিয়া তার ভূমিকার কারনে কারো কাছে শয়তান আবার কারো কাছে দেবতা । আর এই ধারনা নিয়েই '৭১ (মুক্তিযোদ্ধ) বা '৭৫(উপপ্রধান , পরে সেনাপ্রধান )এর জিয়াকে অনেকে মূ্ল্যায়ন করেন এবং সেই কারনেই ভূ্ল ইতিহাস হাজির করেন ।
Click This Link

৬৪. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৩
ও.জামান বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহী রণক্লান্তর কথাকে সম্বল করলেন!! আপনিও কি কথা ঘুরাচ্ছেন? আড্ডা জমে ঊঠছিল মাত্র! জিয়ার ৭৫ পরবর্তী ভূমিকার কারণেই আপনারা জিয়াকে খাটো করার চেষ্টা করছেন। না, আমি জিয়াকে তার অবস্থানে রাখতেই চেষ্টা করছি। ৭৫ পরবর্তী ভূমিকার কারনে আপনারা তাকে মহামানব বানানোর চেষ্টা করছেন।

আপনার এই মন্তব্যটিই কি বিদ্রোহী রণক্লান্তর কথাকে সত্য প্রমানিত করে না?

৭৫ এর আগে তো কখনো কোন বেলাল-রফিক ৭১ এ জিয়ার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। সরকারীভাবে তাকে খেতাব দেয়া হয়েছে। ১নং সেক্টরের সেক্টর কমাণ্ডার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এখন ইরেজার দিয়ে মুছে ইতিহাস সংশোধনের চেষ্টা করা হচ্ছে কেন?

৭৫ এর ভুমিকার জন্য জিয়াকে আমি মহামানব বানাই না। তবে সেনা প্রধান হিসেবে তিনি একটি আর্মড ফোর্সের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছিলেন। চেইন অব কমাণ্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি শেখ মুজিবের চেয়েও সফল ছিলেন। এই সত্যটা আপনাদের সহ্য হয় না। তাই বারবার স্বীকৃত সত্য ইতিহাসকে ইরেজার দিয়ে মোছার চেষ্টা করেন।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০২

লেখক বলেছেন: "সেনা প্রধান হিসেবে তিনি একটি আর্মড ফোর্সের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছিলেন। চেইন অব কমাণ্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। "

বিএনপি ঘরানার বুদ্ধিজীবী (যেমন ঢাবি'র সাবেক ভিসি মনিরুজ্জামান মিয়া ) ও রাজনৈতিক ভাষ্যকাররাও তাই বলে আসছেন এতদিন ধরে ।

জিয়া সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন -এর মানে দাঁড়ায় ডিফেন্সে তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রন বজায় ছিল এবং তার নেতৃত্বে সবাই আস্থাশীল এবং অনুগত ছিল ।

যদি তাই হয়,তবে জিয়ার আমলে ১৯ মতান্তরে ২০টি ক্যু কিসের লক্ষণ -শৃঙ্খলার ? আনুগত্যের ? নাকি তার আমলে কোনো ক্যু হয়ই নি ? ক্যু যদি নাই হয়,তবে তিনি অগনিত অফিসার -সিপাহিদের ফাঁসির মাধ্যমে হত্যা করেছিলেন কেন ? জিয়ার আমলে এতগুলি ক্যু প্রচেস্টা/বিদ্রোহ (সিপাহি বিদ্রোহ,কারা বিদ্রোহ) কি প্রমান করে? স্বয়ং জিয়াও নিহত হন আরেক ক্যুতেই ।

৬৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০০
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: আপনারা মানুষকে হয় ফেরেশতা নয়ত শয়তান বানান, মাঝামাঝি কিছু নয়। হয় জিয়া মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র হিরো, বাকি সবাই জিরো, আর নয়ত তাকে একদম কোলকাতায় বাঈজী বাড়িতে নর্তকীর দর্শক বানিয়ে দেন।

আমি মনে করি জিয়ার সব সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের একজন বীর সৈনিক জিয়াকে নিয়ে ইতিহাসে কোন প্রশ্ন থাকুক তা আমি চাই না, উনার বীরত্বের যেমন স্বীকৃতি থাকা উচিত, ভুলগুলোও এজন্য জানা উচিত যেন সেটা ভুল হিসেবেই গন্য হয়, মিথ্যা নয়।

বেলাল সাহেব কি লিখছেন না পড়েই আপনি উনাকে দোষ দিচ্ছেন। উনি একটা ঘটনা উল্লেখ করেছিলেন মাত্র, যেখানে জিয়ার সাথে উপস্থিত একজন সৈনিকের বন্দুক থেকে একটা গুলি দূর্ঘটনাবশত বের হয়ে যায়। আমি সে ঘটনা উল্লেখ করলাম। আপনি তাকে দোষ দেয়া শুরু করলেন কেন? এর আগে অন্য আরেক লেখায় বলেছিলেন বেলাল সাহেবের লেখা বইটি পরেছেন, পড়ে থাকলে বলেন, জিয়াকে উনি দোষ দিলেন কোথায়?

