সভ্য এ পৃথিবীর অসভ্য দংশন ছিঁড়ে ফেলে আমাদের এবং আমায়

কলেজের দিনগুলো

২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমার বেড়ে ওঠা আর পড়াশোনার অনেকটাই কেটেছে চট্টগ্রামে। উচ্চ মাধ্যমিক পড়েছিলাম চট্টগ্রাম কলেজে। চিটাগাং কলেজ নামেই বেশী চেনা। সে এক অন্যরকম প্রতিষ্ঠান। আয়তনে, ডিপার্টমেন্ট-শিক্ষক-ছাত্র সংখ্যায় বিশাল। আর রেজাল্ট? তখনও চট্টগ্রাম আর সিলেটে আলাদা শিক্ষাবোর্ড হয়নি, জিপিএ কী জিনিস জানতাম না। কুমিল্লা বোর্ডের অধীনে বাঘা বাঘা সব কলেজের সঙ্গে কমপিট করেও মেধা তালিকায় ওপর-নীচ-মাঝে সবখানেই চিটাগাং কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা অনায়াসে অবস্থান নিত। ওই কলেজের টুল-বেঞ্চও স্টার পায়, এটা চট্টগ্রামের নিজস্ব প্রবাদ। আসলেই, একেকবার এইচএসসির রেজাল্টের পর কোন্ দু'তিনজন স্টারমার্কস মিস করল, এটাই আলাপের বিষয় থাকত কলেজের করিডোরে।

তাই বলে মনে করবেন না পড়াশোনা ছাড়া অন্য কিছুর চর্চা ওখানে নেই। মজার ব্যাপার হল, ওখানে পড়াশোনাটাই সবচেয়ে কম করতাম আমরা। এডমিশন টেস্টের রেজাল্টের পর ভর্তি হতে গিয়ে দেখি সবাই কিউতে পিছনে দাঁড়াতে চাইছে। কারণটা না বুঝে বীরদর্পে এগিয়ে প্রথমদিকে ভর্তি হয়ে রোল নাম্বার "ফোর" পেলাম। কী ব্যাপার, ছেলেগুলো হাসছে কেন? মজা বুঝলাম ক্লাস করতে গিয়ে। ডিগ্রী-অনার্স-মাস্টার্সের ক্লাস হয় তাদের নিজ নিজ ডিপার্টমেন্টে। আর একাদশ-দ্বাদশের পোলাপানরা থাকে দৌড়ের উপরে। প্রথম ঘন্টায় ইংরেজি তো পরের ঘন্টায় ফিজিক্স। মেইন বিল্ডিঙের তিনতলার গ্যালারি থেকে বেরিয়ে একতলায় নামো, টিলার গায়ে ভাঙাচোরা প্যাঁচানো সিঁড়ি বেয়ে নেমে লাইব্রেরীর সামনে যাও, তারপর আবার আধা কিলোমিটার হেঁটে ফিজিক্সের গ্যালারি। এর পরের ঘন্টায় বায়োলজিঅলারা বোটানি ভবনের তিনতলায়। আমরা পরিসংখ্যানঅলারা অন্য কোথাও। সায়েন্সের তিন সেকশনের প্রত্যেকটায় একশ বিশ জন করে ছাত্র। তার মধ্যে জনা পনেরো মেয়ে। ছেলেরা অনায়াসে দৌড়ে আগে চলে যেত; সংখ্যায় অনেক বেশী বলে "প্রক্সি"ও দিত অনায়াসে। আর আমরা মেয়েরা সবার পরে ক্লাসে ঢুকে দেখতাম রোলকল প্রায় শেষ। হায়, কেন আগেভাগে ভর্তি হয়ে গোড়ার রোল নম্বর পেলাম!

আমার সেকশনের এটেনডেন্স রেজিস্টারে প্রথম জন ছিলাম আমি; "ফার্স্টলেডি" নামটা তাই প্রথমদিনেই পেয়ে যাই। সায়েন্সে মেয়ে কম ছিল; কমবেশী সব মেয়েকেই ছেলেরা এরকম কোন না কোন খেতাব দিয়ে ফেলত। সেটা জানান দেয়ার কায়দাও ছিল মজার। চিরকুট ছুঁড়ে বা ব্ল্যাকবোর্ডে লিখে। গ্যালারিতে ক্লাস হলে মেয়েরা বসতো সামনের দুই সারিতে। মেয়েদের ঠিক পিছনেই বসতো পড়ুয়া ক'জন ছেলে, যারা মূলত শিবির করতো। আর বেশী দুষ্টু ছেলেরা বসত পিছনে ওপরের সারিতে। অধ্যাপকের নজর এড়িয়ে গ্যালারির উপর থেকে দলা পাকানো চিরকুট ছুঁড়ে মারত। নিখুঁত নিশানায়। আমরা বিরক্তি দেখিয়ে (ভিতরে ভিতরে
আসলে দারুণ খুশি হতাম) সন্তর্পণে ওগুলো খুলতাম। চিরকুটের ভেতর বড়ইর বিচি থাকত (সম্ভবত মোমেন্টামের জন্য)। যাকে উদ্দেশ্য করে লেখা তার রোল নম্বর লেখা থাকত ওপরে। সেটা পড়ে কন্টেন্ট বুঝে বান্ধবীদের পাস করা বা ছিঁড়ে ফেলা। বেশীরভাগই মজার হত। কাউকে দেয়া খেতাব, কার্টুন, প্যারোডি, কিংবা নিছক দুটো রোল নম্বরের মাঝে একটা যোগচিহ্ন। তখন আমির-সালমান রোম্যান্টিকতার জোয়ার চলছে, তারপরও, চেনাজানা থাকলেও ছেলেমেয়েরা ক্যাম্পাসে তেমন কথাবার্তা বলত না। শিবিরের মামু-দের ভয়ও ছিল। বুঝতেই পারছেন, চিরকুটগুলোর ভূমিকা তখন কত গুরুত্বপূর্ণ। আমি একবার পেলাম একটা, তাতে লেখা মাইলসের তখনকার হিট গান, তবে একটু বদলে-
চাঁদতারা সূর্য নও তুমি
নও পাহাড়ী ঝরণা
তুমি একটা সাধারণ মেয়ে
তোমার এত দেমাক কেন???
কোরবানী ঈদের ছুটির পর কলেজ খুলল। চিরকুটে কার্টুন এলো- লাস্ট কোরবানী আই গেইভ ইউ মাই কলিজা (লাস্ট ক্রিসমাসের প্যারোডি)।

