ঈদ কেমন কাটল, একটা পোস্ট দেন... (যারা বলেছেন, তাদের জন্য)
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:০৯
ব্লগাররা নানান বিষয়ে লেখেন। যাদের ব্লগ বা পোস্টের বিশেষ কোন বৈশিষ্ট্য আছে, একেক সময়ে তারাও অনায়াসে সেই বৃত্ত ভেঙে বেরিয়ে পড়েন। ফুলের পরিচিতি নিয়ে সদাব্যস্ত রাজামশাই প্রবাসে মৃত্যুর মতো গম্ভীর বিষয় বা ভাল লাগা কবিতা নিয়ে দিব্যি পোস্ট লিখে ফেলেন। জেন্ডার ইস্যু বা সমাজ সচেতনতার বাইরে এসে মুনীর উদ্দীন শামীম প্রেম আর মুরগী পোষার লাভালাভের তুল্যমূল্য হিসাব করেন; কোন এক "মিডিয়" কবির ফ্রানৎস কাফকা হবার দিবাস্বপ্ন নিয়ে অন্যমনস্ক শরৎ অট্টহাসিতে ব্লগ মাতিয়ে তোলেন। উৎকৃষ্ট চলচ্চিত্র বিষয়ে অনবদ্য পোস্টদাতা শওকত হোসেন মাসুমের পোস্টেও হঠাৎ আত্মজার মিষ্টি ছবি ভেসে ওঠে; কখনো আবার বন্ধুকে নিয়ে একটু "ইয়ে" রসিকতাও বাদ যায়না।
তাদের মতো অনেকের বহুমুখী ব্লগপ্রতিভা অবাক হয়ে দেখি আমি। ব্যক্তিগত বকবকানি ছাড়া যার লেখার কোন সম্বল বা সাধ্য নেই। তবে বলতেই হয়, সহ-ব্লগার বন্ধু-ভাই-বোনেরা বড় উদারহৃদয়। তারা যত্ন করে আমার এইসব ছাইপাশ পড়েন, কষ্ট করে মন্তব্য করেন। ছোট ভাইবোন স্থানীয় কেউ কেউ এতেও থামেন না; মাঝে মাঝেই সাম্প্রতিক বা পুরনো পোস্টে এসে অভাবনীয় প্রশ্ন করেন, "আপু, নতুন পোস্ট কবে দেবেন?" এই এক কথাতেই স্বল্পবুদ্ধির আমি আকাশে উঠে যাই, এবং নিজেকে ব্লগজগতের বেশ কেষ্টবিষ্টু গোছের কেউ মনে করে ব্যাপক ভাব নিয়ে পরবর্তী আরেকটি ছাইপাশ টাইপ করতে শুরু করি
।
আমরা থাকি অস্ট্রেলিয়ায়। বাংলাদেশে ঈদ হওয়ার আগের দিনই এখানে ঈদ হয়েছে। সেদিন থেকে ব্লগীয় ভাইবোনদের বেশ কয়েকজন আমার ব্লগে এসে যেকোন পোস্টে মন্তব্যের ঘরে লিখতে শুরু করেছেন, "আপু ঈদ কেমন করলেন, একটা পোস্ট দেন...।" কী যন্ত্রণা, চোখে পড়লেই মুছে দিই এমন অবস্থা। অন্যদের পোস্টে মন্তব্য করি; কেউ কেউ সেখানেও আমার ঈদ-কাটানোর অভিজ্ঞতা জানিয়ে পোস্টাতে বলেন। ঈদের পর পূজা এলো, এসে চলেও গেল; এতদিনে আবার শুরু হয়েছে ঐ রেকর্ডের বাজনা, "আপু ঈদ... ..."। সর্বশেষ সংযোজনে অপ্সরা।
কারণটা অনুমান করার চেষ্টা করলাম। আমার পোস্টগুলো পড়ে এদের ধারণা হয়েছে নুশেরা'র অভিজ্ঞতা মানেই ইন্টারেস্টিং কিছু। সেটা বাপের হাতে তুলাধুনা খাওয়াই হোক আর ছ্যাঁচা জলপাই খাওয়াই হোক। ঈদ-বাজারে হুমায়ূন পত্নীর দেখা পাওয়াই হোক আর বিনা কেনাকাটার ঈদ কাটানোই হোক। একটা কিছু "ঘটনা" তো এই পাবলিকের ঘটবেই।
কী আর বলব, তাদের অনুমান নেহাত ভুল না।