৭৫ এর আগেই জিয়ার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ছিল, ওসমানীর কার্যকলাপই তার প্রমান। এর প্রেক্ষিতে জিয়াকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়নি। এমনকি এক পর্যায়ে তাকে জার্মানীতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে বদলী করাটা প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। কোন রকমে তা ঠেকান জিয়া।

৭৫ পরবর্তি জিয়া এ লেখার আলোচ্য নয়। সেটা নিয়ে আরেকদিন কথা হবে। আর শেখ মুজিবের সাথে জিয়ার তুলনা করে আসলে কাকে খাটো করছেন?

বিদ্রঃ আমি ব্যাক্তিগত কাজে শহর থেকে বাইরে থাকব। তাই আগামী ২৪ ঘন্টা মন্তব্যের জবাব দেয়া হয়ত আমার দ্বারা সম্ভব হবে না। অধৈর্য্য না হয়ে অপেক্ষা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩২

লেখক বলেছেন: "আমি মনে করি জিয়ার সব সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের একজন বীর সৈনিক জিয়াকে নিয়ে ইতিহাসে কোন প্রশ্ন থাকুক তা আমি চাই না, উনার বীরত্বের যেমন স্বীকৃতি থাকা উচিত, ভুলগুলোও এজন্য জানা উচিত যেন সেটা ভুল হিসেবেই গন্য হয়, মিথ্যা নয়।"

একমত ।

"৭৫ এর আগেই জিয়ার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ছিল, ওসমানীর কার্যকলাপই তার প্রমান। এর প্রেক্ষিতে জিয়াকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়নি। এমনকি এক পর্যায়ে তাকে জার্মানীতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে বদলী করাটা প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। কোন রকমে তা ঠেকান জিয়া।"

ঠিক ।

৬৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২২
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: বীর মুক্তি যোদ্বা জিয়া যেই কারনে বা;লাদেশের একটি দলের অন্ধ ভক্তদের চক্ষু শূল ঠিক একই কারনেই বীর মুক্তি যোদ্বা মেজর জলিল ও ওদের চক্ষু শূল ছিল....!!!

কারন একটাই এই শালা জিয়া যদি "বিএনপি" নামক দলটা না বানাইতো তাইলেই শুধু আওয়ামীলীগ ও চামচা কয়েকটা বাম দল নিয়ে সারাটা জনম ভারতের করদ রাজ্য হয়ে দেশটা লুট-পাট করতে পারতো.....!!!

রাজাকার জিয়াই বিএনপি বানিয়ে দুধের ভাতে বালি ছিটিয়ে গেল.....!!!!!!!
৬৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৮
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: @জামান:

ভাই, কামারের দোকানে কোরান শরীফ পড়তেছেন......!!!!

যেহেতু জিয়াকে রাজাকার প্রমান করা যাইতেছে না, সেহেতু কমপক্ষে প্রমান করতে হবে জিয়া ভাল যুদ্ব করতেও জানে না| তাতে যদি মনটা একটু শান্তি পায়........|

এয়ার কন্ডিশন রুমে বসে, পটাটো চিপস আর কোকের বোতল পাশে নিয়ে, কি-বোর্ডে টাইপ করে জিয়ার যুদ্ব প্ল্যান ভুল প্রমানের চেষ্টা খুবই আরামপ্রদ.....
৬৮. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪১
মৌ-মাছি বলেছেন: যাক আশস্ত হইলাম। হামার গুরু দুইজন ওজামান ও বিদ্রোহী রণক্লান্ত অবশেষে তাদের স্বরূপে ফিরে এসেছে। ভদ্রভাবে বিতর্ক হামরা একটু কমই পারি, গালাগালি, ঠেলাঠেলি ছাড়া কি জমে।
৬৯. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৭
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত : আপনার কথা আপনাকে ফিরিয়ে দেই - মতের মিল না হলেই একটি বিশেষ দলের ভক্ত অজুহাতে কথা ঘুরানো কিসের লক্ষন? এমন কোন বাংলাদেশী কি নেই যে কোন দলের অনুসারী নয়, বরং দেশের অনুসারী? সারা জীবনতো দলের কথা কোরান শরীফের মত বিশ্বাস করে এলেন, দলের বাইরের মানুষদের কথা পড়ে দেখেছেন কখনো? আপনার বক্তব্য ছাত্রদলের প্রেসনোটের মত শোনায়। পারলে প্রমান সহকারে কথা বলবেন।

এয়ার কন্ডিশন রুমে বসে, পটাটো চিপস আর কোকের বোতল পাশে নিয়ে, কি-বোর্ডে টাইপ করে জিয়ার যুদ্ব প্ল্যান ভুল প্রমানের চেষ্টা খুবই আরামপ্রদ....