শিক্ষকদের নাজেহাল করতে পটু ছিল কেউ কেউ। ইংরেজির এক লেকচারার ভীষণ নাকিস্বরে কথা বলতেন। পড়াতেন মাদার ইন ম্যানভিল। তার ক্লাসে পোলাপান নাকিসুরে "প্রেঁজেঁন্ট স্যাঁর, ইঁয়েঁস স্যাঁর" এর সিরিজে রেসপন্ড করত। বেগতিক দেখে বেচারা রোলকল বন্ধ করে দিলেন। ছেলেরা রেহাই দেবে কেন? তারপরের দিন ক্লাসে ব্ল্যাকবোর্ডে ইংরেজিতে লেখা "মাদার ইন ম্যানভিল"- উপরে অসংখ্য চন্দ্রবিন্দু।

এদের সামনে বাংলার শিক্ষকরা সবচেয়ে অসহায়। এক অধ্যাপক প্রথম ক্লাসে পরিচয় দিলেন, "আমার নাম অর্ধেন্দু বিকাশ রুদ্র। কারো কোনো প্রশ্ন?" নিরীহ মুখে একজন দাঁড়াল। "কেমিস্ট্রিতে পূর্নেন্দু, বাংলায় অর্ধেন্দু, সোয়াইন্দু- সিকিইন্দু-পৌনেইন্দুরা কোথায়, স্যার?" এই অর্ধেন্দু রুদ্র স্যার কবিতা পড়াতেন খুব আবেগ দিয়ে আবৃত্তি করে । কী একটা কবিতায় যেন "রুদ্র উলঙ্গ" কথাটা ছিল। সঙ্গে সঙ্গে পিছনের সারি হইহই করে উঠল, "ছিছি স্যার, নিজের লজ্জার কথা এভাবে বলে না...!" এক ম্যাডাম ছিলেন, যার শাড়ির রং গায়ের রঙের সঙ্গে ঠিক মানানসই হতো না। বিকট কমলা রঙের শাড়ি পরে এসেছেন একদিন। ছেলেরা যথাসময়ে ব্ল্যাকবোর্ডে লিখে রাখল, "কয়লার খনিতে আগুন লেগেছে"। আরেক অধ্যাপক দুষ্টুমির শাস্তি হিসেবে একজনকে দাঁড় করিয়ে "সমুদ্রের প্রতি রাবণ" থেকে একলাইনের অর্থ বলতে বললেন। এখানেও মেধাবী দুষ্টুমি; ছেলেটা বলল, "সূর্য সূর্যে সূর্য যেন সূর্য" (কনক উদয়াচলে দিনমণি যেন অংশুমালী)। কোন শিক্ষক হয়তো বললেন, "কী গরম পড়ল- সবার অসুখবিসুখ করছে"- সঙ্গে সঙ্গে ব্যাকবেঞ্চ থেকে গান "রোগবালাই তো আছে দুনিয়ায়, ভালো থাকার আছে যে উপায়।"
-কে গাইল? কে? (গায়ক ততক্ষণে পিছনের দরজা দিয়ে হাওয়া)
-অন্য কলেজের, স্যার, মজা করতে আসছিল...
-কোন্ কলেজ থেকে আসছে?
-গার্লস কলেজ, স্যার...
শিক্ষক ভদ্রলোক অগ্নিশর্মা হবার আগেই গ্যালারির সিঁড়ি বেয়ে মার্বেলের ঢল গড়িয়ে পড়তে শুরু করল।

সে তুলনায় বিজ্ঞানের শিক্ষকরা যথেষ্ট স্মার্ট। ফিজিক্স ক্লাসে লালটু ছেলেটা একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে বিশেষ কোনো মেয়ের দিকে, যার মনযোগ অন্য কোন ফাঁকিবাজিতে। অধ্যাপক দুজনকেই দাঁড় করান। "ওর তরে যে সে এখন সমুদ্র সৈকতে ঘোরে, আর তোমার তরে যে সে এখন প্রাইমারী স্কুলে পড়ে। অতএব ঘাড় সোজা করে বসো বাবা।" কেমিস্ট্রির তাবলিগি স্যারও কম যান না। পড়া না পেরে বান্ধবীর দিকে তাকানো মেয়েটাকে নির্দ্বিধায় বলে দেন, "খালেদা জিয়ার মতো পাশের জনের দিকে তাকাও কেন?" (তখন খালেদা সবে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে মন্ত্রীপরিষদের মিটিংয়ে বড় বেকায়দায়।)