এবারকার ঈদের দু'তিন-দিন আগের দুপুরবেলা। হঠাৎ দরজায় নক, বন্ধু নীলা এসেছে। এই বিদেশ-বিভূঁয়ে সেই কলেজ-ভার্সিটি জীবনের একটা বন্ধুকে একই শহরে পাওয়া দারুণ ব্যাপার বৈকি। দুজনেরই একটা করে বাচ্চা; আমাদের দুজনের বররাও মিলেছে ভাল; মাঝে-মধ্যেই এ ওর বাসায় বেড়াতে যাই, পরস্পরের প্রয়োজনে কাজে লাগি। ওর বাচ্চার জন্মদিনের আয়োজনে আমি রাতজেগে পাঁচকিলো রসমালাই বানাতে বসি। নীলা মাঝেমধ্যে আসে এমন হুটহাট করেই, আগে থেকে না জানিয়ে। অবাক হই না; কারণ ততটা ঘনিষ্ঠতা আমাদের আছে। ও এসেছে আমার মেয়ের জন্য একটা ঈদের জামা উপহার নিয়ে। চলে যাবার আগে জোর করে জামাটা পরিয়ে দিল, কী যে ভাল লাগল।
পরদিন আমরাও একটু বেরোই; আমাদের জন্য হয়তো বিলাসিতা; কিন্তু মেয়ের জন্য একটা জামা না কিনলে কেমন হয়... ...। নীলার বাচ্চার জন্যও একটা জামা কিনি। ওকে দিয়ে আসতে হবে ঈদের আগেই। আর সময় করে উঠতে পারিনা; চাঁদরাত (যদিও চাঁদ দেখা গিয়েছে কিনা নিশ্চিত না) এসে যায়। বাসাভাড়া দেয়া, পরিচিত এক পরিবারের সঙ্গে খানিক দেখা করা-- এসব শেষে নীলার বাসায় যাই। ওরা যদি বাসায় থাকে, তবে জামাটা দিয়ে আসব। আমার বর একটু গাঁইগুই করে; ফোন না করে যাওয়াতে তার মহা আপত্তি। আমার বন্ধুর বাসায় আমি যাব, ফোনাফুনি করতে হবে, একি তোমার কলিগের বাসা পেয়েছ নাকি-- আমি একটু ঝামটা দেয়ার সুযোগ হাতছাড়া করিনা।
এগিয়ে আসা নীলাকে দেখে প্রথম খটকাটা লাগে। অস্বাভাবিক জমকালো সাজ-পোশাক। বেড়াতে বেরুচ্ছে কি? বলল, না। জামাটা গছিয়ে দিয়ে চলে আসব, জোর করে টেনে বাসার ভেতরে নিয়ে গিয়ে বসাল। গিয়েই বুঝলাম, এখানে এ সময়ে আসাটা ঠিক হয়নি। ওরা চাঁদরাতেই ঈদের আয়োজন করেছে। পরদিন ওদের বা "ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের" কারো ছুটি নেই। তারা সবাই একে একে দাওয়াতে হাজির। ঈদের সাজগোজে, উপহারের মোড়ক হাতে। সেলিব্রেশনের আরেকটি উপলক্ষ্য হল, বাজারের সবচেয়ে বড় আকারের বোকাপর্দাটি (বোকাবাক্সের আধুনিকতম সংস্করণ) কেনা হয়েছে; দেয়াল জুড়ে দেশীয় কোন চ্যানেলে সদ্যসমাপ্ত একটি আকর্ষণীয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতার দৃশ্য উপভোগ করছে সবাই।
খাওয়া-দাওয়া-হাসি-ঠাট্টার ভীড়ে আর কেউ খেয়াল করেছিল কিনা জানিনা; আমি বেশ বুঝতে পারছিলাম আমাদের চার জোড়া চোখে বড় অস্বস্তি। সেটা কাটাতেই বোধহয় নীলা আমাদের দেয়া খুব সাধারণ জামাটার প্রশংসায় হঠাৎ উচ্ছ্বাসে ভেসে গেল। আমাদের "ক্যাজুয়াল" বেশবাস বিষয়ে কোন এক অতিথির প্রশ্নের জবাবে আমি বোঝাতে লাগলাম-- অনেক দূরে ব্যস্ত ছিলাম, তৈরি হয়ে আসার সময় পাইনি... ... ...