এসি পর্যন্ত কিছুটা মিলেছে!! তবে পটেটো চিপস আর কোক, কোনটাই খাওয়া হয় না তেমন। যেই দাম!! গায়ে লাগে। (এইটা কিন্তু হাসিনা আপার দোষ না, এইখানে কেভিন রাড প্রধানমন্ত্রী)

এত আরামে নাই আমি। ব্লগিং এর সময়টা বের করতে যেয়ে ইউনিতে অনেক রাত পর্যন্ত থাকতে হয়। অফিস আওয়ারের পর এসিও বন্ধ করে দেয়। গোদের উপর বিষফোড়া হল, এত আদরের বই এর কালেকশন আমার, কোন কিছুই আর হাতে নেই। স্মৃতির উপরই ভরসা করতে হয়, কাজেই অন্য কেউ যখন একটা তথ্য দেয়, অনেক সময়ই যাচাই করে দেখতে পারি না, বেনিফিট অব ডাউট দিতেই হয়। মুক্তিযুদ্ধের মত একটা বিষয়ে আমি অস্পস্টতা চাই না। কাজেই বিষয়টা আমার জন্য পীড়াদায়ক।

এই ব্লগে কমেন্ট করেছিলাম বিষয়টা আরো ভালমত জানার জন্য। আপনাদের সাথে অনেকদূর কথা হল। দলীয় আবেগে ইতিহাসকে ধামাচাপা দেবার উদ্যোগ আরেকবার দেখলাম। সত্যকে জানতে আর স্বীকার করতেও যেন কত আপত্তি। আপনি ছাত্রদল করেন, এবং আপনাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়া। দলীয় ইমেজ ছড়ানোর কাজে তাকে ব্যাবহার করেন, কাজেই তার ইমেজে যেন কোন দাগ না পড়ে সে বিষয়ে সদা সচেতন থাকেন। (একই কথা আওয়ামীলীগের জন্যও প্রযোজ্য) এভাবে তাকে দেবতার আসনে বসিয়ে স্বার্থসিদ্ধি করার চেষ্টা করেন আপনারা - যারা রাজনীতি করেন। দেবতার ভোগ তো আর দেবতা খান না, সমস্ত প্রসাদ ভক্তকুলেরই জুটে।

আমি এবং আমার পরিবার মনে প্রানে রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তিকে ঘৃণা করি। প্রতি পদে পদে এজন্য আটকাতে হয়েছে, বিশেষ করে আমার বাবাকে (তিনি সরকারী চাকুরীজীবি ছিলেন, এদেশে নিরপেক্ষ থাকাটা খুবই সন্দেহজনক, শিশু আর পাগল ছাড়া নাকি কেউ নিরপেক্ষ নয়)। মুক্তিযুদ্ধ আমার আবেগের অংশ। নিজের তাড়নাতেই আমি এনিয়ে জানার চেষ্টা করি। যখন কোন বিষয় নিয়ে বিতর্ক জন্ম নেয়, তখন স্বভাবতই এ নিয়ে জানার আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। এই ব্লগে আলোচনা করে নতুন করে আবার শিখলাম, জানার আগ্রহের চাইতে নিজের সিদ্ধান্ত জোর করে চাপিয়ে দিতেই অনেকের আগ্রহ বেশী, নীতিবোধ সেখানে খুবই অসহায়।
৭০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৯
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @৬৩ নং মন্তব্যের জবাবেঃ

সহমত। জিয়া একজন মানুষ ছিলেন। এই দেশের জন্য তিনি সংগ্রাম করেছেন, এজন্য সমস্ত মুক্তিযোদ্ধার মত তাকেও সম্মান করি আমি।

উনার বেশ কিছু ভুল ছিল, ১৯৭১ এ এবং পড়েও। বড় মানুষের ভুলগুলোর মূল্যও বেশী হয়। কিন্তু দলীয় আনুগত্যের প্রশ্নে আমরা ডিজিটাল বিহ্যাভিয়ার দেখি (এবসল্যুটলি ভাল বা খারাপ), মাঝামাঝিতে থাকি না। আসলে রাজনীতি খুব খারাপ, খুবই খারাপ।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৫