কলেজের সাতদিকে সাতটা গেইট। সবসময় খোলা। তারপরও কেউ ক্লাস মিস দিত না তেমন। কারণ ক্লাসেই আসল মজা। তাও কেউ কেউ কোন কোন বিষয়ে ননকলেজিয়েট-ডিসকলেজিয়েট হয়ে যেত। ইয়ার ফাইনালের রেজাল্টের সঙ্গে সে খবরটাও অভিভাবকের কাছে পোস্ট করা হত। বুদ্ধিমান ছেলেরা এজন্য আগে থেকেই সুবিধামত "স্থানীয় ঠিকানা" দিত। "গার্জিয়ান কল" হলে সাজানো বাপ-চাচা হাজির করত। দুএকজন আবার ধরা পড়ে অন্যদের হাসির খোরাক হতো। ইউনিফর্ম ছিল ছেলেদের জন্য সাদা শার্ট আর মেয়েদের সাদা এপ্রন। সাদা শার্টের নীচে রঙিন টিশার্ট পরে দুটো বোতাম খোলা রেখে ছেলেরা ফ্যাশনেবল
থাকার চেষ্টা করতো। একবার "চোখ ওঠা"র ধুম পড়ল সবার; ওই ছুতোয় কালো চশমা পরে থাকার সুযোগ হারাতে চাইলোনা অনেকে।

কলেজ ছেড়ে এসেছি অনেক বছর হল। ওই দুবছরেরও কম সময়ের স্মৃতিগুলো এখনও কী সজীব! এখনো হঠাৎ হঠাৎ কারো দেখা মেলে; খোঁজ পাই আরো ক'জনের। আমাকে চিরকুট লেখা অভীক, ফিল্ম ইন্সটিটিউট থেকে পাস করে এখন মুম্বাইতে কোন বাঙালী পরিচালকের সহকারী। বাংলাদেশী বিজ্ঞাপনও নাকি বানায় কলকাতায়। ঝাঁকেঝাঁকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার বেরিয়েছে; চিকিৎসকদের অনেকেরই নামের পরে অক্ষরের লম্বা লাইন। জলপাই-সাদা-আকাশীর উর্দি চাপিয়েছে কেউ কেউ; মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হয়ে সাগরে ভাসছে জনাদশেক। লালটু তারেকের এখনকার বউ তখন প্রাইমারি স্কুলে পড়ত কিনা জানা হয়নি। তার সেই দৃষ্টিবন্দিনীর তরে অবশ্য সৈকতচারী কেউ অপেক্ষায় ছিলনা। ব্যাচের অন্তত চারটা মেয়েকে নিয়ে কবিতা লিখে ব্যর্থ শাওন পরে মহা ধুমধামে মিডিয়ার এক সুন্দরী তারকাকে পটিয়েছে। উত্তর-কৈশোরের সরল আবেগ নিয়ে গড়ে ওঠা জুটিগুলোর টিকে থাকার খবর তেমন নেই। সুদর্শন রাসেল প্লেনক্র্যাশে মারা গেছে কুড়ি পেরোতেই; জিডি পাইলট হওয়া হয়নি তার। সালমান খানের কপি মিজান, মাকে চমকে দিতে আমেরিকা থেকে গোপনে ফিরে, ঢাকা-চিটাগাং হাইওয়েতে শেষ নি:শ্বাস ফেলে সবাইকেই চমকে দিয়েছে। বাকী সবার জীবনের সুখবরের আশায় থাকি আমরা; চট্টগ্রাম কলেজ ১৯৯২ ব্যাচের সবাই।




 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): চট্টগ্রামকলেজস্মৃতিচারণ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: স্মৃতিচারণ  বিভাগে ।

 

  • ১৪৯ টি মন্তব্য
  • ১০৭৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১৩
comment by: সাইফুর বলেছেন: হুম...সেই কলেজ..ভালোই ছিলো
২. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১৪
comment by: শিমু নুমান বলেছেন: vast writing
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: এহ্ হে, বেশী বড় হয়ে গেল?

৩. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১৭
comment by: সাইফুর বলেছেন: আমাদের পাশের কলেজ..স্মৃতিটা মজা লাগলো
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন: মহসীন কলেজ, তাইতো? সেও দারুণ! বিশাল পাহাড়; বিপ্লবী সূর্যসেন আর অস্ত্রাগার লুটের স্মৃতিজড়ানো...

৪. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১৮
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: এত্ত মজা ছিল আপনাদের? চলেন সবাই মিলে আবার স্কুল কলেজে ভর্তি হই।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:২২

লেখক বলেছেন: আরে আসল মজাগুলো তো চেপে যেতে হয় ;)

৫. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১৯
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: খুব ভালো লেখেন আপনি। আর এটার বিষয়বস্তুটাও এত মজার, খুব ভালো লাগলো।

ভালো থাকবেন।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, শুভকামনা।

৬. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:২১
comment by: মুহিব বলেছেন: আমি চট্টগ্রাম কলেজে চান্স না পেয়ে শাহীন কলেজে ভতি হলাম। চট্টগ্রাম কলেজের ছেলেদের চোখে মুখে ট্যালেন্ট বোঝা যেত। আমরা হিংসাই করতাম।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: ধুরররর, টোয়েন্টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো একটা ভর্তি পরীক্ষা হতো, অনেক ভাল ছাত্রই একেবারে পয়েন্টের জন্য আসতো না...
আপনার কলেজও খুব ভাল।

৭. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:২২
comment by: তাসনুভা. বলেছেন: দারুন ভালো লাগলো নষ্টালজিক স্মৃতিচারন...আপনার লেখার হাত অসাধারন...নিয়মিত লিখছেন না কেন?

ভালো থাকবেন...
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, তাসনুভা। আপনিও ভালো থাকুন।

৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:২২
comment by: লাল পিপড়া বলেছেন: হায় হায় আপনেও দেখি চিটাইংগা
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:২৭

লেখক বলেছেন: হতে পারে আমার পূর্বপুরুষ "চাটগাঁইয়া" নন; তবে চট্টগ্রামের আলোবাতাসে বেড়ে উঠে আমি মনেপ্রাণে চট্টগ্রামের সন্তান।

৯. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:২৮
comment by: নাফিস ইফতেখার বলেছেন: আপনার লেখনী অসাধারণ.......আমি সচরাচর কথাটা কাউকে বলার সুযোগ পাইনা......কারন সেরকম লেখা সাইটে খুব কম.....আপনাকে না বললে অন্যায় হবে.....

+ + + + +

চট্টগ্রামের কথা শুনে মনে পড়ে গেল....আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে আজকের দিনটিতে ও আমার ভালোবাসার প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছিল.......

অনেক ভালোবাসি ওকে......অনেক অনেক বেশি.......
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩১

লেখক বলেছেন: আপনি বিরাট ভাগ্যবান!!!
অভিনন্দন!!!

১০. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩৩
comment by: সুতরাং বলেছেন: চমৎকার সময় কেটেছে তাহলে আপনাদের? আমি এইচএসসি থেকে অনার্স-মাস্টার্স পর্যন্ত মোট ক্লাশ করেছি ৮/৯ দিন। কলেজেও খুব কম গিয়েছি। ক্যাম্পাসের আনন্দ উপভোগ করতে পারিনি। এবং দুঃখের বিষয় হচ্ছে, আমার অনেক বন্ধু; কিন্তু কলেজের একটি বন্ধুও নেই।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক কিছু মিস করেছেন...

১১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩৫
comment by: রাজামশাই বলেছেন: পড়লাম

২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৩১

লেখক বলেছেন: দেখলাম

১২. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪১
comment by: |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: আহারে আপু , কি যে দিন ছিলো চট্টগ্রাম কলেজে আমাদের! আমরা ১৯৯৯ ব্যাচে কলেজিয়েট থেকে ১৯৮ জন ভর্তি হয়েছিলাম।
কেমেষ্ট্রীর কামরুল স্যার দ্বিতীয় দিন ক্লাসে কয়, কলেজিয়েট এর পোলাপাইনরা দাঁড়াও।
আমরা তো বুক টুক চেতায়া ফুলায়া দাঁড়াইলাম , ওই বছর আবার আমদেরই চৌদ্দজন স্ট্যান্ড।
কামরুল স্যার বলেন , কলেজিয়েটের পোলাপাইন হাড্ডিতে হাড্ডিতে বিচ্ছু।
আমরা নেতায়া যাই...
আরো কতো...

কলেজিয়েট আর গভার্নমেন্ট হাই এর পোলাপাইনের বান্দরামি দেইখা যে স্যাররা হার্ট ঠিক রাখে এইটাই বিরাট ব্যাপার। এই বান্দরগুলাই কিন্তু আবার স্ট্যান্ড করতো ।

আহারে সে দৌড়াইয়া দৌড়াইয়া ক্লাস করা , প্যারেডের খেলা , জয়নগরের চা , ক্যান্টিনের আড্ডা – কত আর কমু?

টানা পড়লাম, আমার কেন জানি লেখাটা ছোটই মনে হইতাছে।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: এইতো পাইছি!
কলেজিয়েটের বান্দরগুলিকে শায়েস্তা করার জন্য '৯১ এ এসএসসির রেজাল্টের পর (ঐবার কলেজিয়েট স্মরণকালের বাজে রেজাল্ট করেছিল মেধা তালিকায়) আমরা ব্ল্যাকবোর্ডে লিখলাম- কলেজিয়েট ধপ্পাস্!
সেরা দুষ্টু ছেলেটার চোখেও পানি এসে গেল ওটা দেখে...