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঈদ, প্রবাসজীবন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: উৎসব-পার্বণ, দৈনন্দিনতা বিভাগে ।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
কেষ্টুবিষ্টু মানে কি আপু ? লেখক বলেছেন: কি জানি কী, লোকজনে বলে তাই আমিও বললাম ![]()
লেখক বলেছেন: এখন শান্তি হইছে তো? ![]()
সাইফুর বলেছেন:
হু..আপনের লেখা ভালো লাগেতো..কি করমু..
লেখক বলেছেন: এইতো, দিলো আবার আকাশে তুইলা...
চাচামিঞা বলেছেন:
আপনার প্রবাস জিবনের ঈদ অভিজ্ঞতা যেনে বেশ ভালো লাগলো। আমার ধারনা ঈদ হিসেবে বাংলাদেশ ইস দ্যা বেস্ট। কিন্তু জিবন ধারনের স্বাভাবিক অংশ হিসাবে আমাদের অনেক কেই দেশ ছেরে সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে বিদেশ বিভুঁইয়ে আস্তানা গারতে হয়। সেখানেও যেনো ঈদের আনন্দটা অটুট থাকে সেই কামনাই করি সব সময়.......আপনাকে ও আপনার ফ্যামেলির সবাইকে ঈদের শুভেচছা।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন, দেশের উৎসব-আয়োজন-আনন্দের তুলনাই হয়না। আপনাকেও ঈদের শুভেচ্ছা।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
হুমম ...
লেখক বলেছেন: হুমম....
বাফড়া বলেছেন:
বিদেশে আর ঈদ কই? তায় যদি আবার ইন্টাশনাল স্টুডান্ট অইলে তো আর একদম ঘরপোড়া গরু, কেউই চিনেনা, চিনতে চায়না
লেখক বলেছেন: হুমম, না ঘরকা না ঘাটকা ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আমিও বুঝি নাই ![]()
লেখক বলেছেন: ডরাইছি ![]()
হাই ৫ হাসান বলেছেন:
ব্লগ আসলেই একটা সম্মিলন কেন্দ্র
লেখক বলেছেন: সত্যিই তাই।
লেখক বলেছেন: ঘটনা কী, সবাই এত হুমাইতেছে ক্যান?
লেখক বলেছেন: তাহলে পড়বেন না, তাই কী?
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
ঈদ মোবারক আপু
লেখক বলেছেন: ঈদ মোবারক, ভাইয়া
লেখক বলেছেন: ![]()
বলাক০৪ বলেছেন:
বিদেশে থাকেন ক্যান আফা?
লেখক বলেছেন: খায়েশ করে...
(বলতে ভাল লাগে না... আগের কোন পোস্টে উত্তরটা পেয়ে যাবেন... )
জাতেমাতাল বলেছেন:
পরামর্শঃ ১। এখন থেকে প্রতিটি দিনকেই ভাবেন ঈদের দিন এবং সেই মত সপরিবারে মাঞ্জা মারেন.........২। নেক্সট টাইম নীলার বাসায় যাবার আগে ডবল মাঞ্জা মারেন.........।
৩। খুব শীগগীর বাসায় ঈদ উত্তর পাট্টি ডাকেন- আর তাতে দাওয়াত দেবার সময় নীলার বাসার ঈদ পাট্টির দাওয়াত লিস্ট ফলো করেন......।
লেখক বলেছেন: অতি উত্তম পরামর্শ, সম্ভব হলে ফলো করতাম। কিন্তু হায়, পার্সের সেই গতিক নাই, চিত্তেও সেই সুখ নাই...
~টক্স~ বলেছেন:
এত রাতে তোমাকে অনলাইন দেখে বেশ অবাক হয়েছিলাম বৈকি ! ব্লগে এসে দেখলাম নতুন লেখা দিয়েছ। বরাবরের মতই খুব উৎসাহ নিয়ে পড়তে শুরু করলাম। তবে শেষের অংশে এসে লুকোনো কষ্টের যে প্রকাশ ঘটেছে তা এড়িয়ে গেলনা। এর মধ্যে ভাল লাগার কোনো কারনও থাকা উচিত নয়। লেখার মান বিশ্লেষন করতে অবশ্যই যাবোনা কারন সেই স্পর্ধা আমার করা চলেনা। আমার এবার ঈদের দিনটা খুব গতানুগতিক ভাবে গত ঈদগুলোর মতই গেছে। তেমন কোথাও ঘুরতেও যাইনি। ঈদের সেই আনন্দ আর খুঁজে পাইনা আজকাল। যাই হোক, সবসময় শুভকামনা করি অনেক ভাল থাকো।
লেখক বলেছেন: হুমম, আজ একটু বেশীই রাত হয়ে গেল...
নতুন লেখা ধরেছ?
তুমিও ভাল থেক, টক্স।
লেখক বলেছেন: ![]()
তানভীর আহমেদ সজীব বলেছেন:
সুন্দর লিখেছেন আপু, দেশের মত বিদেশেও কেউ কেউ তাহলে চাকচিক্য আর বিলাসব্যসন প্রদর্শন করে...ভাইয়ার কথা শুনলে কিন্তু এই বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হতো না...আপু ভাইয়ার জন্য শুভেচ্ছা...অপনার জন্য আদর...
ভাল থাকবেন আপু...
লেখক বলেছেন: আসলে এভাবেও দেখা যায় বিষয়টাকে-- একজন মানুষ তার কোন শখ পূরণ করেছে, সেই আনন্দটা আপনজনদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছে।
তবে আমরা তো বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছিই, তাদেরকেও বিব্রত করেছি। ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা ![]()
আপনিও ভাল থাকবেন, সজীব।
পারভেজ বলেছেন:
"ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের" - কোটেশন মার্কটা খেয়াল করে কষ্ট লাগলো। জীবন হ্য়তো এমনই। এজন্য মাঝে মাঝে মনে করি- কখনো কোথাও 'এক্সপেক্টেশন' রাখতে নেই। তবুও বন্ধুত্ব থাক, বন্ধুরা থাক আমাদের ভরসার কান্ডারী হয়ে, আমরাও যেন সেই ভার বইতে প্রস্তুত থাকি। ভাল থাকবেন। ঈদে বাচ্চার সাথে কি দুজন একসাথে সময় কাটাননি? ওটাও নিশ্চই আপনাদের জন্য সুন্দর সময় ছিলো।
লেখক বলেছেন: পারভেজভাই, অবশ্যই সুন্দর সময় কেটেছে। আমি অন্যের পোস্টে, নিজের পোস্টে-- বেশ কয়েক জায়গায় বলেছি মেহমানদারী করে ঈদ কেটে গেছে। এরা কেউ বিশ্বাস করলে তো?
আবার গুতোগুতি, ঈদ কেমন করলেন...
তাদের দিল ঠান্ডা করে দিলাম আরকি ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
গণিত পাগল বলেছেন:
জামা কাপড়ের ব্যাপারটা দেখলে আমার খালি শেখ সাদীর গল্পটা মনে পড়ে...(যদিও... একেবারে চরম টিপিকাল উপদেশ টাইপের গল্প)তবে, সত্যি হল এটা...আম্মু যদি আমার কাপড় চোপড়ের দিকে না তাকাতো তাহলে আমি দুইটা জামা দিয়েই জীবন পার করে দিতাম হয়ত
আর লেখার মান এর বিষয়ে কথা বলতে আমি ভয় পাই...কারণ, সাহিত্যমান বিচার করতে গিয়ে কখন আবার সাহিত্য বানান ভুল করে ফেলি...হাহা
তবে একটা কথা বলতে পারি যেটা, সাইফুর বলেছেন: হু..আপনের লেখা ভালো লাগেতো..কি করমু..
ভাল থাকবেন।...আর আমার মত "পাগল"দের জন্য আপনার "ছাইপাশ"-এর সরবরাহ যেন নিয়মিত থাকে...
লেখক বলেছেন: গণিত পাগলের মন্তব্য সবসময়ই ভাল লাগে, এখনও লাগল।
ছাইপাশের বেশী কিছু আশা না করলেই স্বস্তি ![]()
লেখক বলেছেন: আপনাদের দৃষ্টি প্রখর; মনও অনুভূতিপ্রবণ।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
নুশেরাপুর দুঃখের পোস্ট পইড়াও মজা পায় সবাই... ... এই দুঃখ কই রাখবেন??
লেখক বলেছেন: এইটা দু:খের পোস্ট কইল কে! ![]()
লেখক বলেছেন: না না জেডা, কাউরে মাইনাচ না...
হ, আপনেও কইছিলেন ![]()
সুরভিছায়া বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ে ঈদ ঈদ মনে হোল সময়টা ।ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, সুরভিছায়া।
লেখক বলেছেন: এইতো আপনি বুঝতে পেরেছেন ![]()
লেখক বলেছেন: তাও ভাল, ধাক্কা লাগেনি ![]()
কঁাকন বলেছেন:
আমার পূজোর অভিজ্ঞতার সাথে আপনার টার অনেক মিল পেলাম আপু ব্লাউজের হাতা টাইট হয়ে গেছে শাড়ি পরতে পারিনি আর সেটা নিয়ে ................
ভালো থাকুন আপু
লেখক বলেছেন: হুমম...
তুমিও ভাল থেক, কাঁকন।
ভোরের কুয়াশা...ফয়সাল বলেছেন:
এত ভালো লেখা কোথায় ছিল, লিখুণ পড়তে ভালোই লাগে।
লেখক বলেছেন: গতকালের পোস্ট এটা; এতো পোস্ট আসে প্রতি মুহূর্তে, চোখ এড়াতেই পারে ![]()
ভাল থাকবেন, ফয়সাল।
রাত বলেছেন:
আপনার সাবলিল এবং সহজ ভাষার লেখার জন্যই সবাই আপনার লেখা পড়তে চায়, আমিও। যদিও আমি আপনাকে এখনও অনুরোধ করিনি, তবে আশা করি প্রতিদিন একটা বড় করে পোষ্ট দিবেন, সহজ সরল ভাষায়।ভাল থেকেন।
বাংলা সাহিত্যে একটা নতুন শব্দের সংজোযন হল আপনার পোষ্টের মাধ্যমে "বোকাপর্দা (বোকাবাক্সের আধুনিকতম সংস্করণ)"।
লেখক বলেছেন: বলেন কী, এই সাংঘাতিক কাজ করে ফেললাম! (দেখুন অনেক আগেই হয়তো এলসিডি টিভির এই নাম হয়ে গেছে, আমরা জানিনা
)
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, বাবুয়াদা।
গণিত পাগল বলেছেন:
@গণিত পাগলের মন্তব্য সবসময়ই ভাল লাগে, এখনও লাগল।এইতো আমারেই দিলেন আকাশে তুইলা...
এখন লেখাপড়া বাদ দিয়ে ব্লগে বসে থাকলে দায়িত্ব আপনার
[এইরকম ছাইপাশ যদি আমি লিখতে পারতাম, যাতে ২ মাস ৫ দিনে আমার ব্লগের হিট ২১,০০০+ হইত, তাহলেই তো আমার মত "সাহিত্যবিশারদ" এইটাকে "ছাইপাশ" বলতে পারত
লেখক বলেছেন: আছেন তো গণিত লইয়া... মাইনষের সাহস কেমনে হইব আপনের ব্লগে ঢুকার...
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
ঈদ কেমন কাটল তা অবশেষে জানা গেলো!!!
ঈদ নিয়ে আপনার উপস্তাপনা দারুন হয়েছে..................।
আপনি অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন শুনে আরেকজন ব্লগারের কথা মনে পরে গেলো। তিনিও অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। কিন্তু ১ বছর ধরে ব্লগে আসেন না।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভাস্কর চৌধুরী। আশা করছি সেই ব্লগার আবার ফিরে আসবেন।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
হেহে। আমাদের মতো থাকেন।
বছর আটের মতো হইলো, কোন ঈদ নাই। সেমাই-পায়েশ যে কবে খাইসি, মনে নাই। সকাল আটটা থাইকা সন্ধ্যা সাতটা কাজ করি, পড়াশুনা করি, ক্লাস করি।
ইচ্ছা করেই নামাজও পড়তে যাই না। এই একদিনের জন্যে ভন্ড ধর্মপরায়ণ হতে ইচ্ছে করে না।
বাকি জীবনটা এইরকমই হয়তো, ঈদ নামে শৈশবের স্মৃতিতে একটা কিছু ছিলো - সেই অনুভূতি নিয়েই কাটবে।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনাদের মতোই আছি, হে হে হে...
শৈশবের ঈদ জিন্দাবাদ!
সাগর সরকার বলেছেন:
এইসব নিয়েই আমাদের .......
লেখক বলেছেন: হুমম, আপনিও মনে হয় পরবাসী........
লেখক বলেছেন: গাছতলায় দাঁড়িয়ে কিংশুক০০৭ কী দেখেন?
লেখক বলেছেন: আফসোস... ... চিনলোনা... ... ![]()
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
বিদেশ থাকা (অবশ্যই জীবন আর জীবিকার প্রয়োজনে) খুব কি আনন্দের ? প্রবাসীরা কি আমাদের মত ধর্মীয় বা জাতীয় উৎসবগুলোতে অতো মজা করতে পারে ? আমি জানিনা। বিদেশ বলতে শুধু ভারত আর নেপাল যাবার সৌভাগ্য আছে আমার।আমাদের বন্ধু সাখাওয়াত। রোজার সামান্য আগে বৌ আর একমাত্র ছেলেটাকে নিয়ে চলে গেলো কানাডা। সেই জীবন আর জীবিকার প্রয়োজনে...!!
ঈদের দিনও তাকে কাজ করতে হয়েছে, ফোনে জানালো। ওর কন্ঠের আর্দ্রতা টের পেয়েছি।
এই সব হাবি জাবি কারণে আমি জীবন আর জীবিকার প্রয়োজনে কোনদিন বিদেশ যেতে চাইনা....
ভাল থাকুন, অনেক ভাল
লেখক বলেছেন: কোনদিন পরবাসী হব-- সুদূরতম নিয়তেও এমনটা ভাবিনি। বিশেষ দায়ে পড়ে প্রবাসে এসেছি, আমাকে দিয়ে আর কারো বিচার করলে অন্যায় হবে। তবে যারা একটু সেটেলড অবস্থায় পৌঁছে গেছেন, নিজস্ব পরিমন্ডলে তাদের ঈদ-পালন খুবই উপভোগ্য হয়; এমনটাই মনে হয়েছে।
আপনার দেশে থাকার ইচ্ছেটার যেন কখনো অপমৃত্যু না হয়...
রাজামশাই বলেছেন:
ওরে নুশেরা দেখি পোষ্টে আমার নাম লিখছে.........নীলারে মাইনাচ
আর রাজামশাইরেও মাইনাচ - আগে পোষ্ট দেখে নাই দেইখ্যা।
লেখক বলেছেন: রাজামশাই, আপনার মন্তব্যে প্রজা ধন্য।
শিরোনামহীন বলেছেন:
কাউরে মাইনাস না। খালি নুশেরা আপুরে প্লাস। লেখক বলেছেন:
![]()
খালবিল বলেছেন:
দেশ ছাইড়া অনেকদিন ধইরা খাকি বিদেশ আর বিদেশে ঈদ কাটানো আমার জন্য বরাবরই কষ্টের। অন্যকোনদিন চোখের কোন না ভিজলেও এইদিন একটু যেন চোখটা জ্বালাপোড়া করে ঠিকই। হয়তো কঠিন মনের অধিকারী নই বলে। ভালো থাকবেন।
একটা লেখা লিখছি।
Click This Link
লেখক বলেছেন: আমাদের কঠিন না হয়ে উপায় কি বলুন...
আপনার লেখা পড়েছি। ভাল লেগেছে।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: পড়েছি, নমুনাও রেখে এসেছি
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ব্রহ্মপুত্র।
মেহবুবা বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ব বলে অপেক্ষায় থাকি ।ভাল থাকুন ,লিখতে থাকুন।
লেখক বলেছেন: মেহবুবা, আপনার লেখা আমার খুব পছন্দ। পূজা নিয়ে লেখাটা অসাধারণ লেগেছে; মনে গেঁথে যাওয়া একদম।
আরও লিখবেন, এবং, ভাল থাকবেন।
সাংবাদিক বলেছেন:
হাটি হাটি পা করে চলতে শুরু করেছে নতুন গ্রুপ 'সাংবাদিক'। সুচিন্তিত , সাহসী ও বস্তুনিষ্ঠ মতামত প্রকাশকারী ব্লগারদের এই গ্রুপে স্বাগতম জানাই। সত্যের পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম চালাতে আমরা দ্বিধাবোধ করি না। আমরা যা দেখি তাই লেখি কারণ আমাদের চোখ সবসময় প্রস্তুত সত্য উদঘাটনে আর আমাদের হাত সব সময় প্রস্তুত সত্য প্রকাশে। তো আর দেরী কেন? যদি হোন সাহসী সাংবাদিক কিংবা লেখক, এক্ষুণিই ঐক্যবদ্ধ হোন আমাদের সাথে। সদস্যপদ গ্রহণ করুন আমরা তো আছিই আপনার সাথে। শুভ হোক আপনাদের প্রতিটি ক্ষণ।
ক্লিক করুন :
http://www.somewhereinblog.net/group/Sangbadik
অচেনা সৈকত বলেছেন:
যাব্বাবা, ঘটনা কি?আমি আজকাল আপনার পোস্টে মন্তব্য করবার বেলায় 'লেট লতিফ' হয়ে যাচ্ছি।খুব রাগ হচ্ছে নিজের উপর। আপু,আপনি আমাকে ঈদের অভিজ্ঞতা লিখতে বলে নিজেই যে একখানা লেখা ছাড়লেন তাতে এখন আমারটা মুছেই দিব কিনা ভাবছি।
শেষ কথা:প্লাস একটা দিয়ে মন ভরল না।তাই অনেকগুলো প্লাস।
লেখক বলেছেন: পোস্ট তো রয়েছেই, একসময় পড়লেই হল ![]()
কক্ষনো মুছবেন না...
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন:
আপনার 'ছাইপাস' গোগ্রাসে গিলি........এবং পরবর্তী 'ছাইপাস' এর অপেক্ষায় থাকি...........। প্রবাসীদের ঈদ নিয়ে যে বিড়ম্বনা বিশেষ করে ঈদ এর দিন যে বেশির ভাগ প্রবাসীকে অফিস করতে হয় এ বিষয়টি আমাকে ভাবায়। আমার কাছে এটি মনে হয় তথা কথিত সভ্য দেশগুলোর অসচেতন অথবা সচেতন সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা। এটি হয়তো তারা বুঝে অথবা বুঝে না। বুঝলেও না বুঝার ভান করে। ফলে সংখ্যালগিষ্টের ধর্মীয় উৎসব তাদের ভাবায় না। যদিও সারা পৃথিবীতে তারা বৈচিত্রময়তা, গণতন্ত্র, প্রান্তিক মানুষের অধিকারের বুলি কপচায়। তাদের দেশে মূলধারার মানুষের উৎসবে সপ্তাহ-মাস ব্যাপী উৎসব-ছুটির সুযোগ থাকলেও সংখ্যালঘুদের জন্য এ সুযোগ নেই বললে চলে। তাদের বৃহত্তর গণতন্ত্রের আড়ালে সংখ্যালঘুর বেদনা-ঈদ আনন্দটা হারিযে যায়। আর হারিযে যাওয়াটা তারা টেরও পায় না।
............................................................................................