লেখক বলেছেন: সহমত। যার যতটু্কু সম্মান (বা সমালোচনা ) প্রাপ্য তা' দিতে আমরা বরাবরই কার্পন্য করি । শেখ মুজিব বা জিয়াকে ইতিহাসের নায়ক হিসেবেই দেখা উচিত কিন্তু আমরা তা' না করে করি দলীয় মূল্যায়ন । শেখ মুজিব স্বাধীনতার স্থপতি ছিলেন এর মানে তো এই নয় যে শাসক হিসেবে তার সব ভূমিকা সঠিক ছিল । তিনি সারাজীবন গনতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন এটা যেমন সত্য তেমনি সত্য এটাও যে তিনিই গনতন্ত্রের কফিনে পেরেক মেরেছিলেন , ভিন্নমতকে দমনে নানা বাহিনী করেছিলেন । জিয়ার মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এটা যেমন সত্য তেমনি সত্য এটাও যে তিনি ক্ষমতায় এসে রাজাকারদের প্রতিস্ঠিত করেন , শাহ আজিজকে প্রধানমন্ত্রী করেন , মুক্তিযোদ্ধা আর্মিদের ফাঁসি দেন । শুরুতে তিনি স্বৈরাচারই ছিলেন পরে গনতন্ত্রের দিকে ধাবিত হন ।

৭১. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২
হিটলারের সাগরেদ বলেছেন: সুন্দর লেখা। প্রিয়তে
৭২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪০
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: জিয়ার গ্রেফতারি পরোয়ানা সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য হাতে ছিলো না। তবে আপনার প্রশ্নটা মাথায় ছিলো। অবশেষে যা জানলাম তা শেয়ার করছি।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটা টার্নিং পয়েন্ট হতে যাচ্ছিলো ঘটনাটা। এবং ব্যাপারটা ঘটলে সেটা হতো আমাদের স্বাধীনতার পিঠে বিশাল এক ছুরিকাঘাত। ঘটনা মোটামুটি এরকম জিয়াকে মুক্তিবাহিনী সদর দপ্তর থেকে সেক্টরের দায়িত্ব মীর শওকতকে হস্তান্তর করে বরং একটি ব্রিগেড গোছাতে বলা হয়। জিয়া যা করলেন তা অনেকটা ২৭ মার্চ নিজের নামে করা স্বাধীনতা ঘোষণাটির মতোই একটি হটকারী ব্যাপার। তার অনুগত অফিসার ও তাদের নেতৃত্বাধীন মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে ঘোষণা করলেন 'জিয়া বাহিনী'। এমনতেই শেখ মনির 'মুজিব বাহিনী' নিয়ে বিব্রত ও ক্ষিপ্ত ছিলেন ওসমানী। এবার 'জিয়া বাহিনী'র ঘোষণা আগুনে ঘি ঢাললো। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এরপর।

আগেই বলেছি ঘটনাটা অনেকদূর গড়াত এবং তার ফল হতে পারতো অনেকরকম যার সমস্তই নেতিবাচক। তা গড়ায়নি মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের দূরদর্শীতায়। তিনি জিয়া বাহিনীর আদলে আরো দুটো বাহিনী গড়ে দিলেন। 'খালেদ বাহিনী' ও 'শফিউল্লাহ বাহিনী' যা পরিচিত হলো অধিনায়কদের নামের অদ্যাক্ষরে। ইতিহাস বইয়ে আমরা জেড ফোর্স, কে ফোর্স আর এস ফোর্স গঠনের যে কথা পড়েছি, তার নেপথ্যে রয়েছে এই ঘটনাই।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা পিয়াল ভাই ।

৭৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৯
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ঘটনা মোটামুটি এরকম জিয়াকে মুক্তিবাহিনী সদর দপ্তর থেকে সেক্টরের দায়িত্ব মীর শওকতকে হস্তান্তর করে বরং একটি ব্রিগেড গোছাতে বলা হয়।

তার অনুগত অফিসার ও তাদের নেতৃত্বাধীন মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে ঘোষণা করলেন 'জিয়া বাহিনী'।

---

পিয়াল ভাই, আমার সরল চোখ বিষয়টার সব এস্পেক্ট বুঝতে অপারগ। আরেকটু খোলাসা করেন।

১। Z ফোর্স কি সেনাবাহিনীর নিয়মিত ব্রিগেড, মানে তাতে কি ইপিআর/ইবিআর এর বাইরে সাধারন মুক্তিযোদ্ধারা ছিলেন?