১৩. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪২
comment by: র‌্যাভেন বলেছেন:
ভালো লিখেছেন তবে স্মৃতিগুলা খুবই কমন , কলেজ পর্যায়ে সরকারী কলেজগুলাতে পড়া সবার অভিজ্ঞতায় হয়ত এরকমই।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:২৮

লেখক বলেছেন: হয়তোবা

১৪. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫২
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: আপনার দুটো লেখা পড়লাম। দুটোই খুব ভাল লাগলো। সহজ সরলভাবে ঘটনাগুলোকে উপস্থাপন করা এবং সহজ ভাষায় ও সাবলীল ভঙ্গিতে সেগুলোকে প্রকাশ করার চমৎকার নৈপূণ্য আপনার লেখায় খুঁজে পেলাম। ভাল লাগলো। লিখতে থাকুন। পাঠক আপনার লেখা আগ্রহ নিয়েই পড়বে।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৩০

লেখক বলেছেন: আপনাকে স্পেশাল ধন্যবাদ!

১৫. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০০
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ভালো লিখেছেন।
অনূভুতির সাদাসিধা চমৎকার প্রকাশ।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সাধারণ ঘটনার তুচ্ছতাতেই আমার আচ্ছন্নতা।

১৬. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০১
comment by: ফারহানা আহমেদ বলেছেন: আপু এইডা কি করলেন? পুরানো স্মৃতি সব মনে করায়া দিলেন। কলেজ শেষ করে সেই যে চট্টগ্রাম ছেড়েছি, আর যাওয়া হয়নি। আমি ছিলাম ৯৪-৯৫ ব্যাচের, সায়েন্সের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর কলেজের বন্ধুদের সাথে যোগাযোগটাও প্রায় নেই বললঐ চলে।

কলেজের আর কেউ কি আছেন এই ব্লগে?
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: এইতো আরেকজন; কমন পড়ছে...!!!

১৭. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০৬
comment by: পারভেজ বলেছেন: মনে পড়ে গেল, আমরা ছিলাম ৮৮ এর ব্যাচ, ৯০ তে বের হবার পরও বুয়েটে ক্লাশ শুরুর আগে ৯২ এর প্রায় পুরো সময়টাই আড্ডা দিতাম ক্যাম্পাসে। এখন দেখি বিশাল সব দেয়াল তুলে পুরো ক্যাম্পাস দূর্গ বানিয়ে ফেলা হয়েছে! ঐ খোলা মেলা মজা টা আর নাই। আখতারুজ্জামান নামে বাংলার অধ্যাপক ছিলেন, যার প্রিয় স্বরচিত কবিতা ছিল," তুমি দুলো আর আমি দুলি আর ট্রেন দোলে..... এরকম কি একটা যেন! আর ইংরেজির রেহানা ম্যাডাম তো ছিলেন ছেলেদের হার্ট থ্রব!!
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: হাহাহাহ, সেই কাজী মুহম্মদ আখতারউজ্জামান!!! আমাদের তো বাংলাই পড়িয়েছেন বোধহয় ১০/১২ জন। সিরাজউদ্দৌলা স্যারকে মনে আছে তো, "লাল টয়োটার মতো টুকটুকে সুন্দরী" অথবা "মাহবুব মাহবুব দাও ডুব পুকুরে/ তানাহলে কামড়াবে ঐ কালো কুকুরে"... রেহানা আলম খান আসলেই দারুণ স্মার্ট ছিলেন; বয়স বোঝা যেত না, আমার বয়সী ছেলে আছে ওনার...

আপনারা বের হওয়ামাত্র তাহলে আমরা ঢুকেছি, '৯০ এ এস এস সি'র পর। ... শেষ গিয়েছিলাম বিসিএস পরীক্ষা দিতে, ৮/৯ বছর হয়ে গেল... আসলেই খোলামেলা ভাবটাকে খুন করে ফেলেছে একদম। দম বন্ধ বন্ধ লাগে।

১৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২১
comment by: |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আয় হায় পারভেজ ভাই, আখতারুজ্জামান স্যারতো দোলাদুলির ছড়া আমাদেরও শুনিয়েছিলেন! তবে বাংলার স্যাররা ছিলেন জটিল, বিশেষত সিরাজউদ্দৌলা স্যারের ক্লাস করা ছিলো একটা অভিজ্ঞতা! কি সব উপমা দিতেন, মাঝে মাঝে আম্রাও লাল
হয়ে যেতাম!

সব কলেজেই মজা হয় খুব , তবে চট্টগ্রাম কলেজের ব্যাপকতা , বিশালত্ব আর আবহ মিলে এই মজাটা ছিলো অন্যরকম।



আমাদের (এবং মনে হয় স্যারদেরও) হার্ট থ্রুব ছিলেন ফিজিক্সের এক ম্যাডাম , নাম ভুলে গেছি...
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: আমাদের সময় বোধহয় উনি ছিলেন না। কেমিস্ট্রির ম্যাডাম কঙ্কন সরকারকে ডাকা হত ক্যানক্যান সরকার :)

১৯. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২৫
comment by: ফরিদুল ইসলাম শাওন বলেছেন: খুব ভালো লেগেছে টা ,সত্যি আবার যদি স্কু্ল কলেজে ভর্তি হওয়া যেত
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: আসলেই...

২০. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২৯
comment by: পারভেজ বলেছেন: মনে আছে? বেটে করে অংকের টিচার? ময়নার বাপ? ক্লাশ শুরু হতে না হতেই ময়না ময়না ডাকাডাকি!! আরেকজন খলি ঢিলা প্যান্ট টা টানতেন! সিরাজউদ্দৌলা স্যারের ক্লাস ও মজার ছিল! কেমিষ্ট্রির ছিল ফাঁকা মন্জুর। যিনি কথায় কথায় বলতেন " আমি সব জানি" !!! আর চক ছুঁড়ে মারতেন! আরও মনে পড়ল ইংলিশ ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র আপুদের কথা। যা টাংকি মারতেন!! হা হা হা
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: ব্যাপক হাসছি...
ময়নার বাপ, হাহাহা...
ফিজিক্সের তুষার স্যার- "আর কি"
ইংরেজির নাজিমউদ্দিন- "বাঁই দিঁস ঠাঁআঁইঁম"

আমার বায়োলজি ছিলনা, তবে বান্ধবীদের প্র্যাকটিকাল খাতায় "লেনিন" কোডনেমের এক ফয়েজ সাহেবের সই জাল করে দিয়েছি অনেকবার :)

২১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: একটু আগে মুখপুস্তক-এ আপনার ছবি দেখলাম। আগের মতই মোহনীয় আছেন।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:১৭

লেখক বলেছেন: খোমাখাতা... :)
মোহই নাই আবার মোহনীয়!
এইভাবে পচানি দিলে ক্যাম্নে কী...
ঘরের কথা বাইরে না... (যদিও খুশীর চোটে চব্বিশটা দাঁত বাইর যে হইছে আর ঢুকার নাম নিতেছেনা)

তবে আপনাকেও দেখলাম; এবং মুগ্ধ বিস্ময়ে চেয়েই রইলাম।

২২. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩
comment by: অন্যআনন বলেছেন: নুশেরা, ছেলেরা কি করতো সেটাতো জানলাম কিন্তু মেয়েরা কি করতো সেটা জানলাম না! এবং বন্ধুরা কে কোথায় আছে জানলাম, আপনি কি করছেন জানলাম না।

অনেক জানা অজানার মধ্যে থেকে গেলাম পববর্তী কোনো চারণের অপেক্ষায়!
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: মেয়েরা আর কী করতো... চিরকুটের আশায় থাকত :)

আমি ইলিয়াস কাঞ্চনের দেয়া চকলেট খাই, অলিম্পিক দেখি...

২৩. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪৫
comment by: অন্যআনন বলেছেন: পরবর্তী
২৪. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯
comment by: তারার হাসি বলেছেন: খুব ভাল লাগছে পড়ে। আমি আপনাদের কলেজের না কিন্তু আমি অর্থনীতি এর বারী স্যার এর কাছে পড়তে যেতাম। আর আপনি আমার ভাই এর ব্যাচ। আপনাদের আরেকজন দিনা ইভানা কিছুদিন আগে পযন্ত চট্টগ্রাম ছিল এবং আমাদের কর্মস্থল এক ছিল। আমার ভাই অনেক বেশী বিখ্যাত ছিল, কিন্তু নাম বলব না, চিনে ফেলবেন !!!
ভাল থাকবেন। অনেক অনেক অনেক শুভেচ্ছা !!
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: এইটাতো ইনসাফ হইল না... ভাইয়ের নামটা বললেন না... ঠিক আছে তাকেই বলেন আমার কথা, সালামটা পৌছে দেন অন্তত...

২৫. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪
comment by: তারার হাসি বলেছেন: অবশ্যই দিব। ভাইটির একটা সুন্দর নিক ছিল ।
ভাল থাকবেন।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: ভাইয়ের কাছ থেকে আমার অন্য নিকটা জানলে এখানে জানাবেন না কিন্তু :)

২৬. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩
comment by: প্রীটি সোনিয়া বলেছেন: দারুন লাগলো...অনেক কিছু মনে করিয়ে দিলেন কলেজের...উদাস করে দিলেন আজকে....তবে অনেক অনেক ভাল লাগলো আসলেও।

ভাল থাকবেন।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: আপনার অনুভূতির প্রকাশ খুব আন্তরিক। শুভকামনা।

২৭. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: :) ভালো
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: :)

২৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: ভাল লাগল।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: :)

২৯. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৯
comment by: নার্ভাস নাইনটিজ বলেছেন: যদিও জন্মভূমি, তবু চট্টগ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ ক্রমশই ক্ষীণ হয়ে আসছে।
চট্টগ্রাম কলেজের কথা পড়ে একটু স্মৃতিকাতর হয়ে পড়লাম।
কেমিস্ট্রিতে তাবলিগি স্যার ছিল দুইজন- মোতালেব স্যার আর জাফর স্যার। আমি বহু কষ্টে এদের হাত থিকা রেহাই পাইছিলাম। তারপরও কলেজ মসজিদে তাবলিগি সুরা ফাতেহা রিডিং দিতে হৈছিল একদফা। আরেকবার গার্জিয়ান কলে চাচীকে মা সাজিয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম। পারফরম্যান্স খারাপ ছিল না।
নানা কারণে ভুগোলের সালেহ জহুর স্যারের (পরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা হয়েছিলেন) কথাও মনে পড়ে মাঝে মাঝে।
মনে পড়ে, ব্লগের এক লন্ডনপ্রবাসী শীর্ষ রাজাকারকে সিরাজউদ্দৌলা স্যার একবার হেভি ঝাড়ি দিছিল। পরে তা নিয়ে কতো রঙ্গ কর্ছিলাম। আহা!
আর কলেজে আমার প্রথম ডেটিং হৈছিল ফিজিক্স বিল্ডিংয়ের (?) তিনতলায়, ক্লাশ ছুটির পর। নিচে দারোয়ান গেট বন্ধ করে দেয় কিনা খুব উৎকন্ঠায় ছিলাম।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: হা হা হা, যুগে যুগে এক কাহিনী!
ভূগোলের সালেহ জহুর স্যারের যন্ত্রণায় ঐদিকে আমাদের প্রিয় আড্ডাস্পট ঢালু জায়গায় নালাটার উপর বেশীক্ষণ বসা মুশকিল ছিল।

সিরাজদ্দৌলা স্যার নেই, ভাবতে কষ্ট হয়...

৩০. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
comment by: নার্ভাস নাইনটিজ বলেছেন: নিজের কাছেই অবাক লাগছে, বহু স্যারের নাম ভুলে গেছি।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: বাংলা- সিরাজউদ্দৌলা, জামালউদ্দিন, কাজী মু. আখতারুজ্জামান, মমতাজ বেগম, দিল আফরোজ, অর্ধেন্দু বিকাশ রুদ্র...

ইংরেজি- শের মোহাম্মদ, রশীদউল্লাহ, অজিত চৌধুরী, রঞ্জিত চক্রবর্তী, রেহানা আলম খান, সৈয়দ নাজিমউদ্দিন...

ফিজিক্স- ফাতেমা নার্গিস চৌধুরী, শ্যামলী মজুমদার, তুষার ভদ্র, মোজাম্মেল হক, সিরাজুল ইসলাম (সাদ্দাম হোসেনের মত দেখতে একজন), কলিমদাদ (একমাত্র ডেমনস্ট্রেটর যিনি ক্লাস নিতেন)...

কেমিস্ট্রি- চৌধুরী মনজুরুল হক, মোতালেব ..., সাজ্জাদ আলী, কঙ্কন সরকার, গুরুপদ পালিত, ইয়াকুব আলী, জাফর ...

ম্যাথ- আনোয়ার হোসেন (ময়নার বাপ), বড় তাহের, ছোট তাহের, সবিতা চৌধুরী, মণিলাল নাগ, ...

স্ট্যাটিসটিক্স- শাহাদাত হোসেন, বিপ্লব...

বোটানি- নুরুল হুদা, জয়নাব বেগম, হরিপদ...
জুলজি- ???

৩১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: চমৎকার লাগলো ... কলেজ লাইফের বাঁদরামীগুলোর কথা মনে পড়ে গেলো :)... সময় করে লিখতে হবে একদিন
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: লিখুন শিগগির

৩২. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
comment by: সুরভিছায়া বলেছেন: খুব মজা পেলাম,শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৩৩. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮
comment by: শিমু নুমান বলেছেন: প্লাস
আমার ব্লগে দাওয়াত
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৪১

লেখক বলেছেন: দাওয়াত কবুল করেছি; ভাল লেগেছে।

৩৪. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫১
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে নটরডেম কলেজের কথা মনে পড়লো:(
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: মিশনারী স্কুলে পড়ার কারণে বহুবার ফাদার টিম'কে দেখেছি। নটরডেমিয়ানদের খুব আপন মনে হয়।

৩৫. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০২
comment by: নাঈম বলেছেন: অনেক বড় লেকা :|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: :(

৩৬. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
comment by: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: লেখাটা পড়ে খুব ভাল লাগছে। আপনি কেমন দ্রুততায় লেখেন তা জানতে আগ্রহ হচ্ছে। কারণ আমি লেখা পড়ার সময় একটা দারুন গতি অনুভব করছি। স্মৃতিরা যেভাবে সাঁট সাঁট করে চোখের সামনে দিয়ে চলে যায়, অনেকটা সেরকম...

শুভেচ্ছা রইল আপা!
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মুখে কথা বলাতেই আমার যত দ্রুততা :)

৩৭. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৭
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: স্মৃতি তুমি বেদানা:(
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: হ, আমাদের ক্লাসের সাজ্জাদের নিক ছিল "বদনা"...

৩৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:২৪
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: যথারীতি চমৎকার লিখেছেন এবং বেশ মজার... স্মৃতিচারন ভাল লেগেছে।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ত্রিভুজ। একটা সময়ে এই স্মৃতিই সম্বল।

৩৯. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৩৭
comment by: নরকের পাপী বলেছেন: পড়েছি Dhaka City College (DCC) এ, সবাই বলতো - Dhaka Central Cell কয়েদীদের মত ছিলাম, কলেজ জীবন কি বুঝি নাই :(
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: আহারে...

৪০. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৪২
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ক্লাশ করতে গিয়ে দৌড়াদৌড়ি করেছি ভার্সিটির প্রথম দু'টো বছর । কোন বিল্ডিংই বাদ ছিল না ।
আমার বের হলাম এ বছর , চলে আসার পর বিশাল ভবন হয়েছে ডিপার্টমেন্টের জন্য ।

আমার কলেজের নাম শুনে সবাই শান্ত সুবোধ একটা ইমেজ এঁকে নেয় । কিন্তু কলেজ লাইফে ক্লাস রুমে আমরা যা করেছি , সেটা শুনলে অনেকেই জ্ঞান হারাবেন নিশ্চিতভাবে :)

অনেক সাবলীল লেখা , ভালো লাগলো
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: কোন্ কলেজ? লিখুন না স্মৃতিকথা কিছু।

৪১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৯
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: ইদানিং আমারও এসব স্মৃতিটিতি মনে হয় ।
আমরা বোধহয় বুড়ো হয়ে যাচ্ছি । :)
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৪৯

লেখক বলেছেন: আরিফ জেবতিক বলেছেন: ইদানিং আমারও এসব স্মৃতিটিতি মনে হয় ।
আমরা বোধহয় বুড়ো হয়ে যাচ্ছি ।

"বোধহয়"? আমি তো সুনিশ্চিত :(

৪২. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪২
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: একটা গুরুত্বপূর্ণ লাইন এসেছে কথার মাঝখানে ।

তখন আমির-সালমান রোম্যান্টিকতার জোয়ার চলছে, তারপরও, চেনাজানা থাকলেও ছেলেমেয়েরা ক্যাম্পাসে তেমন কথাবার্তা বলত না। শিবিরের মামু-দের ভয়ও ছিল

ঢাকার অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করে আমি/আমরা কেন জামাতিদের এতো কট্টরবিরোধী ।

আমি তখন দীর্ঘশ্বাস ফেলে একটি কথাই বলি - শিবির যে কী চিজ , এটা শিবির অধ্যূষিত ক্যাম্পাসে পড়লেই টের পেতি । সেই টের পাওয়াটা যাতে পুরো জাতির ঘাড়ে না চাপে , সেটাই পরম চাওয়া ।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৫১

লেখক বলেছেন: হুমমম...
বেদেয় চেনে সাপের হাঁচি, শালুক চিনেছে গোপাল ঠাকুর :)

৪৩. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৪
comment by: নাঈম বলেছেন: চিকনমিয়া বলেছেন: স্মৃতি তুমি বেদানা:(
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: হুমমম

৪৪. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:১৭
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: ভালো লাগলো লেখাটা.. .

প্রথম পোষ্টটা ডিলিট হয়ে গেলো... ? আসলেই দু:খ পেলাম :)
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৫২

লেখক বলেছেন: :)
:(

৪৫. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৩২
comment by: হোঁদল কুঁত কুঁত বলেছেন: এই পোস্টে মন্তব্য করার জন্যই লগিন করলাম। :)
++++++++
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: ওরে বাপরে!!!

৪৬. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৪৭
comment by: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: হাহা, লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মুখে কথা বলাতেই আমার যত দ্রুততা :)

আমিও আপনার দলে। সাথে যদি আপনার মত হাত চালিয়ে লিখতে পারতাম, তাহলে এতদিনে দিস্তা দিস্তা কাগজ শেষ হয়ে যেত!:(
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: আফসোসসসসসসসসসস

জীবনে কোনও পরীক্ষায় শান্তিমতো রিভাইজ করতে পারিনাই...
এখন দ্রুত টাইপ করলে কী লিখলাম নিজেই বুঝিনা...
মুখে বললেই লেখা হয়ে যাবে, এমন প্রযুক্তি দরকার।

৪৭. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৪৯
comment by: অনিন্দিতা ০১ বলেছেন: সুন্দর লাগলো
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, অনিন্দিতা।

৪৮. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৫৪
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: কি দরকার ছিল নষ্টালজিক করে দেবার।
যাহোক করেছেন তো করেছেন। এ বিদেশ বিভুইয়ে বসে স্মৃতির জাবর কাটাতে কেমন জানি বিষাদবোধ বাসা বেধে বসে। কি আর করা!
আফসোস আরও একবার কলেজ জীবনটা ফিরে পাব না। আহারে! কত স্মৃতি।

২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনি কোন্ চুলায়, মানে কোন্ দেশে?

৪৯. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৫৯
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আয়ারল্যান্ড
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:০১

লেখক বলেছেন: সে তো ভয়ংকর শীতল চুল্লি...

৫০. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:১৫
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আয়ারল্যান্ড উইনটারে ওত শীতল হয় না। মোটের উপর ধরেন গিয়ে ২/৩ দিন স্নো পড়ে। তাও হালকা। শীতে টেমপারেচার -৬ থেকে +৫ এর মাঝে যাওয়া আসা করে। তবে সামার ওত গরম না। টেনেটুনে ২০/২২ ওঠে। প্রায়ই ১৫/১৬ থাকে সামারে। তবে বিরক্তিকর হল নোটিশ ছাড়া বৃষ্টি, তাও পিনিপিনি, আর আটলান্টিক আর আইরিশ সির বাতাস।

প্রথমদিকে এখানে যখন কোন আইরিশ জিগ্গেস করত ' কেমন লাগছে আয়ারল্যান্ড? যদি বলতাম অনেক ভাল তবে বিশ্বাস করত না, উল্টা প্রশ্ন করত, খূবই ভাল লাগছে?? তখন বলতেই হত, একমাত্র ওয়েদার ছাড়া।' তখন সেটি বিশ্বাসযোগ্য হত।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৩২

লেখক বলেছেন: তাও বলছেন তেমন শীতল না!!!
মেলবোর্নে শীতগ্রীষ্মের তাপমাত্রার ব্যবধান বিস্তর। রেইঞ্জ মোটামুটি ৪-৪৪'সে.। এখন শীতে কুঁ