আবারও ঈদ ও পুজার শুভেচ্ছা...........আপনাদের সবাইকে..।
লেখক বলেছেন: সবাই যে ছুটিবঞ্চিত হয়, তা কিন্তু না। সেলফ-এমপ্লয়েড ব্যক্তিও নিজের প্রতিষ্ঠান/কাজ চালিয়ে যান, এমনও হয়। আসলে সবরকম উদাহরণই আছে। তারপরও সাম্প্রদায়িকতার একটা ঘটনা ঘটে ঠিকই।
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন:
পনশ্চ: বানানটা ভুল করলাম....তাড়াতাড়ির জন্য। ছাইপাশ হবে। সহ ব্লগারদের সম্পর্কে আপনার পর্যবেক্ষণের প্রশংসা করার দায়টা এড়াতে পারলাম না...........হা হা !
লেখক বলেছেন: মুনীরভাই, আপনি খুব দ্রুত টাইপ করেন, আমরা জানি ![]()
কিংশুক০০৭ বলেছেন:
রবিঠাকুরের কুঠিবাড়ীর গাছতলায় দাড়িয়ে ভাবছি উনি এখানে বসে
যা লিখেছিলেন আজি হতে শতবর্ষ আগে
আর আমরা পড়ছি তার লেখা শতবর্ষ পরে ।
লেখক বলেছেন: আহা...
আমি খুঁজি ঘুড়িটা কোথায় গেল ![]()
লেখক বলেছেন: সেঞ্চুরির জন্য বিবেক সত্যিকে অভিনন্দন!
লেখক বলেছেন: ওরে জেরী, তোমার দুষ্টুমিভরা কথা আমার খুবই ভাল লাগে ![]()
সাইফুল আকবর খান বলেছেন:
এসেছেন এক 'কেষ্টবিষ্টু'!
লিখে গেছেন আরো এক 'ছাইপাশ'!
আর, সেটাকে না কি আবার প্লাস দিতে হবে, সংশা দিতে হবে, পরবর্তী লেখাও চাইতে হবে, আরো কতো কী আদিখ্যেতা! ইস্!
না বাবা, আমি নাই ওসবের মধ্যে।
এইগুলা কোনো লেখাই হয় না। ধুর
লেখক বলেছেন: হেহ্ হেহ্ হে...
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
এবারে মন্তব্য পড়ি নাই। এমনিতেই শিরশিরে মাথাব্যথায় মরছি, এতো (১০৫) টা মন্তব্য পড়তে গেলে আমি শেষ!
এটা কি ভেবে দেখেন আপা, কী এক গুণে এত সহজেই শতের ঘর পেরোয়? মানুষের সাথে সম্পর্কের একটা সাবলীলতা না ঠাকলে মনে হয় এরকমটা করা যায় না।
এবারের ঈদটা সামাজিকতা-বিবর্জিত কাটাইছি, তাতে খারাপ লাগেনি তেমন। বেশ নিরিবিলিতায় কাটছে।
পয়সাপাতির ফুটানি দেখাটা খুব অ্যালার্জির মতো লাগে!
লেখক বলেছেন: মন্তব্য না পড়লেও চলবে... মাথাব্যথা সেরে যাক
।
নারে ভাই, পয়সাপাতির ফুটানি হয়তো না। আমি এভাবে দেখলাম, একটা মানুষ তার কোন শখ পূরণ করেছে, আপনজনদের সঙ্গে তা শেয়ার করছে খানিক আনন্দ-ফূর্তি ক'রে। ভবিষ্যতের জন্য আমাদের একটা শিক্ষার দরকার ছিল, এই যা।
