২। সদর দপ্তর তাকে একটা ব্রিগেড তৈরির দ্বায়িত্ব দিয়েছিল। তিনি গঠন করলেন Z ফোর্স। এখানে সংঘাত হল কোথায়? উনি কি Z ফোর্স এর ক্ষেত্রে সদর দফতরের চেয়ে নিজে বেশী কর্তৃত্ব নিয়েছিলেন?

অটঃ ২৭শে মার্চের নিজের নামে ঘোষনা তার চরিত্রের একটা দিক বেশ নগ্নভাবেই প্রকাশ করে। বর্তমানে অবশ্য সে ঘোষনাটাকে এড়িয়ে তার ৩ নম্বর ঘোষনা, যেটাতে শেখ মুজীবের পক্ষে কথাটা বলা হয়েছে সেটাকেই প্রচার করা হচ্ছে। তবে সে আলোচনা অন্যত্র।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: পিয়ালের মন্তব্যের তার সাথে আমার ফোনো কথা হয়েছে । আমি মন্তব্য করেছিলাম জিয়া একজন উচ্চাভিলাসি অফিসার ছিলেন এবং সেটা মুক্তিযুদ্ধের সূ্চনায় বেতার ঘোষণার সময়ই প্রকাশিত । যা হোক-আপনার প্রশ্নের উত্তরে আসি এবার



১। Z ফোর্স কি সেনাবাহিনীর নিয়মিত ব্রিগেড, মানে তাতে কি ইপিআর/ইবিআর এর বাইরে সাধারন মুক্তিযোদ্ধারা ছিলেন?

হ্যাঁ, নিয়মিত ব্রিগেড ।

২। সদর দপ্তর তাকে একটা ব্রিগেড তৈরির দ্বায়িত্ব দিয়েছিল। তিনি গঠন করলেন Z ফোর্স। এখানে সংঘাত হল কোথায়? উনি কি Z ফোর্স এর ক্ষেত্রে সদর দফতরের চেয়ে নিজে বেশী কর্তৃত্ব নিয়েছিলেন?


সদর দপ্তর তাকে একটা ব্রিগেড তৈরির দ্বায়িত্ব দিয়েছিল কিন্তু তিনি সে ব্রিগেডের নাম দেন নিজের নামে । এখানেই সংঘাত ।



৭৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৫
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @লেখকঃ অনেক ধন্যবাদ। তবে এটা বুঝতে পারলাম যে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ কে ব্যাক্তিগত লাভক্ষতির জন্য ব্যাবহারের চেষ্টা এ যুগের মত সেই আমলেও ছিল।

মানিক ভাই, এই লেখার প্রথম দিকের একটা কমেন্টে আপনি বলেছিলেন ২৫-৩১ শে মার্চ জিয়ার ভূমিকা নিয়ে খোজ নিয়ে লিখবেন। সেটার কতদূর?
০১ লা মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:০০

লেখক বলেছেন: দুঃখিত । বর্তমানে আরেকটি জরুরি গবেষণামুলক বইয়ের কাজে ব্যস্ত আছি (যেটাতে আপনারও আগ্রহ আছে ) তাই মার্চে জিয়ার ভূ্মিকা নিয়ে ঘাটতে পারিনি ।

৭৫. ০১ লা মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৫২
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ মানিক ভাই।

কোন সমস্যা নেই। আপনি সময় অ সুবিধামত এ নিয়ে লিখবেন। আপনার নতুন বইয়ের জন্য আগাম শুভেচ্ছা।
৭৬. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:০৪
দাসত্ব বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম ,
আরো লিখুন

ওসমানি মেজর জলিল এর সাথেও অনেক উল্টা-পাল্টা করসেন বলে জানি ।

এ বিষয়ে কিছু জানেন ?

এটাও শুনলাম জিয়া হত্যাকারি মন্জুর ওসমানির এডিসি ছিলো কলকাতায় ।

ওসমানির আসকারা পায়া নাকি মেজর জলিল এর সাথেও নাকি চোটপাট দেখাইসে ।

জানেন কিছু?
১১ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: ১। ওসমানির সাথে অনেকেরই বনিবনা হয়নি । শুধু ওসমানিকে নিয়ে আলাদা লিখব ।
২। জিয়ার হত্যাকারি নয় বরং শেখ মুজিবকে যিনি গুলি করে হত্যা করেন সেই নূ্র ওসমানির এডিসি ছিলেন ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫০১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ঢাবি হতে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর । আগ্রহের বিষয় কবিতা-দর্শন-বিজ্ঞান । ১৯৯০'র দশকের শুরু থেকে বাংলাদেশের প্রথম শ্রেনীর জাতীয়...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই