সভ্য এ পৃথিবীর অসভ্য দংশন ছিঁড়ে ফেলে আমাদের এবং আমায়

বাবা-দিবসে নিজাম ডাকাতের গল্প

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১০

শেয়ার করুন:                   Facebook

(অস্ট্রেলিয়ায় বাবা-দিবস পালিত হয় সেপ্টেম্বরের প্রথম রোববার; স্থানীয় সময় অনুযায়ী দিনটি শুরু হয়ে গেছে)

অনেককে বলতে শুনি ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বেশী বাবা-ঘেঁষা হয়। আমাদের পরিবারে উল্টো ঘটনা। আমরা দু'বোনই মা-অন্তপ্রাণ। ভাই নেই; থাকলে সেও নিশ্চিতভাবে আমাদের দলেই ভিড়ত। কারণ আমার বাবা, আমরা বলি আব্বু, এক আজব কঠিন চিজ। বাবার মুখে গল্প শোনা, তার সঙ্গে খেলাধূলা করা বা বেড়াতে যাওয়ার কোন আনন্দময় ঘটনা আমার ছোটবেলার স্মৃতিতে নেই। শুধুই বকাবকি, বাজখাঁই ধমক, আর পান থেকে চুন খসার আগেই নির্বিচার গাঁট্টারদ্দার নির্দয় ইতিহাস। আমাদের মাতৃকুলে তো বটেই, খোদ পিতৃকুলেও তার দুর্ব্যবহারের ব্যাপক দুর্নাম ছিল। হিটলার, আড়ুয়া, ঘাউড়া, রগত্যাড়া, সীমার, জালিম --- আব্বুর এমন নিকগুলো শুনতে আমাদের কখনোই খারাপ লাগেনি। বরং মনে হয়েছে, বাহ্ বেশ ফিট তো নামটা...

সেকালের বাজারে খেলনার প্রাচুর্য ছিলনা তেমন; আমাদের বরাদ্দ ছিল আরও কম। তবে টিলার ওপর মস্তবড় বাগানঅলা বাংলোতে থাকতাম বলে ঐ ঘাটতি পুষিয়ে যেত। গাছপালা বেশী থাকায় আব্বুর ছড়িলাঠির যোগানও ভালই ছিল। এক রোববারের কথা (তখন রোববার ছুটি ছিল)। সকাল বেলা দু'বোন বাইরে ব্যাডমিন্টন খেলব। দু'জনেরই লক্ষ্য লালরঙা র‌্যাকেটটার দখল নেয়া। একটু টানাটানি হয়েছে মাত্র, অমনি শান্তিপ্রিয় আব্বু বেরিয়ে এসে কাঠের র‌্যাকেটদুটো কেড়ে নিয়ে আছাড় দিয়ে ভাঙলেন। তারপর সেই ভগ্নাংশ দিয়েই দমাদম ঘা বসিয়ে দিলেন আমাদের পিঠে। যেন আর কখনো কাড়াকাড়ি বা শান্তিভঙ্গ না করি। আপু তখন পাঁচ, আমি চার। আর এটা ছিল তুলনামূলকভাবে হাল্কার ওপর দিয়ে যাওয়া ঘটনাগুলোর একটা। মাকে বহুবার ডেটলের শিশি আর তুলার বান্ডিল বের করতে হয়েছে।

পাড়ায় আমাদের সমবয়সী খেলার সাথী ছিল কয়েকজন; প্রত্যেক বিকেলে কোন না কোন বাংলোর লনে (চট্টগ্রামে রেলকর্তাদের এলাকা) আমরা খেলতে যেতাম। আব্বু বাসায় থাকলে বন্ধুবান্ধবরা কেউ পারতপক্ষে আমাদের বাসায় আসতে চাইতোনা। আবার অধিকাংশ বাসাতেই আমাদের খেলতে যাবার ওপর আব্বুর কড়া নিষেধাজ্ঞা ছিল। কারণ তারা "হারামখোর"। এই শব্দের মানেটা তখন বুঝতাম না। তবে তেমন কোনও বাসায় জন্মদিন বা পুতুলবিয়ের আকর্ষণে দলে পড়ে কখনো চলে গেলে, আনন্দের হাটের মাঝখান থেকে ধরে এনে যে ছ্যাঁচা দিতেন, তাতে কিছুটা আন্দাজ পেতাম।

আমাদের পারিবারিক সম্বোধনে তুমির চল ব্যাপক। দাদা-দাদীও "তুমি"। শুধু আব্বুকেই আমরা আপনি করে বলা শুরু করলাম। কেউ শিখিয়ে দেয়নি, দু'বোনে নিজেদের মধ্যেও আমরা কোন কথা বলিনি। কীভাবে কবে থেকে যেন আমরা এই দূরত্বে সরে এসেছি।

যেকোন বাবামার বিচারে আদর্শ সন্তান ছিলাম আমরা দু'বোন; উচ্চ মাধ্যমিকের গণিতের ব্যাচে নাম লেখানোর আগে কারোই গৃহশিক্ষকের প্রয়োজন হয়নি। হয়তো আব্বুর ভয়ে, কিংবা বিনোদনের কোনও মাধ্যম না থাকায় ঘাড়গুঁজে আমরা পড়াশোনা করে যেতাম। তারপরও আব্বুকে কখনো খুশী করতে পেরেছি বলে মনে পড়েনা। হঠাৎ হঠাৎ এসে ইংরেজি গ্রামারের কঠিন কোন রূপ বা জটিল কিছুর ইংরেজি প্রতিশব্দ জানতে চাইতেন। ওই ভয়ংকর কন্ঠ শুনে জানা বিষয়ও গুলিয়ে যেত। ফলাফল ...। পেশাগত কারণে আব্বুকে চট্টগ্রামের বাইরে ঢাকা-রাজশাহী করতে হয়েছে বেশ কয়েকবার; ট্রেনিং-ডেপুটেশনে বিদেশেও গেছেন অনেক। আমাদেরকে ঝামেলা মনে করে কখনোই সঙ্গে নেননি। আমরাও এতে একটুও দু:খিত না হয়ে বরং ঈদের আনন্দে দিন কাটিয়েছি।

অনেক বছর পর, আমরা দু'বোনই যখন অনেক বড়, চাকরী-সংসার নিয়ে ব্যস্ত; তখনও আব্বু সুযোগ পেলেই স্বমূর্তিতে আবির্ভূত হন। তবে আমরা আর অত সহজে ওয়াকওভার দিইনা। একটা নমুনা এরকম:
-তিন ঘন্টা ধরে কোন সুস্থ মানুষ গোসল করে??? বের হোক আজকে নবাবজাদী...
-আপনার কাজ নাই, তিন ঘন্টা ঘড়ি ধরে বসে আছেন ক্যান? আর আপনার বাথরুমে তো ঢুকি নাই।
-বেয়াদব! মুখে মুখে তর্ক!! আছাড় দিয়ে... !!!

আমার প্রথম বস আমাকে প্রচণ্ড স্নেহ করতেন। একদিন বাসায় এলেন বেড়াতে। হিটলার সাহেব আলাপে বসলেন। বস তার এক কাজিনের কথা বললেন, যিনি আব্বুর সহকর্মী ছিলেন। "ও তো বিরাট চোর"--- বাপের এই কথার পর বহুদিন বসের দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারিনি। বেয়াই বাড়ীতে তার সুনাম কেমন বুঝে নিন।

প্রথমে চাকরী, পরে সংসারের টানে আব্বুর আঁচ থেকে আমার মুক্তি মিলেছে। আপু বেচারী পড়েছে মহা ঝামেলায়। হোস্টেলজীবন পার করেই তাকে আবার ওই বাঘের গুহায় ঢুকতে হয়েছে। এখন সে ঘরে দুটো বিচ্ছু বাচ্চার মা, বাইরে মেডিকেল কলেজের শিক্ষক, তারপরও রেহাই নেই। অপদার্থ, বেয়াদব, বেয়াক্কেল প্রভৃতি সহযোগে বজ্রপাত তার নিত্যসঙ্গী। তার বাচ্চাদের খুব কমন একটা সাবধানবানী হল, "মা তাড়াতাড়ি লুকাও, নানা আসলো"। আমি বাসায় ফোন করলে সাধারণত আপুর মোবাইলেই করি; ওর সঙ্গে কথা শেষ করে এক এক করে বাকী সবার পালা। আব্বুর প্রসঙ্গ উঠুক না উঠুক, ঐ বিষয়ে তার রাগ-দু:খ-আক্ষেপ সব কোরাসে বাজতে থাকে। আমার আপু এমনিতেই একটু হায়হায় পার্টি, তার ওপর গত এক বছরে ডাকাতি আর সড়ক দুর্ঘটনায় তার প্রায় সর্বস্ব গেছে। ওকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে কখন যেন বলেছিলাম মেয়ের বহুমূল্য চিকিৎসার অর্থ-সংস্থান নিয়ে আমার দুশ্চিন্তার কথা। অন্য কোন উদ্দেশ্যে না; পৃথিবীতে আরও বহুরকম কষ্টে মানুষ আছে, এটা বোঝাতেই ওকে সেকথা বলা।

আমি ভুলেই গেছি ওকে কী বলেছিলাম; দু'দিন পর আব্বুর ফোন পেয়ে বুঝলাম আম্মুর থ্রু হয়ে আব্বুর কানে কিছু একটা পৌঁছে গেছে। শুনতে পেলাম আমার বাবা, বদমেজাজের বিশ্বরেকর্ডধারী আব্বু, তার বাজখাঁই টোনটা একটু নামিয়ে বলছেন, "আম্মুরে, আমার নানুভাইর ট্রিটমেন্টে কত টাকা লাগবে তুই আমাকে বললিনা কেন? আমার যা আছে সব দিয়ে দিই, আমার কিডনি-ফিডনি সব বেচে ফেলব, তুই শুধু আমাকে বল ...।"

আব্বুকে আশ্বস্ত করে বোনকে ধরি। ভদ্রলোক এই প্রথম আমাকে
"আম্মু" বলে ডাকলেন, তুই করে বললেন, ঘটনাটা কী! আব্বুর বদল বিষয়ে আপুর ব্যাখ্যা খুব সাদামাটা। "হিটলার ভং ধরসে। বুড়া বয়সে নিজাম ডাকাত হইসে।"


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাবা দিবসবাবাস্মৃতিচারণ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: স্মৃতিচারণ  বিভাগে ।

 

  • ১৯৯ টি মন্তব্য
  • ৯৮০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪৪ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৬
comment by: মেন্টাল বলেছেন: টাইগার পাসের কোনায় পাহাড়গুলার উপরে রেলকর্তাদের বাংলোগুলো ছিলো। ওইখানেই থাকতেন নাকি?
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৮

লেখক বলেছেন: ওখানে, তারপর সেগুনবাগানে...

২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৭
comment by: নাঈম বলেছেন: হুমমমম....আপনার পোষ্টটা পড়ে কেমন যেন ভাবালুতায় পেয়ে বসল নিজেকে, আসলে এমন অনেক বাবা-মা আছেন যাঁদের সন্তানের প্রতি টান বাইরে থেকে বোঝা যায়না, কিন্তু অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে তাঁরা সন্তানের জন্য অন্তপ্রাণ। আপনার বাবার শেষের উক্তিগুলো সেটাই প্রকাশ করছে।

অনেক ধন্যবাদ আপু পোষ্ট টার জন্য।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, নাঈম। এইসব বাবারা প্রকাশ্যে আরেকটু স্নেহশীল হলে কত্ত ভাল হয়, তাইনা?

৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২১
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: ইন্জি. আবদুর রহিম নামে আমার একজন আত্মীয় আছেন, ডিজি রেল ছিলেন। উনার সাথে পরিচয় আছে ?
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: আসলে আবাসিক এলাকা আছে, এমন সরকারী সংস্থায় সবাই সবাইকে চিনে ফেলে। অবশ্যই চিনি; মানে চিনতাম। আমার বাবার সিনিয়র ব্যাচের ছিলেন।

৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২২
comment by: নাঈম বলেছেন: হুমমম...তা ঠিক, প্রকাশ্যে আরো স্নেহশীল হলে ভালই হয়, তারপরও সবার স্নেহের প্রকাশ তো একরকম না, তাই না?


অফটপিকঃ আমিও কিন্তু চট্টগ্রামের ছেলে , আপনি এখন কোথায় থাকেন?
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: এখন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে। তবে মনে মনে থাকি চট্টগ্রামেই :)

৫. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৬
comment by: নাঈম বলেছেন: ওরেরেরেরে........আমার শহরের আরেকজন মানুষ পাইলাম বল্গে
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু ভাই "নোয়াখাইল্যা"। তবে চট্টগ্রামের আলোবাতাসে বেড়ে ওঠায় সে শহরটাই হয়ে গেছে বেশী আপন।

৬. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩১
comment by: মেন্টাল বলেছেন: ওই পাহাড়ের একদম শেষ বাড়িটায় (যেটার সামনে থেকে নিচে নামার সিড়ি শুরু হয়েছে) আমার এক আত্মীয় থাকতেন। অসম্ভব প্রিয় ছিল জায়গাটা। বিশেষ করে সিড়িটা।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: এই সুন্দর জায়গাগুলো এখন আর সুন্দর নেই তেমন। পাহাড়-কাটা বস্তি, কুত্সিত বিলবোর্ড... আমরা "নাগরিক" হচ্ছি ক্রমশ...

৭. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৩
comment by: তাত্ত্বিক বলেছেন:
পুরো লেখাটা এক টানে পড়লাম।

শেষে এসে যে ছ্যাচা দিলেন তাতে চোখটা ঝাপসা হয়ে এলো।

আপনার বাবাকে শ্রদ্ধা জানাই।

তার নানু ভাইয়ের সফল চিকিৎসা হোক এই কামনা করি।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, তাত্ত্বিক।

৮. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৬
comment by: ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: আপু আপনার একটা লেখা পড়েই খুব ভাল লেগেছিল। আপনার গল্প বলার ধরন খুব সুন্দর। সুন্দর লেখা। আপনার বাবু কেমন এখন ??
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ঝড়কন্যা।
বাবুর সমস্যার সমাধান দীর্ঘমেয়াদী; চেষ্টা চলছে...

৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৭
comment by: মিলটন বলেছেন: ছোটবেলায় বাবাকে খুব ভয় পেতাম, উনি খুব শাসন করতেন, কিন্তু মনে মনে ভালবাসতেন। তবে এই বড়বেলায় এসে অনেক ফ্রি হয়ে গিয়েছে সব কিছু।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: আপনার বাবাকে শ্রদ্ধা। আমার বাবা ইহজীবনে কারো সঙ্গে ফ্রি হতে পারলেননা...

১০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪২
comment by: েজবীন বলেছেন: আব্বার হাতে মার খাইনি তবে ঝাড়ির উপর রাখতেন সবসময় কারনে -অকারনে, "মা তাড়াতাড়ি লুকাও, নানা আসলো" ....লাইনটা পড়ে হাসি পেল কারন এই জাতীয় সাবধানবাণী আমরা ভাই-বোনরা অহরহই বিনিময় করেছি, অবাক কান্ড যে আমাদের সাথে ওমন ক্যাটকেটে মানুষটারে নাতি-নাতনিরা দু'পয়সার পাত্তাও দেয়না , উনিও ওদের সাথে অন্যরকম, আমাদের অচেনা মানুষ হয়ে যান........


হিটলার'রা আসলেই মাঝে মাঝে নিজাম ডাকাত হয়ে যায়..:)
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: হুমম, আমাদের হিটলার মাঝে মাঝে না, এই জীবনে বোধহয় এই একবারই :)

১১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৫
comment by: সুরভিছায়া বলেছেন: আব্বাকে নিয়ে এইটুকু বলতে পারি,কবে চলে গেছেন ওপারে ,কিন্তু মানুষকে যে ভালবাসতেন সেটা বৃথা যায়নি ,স্রষ্ঠা জমিয়ে রেখেছিল ,ফিরিয়ে দিচ্ছে সেটা বহুগুনে।ভাল থাকুন।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা...

১২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৬
comment by: ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: আমি ব্যক্তিগত ভাবে বাচ্চা-কাচ্চা খুব পছন্দ করি। বাবুর জন্য অনেক দোয়া করে দিলাম একদম মন থেকে। বাচ্চারা তো নিষ্পাপ হয়, মিরাকল্‌ অবশ্যই হবে ইনশাআল্লাহ্‌ !!!
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: সেই আশাতেই আছি। অনেক ধন্যবাদ, ঝড়কন্যা।

১৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫১
comment by: তুষ।র বলেছেন: বাবাকে নিউট্রালি মূল্যায়ন করা হয়ছে দেখে ভাল লাগল।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: :)

১৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫২
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: আপনি কি কচি, ভাস্কর-দের কে চিনেন?
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: আজ্ঞে... সিনিয়র ভাই, রেলতুতো ;)। আপনি চেনেন নাকি?
ভাস্কর ভাইয়ার বাবা আমাকে সবিশেষ স্নেহ করেন।

১৫. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৫
comment by: অরণ্যচারী বলেছেন: আপনার লেখার ধরনটা খুবই সুন্দর। আরো বেশি বেশি পোস্ট চাই।

___________________
-----------------------------------

আসলে আপনার বাবা ভেতরে ভেতরে সব সময়ই অত্যন্ত স্নেহশীল ছিলেন। কিন্তু তার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোকে তিনি নিজের দুর্বলতা মনে করতেন। তাঁকে আমার শ্রদ্ধা জানাই।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, অরণ্যচারী। আমার বাপ যে কী ভয়ানক বাবা, সেটা আপনি বুঝবেন না...

১৬. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৬
comment by: রণক্লান্ত বলেছেন: আপনি হিন্দী মুভী দেখেন কিনা তবে "তারে জমীন পার" মূভীটা দেখে না থাকলে দেখতে পারেন।

খুবই টাচী পোষ্ট। অসাধারন। তারপরেও বলব। বাবা বাবাই।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, রণক্লান্ত। মূভী আর বাস্তবে আসলে অনেক ফারাক। সময় থাকলে এটা পড়ে দেখতে পারেন।
http://www.sachalayatan.com/alamgir/15164

১৭. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৬
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

প্লাস
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য, মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৮. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৯
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: লেখা বরাবরের মতই ভাল।

বাই দ্যা বাই, নিজাম ডাকাতের ফজিলত ঠিক বুঝলাম না। তার বিশেষত্ব কি??
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন: নিষ্ঠুর ডাকাতসর্দার নিজাম বোধিপ্রাপ্ত হইয়া কনভার্টেড টু নিজামউদ্দীন আউলিয়া। ক্লাসটু'র চয়নিকা বইতে ছিল :)

১৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২০
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: মনে পড়েছে!! মনে পড়েছে!! মাথা আমার একদম ঢিলা:(
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: আপনার মাথায় অনেক ভাল ভাল বিষয় ঢুকেছে, তাই ঐসব আর মনে নেই। আমার মাথায় স্কুলের পরে আর কিছুই ঢোকেনি :)

২০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৭
comment by: মেঘলা মানুষ বলেছেন: ভয় পেয়েছি। :(
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: :P

২১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৯
comment by: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আপনার মেয়ের বাবা নিশ্চয়ই আপনার বাবার মতো নন ? আপনার বাল্যকালের মতো ওর বাল্যকালটা যেন ভয়ে না কাটে। ওর বাবা যেন হয় ওর প্রিয় বন্ধু। ওর জন্য শুভ কামনা।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: প্রিয় লেখকের কাছ থেকে মন্তব্য পাবার আনন্দটা বিশেষ একটা কিছু।
ধন্যবাদ দিয়ে সে আনন্দের খুব কমই বোঝানো যাবে।
আমার মেয়েকে তো অনেকসময় আমি হিংসাই করি :)

২২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৯
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: পড়ছি , পড়ছি আর ভাবছি , শেষটা যেন এমন এমন হয় , প্রার্থনা খানিকটা মঞ্জুর হলো ।

ব্লগার নির্বাসিত কিছুদিন আগে তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন নিয়ে একটি সিরিজ লিখেছিলেন । বাবাকে তিনিও হিটলার সম্বোধন করতেন , শেষটায় এতটাই স্পর্শ করেছিল আমাকে যে কান্না সামলাতে কষ্ট হচ্ছিল।

আমিও আপনার মত উল্টা । বাবা অন্তঃপ্রাণ , সেটা নিয়ে বিরাট একটা গল্প লিখে ফেলা যাবে । ছোটবেলার ডায়েরি লিখতে শুরু করেছিলাম , আলসেমি করে থামিয়ে রেখেছি । বাবার প্রচন্ড শক্ত হাতের চড় , কিলও যথেষ্ট জুটেছে , তবে সেটার পেছনে কারণ থাকতো । আমার ইচ্ছা করতো আমি অপরাধ করলেও বাবা ক্ষমা যেন করে দেন । আমি যখন বড় হতে শুরু করেছি শাসন করাটা দিন দিন কমে গেছে । বাবা এখন আমার কাছে শান্ত সৌম্যের প্রতিমূর্তি, আমাদের জন্য এখনও কঠোর পরিশ্রম করেন । বাবা মায়ের দিকে পক্ষপাতটা এখন সমান হয়ে গেছে ।

শুভকামনা আপনাদের সবার জন্য
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: শিগগির লিখুন। আমি আপনার লেখা খুবই পছন্দ করি।

২৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৩
comment by: শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: এটা পড়তে পারেন
Click This Link

আমার খুব কাছের বন্ধু শিমুল, ওর বাবা ইঞ্জি. আর আই ভুইয়া। ওরা তিন বোন, শান্তু আর মিতুল আপা। চিনতেন?
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: লীঙ্কের জন্য ধন্যবাদ। ভাল লাগার মতো একটা লেখা পড়া হলো।

হ্যাঁ, ওনারা, খুব ছোটবেলায়, আমাদের প্রতিবেশী ছিলেন। আপারা সবাই খুব মেধাবী।

২৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
comment by: পারভেজ বলেছেন: ভাল লাগলো কি খারাপ লাগলো ওটা বলার মানে হয়না! :)
আমারা চার ভাই দুই বোন, মার যেটা খেয়েছি, মায়ের কাছেই, কিন্তু সবাই এতোই অন্তর্মুখী ছিলাম, কেউ কারো ব্যাক্তিগত ব্যাপারে কিছুই জানতাম না, এখনো জানিনা! এখনো একসাথে বসলে কথা খুঁজে পাইনা! :( অতঃ পর মুখের সামনে একটা বই ধরে যে যার মতো ডুব। তারপরেও দুরে দুরে থেকে বুঝি, কথা না বলে পাশে থাকারও একটা উষ্ণতা থাকে। লিখতে থাকুন!
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: "দুরে দুরে থেকে বুঝি, কথা না বলে পাশে থাকারও একটা উষ্ণতা থাকে।"
খুব খুউব সত্যি। এখন রাত প্রায় দুটা বাজে; একটা শব্দ হলেই প্রথমেই মনে হয় আব্বু উঠে এসেছেন বকা দিতে।

২৫. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৪
comment by: সাইফুর বলেছেন: সব দেখি চট্টগ্রামের...
পোষ্টে: +
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: :)

২৬. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৫
comment by: মুকুল বলেছেন: আমার বাবাও খুব গম্ভীর ছিলেন। আমরা ভয়ই পেতাম। মারা যাওয়ার আগে শেষ কটা মাস খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলেন...
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: উনার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রইল।

২৭. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০২
comment by: তানজু রাহমান বলেছেন: :-*

:)
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: :)

২৮. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: এই দেশে মনে হয় বাবাকে ভয় পাওয়া নিয়ম,বাবারাও সে নিয়মের ব্যতিক্রম করেন না,ভেতরে তো সবাই নিজাম আউলিয়া।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: তারা বোধহয় তেমনটাই দেখে এসেছেন। তবে আস্তে আস্তে পাল্টাচ্ছে চিত্রটা।

২৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২০
comment by: সমকালের গান বলেছেন: আমার বাবার সাথে আমার অনেক ডিসট্যান্স ছিল সবসময়। এখনো মনে হয় আছে।

আজকে হসপিটালে গিয়েছিলাম অসুস্থ বড় চাচার সাথে ইফতার করব বলে। বড় চাচা আমার ছেলেকে জিগ্গেস করলেন, তোমার বাবা তোমাকে যত আদর করে, সে কি তার বাবা থেকে এতো আদর পেয়েছে?

ছেলের হয়ে আমি জবাব দিয়েছিলাম, পেয়েছে নিশ্চয়ই।

আসলে বড় চাচাকে মিথ্যে স্বান্তনা দিয়েছিলাম। আমার সেরকম মনে হয়নি কখনো।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: আসলে ওনারা বোঝেন, অনর্থক কত কড়াকড়ি করেছেন। তাই এখন এভাবে ভাবেন, বলেন। চাচার সুস্থতা কামনা করছি।

৩০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৩
comment by: তাসনুভা. বলেছেন: দারুন লেখাটি পড়ে স্মৃতির অতলে একটু ডুব দিলাম...বাবা কি তা ভাল করে বুঝে ওঠার আগেই হারিয়েছি তাকে...তারপরও যতটুকু মনে পড়ে অসম্ভব ভালবাসতেন আমাকে বাবা...হাসি আনন্দে উচ্ছল বন্ধুদের যখন দেখি বাবার হাত ধরে বেড়াতে যেতে, শপিং এ যেতে...অজান্তেই চোখের কোল ভিজে ওঠে...আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবি...এতোটা আগে চলে না গেলেও তো পারতে বাবা...বাবাকে খুব মিস করি...খুব...খুব...

আসলে সবার স্নেহের প্রকাশভঙ্গি তো এক হয়না...

আপনার বাবুর জন্য শুভকামনা...কি হয়েছে ওর...?

ভাল থাকবেন...
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: মনটা খারাপ হয়ে গেল আপনার বাবার কথা, আপনার কষ্টের কথা জেনে। আমার বাচ্চার সমস্যা... এখানে দেখতে পারেন-
Click This Link

৩১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৫
comment by: তারার হাসি বলেছেন: এত বেশী ভাল লেগেছে আপনার পোস্ট আমারও অনেক কিছু মনে পড়ে গেল এক লহমায়।

আমার বাবা হলেন হিটলারের বস। তিনি আমাদেরকে এখনও এমন বকাঝকা করেন মনে হয় আমরা ১২/১৩ বছরের অবাধ্য দুস্ট বাচ্চা।
কিন্তু তিনি প্রচন্ড আদর করেন, আমাদের কোন কিছুই তাঁর চোখ এড়িয়ে যায় না। আমরা বলি আমাদের বাবা হলেন আমাদের "মা"।
মায়ের মত খাবারের অত্যাচার করতে ছাড়েন না।
আজ অন্যদেশের বাবাদিবসে অনেক ভালবাসা আমার বাবার জন্য।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫০

লেখক বলেছেন: আপনার হিটলারের বসের জন্য অনেক শ্রদ্ধা।

৩২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৯
comment by: তারার হাসি বলেছেন: নিজাম ডাকাত এর আড়ালে লুকিয়ে থাকা বাবার জন্যও ভালবাসা আর সালাম।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫০

লেখক বলেছেন: :)

৩৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৪
comment by: তাসনুভা. বলেছেন: আমি খুব দুঃখিত আপু...আপনার মন খারাপ করিয়ে দেওয়ার জন্য...আসলে বাস্তবতাকে তো আমরা কেউই অস্বীকার করতে পারি না...তারপরও জীবন চলে নিজস্ব গতিতেই...

লেখাটি পড়লাম...একটি কমেন্ট ও রেখে এলাম...


০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫২

লেখক বলেছেন: না আপুমণি, মন খারাপ হবে কেন, বাস্তবতাকে এড়িয়ে তো থাকা সম্ভব না। ভাল থাকুন।

৩৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৮
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: একটা কথা কি জানেন, বাবার বিরুদ্ধে আমারো অনেক অনেক অভিযোগ ছিল। ভয় পেতাম, ঘাউড়া জানতাম। কিন্তু এখন বুঝতে পারি, উনি আমাদের তাই দিয়েছেন যা উনি তার জীবন দর্শনে ঠিক ভেবেছেন।

হয়ত আমাদের কাছে ব্যাপারটা পীড়া দায়ক। কিন্তু অবশেষে ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, যেমনই হোক না কেন বাবার পথ, উনি কিন্তু সফল হয়েছেন।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫২

লেখক বলেছেন: এটা কিন্তু খুব ভাল পয়েন্ট।

৩৫. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০১
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: প্লাস ।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৩

লেখক বলেছেন: :)

৩৬. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬
comment by: রাতমজুর বলেছেন: আপনার এই "নিজাম ডাকাত" এর জন্যে শুভেচ্ছা।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, রাতমজুর।

৩৭. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৫
comment by: নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন: হুমম...ভাল লাগলো...:)
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: :)

৩৮. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৬
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: লেখাটা পড়লাম। :)
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: :)

৩৯. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:১৮
comment by: হট্টগোল বলেছেন: বাহ। আন্নে নোয়াখাইল্যা!!! মিলি গেছে। আঁর বাড়িও হেনি। আন্নের বাই কোনমুই?

আমার মূলবাড়িতে আইসেন কিন্তু। দাওয়াত রইল
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: "হেনিত যাই হাঁছ টিঁয়ার হান কিনি হঁচা অইলে হইরের হানিত হালাই..."
আমি জাপানের টোকিও'র: মাইজদী আরকি ;)

অবশ্যই যাব, ধন্যবাদ।

৪০. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৪
comment by: নাফিস ইফতেখার বলেছেন: এই একটা দিক দিয়ে আমি আশীর্বাদপুষ্টই.......বলতে হবে......কি বাবা কি মা.....কেউই আজ অব্দি গায়ে হাত তোলেননি.......:)

সুন্দর লেখার জন্য + :)
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: :)

৪১. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩১
comment by: মুহিব বলেছেন: এমন বাবা কয়জন পায়।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: সত্যিই, শৈশবের কড়াশাসনটুকু বাদ দিলে বাবাকে নিয়ে গর্ব করার মতো অনেক কিছু আছে আমার। ধন্যবাদ, মুহিব।

৪২. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬
comment by: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: আমার বাবা আপনার বাবা-র মতো না। ঘাউড়া যদিও অনেক বেশি, তবে বাবা-র হাতে মার খেয়েছি খুবই কম। এজন্য মনে হয় একাত্ম হতে পারি নাই আপা। তবে শেষেরটুকু পড়ে অনেক মায়া লাগছিলো। বাবা-মা আসলে অনেক নিরুপায় থাকে। আমরা তো তাঁদের অংশ, এজন্য অকৃত্রিম মায়া জন্মে যায় হয়তো।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১২

লেখক বলেছেন: ভাইরে, আমার বাপের মতো পিস দুনিয়ায় বিরল।

তোমরা অনেক ভাল বাবা হবে :)

৪৩. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮
comment by: ~টক্স~ বলেছেন: নুশু আপু, তোমার লেখাটা আবারো পড়লাম।
বাবাদিবসে নতুন কিছু লিখতে, তবুও এটা যখন দিলে তখন মন্দের ভাল আরকি ! কিছু লেখা যায় কিনা আমার বাবাকে নিয়ে সেটা চিন্তা করতে করতেই আজকে বেলা গড়িয়ে এখানে সন্ধ্যা হয়ে এল। তবুও কি লিখবো খুঁজে পাচ্ছিনা। আসলে আমার বাবাকে নিয়ে তেমন হয়তো লেখার কিছু নেই। চোটবেলা থেকেই কেন জানি আমার আব্বুর সাথে একটা দেয়াল তৈরি হয়ে গেছে, আম্মুর সাথে যেটা নেই। আব্বু না বললেও বুঝি কত বেশি ভালবাসেন আমাকে কিন্তু প্রকাশ করতে চান না কিছুতেই। দুলাভাইকে বাবা দিবসের শুভেচ্ছা জানিও আর ভাল থেকো।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: তুমিও ভাল থেক। বাবাকে কিছু একটা বলতে ভুলো না কিন্তু!

৪৪. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৪
comment by: মাহবুবুল আলম লীংকন বলেছেন: নিলেনতো বাবাকে একহাত চামে চামে। ঠিকানা থাকলে এক কপি পাঠিয়ে দিতাম। 'গাঁট্টারদ্দার নির্দয় ইতিহাস' আর একবার রচিত হত।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২

লেখক বলেছেন: হাহ্ হা হা, দারুণ বলেছেন!!!

৪৫. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২২
comment by: ইউনুস খান বলেছেন: উনারা যদি প্রাকাশ্যে একটু সহনশীল হতেন তাহলে উনাদের আরো কত ভালো লাগতো সেটা উনার যদি বুঝতেন। ধারুন + ।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ইউনুস খান।

৪৬. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫
comment by: শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: বরাবরের মত ভাল লাগলো।

আমার আব্বাকে আমার বড় ভাই ডাকতেন রয়েল বেংগল টাইগার বলে, (অবশ্য গোপনে)। যত মার বড় চারজনের উপর দিয়ে গেছে।

আমরা পিঠাপিঠি শেষ দু'জন যখন ৫/৬ তখন বড়ভাই ঘোষনা দিলেন আমাদের উপর কোন প্রকার অত্যচারের ষ্টীমরোলার তিনি চলতে দেবেন না।

ফলে আমরা বেঁচে গেছিলাম।

নুশেরা আপনার মেয়ের অসুখটি শুনে কষ্টে স্তব্ধ হলাম। কতখানি প্রাণশক্তি থাকলে আপনি এত হাসিখুশি প্রাণবন্ত!

আপনার ছোট্ট সোনামনির জন্য এবং তার যুদ্ধরত বাবামায়ের জন্য শুভকামনা এবং দোয়া।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, শ্রাবণসন্ধ্যা। বহুবার ভেঙ্গে গুড়িয়ে গেছি, যাই। তারপরও উঠে দাঁড়াতে হয়। এ ছাড়া পথ নেই।

৪৭. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭
comment by: নিহন বলেছেন: +
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: :)

৪৮. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪
comment by: বোকামাষ্টার বলেছেন: গাট্টা রদ্দা না, ছোটবেলায় ভাড়ার সাইকেল চালানোর অপরাধে বাটার স্যানডাক সেন্ডেলের পিটুনি খেয়েছিলাম। ইংরেজী রচনা মুখস্থ করতে না পেরে যে কত কঠোর কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হয়েছে।

জীবনের প্রথম আটাশটা বছরের লক্ষই ছিলো বাবা নামের আড়ালে থাকা 'মিঃ মুসোলিনী' থেকে পালিয়ে বেড়ানো। আর যেকোন ভাবে যেকোন ছুতোয় তাঁকে অফ করার প্রচেষ্টা।

সেই বাবাটাকে যখন চিনলাম, তখন তিনি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত (তবুও বিক্রম কমেনি যদিও)। শেষ কয়েকটা মাস , তাঁর সাথে কথা বলে, তাঁর ভেতরের চাপা পড়ে থাকা পিতৃসত্তাটা আবিষ্কার করে যেইনা আফসোস শুরু হয়েছে এ জীবনে ভদ্রলোককে কত কম সম্মান করেছি! আমি কতটা পাপিষ্ঠ! ঠিক সেই সময় বাবা চলে গেলেন না ফেরার দেশে। জানিনা তিনি ক্ষমা করেছেন কিনা তবু আমার সারাজীবনের কান্না জমাট বেধে পাথর হয়ে গেছে - থাকতে চিনলাম না।

নিজে একজন ভালো বাবা হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি, জানিনা আমার মেয়েরা আমাকে কী নিক দিবে।

হিটলার সাহেবের জন্য শ্রদ্ধা। আর আপনার জন্য অনুরোধ, যে কয়টা দিন বেঁচে আছেন, যতোটা পারেন ওনার কাছাকাছি হোন। (স্যরি, বেশি বলে ফেললাম কিনা?)। ভালো থাকবেন।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: আসলে দূরত্ব কমিয়ে আনা খুব কঠিন; তাও চেষ্টা করি।
ধন্যবাদ, শুভকামনা।

৪৯. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭
comment by: ড্রিমক্যাচার বলেছেন:

কিচুটা অতিরনজিতো মনে হৈলো
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০২

লেখক বলেছেন: মনে হওয়া না হওয়ায় কিছুই বদলে যায় না।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫০. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৭
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: আমার বাসাও টাইগারপাস :)

সুন্দর লেখা
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, জেনে ভাল লাগল। এসব জায়গা বড় আপন।

৫১. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৩
comment by: জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন: "হিটলার ভং ধরসে। বুড়া বয়সে নিজাম ডাকাত হইসে।"

পোলাপানরে তাইলে বুসতে চেষ্টা করুম অহন থিক্যা। কওন যায় না আমিও হিটলারের খাতায় পইরা যাইতে পারি। নাউঝুভিল্লা!!!!!
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২৭

লেখক বলেছেন: হা হা হা, অনেকদিন পর দেখলাম। দেশে গেছিলেন নাকি?

৫২. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:০৮
comment by: দূরন্ত বলেছেন: কখন যে লেখাটা দিলেন ধরতে পারিনি! এখন দেখি একশর উপরে মন্তব্য হয়ে গেছে
তবু জানিয়ে রাখলাম, লেখাটা ভালো লাগলো :)